Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বেশি নম্বর, অধিক
আসন ও ঠান্ডা মাথা
শুভময় মৈত্র

দেশজুড়ে পরীক্ষা নিয়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি। বিভিন্ন নিয়ামক সংস্থা এবং বোর্ড এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না যে পরীক্ষা হবে কি হবে না। বেশ কিছু অভিভাবক মনে করছেন করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। বিষয়টি একেবারে যুক্তিপূর্ণ। কিন্তু অনেক পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবকেরা বুঝতে পারছেন না যে পরীক্ষা না হলে কীভাবে নম্বর দেওয়া হবে। বিশেষত দশ এবং বারো ক্লাসের বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ে মূল গোলমাল। যে বিষয়গুলোর পরীক্ষা হয়ে গেছে তাতে তো খাতা দেখে নম্বর দেওয়াই যাবে। যেগুলো হয়নি, সেখানে সমস্যার একটি সহজ সমাধান হল পরীক্ষার যে অংশটি বাকি রয়ে গেছে তাতে সকল ছাত্রছাত্রীদের পুরো নম্বর দিয়ে দেওয়া। ধরা যাক কোন একটি বোর্ডে একশোর মধ্যে স্কুল থেকে আসা নম্বর কুড়ি আর বাকি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল আশিতে। মাস্টারমশাই কোন এক ছাত্রের জন্যে নম্বর পাঠিয়েছেন কুড়িতে উনিশ। তাকে বাকি আশিতে আশি দিয়ে দিলে মোট নম্বর দাঁড়াবে একশোয় নিরানব্বুই। এক্ষেত্রে সুবিধে হল কোন পড়ুয়াই নম্বর কম পাওয়ার জন্যে অভিযোগ করতে পারবে না। অন্যদিকে আগে হয়ে যাওয়া পরীক্ষাগুলোর ভিত্তিতে তাদের প্রাপ্ত নম্বরের কমবেশি নির্ভর করবে। আজকের দিনে বেশিরভাগ ভালো ছাত্রছাত্রীই একশোয় নব্বুইয়ের ওপর নম্বর পায়। ফলে তাদের যে খুব বেশি দেওয়া হল এমনটা নয়। আর যারা অন্য বিষয়গুলোতে কম পেয়েছে তাদের ক্ষেত্রে সেই নম্বরগুলো দেখেই বোঝা যাবে যে তারা তুলনায় একটু পিছিয়ে। ফলে ভবিষ্যতে এই নম্বরের ভিত্তিতে ছাত্রছাত্রীদের তুলনামূলক বিচারে খুব অসুবিধে হওয়ার কথা নয়। এই প্রসঙ্গে আরও একটি কথা বলার আছে। যে পরীক্ষাগুলো হয়ে গিয়েছিল, সেখানেও কোন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলে কিংবা অকৃতকার্য হলে তাকে এবার মাঝামাঝি একটি নম্বর দিয়ে পাশ করিয়ে দেওয়া উচিত। অর্থাৎ মূল কথা হল এই অতিমারী পরিস্থিতিতে পাশ-ফেলের পরীক্ষায় সবাইকে যতটা সম্ভব ভালো নম্বর দিয়ে খুশি রাখাটাই সুষ্ঠ সমাধান।
এরকম বেশি নম্বর দেওয়ার আরও অনেক অঙ্ক আছে। যেমন ধরুন, ইস্কুলের পাঠানো নম্বরকে আনুপাতিক হারে বাড়িয়ে নেওয়া যেতে পারে। আমরা সকলেই জানি স্কুলের পাঠানো নম্বর অনেকটা বেশির দিকেই থাকে। সেক্ষেত্রে কেউ কুড়িতে উনিশ পেলে তার নম্বর হবে একশোয় পঁচানব্বুই, আর কুড়িতে কুড়ি পেলে একশোয় একশো। এতেও পড়ুয়ারা মোটের উপর খুশি থাকবে বলেই ধরে নেওয়া যায়। কিন্তু আদতে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার মত পরিণতি দেখাতে পারছেন না আমাদের শাসক এবং প্রশাসকেরা। তার একটা বড় কারণ আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের মধ্যে পড়াশোনায় খুব মেধাবী বা খুব বেশি নম্বর পাওয়া নেতানেত্রীর সংখ্যা কম। যাঁরা বিভিন্ন বোর্ডের মাথায় বসে আছেন তাঁরাও যে সকলে মাধ্যমিক কিংবা উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম দশে থেকেছেন এমনটা নয়। তাই এই ভয়ানক পরিস্থিতিতে অল্পবয়সি ছেলেমেয়েদের বেশি নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের সিদ্ধান্তহীনতা প্রকট। গোটা জীবনের প্রেক্ষিতে এই নম্বর সবকিছু নয় তা আমরা সকলেই জানি। তাই খুব জটিল কোন সূত্র বানিয়ে ছাত্রছাত্রীদের কম নম্বর না দিয়ে বেশির দিকটাই ভাবা উচিত ক্ষমতাশালীদের। আমাদের দেশের মহামান্য বিচারকেরা এক্ষেত্রে চটজলদি সিদ্ধান্ত না নিলে কচিকাঁচা পড়ুয়ারা এক তুমুল অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাবে। বোর্ডের পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল মার্চে। এতদিনে তার ফল বেরনোর কথা। কোভিড সঙ্কটে জুলাই মাসে পরীক্ষার নতুন তারিখ দাগিয়েছিলেন নীতি নির্ধারকেরা। এখন তাতেও বিপুল অনিশ্চয়তা। সেই সময় সংক্রমণ ছিল অনেক কম। কিন্তু বিশেষ না ভেবেই তাড়াহুড়ো করে পরীক্ষাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এখন সংক্রমণ দিনে দিনে বাড়ছে, এদিকে তার মধ্যেই পরীক্ষার তোড়জোড়। পরিযায়ী শ্রমিক থেকে শুরু করে কটা বাস চালানো হবে, এরকম বিভিন্ন ক্ষেত্রে কেন্দ্র এবং বিভিন্ন রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তহীনতা স্পষ্ট। পরীক্ষার আঙিনাতেও তাই ঘটছে। বেশ কিছুদিন ট্রেন বন্ধ না রেখে যদি লকডাউনের শুরুতে শ্রমিকদের ভাগে ভাগে নিজেদের রাজ্যে পাঠানো হতো তাহলে অঙ্কের নিয়মে সংক্রমণ কম হওয়ারই কথা। শহরে প্রথমে অল্প কটা বাস না চালিয়ে যদি শুরু থেকেই প্রচুর যানবাহন নামানো হতো তাহলে হয়তো মানুষের এতো হয়রানি হতো না।
