Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ। সেই টাকা দেওয়া হবে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের। মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসের পর সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই শুরু হয়েছে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রকাশ ও টাকা ফেরানো। আর তাতেই তৃণমূলের পঞ্চায়েত ও ব্লক স্তরের বহু নেতার মাথা হেঁট হতে শুরু করেছে। অনেকে লজ্জায় ঘরবন্দি। এমনটাই হওয়ারই ছিল। সেটা জানতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তারপরেও তিনি তালিকা প্রকাশের সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন। তাঁর এই সিদ্ধান্ত শুধু সাহসীই নয়, সৃষ্টি করেছে অনন্য নজির।
ক্ষতিপূরণের তালিকা প্রকাশের অনেক আগেই বিভিন্ন জেলা থেকে শাসক দলের নিচুতলার নেতাদের স্বজনপোষণের নানা নমুনা প্রকাশ্যে এসেছিল। তা থেকেই বোঝা যাচ্ছিল, ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে দ্রুত ক্ষতিপূরণ পৌঁছে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তকে হাতিয়ার করে তৃণমূলের বহু মাতব্বরই সরকারি টাকা পকেটস্থ করেছে। ‘গৌরী সেনে’র টাকা ভেবে তা আত্মীয়দের পাইয়ে দিয়েছে।
গত ২০ মে উম-পুন ঝড়ের তিন দিন পর নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র নন্দীগ্রামে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ বিলি করতে গিয়েই দুর্নীতির আভাস পেয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপর নন্দীগ্রামের বিধায়ক হিসেবে সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি নিয়ে অভিযোগ উঠছে। অনেক পাকাবাড়ির মালিকের নাম রয়েছে। আবার বহু প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত বাদ পড়েছেন। কিন্তু আমি জানিয়ে দিচ্ছি, দোতলা, তিনতলা বাড়ির মালিকদের নাম ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা থেকে বাদ যাবে। চারজনের কমিটি তদন্ত করবে।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন ওয়েব সাইটে ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা আপলোড করতেই ঝুলি থেকে বেরতে শুরু করেছে বেড়াল। সেই তালিকায় এমন অনেক নেতা এবং তাঁদের আত্মীয়দের নাম রয়েছে, যাঁরা লজ্জায় মুখ দেখাতে পারছেন না। অনেকে ফোন পর্যন্ত ধরছেন না। সাংবাদিকদের প্রশ্ন করার আগেই কেউ কেউ জানিয়ে দিচ্ছেন, তাঁদের অজান্তেই টাকা ঢুকেছে। তাঁরা টাকা ফেরত দিয়ে দেবেন। তবে, নন্দীগ্রামের- ২ ব্লকের আমদাবাদ পঞ্চায়েত এলাকার এক ঠিকাদার তৃণমূল নেতার জবাব শুনে অনেকেই চমকে গিয়েছেন। ওই ঠিকাদার নেতা বলেছেন, ‘আমি প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ টাকা মানুষকে দান করি। ২০ হাজার টাকা আমার হাতের ময়লা। ওই টাকা আমি ফেরত দিয়ে দেব।’ এমন দাম্ভিক উক্তির পর অনেকেই বলছেন, ‘চোরের মায়ের বড় গলা’ প্রবাদটা এই সমস্ত মানুষের জন্যই যথার্থ।
উম-পুনের সঙ্গে এরাজ্যের আছড়ে পড়া ঝড়গুলির মধ্যে আয়লারই অনেকটা মিল আছে। ২০০৯ সালের ২৫ মে সেই ঝড় সুন্দরবন এলাকায় ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১২৫ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়েছিল। ভেঙেছিল হাজার হাজার ঘরবাড়ি। ত্রাণ এবং ক্ষতিপূরণ নিয়ে মানুষের ক্ষোভ ছিল তুঙ্গে। মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়ে উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জের সিপিএম বিধায়ক গোপাল গায়েনকে কাদাজলে দৌড়তে হয়েছিল। তাতেও রেহাই পাননি। ক্ষতিগ্রস্তরা সিপিএম বিধায়কের গালে কাদামাটি লেপে দিয়েছিল।
তারপরের দিন অর্থাৎ ৩ জুন হিঙ্গলগঞ্জের ত্রাণশিবিরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যও বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন। মানুষ তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিল, বাংলাদেশের সুন্দরবন এলাকায় যদি কংক্রিটের বাঁধ তৈরি হতে পারে, তাহলে ৩২ বছর ক্ষমতায় থাকার পর বাম সরকার সেটা করতে পারল না কেন? বুদ্ধদেববাবু জবাব দিয়েছিলেন। তবে একটু ঘুরিয়ে। বলেছিলেন, ‘৩২ বছর এই এলাকার জন্য সরকার কী করেছে, তার ফাইল আপনারা চাইলে পাঠিয়ে দিতে পারি।’ ঝড়ে বিধ্বস্ত গৃহহীন ক্ষুধার্ত মানুষের সেকথা হজম হয়নি। এক ব্যক্তি সপাটে উত্তর দিয়েছিলেন, ‘ওসব তাপ্পি মারা কথা আমাদের বলবেন না, স্যার।’ বেগতিক বুঝে বুদ্ধদেববাবু আর কথা বাড়াননি। কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটলে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সময় লাগে। সুস্থ, স্বাভাবিক জীবন আচমকা ঝড়ে যখন তছনছ হয়ে যায়, তখন সব তালগোল পাকিয়ে যায়। মানুষ অস্থির হয়ে ওঠে। দিন যত যায়, ভুক্তভোগী মানুষের ক্ষোভ ততই চরমে ওঠে। তার উপর ক্ষতিগ্রস্তদের মুখের গ্রাস, মাথার আচ্ছাদন কেড়ে নিলে তৈরি হয় জনরোষ। সেটাই স্বাভাবিক। তবুও মাতব্বরদের শিক্ষা হয় না। আসলে লুটেরাদের জামার রং বদলালেও চরিত্র বদলায় না।
