Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
আমার চতুর্দিকে যা দেখছি, তা বলছি। আপনি চতুর্দিকে যা দেখছেন তার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারবেন। চেন্নাইয়ের মতো বড় মহানগরে সবকিছুই খোলা, আবার হঠাৎই সবকিছু বন্ধ। এটা লকডাউন, আনলকডাউন আর লকডাউনের মধ্যে দোলাচলের এক বিভ্রান্তি। কেউ জানে না কোনটা কখন খুলবে কিংবা বন্ধ হবে। ধনী এবং উচ্চ মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষজন বাড়িতে আছেন। উপায় নেই। বাধ্য হচ্ছেন সঞ্চিত অর্থ বা সম্পদ খরচ করতে। আর প্রার্থনা করছেন, এই দুঃসময় যেন কেটে যায়। কিন্তু সে কবে? কারও জানা নেই। নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষজন কর্মস্থলের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছেন। খুব জরুরি প্রয়োজন হলেই তাঁরা বাইরে বেরচ্ছেন। কাজটা কোনওরকমে মিটিয়েই ফিরে আসছেন বাড়িতে। একটা ‘ভয়’ কাজ করছে।
গরিব মানুষকে ‘হতাশা’ গ্রাস করেছে। বিশেষ করে উল্লেখ করতে হয় দোকানদারদের কথা। অটো বা ট্যাক্সি চালকের মতো স্বনিযুক্ত ব্যক্তিদের কথা। ছুতোর, কল-মিস্ত্রি, ইলেক্ট্রিক-মিস্ত্রি প্রভৃতি পেশায় যুক্ত ব্যক্তিদের কথা। রোজই তাঁদের ভাগ্যান্বেষণে বা কাজের খোঁজে বেরতে হয়। তাঁরা দিনান্তে বাড়ি ফিরছেন যা নিয়ে, তা স্বাভাবিক সময়ের আয়ের অর্ধেকও নয়। তাঁরা ‘হতাশা’য় ভুগছেন।
অন্যদিকে, প্রচণ্ড গরিবরা বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছেন। কাজের খোঁজে তাঁদের দূরে দূরে যেতে হয়েছিল। পরিযায়ী জীবন পিছনে রেখে তাঁরা গ্রামে ফিরে এসেছেন। দু’টোমাত্র জিনিস তাঁদের বাঁচিয়ে রাখতে পারে: জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা কর্মসূচি মারফত রেশন এবং ১০০ দিনের প্রকল্পে (এমজিএনআরইজিএ) কাজ। এই প্রসঙ্গে বলা দরকার যে, অনেক রাজ্য সরকার রেশনটা বিনা পয়সাতেই দিচ্ছে। আর এই দু’টো কর্মসূচিই ইউপিএ সরকারের উদ্যোগ। তা সত্ত্বেও এখনও অনেক মানুষ কিছু এনজিও-র দানখয়রাতির উপর নির্ভরশীল। এই পরিস্থিতি সরকারের উপর ‘বিরক্তি’র উদ্রেক ঘটাচ্ছে এবং ‘নিরুপায়’ বলেই তাঁদের এটা মেনে নেওয়া।
ছোট শহরগুলোতে সবকিছুই খোলা। খোলা রয়েছে বাজার, দোকান এবং নানা ধরনের পরিষেবা ক্ষেত্র। বাজারে সব্জি, ফলমূল, মাছ-মাংসের দোকানগুলোতেই যা ভিড়। বিশেষ কেউ জুতো, জামা-কাপড় কিংবা চুল-দাড়ি কাটার দোকানমুখো হচ্ছেন না।
কৃষিক্ষেত্র ঝলমল করছে
গ্রামীণ ভারত পুরো খোলা। সেখানে সামান্য কিছু মানুষই মাস্ক পরছেন। রবি মরশুমে চাষির ঘরে উঠেছে ব্যাপক পরিমাণ ফসল। নতুন ফসল বোনার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। সেখানে মানুষের চোখেমুখে খুশির ছোঁয়া। মানুষ কিনছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং পরবর্তী উৎপাদনের কাঁচামাল। ব্যস। তার বেশি নয়। প্যাকেটবন্দি খাদ্যদ্রব্য এবং শরীরের বলবর্ধক জিনিসপত্র (ডায়েট অ্যান্ড নিউট্রিশন সাপ্লিমেন্টস) বেশ বিকোচ্ছে। যথেষ্ট জনপ্রিয়। ধনী কৃষকরা ট্রাক্টর এবং অন্যসকল কৃষি সরঞ্জাম কিনছেন। টুহুইলার এবং ছোট গাড়ির (অন্য গাড়ি নয়) বিক্রিবাটা বেশ বেড়েছে। সুপ্ত চাহিদার কারণে বাণিজ্যিক প্রয়োজনের গাড়িগুলোর বিক্রি বৃদ্ধির একটা আশা জাগিয়েছে। হায়, এমন সময়েই ক্রমাগত বাড়ানো হচ্ছে পেট্রল ও ডিজেলের দাম। মানুষের গাড়ি কেনার আগ্রহটা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
জিএসটি-র মতো কিছু বাধা আছে। তবু, পণ্য-জোগান ব্যবস্থাটা (সাপ্লাই চেইন) স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে।
২০২০-২১-এ কৃষিক্ষেত্র ভালো করবে। ভালো করবে মানে, সর্বাধিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি হবে। কৃষিতে এই বৃদ্ধি, দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনকে (জিডিপি) ০.৬০ শতাংশ এগিয়ে দেবে।
... কিন্তু সর্বত্র বিষণ্ণতা
