Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দুষ্টের দমনেই
জন্মায় আস্থা
তন্ময় মল্লিক

এক বালতি দুধ নষ্ট করার জন্য এক ফোঁটা গোচোনাই যথেষ্ট। কথাটা সকলেরই জানা। ব্যক্তিজীবন থেকে সমাজজীবন, এমনকী রাজনীতিতেও এর প্রমাণ মিলেছে বারবার। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচন তার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিপুল সামাজিক প্রকল্পে ‘চোনা’ ঢেলেছিল ‘কাটমানি’। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা ঘিরে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। তাতে অনেকেই সিঁদুরে মেঘের আভা দেখতে পাচ্ছেন। এমনই এক পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, প্রশাসনের মাধ্যমে দেওয়া হবে উম-পুনের ক্ষতিপূরণ। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সৃষ্টি হবে নতুন নজির। এই নির্দেশই হবে ড্যামেজ কন্ট্রোলের মাস্টার স্ট্রোক।
লোকসভা নির্বাচনের ফল পর্যালোচনা করে দেখা গিয়েছিল, তৃণমূল কংগ্রেসের উন্নয়ন ও সামাজিক প্রকল্পের লাভের গুড় সাবাড় করে দিয়েছিল ‘কাটমানি’র পিঁপড়ে। লোকসভা ভোট ছিল কেন্দ্রের সরকার গড়ার নির্বাচন। সেই নির্বাচনে বিজেপি সরকার কী করেছে, তার জবাবদিহি করে ভোট চাওয়াটাই ছিল রীতি। কিন্তু, বিজেপি নেতৃত্ব সে রাস্তায় হাঁটেনি। কারণ ২০১৪ সালে যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল, তার অধিকাংশ অপূর্ণ থেকে গিয়েছিল। তাই এরাজ্যের ভোট প্রচারে এসে অমিত শাহ থেকে নরেন্দ্র মোদি কেন্দ্রীয় সরকারের ঢাক না পিটিয়ে কেবল তৃণমূলকেই আক্রমণ করেছিলেন। আর তাতেই হয়েছিল কিস্তি মাত। স্রেফ নেগেটিভ ভোটের সৌজন্যেই বিপুল সাফল্য ঘরে তুলেছিল গেরুয়া শিবির।
লোকসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল নেতৃত্ব সেই নেগেটিভ ভোটকে ফেরানো লক্ষ্যেই একের পর কর্মসূচি নিয়েছে। সেই কারণেই প্রশান্ত কিশোরের মতো দক্ষ ‘ভোট ম্যানেজার’কে পরামর্শদাতার কাজে যুক্ত করেছিল। তাঁর পরামর্শেই চালু হয়েছিল ‘দিদিকে বলো’কর্মসূচি। শুধু দলের ভুল ত্রুটি সংশোধন নয়, জনবিচ্ছিন্ন নেতাদের মাটিতে টেনে নামানোর এক অভিনব পরিকল্পনা ছিল এই কর্মসূচিতে। তাঁর দেখানো রাস্তায় হেঁটে রাজ্যের তিনটি উপ নির্বাচনে তাক লাগানো সাফল্যও ঘরে তুলেছিল তৃণমূল। বিপুল বিক্রমে এগিয়ে চলা বিজেপি রীতিমতো ধরাশায়ী হয়েছিল। এমনই এক পরিস্থিতিতে করোনার আর্বিভাব। বন্ধ হয়ে যায় সমস্ত রাজনৈতিক কর্মসূচি। এরপরই বিধ্বংসী উম-পুন। সাইক্লোনে বিধ্বস্ত জেলায় ক্ষতিপূরণ নিয়েই মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছে বিক্ষোভ। সেই বিক্ষোভ বিজেপিকে অক্সিজেন জোগাচ্ছে।
‘গত ইংরেজি ২৫/০৫/২০২০ তারিখে উম-পুন সুপার সাইক্লোনে আমার বাড়ি সম্পূর্ণ রূপে/ আংশিক ভেঙে গিয়েছে। এমতবস্থায় আমি যাতে সরকারি সাহায্য পাই তার সুব্যবস্থা করতে আজ্ঞা হোক। আরও উল্লেখ থাকে এই যে, আমি উক্ত বিবরণ সত্য বলে ঘোষণা করলাম। কোনওরূপ মিথ্যা প্রমাণিত হলে সরকার বাহাদুর আমার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আমার তাতে কোনওরূপ আপত্তি থাকিবে না।’ এটা হুগলি জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের দেওয়া আবেদনপত্রের বয়ান। আবেদনপত্র না বলে মুচলেকা বললে ভুল হবে না। কারণ এই আবেদনপত্রে লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে, ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়েও সরকারি টাকা হাতানোর চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।
