Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বেশি নম্বর, অধিক
আসন ও ঠান্ডা মাথা
শুভময় মৈত্র

দেশজুড়ে পরীক্ষা নিয়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি। বিভিন্ন নিয়ামক সংস্থা এবং বোর্ড এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না যে পরীক্ষা হবে কি হবে না। বেশ কিছু অভিভাবক মনে করছেন করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। বিষয়টি একেবারে যুক্তিপূর্ণ। কিন্তু অনেক পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবকেরা বুঝতে পারছেন না যে পরীক্ষা না হলে কীভাবে নম্বর দেওয়া হবে। বিশেষত দশ এবং বারো ক্লাসের বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ে মূল গোলমাল। যে বিষয়গুলোর পরীক্ষা হয়ে গেছে তাতে তো খাতা দেখে নম্বর দেওয়াই যাবে। যেগুলো হয়নি, সেখানে সমস্যার একটি সহজ সমাধান হল পরীক্ষার যে অংশটি বাকি রয়ে গেছে তাতে সকল ছাত্রছাত্রীদের পুরো নম্বর দিয়ে দেওয়া। ধরা যাক কোন একটি বোর্ডে একশোর মধ্যে স্কুল থেকে আসা নম্বর কুড়ি আর বাকি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল আশিতে। মাস্টারমশাই কোন এক ছাত্রের জন্যে নম্বর পাঠিয়েছেন কুড়িতে উনিশ। তাকে বাকি আশিতে আশি দিয়ে দিলে মোট নম্বর দাঁড়াবে একশোয় নিরানব্বুই। এক্ষেত্রে সুবিধে হল কোন পড়ুয়াই নম্বর কম পাওয়ার জন্যে অভিযোগ করতে পারবে না। অন্যদিকে আগে হয়ে যাওয়া পরীক্ষাগুলোর ভিত্তিতে তাদের প্রাপ্ত নম্বরের কমবেশি নির্ভর করবে। আজকের দিনে বেশিরভাগ ভালো ছাত্রছাত্রীই একশোয় নব্বুইয়ের ওপর নম্বর পায়। ফলে তাদের যে খুব বেশি দেওয়া হল এমনটা নয়। আর যারা অন্য বিষয়গুলোতে কম পেয়েছে তাদের ক্ষেত্রে সেই নম্বরগুলো দেখেই বোঝা যাবে যে তারা তুলনায় একটু পিছিয়ে। ফলে ভবিষ্যতে এই নম্বরের ভিত্তিতে ছাত্রছাত্রীদের তুলনামূলক বিচারে খুব অসুবিধে হওয়ার কথা নয়। এই প্রসঙ্গে আরও একটি কথা বলার আছে। যে পরীক্ষাগুলো হয়ে গিয়েছিল, সেখানেও কোন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলে কিংবা অকৃতকার্য হলে তাকে এবার মাঝামাঝি একটি নম্বর দিয়ে পাশ করিয়ে দেওয়া উচিত। অর্থাৎ মূল কথা হল এই অতিমারী পরিস্থিতিতে পাশ-ফেলের পরীক্ষায় সবাইকে যতটা সম্ভব ভালো নম্বর দিয়ে খুশি রাখাটাই সুষ্ঠ সমাধান।
এরকম বেশি নম্বর দেওয়ার আরও অনেক অঙ্ক আছে। যেমন ধরুন, ইস্কুলের পাঠানো নম্বরকে আনুপাতিক হারে বাড়িয়ে নেওয়া যেতে পারে। আমরা সকলেই জানি স্কুলের পাঠানো নম্বর অনেকটা বেশির দিকেই থাকে। সেক্ষেত্রে কেউ কুড়িতে উনিশ পেলে তার নম্বর হবে একশোয় পঁচানব্বুই, আর কুড়িতে কুড়ি পেলে একশোয় একশো। এতেও পড়ুয়ারা মোটের উপর খুশি থাকবে বলেই ধরে নেওয়া যায়। কিন্তু আদতে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার মত পরিণতি দেখাতে পারছেন না আমাদের শাসক এবং প্রশাসকেরা। তার একটা বড় কারণ আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের মধ্যে পড়াশোনায় খুব মেধাবী বা খুব বেশি নম্বর পাওয়া নেতানেত্রীর সংখ্যা কম। যাঁরা বিভিন্ন বোর্ডের মাথায় বসে আছেন তাঁরাও যে সকলে মাধ্যমিক কিংবা উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম দশে থেকেছেন এমনটা নয়। তাই এই ভয়ানক পরিস্থিতিতে অল্পবয়সি ছেলেমেয়েদের বেশি নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের সিদ্ধান্তহীনতা প্রকট। গোটা জীবনের প্রেক্ষিতে এই নম্বর সবকিছু নয় তা আমরা সকলেই জানি। তাই খুব জটিল কোন সূত্র বানিয়ে ছাত্রছাত্রীদের কম নম্বর না দিয়ে বেশির দিকটাই ভাবা উচিত ক্ষমতাশালীদের। আমাদের দেশের মহামান্য বিচারকেরা এক্ষেত্রে চটজলদি সিদ্ধান্ত না নিলে কচিকাঁচা পড়ুয়ারা এক তুমুল অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাবে। বোর্ডের পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল মার্চে। এতদিনে তার ফল বেরনোর কথা। কোভিড সঙ্কটে জুলাই মাসে পরীক্ষার নতুন তারিখ দাগিয়েছিলেন নীতি নির্ধারকেরা। এখন তাতেও বিপুল অনিশ্চয়তা। সেই সময় সংক্রমণ ছিল অনেক কম। কিন্তু বিশেষ না ভেবেই তাড়াহুড়ো করে পরীক্ষাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এখন সংক্রমণ দিনে দিনে বাড়ছে, এদিকে তার মধ্যেই পরীক্ষার তোড়জোড়। পরিযায়ী শ্রমিক থেকে শুরু করে কটা বাস চালানো হবে, এরকম বিভিন্ন ক্ষেত্রে কেন্দ্র এবং বিভিন্ন রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তহীনতা স্পষ্ট। পরীক্ষার আঙিনাতেও তাই ঘটছে। বেশ কিছুদিন ট্রেন বন্ধ না রেখে যদি লকডাউনের শুরুতে শ্রমিকদের ভাগে ভাগে নিজেদের রাজ্যে পাঠানো হতো তাহলে অঙ্কের নিয়মে সংক্রমণ কম হওয়ারই কথা। শহরে প্রথমে অল্প কটা বাস না চালিয়ে যদি শুরু থেকেই প্রচুর যানবাহন নামানো হতো তাহলে হয়তো মানুষের এতো হয়রানি হতো না।
