Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বেশি নম্বর, অধিক
আসন ও ঠান্ডা মাথা
শুভময় মৈত্র

দেশজুড়ে পরীক্ষা নিয়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি। বিভিন্ন নিয়ামক সংস্থা এবং বোর্ড এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না যে পরীক্ষা হবে কি হবে না। বেশ কিছু অভিভাবক মনে করছেন করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। বিষয়টি একেবারে যুক্তিপূর্ণ। কিন্তু অনেক পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবকেরা বুঝতে পারছেন না যে পরীক্ষা না হলে কীভাবে নম্বর দেওয়া হবে। বিশেষত দশ এবং বারো ক্লাসের বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ে মূল গোলমাল। যে বিষয়গুলোর পরীক্ষা হয়ে গেছে তাতে তো খাতা দেখে নম্বর দেওয়াই যাবে। যেগুলো হয়নি, সেখানে সমস্যার একটি সহজ সমাধান হল পরীক্ষার যে অংশটি বাকি রয়ে গেছে তাতে সকল ছাত্রছাত্রীদের পুরো নম্বর দিয়ে দেওয়া। ধরা যাক কোন একটি বোর্ডে একশোর মধ্যে স্কুল থেকে আসা নম্বর কুড়ি আর বাকি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল আশিতে। মাস্টারমশাই কোন এক ছাত্রের জন্যে নম্বর পাঠিয়েছেন কুড়িতে উনিশ। তাকে বাকি আশিতে আশি দিয়ে দিলে মোট নম্বর দাঁড়াবে একশোয় নিরানব্বুই। এক্ষেত্রে সুবিধে হল কোন পড়ুয়াই নম্বর কম পাওয়ার জন্যে অভিযোগ করতে পারবে না। অন্যদিকে আগে হয়ে যাওয়া পরীক্ষাগুলোর ভিত্তিতে তাদের প্রাপ্ত নম্বরের কমবেশি নির্ভর করবে। আজকের দিনে বেশিরভাগ ভালো ছাত্রছাত্রীই একশোয় নব্বুইয়ের ওপর নম্বর পায়। ফলে তাদের যে খুব বেশি দেওয়া হল এমনটা নয়। আর যারা অন্য বিষয়গুলোতে কম পেয়েছে তাদের ক্ষেত্রে সেই নম্বরগুলো দেখেই বোঝা যাবে যে তারা তুলনায় একটু পিছিয়ে। ফলে ভবিষ্যতে এই নম্বরের ভিত্তিতে ছাত্রছাত্রীদের তুলনামূলক বিচারে খুব অসুবিধে হওয়ার কথা নয়। এই প্রসঙ্গে আরও একটি কথা বলার আছে। যে পরীক্ষাগুলো হয়ে গিয়েছিল, সেখানেও কোন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলে কিংবা অকৃতকার্য হলে তাকে এবার মাঝামাঝি একটি নম্বর দিয়ে পাশ করিয়ে দেওয়া উচিত। অর্থাৎ মূল কথা হল এই অতিমারী পরিস্থিতিতে পাশ-ফেলের পরীক্ষায় সবাইকে যতটা সম্ভব ভালো নম্বর দিয়ে খুশি রাখাটাই সুষ্ঠ সমাধান।
এরকম বেশি নম্বর দেওয়ার আরও অনেক অঙ্ক আছে। যেমন ধরুন, ইস্কুলের পাঠানো নম্বরকে আনুপাতিক হারে বাড়িয়ে নেওয়া যেতে পারে। আমরা সকলেই জানি স্কুলের পাঠানো নম্বর অনেকটা বেশির দিকেই থাকে। সেক্ষেত্রে কেউ কুড়িতে উনিশ পেলে তার নম্বর হবে একশোয় পঁচানব্বুই, আর কুড়িতে কুড়ি পেলে একশোয় একশো। এতেও পড়ুয়ারা মোটের উপর খুশি থাকবে বলেই ধরে নেওয়া যায়। কিন্তু আদতে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার মত পরিণতি দেখাতে পারছেন না আমাদের শাসক এবং প্রশাসকেরা। তার একটা বড় কারণ আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের মধ্যে পড়াশোনায় খুব মেধাবী বা খুব বেশি নম্বর পাওয়া নেতানেত্রীর সংখ্যা কম। যাঁরা বিভিন্ন বোর্ডের মাথায় বসে আছেন তাঁরাও যে সকলে মাধ্যমিক কিংবা উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম দশে থেকেছেন এমনটা নয়। তাই এই ভয়ানক পরিস্থিতিতে অল্পবয়সি ছেলেমেয়েদের বেশি নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের সিদ্ধান্তহীনতা প্রকট। গোটা জীবনের প্রেক্ষিতে এই নম্বর সবকিছু নয় তা আমরা সকলেই জানি। তাই খুব জটিল কোন সূত্র বানিয়ে ছাত্রছাত্রীদের কম নম্বর না দিয়ে বেশির দিকটাই ভাবা উচিত ক্ষমতাশালীদের। আমাদের দেশের মহামান্য বিচারকেরা এক্ষেত্রে চটজলদি সিদ্ধান্ত না নিলে কচিকাঁচা পড়ুয়ারা এক তুমুল অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাবে। বোর্ডের পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল মার্চে। এতদিনে তার ফল বেরনোর কথা। কোভিড সঙ্কটে জুলাই মাসে পরীক্ষার নতুন তারিখ দাগিয়েছিলেন নীতি নির্ধারকেরা। এখন তাতেও বিপুল অনিশ্চয়তা। সেই সময় সংক্রমণ ছিল অনেক কম। কিন্তু বিশেষ না ভেবেই তাড়াহুড়ো করে পরীক্ষাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এখন সংক্রমণ দিনে দিনে বাড়ছে, এদিকে তার মধ্যেই পরীক্ষার তোড়জোড়। পরিযায়ী শ্রমিক থেকে শুরু করে কটা বাস চালানো হবে, এরকম বিভিন্ন ক্ষেত্রে কেন্দ্র এবং বিভিন্ন রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তহীনতা স্পষ্ট। পরীক্ষার আঙিনাতেও তাই ঘটছে। বেশ কিছুদিন ট্রেন বন্ধ না রেখে যদি লকডাউনের শুরুতে শ্রমিকদের ভাগে ভাগে নিজেদের রাজ্যে পাঠানো হতো তাহলে অঙ্কের নিয়মে সংক্রমণ কম হওয়ারই কথা। শহরে প্রথমে অল্প কটা বাস না চালিয়ে যদি শুরু থেকেই প্রচুর যানবাহন নামানো হতো তাহলে হয়তো মানুষের এতো হয়রানি হতো না।
