Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক  নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর  পেশা। গত  এপ্রিল-মে  মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা  দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু  ঠেকিয়েছেন।  তাতে সংসার চালানোই দায়। আর জুন মাসে যদিও বা সামান্য কিছু যাত্রী নিয়ে বাস চলাচল শুরু হল,  টানা তেলের দাম বাড়ায় অবস্থা আরও  সঙ্গিন। জুলাই আসছে। কী হবে,  বেতনের টাকাটা পুরো মিলবে তো?  রাতে ঘুম হয় না মধুর। বাস কন্ডাকটরের চাকরিতে সামান্য আয়।  তারপর যদি তেলের লাগাতার দাম  বৃদ্ধির কারণে  ডাহা লোকসানে আয় আরও কমে,  তাহলে তো পেট চালানোই দায় হবে। অনেক বাস ইতিমধ্যে বেরিয়েও আবার বসে গিয়েছে। মালিকদের একটাই কথা, প্রচুর লোকসান হচ্ছে। লোকমুখে মধু কানাঘুষো  শুনেছেন,  বড় বড় ঠান্ডা মেশিন লাগানো অফিসেও নাকি অনেকটা কেটে তবেই বাবুদের বেতন হচ্ছে। যত শোনেন  ততই দুশ্চিন্তা বাড়ে।  তাঁর  কী হবে,  বাড়িতে অপেক্ষায় থাকা অসহায় মুখগুলোর কী হবে,  ভাবতে ভাবতে রাতে ঘুম আসে না। আরও চেপে বসে দুশ্চিন্তা। দিন এগতেই খবর  পান,  পেট্রল ডিজেলের দাম আরও একদফা বেড়ে  গিয়েছে। লকডাউনের  ক্ষতি মেটাতে গরিব মানুষের হাতে কিছু নগদ টাকা দেওয়ার কথা  ছিল। তার  বদলে এ তো ঘুরপথে আয় কেড়ে একেবারে ভাতে মারার প্ল্যান! 
গরিব মানুষ অত শত বোঝেন  না,  শুধু শূন্যদূষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকেন  আর ঘন ঘন দীর্ঘশ্বাস  ফেলেন। তবে আশার খবর, এরাজ্যে প্রান্তিক মানুষের সঙ্কট মোচনে মোদিজি সাড়া না দিলেও এগিয়ে এসেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবারই নবান্নে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, বেসরকারি বাস যাতে রাস্তায় কমে না যায় তার জন্য তাঁর সরকার বাস পিছু ১৫ হাজার টাকা দেবে। এককথায় নজিরবিহীন পদক্ষেপ। এই সিদ্ধান্তে একদিকে যেমন বাসের ভাড়া এই কঠিন সময়ে বাড়বে না, তেমনি যে হাজার হাজার কন্ডাকটর ও ড্রাইভার কাজ হারিয়ে বসে যাওয়ার ভয় পাচ্ছিলেন, তাঁদের রুটিরুজির সমস্যাও অনেকটাই মিটবে। আগামী তিন মাস এই প্যাকেজ দেবে মমতার সরকার। নিঃসন্দেহে সীমিত আর্থিক ক্ষমতার মধ্যে তৃণমূল সরকারের এই উদ্যোগ অভূতপূর্ব। একদিকে মমতা বলছেন, সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও অবস্থাতেই বাসের ভাড়া বাড়াতে দেব না, আবার বাস মালিকদের লোকসান মেটাতে ১৫ হাজার টাকাও দেওয়া হচ্ছে। বিরোধীদের প্রশ্ন করি, ভূভারতে কোনও রাজ্য সরকারের এমন মানবিক পদক্ষেপের নজির আর আছে কি? বিশেষ করে যখন দিল্লির কাছে থেকেই ৫৬ হাজার কোটি টাকা পাওনা মেলেনি। হঠাৎ ঘূর্ণিঝড়ে অন্তত ৯টি জেলা তছনছ হয়ে গিয়েছে। সেখানেও ত্রাণ ও পুনর্বাসনে ৬৩০০ কোটি টাকা খরচ করেছে রাজ্য। এতকিছুর পরও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে কার্পণ্য করেননি মুখ্যমন্ত্রী।
এরই ঠিক উল্টো পিঠে গোটা দেশ তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে কেন্দ্রকে বারে বারে সরে আসতে বললেও কোনও কাজ হচ্ছে না। এর থেকেই কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্যটা জলের মতো পরিষ্কার হয়ে যায়। অভিধানে জনমুখী ও জনবিরোধী বলে দু’টো শব্দ আছে। অত্যন্ত বহুল ব্যবহৃত জনপ্রিয় শব্দ। মানুষ নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বেছে বেছে শব্দ দু’টিকে ব্যবহার করে এবং কে জনগণের ভালোর জন্য কাজ করছে আর কে মানুষকে বেছে বেছে বিপদে ফেলছে, তা বুঝে নিয়েই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে, ইতিহাসই বারে বারে তার সাক্ষী!
