Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
আমার চতুর্দিকে যা দেখছি, তা বলছি। আপনি চতুর্দিকে যা দেখছেন তার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারবেন। চেন্নাইয়ের মতো বড় মহানগরে সবকিছুই খোলা, আবার হঠাৎই সবকিছু বন্ধ। এটা লকডাউন, আনলকডাউন আর লকডাউনের মধ্যে দোলাচলের এক বিভ্রান্তি। কেউ জানে না কোনটা কখন খুলবে কিংবা বন্ধ হবে। ধনী এবং উচ্চ মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষজন বাড়িতে আছেন। উপায় নেই। বাধ্য হচ্ছেন সঞ্চিত অর্থ বা সম্পদ খরচ করতে। আর প্রার্থনা করছেন, এই দুঃসময় যেন কেটে যায়। কিন্তু সে কবে? কারও জানা নেই। নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষজন কর্মস্থলের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছেন। খুব জরুরি প্রয়োজন হলেই তাঁরা বাইরে বেরচ্ছেন। কাজটা কোনওরকমে মিটিয়েই ফিরে আসছেন বাড়িতে। একটা ‘ভয়’ কাজ করছে।
গরিব মানুষকে ‘হতাশা’ গ্রাস করেছে। বিশেষ করে উল্লেখ করতে হয় দোকানদারদের কথা। অটো বা ট্যাক্সি চালকের মতো স্বনিযুক্ত ব্যক্তিদের কথা। ছুতোর, কল-মিস্ত্রি, ইলেক্ট্রিক-মিস্ত্রি প্রভৃতি পেশায় যুক্ত ব্যক্তিদের কথা। রোজই তাঁদের ভাগ্যান্বেষণে বা কাজের খোঁজে বেরতে হয়। তাঁরা দিনান্তে বাড়ি ফিরছেন যা নিয়ে, তা স্বাভাবিক সময়ের আয়ের অর্ধেকও নয়। তাঁরা ‘হতাশা’য় ভুগছেন।
অন্যদিকে, প্রচণ্ড গরিবরা বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছেন। কাজের খোঁজে তাঁদের দূরে দূরে যেতে হয়েছিল। পরিযায়ী জীবন পিছনে রেখে তাঁরা গ্রামে ফিরে এসেছেন। দু’টোমাত্র জিনিস তাঁদের বাঁচিয়ে রাখতে পারে: জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা কর্মসূচি মারফত রেশন এবং ১০০ দিনের প্রকল্পে (এমজিএনআরইজিএ) কাজ। এই প্রসঙ্গে বলা দরকার যে, অনেক রাজ্য সরকার রেশনটা বিনা পয়সাতেই দিচ্ছে। আর এই দু’টো কর্মসূচিই ইউপিএ সরকারের উদ্যোগ। তা সত্ত্বেও এখনও অনেক মানুষ কিছু এনজিও-র দানখয়রাতির উপর নির্ভরশীল। এই পরিস্থিতি সরকারের উপর ‘বিরক্তি’র উদ্রেক ঘটাচ্ছে এবং ‘নিরুপায়’ বলেই তাঁদের এটা মেনে নেওয়া।
ছোট শহরগুলোতে সবকিছুই খোলা। খোলা রয়েছে বাজার, দোকান এবং নানা ধরনের পরিষেবা ক্ষেত্র। বাজারে সব্জি, ফলমূল, মাছ-মাংসের দোকানগুলোতেই যা ভিড়। বিশেষ কেউ জুতো, জামা-কাপড় কিংবা চুল-দাড়ি কাটার দোকানমুখো হচ্ছেন না।
কৃষিক্ষেত্র ঝলমল করছে
