Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। ভাবেনি, এমনটাও হতে পারে। যে ভাবনা তাঁর এসেছিল কার্ল মার্কসের জীবন থেকে। তাঁর লেখা থেকে। থিওরি থেকে। রাইনল্যান্ড নিউজে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে কার্ল মার্কস বুঝেছিলেন, প্রুশিয়ান সাম্রাজ্যবাদের সঙ্গে আধুনিকতা কখনও এক পথে হাঁটতে পারবে না। আর্নল্ড রুজকে তিনি লেখেন, ‘দাসত্ব কোনও অবস্থাতেই মেনে নেওয়া যায় না... স্বাধীনতা প্রাপ্তির জন্যও না। এক হাত খুলে দিয়ে বলা হল, তুমি উড়তে পারো... আর অন্য হাতটা পিছনে বেঁধে রাখল... এভাবে উড়ান সম্ভব নয়। এই দ্বিচারিতায় ক্লান্ত হয়ে পড়েছি।’ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন মাও সে তুংও। কার্ল মার্কস আর বামপন্থা তাঁকে স্বপ্ন দেখিয়েছিল। লং মার্চ... গোটা বিশ্ব নড়েচড়ে বসেছিল চীনের দক্ষিণ-পূর্ব থেকে উত্তর-পশ্চিমের সেই দীর্ঘ যাত্রায়। অন্য এক অভিজ্ঞতা হয়েছিল মাওয়েরও। যাত্রা শুরুর সময় তাঁর সঙ্গী ছিল ৮৫ হাজার। ৬ হাজার মাইলের পর সেই কমরেড সংখ্যা নেমে এসেছিল ৮ হাজারে। চীনকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন সফল করতে নেমে দু’টি উপলব্ধি হয়েছিল মাও সে তুংয়ের। প্রথমত, কৃষকদের সংগঠিত করা অতটা সহজ নয়। কারণ, তাঁদের চাষ আছে... পরিবার আছে। আর রয়েছে সেই পরিবাবের পেট চালানোর চিন্তা। দ্বিতীয়ত, বন্দুকের নলই ক্ষমতার উৎস। ক্ষমতার সর্বোচ্চ শিখরে ওঠার পথ মসৃণ করতে কমিউনিজমকে নিজের মতো ভাঙাগড়া করে নিয়েছিলেন মাও। আজ আরও একবার সেই বদলের উচ্চাকাঙ্ক্ষার খোয়াব জমাট বেঁধেছে চীনের আকাশে। যার কারিগর... জি জিনপিং।
দুনিয়ার অধিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। করোনা ভাইরাস সবার আগে হানা দিয়েছিল চীনে। সেখান থেকে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে যা মহামারীর আকার ধারণ করেছে। স্তব্ধ করে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে। আর চীন যখন এই রোগের প্রকোপ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজে নিয়েছে, তখন একে একে আক্রান্ত হয়েছে আমেরিকা, ইউরোপ, দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলি। জিনপিং ভেবেছেন, এটাই সময়। বাকিরা ধুঁকছে... আর চীন সেই সুযোগ নিয়ে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে নেবে নিজের অর্থনীতি। শুধু তাই নয়, একটু একটু করে গ্রাস করবে দক্ষিণ এশিয়াকে। কখনও অর্থ জুগিয়ে, আবার কখনও দাদাগিরি করে। গত এপ্রিল মাসেই একটি ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘বিপর্যয়ের ধ্বংসস্তূপের উপরই গড়ে ওঠে নতুন ইতিহাস’। রাজনৈতিক দিক থেকে মাও সে তুংকে অনুসরণ না করলেও জিনপিংয়ের লক্ষ্য যে অন্য কেউ নন, সেটাই আর একবার বুঝিয়েছিলেন তিনি। বিপর্যয় এখানে করোনা মহামারী। আর নতুন ইতিহাস? চীনের একচ্ছত্র আধিপত্য। কিন্তু সময়ের চাকা কি সেই পথেই গড়াচ্ছে?
