Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে? ঘটনা হল এই, আই-ফোন ইত্যাদি তৈরি করে চীন বা বর্তমানে ভারতেরও বিরাট লাভ নেই। আই-ফোন পিছু চীনের লাভ হতো বড়জোর সাত ডলার, কিছুদিন আগে সংবাদে প্রকাশ। আসল লাভ মাইক্রোচিপ নির্মাতার, বা ডিজাইন সংস্থার, এবং অবশ্যই পেটেন্টধারীদের। চীনা পণ্য সস্তা হবার বড় কারণ এই যে, চীনে কোনও পেটেন্ট বা কপিরাইট চলে না। চীনা ফোন কোম্পানিগুলি শুরু হয়েছে ফিনিশ বা মার্কিন কোম্পানিগুলিতে হাত পাকানো ইঞ্জিনিয়ারদের হাত ধরে এবং, দেদার ডিজাইন থেকে শুরু করে প্রযুক্তির কুম্ভীলকবৃত্তি করে। এর সঙ্গে যোগ করুন স্পেশাল ইকনমিক জোনে অবস্থিত উদ্যোগগুলিতে লেবার ল ইত্যাদিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে, কমিউনিস্ট জমানার সরকারি একচ্ছত্র, প্রতিবাদহীন শাসনের সঙ্গে পুঁজিবাদী উদ্যোগ ও উৎপাদনশীলতার মিশেল ঘটিয়ে। শেষে, এসইজেডগুলিতে উৎপন্ন পণ্য যাতে অবিশ্বাস্যরকম সস্তা হয়ে সারা পৃথিবীর বাজার দখল করতে পারে, সেজন্য সরকারি ভরতুকি! চীনের বাজারে বিক্রি হওয়া পণ্য আর বিদেশের বাজারে চীনের এসইজেড থেকে রপ্তানিকৃত একই পণ্যের দাম যাচাই করলেই বোঝা যাবে ভর্তুকির পরিমাণ।
কাজেই, চীনা পণ্য কিনলেই যে চীনকে খুব সাহায্য করা হল আর, বয়কট করলে চোট দেওয়া হল, তা কিন্তু সবক্ষেত্রে নয়। অনেক ঝানু অর্থব্যবস্থাবিশারদের ধারণা, রপ্তানিকে ভর্তুকি দিতে দিতে চীনের অভ্যন্তরীণ অর্থব্যবস্থা কমজোর হয়ে আসছে। সেইসঙ্গে, পৃথিবীর বহু দেশকে দেওয়া ঋণ বা উদ্বৃত্ত বাণিজ্যের ডলার যদি দরিদ্র দেশগুলি দিতে অস্বীকার করে বা অপারগ হয়, তাহলে চীনের মুশকিল আছে। সর্বত্র তো আর পাকিস্তান বসে নেই, যে চীনের কলোনি হতে রাজি!
