Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সঞ্চয়ে সুদের হার নিম্নমুখী, উদ্বেগে সবাই
দেবনারায়ণ সরকার

উইলিয়াম শেক্সপিয়রের ‘মেজার ফর মেজার’ নাটকে ক্লডিও বলেছিলেন, ‘অতি দুঃখীর জন্য আশা ছাড়া অন্য কোনও ওষুধ নেই’। একই অবস্থা ব্যাঙ্ক ও স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পের সুদের হারের উপর নির্ভরশীল দেশের প্রবীণ নাগরিক-সহ স্থির আয়ের উপর নির্ভরশীল মানুষের। বিশেষ করে অতি নিম্নবিত্ত, নিম্নবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ব্যক্তিবর্গের। একদিকে, কয়েক বছর ধরে বিপুল অনাদায়ী ঋণের ভারে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি ধুঁকছে এবং মহামারীকালে নতুন ঋণের ৫.৭ লক্ষ কোটি টাকা অনুৎপাদক সম্পদে পরিণত হবার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলোতে আমানত বাড়ানোর স্বার্থে স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পে সুদের হার ও অন্যান্য সুবিধা কমাতে কমাতে প্রায় ব্যাঙ্কের পর্যায়ে নামানো হয়েছে। আবার ব্যাঙ্কের সুদের হারও ক্রমশ কমছে। করোনার ধাক্কায় আরও কমেছে। সুদের হারের উপর নির্ভরশীল প্রবীণ-সহ স্থির আয়ের নাগরিকদের এই মুহূর্তে সরকারের কাছে আশা ভিন্ন অন্য কোনও ওষুধ নেই। এক্ষেত্রে দু’টি প্রশ্ন খুবই প্রাসঙ্গিক। প্রথমত, ব্যাঙ্ক ও স্বল্পসঞ্চয় প্রকল্পে সুদের হার যথেষ্ট কমলেও দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা কতখানি যার ফলে অর্থনীতির চাকা কতখানি পুনরুদ্ধার সম্ভব? দ্বিতীয়ত, ব্যাঙ্ক আমানতে ও স্বল্প সঞ্চয়ে সুদের হার ভীষণ কমায় স্থির আয়ের উপর নির্ভরশীল পরিবারগুলোতে এর প্রভাব কতটা?
বর্তমান অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করার সময় অর্থ মন্ত্রকের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা কৃষ্ণমূর্তি সুব্রহ্মণ্যম বর্তমান আর্থিক সমীক্ষায় বলেছিলেন, অর্থনীতির চাকা ঘোরাতে গেলে উচ্চ সমৃদ্ধির হার আবশ্যক। উচ্চ সমৃদ্ধির হার তখনই সম্ভব যখন সঞ্চয়, বিনিয়োগ ও রপ্তানির গুণগত চক্রের স্থায়িত্ব বজায় থাকে। সরকারি পরিসংখ্যান: ২০১১-১২ অর্থবর্ষে গৃহস্থের সঞ্চয় ছিল জিডিপির ২৩.৬%। ২০১৭-১৮ তে কমে দাঁড়ায় ১৭.২%। মোট স্থির মূলধন গঠনের অনুপাত ২০১১-১২ অর্থবর্ষে ছিল জিডিপির ৩৬.৫%। ২০১৭-১৮-তে কমে দাঁড়ায় প্রায় ৩০%। রপ্তানির অবস্থাও মোদির আমলে খুব খারাপ। ২০১৩-১৪-তে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় ছিল ৩১৪.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। মোদি সরকার তার প্রথম ৪ বছরেও ইউপিএ আমলের শেষ বছরের পণ্য রপ্তানি আয়ের সীমা ছুঁতে পারেনি। শুধু ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষেই ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষের রপ্তানি আয়ের সীমা অতিক্রম করেছিল। গত অর্থবর্ষেও ইউপিএ-র শেষ বছরের পণ্য
