Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বয়কটের রাজনীতি চীনকে দমাতে পারবে কি?
হারাধন চৌধুরী

গত মার্চের শেষদিকে বিশ্বের নজর কেড়েছিল করোনা-বিধ্বস্ত উহান। মাত্র ছ’দিনে একটি বড় হাসপাতাল তৈরি করে। আগেই চীনের ঝুলিতে ছিল সাতদিনে একটি আস্ত হাসপাতাল নির্মাণের অভিজ্ঞতা। ২০০৩ সাল। সার্সের প্রকোপে দেশ কাঁপছে। সরকার প্রযুক্তিবিদদের বলল, কিছু একটা করুন। সরকার যা বলেছিল, প্রকৌশলীরা করে দেখালেন তার থেকেও এগিয়ে। করোনার সময় সরকার বলল, আগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগান। জানুয়ারি, ২০২০-তে তাঁরা বিশাল হাসপাতাল গড়লেন আরও কম সময়ে। তখন মনে পড়ল, ২০১৫-য় দক্ষ ইঞ্জিনিয়াররা মধ্য চীনে ৫৭ তলা এক বিল্ডিং নির্মাণ করেছেন ১৯ দিনে! গভীরে গেলে বিস্ময়ের শেষ নেই। এটাই আজকের চীন।
কিন্তু দেশটি একদিনে এই উচ্চতায় ওঠেনি। দু’টি পুরনো কাহিনীতে নতুন করে চোখ রাখা যায়। উত্তর চীনের তাচাই অঞ্চল। ঢালু বালিময় রুক্ষ প্রান্তর। ন্যাড়া মাটির পাহাড়। চাষ-আবাদের কথা দুঃস্বপ্নেও কেউ ভাবেনি। গত শতকের ষাটের দশক। ৩৬০ জন কৃষকের এক সমবায় মরুবিজয়ের কেতন ওড়াল। চাষিরা পাহাড়ের ধাপে ধাপে বাঁধ দিলেন। মাটি বয়ে নিয়ে ভরাট করলেন। যা দেখতে বিশালাকার টবের মতো হল। ভাবলে অসম্ভব মনে হয়। সেটাই সম্ভব করলেন মহাপ্রাচীর নির্মাণের ঐতিহ্যকে স্মরণ করে। ১৯৬৩-তে হল প্রবল বন্যা। তাচাইয়ের এত মেহনত জলে গেল। নিয়মানুসারে ক্ষতিপূরণ প্রাপ্য। কিন্তু চাষিরা রাষ্ট্রের কাছ থেকে তা নিলেন না। ফের একইরকম নিষ্ঠা ও শ্রমে সেই গ্রাম গড়লেন। এত ফসল ফলালেন যে উদ্বৃত্ত হল!
১৯৫৮। সাংহাই। একটি কারখানা শুরু হল ১২ জন শ্রমিক নিয়ে। তাঁদের মধ্যে চারজন দৃষ্টিহীন এবং চারজন মূক ও বধির। সূচনা হয়েছিল হাতে চালানো ছোটখাটো যন্ত্র দিয়ে। ’৬৭-তে শ্রমিক বেড়ে হল ৪৬০ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৩০ জন প্রতিবন্ধী। দৃষ্টিহীন এবং মূক-বধিরদের কাজ নির্দিষ্ট করা থাকে। তাঁরা সেইমতো মেশিন চালিয়ে কাজ করেন। মূক-বধিররা সঙ্কেতে কথাবার্তা বলেন। দৃষ্টিহীনরা পড়েন, লেখেন ব্রেইল পদ্ধতিতে। কারখানার পরিচালন ব্যবস্থায় যথেচ্ছাচারের প্রতিবাদে আন্দোলন করলেন দৃষ্টিহীনরাই। কমিউনিস্ট পার্টির স্থানীয় নেতৃত্ব ভুল স্বীকার করলেন। প্রতিকার পেলেন শ্রমিকরা। এহেন কারখানাও দেশের উৎপাদন ব্যবস্থায় অবদান রাখে। মাও সে তুং, চৌ এন লাইয়ের দেশে কেউ করুণার পাত্র নয়। প্রতিবন্ধীরাও না। সমাজগঠনে প্রত্যেকেই কিছু না কিছু দিতে পারেন। কারও দান ছোট নয়।
★★★
একটা ঐতিহাসিক সত্য এই যে, ইংরেজের নির্মম বেনিয়া প্রবৃত্তির কারণে বাংলার তাঁতশিল্পসহ অনেক দেশীয় শিল্প একসময় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। অসহায় বেকার দেশীয় শিল্পীদের সম্পর্কে নেহরু তাঁর 'ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া'তে লিখেছেন—'তাঁদের কী গতি হবে? পুরনো পেশা তাঁদের বন্ধ হয়ে গেল। নতুন পেশায় যাওয়ার পথ নেই। তাঁদের জন্য অবশ্য মৃত্যুর পথ খোলা ছিল। লক্ষ লক্ষ মানুষ মৃত্যুবরণই করলেন।'
লর্ড বেন্টিঙ্ক। ব্রিটিশ গভর্নরদের মধ্যে কিছুটা ব্যতিক্রম। ১৮৩৪ খ্রিস্টাব্দ। এক রিপোর্টে তিনি লেখেন—'বাণিজ্যের ইতিহাসে তাঁদের দুঃখ-দুর্দশার কাহিনীর কোনও তুলনা নেই। তাঁতিদের কঙ্কালে ভারতের পথঘাট সাদা হয়ে উঠেছে।'
