Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক  নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর  পেশা। গত  এপ্রিল-মে  মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা  দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু  ঠেকিয়েছেন।  তাতে সংসার চালানোই দায়। আর জুন মাসে যদিও বা সামান্য কিছু যাত্রী নিয়ে বাস চলাচল শুরু হল,  টানা তেলের দাম বাড়ায় অবস্থা আরও  সঙ্গিন। জুলাই আসছে। কী হবে,  বেতনের টাকাটা পুরো মিলবে তো?  রাতে ঘুম হয় না মধুর। বাস কন্ডাকটরের চাকরিতে সামান্য আয়।  তারপর যদি তেলের লাগাতার দাম  বৃদ্ধির কারণে  ডাহা লোকসানে আয় আরও কমে,  তাহলে তো পেট চালানোই দায় হবে। অনেক বাস ইতিমধ্যে বেরিয়েও আবার বসে গিয়েছে। মালিকদের একটাই কথা, প্রচুর লোকসান হচ্ছে। লোকমুখে মধু কানাঘুষো  শুনেছেন,  বড় বড় ঠান্ডা মেশিন লাগানো অফিসেও নাকি অনেকটা কেটে তবেই বাবুদের বেতন হচ্ছে। যত শোনেন  ততই দুশ্চিন্তা বাড়ে।  তাঁর  কী হবে,  বাড়িতে অপেক্ষায় থাকা অসহায় মুখগুলোর কী হবে,  ভাবতে ভাবতে রাতে ঘুম আসে না। আরও চেপে বসে দুশ্চিন্তা। দিন এগতেই খবর  পান,  পেট্রল ডিজেলের দাম আরও একদফা বেড়ে  গিয়েছে। লকডাউনের  ক্ষতি মেটাতে গরিব মানুষের হাতে কিছু নগদ টাকা দেওয়ার কথা  ছিল। তার  বদলে এ তো ঘুরপথে আয় কেড়ে একেবারে ভাতে মারার প্ল্যান! 
গরিব মানুষ অত শত বোঝেন  না,  শুধু শূন্যদূষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকেন  আর ঘন ঘন দীর্ঘশ্বাস  ফেলেন। তবে আশার খবর, এরাজ্যে প্রান্তিক মানুষের সঙ্কট মোচনে মোদিজি সাড়া না দিলেও এগিয়ে এসেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবারই নবান্নে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, বেসরকারি বাস যাতে রাস্তায় কমে না যায় তার জন্য তাঁর সরকার বাস পিছু ১৫ হাজার টাকা দেবে। এককথায় নজিরবিহীন পদক্ষেপ। এই সিদ্ধান্তে একদিকে যেমন বাসের ভাড়া এই কঠিন সময়ে বাড়বে না, তেমনি যে হাজার হাজার কন্ডাকটর ও ড্রাইভার কাজ হারিয়ে বসে যাওয়ার ভয় পাচ্ছিলেন, তাঁদের রুটিরুজির সমস্যাও অনেকটাই মিটবে। আগামী তিন মাস এই প্যাকেজ দেবে মমতার সরকার। নিঃসন্দেহে সীমিত আর্থিক ক্ষমতার মধ্যে তৃণমূল সরকারের এই উদ্যোগ অভূতপূর্ব। একদিকে মমতা বলছেন, সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও অবস্থাতেই বাসের ভাড়া বাড়াতে দেব না, আবার বাস মালিকদের লোকসান মেটাতে ১৫ হাজার টাকাও দেওয়া হচ্ছে। বিরোধীদের প্রশ্ন করি, ভূভারতে কোনও রাজ্য সরকারের এমন মানবিক পদক্ষেপের নজির আর আছে কি? বিশেষ করে যখন দিল্লির কাছে থেকেই ৫৬ হাজার কোটি টাকা পাওনা মেলেনি। হঠাৎ ঘূর্ণিঝড়ে অন্তত ৯টি জেলা তছনছ হয়ে গিয়েছে। সেখানেও ত্রাণ ও পুনর্বাসনে ৬৩০০ কোটি টাকা খরচ করেছে রাজ্য। এতকিছুর পরও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে কার্পণ্য করেননি মুখ্যমন্ত্রী।
এরই ঠিক উল্টো পিঠে গোটা দেশ তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে কেন্দ্রকে বারে বারে সরে আসতে বললেও কোনও কাজ হচ্ছে না। এর থেকেই কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্যটা জলের মতো পরিষ্কার হয়ে যায়। অভিধানে জনমুখী ও জনবিরোধী বলে দু’টো শব্দ আছে। অত্যন্ত বহুল ব্যবহৃত জনপ্রিয় শব্দ। মানুষ নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বেছে বেছে শব্দ দু’টিকে ব্যবহার করে এবং কে জনগণের ভালোর জন্য কাজ করছে আর কে মানুষকে বেছে বেছে বিপদে ফেলছে, তা বুঝে নিয়েই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে, ইতিহাসই বারে বারে তার সাক্ষী!