রপ্তানি আয়ের সীমা অতিক্রম করতে পারিনি। বিশ্ব শুল্ক-যুদ্ধ, করোনা-যুদ্ধ এবং গলওয়ানে গভীর উদ্বেগজনক সংঘাতে এবছরেও রপ্তানি আয়
বৃদ্ধির আশা ক্ষীণ। তাহলে রপ্তানি বাড়ল কোথায়?
প্রশ্ন হল, ঋণের সুদ কমলে দেশে বিনিয়োগ বেড়েছে কতখানি? প্রাণ ফিরেছে কি শিল্পে? বাড়ছে কি পণ্যের চাহিদা ও কর্মসংস্থান? সরকারি তথ্য: ১ আগস্ট ২০১৮ থেকে ৪ অক্টোবর, ২০১৯ পর্যন্ত টানা ১৪ মাসে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ৬ বার রেপো রেট (যে সুদে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক স্বল্পমেয়াদে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলোকে ঋণ দেয়) কমিয়েছে ১৩৫ বেসিস পয়েন্ট (৬.৫০ থেকে ৫.১৫ শতাংশ)। এর ফলে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিও তাদের সুদের হার ৬০ থেকে ৭৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়েছিল। কিন্তু বিনিয়োগ কতখানি বেড়েছে বা দেশের অর্থনীতির চাকার কতটা ঘুরেছে, তা গত ৩০ মে-র সরকারি পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট। গত অর্থবর্ষে আর্থিক বৃদ্ধির হার ছিল ৪.২%। যা ১১ বছরে সর্বনিম্ন। ২০১৯-২০-র শেষ ত্রৈমাসিক বৃদ্ধি মাত্র ৩.১%। যা ৮ বছরে সর্বনিম্ন। কেন এমন ঘটল?
মোদ্দা কথা, এক নাগাড়ে সুদ কমানো সত্ত্বেও প্রাণ ফিরছে না শিল্পে। ৩০ মে-র সরকারি তথ্য: গত অর্থবর্ষে মূলধনী পণ্যে খরচ কমেছে ৬.৫%। এটা কার্যত রেকর্ড। মুলধনী পণ্যে খরচ হ্রাসের অর্থ হল উৎপাদনও কমা। কারণ বাড়ছে না জিনিসের চাহিদা। ফলে কর্মসংস্থানও কমেছে। এর ফলে গত বছরে দেশের আর্থিক সমৃদ্ধিও গত ১১ বছরে সর্বনিম্ন। সুদ ক্রমশ কমানো সত্ত্বেও অর্থনীতির চাকা ক্রমশ নিম্নগামী। অর্থাৎ সুদ ছাঁটাইয়ের সরাসরি সুবিধা পাচ্ছেন শুধু বাড়ি গাড়ির ঋণগ্রহীতারা। কিন্তু তাঁরা জনসংখ্যার সামান্য এক শতাংশ।
অন্যদিকে, এক নাগাড়ে সুদ কমার কুফল ভোগ করতে হচ্ছে স্থির আয়ের উপর নির্ভরশীল কোটি কোটি মানুষ।
এদিকে, করোনা মহামারীর মাঝে মাত্র দু’মাসের কম সময়ের মধ্যে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ১১৫ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট কমিয়েছে। ২৭ মার্চ কমিয়েছে ৭৫ বেসিস পয়েন্ট (৫.১৫% থেকে ৪.৪%)। ২২ মে কমিয়েছে ৪০ বেসিস পয়েন্ট (৪.৪০% থেকে ৪%)। ফলে, পাল্লা দিয়ে কমেছে ডাকঘর স্বল্পসঞ্চয়ে সুদের হার। ব্যাঙ্কের সুদের হারও। ১ এপ্রিল ২০২০-তে এক ধাক্কায় স্বল্প সঞ্চয়ে সুদের হার ০.৭০ থেকে ১.৪০ শতাংশ কমেছে। সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিমে সুদের হার ৮.৬০ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৭.৪০ শতাংশ। ৫ বছরের মান্থলি ইনকাম স্কিম, এনএসসি, রেকারিং ডিপোজিট ও স্থির আমানতে সুদের হার ১.১ থেকে ১.৪ শতাংশ কমেছে। কিষান বিকাশ পত্র, পিপিএফ এবং সুকন্যা সমৃদ্ধি প্রকল্পে সুদের হার ০.৭ থেকে ০.৮ শতাংশ কমেছে। স্টেট ব্যাঙ্কে ৫ বছরে স্থির আমানতে সুদের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৫.৪%। প্রবীণদের ক্ষেত্রে তা মাত্র ৬.২%। এমনকী, প্রধানমন্ত্রীর বয়োবন্দনা প্রকল্পেও সুদের হার ৮% থেকে কমিয়ে ৭.৪% করা হয়েছে।
