Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
আমার চতুর্দিকে যা দেখছি, তা বলছি। আপনি চতুর্দিকে যা দেখছেন তার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারবেন। চেন্নাইয়ের মতো বড় মহানগরে সবকিছুই খোলা, আবার হঠাৎই সবকিছু বন্ধ। এটা লকডাউন, আনলকডাউন আর লকডাউনের মধ্যে দোলাচলের এক বিভ্রান্তি। কেউ জানে না কোনটা কখন খুলবে কিংবা বন্ধ হবে। ধনী এবং উচ্চ মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষজন বাড়িতে আছেন। উপায় নেই। বাধ্য হচ্ছেন সঞ্চিত অর্থ বা সম্পদ খরচ করতে। আর প্রার্থনা করছেন, এই দুঃসময় যেন কেটে যায়। কিন্তু সে কবে? কারও জানা নেই। নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষজন কর্মস্থলের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছেন। খুব জরুরি প্রয়োজন হলেই তাঁরা বাইরে বেরচ্ছেন। কাজটা কোনওরকমে মিটিয়েই ফিরে আসছেন বাড়িতে। একটা ‘ভয়’ কাজ করছে।
গরিব মানুষকে ‘হতাশা’ গ্রাস করেছে। বিশেষ করে উল্লেখ করতে হয় দোকানদারদের কথা। অটো বা ট্যাক্সি চালকের মতো স্বনিযুক্ত ব্যক্তিদের কথা। ছুতোর, কল-মিস্ত্রি, ইলেক্ট্রিক-মিস্ত্রি প্রভৃতি পেশায় যুক্ত ব্যক্তিদের কথা। রোজই তাঁদের ভাগ্যান্বেষণে বা কাজের খোঁজে বেরতে হয়। তাঁরা দিনান্তে বাড়ি ফিরছেন যা নিয়ে, তা স্বাভাবিক সময়ের আয়ের অর্ধেকও নয়। তাঁরা ‘হতাশা’য় ভুগছেন।
অন্যদিকে, প্রচণ্ড গরিবরা বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছেন। কাজের খোঁজে তাঁদের দূরে দূরে যেতে হয়েছিল। পরিযায়ী জীবন পিছনে রেখে তাঁরা গ্রামে ফিরে এসেছেন। দু’টোমাত্র জিনিস তাঁদের বাঁচিয়ে রাখতে পারে: জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা কর্মসূচি মারফত রেশন এবং ১০০ দিনের প্রকল্পে (এমজিএনআরইজিএ) কাজ। এই প্রসঙ্গে বলা দরকার যে, অনেক রাজ্য সরকার রেশনটা বিনা পয়সাতেই দিচ্ছে। আর এই দু’টো কর্মসূচিই ইউপিএ সরকারের উদ্যোগ। তা সত্ত্বেও এখনও অনেক মানুষ কিছু এনজিও-র দানখয়রাতির উপর নির্ভরশীল। এই পরিস্থিতি সরকারের উপর ‘বিরক্তি’র উদ্রেক ঘটাচ্ছে এবং ‘নিরুপায়’ বলেই তাঁদের এটা মেনে নেওয়া।
ছোট শহরগুলোতে সবকিছুই খোলা। খোলা রয়েছে বাজার, দোকান এবং নানা ধরনের পরিষেবা ক্ষেত্র। বাজারে সব্জি, ফলমূল, মাছ-মাংসের দোকানগুলোতেই যা ভিড়। বিশেষ কেউ জুতো, জামা-কাপড় কিংবা চুল-দাড়ি কাটার দোকানমুখো হচ্ছেন না।
কৃষিক্ষেত্র ঝলমল করছে
গ্রামীণ ভারত পুরো খোলা। সেখানে সামান্য কিছু মানুষই মাস্ক পরছেন। রবি মরশুমে চাষির ঘরে উঠেছে ব্যাপক পরিমাণ ফসল। নতুন ফসল বোনার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। সেখানে মানুষের চোখেমুখে খুশির ছোঁয়া। মানুষ কিনছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং পরবর্তী উৎপাদনের কাঁচামাল। ব্যস। তার বেশি নয়। প্যাকেটবন্দি খাদ্যদ্রব্য এবং শরীরের বলবর্ধক জিনিসপত্র (ডায়েট অ্যান্ড নিউট্রিশন সাপ্লিমেন্টস) বেশ বিকোচ্ছে। যথেষ্ট জনপ্রিয়। ধনী কৃষকরা ট্রাক্টর এবং অন্যসকল কৃষি সরঞ্জাম কিনছেন। টুহুইলার এবং ছোট গাড়ির (অন্য গাড়ি নয়) বিক্রিবাটা বেশ বেড়েছে। সুপ্ত চাহিদার কারণে বাণিজ্যিক প্রয়োজনের গাড়িগুলোর বিক্রি বৃদ্ধির একটা আশা জাগিয়েছে। হায়, এমন সময়েই ক্রমাগত বাড়ানো হচ্ছে পেট্রল ও ডিজেলের দাম। মানুষের গাড়ি কেনার আগ্রহটা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
জিএসটি-র মতো কিছু বাধা আছে। তবু, পণ্য-জোগান ব্যবস্থাটা (সাপ্লাই চেইন) স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে।
২০২০-২১-এ কৃষিক্ষেত্র ভালো করবে। ভালো করবে মানে, সর্বাধিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি হবে। কৃষিতে এই বৃদ্ধি, দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনকে (জিডিপি) ০.৬০ শতাংশ এগিয়ে দেবে।
... কিন্তু সর্বত্র বিষণ্ণতা
সবকিছুকেই ঘিরে রেখেছে বিষণ্ণতা আর অনিশ্চয়তা। মাঝারি, ক্ষুদ্র ও অতি ক্ষুদ্র শিল্প-বাণিজ্য ক্ষেত্র (এমএসএমই) নিজেকে সরকারের দ্বারা পরিত্যক্ত ভাবছে। দেশে এমএসএমই ১০ কোটি। অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, তাদের ভিতরে ৪৫ লক্ষ এমএসএমই-র জন্য মোট ৩ লক্ষ কোটি টাকার ‘ক্রেডিট গ্যারান্টি’ দেবেন। সরকার মোট ঋণ দেবে ৩০ লক্ষ কোটি টাকা। তার মধ্যে এই ১০ শতাংশ বা ৩ লক্ষ কোটি টাকা চিরতরে অনাদায়ী বা অনুৎপাদক সম্পদ (এনপিএ) হয়ে যেতে পারে বলে তারা ধরে নিচ্ছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত যা মঞ্জুর হয়েছে তার পরিমাণ মোটামুটিভাবে ৭০ হাজার কোটি টাকা মাত্র। এমএসএমই-দের হাতে দেওয়া হয়েছে তারও অর্ধেক বা ৩৫ হাজার কোটি টাকা। হাজার হাজার এমএসএমই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। লক্ষ লক্ষ মানুষের চাকরি চলে গিয়েছে। এই যে বিরাট ক্ষতি হয়ে গেল, হয়তো চিরতরের জন্যেই।