গত ১ জুন থেকে শুরু করে আনলক পর্বের প্রথম একমাসও প্রায় কাটল বলে। কিন্তু ভয়ঙ্কর ছোঁয়াচে করোনার আতঙ্ক যেমন কমেনি,  তেমনি লকডাউনের ক্ষত সামলে স্বাভাবিক হয়নি জীবনযাপনও। আর এখন তো দৈনিক সংক্রমণ ১৮ হাজার ছাড়াচ্ছে। তাই স্বভাবতই ভয়টাও আরও তীব্র। এই আকাল আর কতদিন চলবে তা বলতে পারছেন না বড় বড় বিশেষজ্ঞরাও। যেদিকেই তাকানো যায় শুধু মন্দা আর সব হারানোর  হতাশা। একান্ত আপনজন মারা গেলেও শোক তাপ নয়।  মানুষটা কেমন ছিল তা নিয়ে আলোচনা নয়।  প্রথম  প্রশ্ন—কী রে,  সমীরদার করোনা ছিল না তো?  এমন নির্মম ভয়ঙ্কর সত্যের মুখোমুখি আমরা জীবনে হইনি কখনও। 
ব্যবসা কমেছে,  বিক্রি কমেছে,  উৎপাদন কমেছে,  সুদ কমেছে,  আয় কমেছে,  চাকরি কমেছে। সিবিএসই দশম ও দ্বাদশের পরীক্ষা পর্যন্ত সম্পূর্ণ করতে পারল না। ফল কবে তা নিয়েও ধোঁয়াশার শেষ নেই। জিডিপি মানে দেশের অর্থনীতির পালস রেট তাও লাফিয়ে ছুটছে শূন্যের  নীচের  দিকে। মানুষের আশা ভরসা একটু খুশির ঝিলিক তাও কবেই যেন উধাও। কিন্তু পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে শুধু তেলের দাম। তবে নিন্দুকেরা যাই বলুন এর মধ্যেই আত্মনির্ভর ভারত গড়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন দেশের নেতা নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু কেমন করে হব আত্মনির্ভর? চাকরি তো নেই। ব্যবসার অবস্থাও তথৈবচ! বাজার এতটাই খারাপ যে ঋণ নিয়ে শোধ দিতেই পারব না। এই অবস্থায় একটাই সহজ রাস্তা আছে, রোজ বিকেল বিকেল বেশি করে পেট্রল ও ডিজেল কিনে পরের দিন সকালে লিটারে ৪০ থেকে ৫০ পয়সা লাভে বিক্রি করে দেওয়া! দ্রুত নিজের পায়ে দাঁড়ানোর এটাই এখন একমাত্র উপায়। মানুষের জন্য সরকারের যখন কোনও হেলদোলই নেই, সেখানে এ ছাড়া আর পথ কী? আর এই ইস্যুতেই আচমকাই তেতে উঠেছে জ্বালানি তেলের রাজনীতি। যখন আর্ন্তজাতিক বাজারে তেলের দাম তলানিতে তখন একতরফা পেট্রল ও ডিজেলের এই মূল্যবৃদ্ধি ঘিরে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে তীব্র অসন্তোষ।
শেষবার পেট্রল ও ডিজেলের দাম কমেছিল গত ১৬ মার্চ,  লকডাউনের আগে। তারপর গোটা এপ্রিল ও মে মাসে আর তেলের দামে হাত দেওয়ার মতো অবস্থা ছিল না,  তাই দাম অপরিবর্তিতই ছিল। গোটা দেশ কার্যত স্তব্ধ হয়ে যাওয়ায়,  কাজকর্ম শিকেয় ওঠায় তেলের চাহিদাও তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। জুনে  আনলক পর্ব শুরু হতেই ৮২ দিন পর দাম বাড়ানো শুরু হয়। প্রথম দাম বাড়ে ৭ জুন। তারপর থেকেই লাগাতার বেড়েই চলেছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত দাম বেড়েছে ৯ টাকার আশপাশে। কিন্তু এই মুহূর্তে প্রশ্ন একটাই,  কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিতে টানা এই মূল্যবৃদ্ধি কি খুব অনিবার্য ছিল?  কে না জানে,  তেলের দাম বৃদ্ধির  নিট রেজাল্ট বাকি সব জিনিসেরও  দামের  ঊর্ধ্বগতি ও  সাধারণকে আরও একটু অসুবিধায় ফেলা।
ফিরে যাই ছ’বছর আগে ২০১৪ সালের মে মাসে। ‘দুর্বল’ ছোট সঙ্কুচিত বুকের ছাতির মনমোহন সিং সরকারকে ভোটে হারিয়ে বীরবিক্রমে নরেন্দ্র মোদি যেদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী হন,  সেদিন দেশের মানুষের প্রত্যাশার শেষ ছিল না। দারিদ্র্য থেকে দুর্নীতিদমন,  কর্মসংস্থান থেকে শিল্প বিনিয়োগ বৃদ্ধি,  বিদেশ থেকে কালো টাকা ফেরানো,  সবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়া,  বছরে দু’লাখ চাকরি,  সব কিছুতেই একটা নতুন জোয়ার আসার স্বপ্নে মশগুল ছিল দেশের মানুষ। ইন্দিরা গান্ধীর পর আবার একজন জবরদস্ত সাহসী প্রধানমন্ত্রী পেয়েছে  দেশ—এই  চর্চাতেই মুখর ছিল সব মহল। এই  মানুষটাই চীন-পাকিস্তান সবাইকে উচিত শিক্ষা দিতে পারবেন,  কেউ আর ভারতের দিকে চোখ তুলে তাকাবার সাহস পাবে না,  এমন প্রচারও ছিল ষোলো আনা।