গ্রামীণ ভারত পুরো খোলা। সেখানে সামান্য কিছু মানুষই মাস্ক পরছেন। রবি মরশুমে চাষির ঘরে উঠেছে ব্যাপক পরিমাণ ফসল। নতুন ফসল বোনার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। সেখানে মানুষের চোখেমুখে খুশির ছোঁয়া। মানুষ কিনছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং পরবর্তী উৎপাদনের কাঁচামাল। ব্যস। তার বেশি নয়। প্যাকেটবন্দি খাদ্যদ্রব্য এবং শরীরের বলবর্ধক জিনিসপত্র (ডায়েট অ্যান্ড নিউট্রিশন সাপ্লিমেন্টস) বেশ বিকোচ্ছে। যথেষ্ট জনপ্রিয়। ধনী কৃষকরা ট্রাক্টর এবং অন্যসকল কৃষি সরঞ্জাম কিনছেন। টুহুইলার এবং ছোট গাড়ির (অন্য গাড়ি নয়) বিক্রিবাটা বেশ বেড়েছে। সুপ্ত চাহিদার কারণে বাণিজ্যিক প্রয়োজনের গাড়িগুলোর বিক্রি বৃদ্ধির একটা আশা জাগিয়েছে। হায়, এমন সময়েই ক্রমাগত বাড়ানো হচ্ছে পেট্রল ও ডিজেলের দাম। মানুষের গাড়ি কেনার আগ্রহটা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
জিএসটি-র মতো কিছু বাধা আছে। তবু, পণ্য-জোগান ব্যবস্থাটা (সাপ্লাই চেইন) স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে।
২০২০-২১-এ কৃষিক্ষেত্র ভালো করবে। ভালো করবে মানে, সর্বাধিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি হবে। কৃষিতে এই বৃদ্ধি, দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনকে (জিডিপি) ০.৬০ শতাংশ এগিয়ে দেবে।
... কিন্তু সর্বত্র বিষণ্ণতা
সবকিছুকেই ঘিরে রেখেছে বিষণ্ণতা আর অনিশ্চয়তা। মাঝারি, ক্ষুদ্র ও অতি ক্ষুদ্র শিল্প-বাণিজ্য ক্ষেত্র (এমএসএমই) নিজেকে সরকারের দ্বারা পরিত্যক্ত ভাবছে। দেশে এমএসএমই ১০ কোটি। অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, তাদের ভিতরে ৪৫ লক্ষ এমএসএমই-র জন্য মোট ৩ লক্ষ কোটি টাকার ‘ক্রেডিট গ্যারান্টি’ দেবেন। সরকার মোট ঋণ দেবে ৩০ লক্ষ কোটি টাকা। তার মধ্যে এই ১০ শতাংশ বা ৩ লক্ষ কোটি টাকা চিরতরে অনাদায়ী বা অনুৎপাদক সম্পদ (এনপিএ) হয়ে যেতে পারে বলে তারা ধরে নিচ্ছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত যা মঞ্জুর হয়েছে তার পরিমাণ মোটামুটিভাবে ৭০ হাজার কোটি টাকা মাত্র। এমএসএমই-দের হাতে দেওয়া হয়েছে তারও অর্ধেক বা ৩৫ হাজার কোটি টাকা। হাজার হাজার এমএসএমই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। লক্ষ লক্ষ মানুষের চাকরি চলে গিয়েছে। এই যে বিরাট ক্ষতি হয়ে গেল, হয়তো চিরতরের জন্যেই।
ভ্রমণ, পর্যটন, বিমান পরিবহণ সংস্থা, বাস পরিষেবা সংস্থা, অতিথিসেবা, হোটেল শিল্প, ভোগ্যপণ্যের ব্যবসা, নির্মাণ শিল্প, রপ্তানি বাণিজ্য প্রভৃতি ধুঁকছে। এদের মধ্যে অনেক সংস্থার বিপুল লোকসান হবে। লোকসানের পরিমাণ হবে কোটি কোটি টাকা। নিজেকে দেউলিয়াও ঘোষণা করবে কেউ কেউ। শিল্প-বাণিজ্যের ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে যাবে, প্রত্যক্ষভাবে এবং পরোক্ষে কোটি কোটি চাকরি। বহু কোম্পানি ঋণ কমিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। মূলধনী ব্যয়ের পরিমাণও তারা বিশেষভাবে কমাচ্ছে।