ভ্রমণ, পর্যটন, বিমান পরিবহণ সংস্থা, বাস পরিষেবা সংস্থা, অতিথিসেবা, হোটেল শিল্প, ভোগ্যপণ্যের ব্যবসা, নির্মাণ শিল্প, রপ্তানি বাণিজ্য প্রভৃতি ধুঁকছে। এদের মধ্যে অনেক সংস্থার বিপুল লোকসান হবে। লোকসানের পরিমাণ হবে কোটি কোটি টাকা। নিজেকে দেউলিয়াও ঘোষণা করবে কেউ কেউ। শিল্প-বাণিজ্যের ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে যাবে, প্রত্যক্ষভাবে এবং পরোক্ষে কোটি কোটি চাকরি। বহু কোম্পানি ঋণ কমিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। মূলধনী ব্যয়ের পরিমাণও তারা বিশেষভাবে কমাচ্ছে।
চাহিদা এখনও ভীষণ কম। এটা ম্যানুফ্যাকচারিং এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের উপর বিরাট এক আঘাত। মানুষ নগদ অর্থ ধরে রাখছে (হোর্ডিং)। আগের বছরের এই সময়ের নিরিখে টাকার হাত-বদল (কারেন্সি ইন সার্কুলেশন) ১৪ শতাংশ বেড়েছে। কারণ দু’টো: প্রথমটা হল—কোভিড সংক্রমণের ভয় এবং হাসপাতালে চিকিৎসার খরচ। অন্যটা হল—চীনের হুমকিজনিত এক অস্পষ্ট আশঙ্কা। কোভিডের আতঙ্ক এবং চীনের হুমকি। এই দু’টো জিনিস ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ভারতকে মন্দার দিকে ঠেলে দেবে। ৪২ বছরের ভিতরে প্রথম। এটা ৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। মন্দার কারণে বেকারত্ব বাড়বে। ব্যতিক্রম গ্রাম ভারত। বিশেষ করে কায়িক শ্রমের ক্ষেত্রগুলো বেঁচে যাবে। মন্দার কারণে শ্রমিকসহ বহু মানুষের মজুরি বা আয় কমে যাবে। মাথাপিছু আয় ১০ থেকে ১২ শতাংশ হ্রাসের আশঙ্কা করছি। দারিদ্র্যসীমা বরাবর যে মানুষগুলো রয়েছেন (জনসংখ্যার সবচেয়ে নীচের ৩০ শতাংশের ঠিক উপরেই যাঁরা) এই ধাক্কায় তাঁরাও দারিদ্র্যের যন্ত্রণার মধ্যে পড়ে যাবেন।
এখনও সঙ্কোচন
গমের সংগ্রহ বা প্রোকিওরমেন্ট (৩৮২ লক্ষ মেট্রিক টন), খরিফ চাষ (১ কোটি ৩১ লক্ষ ৩০ হাজার হেক্টর), সারের বিক্রি, বৈদেশিক মুদ্রা তহবিল বা ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ (৫০ হাজার ৭০০ কোটি মার্কিন ডলার) প্রভৃতি ক্ষেত্রে অর্থ মন্ত্রক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ (গ্রিন শুটস) দেখছে। বাকিটা ম্যানুফ্যাকচারিং এবং পরিষেবা ক্ষেত্রে ভয়ানক সঙ্কোচনের তথ্যাদি।গত বছরের এই সময়ের নিরিখে বৃদ্ধির হার শূন্যের নীচে (নেগেটিভ গ্রোথ) নেমে গিয়েছে বলে ইতিমধ্যে মেনেও নেওয়া হয়েছে।গত বছরের নিরিখে বৃদ্ধি কমেছে—ম্যানুফ্যাকচারিং ক্ষেত্রে ২৭.৪ শতাংশ এবং পরিষেবা ক্ষেত্রে ৫.৪ শতাংশ। অন্যদিকে, ব্যবহার কমেছে বিদ্যুতে ১২.৫ শতাংশ, পেট্রপণ্যে ২৩.২ শতাংশ, কয়লা ৪ শতাংশ। রেলে পণ্য পরিবহণও গত বছরের তুলনায় কমে গিয়েছে। অর্থনীতির নানা ক্ষেত্র থেকে কাজ বা চাকরি হারানোর দুঃসংবাদ মিলছে।
মোটামুটিভাবে অর্থ মন্ত্রক একাই, ইংরেজি ‘ভি’ (V) আকৃতির রিকভারি বা ঘুরে দাঁড়াবার আশার বাণী শোনাচ্ছে। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ৫ শতাংশ ‘অবনমন’ (ডাউন) এবং ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ৫ শতাংশ ‘ঊর্ধ্বগতি’র (আপ) রিকভারি বা পুনরুজ্জীবন হতে পারে। কিন্তু এটাকে ‘রিকভারি’ বলা যাবে না। রিকভারি তখনই বলা যাবে, যখন মোট উৎপাদন বা জিডিপি ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের মোট উৎপাদনকে ছাপিয়ে যাবে। এবং, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের আগে এটা সম্ভব নাও হতে পারে। অর্থ মন্ত্রক এতটাই আশাবাদী যদি তবে ২০২০-২১ অর্থবর্ষে জিডিপি-র ‘পজিটিভ গ্রোথ’ ভবিষ্যৎবাণী করল না কেন? আসলে অর্থ মন্ত্রকের অতটা সাহসে কুলোয়নি!
 লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী
29th  June, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, গুসকরা: শনিবার রাতে আউশগ্রামের বড়াচৌমাথার কাছে জাতীয় সড়কে ডাকাত সন্দেহে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। একটি মারুতি গাড়িও আটক করা হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের নাম খোকন মাল ও অনিমেষ সমাদ্দার।   ...

বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: শত্রু যখন প্রবল পরাক্রমী, অস্ত্রও দরকার তেমনি আধুনিক। করোনার সঙ্গে যুদ্ধে সরকারি হাসপাতালগুলির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে হাইটেক সব ‘অস্ত্র’। ভয়ঙ্কর সংক্রামক করোনা ছড়ায় ড্রপলেটের মাধ্যমে।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: এই প্রথম রাজ্যে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের উদ্যোগ নিল মৎস্য দপ্তর। পরীক্ষামূলকভাবে ১৪টি জেলায় এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ করা হবে।   ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: রবিবার মাদারিহাট ব্লকে বিরোধী বিভিন্ন দলের নীচুতলার ২০০ জন কর্মী-সমর্থক শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। এদিন ব্লকের শিশুঝুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিজেপি, আরএসপি ও সিপিএম এই তিন দলের কর্মী-সমর্থকরা তৃণমূলে যোগ দেন।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ যোগ। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৫- জোসেফ মেইস্টারের উপর জলাতঙ্ক রোগের টিকা সফলভাবে পরীক্ষা করলেন লুই পাস্তুর
১৮৯২- ব্রিটেন পার্লামেন্টে প্রথম ভারতীয় হিসাবে নির্বাচিত হলেন দাদাভাই নওরোজি
১৯০১- শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৬- আমেরিকার ৪৩তম প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লু বুশের জন্ম
১৯৪৬- মার্কিন অভিনেতা সিলভেস্টার স্ট্যালোনের জন্ম
১৯৮৫- অভিনেতা রণবীর সিংয়ের জন্ম
১৯৮৬- রাজনীতিবিদ জগজীবন রামের মৃত্যু
২০০২- রিলায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা ধীরুভাই আম্বানির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
05th  July, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  July, 2020