এখন উম-পুনের ক্ষতিপূরণের টাকা আত্মসাৎকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, আয়লাতেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। ঘটনাটি হিঙ্গলগঞ্জ এলাকারই। তখন ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া হতো ১০ হাজার টাকা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের জন্য তৈরি করা হয়েছিল ১৪৭০ জন ক্ষতিগ্রস্তের নামের তালিকা। প্রশাসনের তৈরি ১১ পাতার ওই তালিকা মাঝপথে বদলে দেওয়া হয়েছিল। ভিতর থেকে তিনটি পাতা পাল্টে দেওয়া হয়েছিল। যোগেশগঞ্জ পঞ্চায়েতের ক্ষতিগ্রস্তদের ছেঁটে দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল সাহেবখালি পঞ্চায়েত এলাকার ৫৪ জনের নাম। বহু মানুষের লক্ষ লক্ষ টাকা লুট হয়েছিল। থানা-পুলিস হলেও শাস্তি হয়নি।
আয়লার সঙ্গে উম-পুনের প্রচুর মিল থাকলেও একটা মৌলিক পার্থক্য আছে। সেই পার্থক্যটা কৌশলগত। আয়লার পর ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থ আত্মসাতের পরিকল্পনা ছিল নিখুঁত। সর পড়া দুধের কড়াই থেকে স্ট্র দিয়ে দুধ সাবাড় করা হয়েছিল। তাই বাইরে থেকে বোঝা যায়নি, ভিতরের কতটা খালি হয়ে গিয়েছে। আর উম-পুনের বেলায় গ্লাসে ঢেলে দুধ চুমুক দিয়ে খেয়েছে। ফলে মুখে, গোঁফে দুধ লেগে গিয়েছে। দুধ খাওয়ার ছাপ স্পষ্ট।
আয়লার প্রসঙ্গ টেনে আনার উদ্দেশ্য এই নয়, তৃণমূল কংগ্রেসের মাতব্বরদের আড়াল করা,
বা তাদের অপরাধ লঘু করে দেখানো। গরিব
মানুষকে বঞ্চিত করে দোতলা, তিনতলা বাড়ির মালিকদের টাকা আত্মসাতের চেষ্টা শুধু অন্যায় নয়, শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
মাস দশেক পরেই বিধানসভা নির্বাচন। এমন এক সময়ে ক্ষতিপূরণ প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ এবং অপাত্রে যাওয়া টাকা ফিরিয়ে আনার নির্দেশকে ঘিরে উত্তাল রাজ্য‌ রাজনীতি। কেউ বলছেন, মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশে খুলে যাবে ‘প্যান্ডোরা বক্সের’ ঢাকনা।
রয়েছে গাঁ উজাড় হওয়ার আশঙ্কা। আবার কেউ বলছেন, দলের দুর্নীতিগ্রস্তদের ঢিট করতে
‘যেমন কুকুর তেমন মুগুর’ নীতি নিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। তাতে দলের সংগঠনের ক্ষতি হলেও সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে। তাই ঝুঁকি সত্ত্বেও তালিকা প্রকাশ যেমন সাহসী পদক্ষেপ, তেমনই রাজধর্ম পালনের অনন্য নজির।
‘রাজধর্ম পালন’ শব্দটা উচ্চারিত হলেই যে মানুষটার মুখ-চোখের সামনে ভেসে ওঠে তিনি আর কেউ নন, অটলবিহারী বাজপেয়িজি। সালটা ২০০২। অটলজি তখন ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী। গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে নরেন্দ্র মোদি। ২৭ ফেব্রুয়ারি ভয়াবহ গোধরা কাণ্ডের জেরে গুজরাতজুড়ে সাম্প্রদায়িক হিংসার আগুন। অহিংসার পূজারি মহাত্মা গান্ধীর রাজ্য তৈরি করেছিল নৃশংসতার ভয়ঙ্করতম নজির। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে উঠেছিল সাম্প্রদায়িকতায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ।
ঠিক তেমনই এক পরিস্থিতিতে মোদিজিকে পাশে বসিয়ে অটলজি সাংবাদিক সম্মেলন করেছিলেন। শুরুতে দু’জনেরই মুখে লেগেছিল হাসি। বাজপেয়িজি বলেছিলেন, ‘রাজার কাছে বা শাসকের কাছে প্রজায় প্রজায় ভেদ হয় না। জন্ম, জাতি বা সম্প্রদায় কোনও কিছুর ভিত্তিতেই শাসক প্রজায় প্রজায় ভেদ করতে পারেন না। তিনি নিজেও রাজধর্ম পালন করছেন, গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীরও উচিত তেমনটাই করা।’ দলের প্রধানমন্ত্রীর এই কথায় মিলিয়ে গিয়েছিল মোদিজির মুখের হাসি। তারপর নিজেকে সামলে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকে ফিরে চাপা গলায় মোদিজি বলেছিলেন, ‘আমিও তাই করছি, সাহেব।’ দেশের প্রথম শ্রেণীর সমস্ত সংবাদমাধ্যমের সামনে দলেরই একজন মুখ্যমন্ত্রীকে রাজধর্ম পালনের বার্তা দিয়ে সেদিন অটলজি ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন। দল, জাত, ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে রাজধর্ম পালনই একজন প্রকৃত প্রশাসকের কাজ, সেটা তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন। ভারতরত্ন সম্মান তো তাঁকেই শোভা পায়।
বাজপেয়িজির সেই ঐতিহাসিক উক্তি ভারতীয় রাজনীতিতে বারবার ঘুরে ফিরে এসেছে। ভবিষ্যতেও আসবে। উম-পুনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে ঘিরে সেই প্রসঙ্গ ফের উঠতে শুরু করেছে। অনেক বলছেন, সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই নির্দেশে প্রকাশ্যে এসেছে তাঁরই দলের একাংশের সরকারি অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা। তাতে দলের চরম ক্ষতি হতে পারে। সেই আশঙ্কা সত্ত্বেও প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে ক্ষতিপূরণ তুলে দেওয়াকেই তিনি প্রাধান্য দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন তালিকা প্রকাশের।
দলের স্বার্থ নয়, প্রাধান্য দিয়েছেন রাজধর্মকেই। 
04th  July, 2020
অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
 গ্রাম বাংলায় বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের কাজে সহায়ক হিসেবে নিযুক্ত ২৫ হাজার গ্রামীণ সম্পদ কর্মী বা ভিলেজ রিসোর্স পার্সন (ভিআরপি) ফের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ...

