Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। ভাবেনি, এমনটাও হতে পারে। যে ভাবনা তাঁর এসেছিল কার্ল মার্কসের জীবন থেকে। তাঁর লেখা থেকে। থিওরি থেকে। রাইনল্যান্ড নিউজে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে কার্ল মার্কস বুঝেছিলেন, প্রুশিয়ান সাম্রাজ্যবাদের সঙ্গে আধুনিকতা কখনও এক পথে হাঁটতে পারবে না। আর্নল্ড রুজকে তিনি লেখেন, ‘দাসত্ব কোনও অবস্থাতেই মেনে নেওয়া যায় না... স্বাধীনতা প্রাপ্তির জন্যও না। এক হাত খুলে দিয়ে বলা হল, তুমি উড়তে পারো... আর অন্য হাতটা পিছনে বেঁধে রাখল... এভাবে উড়ান সম্ভব নয়। এই দ্বিচারিতায় ক্লান্ত হয়ে পড়েছি।’ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন মাও সে তুংও। কার্ল মার্কস আর বামপন্থা তাঁকে স্বপ্ন দেখিয়েছিল। লং মার্চ... গোটা বিশ্ব নড়েচড়ে বসেছিল চীনের দক্ষিণ-পূর্ব থেকে উত্তর-পশ্চিমের সেই দীর্ঘ যাত্রায়। অন্য এক অভিজ্ঞতা হয়েছিল মাওয়েরও। যাত্রা শুরুর সময় তাঁর সঙ্গী ছিল ৮৫ হাজার। ৬ হাজার মাইলের পর সেই কমরেড সংখ্যা নেমে এসেছিল ৮ হাজারে। চীনকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন সফল করতে নেমে দু’টি উপলব্ধি হয়েছিল মাও সে তুংয়ের। প্রথমত, কৃষকদের সংগঠিত করা অতটা সহজ নয়। কারণ, তাঁদের চাষ আছে... পরিবার আছে। আর রয়েছে সেই পরিবাবের পেট চালানোর চিন্তা। দ্বিতীয়ত, বন্দুকের নলই ক্ষমতার উৎস। ক্ষমতার সর্বোচ্চ শিখরে ওঠার পথ মসৃণ করতে কমিউনিজমকে নিজের মতো ভাঙাগড়া করে নিয়েছিলেন মাও। আজ আরও একবার সেই বদলের উচ্চাকাঙ্ক্ষার খোয়াব জমাট বেঁধেছে চীনের আকাশে। যার কারিগর... জি জিনপিং।
দুনিয়ার অধিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। করোনা ভাইরাস সবার আগে হানা দিয়েছিল চীনে। সেখান থেকে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে যা মহামারীর আকার ধারণ করেছে। স্তব্ধ করে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে। আর চীন যখন এই রোগের প্রকোপ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজে নিয়েছে, তখন একে একে আক্রান্ত হয়েছে আমেরিকা, ইউরোপ, দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলি। জিনপিং ভেবেছেন, এটাই সময়। বাকিরা ধুঁকছে... আর চীন সেই সুযোগ নিয়ে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে নেবে নিজের অর্থনীতি। শুধু তাই নয়, একটু একটু করে গ্রাস করবে দক্ষিণ এশিয়াকে। কখনও অর্থ জুগিয়ে, আবার কখনও দাদাগিরি করে। গত এপ্রিল মাসেই একটি ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘বিপর্যয়ের ধ্বংসস্তূপের উপরই গড়ে ওঠে নতুন ইতিহাস’। রাজনৈতিক দিক থেকে মাও সে তুংকে অনুসরণ না করলেও জিনপিংয়ের লক্ষ্য যে অন্য কেউ নন, সেটাই আর একবার বুঝিয়েছিলেন তিনি। বিপর্যয় এখানে করোনা মহামারী। আর নতুন ইতিহাস? চীনের একচ্ছত্র আধিপত্য। কিন্তু সময়ের চাকা কি সেই পথেই গড়াচ্ছে?
হংকংকে স্বাধিকারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল চীন। কথা রাখেননি জিনপিং। তাই মহামারীর আবহেও বিক্ষোভ স্তিমিত হয়নি ওই একফালি ‘রাষ্ট্রে’। বরং বাড়ছে। সেনকাকু দ্বীপ জাপানের অধীনে। সেখানে খবরদারি করতে শুরু করেছে চীন। দক্ষিণ চীন সাগরে ক্ষমতা জাহিরের জাহাজ ভাসিয়েছে তারা। তাইওয়ানকে দমন করতে চাইছে। সীমান্তে বাঁধ নির্মাণ করে জল বন্ধ করে দিয়েছে ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, লাওস, কম্বোডিয়ার। আর সবশেষে আঘাত হেনেছে ভারতের সার্বভৌমত্বে। শুধু বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পে থমকে থাকেননি জিনপিং। লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা টপকেছে লালফৌজ।
