Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন। আজকে আরও তিনমাস পরে সেই বিপদের উত্তাপ এবার নিচ থেকে ধীরে ধীরে ওপরের দিকে টের পাওয়া যাচ্ছে। গোটা বিষয়টা বোঝার জন্যে আবার একবার অক্সফ্যাম নামক এক সংস্থার গবেষণায় সমীক্ষার সংখ্যাগুলো পেশ করা যাক। ২০১৭ সালে যে পরিমাণ সম্পদের সৃষ্টি হয়েছে তার ৭৩ শতাংশ পৌঁছেছে ওপরের এক শতাংশের হাতে। দেশের সম্পদের ৭৭ শতাংশ ধরে রেখেছেন ওপরের দশ শতাংশ মানুষ। আমাদের প্রায় একশো চল্লিশ কোটির দেশ। তাহলে চোদ্দো কোটি মানুষ যে অর্থনীতির অঙ্কে দারুণ ভালো আছেন তা নিয়ে বিশেষ সন্দেহ নেই। অন্যদিকে বিভিন্ন হিসেবে সরকার বুঝিয়ে দিচ্ছেন যে আশি কোটি মানুষ নিম্নবিত্ত। তাদের কাছে সামান্য কিছু যা সাহায্য পৌঁছচ্ছে তার থেকে এই পরিসংখ্যানের আভাস পাওয়া যায়। চোদ্দ আর আশি মিলে চুরানব্বই, তাতেও বাকি থাকল প্রায় ছেচল্লিশ কোটি। খুব জটিল অঙ্ক না কষলেও এটা বোঝা যায় যে ভারতবর্ষে দিন আনা দিন খাওয়ার যন্ত্রণা সহ্য করতে হয় না এঁদের। এর মধ্যে কেন্দ্র রাজ্য মিলিয়ে সরকারি কর্মচারী প্রায় চার কোটি, আর প্রতি পরিবারে চারজন ধরে ষোলো হয়। ছেচল্লিশ থেকে ষোলো বাদ দিন, হাতে থাকবে তিরিশ। অর্থাৎ তিরিশ কোটি মধ্যবিত্ত মানুষ নির্ভর করে আছেন বেসরকারি ক্ষেত্রের রোজগারের ওপর। বোঝাই যায় যে সাত থেকে আট কোটি মতো মানুষ বেসরকারি অফিস, পরিষেবাক্ষেত্র বা বিভিন্ন ব্যবসা বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত। এঁরা মধ্যবিত্ত এবং ভীষণ বিপদে, কারণ অতিমারী পরিস্থিতিতে অর্থনীতির সংকোচনের সঙ্গে সঙ্গে কাজ হারানোর সম্ভাবনা বাড়ছে। এর মধ্যেই অনেকে চাকরি খুইয়েছেন, ব্যবসা লাটে উঠেছে। অনেকের ক্ষেত্রে বেতন কমেছে। এখনও পরিসংখ্যান সেভাবে বেরোয়নি, কিন্তু পরিস্থিতির চাপে চরম পথ নেওয়ার খবর আনাগোনা করছে সংবাদমাধ্যমের জানলায়।
টেলিভিশনের আলোচনায় সন্ধেবেলা সঞ্চালক জিজ্ঞেস করছেন এর সমাধান, বিশেষজ্ঞরা গম্ভীর মুখে উত্তর দিচ্ছেন। কিন্তু সকলেই জানেন এর উত্তর সহজ নয়। আর তার থেকেও বড় মুশকিল একেবারে নিম্নবিত্তের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার উপায় যেমন সরকারের জানা আছে, মধ্যবিত্তের কিন্তু সেই জায়গাটাই নেই। নিম্নবিত্তের কাছে ত্রাণের টাকা পৌঁছনো নিয়ে অনেক গল্প আছে, সত্যিই বরাদ্দ একশো টাকার মধ্যে ঠিক কত তাঁদের কাছে পৌঁছয় আর কতটা মাঝপথে উধাও হয়ে যায় সেটা আমাদের রাজনীতির মূল আলোচ্য বিষয়। শেষমেশ ত্রাণের একটা অংশ চুঁইয়ে তাঁদের কাছে পৌঁছয়। অন্যদিকে কোনও এক-দু’ কামরার আবাসের বারান্দা থেকে নীচের রাস্তায় চাল-ডাল বিলনো হচ্ছে দেখলেও মধ্যবিত্ত খুব সহজে সেই সারিতে দাঁড়াতে পারেন না। এ প্রসঙ্গে দু’-একটি ঘটনার কথা উদাহরণ হিসেবে বলতেই