কিন্তু আজ নিরীহ নেপালও গলা তুলছে। চোখ রাঙাচ্ছে। এভাবেই ৬ বছর পেরিয়ে এসে আজ ধীরে ধীরে সেই স্বপ্নটা ধাক্কা খেয়েছে। বিশ্বাসেও যে একটা চিড় ধরেছে,  সেকথা বললে বোধহয় মোটেই বাড়াবাড়ি হবে না। মোদিজির শপথ নেওয়ার সময় আর্ন্তজাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম ঘোরাফেরা করছিল ৮৫ থেকে ১০৭ ডলারের আশপাশে। আর আজ আর্ন্তজাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম ৪০ ডলারের  আশেপাশে।  দেশীয়  বাজারে দাম কিন্তু তাতে কমেনি। মে মাসে বিশ্বজুড়ে চাহিদা কমে যাওয়ায় অশোধিত তেলের দাম ছিল আরও কম। কিন্তু সেই দাম কমার কোনও সুফল তো সাধারণের ঘরে পৌঁছয়নি। উল্টে দাম অনেকটা বেড়েছে। করোনা যন্ত্রণার মধ্যেই সাধারণের দুর্ভোগ বাড়িয়েছে মোদি সরকারের বিস্ময়কর সংকীর্ণ রাজনীতি। যেই দাম কমার একটু আশা জাগছে অমনি শুল্ক বাড়িয়ে দামের সমতা রক্ষায় নামছে কেন্দ্র।
এমনিতে একটা হিসেব বলছে,  আর্ন্তজাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম  ব্যারেল  পিছু ১ ডলার কমা মানে সরকারের দেড় বিলিয়ন ডলার সাশ্রয়। অঙ্কটা মোটেই কম নয়। সরকার বাহাদুর নাকি চলতি আর্থিক বছরে এভাবে প্রায় ৪৫ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয়ের পরিকল্পনা করেছে। অথচ সেই সাশ্রয়ের ছিটেফোঁটাও জুটবে না আমাদের ভাগ্যে। খোদ রাজধানী দিল্লিতে ডিজেলের দাম পেট্রলের চেয়ে বেশি হয়েছে! আর আজ  শহর  কলকাতাতেও পেট্রলের লিটার ৮০ টাকার বেশি। অথচ , ২০১৪-র  মে মাসে মোদি সরকারের অভিষেকের সময় দিল্লিতে পেট্রল ডিজেলের দাম ছিল লিটার পিছু যথাক্রমে ৭১ টাকা ৪১ পয়সা ও ৫৬ টাকা ৭১ পয়সা। আর আ‌জ তেলের দাম বেড়ে কোথায়?
এ এক ভয়ঙ্কর প্রবণতা। কংগ্রেস আমলের তুলনায় এভাবেই মোদি জমানায় পেট্রল-ডিজেলে শুল্ক বেড়েছে কয়েকগুণ। কিন্তু এই উদ্বৃত্ত অর্থ দিয়ে কেন্দ্র করবে  কী—এটাই  এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। বলা হচ্ছে,  এভাবে বিশাল আর্থিক ঘাটতি মেটানোরই চেষ্টা করছে সরকার। করোনার এই কঠিন সময়ে যখন সমস্ত চিরাচরিত হিসেবই উল্টে গিয়েছে,  মানুষ যখন নিজের দু’বেলা অন্নের সংস্থান করতেই হিমশিম খাচ্ছে,  তখন ধাপে ধাপে পেট্রল ডিজেলের থেকে আয় বাড়ানোর এই কৌশল থেকে মোদি সরকারের আখেরে কতটা লাভ হয় সেটাই এখন দেখার। নিন্দুকেরা আবার বলছে ভোটের আগে বিলি করার জন্য, জনমোহিনী ঘোষণার জন্য তহবিল তৈরির কাজ চলছে সুকৌশলে। কারণ ইতিমধ্যেই ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজের কোনও সুবিধা দেশের আম জনতা পায়নি। অসন্তোষ রোজ বাড়ছে। তাই বড় কোনও ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্র। কিন্তু তা বলে তেলের দাম বৃদ্ধির সর্বনাশা পথে কোষাগার ভরা মানে  তো দুঃসময়ে ঘুরিয়ে সবার পকেটেই  গোপন হাতের অনুপ্রবেশ।  এই  জনবিরোধী  প্রচেষ্টাকে  কোনওভাবেই  সমর্থন করা যায় না।  মোদি সরকারকে অবিলম্বে গরিব মানুষের স্বার্থে এই লাগাতার মূল্যবৃদ্ধির খেলা বন্ধ করতেই হবে।
28th  June, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
দুষ্টের দমনেই
জন্মায় আস্থা
তন্ময় মল্লিক

