Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক  নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর  পেশা। গত  এপ্রিল-মে  মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা  দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু  ঠেকিয়েছেন।  তাতে সংসার চালানোই দায়। আর জুন মাসে যদিও বা সামান্য কিছু যাত্রী নিয়ে বাস চলাচল শুরু হল,  টানা তেলের দাম বাড়ায় অবস্থা আরও  সঙ্গিন। জুলাই আসছে। কী হবে,  বেতনের টাকাটা পুরো মিলবে তো?  রাতে ঘুম হয় না মধুর। বাস কন্ডাকটরের চাকরিতে সামান্য আয়।  তারপর যদি তেলের লাগাতার দাম  বৃদ্ধির কারণে  ডাহা লোকসানে আয় আরও কমে,  তাহলে তো পেট চালানোই দায় হবে। অনেক বাস ইতিমধ্যে বেরিয়েও আবার বসে গিয়েছে। মালিকদের একটাই কথা, প্রচুর লোকসান হচ্ছে। লোকমুখে মধু কানাঘুষো  শুনেছেন,  বড় বড় ঠান্ডা মেশিন লাগানো অফিসেও নাকি অনেকটা কেটে তবেই বাবুদের বেতন হচ্ছে। যত শোনেন  ততই দুশ্চিন্তা বাড়ে।  তাঁর  কী হবে,  বাড়িতে অপেক্ষায় থাকা অসহায় মুখগুলোর কী হবে,  ভাবতে ভাবতে রাতে ঘুম আসে না। আরও চেপে বসে দুশ্চিন্তা। দিন এগতেই খবর  পান,  পেট্রল ডিজেলের দাম আরও একদফা বেড়ে  গিয়েছে। লকডাউনের  ক্ষতি মেটাতে গরিব মানুষের হাতে কিছু নগদ টাকা দেওয়ার কথা  ছিল। তার  বদলে এ তো ঘুরপথে আয় কেড়ে একেবারে ভাতে মারার প্ল্যান! 
গরিব মানুষ অত শত বোঝেন  না,  শুধু শূন্যদূষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকেন  আর ঘন ঘন দীর্ঘশ্বাস  ফেলেন। তবে আশার খবর, এরাজ্যে প্রান্তিক মানুষের সঙ্কট মোচনে মোদিজি সাড়া না দিলেও এগিয়ে এসেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবারই নবান্নে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, বেসরকারি বাস যাতে রাস্তায় কমে না যায় তার জন্য তাঁর সরকার বাস পিছু ১৫ হাজার টাকা দেবে। এককথায় নজিরবিহীন পদক্ষেপ। এই সিদ্ধান্তে একদিকে যেমন বাসের ভাড়া এই কঠিন সময়ে বাড়বে না, তেমনি যে হাজার হাজার কন্ডাকটর ও ড্রাইভার কাজ হারিয়ে বসে যাওয়ার ভয় পাচ্ছিলেন, তাঁদের রুটিরুজির সমস্যাও অনেকটাই মিটবে। আগামী তিন মাস এই প্যাকেজ দেবে মমতার সরকার। নিঃসন্দেহে সীমিত আর্থিক ক্ষমতার মধ্যে তৃণমূল সরকারের এই উদ্যোগ অভূতপূর্ব। একদিকে মমতা বলছেন, সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও অবস্থাতেই বাসের ভাড়া বাড়াতে দেব না, আবার বাস মালিকদের লোকসান মেটাতে ১৫ হাজার টাকাও দেওয়া হচ্ছে। বিরোধীদের প্রশ্ন করি, ভূভারতে কোনও রাজ্য সরকারের এমন মানবিক পদক্ষেপের নজির আর আছে কি? বিশেষ করে যখন দিল্লির কাছে থেকেই ৫৬ হাজার কোটি টাকা পাওনা মেলেনি। হঠাৎ ঘূর্ণিঝড়ে অন্তত ৯টি জেলা তছনছ হয়ে গিয়েছে। সেখানেও ত্রাণ ও পুনর্বাসনে ৬৩০০ কোটি টাকা খরচ করেছে রাজ্য। এতকিছুর পরও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে কার্পণ্য করেননি মুখ্যমন্ত্রী।
এরই ঠিক উল্টো পিঠে গোটা দেশ তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে কেন্দ্রকে বারে বারে সরে আসতে বললেও কোনও কাজ হচ্ছে না। এর থেকেই কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্যটা জলের মতো পরিষ্কার হয়ে যায়। অভিধানে জনমুখী ও জনবিরোধী বলে দু’টো শব্দ আছে। অত্যন্ত বহুল ব্যবহৃত জনপ্রিয় শব্দ। মানুষ নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বেছে বেছে শব্দ দু’টিকে ব্যবহার করে এবং কে জনগণের ভালোর জন্য কাজ করছে আর কে মানুষকে বেছে বেছে বিপদে ফেলছে, তা বুঝে নিয়েই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে, ইতিহাসই বারে বারে তার সাক্ষী!