চাহিদা এখনও ভীষণ কম। এটা ম্যানুফ্যাকচারিং এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের উপর বিরাট এক আঘাত। মানুষ নগদ অর্থ ধরে রাখছে (হোর্ডিং)। আগের বছরের এই সময়ের নিরিখে টাকার হাত-বদল (কারেন্সি ইন সার্কুলেশন) ১৪ শতাংশ বেড়েছে। কারণ দু’টো: প্রথমটা হল—কোভিড সংক্রমণের ভয় এবং হাসপাতালে চিকিৎসার খরচ। অন্যটা হল—চীনের হুমকিজনিত এক অস্পষ্ট আশঙ্কা। কোভিডের আতঙ্ক এবং চীনের হুমকি। এই দু’টো জিনিস ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ভারতকে মন্দার দিকে ঠেলে দেবে। ৪২ বছরের ভিতরে প্রথম। এটা ৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। মন্দার কারণে বেকারত্ব বাড়বে। ব্যতিক্রম গ্রাম ভারত। বিশেষ করে কায়িক শ্রমের ক্ষেত্রগুলো বেঁচে যাবে। মন্দার কারণে শ্রমিকসহ বহু মানুষের মজুরি বা আয় কমে যাবে। মাথাপিছু আয় ১০ থেকে ১২ শতাংশ হ্রাসের আশঙ্কা করছি। দারিদ্র্যসীমা বরাবর যে মানুষগুলো রয়েছেন (জনসংখ্যার সবচেয়ে নীচের ৩০ শতাংশের ঠিক উপরেই যাঁরা) এই ধাক্কায় তাঁরাও দারিদ্র্যের যন্ত্রণার মধ্যে পড়ে যাবেন।
এখনও সঙ্কোচন
গমের সংগ্রহ বা প্রোকিওরমেন্ট (৩৮২ লক্ষ মেট্রিক টন), খরিফ চাষ (১ কোটি ৩১ লক্ষ ৩০ হাজার হেক্টর), সারের বিক্রি, বৈদেশিক মুদ্রা তহবিল বা ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ (৫০ হাজার ৭০০ কোটি মার্কিন ডলার) প্রভৃতি ক্ষেত্রে অর্থ মন্ত্রক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ (গ্রিন শুটস) দেখছে। বাকিটা ম্যানুফ্যাকচারিং এবং পরিষেবা ক্ষেত্রে ভয়ানক সঙ্কোচনের তথ্যাদি।গত বছরের এই সময়ের নিরিখে বৃদ্ধির হার শূন্যের নীচে (নেগেটিভ গ্রোথ) নেমে গিয়েছে বলে ইতিমধ্যে মেনেও নেওয়া হয়েছে।গত বছরের নিরিখে বৃদ্ধি কমেছে—ম্যানুফ্যাকচারিং ক্ষেত্রে ২৭.৪ শতাংশ এবং পরিষেবা ক্ষেত্রে ৫.৪ শতাংশ। অন্যদিকে, ব্যবহার কমেছে বিদ্যুতে ১২.৫ শতাংশ, পেট্রপণ্যে ২৩.২ শতাংশ, কয়লা ৪ শতাংশ। রেলে পণ্য পরিবহণও গত বছরের তুলনায় কমে গিয়েছে। অর্থনীতির নানা ক্ষেত্র থেকে কাজ বা চাকরি হারানোর দুঃসংবাদ মিলছে।
মোটামুটিভাবে অর্থ মন্ত্রক একাই, ইংরেজি ‘ভি’ (V) আকৃতির রিকভারি বা ঘুরে দাঁড়াবার আশার বাণী শোনাচ্ছে। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ৫ শতাংশ ‘অবনমন’ (ডাউন) এবং ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ৫ শতাংশ ‘ঊর্ধ্বগতি’র (আপ) রিকভারি বা পুনরুজ্জীবন হতে পারে। কিন্তু এটাকে ‘রিকভারি’ বলা যাবে না। রিকভারি তখনই বলা যাবে, যখন মোট উৎপাদন বা জিডিপি ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের মোট উৎপাদনকে ছাপিয়ে যাবে। এবং, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের আগে এটা সম্ভব নাও হতে পারে। অর্থ মন্ত্রক এতটাই আশাবাদী যদি তবে ২০২০-২১ অর্থবর্ষে জিডিপি-র ‘পজিটিভ গ্রোথ’ ভবিষ্যৎবাণী করল না কেন? আসলে অর্থ মন্ত্রকের অতটা সাহসে কুলোয়নি!
 লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী
29th  June, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
দুষ্টের দমনেই
জন্মায় আস্থা
তন্ময় মল্লিক