কথায় বলে, বিপদ একলা আসে না। যখন বিপদ এসে সদর দরজায় কড়া নাড়ে, খিড়কি বা জানালাগুলিতেও নানাবিধ খুচরো হাঙ্গামা দেখা দেয়। দেখুন না, করোনা নিয়ে গোটা বিশ্বের মতো ভারতও মহাবিপদে পড়েছে। উটকো ঝামেলা হয়ে উত্তর ভারতে খুচখাচ ভূমিকম্প, পশ্চিম ভারতে পঙ্গপাল, পুব ভারতে উম-পুন ঘূর্ণিঝড়, কাশ্মীরে যথারীতি জঙ্গি উপদ্রব আর, শেষে লাদাখে এই চীনা আগ্রাসনের ঘটনা! বিপদের চক্রব্যূহে মহাপরীক্ষা! তবে, এমতাবস্থায় ঘাবড়ে না গিয়ে বুক ঠুকে বড় বিপদের মোকাবিলা করলে আনুষঙ্গিক ছোটখাটো বিপদের হাত থেকে মুক্তি মেলে, আশ্চর্যজনকভাবে সম্বন্ধহীন সমস্যারও সমাধান হয়ে যায়।
শেষের বিপদটিকে ধরা যাক। চীন হঠাৎ যে আগ্রাসী মনোভাব দেখাল, তার সবচেয়ে যুক্তিগ্রাহ্য ব্যাখ্যা এরকম। কোভিড-১৯ অতিমারীর জন্য সারা পৃথিবীতে নিন্দিত চীন। সে ভাইরাস নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময়ে ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ভুলে ভাইরাস ছড়িয়ে ফেলার জন্য। পৃথিবীজুড়ে চীনের বিরুদ্ধে ইকনমিক স্যাংশন নেবার জন্য আমেরিকা পদক্ষেপ নিলে ভারত যাতে তার দোসর না হয়, সেজন্য ভারতকে চাপে রাখতেই চীনের এমন আগ্রাসন। কিন্তু, এমন চিন্তা আসল সমস্যার সরলীকৃত বয়ান মাত্র। চীন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোভিড-১৯ বড় বিপদ নয়, বিশ্বের সুপার পাওয়ার হতে চাওয়া চীনের হাতে থাকা অনেক অস্ত্রর মধ্যে একটি। অনেকেই নিশ্চিত, ভ্যাক্সিন হাতে রেখেই উহানের গবেষণাগার থেকে বেরিয়েছে কোভিড-১৯! তাতেই টাল খেয়ে গিয়েছে বিশ্বের অর্থব্যবস্থা। ঝপাঝপ শেয়ার পড়েছে নামী বহুজাতিকদের এবং, শেয়ারগুলি কেনার জন্যই যেন চীনা সংস্থারা তৈরি হয়ে বসেছিল! চিন্তাশীলদের প্রথম প্রশ্ন, উহান থেকে সুইডেন-নরওয়ে উল্টোদিকে পেরু-ব্রাজিল অবধি ছড়িয়ে গেল যে ভাইরাস, ঘরের কাছে শিঞ্জিনে-সাংহাইতে তার পাত্তা পাওয়া গেল না, এ আজব ব্যাপার নয়?
যাই হোক, লাদাখের আগ্রাসন আসলে কিছুটা চীনের সাম্রাজ্যবিস্তারের তাগিদ আর অনেকটাই অর্থনৈতিক কারণে। গলওয়ান হল সিন্ধুনদের চারটি উপনদীর একটি এবং, চীনের এই মুহূর্তে যা সবচেয়ে বেশি দরকার তা হল শুদ্ধ জল। তাছাড়া, যে আকসাই চীন বা লাদাখে ঘাসের একটি ব্লেড দেখা যায় না বলে অকাজের বলে মনে করেছিলেন নেহরু, সেই অঞ্চল ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ তো বটেই, শুকনো, ঠান্ডা, দূষণহীন বাতাবরণ এবং, গ্লেসিয়ার গলা শুদ্ধ জলের দরুণ সেমিকন্ডাক্টর, মাইক্রোচিপ ইত্যাদি বানানোর জন্য আদর্শ জায়গা। যে ইলেক্ট্রনিক শিল্পের জন্য চীনের এত নামডাক, এত হইচই, সেই শিল্পের প্রাণভোমরা হল এই সেমিকন্ডাক্টর, চিপ ইত্যাদি। চীনের বিপুল চাহিদার বড়জোর পঁচিশ শতাংশ চীন নিজে তৈরি