 রেওয়াজি খাসির মাংস কিংবা পদ্মার ইলিশ নয়। করোনা পরিস্থিতিতে এখন সব্জি ভাত খেতে গিয়েই হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয় নির্দেশ—সবটা নিয়ন্ত্রিত হবে এক জায়গা থেকে। তার জন্য অত্যাধুনিক মোবাইল ভ্যান আনল কলকাতা বিমানবন্দর। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ মাথা গরমের প্রবণতার ফলে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেবে। বিদ্যায় প্রতিকূলতার মধ্যেও সাফল্য আসবে। ব্যবসায়ীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস
১৭৬৫—ইস্ট ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে রবার্ট ক্লাইভ দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় দেওয়ানি স্বত্ত্ব লাভ করেন।
১৮৭৭: বহুভাষাবিদ তথা কলকাতার ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরির (জাতীয় গ্রন্থাগারের) প্রথম গ্রন্থাগারিক হরিনাথ দের জন্ম।
১৮৯৫: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরীর জন্ম।
• ১৯১৯: পদার্থবিজ্ঞানী বিক্রম আম্বালাল সারাভাইয়ের জন্ম
১৯৬০ - সঙ্গীতশিল্পী, লেখক, অনুবাদক ও ঠাকুরবাডীর প্রগতিশীল বিদুষী মহিলা ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীর মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৫ টাকা ৭৫.৭৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৫ টাকা ৮৯.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
11th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী ১৫/২ দিবা ১১/১৭। কৃত্তিকানক্ষত্র ৫৫/২৬ রাত্রি ৩/২৬। সূর্যোদয় ৫/১৬/৫, সূর্যাস্ত ৬/৭/৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৫ ম঩ধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৯ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ রাত্রি ৯/৬ গতে ১০/৩৫ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী দিবা ৮/১৯। কৃত্তিকানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে এবং ১/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৬ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫২ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

11-08-2020 - 08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

11-08-2020 - 08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

11-08-2020 - 07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

11-08-2020 - 06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:30:20 PM