সবকিছুকেই ঘিরে রেখেছে বিষণ্ণতা আর অনিশ্চয়তা। মাঝারি, ক্ষুদ্র ও অতি ক্ষুদ্র শিল্প-বাণিজ্য ক্ষেত্র (এমএসএমই) নিজেকে সরকারের দ্বারা পরিত্যক্ত ভাবছে। দেশে এমএসএমই ১০ কোটি। অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, তাদের ভিতরে ৪৫ লক্ষ এমএসএমই-র জন্য মোট ৩ লক্ষ কোটি টাকার ‘ক্রেডিট গ্যারান্টি’ দেবেন। সরকার মোট ঋণ দেবে ৩০ লক্ষ কোটি টাকা। তার মধ্যে এই ১০ শতাংশ বা ৩ লক্ষ কোটি টাকা চিরতরে অনাদায়ী বা অনুৎপাদক সম্পদ (এনপিএ) হয়ে যেতে পারে বলে তারা ধরে নিচ্ছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত যা মঞ্জুর হয়েছে তার পরিমাণ মোটামুটিভাবে ৭০ হাজার কোটি টাকা মাত্র। এমএসএমই-দের হাতে দেওয়া হয়েছে তারও অর্ধেক বা ৩৫ হাজার কোটি টাকা। হাজার হাজার এমএসএমই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। লক্ষ লক্ষ মানুষের চাকরি চলে গিয়েছে। এই যে বিরাট ক্ষতি হয়ে গেল, হয়তো চিরতরের জন্যেই।
ভ্রমণ, পর্যটন, বিমান পরিবহণ সংস্থা, বাস পরিষেবা সংস্থা, অতিথিসেবা, হোটেল শিল্প, ভোগ্যপণ্যের ব্যবসা, নির্মাণ শিল্প, রপ্তানি বাণিজ্য প্রভৃতি ধুঁকছে। এদের মধ্যে অনেক সংস্থার বিপুল লোকসান হবে। লোকসানের পরিমাণ হবে কোটি কোটি টাকা। নিজেকে দেউলিয়াও ঘোষণা করবে কেউ কেউ। শিল্প-বাণিজ্যের ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে যাবে, প্রত্যক্ষভাবে এবং পরোক্ষে কোটি কোটি চাকরি। বহু কোম্পানি ঋণ কমিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। মূলধনী ব্যয়ের পরিমাণও তারা বিশেষভাবে কমাচ্ছে।
চাহিদা এখনও ভীষণ কম। এটা ম্যানুফ্যাকচারিং এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের উপর বিরাট এক আঘাত। মানুষ নগদ অর্থ ধরে রাখছে (হোর্ডিং)। আগের বছরের এই সময়ের নিরিখে টাকার হাত-বদল (কারেন্সি ইন সার্কুলেশন) ১৪ শতাংশ বেড়েছে। কারণ দু’টো: প্রথমটা হল—কোভিড সংক্রমণের ভয় এবং হাসপাতালে চিকিৎসার খরচ। অন্যটা হল—চীনের হুমকিজনিত এক অস্পষ্ট আশঙ্কা। কোভিডের আতঙ্ক এবং চীনের হুমকি। এই দু’টো জিনিস ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ভারতকে মন্দার দিকে ঠেলে দেবে। ৪২ বছরের ভিতরে প্রথম। এটা ৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। মন্দার কারণে বেকারত্ব বাড়বে। ব্যতিক্রম গ্রাম ভারত। বিশেষ করে কায়িক শ্রমের ক্ষেত্রগুলো বেঁচে যাবে। মন্দার কারণে শ্রমিকসহ বহু মানুষের মজুরি বা আয় কমে যাবে। মাথাপিছু আয় ১০ থেকে ১২ শতাংশ হ্রাসের আশঙ্কা করছি। দারিদ্র্যসীমা বরাবর যে মানুষগুলো রয়েছেন (জনসংখ্যার সবচেয়ে নীচের ৩০ শতাংশের ঠিক উপরেই যাঁরা) এই ধাক্কায় তাঁরাও দারিদ্র্যের যন্ত্রণার মধ্যে পড়ে যাবেন।
এখনও সঙ্কোচন
গমের সংগ্রহ বা প্রোকিওরমেন্ট (৩৮২ লক্ষ মেট্রিক টন), খরিফ চাষ (১ কোটি ৩১ লক্ষ ৩০ হাজার হেক্টর), সারের বিক্রি, বৈদেশিক মুদ্রা তহবিল বা ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ (৫০ হাজার ৭০০ কোটি মার্কিন ডলার) প্রভৃতি ক্ষেত্রে অর্থ মন্ত্রক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ (গ্রিন শুটস) দেখছে। বাকিটা ম্যানুফ্যাকচারিং এবং পরিষেবা ক্ষেত্রে ভয়ানক সঙ্কোচনের তথ্যাদি।গত বছরের এই সময়ের নিরিখে বৃদ্ধির হার শূন্যের নীচে (নেগেটিভ গ্রোথ) নেমে গিয়েছে বলে ইতিমধ্যে মেনেও নেওয়া হয়েছে।গত বছরের নিরিখে বৃদ্ধি কমেছে—ম্যানুফ্যাকচারিং ক্ষেত্রে ২৭.৪ শতাংশ এবং পরিষেবা ক্ষেত্রে ৫.৪ শতাংশ। অন্যদিকে, ব্যবহার কমেছে বিদ্যুতে ১২.৫ শতাংশ, পেট্রপণ্যে ২৩.২ শতাংশ, কয়লা ৪ শতাংশ। রেলে পণ্য পরিবহণও গত বছরের তুলনায় কমে গিয়েছে। অর্থনীতির নানা ক্ষেত্র থেকে কাজ বা চাকরি হারানোর দুঃসংবাদ মিলছে।
মোটামুটিভাবে অর্থ মন্ত্রক একাই, ইংরেজি ‘ভি’ (V) আকৃতির রিকভারি বা ঘুরে দাঁড়াবার আশার বাণী শোনাচ্ছে। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ৫ শতাংশ ‘অবনমন’ (ডাউন) এবং ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ৫ শতাংশ ‘ঊর্ধ্বগতি’র (আপ) রিকভারি বা পুনরুজ্জীবন হতে পারে। কিন্তু এটাকে ‘রিকভারি’ বলা যাবে না। রিকভারি তখনই বলা যাবে, যখন মোট উৎপাদন বা জিডিপি ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের মোট উৎপাদনকে ছাপিয়ে যাবে। এবং, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের আগে এটা সম্ভব নাও হতে পারে। অর্থ মন্ত্রক এতটাই আশাবাদী যদি তবে ২০২০-২১ অর্থবর্ষে জিডিপি-র ‘পজিটিভ গ্রোথ’ ভবিষ্যৎবাণী করল না কেন? আসলে অর্থ মন্ত্রকের অতটা সাহসে কুলোয়নি!
 লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী
29th  June, 2020
ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। বিশদ