তবে নীতিনির্ধারকদের এই অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে পুরোপুরি দায়ী করা ঠিক হবে না। কারণ এতরকমের সীমাবদ্ধতা চারদিক থেকে আসতে পারে যে সমাধান প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। যেমন বোর্ডের পরীক্ষায় নাহয় সবাইকে ভালো নম্বর দিয়ে পাশ করিয়ে দেওয়া হল। অর্থাৎ এগুলো মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, আইসিএসই, সিবিএসই এসব পরীক্ষার জন্যে কাজে লাগতে পারে। কিন্তু কী হবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায়? পশ্চিমবঙ্গে প্রযুক্তিক্ষেত্রের প্রবেশিকা পরীক্ষা এবার অনেক আগেই সম্পন্ন হয়েছে। এটা একটা ইতিবাচক সংবাদ। সেই ফলাফল বেরলে রাজ্যের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবেন সফল পরীক্ষার্থীরা। এখানে কোনও জটিলতা নেই। কিন্তু প্রযুক্তিক্ষেত্রে সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রথম সুযোগটি সম্পন্ন হয়েছে মাত্র, দ্বিতীয়টি এখনও বাকি। বাকি রয়ে গেছে আইআইটির প্রবেশিকাও। চিকিৎসাক্ষেত্রে দেশের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা নিট এখনও সম্পন্ন হয় নি। এইসব ক্ষেত্রে দশ থেকে পনের লক্ষ প্রতিযোগী প্রবেশিকায় শামিল হন। মোটের উপর ভালো সরকারি প্রতিষ্ঠানে আসনের সংখ্যা মাত্র কুড়ি তিরিশ হাজার। অল্প কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান ভালো। বাকিগুলির অবস্থা তথৈবচ, এদিকে ভর্তি হতে গেলে টাকা লাগে অনেক বেশি। এই পরিস্থিতিতে প্রবেশিকা পরীক্ষা সম্পন্ন না হলে সফল প্রার্থীদের খুঁজে পাওয়া অসম্ভব। মুশকিল হল প্রতিযোগিতা এতটাই তীব্র যে একটি নম্বরেই হয়তো কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রী থাকেন। স্বাভাবিক সময়েই আট দশটা জটিল নিয়মের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন স্থান নির্ধারণ করা হয়, যাকে বলা হয় টাইব্রেকার। তাই করোনার দিনগুলিতে পরীক্ষা না নিয়ে যে কোন সূত্র ধরেই মেধাতালিকা বানানো হোক না কেন, তাতে সকলে খুশি হওয়া অসম্ভব। ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি এই অবস্থায় কিছু আসন বাড়ানোর কথা ভাবতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই এখন পড়াশোনা অনলাইনে। তাই নামকরা কলেজে বসার
আসনের সীমাবদ্ধতা এখন কম। এই বিষয়গুলিতে নতুন কিছু ভাবনা চিন্তা করতে হবে নীতি নির্ধারকেরা। তবে আবার মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন যে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে সমস্যা সমাধানের পথ প্রায় নেই। অন্যদিকে আগে যেমনটা বলছিলাম, বোর্ডের পরীক্ষায় বেশি নম্বর দিলে কিন্তু ঝামেলা মিটে যাবে অনেকটা। সবশেষে অভিভাবক এবং ছাত্রছাত্রীদেরও মনে রাখতে হবে যে সময়টা খুবই খারাপ। বিশ্বজুড়ে প্রায় প্রতিটি মানুষকে এই অতিমারীর ফল ভোগ করতে হচ্ছে। সুতরাং সবটা মনের মত না হওয়াটাই স্বাভাবিক। যাদের হাতে নম্বর আছে তাঁরা যদি কম নম্বরও দেন, সে নম্বর যদি পছন্দ নাও হয়, তাহলেও চটজলদি প্রতিক্রিয়ার কোনও কারণ নেই। পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেয়ে যেটুকু শিক্ষা হয়, তার থেকে অনেক বড় শিক্ষা মনোমত ফল না হলেও সেটাকে সামলে নিয়ে সামনের দিকে তাকানো। পরবর্তীকালে সকলেই জানবেন যে এইবারের পরীক্ষার ফলের উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করা ঠিক হবে না। ফলে ভবিষ্যতের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক ক্ষেত্রে আবার নতুন করে পরখ করা হবে প্রার্থীদের। জীবনের সমস্ত পরীক্ষার ফল এই কোভিডের দিনগুলোতে নির্ধারিত হয়ে যাবে এমনটা নয়। তার থেকে অনেক বেশি সত্য আজকের বেঁচে থাকা আর আগামীর লড়াই। এখন তাই সবথেকে জরুরি এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবক-অভিভাবিকাদের পরিণতমনস্কতা, সোজা বাংলায় মাথাটা ঠান্ডা রাখা।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
27th  June, 2020
শিকড় গভীরে গেলে ঝড়েও
গাছ দাঁড়িয়ে থাকে 
তন্ময় মল্লিক