বেল্ট অ্যান্ড রোড চীনের দীর্ঘদিনের অভিসন্ধি। ২০১৩ সালে এই প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন জিনপিং। সড়ক, রেল এবং জলপথে জুড়বে এশিয়া, মধ্য ও পূর্ব ইউরোপ এবং আফ্রিকা। পশ্চিমে চীনের ইতিহাস-প্রাচীন বাণিজ্য পথ, উত্তরে মার্কো পোলো ও ইবন বতুতার সিল্ক রুট এবং দক্ষিণে অ্যাডমিরাল ঝেং হে’র সমুদ্রপথ। মুখে বলছেন, পারস্পরিক বাণিজ্যপথ সহজ করার, সংস্কৃতি আদান-প্রদানের মাস্টার প্ল্যান। আসলে এর নেপথ্যে অন্য অঙ্ক রয়েছে জিনপিংয়ের। এই তালিকায় নাম লেখানো ৭০টা দেশ ও সংগঠন বাণিজ্য ক্ষেত্রে ওঠবস করবে চীনের কথায়। চীনা ঋণের জালে জড়িয়ে যাবে একের পর এক দেশ। বাধ্য হবে বাণিজ্য ও স্ট্র্যাটেজিক স্বার্থে চীনকে জমি ব্যবহারে অনুমতি দিতে। অন্য দেশেও গড়ে উঠবে চীনের বেস। নামবে যুদ্ধবিমান। আর দ্বিতীয়ত, চারদিক থেকে ঘিরে ফেলা যাবে ভারতকে। তারপর জিনপিং ধীরে ধীরে গ্রাস করবেন উপমহাদেশের বাজার অর্থনীতি। ভারতের সার্বভৌমত্ব। যা জিনপিংয়ের অন্তর্নিহিত অভিপ্রায়। করোনা আবহে নেট দুনিয়ার মারাত্মকভাবে চলছে একটি শব্দবন্ধ—‘নিউ নর্মাল’। চীনও অর্ধেক দুনিয়াকে এমনই এক ‘নিউ নর্মাল কলোনি’তে পরিণত করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে আসরে নেমেছে।
মোকাবিলা করছে ভারত। শহিদ হচ্ছেন সেনা জওয়ানরা। ৫০০ মিটারের মধ্যে দাঁড়িয়ে টক্কর দিচ্ছে ভারতের বাহিনী। আকাশসীমায় উড়ছে মিগ, সুখোই। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সর্বদল বৈঠকে বলছেন, চীন আমাদের ভূখণ্ড অধিকার করেনি। তাহলে এই সীমান্ত-টেনশন কেন? বক্তব্য নিয়ে জলঘোলা হলে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সাফাই-বিবৃতি দেওয়া হচ্ছে। আর তারপর মোদিজি ‘মন কি বাত’-এ বলছেন, আমাদের ভূখণ্ডে নজর দেওয়া লোকজনকে কড়া জবাব দেওয়া হয়েছে। বাস্তবটা কী? চীনের নামটা পর্যন্ত জনসমক্ষে মোদি কেন উচ্চারণ করছেন না? লাদাখে ঠিক কী হচ্ছে? এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর ধোঁয়াশায় ঢেকে রয়েছে। বিরোধীরা চেঁচামেচি করছেন—সঠিক চিত্রটা আমাদের দেখাতে হবে। কিন্তু বিজেপির নেতৃত্বাধীন সরকার তা করছে না। বরং খবর আসছে সেনা মোতায়েনের। তিন বাহিনীর হাঁকডাকের। অর্থটা কী? চীন কি সত্যিই ভারতের ভূখণ্ড অধিকার করেছে? আর সেটা যদি সত্যি হয়, তাহলেও কি ভারত শুধু হম্বিতম্বি করেই চুপ করে যাবে? জিনপিংয়ের কমিউনিস্ট সরকার যদি সত্যিই এমন কোনও ঘটনা ঘটিয়ে থাকে, তাহলে কিন্তু শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যাবে না। নরেন্দ্র মোদি মাল্লাপুরমে জি জিনপিংয়ে ডেকে দোলনায় দুলবেন, দু’দেশের ঐতিহ্যের বাণী শোনাবেন, আর তারপর চীন আমাদের জমি দখল করে নেবে... এই বিদেশনীতি তামাম ভারতবাসী মেনে নেবে না।
আর একটা সম্ভাবনা অবশ্য আন্তর্জাতিক মহলে এখন ঘোরাফেরা করছে। সেটা হল, নতুন অক্ষের জল্পনা। অস্ট্রেলিয়া, জাপান, আমেরিকা জোটবদ্ধ হচ্ছে চীনের বিরুদ্ধে। পাশে দাঁড়াচ্ছে ভারতের। কথাবার্তা চলছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে। আর এটা গুজব নয়। শত্রু বাড়ছে জিনপিংয়ের। অর্থনীতি হোক বা সমরশক্তি... আমেরিকা, জাপান, ইউরোপকে একসঙ্গে টক্কর দেওয়ার ক্ষমতা কি চীনের আছে? কারণ, যুক্ত হবে পরমাণু শক্তিধর ভারতও। বন্ধু পাকিস্তানকে দিয়ে আর যাই হোক, ভারত-আমেরিকাকে ঠেকানো যাবে না। খুব বেশি হলে করাচি বন্দর বা লাহোর এয়ারস্পেস ব্যবহার করবে চীন। সেটাও যথেষ্ট নয়। কারণ, এই সংঘাতে কোনও জোটসঙ্গী পাবে না বেজিং। কতদিন আর সাইবার সন্ত্রাস দিয়ে বিশ্বকে বোকা বানানো যাবে?
সহজ সত্য। অথচ সেটাই হেলায় উড়িয়ে, ক্ষমতার স্বপ্নে বুঁদ হয়েছেন জিনপিং। সমরসজ্জায়, প্রশিক্ষণে শত শত কোটি ডলার খরচ করছেন তিনি। কোটি কোটি মানুষ কিন্তু এখনও চীনে দারিদ্রসীমার নীচে বাস করেন। সেদিকে তাঁর নজর নেই। বরং জি জিনপিং একটা লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছেন। ২০৪৯ সাল। কমিউনিস্ট শাসনের শতবর্ষ। ওই বছরের মধ্যে শেষ হবে বেল্ট অ্যান্ড রোড। ওই বছরই বিশ্বে আধিপত্যের ছড়ি ঘোরাবে চীন... এটাই জিনপিংয়ের উচ্চাকাঙ্ক্ষা। আর একটা তারিখ মনে পড়ছে... ২৬ এপ্রিল, ১৯৮৬। সোভিয়েত সরকারের পতনের ইঙ্গিত নিয়ে এসেছিল চেরনোবিলে পারমাণবিক বিপর্যয়। আকাশ থেকে মাটিতে আছড়ে পড়ার মতো ছিল সেই পতন।
তারিখটা জিনপিং ভুলে যেতে পারেন। ঘটনাটা ভোলা উচিত নয়।
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
দুষ্টের দমনেই
জন্মায় আস্থা
তন্ময় মল্লিক