হংকংকে স্বাধিকারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল চীন। কথা রাখেননি জিনপিং। তাই মহামারীর আবহেও বিক্ষোভ স্তিমিত হয়নি ওই একফালি ‘রাষ্ট্রে’। বরং বাড়ছে। সেনকাকু দ্বীপ জাপানের অধীনে। সেখানে খবরদারি করতে শুরু করেছে চীন। দক্ষিণ চীন সাগরে ক্ষমতা জাহিরের জাহাজ ভাসিয়েছে তারা। তাইওয়ানকে দমন করতে চাইছে। সীমান্তে বাঁধ নির্মাণ করে জল বন্ধ করে দিয়েছে ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, লাওস, কম্বোডিয়ার। আর সবশেষে আঘাত হেনেছে ভারতের সার্বভৌমত্বে। শুধু বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পে থমকে থাকেননি জিনপিং। লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা টপকেছে লালফৌজ।
বেল্ট অ্যান্ড রোড চীনের দীর্ঘদিনের অভিসন্ধি। ২০১৩ সালে এই প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন জিনপিং। সড়ক, রেল এবং জলপথে জুড়বে এশিয়া, মধ্য ও পূর্ব ইউরোপ এবং আফ্রিকা। পশ্চিমে চীনের ইতিহাস-প্রাচীন বাণিজ্য পথ, উত্তরে মার্কো পোলো ও ইবন বতুতার সিল্ক রুট এবং দক্ষিণে অ্যাডমিরাল ঝেং হে’র সমুদ্রপথ। মুখে বলছেন, পারস্পরিক বাণিজ্যপথ সহজ করার, সংস্কৃতি আদান-প্রদানের মাস্টার প্ল্যান। আসলে এর নেপথ্যে অন্য অঙ্ক রয়েছে জিনপিংয়ের। এই তালিকায় নাম লেখানো ৭০টা দেশ ও সংগঠন বাণিজ্য ক্ষেত্রে ওঠবস করবে চীনের কথায়। চীনা ঋণের জালে জড়িয়ে যাবে একের পর এক দেশ। বাধ্য হবে বাণিজ্য ও স্ট্র্যাটেজিক স্বার্থে চীনকে জমি ব্যবহারে অনুমতি দিতে। অন্য দেশেও গড়ে উঠবে চীনের বেস। নামবে যুদ্ধবিমান। আর দ্বিতীয়ত, চারদিক থেকে ঘিরে ফেলা যাবে ভারতকে। তারপর জিনপিং ধীরে ধীরে গ্রাস করবেন উপমহাদেশের বাজার অর্থনীতি। ভারতের সার্বভৌমত্ব। যা জিনপিংয়ের অন্তর্নিহিত অভিপ্রায়। করোনা আবহে নেট দুনিয়ার মারাত্মকভাবে চলছে একটি শব্দবন্ধ—‘নিউ নর্মাল’। চীনও অর্ধেক দুনিয়াকে এমনই এক ‘নিউ নর্মাল কলোনি’তে পরিণত করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে আসরে নেমেছে।
মোকাবিলা করছে ভারত। শহিদ হচ্ছেন সেনা জওয়ানরা। ৫০০ মিটারের মধ্যে দাঁড়িয়ে টক্কর দিচ্ছে ভারতের বাহিনী। আকাশসীমায় উড়ছে মিগ, সুখোই। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সর্বদল বৈঠকে বলছেন, চীন আমাদের ভূখণ্ড অধিকার করেনি। তাহলে এই সীমান্ত-টেনশন কেন? বক্তব্য নিয়ে জলঘোলা হলে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সাফাই-বিবৃতি দেওয়া হচ্ছে। আর তারপর মোদিজি ‘মন কি বাত’-এ বলছেন, আমাদের ভূখণ্ডে নজর দেওয়া লোকজনকে কড়া জবাব দেওয়া হয়েছে। বাস্তবটা কী? চীনের নামটা পর্যন্ত জনসমক্ষে মোদি কেন উচ্চারণ করছেন না? লাদাখে ঠিক কী