নরেন্দ্র মোদি বিজেপির শিবরাত্রির সলতে হয়ে দাঁড়িয়েছেন। লোকসভা থেকে বিধানসভা তাঁকে সামনে রেখেই নির্বাচন লড়ছে গেরুয়া শিবির। তাতেই স্পষ্ট, বিজেপির মুখের অভাব। নির্বাচন এগিয়ে আসতেই বিজেপি শাসিত রাজ্যের ভোট কুশলীদের বাংলায় আমদানির প্রবণতা বাড়ছে। কারণ দিল্লির নেতারা বুঝেছেন, নেতৃত্বের সঙ্কট বিজেপির বঙ্গজয়ের পথে প্রধান অন্তরায়।  
বিশদ

আসাদউদ্দিন কার হয়ে খেলছেন?
মৃণালকান্তি দাস

হায়দরাবাদের কট্টর ইসলামি নেতা হিসেবেই তাঁর পরিচিতি। ভক্তরা তাঁকে বলেন ‘নকিব-ই-মিল্লাত’। অর্থাৎ ‘সম্প্রদায়ের জন্য ভবিষ্যতের বাহক’। তরুণ বয়সে ক্রিকেট খেলতেন। অসাধারণ দেহ গঠন। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে সাড়া জাগানো ফাস্ট বোলার ছিলেন। ক্রিকেট নিয়ে লেখালিখিও করেন। উর্দু ও ইংরেজিতে দারুণ বাগ্মী। আইনশাস্ত্র পড়েছেন লন্ডনে। ব্যারিস্টার হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। বিশদ

04th  December, 2020
একুশের নির্বাচন ও জোড়া কালিদাস
ব্রাত্য বসু

তাহলে তৃণমূলকে অচ্ছুৎ ভাবার কারণ কী? সাধারণ মানুষের নেত্রী মমতার বিরুদ্ধে এলিটের ঘৃণা, নারীর প্রতি পুরুষতান্ত্রিকতার বিদ্বেষ নাকি ওই চৌত্রিশ বছরের মৌরসিপাট্টা হারানোর দগদগে জ্বালা? কোনটা? বিশদ