এক বালতি দুধ নষ্ট করার জন্য এক ফোঁটা গোচোনাই যথেষ্ট। কথাটা সকলেরই জানা। ব্যক্তিজীবন থেকে সমাজজীবন, এমনকী রাজনীতিতেও এর প্রমাণ মিলেছে বারবার। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচন তার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। বিশদ

27th  June, 2020
বেশি নম্বর, অধিক
আসন ও ঠান্ডা মাথা
শুভময় মৈত্র

দেশজুড়ে পরীক্ষা নিয়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি। বিভিন্ন নিয়ামক সংস্থা এবং বোর্ড এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না যে পরীক্ষা হবে কি হবে না। বেশ কিছু অভিভাবক মনে করছেন করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। বিষয়টি একেবারে যুক্তিপূর্ণ। বিশদ

27th  June, 2020
নেতৃত্বের পরীক্ষা
সমৃদ্ধ দত্ত

 সফলভাবে করোনা ভাইরাসকে আটকে দেওয়া মহিলা রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে এই নেতাদের সবথেকে বড় যে পার্থক্যটি চোখে পড়েছে, সেটি হল, পরামর্শ গ্রহণের প্রক্রিয়া। অর্থাৎ কনসাল্টেশন। মহিলা রাষ্ট্রপ্রধানরা প্রায় প্রত্যেকেই এক্সপার্ট গ্রুপ, বিশেষজ্ঞ মেডিকেল প্রফেশনাল, বিজ্ঞানীদের প্যানেল এবং অন্য সফল দেশের ম্যানেজমেন্টকে দ্রুত প্রয়োগ করেছেন। বিশদ