দিন পঞ্জিকা

২২ আষাঢ় ১৪২৭, ৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ ১০/৫৩ দিবা ৯/২৩। উত্তরাষাঢ়া ৪৫/২৭ রাত্রি ১১/১২৷ সূর্যোদয় ৫/১/১২, সূর্যাস্ত ৬/২১/২০৷ অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৪ গতে ১০/২০ মধ্যে। রাত্রি ৯/৪২ গতে ১২/২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৫৩ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২১ গতে ১১/৪১ মধ্যে।  
২১ আষাঢ় ১৪২৭, ৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ দিবা ৯/২২। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র রাত্রি ১২/০। সূযোদয় ৫/১, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৫ গতে ১০/২২ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৩ মধ্যে ও ১/২৮ গতে ২/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২২ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে।  
১৪ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় স্থানে ভারত 
বিশ্বে করোনা আক্রান্ত হওয়ার নিরিখে রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় স্থানে উঠে ...বিশদ

05-07-2020 - 09:32:25 PM

হালিশহরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ 
তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার ...বিশদ

05-07-2020 - 09:28:41 PM

কর্ণাটকে করোনা পজিটিভ আরও ১,৯২৫, মোট আক্রান্ত ২৩,৪৭৪ 

05-07-2020 - 09:06:12 PM

জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সীমান্তে পাক সেনার গোলাগুলি 

05-07-2020 - 08:37:27 PM

করোনা: মহারাষ্ট্রে নতুন করে আক্রান্ত হলেন ৬৫৫৫, মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ৬ হাজার ৬১৯ 

05-07-2020 - 08:04:07 PM

করোনা: ফের একদিনে রাজ্যে রেকর্ড সংক্রমণ 
পর পর দু’দিন। নতুন সংক্রমণের নিরিখে ফের রেকর্ড রাজ্যে। গত ...বিশদ

05-07-2020 - 08:02:02 PM