এক বালতি দুধ নষ্ট করার জন্য এক ফোঁটা গোচোনাই যথেষ্ট। কথাটা সকলেরই জানা। ব্যক্তিজীবন থেকে সমাজজীবন, এমনকী রাজনীতিতেও এর প্রমাণ মিলেছে বারবার। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচন তার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। বিশদ

27th  June, 2020
বেশি নম্বর, অধিক
আসন ও ঠান্ডা মাথা
শুভময় মৈত্র

দেশজুড়ে পরীক্ষা নিয়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি। বিভিন্ন নিয়ামক সংস্থা এবং বোর্ড এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না যে পরীক্ষা হবে কি হবে না। বেশ কিছু অভিভাবক মনে করছেন করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। বিষয়টি একেবারে যুক্তিপূর্ণ। বিশদ

27th  June, 2020
নেতৃত্বের পরীক্ষা
সমৃদ্ধ দত্ত

 সফলভাবে করোনা ভাইরাসকে আটকে দেওয়া মহিলা রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে এই নেতাদের সবথেকে বড় যে পার্থক্যটি চোখে পড়েছে, সেটি হল, পরামর্শ গ্রহণের প্রক্রিয়া। অর্থাৎ কনসাল্টেশন। মহিলা রাষ্ট্রপ্রধানরা প্রায় প্রত্যেকেই এক্সপার্ট গ্রুপ, বিশেষজ্ঞ মেডিকেল প্রফেশনাল, বিজ্ঞানীদের প্যানেল এবং অন্য সফল দেশের ম্যানেজমেন্টকে দ্রুত প্রয়োগ করেছেন। বিশদ

26th  June, 2020
সঞ্চয়ে সুদের হার নিম্নমুখী, উদ্বেগে সবাই
দেবনারায়ণ সরকার

 বর্তমান অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করার সময় অর্থ মন্ত্রকের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা কৃষ্ণমূর্তি সুব্রহ্মণ্যম বর্তমান আর্থিক সমীক্ষায় বলেছিলেন, অর্থনীতির চাকা ঘোরাতে গেলে উচ্চ সমৃদ্ধির হার আবশ্যক। উচ্চ সমৃদ্ধির হার তখনই সম্ভব যখন সঞ্চয়, বিনিয়োগ ও রপ্তানির গুণগত চক্রের স্থায়িত্ব বজায় থাকে।
বিশদ