করে, আর বিশ্বে এই মহার্ঘ বস্তু উৎপাদনে তাইওয়ান-মার্কিন মুলুক হল শীর্ষে! এবার কি তাইওয়ান দখলে চীনের আস্ফালনের আরেকটি কারণ দেখা যাচ্ছে? তাছাড়া, ভারত যে হারে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল বরাবর পরিকাঠামো উন্নত করে যাচ্ছে, তা চীনের জন্য শিরঃপীড়ার কারণ বইকি! দৌলত কি ওন্ডি এয়ারস্ট্রিপে ভারত এখন হারকিউলিস সুপার বিমান নামাচ্ছে। আকসাই চীন, গিলগিট-বালটিস্তান এবং অবশ্যই বিলিয়ন বিলিয়ন ইউয়ান ব্যয়ে নির্মিত চীন-পাকিস্তান-ইকনমিক করিডোর নিশানার মধ্যে।
এই আবহে দেখে নেওয়া যাক চীনা পণ্য বয়কটে আমাদের করণীয়টা কী।
প্রথম, চোখ বন্ধ করে চীন-বিরোধিতা নয়। প্রয়োজনে গলওয়ানের মতো ঠ্যাঙানি, যেখানে ভিয়েতনামের পর চীন উচ্চপদাধিকারী সমেত ভারতের দেড়্গুণ সেনা খুইয়েছে। কিন্তু, তা বলে যুদ্ধ বাধাবার কিছু নেই। চীনের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা মিটিয়ে নেওয়াই ভালো। অনেক পণ্য, বিশেষত চীনের ক্যাপিট্যাল গুডস এখনই বয়কট করলে মার খাবে দেশের উৎপাদন শিল্প। তবে, ফ্যান্সি পুতুল বা ফার্নিচার চীন থেকে আমদানির কোনও যুক্তি নেই। অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা।
দুই, বিকেন্দ্রীকরণ। করোনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখাচ্ছে, আট-ন’টি বৃহৎ নগরী এবং শিল্প-উদ্যোগস্থল হল রোগের ডিপো। আবার, এগুলোই দেশের অর্থনৈতিক কেন্দ্র বলে আর্থিক দুরবস্থা! লাগাতার লকডাউন চললে অর্থব্যবস্থা ধসে যাবে। এখানে, চীনের কাছে কিছু শিক্ষণীয় আছে। চীনের আসল শক্তি হল অগুনতি ছোট ছোট উদ্যোগ। বৃহৎ উদ্যোগ স্থাপনেও যেমন অনেক হ্যাপা, যথা বিরাট অর্থব্যয়ে কেনা জমি-যন্ত্রপাতি-কারখানা তেমনি, চালানোও ঝামেলার। মিনিমাম অর্ডার কোয়ান্টিটি বেশি না হলে কোন অর্ডার নেওয়াই যাবে না। আর, উদ্যোগ না চললে ঋণদাতা ব্যাঙ্ক থেকে শুরু করে অনেকের পয়সা ডুবল। পক্ষান্তরে, ছোট উদ্যোগ অনেক নমনীয়। ছোটখাট অর্ডার পেলেও কাজ চালিয়ে নিতে পারে, কম লাভেও কাজ করতে পারে। তাই, পণ্য হবে সস্তা। ভারত যে লঘু উদ্যোগকে সহায়তা দিচ্ছে তা শুভকাজ। কিন্তু, দিল্লি-মুম্বাই-চেন্নাইতেই থাকলে মুশকিল। দেশময় যদি উৎপাদন ব্যবস্থা ছড়িয়ে পড়ে, তবে, কোনও এক প্রান্তে রোগের প্রকোপই হোক বা পঙ্গপাল-ঘূর্ণিঝড়ের হানা, অর্থব্যবস্থার সামগ্রিক চক্র চলতেই থাকবে। আর, এক-দু’টি বৃহৎ উদ্যোগের বদলে পঞ্চাশটি ছোট-মাঝারি উদ্যোগ মানে আঞ্চলিক ও আর্থিক বৈষম্য কমা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি। চীনা বাইসাইকেলের বদলে শুধু হিরো সাইকেল রাজত্ব করুক, সেটা ভালো হবে, না আসানসোলের সেন র‌্যালে পুনরুজ্জীবিত হয়ে রাঢ়বঙ্গের পাঁচশো ছেলেমেয়েকে চাকরি দিলে বেশি খুশি হবেন?