গত ১ জুন থেকে শুরু করে আনলক পর্বের প্রথম একমাসও প্রায় কাটল বলে। কিন্তু ভয়ঙ্কর ছোঁয়াচে করোনার আতঙ্ক যেমন কমেনি,  তেমনি লকডাউনের ক্ষত সামলে স্বাভাবিক হয়নি জীবনযাপনও। আর এখন তো দৈনিক সংক্রমণ ১৮ হাজার ছাড়াচ্ছে। তাই স্বভাবতই ভয়টাও আরও তীব্র। এই আকাল আর কতদিন চলবে তা বলতে পারছেন না বড় বড় বিশেষজ্ঞরাও। যেদিকেই তাকানো যায় শুধু মন্দা আর সব হারানোর  হতাশা। একান্ত আপনজন মারা গেলেও শোক তাপ নয়।  মানুষটা কেমন ছিল তা নিয়ে আলোচনা নয়।  প্রথম  প্রশ্ন—কী রে,  সমীরদার করোনা ছিল না তো?  এমন নির্মম ভয়ঙ্কর সত্যের মুখোমুখি আমরা জীবনে হইনি কখনও। 
ব্যবসা কমেছে,  বিক্রি কমেছে,  উৎপাদন কমেছে,  সুদ কমেছে,  আয় কমেছে,  চাকরি কমেছে। সিবিএসই দশম ও দ্বাদশের পরীক্ষা পর্যন্ত সম্পূর্ণ করতে পারল না। ফল কবে তা নিয়েও ধোঁয়াশার শেষ নেই। জিডিপি মানে দেশের অর্থনীতির পালস রেট তাও লাফিয়ে ছুটছে শূন্যের  নীচের  দিকে। মানুষের আশা ভরসা একটু খুশির ঝিলিক তাও কবেই যেন উধাও। কিন্তু পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে শুধু তেলের দাম। তবে নিন্দুকেরা যাই বলুন এর মধ্যেই আত্মনির্ভর ভারত গড়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন দেশের নেতা নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু কেমন করে হব আত্মনির্ভর? চাকরি তো নেই। ব্যবসার অবস্থাও তথৈবচ! বাজার এতটাই খারাপ যে ঋণ নিয়ে শোধ দিতেই পারব না। এই অবস্থায় একটাই সহজ রাস্তা আছে, রোজ বিকেল বিকেল বেশি করে পেট্রল ও ডিজেল কিনে পরের দিন সকালে লিটারে ৪০ থেকে ৫০ পয়সা লাভে বিক্রি করে দেওয়া! দ্রুত নিজের পায়ে দাঁড়ানোর এটাই এখন একমাত্র উপায়। মানুষের জন্য সরকারের যখন কোনও হেলদোলই নেই, সেখানে এ ছাড়া আর পথ কী? আর এই ইস্যুতেই আচমকাই তেতে উঠেছে জ্বালানি তেলের রাজনীতি। যখন আর্ন্তজাতিক বাজারে তেলের দাম তলানিতে তখন একতরফা পেট্রল ও ডিজেলের এই মূল্যবৃদ্ধি ঘিরে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে তীব্র অসন্তোষ।
শেষবার পেট্রল ও ডিজেলের দাম কমেছিল গত ১৬ মার্চ,  লকডাউনের আগে। তারপর গোটা এপ্রিল ও মে মাসে আর তেলের দামে হাত দেওয়ার মতো অবস্থা ছিল না,  তাই দাম অপরিবর্তিতই ছিল। গোটা দেশ কার্যত স্তব্ধ হয়ে যাওয়ায়,  কাজকর্ম শিকেয় ওঠায় তেলের চাহিদাও তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। জুনে  আনলক পর্ব শুরু হতেই ৮২ দিন পর দাম বাড়ানো শুরু হয়। প্রথম দাম বাড়ে ৭ জুন। তারপর থেকেই লাগাতার বেড়েই চলেছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত দাম বেড়েছে ৯ টাকার আশপাশে। কিন্তু এই মুহূর্তে প্রশ্ন একটাই,  কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিতে টানা এই মূল্যবৃদ্ধি কি খুব অনিবার্য ছিল?  কে না জানে,  তেলের দাম বৃদ্ধির  নিট রেজাল্ট বাকি সব জিনিসেরও  দামের  ঊর্ধ্বগতি ও  সাধারণকে আরও একটু অসুবিধায় ফেলা।
ফিরে যাই ছ’বছর আগে ২০১৪ সালের মে মাসে। ‘দুর্বল’ ছোট সঙ্কুচিত বুকের ছাতির মনমোহন সিং সরকারকে ভোটে হারিয়ে বীরবিক্রমে নরেন্দ্র মোদি যেদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী হন,  সেদিন দেশের মানুষের প্রত্যাশার শেষ ছিল না। দারিদ্র্য থেকে দুর্নীতিদমন,  কর্মসংস্থান থেকে শিল্প বিনিয়োগ বৃদ্ধি,  বিদেশ থেকে কালো টাকা ফেরানো,  সবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়া,  বছরে দু’লাখ চাকরি,  সব কিছুতেই একটা নতুন জোয়ার আসার স্বপ্নে মশগুল ছিল দেশের মানুষ। ইন্দিরা গান্ধীর পর আবার একজন জবরদস্ত সাহসী প্রধানমন্ত্রী পেয়েছে  দেশ—এই  চর্চাতেই মুখর ছিল সব মহল। এই  মানুষটাই চীন-পাকিস্তান সবাইকে উচিত শিক্ষা দিতে পারবেন,  কেউ আর ভারতের দিকে চোখ তুলে তাকাবার সাহস পাবে না,  এমন প্রচারও ছিল ষোলো আনা।