26th  June, 2020
সঞ্চয়ে সুদের হার নিম্নমুখী, উদ্বেগে সবাই
দেবনারায়ণ সরকার

 বর্তমান অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করার সময় অর্থ মন্ত্রকের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা কৃষ্ণমূর্তি সুব্রহ্মণ্যম বর্তমান আর্থিক সমীক্ষায় বলেছিলেন, অর্থনীতির চাকা ঘোরাতে গেলে উচ্চ সমৃদ্ধির হার আবশ্যক। উচ্চ সমৃদ্ধির হার তখনই সম্ভব যখন সঞ্চয়, বিনিয়োগ ও রপ্তানির গুণগত চক্রের স্থায়িত্ব বজায় থাকে।
বিশদ

26th  June, 2020
বয়কটের রাজনীতি চীনকে দমাতে পারবে কি?
হারাধন চৌধুরী

গত মার্চের শেষদিকে বিশ্বের নজর কেড়েছিল করোনা-বিধ্বস্ত উহান। মাত্র ছ’দিনে একটি বড় হাসপাতাল তৈরি করে। আগেই চীনের ঝুলিতে ছিল সাতদিনে একটি আস্ত হাসপাতাল নির্মাণের অভিজ্ঞতা। ২০০৩ সাল।
বিশদ

25th  June, 2020
শত্রুপক্ষের সব রণনীতি এবং নেতৃত্বের ভাবধারণা জানা প্রয়োজন
শুভাগত জোয়ারদার

চীনের মহান রণনীতি বিশেষজ্ঞ সান তজু তাঁর বিখ্যাত ‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ বইতে বলেছেন—‘যদি তুমি তোমার শত্রু এবং নিজেকে জানো, তবে শতবার যুদ্ধেও ফল নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। যদি তুমি নিজেকে জানো কিন্তু শত্রুকে নয়, তবে প্রতিটি যুদ্ধ জয়ের পাশাপাশি পরাজয়ের গ্লানিতেও তোমাকে ভুগতে হবে। যদি তুমি না শত্রু, না নিজেকে জানো তবে প্রতিটি যুদ্ধে তোমায় জখম হতে হবে।’
বিশদ

25th  June, 2020
নেপাল: কলকাত্তা কালীর শরণাপন্ন রাজনাথ
কুমারেশ চক্রবর্তী

ছোটবেলায় আমরা ‘ম্যাপ-ম্যাপ খেলা’ খেলতাম। দাদাদের বাতিল ম্যাপের ওপর লাল পেন্সিল দিয়ে একটা ক্রসহচিহ্ন এঁকে জায়গাটা দখল করতাম, শর্ত একটাই, জায়গাটার নাম বলতে হবে। এইভাবে আমরা কত নগর, রাজ্য, দেশের মালিক হয়েছি!  বিশদ

24th  June, 2020
অসুরকে শিবের অভয়বাণী, মা ছাড়া গতি নেই
সন্দীপন বিশ্বাস

সাতসকালে হন্তদন্ত হয়ে উদ্‌ভ্রান্তের মতো কৈলাসে হাজির মহিষাসুর। ‘মহাদেব ভবনে’ ঢোকার মুখেই বাধা পেলেন। নন্দী আর ভৃঙ্গী হাঁই হাঁই করে বললেন, ‘একদম ভিতরে ঢোকার চেষ্টা কোরুনি।   বিশদ

24th  June, 2020
সীমান্তের এপারে ‘আসল’ ভারত
শান্তনু দত্তগুপ্ত
 

মাত্র ২০ বছর বয়স চাঁদ মহম্মদের। দিল্লির সীলামপুরে একটি ঝুপড়িতে থাকে সে মায়ের সঙ্গে। ঠিকাদার সংস্থায় নাম লিখিয়ে একটি চাকরি সে পেয়েছে। খুব দরকার ছিল চাকরিটা। আট ঘণ্টার ডিউটি লোকনায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালে। কাজ? কোভিড আক্রান্তদের মরদেহ নিয়ে যাওয়া... হাসপাতালের মর্গ থেকে শ্মশানঘাট পর্যন্ত।  
বিশদ

23rd  June, 2020
জ্বর হলে জগন্নাথদেব মাস্ক
পরেন, মানেন দূরত্ববিধি
মৃন্ময় চন্দ

ইতিহাস ২৮৫ বছরের, এই প্রথমবার, একটা পুঁচকে ভাইরাস ঝামেলা পাকিয়েছিল জগন্নাথদেবের রথযাত্রায়। ফুলবাবু হয়ে, সেজেগুজে, গায়ে একরাশ সুগন্ধি ঢেলে, আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়াতে প্রতিবছর নিয়ম করে বোন সুভদ্রা আর দাদা বলভদ্রকে নিয়ে মাসির বাড়ি বেড়াতে যান তিনি। 
বিশদ

23rd  June, 2020
একনজরে
সুব্রত ধর, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়িতে করোনার ‘সন্ত্রাস’ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। ইতিমধ্যে শহরে আক্রান্তের সংখ্যা ৩০০ ছুঁই ছুঁই। এবার কোভিড মোকাবিলায় প্রস্তুত করা হল অ্যাকশন প্ল্যান। সোমবার দার্জিলিং জেলা প্রশাসন ও শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেটের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব এই কর্মসূচির ...