26th  June, 2020
বয়কটের রাজনীতি চীনকে দমাতে পারবে কি?
হারাধন চৌধুরী

গত মার্চের শেষদিকে বিশ্বের নজর কেড়েছিল করোনা-বিধ্বস্ত উহান। মাত্র ছ’দিনে একটি বড় হাসপাতাল তৈরি করে। আগেই চীনের ঝুলিতে ছিল সাতদিনে একটি আস্ত হাসপাতাল নির্মাণের অভিজ্ঞতা। ২০০৩ সাল।
বিশদ

25th  June, 2020
শত্রুপক্ষের সব রণনীতি এবং নেতৃত্বের ভাবধারণা জানা প্রয়োজন
শুভাগত জোয়ারদার

চীনের মহান রণনীতি বিশেষজ্ঞ সান তজু তাঁর বিখ্যাত ‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ বইতে বলেছেন—‘যদি তুমি তোমার শত্রু এবং নিজেকে জানো, তবে শতবার যুদ্ধেও ফল নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। যদি তুমি নিজেকে জানো কিন্তু শত্রুকে নয়, তবে প্রতিটি যুদ্ধ জয়ের পাশাপাশি পরাজয়ের গ্লানিতেও তোমাকে ভুগতে হবে। যদি তুমি না শত্রু, না নিজেকে জানো তবে প্রতিটি যুদ্ধে তোমায় জখম হতে হবে।’
বিশদ

25th  June, 2020
নেপাল: কলকাত্তা কালীর শরণাপন্ন রাজনাথ
কুমারেশ চক্রবর্তী

ছোটবেলায় আমরা ‘ম্যাপ-ম্যাপ খেলা’ খেলতাম। দাদাদের বাতিল ম্যাপের ওপর লাল পেন্সিল দিয়ে একটা ক্রসহচিহ্ন এঁকে জায়গাটা দখল করতাম, শর্ত একটাই, জায়গাটার নাম বলতে হবে। এইভাবে আমরা কত নগর, রাজ্য, দেশের মালিক হয়েছি!  বিশদ

24th  June, 2020
অসুরকে শিবের অভয়বাণী, মা ছাড়া গতি নেই
সন্দীপন বিশ্বাস

সাতসকালে হন্তদন্ত হয়ে উদ্‌ভ্রান্তের মতো কৈলাসে হাজির মহিষাসুর। ‘মহাদেব ভবনে’ ঢোকার মুখেই বাধা পেলেন। নন্দী আর ভৃঙ্গী হাঁই হাঁই করে বললেন, ‘একদম ভিতরে ঢোকার চেষ্টা কোরুনি।   বিশদ

24th  June, 2020
সীমান্তের এপারে ‘আসল’ ভারত
শান্তনু দত্তগুপ্ত
 

মাত্র ২০ বছর বয়স চাঁদ মহম্মদের। দিল্লির সীলামপুরে একটি ঝুপড়িতে থাকে সে মায়ের সঙ্গে। ঠিকাদার সংস্থায় নাম লিখিয়ে একটি চাকরি সে পেয়েছে। খুব দরকার ছিল চাকরিটা। আট ঘণ্টার ডিউটি লোকনায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালে। কাজ? কোভিড আক্রান্তদের মরদেহ নিয়ে যাওয়া... হাসপাতালের মর্গ থেকে শ্মশানঘাট পর্যন্ত।  
বিশদ

23rd  June, 2020
জ্বর হলে জগন্নাথদেব মাস্ক
পরেন, মানেন দূরত্ববিধি
মৃন্ময় চন্দ

ইতিহাস ২৮৫ বছরের, এই প্রথমবার, একটা পুঁচকে ভাইরাস ঝামেলা পাকিয়েছিল জগন্নাথদেবের রথযাত্রায়। ফুলবাবু হয়ে, সেজেগুজে, গায়ে একরাশ সুগন্ধি ঢেলে, আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়াতে প্রতিবছর নিয়ম করে বোন সুভদ্রা আর দাদা বলভদ্রকে নিয়ে মাসির বাড়ি বেড়াতে যান তিনি। 
বিশদ

23rd  June, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: রবিবার রাতে কল্যাণী-চাকদহ রাজ্য সড়কে আলাইপুরের কাছে গাছের গুঁড়ি ফেলে প্রায় ১৫টি গাড়িতে ডাকাতি করে দুষ্কৃতীরা। বাধা দিতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হাতে কয়েকজন জখম হয়েছেন। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সকালে ঘণ্টাখানেক অবরোধ করা হয়। ...