হয়। ধরুন এক কিশোরীর কথা। সময়টা হতে পারে ষাটের দশক, যখন তার বাবার ব্যবসাটা একবারেই চলছে না। অথবা আজকের কোভিড অতিমারী, যখন পিতৃদেবের বেসরকারি চাকরিটা গেছে। মেয়েটির বাড়িতে তিনবেলা খাবার হওয়া বন্ধ, অর্থাৎ সকালের জলখাবারের পাট চুকে গিয়েছে। এখন কোনওভাবে দুপুরের ভাত আর বিকেলের রুটি। পাশের বাড়ি বা ফ্ল্যাটে থাকে সেই কিশোরীর বান্ধবী। সৌভাগ্যবশত বান্ধবীর পরিবারে এখনও বজায় আছে স্বচ্ছলতা। সে হয়তো বারান্দায় দাঁড়িয়ে সকালের জলখাবারে পাউরুটি-মাখন খাচ্ছে আর তার ধারের অংশটুকু ছিঁড়ে ছিঁড়ে ফেলছে সামনে উড়তে থাকা কাকগুলোর জন্য। এ দৃশ্য দেখে যদি প্রথম কিশোরীর খিদে পায়, সে শুধু গিলতে পারে ছোট্ট দীর্ঘশ্বাস। গোপনে ফেলতে পারে চোখের জলটুকুই। একেবারে নিম্নবিত্ত পাশাপাশি বাস করা দুই পরিবারের একজনের অভুক্ত থাকার সঙ্গে মধ্যবিত্তের বিভাজন অনেকটা আলাদা। নীচের তলায় চাওয়ার লজ্জা খুব বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় না, কিন্তু মধ্যবিত্তের শরীর জাপটে থাকে বংশগত আত্মসম্মান। পাশের বাড়ি থেকে রবিবারের দুপুরে উড়ে আসা মাংসের ঝোলের গন্ধ প্রতি মুহূর্তে মনে করিয়ে দেয় অতীতে ঠিক কোথায় ছিলাম আর ঘটমান বর্তমানে কোথায় আটকে গেছি। মধ্যবিত্তের সন্তান অন্যের বাড়িতে গিয়ে আইসক্রিম কাপের তলাটুকু জিভ দিয়ে চাটলে বাবা-মা আড়ালে তাকে কানমলা দেন। সে সমস্যা নিম্নবিত্তের নেই।
মধ্যবিত্তের সংজ্ঞা পেরিয়ে আবার একটু অঙ্কে ফিরে আসি। আট কোটি মধ্যবিত্ত মানুষের রোজগার প্রতি মাসে গড়ে পঁচিশ হাজার টাকা করে ধরলে দাঁড়ায় দু’লক্ষ কোটি। অর্থাৎ বছরে চব্বিশ লক্ষ কোটি টাকা। মনে রাখতে হবে, আমাদের দেশের বাৎসরিক বাজেট তিরিশ লক্ষ কোটির কিছুটা বেশি। অর্থাৎ মধ্যবিত্তের যে বাজার তা বিপুল। আর এই মধ্যবিত্তের বাজারের উপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত। আজকের দিনে রেস্টুরেন্ট থেকে শুরু করে পর্যটন, শিক্ষা থেকে শুরু করে বিউটি পার্লার, সব জায়গাতেই লকডাউনের তীব্র প্রভাব। উচ্চ মাধ্যমিকের কয়েকটা পরীক্ষা বাকি থেকে যাওয়া অবস্থায় ভ্যান-রিকশায় সব্জি বিক্রি করতে হচ্ছে মধ্যবিত্ত বাড়ির ছেলেকেই। সারাদিন খেটে এসে ক্লান্ত চোখে চলছিল পড়া মুখস্থ। আজকে ভাগ্যিস সেই বাকি পরীক্ষাগুলো বাতিলের খবর এসেছে। সন্ধেবেলা আর পড়তে হবে না। কোনওমতে রিচার্জ করে আনা মোবাইল ফোনে সে জীবনমুখী গান শোনে। কিন্তু তার মধ্যেই আবার মাথায় আসে সামনের দিনে কলেজে ভর্তি হওয়ার দুশ্চিন্তা। তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে কাজ করা কোনও এক মধ্যবিত্তের চাকরিটা এখনও টিমটিম করছে, কিন্তু মাইনে কমেছে অনেকটা। একদিকে ইএমআই, অন্যদিকে সন্তানের ইস্কুলের ফি কিংবা গৃহশিক্ষকের বেতন। স্কুলের