Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। ভাবেনি, এমনটাও হতে পারে। যে ভাবনা তাঁর এসেছিল কার্ল মার্কসের জীবন থেকে। তাঁর লেখা থেকে। থিওরি থেকে। রাইনল্যান্ড নিউজে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে কার্ল মার্কস বুঝেছিলেন, প্রুশিয়ান সাম্রাজ্যবাদের সঙ্গে আধুনিকতা কখনও এক পথে হাঁটতে পারবে না। আর্নল্ড রুজকে তিনি লেখেন, ‘দাসত্ব কোনও অবস্থাতেই মেনে নেওয়া যায় না... স্বাধীনতা প্রাপ্তির জন্যও না। এক হাত খুলে দিয়ে বলা হল, তুমি উড়তে পারো... আর অন্য হাতটা পিছনে বেঁধে রাখল... এভাবে উড়ান সম্ভব নয়। এই দ্বিচারিতায় ক্লান্ত হয়ে পড়েছি।’ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন মাও সে তুংও। কার্ল মার্কস আর বামপন্থা তাঁকে স্বপ্ন দেখিয়েছিল। লং মার্চ... গোটা বিশ্ব নড়েচড়ে বসেছিল চীনের দক্ষিণ-পূর্ব থেকে উত্তর-পশ্চিমের সেই দীর্ঘ যাত্রায়। অন্য এক অভিজ্ঞতা হয়েছিল মাওয়েরও। যাত্রা শুরুর সময় তাঁর সঙ্গী ছিল ৮৫ হাজার। ৬ হাজার মাইলের পর সেই কমরেড সংখ্যা নেমে এসেছিল ৮ হাজারে। চীনকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন সফল করতে নেমে দু’টি উপলব্ধি হয়েছিল মাও সে তুংয়ের। প্রথমত, কৃষকদের সংগঠিত করা অতটা সহজ নয়। কারণ, তাঁদের চাষ আছে... পরিবার আছে। আর রয়েছে সেই পরিবাবের পেট চালানোর চিন্তা। দ্বিতীয়ত, বন্দুকের নলই ক্ষমতার উৎস। ক্ষমতার সর্বোচ্চ শিখরে ওঠার পথ মসৃণ করতে কমিউনিজমকে নিজের মতো ভাঙাগড়া করে নিয়েছিলেন মাও। আজ আরও একবার সেই বদলের উচ্চাকাঙ্ক্ষার খোয়াব জমাট বেঁধেছে চীনের আকাশে। যার কারিগর... জি জিনপিং।
দুনিয়ার অধিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। করোনা ভাইরাস সবার আগে হানা দিয়েছিল চীনে। সেখান থেকে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে যা মহামারীর আকার ধারণ করেছে। স্তব্ধ করে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে। আর চীন যখন এই রোগের প্রকোপ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজে নিয়েছে, তখন একে একে আক্রান্ত হয়েছে আমেরিকা, ইউরোপ, দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলি। জিনপিং ভেবেছেন, এটাই সময়। বাকিরা ধুঁকছে... আর চীন সেই সুযোগ নিয়ে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে নেবে নিজের অর্থনীতি। শুধু তাই নয়, একটু একটু করে গ্রাস করবে দক্ষিণ এশিয়াকে। কখনও অর্থ জুগিয়ে, আবার কখনও দাদাগিরি করে। গত এপ্রিল মাসেই একটি ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘বিপর্যয়ের ধ্বংসস্তূপের উপরই গড়ে ওঠে নতুন ইতিহাস’। রাজনৈতিক দিক থেকে মাও সে তুংকে অনুসরণ না করলেও জিনপিংয়ের লক্ষ্য যে অন্য কেউ নন, সেটাই আর একবার বুঝিয়েছিলেন তিনি। বিপর্যয় এখানে করোনা মহামারী। আর নতুন ইতিহাস? চীনের একচ্ছত্র আধিপত্য। কিন্তু সময়ের চাকা কি সেই পথেই গড়াচ্ছে?