28th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন। ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? 
বিশদ

20th  November, 2020
বিজেপির হয়েই কি ব্যাট ধরছে কং-সিপিএম?
হারাধন চৌধুরী

বছর তিরিশ আগের কিছু কথা মনে পড়ছে। জ্যোতি বসুর মুখ্যমন্ত্রিত্বের তখন থার্ড টার্ম। সিদ্ধার্থ-জমানার সন্ত্রাসের বাস্তব অনেকটাই অতীত ততদিনে। সিপিএমের সন্ত্রাসটাই তখন হাতেগরম। সাতাত্তরে সিপিএম এবং জ্যোতি বসুর নামে যে মোহ জেগেছিল, অনেক সাচ্চা বামপন্থীদেরও ঘুচে গিয়েছে। সাংবাদিকতায় হাতেখড়ির সেই গোড়ার দিনগুলোতে আমাদের ব্যতিব্যস্ত রাখত সিপিএম পার্টি ক্যাডাররা।  
বিশদ

19th  November, 2020
একনজরে
নদী পেরিয়ে কীভাবে বাঘ লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে, তার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে চোখ কপালে উঠেছিল বনদপ্তরের আধিকারিকদের। জঙ্গল জুড়ে জাল লাগানো হলেও তার বেশ কিছু ...