প্রশ্নটা হচ্ছে, প্রশাসন বা সরকার কেন মুচলেকা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল? দুর্নীতি ঠেকানোই যে উদ্দেশ্য, তা স্পষ্ট। প্রশাসন এবং সরকার চায়, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের হাতেই যাক ক্ষতিপূরণের টাকা।
আবহাওয়া দপ্তরের নিখুঁত বিশ্লেষণে আগে থেকেই জানা গিয়েছিল, এরাজ্যের উপর আছড়ে পড়বে সুপার সাইক্লোন। সেই মতো আগে থেকেই সমুদ্র উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল ত্রাণ। বর্ষায় যাতে ঝড়ে ভেঙে পড়া বাড়ির বাসিন্দাদের নাকাল হতে না হয়, তার জন্যই সরকার দ্রুত আথির্ক ক্ষতিপূরণ দিতে চেয়েছিল। শুধু বাড়ির জন্য নয়, ধানচাষ থেকে পানচাষ, মাছচাষ, সব ক্ষেত্রেই ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে উদ্যোগী হয় সরকার। বলতে গেলে, উম-পুনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকার এবার হয়েছিল ‘কল্পতরু’। নজিরবিহীন দ্রুততায় ত্রাণ ও ক্ষতিপূরণের টাকা পৌঁছে দিয়েছিল সরকার। কিন্তু, ব্যক্তিলোভ সেই উদ্যোগেও চোনা ছেটাতে শুরু করে।
হুগলি জেলার চণ্ডীতলা থানার গরলগাছা পঞ্চায়েতের ক্ষতিপূরণের তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই চোখ কপালে ওঠে। ক্ষতিগ্রস্তের তালিকায় খোদ পঞ্চায়েত প্রধান নরেন্দ্রনাথ সিংহের স্ত্রীর নাম। প্রধানের দোতলা বাড়িতে আঁচড় কাটাতে পারেনি উম-পুন। তবুও তাঁর স্ত্রীর নাম ক্ষতিগ্রস্তের তালিকায়। হইচই হতেই প্রধান বদলে ফেললেন তালিকা। দ্বিতীয় দফার তালিকায় স্পষ্ট হল, দুধে জল মেশানো হয়নি, বরং জলে মেশানো হয়েছিল দুধ। কারণ প্রথম তালিকার ১০২টি মধ্যে ৯২টি নামই তিনি নিজে বাদ দিয়ে সংশোধিত তালিকা জমা দিয়েছিলেন। সাফাই, তড়িঘড়ি তালিকা দিতে গিয়েই নাকি এমন বিপত্তি। কিন্তু, ২২ বছরের জনপ্রতিনিধির এই কথা পাগলের পক্ষেও বিশ্বাস করা সম্ভব নয়। করেওনি।
নরেন্দ্রনাথবাবু কোনও ভুঁইফোঁড় বা চাপিয়ে দেওয়া নেতা নন। এলাকার মানুষ তাঁকে দক্ষ প্রশাসক এবং সংগঠক হিসেবেই চেনেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত গরলগাছা পঞ্চায়েতের নির্বাচিত সদস্য।
২০১৩ সালে পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত প্রধান। তাঁরই নেতৃত্বে পঞ্চায়েতের ১৩টি আসনই যায় তৃণমূলের দখলে। অর্থাৎ নিরঙ্কুশ ক্ষমতা। অধিক ক্ষমতা মানে আরও বেশি দায়িত্ব, এই কথাটাই তিনি বেমালুম ভুলে গিয়েছিলেন। উল্টে তিনি ফের জন ডেল বার্গের উক্তিকেই অভ্রান্ত প্রমাণ করলেন, ‘পাওয়ার ট্রেন্ডস টু কোরাপ্ট অ্যান্ড অ্যাবসলিউট পাওয়ার কোরাপ্টস অ্যাবসলিউটলি’।
শুধু হুগলির গরলগাছা বা তারকেশ্বর নয়, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর সহ উম-পুনে বিধ্বস্ত সমস্ত জেলা থেকেই ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা নিয়ে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ।
পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতির নেশায় বুঁদ হয়ে অনেক প্রধানই তাঁদের ঘনিষ্ঠ দোতলা, তিনতলা