হংকংকে স্বাধিকারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল চীন। কথা রাখেননি জিনপিং। তাই মহামারীর আবহেও বিক্ষোভ স্তিমিত হয়নি ওই একফালি ‘রাষ্ট্রে’। বরং বাড়ছে। সেনকাকু দ্বীপ জাপানের অধীনে। সেখানে খবরদারি করতে শুরু করেছে চীন। দক্ষিণ চীন সাগরে ক্ষমতা জাহিরের জাহাজ ভাসিয়েছে তারা। তাইওয়ানকে দমন করতে চাইছে। সীমান্তে বাঁধ নির্মাণ করে জল বন্ধ করে দিয়েছে ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, লাওস, কম্বোডিয়ার। আর সবশেষে আঘাত হেনেছে ভারতের সার্বভৌমত্বে। শুধু বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পে থমকে থাকেননি জিনপিং। লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা টপকেছে লালফৌজ।
বেল্ট অ্যান্ড রোড চীনের দীর্ঘদিনের অভিসন্ধি। ২০১৩ সালে এই প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন জিনপিং। সড়ক, রেল এবং জলপথে জুড়বে এশিয়া, মধ্য ও পূর্ব ইউরোপ এবং আফ্রিকা। পশ্চিমে চীনের ইতিহাস-প্রাচীন বাণিজ্য পথ, উত্তরে মার্কো পোলো ও ইবন বতুতার সিল্ক রুট এবং দক্ষিণে অ্যাডমিরাল ঝেং হে’র সমুদ্রপথ। মুখে বলছেন, পারস্পরিক বাণিজ্যপথ সহজ করার, সংস্কৃতি আদান-প্রদানের মাস্টার প্ল্যান। আসলে এর নেপথ্যে অন্য অঙ্ক রয়েছে জিনপিংয়ের। এই তালিকায় নাম লেখানো ৭০টা দেশ ও সংগঠন বাণিজ্য ক্ষেত্রে ওঠবস করবে চীনের কথায়। চীনা ঋণের জালে জড়িয়ে যাবে একের পর এক দেশ। বাধ্য হবে বাণিজ্য ও স্ট্র্যাটেজিক স্বার্থে চীনকে জমি ব্যবহারে অনুমতি দিতে। অন্য দেশেও গড়ে উঠবে চীনের বেস। নামবে যুদ্ধবিমান। আর দ্বিতীয়ত, চারদিক থেকে ঘিরে ফেলা যাবে ভারতকে। তারপর জিনপিং ধীরে ধীরে গ্রাস করবেন উপমহাদেশের বাজার অর্থনীতি। ভারতের সার্বভৌমত্ব। যা জিনপিংয়ের অন্তর্নিহিত অভিপ্রায়। করোনা আবহে নেট দুনিয়ার মারাত্মকভাবে চলছে একটি শব্দবন্ধ—‘নিউ নর্মাল’। চীনও অর্ধেক দুনিয়াকে এমনই এক ‘নিউ নর্মাল কলোনি’তে পরিণত করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে আসরে নেমেছে।
মোকাবিলা করছে ভারত। শহিদ হচ্ছেন সেনা জওয়ানরা। ৫০০ মিটারের মধ্যে দাঁড়িয়ে টক্কর দিচ্ছে ভারতের বাহিনী। আকাশসীমায় উড়ছে মিগ, সুখোই। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সর্বদল বৈঠকে বলছেন, চীন আমাদের ভূখণ্ড অধিকার করেনি। তাহলে এই সীমান্ত-টেনশন কেন? বক্তব্য নিয়ে জলঘোলা হলে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সাফাই-বিবৃতি দেওয়া হচ্ছে। আর তারপর মোদিজি ‘মন কি বাত’-এ বলছেন, আমাদের ভূখণ্ডে নজর দেওয়া লোকজনকে কড়া জবাব দেওয়া হয়েছে। বাস্তবটা কী? চীনের নামটা পর্যন্ত জনসমক্ষে মোদি কেন উচ্চারণ করছেন না? লাদাখে ঠিক কী হচ্ছে? এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর ধোঁয়াশায় ঢেকে রয়েছে। বিরোধীরা চেঁচামেচি করছেন—সঠিক চিত্রটা আমাদের দেখাতে হবে। কিন্তু বিজেপির নেতৃত্বাধীন সরকার তা করছে না। বরং খবর আসছে সেনা মোতায়েনের। তিন বাহিনীর হাঁকডাকের। অর্থটা কী? চীন কি সত্যিই ভারতের ভূখণ্ড অধিকার করেছে? আর সেটা যদি সত্যি হয়, তাহলেও কি ভারত শুধু হম্বিতম্বি করেই চুপ করে যাবে? জিনপিংয়ের কমিউনিস্ট সরকার যদি সত্যিই এমন কোনও ঘটনা ঘটিয়ে থাকে, তাহলে কিন্তু শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যাবে না। নরেন্দ্র মোদি মাল্লাপুরমে জি জিনপিংয়ে ডেকে দোলনায় দুলবেন, দু’দেশের ঐতিহ্যের বাণী শোনাবেন, আর তারপর চীন আমাদের জমি দখল করে নেবে... এই বিদেশনীতি তামাম ভারতবাসী মেনে নেবে না।
আর একটা সম্ভাবনা অবশ্য আন্তর্জাতিক মহলে এখন ঘোরাফেরা করছে। সেটা হল, নতুন অক্ষের জল্পনা। অস্ট্রেলিয়া, জাপান, আমেরিকা জোটবদ্ধ হচ্ছে চীনের বিরুদ্ধে। পাশে দাঁড়াচ্ছে ভারতের। কথাবার্তা চলছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে। আর এটা গুজব নয়। শত্রু বাড়ছে জিনপিংয়ের। অর্থনীতি হোক বা সমরশক্তি... আমেরিকা, জাপান, ইউরোপকে একসঙ্গে টক্কর দেওয়ার ক্ষমতা কি চীনের আছে? কারণ, যুক্ত হবে পরমাণু শক্তিধর ভারতও। বন্ধু পাকিস্তানকে দিয়ে আর যাই হোক, ভারত-আমেরিকাকে ঠেকানো যাবে না। খুব বেশি হলে করাচি বন্দর বা লাহোর এয়ারস্পেস ব্যবহার করবে চীন। সেটাও যথেষ্ট নয়। কারণ, এই সংঘাতে কোনও জোটসঙ্গী পাবে না বেজিং। কতদিন আর সাইবার সন্ত্রাস দিয়ে বিশ্বকে বোকা বানানো যাবে?
সহজ সত্য। অথচ সেটাই হেলায় উড়িয়ে, ক্ষমতার স্বপ্নে বুঁদ হয়েছেন জিনপিং। সমরসজ্জায়, প্রশিক্ষণে শত শত কোটি ডলার খরচ করছেন তিনি। কোটি কোটি মানুষ কিন্তু এখনও চীনে দারিদ্রসীমার নীচে বাস করেন। সেদিকে তাঁর নজর নেই। বরং জি জিনপিং একটা লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছেন। ২০৪৯ সাল। কমিউনিস্ট শাসনের শতবর্ষ। ওই বছরের মধ্যে শেষ হবে বেল্ট অ্যান্ড রোড। ওই বছরই বিশ্বে আধিপত্যের ছড়ি ঘোরাবে চীন... এটাই জিনপিংয়ের উচ্চাকাঙ্ক্ষা। আর একটা তারিখ মনে পড়ছে... ২৬ এপ্রিল, ১৯৮৬। সোভিয়েত সরকারের পতনের ইঙ্গিত নিয়ে এসেছিল চেরনোবিলে পারমাণবিক বিপর্যয়। আকাশ থেকে মাটিতে আছড়ে পড়ার মতো ছিল সেই পতন।
তারিখটা জিনপিং ভুলে যেতে পারেন। ঘটনাটা ভোলা উচিত নয়।
30th  June, 2020
ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। বিশদ