গত ১ জুন থেকে শুরু করে আনলক পর্বের প্রথম একমাসও প্রায় কাটল বলে। কিন্তু ভয়ঙ্কর ছোঁয়াচে করোনার আতঙ্ক যেমন কমেনি,  তেমনি লকডাউনের ক্ষত সামলে স্বাভাবিক হয়নি জীবনযাপনও। আর এখন তো দৈনিক সংক্রমণ ১৮ হাজার ছাড়াচ্ছে। তাই স্বভাবতই ভয়টাও আরও তীব্র। এই আকাল আর কতদিন চলবে তা বলতে পারছেন না বড় বড় বিশেষজ্ঞরাও। যেদিকেই তাকানো যায় শুধু মন্দা আর সব হারানোর  হতাশা। একান্ত আপনজন মারা গেলেও শোক তাপ নয়।  মানুষটা কেমন ছিল তা নিয়ে আলোচনা নয়।  প্রথম  প্রশ্ন—কী রে,  সমীরদার করোনা ছিল না তো?  এমন নির্মম ভয়ঙ্কর সত্যের মুখোমুখি আমরা জীবনে হইনি কখনও। 
ব্যবসা কমেছে,  বিক্রি কমেছে,  উৎপাদন কমেছে,  সুদ কমেছে,  আয় কমেছে,  চাকরি কমেছে। সিবিএসই দশম ও দ্বাদশের পরীক্ষা পর্যন্ত সম্পূর্ণ করতে পারল না। ফল কবে তা নিয়েও ধোঁয়াশার শেষ নেই। জিডিপি মানে দেশের অর্থনীতির পালস রেট তাও লাফিয়ে ছুটছে শূন্যের  নীচের  দিকে। মানুষের আশা ভরসা একটু খুশির ঝিলিক তাও কবেই যেন উধাও। কিন্তু পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে শুধু তেলের দাম। তবে নিন্দুকেরা যাই বলুন এর মধ্যেই আত্মনির্ভর ভারত গড়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন দেশের নেতা নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু কেমন করে হব আত্মনির্ভর? চাকরি তো নেই। ব্যবসার অবস্থাও তথৈবচ! বাজার এতটাই খারাপ যে ঋণ নিয়ে শোধ দিতেই পারব না। এই অবস্থায় একটাই সহজ রাস্তা আছে, রোজ বিকেল বিকেল বেশি করে পেট্রল ও ডিজেল কিনে পরের দিন সকালে লিটারে ৪০ থেকে ৫০ পয়সা লাভে বিক্রি করে দেওয়া! দ্রুত নিজের পায়ে দাঁড়ানোর এটাই এখন একমাত্র উপায়। মানুষের জন্য সরকারের যখন কোনও হেলদোলই নেই, সেখানে এ ছাড়া আর পথ কী? আর এই ইস্যুতেই আচমকাই তেতে উঠেছে জ্বালানি তেলের রাজনীতি। যখন আর্ন্তজাতিক বাজারে তেলের দাম তলানিতে তখন একতরফা পেট্রল ও ডিজেলের এই মূল্যবৃদ্ধি ঘিরে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে তীব্র অসন্তোষ।
শেষবার পেট্রল ও ডিজেলের দাম কমেছিল গত ১৬ মার্চ,  লকডাউনের আগে। তারপর গোটা এপ্রিল ও মে মাসে আর তেলের দামে হাত দেওয়ার মতো অবস্থা ছিল না,  তাই দাম অপরিবর্তিতই ছিল। গোটা দেশ কার্যত স্তব্ধ হয়ে যাওয়ায়,  কাজকর্ম শিকেয় ওঠায় তেলের চাহিদাও তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। জুনে  আনলক পর্ব শুরু হতেই ৮২ দিন পর দাম বাড়ানো শুরু হয়। প্রথম দাম বাড়ে ৭ জুন। তারপর থেকেই লাগাতার বেড়েই চলেছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত দাম বেড়েছে ৯ টাকার আশপাশে। কিন্তু এই মুহূর্তে প্রশ্ন একটাই,  কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিতে টানা এই মূল্যবৃদ্ধি কি খুব অনিবার্য ছিল?  কে না জানে,  তেলের দাম বৃদ্ধির  নিট রেজাল্ট বাকি সব জিনিসেরও  দামের  ঊর্ধ্বগতি ও  সাধারণকে আরও একটু অসুবিধায় ফেলা।
ফিরে যাই ছ’বছর আগে ২০১৪ সালের মে মাসে। ‘দুর্বল’ ছোট সঙ্কুচিত বুকের ছাতির মনমোহন সিং সরকারকে ভোটে হারিয়ে বীরবিক্রমে নরেন্দ্র মোদি যেদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী হন,  সেদিন দেশের মানুষের প্রত্যাশার শেষ ছিল না। দারিদ্র্য থেকে দুর্নীতিদমন,  কর্মসংস্থান থেকে শিল্প বিনিয়োগ বৃদ্ধি,  বিদেশ থেকে কালো টাকা ফেরানো,  সবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়া,  বছরে দু’লাখ চাকরি,  সব কিছুতেই একটা নতুন জোয়ার আসার স্বপ্নে মশগুল ছিল দেশের মানুষ। ইন্দিরা গান্ধীর পর আবার একজন জবরদস্ত সাহসী প্রধানমন্ত্রী পেয়েছে  দেশ—এই  চর্চাতেই মুখর ছিল সব মহল। এই  মানুষটাই চীন-পাকিস্তান সবাইকে উচিত শিক্ষা দিতে পারবেন,  কেউ আর ভারতের দিকে চোখ তুলে তাকাবার সাহস পাবে না,  এমন প্রচারও ছিল ষোলো আনা।