চরম উদ্বেগের বিষয় হল, আমানতের জমায় সুদ কমলে তা সরাসরি আঘাত করে সঞ্চয় প্রবণতাকে। চক্রক্রমিকভাবে বিনিয়োগ, উৎপাদন, আয়, চাহিদা, ব্যয় ও সঞ্চয়ে সেই আঘাত ফিরে আসে। অর্থাৎ সুদ অস্বাভাবিকভাবে কমার জন্য সঞ্চয় প্রবণতাও কমছে। যাঁরা মূলত সুদের উপর নির্ভরশীল তাঁদের অবস্থা খুবই সঙ্গীন। অতিমারীর সময়ে মাত্র একদিনের মধ্যে (গত ৩১ মার্চ-১ এপ্রিল) পোস্ট অফিস সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিমে সুদের হার কমানো হল ১২০ বেসিস পয়েন্ট (৮.৬০% থেকে ৭.৪০%)। অর্থাৎ মাত্র ১ দিনের মধ্যে প্রবীণেরা তাঁদের জমার প্রায় ১৪% সুদ কম পাবেন। প্রধানমন্ত্রী বয়োবন্দনা প্রকল্পে সুদের হার কমল ৬০ বেসিক পয়েন্ট (৮% থেকে ৭.৪০%)। অর্থাৎ প্রবীণেরা তাঁদের জমা টাকার ৭.৫% সুদ কম পাবেন। অথচ মোদি জমানায় ২০১৬-র ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রবীণেরা ৯.৩০% সুদ পেতেন।
এটা ঘটনা যে দরিদ্র, নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা ছাড়াও স্থির আয়ের উপর নির্ভরশীল অধিকাংশ ভারতবাসীর কাছে সামাজিক সুরক্ষার নিশ্চয়তা বিধানের লক্ষ্যে স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্প সবথেকে বেশি আকর্ষণীয় ছিল। কিন্তু মোদি জমানাতেই ২০১৬-র ১ এপ্রিল থেকেই অতীতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে সবচেয়ে বেশি দুরবস্থা ঘটেছে সমস্ত স্বল্প সঞ্চয়ে। মহামারীতে এর ধাক্কা হয়েছে আরও তীব্রতর। ব্যাঙ্কগুলিকে বাচাতে স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পে সুদের হারও একনাগাড়ে কমিয়ে চলেছে মোদি সরকার। একদিকে ক্রমাগত সুদের হার কমায় বিনিয়োগ বাড়ছে না এবং অর্থনীতির চাকা ক্রমশ নিম্নগামী, অন্যদিকে আম জনতার সঞ্চয়ের উপর এটা মরার উপর খাঁড়ার ঘা। আসলে মোদি সরকারের সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প মূলত কথার কথা—কাজে নয়, বরং উল্টো। আম জনতা সব দিক দিয়ে কার্যত সর্বস্বান্ত। তবুও সরকারের কাছে আশা ভিন্ন অন্য কোনও ওষুধ অবশিষ্ট নেই।
 লেখক প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক
26th  June, 2020
মূল্যবৃদ্ধির যন্ত্রণা: আত্মনির্ভরতার নতুন থিম সং
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সেপ্টেম্বর ১, সাল ২০১৩। দিল্লিতে বিজেপির বাইক র‌্যালি। প্রতিবাদ চলছে পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে... ঠুঁটো কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। সেই বাইক মিছিল সেদিন রওনা দিয়েছিল দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের বাসভবনের উদ্দেশে।
বিশদ