28th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন। ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? 
বিশদ

20th  November, 2020
বিজেপির হয়েই কি ব্যাট ধরছে কং-সিপিএম?
হারাধন চৌধুরী

বছর তিরিশ আগের কিছু কথা মনে পড়ছে। জ্যোতি বসুর মুখ্যমন্ত্রিত্বের তখন থার্ড টার্ম। সিদ্ধার্থ-জমানার সন্ত্রাসের বাস্তব অনেকটাই অতীত ততদিনে। সিপিএমের সন্ত্রাসটাই তখন হাতেগরম। সাতাত্তরে সিপিএম এবং জ্যোতি বসুর নামে যে মোহ জেগেছিল, অনেক সাচ্চা বামপন্থীদেরও ঘুচে গিয়েছে। সাংবাদিকতায় হাতেখড়ির সেই গোড়ার দিনগুলোতে আমাদের ব্যতিব্যস্ত রাখত সিপিএম পার্টি ক্যাডাররা।  
বিশদ

19th  November, 2020
একনজরে
হারের ধাক্কা এখনও হজম হয়নি। তার মধ্যেই একের পর এক ‘আফটার শক’-এ টালমাটাল ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তুলে ফের গণনার দাবি তুলেছিলেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট। ...

নিত্যদিন মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফেরা নিয়ে লেগে থাকত পারিবারিক অশান্তি। শনিবার তা চরমে ওঠে। তার জেরে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আত্মঘাতী হলেন বড়জোড়ার মালিয়াড়ার এক যুবক। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম কাজল ওরফে বিশ্বদেব দীক্ষিত(৪০)। ...

ভারতের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওয়ান ডে ম্যাচে ফিল্ডিং করতে গিয়ে হাঁটুতে চোট পেলেন ডেভিড ওয়ার্নার। ভারতীয় দলের ব্যাটিংয়ের তখন চার নম্বর ওভার চলছে। ধাওয়ানের একটি স্ট্রেট ...

ফের সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর হামলা চালাল পাক রেঞ্জার্স। সেনা সূত্রে খবর, শনিবার রাত ১০টা নাগাদ সীমান্ত লাগোয়া হীরানগর সেক্টরের পানসার, মানয়ারি ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তিবৃদ্ধি। প্রিয়জনের মানহানির আশঙ্কা। দাম্পত্য জীবনে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। অত্যধিক ব্যয়। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৫৮: বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর জন্ম
১৮৭৪ - ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক উইন্স্টন  চার্চিলের জন্ম
১৯০৩ - কবি রাধারানী দেবীর জন্ম
১৯০৮: কবি বুদ্ধদেব বসুর জন্ম
১৯০৯: ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তের মৃত্যু
১৯৮৪ - অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী ইন্দুবালা দেবীর মৃত্যু
২০১২ - প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রকুমার গুজরালের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০০ টাকা ৭৪.৭১ টাকা
পাউন্ড ৯৭.০৯ টাকা ১০০.৪৮ টাকা
ইউরো ৮৬.৫১ টাকা ৮৯.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  November, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,৩৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬০,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬০,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
29th  November, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, পূর্ণিমা ২২/২২ দিবা ৩/০। কৃত্তিকা নক্ষত্র ০/২ প্রাতঃ ৬/৪। সূর্যোদয় ৬/৩/২০, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৮ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৪ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ১০/৫৮ মধ্যে পুনঃ ২/৩০ গতে ৩/২৪ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ২/৬ গতে ৩/২৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৪৬ গতে ১১/২৫ মধ্যে। 
১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, পূর্ণিমা দিবা ২/২৫। কৃত্তিকা নক্ষত্র প্রাতঃ ৬/৩১। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ মধ্যে ও ৯/৬ গতে ১১/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৫ গতে ১১/৭ মধ্যে ও ২/৪২ গতে ৩/৩৫ মধ্যে। কালবেলা ৭/২৫ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ২/৭ গতে ৩/২৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৪৭ গতে ১১/২৬ মধ্যে।
১৪ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আনন্দপুরে ২৪ তলা থেকে ঝাঁপ ছাত্রের
২৪ তলা থেকে ঝাঁপ ছাত্রের। বছর ১৪-র ওই পড়ুয়া নামী ...বিশদ

01:47:52 PM

শিলিগুড়ির কাছারি রোডে মহাত্মা গান্ধীর পূর্ণাবয়ব মূর্তির আবরণ উন্মোচনে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম 

01:21:21 PM

জলপাইগুড়ির একটি বাড়িতে আগুন
সোমবার সকালে জলপাইগুড়িতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেল একটি বাড়ি। এদিন ...বিশদ

01:15:25 PM

পুরুলিয়ায় মাওবাদী পোস্টার ঘিরে চাঞ্চল্য 
পুরুলিয়ায় মাওবাদী পোস্টার ঘিরে চাঞ্চল্য। রাস্তার পাশেই উদ্ধার হয়েছে হিন্দি ...বিশদ

12:58:41 PM

মর্গে নড়ে উঠল মরা, জুড়ে দিল চিৎকার
 মর্গে নড়ে উঠল ‘মরা’। এমনকী জুড়ে দিল চিৎকারও।  জানা গেল, ...বিশদ

11:30:27 AM

সাঁকরাইলে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে মৃত রেসিডেন্সিয়াল হাতি 
সাঁকরাইলে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে মৃত্যু এক রেসিডেন্সিয়াল হাতির। সোমবার ভোর রাতে ...বিশদ

11:14:31 AM