কিন্তু আজ নিরীহ নেপালও গলা তুলছে। চোখ রাঙাচ্ছে। এভাবেই ৬ বছর পেরিয়ে এসে আজ ধীরে ধীরে সেই স্বপ্নটা ধাক্কা খেয়েছে। বিশ্বাসেও যে একটা চিড় ধরেছে,  সেকথা বললে বোধহয় মোটেই বাড়াবাড়ি হবে না। মোদিজির শপথ নেওয়ার সময় আর্ন্তজাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম ঘোরাফেরা করছিল ৮৫ থেকে ১০৭ ডলারের আশপাশে। আর আজ আর্ন্তজাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম ৪০ ডলারের  আশেপাশে।  দেশীয়  বাজারে দাম কিন্তু তাতে কমেনি। মে মাসে বিশ্বজুড়ে চাহিদা কমে যাওয়ায় অশোধিত তেলের দাম ছিল আরও কম। কিন্তু সেই দাম কমার কোনও সুফল তো সাধারণের ঘরে পৌঁছয়নি। উল্টে দাম অনেকটা বেড়েছে। করোনা যন্ত্রণার মধ্যেই সাধারণের দুর্ভোগ বাড়িয়েছে মোদি সরকারের বিস্ময়কর সংকীর্ণ রাজনীতি। যেই দাম কমার একটু আশা জাগছে অমনি শুল্ক বাড়িয়ে দামের সমতা রক্ষায় নামছে কেন্দ্র।
এমনিতে একটা হিসেব বলছে,  আর্ন্তজাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম  ব্যারেল  পিছু ১ ডলার কমা মানে সরকারের দেড় বিলিয়ন ডলার সাশ্রয়। অঙ্কটা মোটেই কম নয়। সরকার বাহাদুর নাকি চলতি আর্থিক বছরে এভাবে প্রায় ৪৫ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয়ের পরিকল্পনা করেছে। অথচ সেই সাশ্রয়ের ছিটেফোঁটাও জুটবে না আমাদের ভাগ্যে। খোদ রাজধানী দিল্লিতে ডিজেলের দাম পেট্রলের চেয়ে বেশি হয়েছে! আর আজ  শহর  কলকাতাতেও পেট্রলের লিটার ৮০ টাকার বেশি। অথচ , ২০১৪-র  মে মাসে মোদি সরকারের অভিষেকের সময় দিল্লিতে পেট্রল ডিজেলের দাম ছিল লিটার পিছু যথাক্রমে ৭১ টাকা ৪১ পয়সা ও ৫৬ টাকা ৭১ পয়সা। আর আ‌জ তেলের দাম বেড়ে কোথায়?
এ এক ভয়ঙ্কর প্রবণতা। কংগ্রেস আমলের তুলনায় এভাবেই মোদি জমানায় পেট্রল-ডিজেলে শুল্ক বেড়েছে কয়েকগুণ। কিন্তু এই উদ্বৃত্ত অর্থ দিয়ে কেন্দ্র করবে  কী—এটাই  এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। বলা হচ্ছে,  এভাবে বিশাল আর্থিক ঘাটতি মেটানোরই চেষ্টা করছে সরকার। করোনার এই কঠিন সময়ে যখন সমস্ত চিরাচরিত হিসেবই উল্টে গিয়েছে,  মানুষ যখন নিজের দু’বেলা অন্নের সংস্থান করতেই হিমশিম খাচ্ছে,  তখন ধাপে ধাপে পেট্রল ডিজেলের থেকে আয় বাড়ানোর এই কৌশল থেকে মোদি সরকারের আখেরে কতটা লাভ হয় সেটাই এখন দেখার। নিন্দুকেরা আবার বলছে ভোটের আগে বিলি করার জন্য, জনমোহিনী ঘোষণার জন্য তহবিল তৈরির কাজ চলছে সুকৌশলে। কারণ ইতিমধ্যেই ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজের কোনও সুবিধা দেশের আম জনতা পায়নি। অসন্তোষ রোজ বাড়ছে। তাই বড় কোনও ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্র। কিন্তু তা বলে তেলের দাম বৃদ্ধির সর্বনাশা পথে কোষাগার ভরা মানে  তো দুঃসময়ে ঘুরিয়ে সবার পকেটেই  গোপন হাতের অনুপ্রবেশ।  এই  জনবিরোধী  প্রচেষ্টাকে  কোনওভাবেই  সমর্থন করা যায় না।  মোদি সরকারকে অবিলম্বে গরিব মানুষের স্বার্থে এই লাগাতার মূল্যবৃদ্ধির খেলা বন্ধ করতেই হবে।
28th  June, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, গুসকরা: শনিবার রাতে আউশগ্রামের বড়াচৌমাথার কাছে জাতীয় সড়কে ডাকাত সন্দেহে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। একটি মারুতি গাড়িও আটক করা হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের নাম খোকন মাল ও অনিমেষ সমাদ্দার।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: এই প্রথম রাজ্যে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের উদ্যোগ নিল মৎস্য দপ্তর। পরীক্ষামূলকভাবে ১৪টি জেলায় এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ করা হবে।   ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: রবিবার মাদারিহাট ব্লকে বিরোধী বিভিন্ন দলের নীচুতলার ২০০ জন কর্মী-সমর্থক শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। এদিন ব্লকের শিশুঝুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিজেপি, আরএসপি ও সিপিএম এই তিন দলের কর্মী-সমর্থকরা তৃণমূলে যোগ দেন।   ...