হচ্ছে? এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর ধোঁয়াশায় ঢেকে রয়েছে। বিরোধীরা চেঁচামেচি করছেন—সঠিক চিত্রটা আমাদের দেখাতে হবে। কিন্তু বিজেপির নেতৃত্বাধীন সরকার তা করছে না। বরং খবর আসছে সেনা মোতায়েনের। তিন বাহিনীর হাঁকডাকের। অর্থটা কী? চীন কি সত্যিই ভারতের ভূখণ্ড অধিকার করেছে? আর সেটা যদি সত্যি হয়, তাহলেও কি ভারত শুধু হম্বিতম্বি করেই চুপ করে যাবে? জিনপিংয়ের কমিউনিস্ট সরকার যদি সত্যিই এমন কোনও ঘটনা ঘটিয়ে থাকে, তাহলে কিন্তু শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যাবে না। নরেন্দ্র মোদি মাল্লাপুরমে জি জিনপিংয়ে ডেকে দোলনায় দুলবেন, দু’দেশের ঐতিহ্যের বাণী শোনাবেন, আর তারপর চীন আমাদের জমি দখল করে নেবে... এই বিদেশনীতি তামাম ভারতবাসী মেনে নেবে না।
আর একটা সম্ভাবনা অবশ্য আন্তর্জাতিক মহলে এখন ঘোরাফেরা করছে। সেটা হল, নতুন অক্ষের জল্পনা। অস্ট্রেলিয়া, জাপান, আমেরিকা জোটবদ্ধ হচ্ছে চীনের বিরুদ্ধে। পাশে দাঁড়াচ্ছে ভারতের। কথাবার্তা চলছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে। আর এটা গুজব নয়। শত্রু বাড়ছে জিনপিংয়ের। অর্থনীতি হোক বা সমরশক্তি... আমেরিকা, জাপান, ইউরোপকে একসঙ্গে টক্কর দেওয়ার ক্ষমতা কি চীনের আছে? কারণ, যুক্ত হবে পরমাণু শক্তিধর ভারতও। বন্ধু পাকিস্তানকে দিয়ে আর যাই হোক, ভারত-আমেরিকাকে ঠেকানো যাবে না। খুব বেশি হলে করাচি বন্দর বা লাহোর এয়ারস্পেস ব্যবহার করবে চীন। সেটাও যথেষ্ট নয়। কারণ, এই সংঘাতে কোনও জোটসঙ্গী পাবে না বেজিং। কতদিন আর সাইবার সন্ত্রাস দিয়ে বিশ্বকে বোকা বানানো যাবে?
সহজ সত্য। অথচ সেটাই হেলায় উড়িয়ে, ক্ষমতার স্বপ্নে বুঁদ হয়েছেন জিনপিং। সমরসজ্জায়, প্রশিক্ষণে শত শত কোটি ডলার খরচ করছেন তিনি। কোটি কোটি মানুষ কিন্তু এখনও চীনে দারিদ্রসীমার নীচে বাস করেন। সেদিকে তাঁর নজর নেই। বরং জি জিনপিং একটা লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছেন। ২০৪৯ সাল। কমিউনিস্ট শাসনের শতবর্ষ। ওই বছরের মধ্যে শেষ হবে বেল্ট অ্যান্ড রোড। ওই বছরই বিশ্বে আধিপত্যের ছড়ি ঘোরাবে চীন... এটাই জিনপিংয়ের উচ্চাকাঙ্ক্ষা। আর একটা তারিখ মনে পড়ছে... ২৬ এপ্রিল, ১৯৮৬। সোভিয়েত সরকারের পতনের ইঙ্গিত নিয়ে এসেছিল চেরনোবিলে পারমাণবিক বিপর্যয়। আকাশ থেকে মাটিতে আছড়ে পড়ার মতো ছিল সেই পতন।
তারিখটা জিনপিং ভুলে যেতে পারেন। ঘটনাটা ভোলা উচিত নয়।
30th  June, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: রবিবার মাদারিহাট ব্লকে বিরোধী বিভিন্ন দলের নীচুতলার ২০০ জন কর্মী-সমর্থক শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। এদিন ব্লকের শিশুঝুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিজেপি, আরএসপি ও সিপিএম এই তিন দলের কর্মী-সমর্থকরা তৃণমূলে যোগ দেন।   ...