ফি নিয়ে গন্ডগোলে সেখানকার মালিক মাইনে কাটছে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের, তাঁরাও আবার মধ্যবিত্ত। শুধুমাত্র গৃহশিক্ষকতা করে মাসে হাজার কুড়ি টাকা রোজগার করতেন যে মানুষটি, লকডাউনে তিনি পড়েছেন মহা আতান্তরে। একদিকে ছাত্রের মা বলছে সাম্মানিক দিতে অসুবিধের কথা, অন্যদিকে নিজের মেয়ের জন্যে নতুন বছরের স্কুলের বইগুলো কেনা হয়নি। ভীষণ এক আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে মধ্যবিত্তের প্রতিদিন। রেললাইনের ধারে বসতি পুড়লে সেই বিপদ থেকে উদ্ধার পান নিম্নবিত্ত মানুষ। পাড়ার নেতা ত্রাণের ব্যবস্থা করেন, রাতের থাকার ব্যবস্থা হয় স্কুলবাড়িতে, আবার কিছুদিন পর শুরু হয় ত্রিপল টাঙিয়ে জীবনযুদ্ধ। মধ্যবিত্তের জীবনখাতায় সেই অঙ্ক মেলে না। সেখানে কাজের লোকের ছুটি হয়, ছেলেমেয়ের টিউশনের মাস্টার কাজ হারান, বাড়ির টেলিভিশন খারাপ হলে সারানো হয় না, সোফা ছিঁড়ে তুলো বেরতে থাকে, কাজ হারানো গৃহকর্তা বেলা এগারোটার পর বাজার যান শুকনো সব্জির সন্ধানে, পঞ্চাশ টাকা থেকে চালের কিলো নামে তিরিশে, আমিষ বলতে শুধু ডিম, পাতা ভুলে সস্তার ফোটানো চায়ের উষ্ণতায় দিন গড়ায়। এখানে একশো দিনের কাজ নেই।
তবে মনে রাখতে হবে, প্রথম বিশ্বের দেশগুলো এই বিষয়ে ভাবছে। মার্কিন দেশে যাঁরা কর দেন তাঁদের প্রত্যেকের ব্যাঙ্কে পৌঁছে গিয়েছে বেশ কয়েক হাজার ডলার। ঠিক সেরকমই আমাদের দেশেও বেসরকারি বহু কর্মচারী কর দেন, গাদা গাদা জিএসটি দেন বহু ব্যবসায়ী। সেখান থেকে পরিসংখ্যান নিয়ে তাঁদের আগের বছরের রোজগার এবং এ বছরের আয়ের তুলনা করে সরকার গত বছরের দেওয়া কর থেকে কিছুটা ফেরত দিতে পারেন। সরকারি ব্যাঙ্কের থেকে নেওয়া ঋণের ক্ষেত্রে ইএমআই আপাতত শোধ করতে হবে না সেকথাও বলতে পারেন। এরকম কথা সরকার বলেছেন, কিন্তু তাতে অনেকটাই ফাঁকি, কারণ সুদ চড়ছে ইএমআই না দিলে। অর্থাৎ দেশ যদি হয় কল্যাণকামী, তাহলে সমাজতন্ত্র বা পুঁজিবাদের কচকচিতে জনগণের জীবন বিপর্যস্ত হয় না। নিম্নবিত্তকে যেভাবে সামলানো যায় শিক্ষিত মধ্যবিত্তকে সেই পথে দমিয়ে রাখা কিন্তু শক্ত। সকলেই তো আর লুকিয়ে জীবন থেকে পালিয়ে যাবেন না। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া মধ্যবিত্ত যদি সবাই একসঙ্গে কোণঠাসা বিড়ালের মতো ফোঁস করে ওঠে, সরকারের পক্ষে তা সামলানো মুশকিল। পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার আগে নেতানেত্রীরা একটু ভাববেন কি?
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত 
04th  July, 2020
অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয় নির্দেশ—সবটা নিয়ন্ত্রিত হবে এক জায়গা থেকে। তার জন্য অত্যাধুনিক মোবাইল ভ্যান আনল কলকাতা বিমানবন্দর। ...