বাড়ির মালিকের নাম ঢুকিয়েছেন। তা নিয়েই শুরু হয় ক্ষোভ বিক্ষোভ।
উম-পুনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূল কংগ্রেস গরলগাছার প্রধানকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে। চুঁচুড়া পুরসভায় মজদুরদের চাকরি নিয়ে দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসতেই বাতিল করেছে নিয়োগের তালিকা। এভাবেই নিতে হবে আরও কঠিন, কঠোর পদক্ষেপ। তবেই মানুষ উপলব্ধি করবে, দুর্নীতিতে সরকার বা প্রশাসনের প্রশ্রয় নেই। আর তা না করে দলের আপদদের সম্পদ ভাবলেই বাড়ে বিপদ। তৈরি হয় ক্ষোভ, বিক্ষোভ। মানুষই তখন তুলে নেয় অপরাধীকে শাস্তি দেওয়ার অধিকার। যেমনটা হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘির পূর্ব কৈলাসপুর গ্রামে। স্বপন ঘাটিকে কান ধরে ওঠবস করে এলাকার মানুষ বুঝিয়ে দিয়েছেন, নেতা বিচ্যুত হলেই জনগণের চোখে সে হয়ে যায় ‘ন্যাতা’।
ক্ষতিপূরণ নিয়ে স্বজনপোষণের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই তৃণমূল নেতৃত্ব অভিযুক্তদের ‘দলের সম্পদ’ বলে আড়াল করেনি। উল্টে দল থেকে তাড়িয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে, ব্যক্তিলোভের দায় একান্তভাবেই ব্যক্তিগত। দায় দলের নয়। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার সর্বদলীয় বৈঠকের পর জানিয়ে দিয়েছেন, ত্রাণ নিয়ে দলবাজির কোনও জায়গা নেই। তিনি নিজেই চারজনকে তাড়িয়ে দিয়েছেন। ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজেদের লোককে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া যাবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রী এখানেই থেমে থাকেননি। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা যাতে ক্ষতিপূরণ পান, তার জন্য নতুন তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় সেই কাজও শুরু হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন সরেজমিনে তদন্ত করে প্রায় ১৫ হাজারজনকে চিহ্নিত করেছে। এঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কিন্তু, জনপ্রতিনিধিদের তৈরি ক্ষতিপূরণের তালিকায় তাঁরা স্থান পাননি। ইতিমধ্যেই এই জেলায় বিভিন্ন ব্লকে, ব্যাঙ্কে ক্ষতিপূরণের টাকা আটকে দিয়েছে প্রশাসন। হুগলিতে চালু হয়েছে মুচলেকা ব্যবস্থা। এই চাপ জারি রাখতে পারলে প্রমাণ হবে, জনপ্রতিনিধি নয়, শেষ কথা বলবে প্রশাসন। পশ্চিমবঙ্গের বুকে তৈরি হবে নতুন নজির।
দুর্নীতি, স্বজনপোষণ, মারামারি, খুনোখুনি পার্থিব জগতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। চাওয়া-পাওয়ার জগতে অন্যায়, অপরাধ সংগঠিত হবেই। তাকে ঠেকানোর ক্ষমতা কোনও রাজনৈতিক দলের, কোনও সরকারের নেই। কিন্তু মানুষ চায়, অন্যায়ের প্রতিকার, অপরাধীর শাস্তি। নির্ভয়ার মা তাঁর মেয়ের অত্যাচারীদের ফাঁসির পর বলেছিলেন, আমি খুশি। আমার মেয়ের আত্মা শান্তি পেল।
অপরাধীরা শাস্তি পেলে শান্তি পায় অন্তরাত্মা। তাতে সন্তানহারা মায়ের কোল ভরে না, কিন্তু মন ভরে। প্রশাসনের উপর জন্মায় আস্থা, বাড়ে ভরসা। ‘দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন’ই প্রকৃত শাসকের ধর্ম। একথা আমাদের শিখিয়েছে গীতা।
27th  June, 2020
শিকড় গভীরে গেলে ঝড়েও
গাছ দাঁড়িয়ে থাকে 
তন্ময় মল্লিক