সংবাদদাতা, গুসকরা: শনিবার রাতে আউশগ্রামের বড়াচৌমাথার কাছে জাতীয় সড়কে ডাকাত সন্দেহে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। একটি মারুতি গাড়িও আটক করা হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের নাম খোকন মাল ও অনিমেষ সমাদ্দার।   ...

বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: শত্রু যখন প্রবল পরাক্রমী, অস্ত্রও দরকার তেমনি আধুনিক। করোনার সঙ্গে যুদ্ধে সরকারি হাসপাতালগুলির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে হাইটেক সব ‘অস্ত্র’। ভয়ঙ্কর সংক্রামক করোনা ছড়ায় ড্রপলেটের মাধ্যমে।   ...

জোহানেসবার্গ: দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মান পেলেন কুইন্টন ডি’কক। করোনা ভাইরাসের জেরে এবছর এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ যোগ। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৫- জোসেফ মেইস্টারের উপর জলাতঙ্ক রোগের টিকা সফলভাবে পরীক্ষা করলেন লুই পাস্তুর
১৮৯২- ব্রিটেন পার্লামেন্টে প্রথম ভারতীয় হিসাবে নির্বাচিত হলেন দাদাভাই নওরোজি
১৯০১- শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৬- আমেরিকার ৪৩তম প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লু বুশের জন্ম
১৯৪৬- মার্কিন অভিনেতা সিলভেস্টার স্ট্যালোনের জন্ম
১৯৮৫- অভিনেতা রণবীর সিংয়ের জন্ম
১৯৮৬- রাজনীতিবিদ জগজীবন রামের মৃত্যু
২০০২- রিলায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা ধীরুভাই আম্বানির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
05th  July, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  July, 2020

দিন পঞ্জিকা

২২ আষাঢ় ১৪২৭, ৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ ১০/৫৩ দিবা ৯/২৩। উত্তরাষাঢ়া ৪৫/২৭ রাত্রি ১১/১২৷ সূর্যোদয় ৫/১/১২, সূর্যাস্ত ৬/২১/২০৷ অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৪ গতে ১০/২০ মধ্যে। রাত্রি ৯/৪২ গতে ১২/২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৫৩ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২১ গতে ১১/৪১ মধ্যে।  
২১ আষাঢ় ১৪২৭, ৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ দিবা ৯/২২। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র রাত্রি ১২/০। সূযোদয় ৫/১, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৫ গতে ১০/২২ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৩ মধ্যে ও ১/২৮ গতে ২/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২২ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে।  
১৪ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় স্থানে ভারত 
বিশ্বে করোনা আক্রান্ত হওয়ার নিরিখে রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় স্থানে উঠে ...বিশদ

05-07-2020 - 09:32:25 PM

হালিশহরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ 
তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার ...বিশদ

05-07-2020 - 09:28:41 PM

কর্ণাটকে করোনা পজিটিভ আরও ১,৯২৫, মোট আক্রান্ত ২৩,৪৭৪ 

05-07-2020 - 09:06:12 PM

জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সীমান্তে পাক সেনার গোলাগুলি 

05-07-2020 - 08:37:27 PM

করোনা: মহারাষ্ট্রে নতুন করে আক্রান্ত হলেন ৬৫৫৫, মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ৬ হাজার ৬১৯ 

05-07-2020 - 08:04:07 PM

করোনা: ফের একদিনে রাজ্যে রেকর্ড সংক্রমণ 
পর পর দু’দিন। নতুন সংক্রমণের নিরিখে ফের রেকর্ড রাজ্যে। গত ...বিশদ

05-07-2020 - 08:02:02 PM