সুব্রত ধর, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়িতে করোনার ‘সন্ত্রাস’ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। ইতিমধ্যে শহরে আক্রান্তের সংখ্যা ৩০০ ছুঁই ছুঁই। এবার কোভিড মোকাবিলায় প্রস্তুত করা হল অ্যাকশন প্ল্যান। সোমবার দার্জিলিং জেলা প্রশাসন ও শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেটের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব এই কর্মসূচির ...

কলম্বো: গড়াপেটা বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না শ্রীলঙ্কাকে। দেশের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী মহিন্দানন্দ আলুথামাজে অভিযোগ করেছিলেন, ২০১১ আইসিসি বিশ্বকাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল ইচ্ছা করে ভারতের কাছে হেরেছিল। ...

ইসলামাবাদ: ভুয়ো লাইসেন্স রাখার অপরাধে আড়াইশো জনের বেশি পাকিস্তানি পাইলট ও বিমানকর্মীকে সাসপেন্ড করল একাধিক আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের কোনও বৃত্তিমূলক পরীক্ষায় ভালো ফল করবে। বিবাহ প্রার্থীদের এখন ভালো সময়। ভাই ও বোনদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: ব্রিটিশ উদ্ভিদ্বিজ্ঞানী এবং অভিযাত্রী জোসেফ ডালটন হুকারের জন্ম
১৯১৭-দাদাভাই নওরজির মৃত্যু।
১৯৫৯ - বিশিষ্ট বাঙালি অভিনেতা ও নাট্যাচার্য শিশিরকুমার ভাদুড়ীর মৃত্যু
১৯৬৬- মাইক টাইসনের জন্ম।
১৯৬৯- রাজনীতিবিদ সুপ্রিয়া সুলের জন্ম।
১৯৮৫- মার্কিন সাঁতারু মাইকেল ফেলপসের জন্ম।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮১ টাকা ৭৬.৫৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৯০ টাকা ৯৫.২০ টাকা
ইউরো ৮৩.৫৩ টাকা ৮৬.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,০৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৫৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,২৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৮,৭৯০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৮,৮৯০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ আষাঢ় ১৪২৭, ৩০ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, দশমী ৩৭/৭ রাত্রি ৭/৫০। চিত্রা ১/৩৯ প্রাতঃ ৫/৩৯ পরে স্বাতী ৫৭/৪২ রাত্রি ৪/৪। সূর্যোদয় ৪/৫৯/৯, সূর্যাস্ত ৬/২১/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৯/২৬ গতে ১২/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩ মধ্যে পুনঃ ১২/১ গতে ২/৯ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৯ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ৩/০ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪০ গতে ৯/০ মধ্যে।
১৫ আষাঢ় ১৪২৭, ৩০ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, দশমী রাত্রি ৭/১৩। চিত্রা নক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৪১ পরে স্বাতী নক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৫। সূযোদয় ৪/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/২৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪২ মধ্যে ও ৯/২৯ গতে ১২/৯ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৪/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ মধ্যে ১২/৩ গতে ২/১১ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৯ গতে ৮/২০ মধ্যে ও ১/২২ গতে ৩/২ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪৩ গতে ৯/২ মধ্যে।
৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দিল্লিতে করোনা পজিটিভ আরও ২,১৯৯ জন, মোট আক্রান্ত ৮৭,৩৬০ 

10:41:52 PM

আগামী ৩ মাসের জন্য স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পগুলিতে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্র 

10:08:59 PM

কলকাতায় রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ছে 
কলকাতায় রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ছে সাড়ে চার টাকা। আগামীকাল থেকে ...বিশদ

09:56:15 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ৪,৮৭৮ জন, মোট আক্রান্ত ১,৭৪,৭৬১ 

08:38:03 PM

গুজরাতে করোনায় পজিটিভ আরও ৬২০ জন, মোট আক্রান্ত ৩২,৪৪৬ 

08:30:54 PM

কর্ণাটকে করোনা পজিটিভ আরও ৯৪৭ জন, মোট আক্রান্ত ১৫,২৪২ 

07:27:52 PM