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় তিন লক্ষের বেশি কৃষক ধান চাষ করলেও সরকারি সহায়কমূল্যে দিনে শুধুমাত্র ৪০০ জনের কাছ থেকে ধান কেনা হচ্ছে।  ...

নিত্যদিন মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফেরা নিয়ে লেগে থাকত পারিবারিক অশান্তি। শনিবার তা চরমে ওঠে। তার জেরে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আত্মঘাতী হলেন বড়জোড়ার মালিয়াড়ার এক যুবক। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম কাজল ওরফে বিশ্বদেব দীক্ষিত(৪০)। ...

উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অধীনে কর্মরত, তথ্যপ্রযুক্তির চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের সরকারি ছাতার তলায় আনার কাজ শুরু হয়েছে।  বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে এঁরা নিযুক্ত ছিলেন। ১ নভেম্বরের একটি আদেশ নেওয়ার পরে সোমবার একটি নির্দেশিকা বের করে উচ্চশিক্ষা দপ্তর। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তিবৃদ্ধি। প্রিয়জনের মানহানির আশঙ্কা। দাম্পত্য জীবনে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। অত্যধিক ব্যয়। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৫৮: বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর জন্ম
১৮৭৪ - ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক উইন্স্টন  চার্চিলের জন্ম
১৯০৩ - কবি রাধারানী দেবীর জন্ম
১৯০৮: কবি বুদ্ধদেব বসুর জন্ম
১৯০৯: ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তের মৃত্যু
১৯৮৪ - অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী ইন্দুবালা দেবীর মৃত্যু
২০১২ - প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রকুমার গুজরালের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০০ টাকা ৭৪.৭১ টাকা
পাউন্ড ৯৭.০৯ টাকা ১০০.৪৮ টাকা
ইউরো ৮৬.৫১ টাকা ৮৯.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  November, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,৩৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬০,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬০,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
29th  November, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, পূর্ণিমা ২২/২২ দিবা ৩/০। কৃত্তিকা নক্ষত্র ০/২ প্রাতঃ ৬/৪। সূর্যোদয় ৬/৩/২০, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৮ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৪ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ১০/৫৮ মধ্যে পুনঃ ২/৩০ গতে ৩/২৪ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ২/৬ গতে ৩/২৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৪৬ গতে ১১/২৫ মধ্যে। 
১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, পূর্ণিমা দিবা ২/২৫। কৃত্তিকা নক্ষত্র প্রাতঃ ৬/৩১। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ মধ্যে ও ৯/৬ গতে ১১/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৫ গতে ১১/৭ মধ্যে ও ২/৪২ গতে ৩/৩৫ মধ্যে। কালবেলা ৭/২৫ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ২/৭ গতে ৩/২৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৪৭ গতে ১১/২৬ মধ্যে।
১৪ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আনন্দপুরে ২৪ তলা থেকে ঝাঁপ ছাত্রের
২৪ তলা থেকে ঝাঁপ ছাত্রের। বছর ১৪-র ওই পড়ুয়া নামী ...বিশদ

01:47:52 PM

শিলিগুড়ির কাছারি রোডে মহাত্মা গান্ধীর পূর্ণাবয়ব মূর্তির আবরণ উন্মোচনে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম 

01:21:21 PM

জলপাইগুড়ির একটি বাড়িতে আগুন
সোমবার সকালে জলপাইগুড়িতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেল একটি বাড়ি। এদিন ...বিশদ

01:15:25 PM

পুরুলিয়ায় মাওবাদী পোস্টার ঘিরে চাঞ্চল্য 
পুরুলিয়ায় মাওবাদী পোস্টার ঘিরে চাঞ্চল্য। রাস্তার পাশেই উদ্ধার হয়েছে হিন্দি ...বিশদ

12:58:41 PM

মর্গে নড়ে উঠল মরা, জুড়ে দিল চিৎকার
 মর্গে নড়ে উঠল ‘মরা’। এমনকী জুড়ে দিল চিৎকারও।  জানা গেল, ...বিশদ

11:30:27 AM

সাঁকরাইলে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে মৃত রেসিডেন্সিয়াল হাতি 
সাঁকরাইলে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে মৃত্যু এক রেসিডেন্সিয়াল হাতির। সোমবার ভোর রাতে ...বিশদ

11:14:31 AM