এক বালতি দুধ নষ্ট করার জন্য এক ফোঁটা গোচোনাই যথেষ্ট। কথাটা সকলেরই জানা। ব্যক্তিজীবন থেকে সমাজজীবন, এমনকী রাজনীতিতেও এর প্রমাণ মিলেছে বারবার। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচন তার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। বিশদ

27th  June, 2020
বেশি নম্বর, অধিক
আসন ও ঠান্ডা মাথা
শুভময় মৈত্র

দেশজুড়ে পরীক্ষা নিয়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি। বিভিন্ন নিয়ামক সংস্থা এবং বোর্ড এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না যে পরীক্ষা হবে কি হবে না। বেশ কিছু অভিভাবক মনে করছেন করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। বিষয়টি একেবারে যুক্তিপূর্ণ। বিশদ

27th  June, 2020
নেতৃত্বের পরীক্ষা
সমৃদ্ধ দত্ত

 সফলভাবে করোনা ভাইরাসকে আটকে দেওয়া মহিলা রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে এই নেতাদের সবথেকে বড় যে পার্থক্যটি চোখে পড়েছে, সেটি হল, পরামর্শ গ্রহণের প্রক্রিয়া। অর্থাৎ কনসাল্টেশন। মহিলা রাষ্ট্রপ্রধানরা প্রায় প্রত্যেকেই এক্সপার্ট গ্রুপ, বিশেষজ্ঞ মেডিকেল প্রফেশনাল, বিজ্ঞানীদের প্যানেল এবং অন্য সফল দেশের ম্যানেজমেন্টকে দ্রুত প্রয়োগ করেছেন। বিশদ

26th  June, 2020
সঞ্চয়ে সুদের হার নিম্নমুখী, উদ্বেগে সবাই
দেবনারায়ণ সরকার

 বর্তমান অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করার সময় অর্থ মন্ত্রকের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা কৃষ্ণমূর্তি সুব্রহ্মণ্যম বর্তমান আর্থিক সমীক্ষায় বলেছিলেন, অর্থনীতির চাকা ঘোরাতে গেলে উচ্চ সমৃদ্ধির হার আবশ্যক। উচ্চ সমৃদ্ধির হার তখনই সম্ভব যখন সঞ্চয়, বিনিয়োগ ও রপ্তানির গুণগত চক্রের স্থায়িত্ব বজায় থাকে।
বিশদ

26th  June, 2020
বয়কটের রাজনীতি চীনকে দমাতে পারবে কি?
হারাধন চৌধুরী

গত মার্চের শেষদিকে বিশ্বের নজর কেড়েছিল করোনা-বিধ্বস্ত উহান। মাত্র ছ’দিনে একটি বড় হাসপাতাল তৈরি করে। আগেই চীনের ঝুলিতে ছিল সাতদিনে একটি আস্ত হাসপাতাল নির্মাণের অভিজ্ঞতা। ২০০৩ সাল।
বিশদ