অলকাভ নিয়োগী, বর্ধমান: পরিযায়ী শ্রমিকেরা ভিন রাজ্য থেকে ফিরতেই পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা পরীক্ষাও বেড়েছে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহেও সারা জেলায় ৫০০-এর কম নমুনা পরীক্ষা হয়েছিল। কিন্তু, রবিবার পর্যন্ত জেলায় সেই পরীক্ষার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ২৩ হাজার। যার ...

বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: ১৩৫ কোটির দেশে ডাক্তারিতে রয়েছে মাত্র ১৪টি সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞের আসন! চোখ কপালে তুলে দেওয়ার মতো এই তথ্য জানা গেল মেডিক্যাল কাউন্সিল ...

কলম্বো: গড়াপেটা বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না শ্রীলঙ্কাকে। দেশের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী মহিন্দানন্দ আলুথামাজে অভিযোগ করেছিলেন, ২০১১ আইসিসি বিশ্বকাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল ইচ্ছা করে ভারতের কাছে হেরেছিল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের কোনও বৃত্তিমূলক পরীক্ষায় ভালো ফল করবে। বিবাহ প্রার্থীদের এখন ভালো সময়। ভাই ও বোনদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: ব্রিটিশ উদ্ভিদ্বিজ্ঞানী এবং অভিযাত্রী জোসেফ ডালটন হুকারের জন্ম
১৯১৭-দাদাভাই নওরজির মৃত্যু।
১৯৫৯ - বিশিষ্ট বাঙালি অভিনেতা ও নাট্যাচার্য শিশিরকুমার ভাদুড়ীর মৃত্যু
১৯৬৬- মাইক টাইসনের জন্ম।
১৯৬৯- রাজনীতিবিদ সুপ্রিয়া সুলের জন্ম।
১৯৮৫- মার্কিন সাঁতারু মাইকেল ফেলপসের জন্ম।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮১ টাকা ৭৬.৫৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৯০ টাকা ৯৫.২০ টাকা
ইউরো ৮৩.৫৩ টাকা ৮৬.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,০৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৫৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,২৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৮,৭৯০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৮,৮৯০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ আষাঢ় ১৪২৭, ৩০ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, দশমী ৩৭/৭ রাত্রি ৭/৫০। চিত্রা ১/৩৯ প্রাতঃ ৫/৩৯ পরে স্বাতী ৫৭/৪২ রাত্রি ৪/৪। সূর্যোদয় ৪/৫৯/৯, সূর্যাস্ত ৬/২১/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৯/২৬ গতে ১২/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩ মধ্যে পুনঃ ১২/১ গতে ২/৯ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৯ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ৩/০ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪০ গতে ৯/০ মধ্যে।
১৫ আষাঢ় ১৪২৭, ৩০ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, দশমী রাত্রি ৭/১৩। চিত্রা নক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৪১ পরে স্বাতী নক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৫। সূযোদয় ৪/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/২৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪২ মধ্যে ও ৯/২৯ গতে ১২/৯ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৪/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ মধ্যে ১২/৩ গতে ২/১১ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৯ গতে ৮/২০ মধ্যে ও ১/২২ গতে ৩/২ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪৩ গতে ৯/২ মধ্যে।
৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দিল্লিতে করোনা পজিটিভ আরও ২,১৯৯ জন, মোট আক্রান্ত ৮৭,৩৬০ 

10:41:52 PM

আগামী ৩ মাসের জন্য স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পগুলিতে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্র 

10:08:59 PM

কলকাতায় রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ছে 
কলকাতায় রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ছে সাড়ে চার টাকা। আগামীকাল থেকে ...বিশদ

09:56:15 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ৪,৮৭৮ জন, মোট আক্রান্ত ১,৭৪,৭৬১ 

08:38:03 PM

গুজরাতে করোনায় পজিটিভ আরও ৬২০ জন, মোট আক্রান্ত ৩২,৪৪৬ 

08:30:54 PM

কর্ণাটকে করোনা পজিটিভ আরও ৯৪৭ জন, মোট আক্রান্ত ১৫,২৪২ 

07:27:52 PM