03rd  December, 2020
লড়াই এবার নেমে এসেছে রণভূমিতে
সন্দীপন বিশ্বাস

সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের লড়াই ছিল একটা রক্তচক্ষু, বাহুবলী, উদ্ধত শাসকের ভুল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মানুষের সম্মিলিত লড়াই। সেই লড়াইটার সেদিন নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ইতিহাস কোনওভাবেই মুছে ফেলা যাবে না। বিশদ

02nd  December, 2020
প্রতিষ্ঠানের থেকে বড় কেউ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। যার নেপথ্যে রয়েছে সংগ্রামী অতীত। তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশদ

01st  December, 2020
ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

30th  November, 2020
আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। বিশদ

28th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
একনজরে
নিউ ইয়র্ক: টাইম ম্যাগাজিনের ‘কিড অব দ্য ইয়ার’ শিরোপায় ভূষিত হল ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান কিশোরী। একাধিক বিষয়ে তার গবেষণা ও চমকপ্রদ আবিষ্কারের জন্য প্রচ্ছদে জায়গা ...

কেন্দ্রীয় সরকারের ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’ প্রকল্পে ১০ কোটি টাকা দান করছে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। কর্পোরেট সংস্থার সামাজিক দায়বদ্ধতা খাতে বা সিএসআর বাবদ ওই টাকা দিচ্ছে তারা। ...

বৃহস্পতিবার রাতে এটিকে মোহন বাগান নিঃশব্দে এক কীর্তি গড়ে ফেলেছে। আইএসএলের প্রথম দল হিসেবে শুরুর তিনটি ম্যাচে জিতে ‘হ্যাটট্রিক’ করেছে তারা। তিনটি ম্যাচ থেকে ৯ ...

কোনও বিস্ফোরক নয়, ব্যাটারি ফেটেই টোটো বিস্ফোরণ হয়েছিল ইংলিশবাজারে। শুক্রবার জেলা পুলিসের হাতে এব্যাপারে ফরেন্সিক রিপোর্ট এসে পৌঁছেছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহ বৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০১: মার্কিন চলচ্চিত্র প্রযোজক, নির্দেশক ও কাহিনীকার ওয়াল্ট ডিজনির জন্ম
১৯২৪: গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার জন্ম
১৯৩৫: কলকাতায় মেট্রো সিনেমা হল প্রতিষ্ঠা হয়
১৯৫০: বিপ্লবী, দার্শনিক ও আধ্যাত্মসাধক ঋষি অরবিন্দের প্রয়াণ
১৯৫১: শিল্পী ও লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যু
১৯৯৯: মিস ওয়ার্ল্ড হলেন যুক্তামুখী  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০৪ টাকা ৭৪.৭৫ টাকা
পাউন্ড ৯৭.৬৫ টাকা ১০১.১০ টাকা
ইউরো ৮৮.১২ টাকা ৯১.৩৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,০৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০, পঞ্চমী ৩৫/১০ রাত্রি ৮/১১। পুষ্যা নক্ষত্র ২০/৫২ দিবা ২/২৮। সূর্যোদয় ৬/৬/৪৩, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/৪৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৭/৩২ গতে ৯/৪০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪৭ গতে ২/৩৪ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ২/৩৪ গতে ৩/২৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৭ গতে ২/৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২৮ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/২৮ মধ্যে পুনঃ ৪/২৬ গতে উদয়াবধি।  
১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, শনিবার ৫ ডিসেম্বর ২০২০, পঞ্চমী সন্ধ্যা ৫/১৯। পুষ্যানক্ষত্র দিবা ১২/৪৪। সূর্যোদয় ৬/৮, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ৭/৪৩ গতে ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ২/৫২ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৪/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৪৩ মধ্যে রাত্রি ২/৪৩ গতে ৩/৩৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/২৮ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/৮ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৪/৪৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৮ মধ্যে ও ৪/২৮ গতে ৬/৯ মধ্যে।  
১৯ রবিউল সানি। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: ইস্ট বেঙ্গলকে ২-০ গোলে হারাল নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড

09:30:28 PM

আইএসএল: নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড ২- ইস্ট বেঙ্গল ০ (৯১ মিনিট)

09:25:08 PM

আইএসএল: নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড ১- ইস্ট বেঙ্গল ০ (৩৩ মিনিট)

08:40:07 PM

 আইএসএল: নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড ১- ইস্ট বেঙ্গল ০ (হাফ টাইম)

08:26:00 PM

সিতাইতে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ
তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দিনহাটার সিতাই। বোমাবাজি, বাড়ি, টোটো, ...বিশদ

06:48:51 PM

কয়লা কাণ্ডে সোমবার অনুপ মাঝি ওরফে লালাকে হাজিরার নির্দেশ সিবিআইয়ের

05:37:00 PM