25th  June, 2020
শত্রুপক্ষের সব রণনীতি এবং নেতৃত্বের ভাবধারণা জানা প্রয়োজন
শুভাগত জোয়ারদার

চীনের মহান রণনীতি বিশেষজ্ঞ সান তজু তাঁর বিখ্যাত ‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ বইতে বলেছেন—‘যদি তুমি তোমার শত্রু এবং নিজেকে জানো, তবে শতবার যুদ্ধেও ফল নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। যদি তুমি নিজেকে জানো কিন্তু শত্রুকে নয়, তবে প্রতিটি যুদ্ধ জয়ের পাশাপাশি পরাজয়ের গ্লানিতেও তোমাকে ভুগতে হবে। যদি তুমি না শত্রু, না নিজেকে জানো তবে প্রতিটি যুদ্ধে তোমায় জখম হতে হবে।’
বিশদ

25th  June, 2020
নেপাল: কলকাত্তা কালীর শরণাপন্ন রাজনাথ
কুমারেশ চক্রবর্তী

ছোটবেলায় আমরা ‘ম্যাপ-ম্যাপ খেলা’ খেলতাম। দাদাদের বাতিল ম্যাপের ওপর লাল পেন্সিল দিয়ে একটা ক্রসহচিহ্ন এঁকে জায়গাটা দখল করতাম, শর্ত একটাই, জায়গাটার নাম বলতে হবে। এইভাবে আমরা কত নগর, রাজ্য, দেশের মালিক হয়েছি!  বিশদ

24th  June, 2020
অসুরকে শিবের অভয়বাণী, মা ছাড়া গতি নেই
সন্দীপন বিশ্বাস

সাতসকালে হন্তদন্ত হয়ে উদ্‌ভ্রান্তের মতো কৈলাসে হাজির মহিষাসুর। ‘মহাদেব ভবনে’ ঢোকার মুখেই বাধা পেলেন। নন্দী আর ভৃঙ্গী হাঁই হাঁই করে বললেন, ‘একদম ভিতরে ঢোকার চেষ্টা কোরুনি।   বিশদ

24th  June, 2020
সীমান্তের এপারে ‘আসল’ ভারত
শান্তনু দত্তগুপ্ত
 

মাত্র ২০ বছর বয়স চাঁদ মহম্মদের। দিল্লির সীলামপুরে একটি ঝুপড়িতে থাকে সে মায়ের সঙ্গে। ঠিকাদার সংস্থায় নাম লিখিয়ে একটি চাকরি সে পেয়েছে। খুব দরকার ছিল চাকরিটা। আট ঘণ্টার ডিউটি লোকনায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালে। কাজ? কোভিড আক্রান্তদের মরদেহ নিয়ে যাওয়া... হাসপাতালের মর্গ থেকে শ্মশানঘাট পর্যন্ত।  
বিশদ

23rd  June, 2020
জ্বর হলে জগন্নাথদেব মাস্ক
পরেন, মানেন দূরত্ববিধি
মৃন্ময় চন্দ

ইতিহাস ২৮৫ বছরের, এই প্রথমবার, একটা পুঁচকে ভাইরাস ঝামেলা পাকিয়েছিল জগন্নাথদেবের রথযাত্রায়। ফুলবাবু হয়ে, সেজেগুজে, গায়ে একরাশ সুগন্ধি ঢেলে, আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়াতে প্রতিবছর নিয়ম করে বোন সুভদ্রা আর দাদা বলভদ্রকে নিয়ে মাসির বাড়ি বেড়াতে যান তিনি। 
বিশদ

23rd  June, 2020
একনজরে
অলকাভ নিয়োগী, বর্ধমান: পরিযায়ী শ্রমিকেরা ভিন রাজ্য থেকে ফিরতেই পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা পরীক্ষাও বেড়েছে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহেও সারা জেলায় ৫০০-এর কম নমুনা পরীক্ষা হয়েছিল। কিন্তু, রবিবার পর্যন্ত জেলায় সেই পরীক্ষার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ২৩ হাজার। যার ...