দায়িত্ব নিন, আলোচনা
করুন, প্ল্যান বানান
পি চিদম্বরম

টিকাকরণ নিয়ে যে বিশৃঙ্খলা হল, তা ইতিহাসে লেখা থাকবে। ৭ জুন, টেলিভিশন ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দু’টো ভুল শুধরে নিয়েছেন। আমি মনে করি, এটাই তাঁর ভুল স্বীকার করে নেওয়ার কায়দা।
বিশদ

14th  June, 2021
মমতার নির্দেশে
অভিষেকের মাস্টারস্ট্রোক
হিমাংশু সিংহ

এতদিন বাংলার রাজনীতিতে মাস্টারস্ট্রোক কথাটা শুধু জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই সমার্থক ছিল ষোলোআনা। কিন্তু এখন তার আর এক দাবিদার উপস্থিত। পুত্রসম অভিষেক।
বিশদ

13th  June, 2021
সেলিব্রেটি থেকে সংগঠক,
রাজনীতির নতুন ধারা
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই বলে থাকেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন, তৃণমূল ততদিন। তারপর পার্টিটাই আর থাকবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার জবাবও দিয়েছেন। তিনি বহুবার বলেছেন, ‘যাঁরা ভাবছেন, আমি চলে গেলে দলটা উঠে যাবে, তাঁরা ভুল ভাবছেন। তৃণমূলের পরবর্তী প্রজন্ম তৈরি।’ এতদিন তিনি যে কথা মুখে বলতেন, এবার সেটা করে দেখাচ্ছেন।
বিশদ

12th  June, 2021
পুরুষ আধিপত্যের ভিড়ে
সফল শাসক দুই বাঙালি নারী
সমৃদ্ধ দত্ত

রাজনীতির হিসেব-নিকেশ বাদ দিয়ে নিছকই জাতিগত আকাঙক্ষার তাগিদে ২০২৪ সালের দিকে আমরা বাঙালিরা অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে লক্ষ করব এই জাতিটির জার্নিতে সত্যিই কি একটি নতুন ইতিহাস রচিত হবে? একদা একসঙ্গে থাকা দু’টি পাশাপাশি দেশের দুই প্রধানমন্ত্রীই কি বাঙালি নারী হবেন? বিশদ

11th  June, 2021
অবলুপ্তির আত্মঘাতী
পথে সিপিএম
মৃণালকান্তি দাস

গোটা দেশের লোক যখন মোদি-মমতার মরণপণ দ্বৈরথ দেখছে, সিপিএম তখন চোখ বন্ধ রেখে বলেছে, ও-সব ‘সেটিং’। আসলে দল তো একটাই, তার নাম বিজেমূল। ছায়ার সঙ্গে এই পুরো যুদ্ধটাই করা হয়েছে বিজেপি-তৃণমূল বাইনারি ভাঙার নাম করে। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে। বিজেমূল নামক এই বকচ্ছপ ধারণাটাকে জনতা স্রেফ ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।
বিশদ

10th  June, 2021
দেশ নিয়ে মোদির ভাবার
এত সময়ই নেই
সন্দীপন বিশ্বাস

মোদির জনপ্রিয়তার পাড় ভাঙছে। অন্য পাড়ে ক্রমেই জেগে উঠছে মমতা নামের এক নতুন সবুজ, স্বপ্নের ভূমি। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে চোখে চোখ রেখে পাঙ্গা লড়ার শক্তি তিনি আপন ক্ষমতাবলে অর্জন করেছেন। বিশদ