 হাসপাতাল চত্বরে চলাচলের রাস্তার ধারেই করোনা পরীক্ষার যাবতীয় বর্জ্য সহ পিপিই কিট পড়ে থাকতে দেখা গেল। যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার চাঞ্চল্য ছড়াল দেগঙ্গার বিশ্বনাথপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। ...

 সোয়াব বা লালারসের নমুনা দেওয়ার সময় মালদহে অনেকেই ভুল ঠিকানা দিচ্ছে বলে অভিযোগ। ইচ্ছাকৃতভাবে মোবাইল নম্বরও ভুল দেওয়া হচ্ছে। ...

  দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিত্যদিনের মতো সাংবাদিক সম্মেলন করছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ঠিক তখনই হোয়াইট হাউসের বাইরে পরপর গুলির আওয়াজ। মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ মাথা গরমের প্রবণতার ফলে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেবে। বিদ্যায় প্রতিকূলতার মধ্যেও সাফল্য আসবে। ব্যবসায়ীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস
১৭৬৫—ইস্ট ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে রবার্ট ক্লাইভ দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় দেওয়ানি স্বত্ত্ব লাভ করেন।
১৮৭৭: বহুভাষাবিদ তথা কলকাতার ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরির (জাতীয় গ্রন্থাগারের) প্রথম গ্রন্থাগারিক হরিনাথ দের জন্ম।
১৮৯৫: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরীর জন্ম।
• ১৯১৯: পদার্থবিজ্ঞানী বিক্রম আম্বালাল সারাভাইয়ের জন্ম
১৯৬০ - সঙ্গীতশিল্পী, লেখক, অনুবাদক ও ঠাকুরবাডীর প্রগতিশীল বিদুষী মহিলা ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীর মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৫ টাকা ৭৫.৭৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৫ টাকা ৮৯.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
11th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী ১৫/২ দিবা ১১/১৭। কৃত্তিকানক্ষত্র ৫৫/২৬ রাত্রি ৩/২৬। সূর্যোদয় ৫/১৬/৫, সূর্যাস্ত ৬/৭/৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৫ ম঩ধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৯ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ রাত্রি ৯/৬ গতে ১০/৩৫ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী দিবা ৮/১৯। কৃত্তিকানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে এবং ১/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৬ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫২ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

11-08-2020 - 08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

11-08-2020 - 08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

11-08-2020 - 07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

11-08-2020 - 06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:30:20 PM