তবে নীতিনির্ধারকদের এই অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে পুরোপুরি দায়ী করা ঠিক হবে না। কারণ এতরকমের সীমাবদ্ধতা চারদিক থেকে আসতে পারে যে সমাধান প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। যেমন বোর্ডের পরীক্ষায় নাহয় সবাইকে ভালো নম্বর দিয়ে পাশ করিয়ে দেওয়া হল। অর্থাৎ এগুলো মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, আইসিএসই, সিবিএসই এসব পরীক্ষার জন্যে কাজে লাগতে পারে। কিন্তু কী হবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায়? পশ্চিমবঙ্গে প্রযুক্তিক্ষেত্রের প্রবেশিকা পরীক্ষা এবার অনেক আগেই সম্পন্ন হয়েছে। এটা একটা ইতিবাচক সংবাদ। সেই ফলাফল বেরলে রাজ্যের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবেন সফল পরীক্ষার্থীরা। এখানে কোনও জটিলতা নেই। কিন্তু প্রযুক্তিক্ষেত্রে সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রথম সুযোগটি সম্পন্ন হয়েছে মাত্র, দ্বিতীয়টি এখনও বাকি। বাকি রয়ে গেছে আইআইটির প্রবেশিকাও। চিকিৎসাক্ষেত্রে দেশের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা নিট এখনও সম্পন্ন হয় নি। এইসব ক্ষেত্রে দশ থেকে পনের লক্ষ প্রতিযোগী প্রবেশিকায় শামিল হন। মোটের উপর ভালো সরকারি প্রতিষ্ঠানে আসনের সংখ্যা মাত্র কুড়ি তিরিশ হাজার। অল্প কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান ভালো। বাকিগুলির অবস্থা তথৈবচ, এদিকে ভর্তি হতে গেলে টাকা লাগে অনেক বেশি। এই পরিস্থিতিতে প্রবেশিকা পরীক্ষা সম্পন্ন না হলে সফল প্রার্থীদের খুঁজে পাওয়া অসম্ভব। মুশকিল হল প্রতিযোগিতা এতটাই তীব্র যে একটি নম্বরেই হয়তো কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রী থাকেন। স্বাভাবিক সময়েই আট দশটা জটিল নিয়মের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন স্থান নির্ধারণ করা হয়, যাকে বলা হয় টাইব্রেকার। তাই করোনার দিনগুলিতে পরীক্ষা না নিয়ে যে কোন সূত্র ধরেই মেধাতালিকা বানানো হোক না কেন, তাতে সকলে খুশি হওয়া অসম্ভব। ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি এই অবস্থায় কিছু আসন বাড়ানোর কথা ভাবতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই এখন পড়াশোনা অনলাইনে। তাই নামকরা কলেজে বসার
আসনের সীমাবদ্ধতা এখন কম। এই বিষয়গুলিতে নতুন কিছু ভাবনা চিন্তা করতে হবে নীতি নির্ধারকেরা। তবে আবার মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন যে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে সমস্যা সমাধানের পথ প্রায় নেই। অন্যদিকে আগে যেমনটা বলছিলাম, বোর্ডের পরীক্ষায় বেশি নম্বর দিলে কিন্তু ঝামেলা মিটে যাবে অনেকটা। সবশেষে অভিভাবক এবং ছাত্রছাত্রীদেরও মনে রাখতে হবে যে সময়টা খুবই খারাপ। বিশ্বজুড়ে প্রায় প্রতিটি মানুষকে এই অতিমারীর ফল ভোগ করতে হচ্ছে। সুতরাং সবটা মনের মত না হওয়াটাই স্বাভাবিক। যাদের হাতে নম্বর আছে তাঁরা যদি কম নম্বরও দেন, সে নম্বর যদি পছন্দ নাও হয়, তাহলেও চটজলদি প্রতিক্রিয়ার কোনও কারণ নেই। পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেয়ে যেটুকু শিক্ষা হয়, তার থেকে অনেক বড় শিক্ষা মনোমত ফল না হলেও সেটাকে সামলে নিয়ে সামনের দিকে তাকানো। পরবর্তীকালে সকলেই জানবেন যে এইবারের পরীক্ষার ফলের উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করা ঠিক হবে না। ফলে ভবিষ্যতের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক ক্ষেত্রে আবার নতুন করে পরখ করা হবে প্রার্থীদের। জীবনের সমস্ত পরীক্ষার ফল এই কোভিডের দিনগুলোতে নির্ধারিত হয়ে যাবে এমনটা নয়। তার থেকে অনেক বেশি সত্য আজকের বেঁচে থাকা আর আগামীর লড়াই। এখন তাই সবথেকে জরুরি এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবক-অভিভাবিকাদের পরিণতমনস্কতা, সোজা বাংলায় মাথাটা ঠান্ডা রাখা।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
27th  June, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
দুষ্টের দমনেই
জন্মায় আস্থা
তন্ময় মল্লিক