জোহানেসবার্গ: দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মান পেলেন কুইন্টন ডি’কক। করোনা ভাইরাসের জেরে এবছর এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ যোগ। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৫- জোসেফ মেইস্টারের উপর জলাতঙ্ক রোগের টিকা সফলভাবে পরীক্ষা করলেন লুই পাস্তুর
১৮৯২- ব্রিটেন পার্লামেন্টে প্রথম ভারতীয় হিসাবে নির্বাচিত হলেন দাদাভাই নওরোজি
১৯০১- শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৬- আমেরিকার ৪৩তম প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লু বুশের জন্ম
১৯৪৬- মার্কিন অভিনেতা সিলভেস্টার স্ট্যালোনের জন্ম
১৯৮৫- অভিনেতা রণবীর সিংয়ের জন্ম
১৯৮৬- রাজনীতিবিদ জগজীবন রামের মৃত্যু
২০০২- রিলায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা ধীরুভাই আম্বানির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
05th  July, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  July, 2020

দিন পঞ্জিকা

২২ আষাঢ় ১৪২৭, ৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ ১০/৫৩ দিবা ৯/২৩। উত্তরাষাঢ়া ৪৫/২৭ রাত্রি ১১/১২৷ সূর্যোদয় ৫/১/১২, সূর্যাস্ত ৬/২১/২০৷ অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৪ গতে ১০/২০ মধ্যে। রাত্রি ৯/৪২ গতে ১২/২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৫৩ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২১ গতে ১১/৪১ মধ্যে।  
২১ আষাঢ় ১৪২৭, ৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ দিবা ৯/২২। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র রাত্রি ১২/০। সূযোদয় ৫/১, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৫ গতে ১০/২২ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৩ মধ্যে ও ১/২৮ গতে ২/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২২ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে।  
১৪ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় স্থানে ভারত 
বিশ্বে করোনা আক্রান্ত হওয়ার নিরিখে রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় স্থানে উঠে ...বিশদ

05-07-2020 - 09:32:25 PM

হালিশহরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ 
তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার ...বিশদ

05-07-2020 - 09:28:41 PM

কর্ণাটকে করোনা পজিটিভ আরও ১,৯২৫, মোট আক্রান্ত ২৩,৪৭৪ 

05-07-2020 - 09:06:12 PM

জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সীমান্তে পাক সেনার গোলাগুলি 

05-07-2020 - 08:37:27 PM

করোনা: মহারাষ্ট্রে নতুন করে আক্রান্ত হলেন ৬৫৫৫, মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ৬ হাজার ৬১৯ 

05-07-2020 - 08:04:07 PM

করোনা: ফের একদিনে রাজ্যে রেকর্ড সংক্রমণ 
পর পর দু’দিন। নতুন সংক্রমণের নিরিখে ফের রেকর্ড রাজ্যে। গত ...বিশদ

05-07-2020 - 08:02:02 PM