নরেন্দ্র মোদি বিজেপির শিবরাত্রির সলতে হয়ে দাঁড়িয়েছেন। লোকসভা থেকে বিধানসভা তাঁকে সামনে রেখেই নির্বাচন লড়ছে গেরুয়া শিবির। তাতেই স্পষ্ট, বিজেপির মুখের অভাব। নির্বাচন এগিয়ে আসতেই বিজেপি শাসিত রাজ্যের ভোট কুশলীদের বাংলায় আমদানির প্রবণতা বাড়ছে। কারণ দিল্লির নেতারা বুঝেছেন, নেতৃত্বের সঙ্কট বিজেপির বঙ্গজয়ের পথে প্রধান অন্তরায়।  
বিশদ

আসাদউদ্দিন কার হয়ে খেলছেন?
মৃণালকান্তি দাস

হায়দরাবাদের কট্টর ইসলামি নেতা হিসেবেই তাঁর পরিচিতি। ভক্তরা তাঁকে বলেন ‘নকিব-ই-মিল্লাত’। অর্থাৎ ‘সম্প্রদায়ের জন্য ভবিষ্যতের বাহক’। তরুণ বয়সে ক্রিকেট খেলতেন। অসাধারণ দেহ গঠন। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে সাড়া জাগানো ফাস্ট বোলার ছিলেন। ক্রিকেট নিয়ে লেখালিখিও করেন। উর্দু ও ইংরেজিতে দারুণ বাগ্মী। আইনশাস্ত্র পড়েছেন লন্ডনে। ব্যারিস্টার হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। বিশদ

04th  December, 2020
একুশের নির্বাচন ও জোড়া কালিদাস
ব্রাত্য বসু

তাহলে তৃণমূলকে অচ্ছুৎ ভাবার কারণ কী? সাধারণ মানুষের নেত্রী মমতার বিরুদ্ধে এলিটের ঘৃণা, নারীর প্রতি পুরুষতান্ত্রিকতার বিদ্বেষ নাকি ওই চৌত্রিশ বছরের মৌরসিপাট্টা হারানোর দগদগে জ্বালা? কোনটা? বিশদ

03rd  December, 2020
লড়াই এবার নেমে এসেছে রণভূমিতে
সন্দীপন বিশ্বাস

সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের লড়াই ছিল একটা রক্তচক্ষু, বাহুবলী, উদ্ধত শাসকের ভুল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মানুষের সম্মিলিত লড়াই। সেই লড়াইটার সেদিন নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ইতিহাস কোনওভাবেই মুছে ফেলা যাবে না। বিশদ

02nd  December, 2020
প্রতিষ্ঠানের থেকে বড় কেউ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। যার নেপথ্যে রয়েছে সংগ্রামী অতীত। তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশদ

01st  December, 2020
ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

30th  November, 2020
আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। বিশদ

28th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
একনজরে
কেন্দ্রীয় সরকারের ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’ প্রকল্পে ১০ কোটি টাকা দান করছে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। কর্পোরেট সংস্থার সামাজিক দায়বদ্ধতা খাতে বা সিএসআর বাবদ ওই টাকা দিচ্ছে তারা। ...