এক বালতি দুধ নষ্ট করার জন্য এক ফোঁটা গোচোনাই যথেষ্ট। কথাটা সকলেরই জানা। ব্যক্তিজীবন থেকে সমাজজীবন, এমনকী রাজনীতিতেও এর প্রমাণ মিলেছে বারবার। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচন তার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। বিশদ

27th  June, 2020
নেতৃত্বের পরীক্ষা
সমৃদ্ধ দত্ত

 সফলভাবে করোনা ভাইরাসকে আটকে দেওয়া মহিলা রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে এই নেতাদের সবথেকে বড় যে পার্থক্যটি চোখে পড়েছে, সেটি হল, পরামর্শ গ্রহণের প্রক্রিয়া। অর্থাৎ কনসাল্টেশন। মহিলা রাষ্ট্রপ্রধানরা প্রায় প্রত্যেকেই এক্সপার্ট গ্রুপ, বিশেষজ্ঞ মেডিকেল প্রফেশনাল, বিজ্ঞানীদের প্যানেল এবং অন্য সফল দেশের ম্যানেজমেন্টকে দ্রুত প্রয়োগ করেছেন। বিশদ

26th  June, 2020
সঞ্চয়ে সুদের হার নিম্নমুখী, উদ্বেগে সবাই
দেবনারায়ণ সরকার

 বর্তমান অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করার সময় অর্থ মন্ত্রকের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা কৃষ্ণমূর্তি সুব্রহ্মণ্যম বর্তমান আর্থিক সমীক্ষায় বলেছিলেন, অর্থনীতির চাকা ঘোরাতে গেলে উচ্চ সমৃদ্ধির হার আবশ্যক। উচ্চ সমৃদ্ধির হার তখনই সম্ভব যখন সঞ্চয়, বিনিয়োগ ও রপ্তানির গুণগত চক্রের স্থায়িত্ব বজায় থাকে।
বিশদ