কিন্তু আজ নিরীহ নেপালও গলা তুলছে। চোখ রাঙাচ্ছে। এভাবেই ৬ বছর পেরিয়ে এসে আজ ধীরে ধীরে সেই স্বপ্নটা ধাক্কা খেয়েছে। বিশ্বাসেও যে একটা চিড় ধরেছে,  সেকথা বললে বোধহয় মোটেই বাড়াবাড়ি হবে না। মোদিজির শপথ নেওয়ার সময় আর্ন্তজাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম ঘোরাফেরা করছিল ৮৫ থেকে ১০৭ ডলারের আশপাশে। আর আজ আর্ন্তজাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম ৪০ ডলারের  আশেপাশে।  দেশীয়  বাজারে দাম কিন্তু তাতে কমেনি। মে মাসে বিশ্বজুড়ে চাহিদা কমে যাওয়ায় অশোধিত তেলের দাম ছিল আরও কম। কিন্তু সেই দাম কমার কোনও সুফল তো সাধারণের ঘরে পৌঁছয়নি। উল্টে দাম অনেকটা বেড়েছে। করোনা যন্ত্রণার মধ্যেই সাধারণের দুর্ভোগ বাড়িয়েছে মোদি সরকারের বিস্ময়কর সংকীর্ণ রাজনীতি। যেই দাম কমার একটু আশা জাগছে অমনি শুল্ক বাড়িয়ে দামের সমতা রক্ষায় নামছে কেন্দ্র।
এমনিতে একটা হিসেব বলছে,  আর্ন্তজাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম  ব্যারেল  পিছু ১ ডলার কমা মানে সরকারের দেড় বিলিয়ন ডলার সাশ্রয়। অঙ্কটা মোটেই কম নয়। সরকার বাহাদুর নাকি চলতি আর্থিক বছরে এভাবে প্রায় ৪৫ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয়ের পরিকল্পনা করেছে। অথচ সেই সাশ্রয়ের ছিটেফোঁটাও জুটবে না আমাদের ভাগ্যে। খোদ রাজধানী দিল্লিতে ডিজেলের দাম পেট্রলের চেয়ে বেশি হয়েছে! আর আজ  শহর  কলকাতাতেও পেট্রলের লিটার ৮০ টাকার বেশি। অথচ , ২০১৪-র  মে মাসে মোদি সরকারের অভিষেকের সময় দিল্লিতে পেট্রল ডিজেলের দাম ছিল লিটার পিছু যথাক্রমে ৭১ টাকা ৪১ পয়সা ও ৫৬ টাকা ৭১ পয়সা। আর আ‌জ তেলের দাম বেড়ে কোথায়?
এ এক ভয়ঙ্কর প্রবণতা। কংগ্রেস আমলের তুলনায় এভাবেই মোদি জমানায় পেট্রল-ডিজেলে শুল্ক বেড়েছে কয়েকগুণ। কিন্তু এই উদ্বৃত্ত অর্থ দিয়ে কেন্দ্র করবে  কী—এটাই  এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। বলা হচ্ছে,  এভাবে বিশাল আর্থিক ঘাটতি মেটানোরই চেষ্টা করছে সরকার। করোনার এই কঠিন সময়ে যখন সমস্ত চিরাচরিত হিসেবই উল্টে গিয়েছে,  মানুষ যখন নিজের দু’বেলা অন্নের সংস্থান করতেই হিমশিম খাচ্ছে,  তখন ধাপে ধাপে পেট্রল ডিজেলের থেকে আয় বাড়ানোর এই কৌশল থেকে মোদি সরকারের আখেরে কতটা লাভ হয় সেটাই এখন দেখার। নিন্দুকেরা আবার বলছে ভোটের আগে বিলি করার জন্য, জনমোহিনী ঘোষণার জন্য তহবিল তৈরির কাজ চলছে সুকৌশলে। কারণ ইতিমধ্যেই ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজের কোনও সুবিধা দেশের আম জনতা পায়নি। অসন্তোষ রোজ বাড়ছে। তাই বড় কোনও ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্র। কিন্তু তা বলে তেলের দাম বৃদ্ধির সর্বনাশা পথে কোষাগার ভরা মানে  তো দুঃসময়ে ঘুরিয়ে সবার পকেটেই  গোপন হাতের অনুপ্রবেশ।  এই  জনবিরোধী  প্রচেষ্টাকে  কোনওভাবেই  সমর্থন করা যায় না।  মোদি সরকারকে অবিলম্বে গরিব মানুষের স্বার্থে এই লাগাতার মূল্যবৃদ্ধির খেলা বন্ধ করতেই হবে।
28th  June, 2020
ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। বিশদ