বৃহস্পতিবার রাতে এটিকে মোহন বাগান নিঃশব্দে এক কীর্তি গড়ে ফেলেছে। আইএসএলের প্রথম দল হিসেবে শুরুর তিনটি ম্যাচে জিতে ‘হ্যাটট্রিক’ করেছে তারা। তিনটি ম্যাচ থেকে ৯ ...

নিউ ইয়র্ক: টাইম ম্যাগাজিনের ‘কিড অব দ্য ইয়ার’ শিরোপায় ভূষিত হল ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান কিশোরী। একাধিক বিষয়ে তার গবেষণা ও চমকপ্রদ আবিষ্কারের জন্য প্রচ্ছদে জায়গা ...

উম-পুন ক্ষতিপূরণ প্রদানে দুর্নীতির অভিযোগ ক্যাগকে খতিয়ে দেখতে বলেছে কলকাতা হাইকোর্ট। ১ ডিসেম্বরের সেই নির্দেশ সম্পর্কে শুক্রবার প্রধান বিচারপতি থোট্টাথিল বি রাধাকৃষ্ণাণের ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্যের তরফে প্রশ্ন তোলা হল। যদিও তাতে সাড়া দিল না আদালত।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহ বৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০১: মার্কিন চলচ্চিত্র প্রযোজক, নির্দেশক ও কাহিনীকার ওয়াল্ট ডিজনির জন্ম
১৯২৪: গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার জন্ম
১৯৩৫: কলকাতায় মেট্রো সিনেমা হল প্রতিষ্ঠা হয়
১৯৫০: বিপ্লবী, দার্শনিক ও আধ্যাত্মসাধক ঋষি অরবিন্দের প্রয়াণ
১৯৫১: শিল্পী ও লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যু
১৯৯৯: মিস ওয়ার্ল্ড হলেন যুক্তামুখী  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০৪ টাকা ৭৪.৭৫ টাকা
পাউন্ড ৯৭.৬৫ টাকা ১০১.১০ টাকা
ইউরো ৮৮.১২ টাকা ৯১.৩৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,০৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০, পঞ্চমী ৩৫/১০ রাত্রি ৮/১১। পুষ্যা নক্ষত্র ২০/৫২ দিবা ২/২৮। সূর্যোদয় ৬/৬/৪৩, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/৪৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৭/৩২ গতে ৯/৪০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪৭ গতে ২/৩৪ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ২/৩৪ গতে ৩/২৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৭ গতে ২/৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২৮ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/২৮ মধ্যে পুনঃ ৪/২৬ গতে উদয়াবধি।  
১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, শনিবার ৫ ডিসেম্বর ২০২০, পঞ্চমী সন্ধ্যা ৫/১৯। পুষ্যানক্ষত্র দিবা ১২/৪৪। সূর্যোদয় ৬/৮, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ৭/৪৩ গতে ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ২/৫২ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৪/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৪৩ মধ্যে রাত্রি ২/৪৩ গতে ৩/৩৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/২৮ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/৮ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৪/৪৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৮ মধ্যে ও ৪/২৮ গতে ৬/৯ মধ্যে।  
১৯ রবিউল সানি। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: ইস্ট বেঙ্গলকে ২-০ গোলে হারাল নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড

09:30:28 PM

আইএসএল: নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড ২- ইস্ট বেঙ্গল ০ (৯১ মিনিট)

09:25:08 PM

আইএসএল: নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড ১- ইস্ট বেঙ্গল ০ (৩৩ মিনিট)

08:40:07 PM

 আইএসএল: নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড ১- ইস্ট বেঙ্গল ০ (হাফ টাইম)

08:26:00 PM

সিতাইতে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ
তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দিনহাটার সিতাই। বোমাবাজি, বাড়ি, টোটো, ...বিশদ

06:48:51 PM

কয়লা কাণ্ডে সোমবার অনুপ মাঝি ওরফে লালাকে হাজিরার নির্দেশ সিবিআইয়ের

05:37:00 PM