26th  June, 2020
বয়কটের রাজনীতি চীনকে দমাতে পারবে কি?
হারাধন চৌধুরী

গত মার্চের শেষদিকে বিশ্বের নজর কেড়েছিল করোনা-বিধ্বস্ত উহান। মাত্র ছ’দিনে একটি বড় হাসপাতাল তৈরি করে। আগেই চীনের ঝুলিতে ছিল সাতদিনে একটি আস্ত হাসপাতাল নির্মাণের অভিজ্ঞতা। ২০০৩ সাল।
বিশদ

25th  June, 2020
শত্রুপক্ষের সব রণনীতি এবং নেতৃত্বের ভাবধারণা জানা প্রয়োজন
শুভাগত জোয়ারদার

চীনের মহান রণনীতি বিশেষজ্ঞ সান তজু তাঁর বিখ্যাত ‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ বইতে বলেছেন—‘যদি তুমি তোমার শত্রু এবং নিজেকে জানো, তবে শতবার যুদ্ধেও ফল নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। যদি তুমি নিজেকে জানো কিন্তু শত্রুকে নয়, তবে প্রতিটি যুদ্ধ জয়ের পাশাপাশি পরাজয়ের গ্লানিতেও তোমাকে ভুগতে হবে। যদি তুমি না শত্রু, না নিজেকে জানো তবে প্রতিটি যুদ্ধে তোমায় জখম হতে হবে।’
বিশদ

25th  June, 2020
নেপাল: কলকাত্তা কালীর শরণাপন্ন রাজনাথ
কুমারেশ চক্রবর্তী

ছোটবেলায় আমরা ‘ম্যাপ-ম্যাপ খেলা’ খেলতাম। দাদাদের বাতিল ম্যাপের ওপর লাল পেন্সিল দিয়ে একটা ক্রসহচিহ্ন এঁকে জায়গাটা দখল করতাম, শর্ত একটাই, জায়গাটার নাম বলতে হবে। এইভাবে আমরা কত নগর, রাজ্য, দেশের মালিক হয়েছি!  বিশদ

24th  June, 2020
অসুরকে শিবের অভয়বাণী, মা ছাড়া গতি নেই
সন্দীপন বিশ্বাস

সাতসকালে হন্তদন্ত হয়ে উদ্‌ভ্রান্তের মতো কৈলাসে হাজির মহিষাসুর। ‘মহাদেব ভবনে’ ঢোকার মুখেই বাধা পেলেন। নন্দী আর ভৃঙ্গী হাঁই হাঁই করে বললেন, ‘একদম ভিতরে ঢোকার চেষ্টা কোরুনি।   বিশদ

24th  June, 2020
সীমান্তের এপারে ‘আসল’ ভারত
শান্তনু দত্তগুপ্ত
 

মাত্র ২০ বছর বয়স চাঁদ মহম্মদের। দিল্লির সীলামপুরে একটি ঝুপড়িতে থাকে সে মায়ের সঙ্গে। ঠিকাদার সংস্থায় নাম লিখিয়ে একটি চাকরি সে পেয়েছে। খুব দরকার ছিল চাকরিটা। আট ঘণ্টার ডিউটি লোকনায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালে। কাজ? কোভিড আক্রান্তদের মরদেহ নিয়ে যাওয়া... হাসপাতালের মর্গ থেকে শ্মশানঘাট পর্যন্ত।  
বিশদ

23rd  June, 2020
জ্বর হলে জগন্নাথদেব মাস্ক
পরেন, মানেন দূরত্ববিধি
মৃন্ময় চন্দ

ইতিহাস ২৮৫ বছরের, এই প্রথমবার, একটা পুঁচকে ভাইরাস ঝামেলা পাকিয়েছিল জগন্নাথদেবের রথযাত্রায়। ফুলবাবু হয়ে, সেজেগুজে, গায়ে একরাশ সুগন্ধি ঢেলে, আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়াতে প্রতিবছর নিয়ম করে বোন সুভদ্রা আর দাদা বলভদ্রকে নিয়ে মাসির বাড়ি বেড়াতে যান তিনি। 
বিশদ

23rd  June, 2020
একনজরে
অলকাভ নিয়োগী, বর্ধমান: পরিযায়ী শ্রমিকেরা ভিন রাজ্য থেকে ফিরতেই পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা পরীক্ষাও বেড়েছে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহেও সারা জেলায় ৫০০-এর কম নমুনা পরীক্ষা হয়েছিল। কিন্তু, রবিবার পর্যন্ত জেলায় সেই পরীক্ষার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ২৩ হাজার। যার ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রখ্যাত যাত্রাভিনেতা তথা নির্দেশক ত্রিদিব ঘোষ সোমবার ভোরে তাঁর যাদবপুরের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। বিভিন্ন যাত্রাপালাতে তিনি ...