09th  June, 2021
হোক প্রোপাগান্ডা!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হোক প্রোপাগান্ডা! মন্ত্র লিখতে হবে, কৃষকের জন্য এক। শ্রমিকের জন্য এক। শিক্ষকের জন্য আর এক। কমোন মন্ত্র অবশ্য একটাই—আচ্ছে দিন। ভ্যাকসিন নীতির ঠিকঠিকানা নেই, রাজ্য সরকার প্রাপ্য টাকা পাচ্ছে না, হাসপাতালে বেড নেই, পেট্রল-ডিজেল রোজ ঊর্ধ্বমুখী, জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া... আচ্ছে দিনের ভালো নমুনা বটে।
বিশদ

08th  June, 2021
হাঁড়ির হাল নিয়ে বৃহৎ,
ক্ষুদ্র দু’পক্ষই একমত
পি চিদম্বরম

সার্বিকভাবে পুরো জাতি এবং গড়পড়তা ভারতবাসী, ২০১৭-১৮ সালের যে পজিশন ছিল তারও পিছনে পড়ে গিয়েছে। অর্থনীতিটা ঘেঁটে গিয়েছে এবং তাতে ক্ষতেরও সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রথম কারণ—বিপর্যয় সৃষ্টিকারী নীতিগুলো (যেমন বিমুদ্রাকরণ, বিশৃঙ্খল জিএসটি)। দ্বিতীয় কারণ—কোভিড-১৯। আর তৃতীয় কারণ—অর্থনীতি সামলাতে সরকারের লেজেগোবরে অবস্থা। 
বিশদ

07th  June, 2021
এক আমলা যখন বাঙালির
আত্মমর্যাদার প্রতীক!
হিমাংশু সিংহ

মুখ্যসচিব হিসেবে তিনি কার নির্দেশ মানতে বাধ্য? আলাপনবাবুর দোষটা কোথায়? তিনি তো কেন্দ্রের ক্যাবিনেট সচিব নন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব। আসলে কেন্দ্র ও রাজ্যের ক্ষমতা ও এক্তিয়ারের এই সীমাহীন টানাপোড়েনের মধ্যে দাঁড়িয়ে একজন মুখ্যসচিবের করণীয় কী, সেটাই কোটি টাকার প্রশ্ন। বিশদ

06th  June, 2021
আলাপনেই শেষ নয়, ফের
আসবে নতুন কোনও ইস্যু
তন্ময় মল্লিক

লোকসভার ভোটের দেরি থাকলেও মোদি-বিরোধী সলতে পাকানো শুরু হয়েছে। এই মুহূর্তে সেই লড়াইয়ের মুখ মমতা। তাই মোদি-অমিত শাহ জুটি তাঁকে চাপে ফেলতে মরিয়া। অস্ত্র একটাই, বিতর্ক তৈরি। তারজন্য শিষ্টাচার, প্রোটোকল, বিপর্যয় মোকাবিলা আইন, সিবিআই- যা হোক একটা পেলেই হল। বিশদ

05th  June, 2021
কেন আজ ধ্বংসের
মুখোমুখি দীঘা উপকূল
মৃন্ময় চন্দ

দীঘার পূর্ব পরিচিতি ছিল ‘বীরকুল’ নামে। ১৭৮০ সালে দীঘার সৌন্দর্যে মুগ্ধ ওয়ারেন হেস্টিংস তাঁর স্ত্রীকে লেখা চিঠিতে পুবের ‘ব্রাইটন’ বলে দীঘাকে উল্লেখ করেছিলেন। ব্রিটিশ পর্যটক ‘জন ফ্রাঙ্ক স্মিথ’ ১৯২৩ সালে দীঘার সৌন্দর্যে মোহিত হয়ে প্রথম বিশ্ববাসীর কাছে মেলে ধরলেন তার ভুবনমোহিনী ঐশ্বর্যকে। বিশদ

05th  June, 2021
একনজরে
আগামী পয়লা জুলাই পর্যন্ত রাজ্য সরকারি অফিসে ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ চালানো হবে। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অফিস কর্তৃপক্ষ কর্মীদের রোস্টার তৈরি করে তাঁদের আসার জন্য পরিবহণের ব্যবস্থা করবে। ...