28th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন। ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? 
বিশদ

20th  November, 2020
বিজেপির হয়েই কি ব্যাট ধরছে কং-সিপিএম?
হারাধন চৌধুরী

বছর তিরিশ আগের কিছু কথা মনে পড়ছে। জ্যোতি বসুর মুখ্যমন্ত্রিত্বের তখন থার্ড টার্ম। সিদ্ধার্থ-জমানার সন্ত্রাসের বাস্তব অনেকটাই অতীত ততদিনে। সিপিএমের সন্ত্রাসটাই তখন হাতেগরম। সাতাত্তরে সিপিএম এবং জ্যোতি বসুর নামে যে মোহ জেগেছিল, অনেক সাচ্চা বামপন্থীদেরও ঘুচে গিয়েছে। সাংবাদিকতায় হাতেখড়ির সেই গোড়ার দিনগুলোতে আমাদের ব্যতিব্যস্ত রাখত সিপিএম পার্টি ক্যাডাররা।  
বিশদ

19th  November, 2020
একনজরে
নিত্যদিন মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফেরা নিয়ে লেগে থাকত পারিবারিক অশান্তি। শনিবার তা চরমে ওঠে। তার জেরে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আত্মঘাতী হলেন বড়জোড়ার মালিয়াড়ার এক যুবক। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম কাজল ওরফে বিশ্বদেব দীক্ষিত(৪০)। ...

উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অধীনে কর্মরত, তথ্যপ্রযুক্তির চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের সরকারি ছাতার তলায় আনার কাজ শুরু হয়েছে।  বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে এঁরা নিযুক্ত ছিলেন। ১ নভেম্বরের একটি আদেশ নেওয়ার পরে সোমবার একটি নির্দেশিকা বের করে উচ্চশিক্ষা দপ্তর। ...

ভারতের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওয়ান ডে ম্যাচে ফিল্ডিং করতে গিয়ে হাঁটুতে চোট পেলেন ডেভিড ওয়ার্নার। ভারতীয় দলের ব্যাটিংয়ের তখন চার নম্বর ওভার চলছে। ধাওয়ানের একটি স্ট্রেট ...

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় তিন লক্ষের বেশি কৃষক ধান চাষ করলেও সরকারি সহায়কমূল্যে দিনে শুধুমাত্র ৪০০ জনের কাছ থেকে ধান কেনা হচ্ছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তিবৃদ্ধি। প্রিয়জনের মানহানির আশঙ্কা। দাম্পত্য জীবনে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। অত্যধিক ব্যয়। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৫৮: বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর জন্ম
১৮৭৪ - ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক উইন্স্টন  চার্চিলের জন্ম
১৯০৩ - কবি রাধারানী দেবীর জন্ম
১৯০৮: কবি বুদ্ধদেব বসুর জন্ম
১৯০৯: ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তের মৃত্যু
১৯৮৪ - অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী ইন্দুবালা দেবীর মৃত্যু
২০১২ - প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রকুমার গুজরালের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০০ টাকা ৭৪.৭১ টাকা
পাউন্ড ৯৭.০৯ টাকা ১০০.৪৮ টাকা
ইউরো ৮৬.৫১ টাকা ৮৯.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  November, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,৩৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬০,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬০,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
29th  November, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, পূর্ণিমা ২২/২২ দিবা ৩/০। কৃত্তিকা নক্ষত্র ০/২ প্রাতঃ ৬/৪। সূর্যোদয় ৬/৩/২০, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৮ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৪ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ১০/৫৮ মধ্যে পুনঃ ২/৩০ গতে ৩/২৪ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ২/৬ গতে ৩/২৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৪৬ গতে ১১/২৫ মধ্যে। 
১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, পূর্ণিমা দিবা ২/২৫। কৃত্তিকা নক্ষত্র প্রাতঃ ৬/৩১। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ মধ্যে ও ৯/৬ গতে ১১/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৫ গতে ১১/৭ মধ্যে ও ২/৪২ গতে ৩/৩৫ মধ্যে। কালবেলা ৭/২৫ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ২/৭ গতে ৩/২৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৪৭ গতে ১১/২৬ মধ্যে।
১৪ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আনন্দপুরে ২৪ তলা থেকে ঝাঁপ ছাত্রের
২৪ তলা থেকে ঝাঁপ ছাত্রের। বছর ১৪-র ওই পড়ুয়া নামী ...বিশদ

01:47:52 PM

শিলিগুড়ির কাছারি রোডে মহাত্মা গান্ধীর পূর্ণাবয়ব মূর্তির আবরণ উন্মোচনে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম 

01:21:21 PM

জলপাইগুড়ির একটি বাড়িতে আগুন
সোমবার সকালে জলপাইগুড়িতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেল একটি বাড়ি। এদিন ...বিশদ

01:15:25 PM

পুরুলিয়ায় মাওবাদী পোস্টার ঘিরে চাঞ্চল্য 
পুরুলিয়ায় মাওবাদী পোস্টার ঘিরে চাঞ্চল্য। রাস্তার পাশেই উদ্ধার হয়েছে হিন্দি ...বিশদ

12:58:41 PM

মর্গে নড়ে উঠল মরা, জুড়ে দিল চিৎকার
 মর্গে নড়ে উঠল ‘মরা’। এমনকী জুড়ে দিল চিৎকারও।  জানা গেল, ...বিশদ

11:30:27 AM

সাঁকরাইলে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে মৃত রেসিডেন্সিয়াল হাতি 
সাঁকরাইলে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে মৃত্যু এক রেসিডেন্সিয়াল হাতির। সোমবার ভোর রাতে ...বিশদ

11:14:31 AM