তবে নীতিনির্ধারকদের এই অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে পুরোপুরি দায়ী করা ঠিক হবে না। কারণ এতরকমের সীমাবদ্ধতা চারদিক থেকে আসতে পারে যে সমাধান প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। যেমন বোর্ডের পরীক্ষায় নাহয় সবাইকে ভালো নম্বর দিয়ে পাশ করিয়ে দেওয়া হল। অর্থাৎ এগুলো মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, আইসিএসই, সিবিএসই এসব পরীক্ষার জন্যে কাজে লাগতে পারে। কিন্তু কী হবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায়? পশ্চিমবঙ্গে প্রযুক্তিক্ষেত্রের প্রবেশিকা পরীক্ষা এবার অনেক আগেই সম্পন্ন হয়েছে। এটা একটা ইতিবাচক সংবাদ। সেই ফলাফল বেরলে রাজ্যের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবেন সফল পরীক্ষার্থীরা। এখানে কোনও জটিলতা নেই। কিন্তু প্রযুক্তিক্ষেত্রে সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রথম সুযোগটি সম্পন্ন হয়েছে মাত্র, দ্বিতীয়টি এখনও বাকি। বাকি রয়ে গেছে আইআইটির প্রবেশিকাও। চিকিৎসাক্ষেত্রে দেশের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা নিট এখনও সম্পন্ন হয় নি। এইসব ক্ষেত্রে দশ থেকে পনের লক্ষ প্রতিযোগী প্রবেশিকায় শামিল হন। মোটের উপর ভালো সরকারি প্রতিষ্ঠানে আসনের সংখ্যা মাত্র কুড়ি তিরিশ হাজার। অল্প কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান ভালো। বাকিগুলির অবস্থা তথৈবচ, এদিকে ভর্তি হতে গেলে টাকা লাগে অনেক বেশি। এই পরিস্থিতিতে প্রবেশিকা পরীক্ষা সম্পন্ন না হলে সফল প্রার্থীদের খুঁজে পাওয়া অসম্ভব। মুশকিল হল প্রতিযোগিতা এতটাই তীব্র যে একটি নম্বরেই হয়তো কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রী থাকেন। স্বাভাবিক সময়েই আট দশটা জটিল নিয়মের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন স্থান নির্ধারণ করা হয়, যাকে বলা হয় টাইব্রেকার। তাই করোনার দিনগুলিতে পরীক্ষা না নিয়ে যে কোন সূত্র ধরেই মেধাতালিকা বানানো হোক না কেন, তাতে সকলে খুশি হওয়া অসম্ভব। ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি এই অবস্থায় কিছু আসন বাড়ানোর কথা ভাবতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই এখন পড়াশোনা অনলাইনে। তাই নামকরা কলেজে বসার
আসনের সীমাবদ্ধতা এখন কম। এই বিষয়গুলিতে নতুন কিছু ভাবনা চিন্তা করতে হবে নীতি নির্ধারকেরা। তবে আবার মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন যে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে সমস্যা সমাধানের পথ প্রায় নেই। অন্যদিকে আগে যেমনটা বলছিলাম, বোর্ডের পরীক্ষায় বেশি নম্বর দিলে কিন্তু ঝামেলা মিটে যাবে অনেকটা। সবশেষে অভিভাবক এবং ছাত্রছাত্রীদেরও মনে রাখতে হবে যে সময়টা খুবই খারাপ। বিশ্বজুড়ে প্রায় প্রতিটি মানুষকে এই অতিমারীর ফল ভোগ করতে হচ্ছে। সুতরাং সবটা মনের মত না হওয়াটাই স্বাভাবিক। যাদের হাতে নম্বর আছে তাঁরা যদি কম নম্বরও দেন, সে নম্বর যদি পছন্দ নাও হয়, তাহলেও চটজলদি প্রতিক্রিয়ার কোনও কারণ নেই। পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেয়ে যেটুকু শিক্ষা হয়, তার থেকে অনেক বড় শিক্ষা মনোমত ফল না হলেও সেটাকে সামলে নিয়ে সামনের দিকে তাকানো। পরবর্তীকালে সকলেই জানবেন যে এইবারের পরীক্ষার ফলের উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করা ঠিক হবে না। ফলে ভবিষ্যতের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক ক্ষেত্রে আবার নতুন করে পরখ করা হবে প্রার্থীদের। জীবনের সমস্ত পরীক্ষার ফল এই কোভিডের দিনগুলোতে নির্ধারিত হয়ে যাবে এমনটা নয়। তার থেকে অনেক বেশি সত্য আজকের বেঁচে থাকা আর আগামীর লড়াই। এখন তাই সবথেকে জরুরি এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবক-অভিভাবিকাদের পরিণতমনস্কতা, সোজা বাংলায় মাথাটা ঠান্ডা রাখা।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
27th  June, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
একনজরে
ওয়াশিংটন: ভারতকে ভালোবাসে আমেরিকা— প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছার জবাবে ট্যুইটে এই বার্তাই দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মোদি লিখেছিলেন, ‘আমেরিকার ২৪৪তম স্বাধীনতা দিবসে আমেরিকার সবাইকে ...