করোনা আতঙ্কের মধ্যে দেশে কোপা আমেরিকা আয়োজনের বিপক্ষে সুর চড়িয়েছিল ব্রাজিল দল। টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোরও ইঙ্গিতও ছিল নেইমার-কাসেমিরোদের বক্তব্যে। ...

বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমণিকে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতের নাম নাসির মেহমুদ। ...

দু’মাস আগের কথা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তুফান তুলে দেওয়াই বিজেপি’র একনিষ্ঠ নেতা-কর্মী হওয়ার অন্যতম মাপকাঠি ছিল। সময়ের ফেরে সেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন নেতাদের পোস্ট করাই কার্যত ‘ব্যান’ করে দিল বিজেপি নেতৃত্ব। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহ বৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৬: জাপানে সুনামিতে ২২ হাজার মানুষের মৃত্যু
১৯৫০: শিল্পপতি লক্ষ্মী মিত্তালের জন্ম
১৯৫৩: চীনের প্রেসিডেন্ট জি জিনপিংয়ের জন্ম
১৯৬০: বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়
১৯৬৯: জার্মানির গোলকিপার অলিভার কানের জন্ম 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৪৩ টাকা ৭৪.১৪ টাকা
পাউন্ড ১০১.৬৬ টাকা ১০৫.১৭ টাকা
ইউরো ৮৭.০৬ টাকা ৯০.২৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
14th  June, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯, ১০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৬০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ৩০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭২, ০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭২, ১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
14th  June, 2021

দিন পঞ্জিকা

৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১। পঞ্চমী ৪৫/৪ রাত্রি ১০/৫৭। অশ্লেষা নক্ষত্র ৪১/৫৬ রাত্রি ৯/৪২। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৩৮, সূর্যাস্ত ৬/১৮/১২। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ৯/২৩ গতে ১২/৩ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে ৪/৩১ মধ্যে। রাত্রি ৭/০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৭ গতে ২/৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ২/৪৪ গতে ৩/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৪/৩১ গতে ৫/২৪ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৫ গতে ৯/৫০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৬ মধ্যে পুনঃ ১/১৭ গতে ২/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৮ গতে ৮/৫৮ মধ্যে। 
৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১। পঞ্চমী রাত্রি ৭/৩৬। অশ্লেষা নক্ষত্র রাত্রি ৭/৭। সূর্যোদয় ৪/৫৫, সূর্যাস্ত ৬/২০।  অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে ও ৯/২৭ গতে ১২/৮ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৪/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ মধ্যে ও ১২/২ গতে ২/৯ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ২/৪৮ গতে ৩/৪২ মধ্যে ও ৪/৩৫ গতে ৫/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ গতে ৯/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৭ মধ্যে ও ১/১৮ গতে ২/৫৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪০ গতে ৮/৫৯ মধ্যে। 
৪ জেল্কদ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এই বছরেও স্থগিত মাহেশের রথযাত্রা
 

গতবারের মতো এই বছরেও করোনা পরিস্থিতির জেরে বাতিল হয়ে গেল ...বিশদ

11:33:24 AM

২৬৪ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

10:49:32 AM

মন্ত্রীদের সঙ্গে  বৈঠকে মোদি
প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নীতিন গাদকারি সহ বেশ ...বিশদ

10:30:00 AM

৯০ শতাংশ কার্যকরী নোভাভ্যাক্স: রিপোর্ট
করোনার বিভিন্ন স্ট্রেইনের বিরুদ্ধে নোভাভ্যাক্স ভ্যাকসিন অত্যন্ত কার্যকরী। সংস্থার তরফে ...বিশদ

10:15:08 AM

সীমান্ত বন্ধের সময়সীমা বাড়াল বাংলাদেশ
করোনা পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতির জেরে ভারতের সঙ্গে থাকা সীমান্তগুলি বন্ধ ...বিশদ

10:14:20 AM

করোনা: দৈনিক সংক্রমণ ৬০৪৭১, কমল মৃত্যুও 
দেশে করোনার গ্রাফ নিম্নমূখীই গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় ...বিশদ

10:12:34 AM