তিন, চীনা পণ্য সস্তা হবার এক বড় কারণ, অত্যন্ত সস্তা কাঁচামাল। ভারতকে লৌহ-আকর রপ্তানি বন্ধ করে ইস্পাত এবং তামা, অ্যালুমিনিয়াম ও বিভিন্ন উন্নততর অ্যালয় উৎপাদনে মন দিতে হবে।
চার, কৃষি ও গ্রামোন্নয়ন। চীনকে যে অস্ত্রে ভারত সহজে ঘায়েল করতে পারে তা হল কৃষি ও সংশ্লিষ্ট শিল্পে। বোধকরি, ২০০৮ সালের পর থেকে ভারতে চীনের কৃষিজ পণ্য রপ্তানি প্রায় শূন্য হয়ে এসেছে, পক্ষান্তরে ভারতীয় কৃষি-রপ্তানি বাড়ছেই। ভোজ্য তেল বলুন, পশুখাদ্য যথা ভুট্টা বা তেলবীজের খোল ইত্যাদিতে চীনের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। ভারত ছাড়া উপায় নেই। আর, ভারতের আত্মা থাকে গ্রামে। এই সত্য করোনার আলোতে বুঝে নিয়ে গ্রাম-ভারতকে সমৃদ্ধ করে তুললে কোন ঝড়-ভূমিকম্প-মিসাইল-বোমার ভয় আমাদের? দশটি নগরীকে বিপদে ফেলা যায়, একলক্ষ গ্রামকে নয়।
 লেখক অর্থনীতির বিশ্লেষক। মতামত ব্যক্তিগত  
03rd  July, 2020
অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 রেওয়াজি খাসির মাংস কিংবা পদ্মার ইলিশ নয়। করোনা পরিস্থিতিতে এখন সব্জি ভাত খেতে গিয়েই হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ...

 গ্রাম বাংলায় বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের কাজে সহায়ক হিসেবে নিযুক্ত ২৫ হাজার গ্রামীণ সম্পদ কর্মী বা ভিলেজ রিসোর্স পার্সন (ভিআরপি) ফের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ...

  দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিত্যদিনের মতো সাংবাদিক সম্মেলন করছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ঠিক তখনই হোয়াইট হাউসের বাইরে পরপর গুলির আওয়াজ। মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ মাথা গরমের প্রবণতার ফলে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেবে। বিদ্যায় প্রতিকূলতার মধ্যেও সাফল্য আসবে। ব্যবসায়ীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস
১৭৬৫—ইস্ট ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে রবার্ট ক্লাইভ দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় দেওয়ানি স্বত্ত্ব লাভ করেন।
১৮৭৭: বহুভাষাবিদ তথা কলকাতার ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরির (জাতীয় গ্রন্থাগারের) প্রথম গ্রন্থাগারিক হরিনাথ দের জন্ম।
১৮৯৫: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরীর জন্ম।
• ১৯১৯: পদার্থবিজ্ঞানী বিক্রম আম্বালাল সারাভাইয়ের জন্ম
১৯৬০ - সঙ্গীতশিল্পী, লেখক, অনুবাদক ও ঠাকুরবাডীর প্রগতিশীল বিদুষী মহিলা ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীর মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৫ টাকা ৭৫.৭৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৫ টাকা ৮৯.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
11th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী ১৫/২ দিবা ১১/১৭। কৃত্তিকানক্ষত্র ৫৫/২৬ রাত্রি ৩/২৬। সূর্যোদয় ৫/১৬/৫, সূর্যাস্ত ৬/৭/৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৫ ম঩ধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৯ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ রাত্রি ৯/৬ গতে ১০/৩৫ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী দিবা ৮/১৯। কৃত্তিকানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে এবং ১/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৬ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫২ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

11-08-2020 - 08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

11-08-2020 - 08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

11-08-2020 - 07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

11-08-2020 - 06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:30:20 PM