ইসলামাবাদ: ভুয়ো লাইসেন্স রাখার অপরাধে আড়াইশো জনের বেশি পাকিস্তানি পাইলট ও বিমানকর্মীকে সাসপেন্ড করল একাধিক আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রখ্যাত যাত্রাভিনেতা তথা নির্দেশক ত্রিদিব ঘোষ সোমবার ভোরে তাঁর যাদবপুরের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। বিভিন্ন যাত্রাপালাতে তিনি ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: রবিবার রাতে কল্যাণী-চাকদহ রাজ্য সড়কে আলাইপুরের কাছে গাছের গুঁড়ি ফেলে প্রায় ১৫টি গাড়িতে ডাকাতি করে দুষ্কৃতীরা। বাধা দিতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হাতে কয়েকজন জখম হয়েছেন। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সকালে ঘণ্টাখানেক অবরোধ করা হয়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের কোনও বৃত্তিমূলক পরীক্ষায় ভালো ফল করবে। বিবাহ প্রার্থীদের এখন ভালো সময়। ভাই ও বোনদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: ব্রিটিশ উদ্ভিদ্বিজ্ঞানী এবং অভিযাত্রী জোসেফ ডালটন হুকারের জন্ম
১৯১৭-দাদাভাই নওরজির মৃত্যু।
১৯৫৯ - বিশিষ্ট বাঙালি অভিনেতা ও নাট্যাচার্য শিশিরকুমার ভাদুড়ীর মৃত্যু
১৯৬৬- মাইক টাইসনের জন্ম।
১৯৬৯- রাজনীতিবিদ সুপ্রিয়া সুলের জন্ম।
১৯৮৫- মার্কিন সাঁতারু মাইকেল ফেলপসের জন্ম।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮১ টাকা ৭৬.৫৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৯০ টাকা ৯৫.২০ টাকা
ইউরো ৮৩.৫৩ টাকা ৮৬.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,০৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৫৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,২৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৮,৭৯০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৮,৮৯০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ আষাঢ় ১৪২৭, ৩০ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, দশমী ৩৭/৭ রাত্রি ৭/৫০। চিত্রা ১/৩৯ প্রাতঃ ৫/৩৯ পরে স্বাতী ৫৭/৪২ রাত্রি ৪/৪। সূর্যোদয় ৪/৫৯/৯, সূর্যাস্ত ৬/২১/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৯/২৬ গতে ১২/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩ মধ্যে পুনঃ ১২/১ গতে ২/৯ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৯ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ৩/০ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪০ গতে ৯/০ মধ্যে।
১৫ আষাঢ় ১৪২৭, ৩০ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, দশমী রাত্রি ৭/১৩। চিত্রা নক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৪১ পরে স্বাতী নক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৫। সূযোদয় ৪/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/২৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪২ মধ্যে ও ৯/২৯ গতে ১২/৯ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৪/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ মধ্যে ১২/৩ গতে ২/১১ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৯ গতে ৮/২০ মধ্যে ও ১/২২ গতে ৩/২ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪৩ গতে ৯/২ মধ্যে।
৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দিল্লিতে করোনা পজিটিভ আরও ২,১৯৯ জন, মোট আক্রান্ত ৮৭,৩৬০ 

10:41:52 PM

আগামী ৩ মাসের জন্য স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পগুলিতে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্র 

10:08:59 PM

কলকাতায় রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ছে 
কলকাতায় রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ছে সাড়ে চার টাকা। আগামীকাল থেকে ...বিশদ

09:56:15 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ৪,৮৭৮ জন, মোট আক্রান্ত ১,৭৪,৭৬১ 

08:38:03 PM

গুজরাতে করোনায় পজিটিভ আরও ৬২০ জন, মোট আক্রান্ত ৩২,৪৪৬ 

08:30:54 PM

কর্ণাটকে করোনা পজিটিভ আরও ৯৪৭ জন, মোট আক্রান্ত ১৫,২৪২ 

07:27:52 PM