ইসলামাবাদ: ভুয়ো লাইসেন্স রাখার অপরাধে আড়াইশো জনের বেশি পাকিস্তানি পাইলট ও বিমানকর্মীকে সাসপেন্ড করল একাধিক আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ...

বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: ১৩৫ কোটির দেশে ডাক্তারিতে রয়েছে মাত্র ১৪টি সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞের আসন! চোখ কপালে তুলে দেওয়ার মতো এই তথ্য জানা গেল মেডিক্যাল কাউন্সিল ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের কোনও বৃত্তিমূলক পরীক্ষায় ভালো ফল করবে। বিবাহ প্রার্থীদের এখন ভালো সময়। ভাই ও বোনদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: ব্রিটিশ উদ্ভিদ্বিজ্ঞানী এবং অভিযাত্রী জোসেফ ডালটন হুকারের জন্ম
১৯১৭-দাদাভাই নওরজির মৃত্যু।
১৯৫৯ - বিশিষ্ট বাঙালি অভিনেতা ও নাট্যাচার্য শিশিরকুমার ভাদুড়ীর মৃত্যু
১৯৬৬- মাইক টাইসনের জন্ম।
১৯৬৯- রাজনীতিবিদ সুপ্রিয়া সুলের জন্ম।
১৯৮৫- মার্কিন সাঁতারু মাইকেল ফেলপসের জন্ম।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮১ টাকা ৭৬.৫৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৯০ টাকা ৯৫.২০ টাকা
ইউরো ৮৩.৫৩ টাকা ৮৬.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,০৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৫৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,২৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৮,৭৯০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৮,৮৯০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ আষাঢ় ১৪২৭, ৩০ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, দশমী ৩৭/৭ রাত্রি ৭/৫০। চিত্রা ১/৩৯ প্রাতঃ ৫/৩৯ পরে স্বাতী ৫৭/৪২ রাত্রি ৪/৪। সূর্যোদয় ৪/৫৯/৯, সূর্যাস্ত ৬/২১/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৯/২৬ গতে ১২/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩ মধ্যে পুনঃ ১২/১ গতে ২/৯ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৯ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ৩/০ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪০ গতে ৯/০ মধ্যে।
১৫ আষাঢ় ১৪২৭, ৩০ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, দশমী রাত্রি ৭/১৩। চিত্রা নক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৪১ পরে স্বাতী নক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৫। সূযোদয় ৪/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/২৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪২ মধ্যে ও ৯/২৯ গতে ১২/৯ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৪/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ মধ্যে ১২/৩ গতে ২/১১ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৯ গতে ৮/২০ মধ্যে ও ১/২২ গতে ৩/২ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪৩ গতে ৯/২ মধ্যে।
৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজকের রাশিফল  
মেষ: বিদ্যার্থীদের কোনও বৃত্তিমূলক পরীক্ষায় ভালো ফল করবে। বৃষ: কর্মক্ষেত্রে স্বীকৃতি লাভ। ...বিশদ

07:11:04 PM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৮১৭: ব্রিটিশ উদ্ভিদ্বিজ্ঞানী এবং অভিযাত্রী জোসেফ ডালটন হুকারের জন্ম১৯১৭-দাদাভাই নওরজির ...বিশদ

07:03:20 PM

দিল্লিতে করোনা পজিটিভ আরও ২,১৯৯ জন, মোট আক্রান্ত ৮৭,৩৬০ 

10:41:52 PM

আগামী ৩ মাসের জন্য স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পগুলিতে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্র 

10:08:59 PM

কলকাতায় রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ছে 
কলকাতায় রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ছে সাড়ে চার টাকা। আগামীকাল থেকে ...বিশদ

09:56:15 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ৪,৮৭৮ জন, মোট আক্রান্ত ১,৭৪,৭৬১ 

08:38:03 PM