জোহানেসবার্গ: দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মান পেলেন কুইন্টন ডি’কক। করোনা ভাইরাসের জেরে এবছর এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়।   ...

সংবাদদাতা, গুসকরা: শনিবার রাতে আউশগ্রামের বড়াচৌমাথার কাছে জাতীয় সড়কে ডাকাত সন্দেহে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। একটি মারুতি গাড়িও আটক করা হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের নাম খোকন মাল ও অনিমেষ সমাদ্দার।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: এই প্রথম রাজ্যে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের উদ্যোগ নিল মৎস্য দপ্তর। পরীক্ষামূলকভাবে ১৪টি জেলায় এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ করা হবে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ যোগ। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৫- জোসেফ মেইস্টারের উপর জলাতঙ্ক রোগের টিকা সফলভাবে পরীক্ষা করলেন লুই পাস্তুর
১৮৯২- ব্রিটেন পার্লামেন্টে প্রথম ভারতীয় হিসাবে নির্বাচিত হলেন দাদাভাই নওরোজি
১৯০১- শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৬- আমেরিকার ৪৩তম প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লু বুশের জন্ম
১৯৪৬- মার্কিন অভিনেতা সিলভেস্টার স্ট্যালোনের জন্ম
১৯৮৫- অভিনেতা রণবীর সিংয়ের জন্ম
১৯৮৬- রাজনীতিবিদ জগজীবন রামের মৃত্যু
২০০২- রিলায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা ধীরুভাই আম্বানির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
05th  July, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  July, 2020

দিন পঞ্জিকা

২২ আষাঢ় ১৪২৭, ৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ ১০/৫৩ দিবা ৯/২৩। উত্তরাষাঢ়া ৪৫/২৭ রাত্রি ১১/১২৷ সূর্যোদয় ৫/১/১২, সূর্যাস্ত ৬/২১/২০৷ অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৪ গতে ১০/২০ মধ্যে। রাত্রি ৯/৪২ গতে ১২/২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৫৩ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২১ গতে ১১/৪১ মধ্যে।  
২১ আষাঢ় ১৪২৭, ৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ দিবা ৯/২২। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র রাত্রি ১২/০। সূযোদয় ৫/১, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৫ গতে ১০/২২ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৩ মধ্যে ও ১/২৮ গতে ২/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২২ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে।  
১৪ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় স্থানে ভারত 
বিশ্বে করোনা আক্রান্ত হওয়ার নিরিখে রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় স্থানে উঠে ...বিশদ

05-07-2020 - 09:32:25 PM

হালিশহরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ 
তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার ...বিশদ

05-07-2020 - 09:28:41 PM

কর্ণাটকে করোনা পজিটিভ আরও ১,৯২৫, মোট আক্রান্ত ২৩,৪৭৪ 

05-07-2020 - 09:06:12 PM

জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সীমান্তে পাক সেনার গোলাগুলি 

05-07-2020 - 08:37:27 PM

করোনা: মহারাষ্ট্রে নতুন করে আক্রান্ত হলেন ৬৫৫৫, মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ৬ হাজার ৬১৯ 

05-07-2020 - 08:04:07 PM

করোনা: ফের একদিনে রাজ্যে রেকর্ড সংক্রমণ 
পর পর দু’দিন। নতুন সংক্রমণের নিরিখে ফের রেকর্ড রাজ্যে। গত ...বিশদ

05-07-2020 - 08:02:02 PM