বিলিতি পণ্যে ভারতের বাজার ছয়লাপ করে দেওয়ার মতলবেই দেশীয় শিল্প ধ্বংস করা হয়।
সাধারণ মানুষের কাছ থেকে দু'হাতে লুটে নেওয়া অর্থ এবং অন্যান্য ধনসম্পদ বি‍লেতে পাচার করার প্ল্যানের বিরুদ্ধে রামমোহন থেকে নৌরজি—অনেক মনীষী সরব হন।
★★★
সেই ‘ড্রেন থিয়োরি’ ফের প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। শুধু বদলে গিয়েছে লুণ্ঠনকারীর নাম। ইংরেজের স্থলে চীনারা।
ইংরেজরা করেছিল ভারতে ঢুকে। বণিকের বেশে এসেছিল। সুচ থেকে ফাল হওয়ার ম্যাজিক সাহেবরা দেখিয়েছে। বণিকরাই একচ্ছত্র শাসক হয়ে উঠেছিল। শাসনক্ষমতা দখল করার পর দখলে নিয়েছিল ভারতবাসীর ইচ্ছে-অনিচ্ছেটুকুও।
আজকের চীন করছে দূর থেকে। বন্ধুত্বের ছলনায়। বিশ্বায়নের বাধ্যবাধকতার সুড়ঙ্গ দিয়ে প্রবেশ করে। চীন প্রবেশ করেছে ভারতের আলপিন টু এলিফ্যান্ট মার্কেটে। শুধু ভারতের বাজার দখল করেনি, দখল করেছে প্রতিবেশী দেশগুলিরও বাজার। ভারতের পণ্য উৎপাদন যেসব দেশে রপ্তানির উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। প্রতিবেশী দেশগুলিতে ভারতের পুঁজি বিনিয়োগের ক্ষেত্রগুলিও সঙ্কুচিত করে দিতে মরিয়া বেজিং।
তাহলে দেখা যাচ্ছে, চীন একে একে ভারতের এবং প্রতিবেশীদের বাজারের দখল নিচ্ছে। প্রতিবেশীদের উস্কানি দিচ্ছে ভারত সম্পর্কে বিরূপ হওয়ার জন্য। চেষ্টা করছে ভারতের সঙ্গে চীনের সীমান্ত বিরোধে নতুন মোড় দিতে। আকসাই চীন ’৬২-তে দখল করেছে লালফৌজ। এখন তাদের লক্ষ্য, ভারতের ভিতরে ঢুকে চীনের ভূখণ্ডের আয়তন তস্করের মতো কিছুটা বাড়ানো।
সম্প্রতি লাদাখের গলওয়ানে ঘটে যাওয়া আগ্রাসনের পর ভারতকে ভাবতেই হচ্ছে, চীনের দূর লক্ষ্যটা কী? মানচিত্র কিছুটা চওড়া করেই কি থামবে মাওয়ের দেশ? কমিউনিস্ট চীনের প্রথম চেয়ারম্যানের অপূর্ণ স্বপ্ন তো এত সামান্য নয়। তা যে আরও অনেক বড় …! জিনপিংয়ের লালসা দেখে মনে হয়, তিনিই মাওয়ের যোগ্যতম উত্তরসূরি। এর পাথুরে প্রমাণ রেখে যেতে তিনি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ! ২০১৭-তে ভুটান সীমান্তের ডোকলামে জি জিনপিং প্রশাসনের অসভ্যতার সময়েই বুঝে নেওয়া দরকার ছিল। নেপালে কমিউনিস্ট সরকার প্রতিষ্ঠার পিছনে চীনের অতি উৎসাহ দেখেই বুঝে নেওয়া দরকার ছিল। পালা বদলের পর থেকে নেপাল সরকারের উগ্র চীন-প্রীতির ভিতরেও রসদ রয়েছে। মশলা রয়েছে ইমরান সরকারের তিড়িবিড়িংয়ের ভিতরেও। এত বার চীনের মুখচিত্র পড়তে না-পারার মূল্যই কি দিতে হচ্ছে ভারতকে? এবার উপলব্ধি করা দরকার, চীন কি একবিংশ শতকের প্রধান সাম্রাজ্যবাদী হয়ে উঠতে বদ্ধপরিকর? অথচ, এই চীন একদিন ভারতবন্ধু সোভিয়েত রাশিয়ার নিন্দে করত ‘সমাজতান্ত্রিক সাম্রাজ্যবাদী’ বলে!
★★★
নয়া সাম্রাজ্যবাদী চীনকে সামলানোর পথ তবে কী? প্রথম দাবি উঠেছে, চীনকে উচিত শিক্ষা দিতে হবে। দ্বিতীয়টা দাবির থেকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। ভারতের প্রায় সর্বত্র আওয়াজ উঠেছে, চীনকে বয়কট করো।
বয়কটের ইতিহাস ১৪০ বছরের পুরনো। বয়কট আন্দোলনের শক্তিটা আমরা জানি। কিন্তু চীনকে নিয়ে এই যে সঙ্কট, তাতে এই অস্ত্রের কার্যকারিতা কতটুকু?
প্রথমে আসা যাক উচিত শিক্ষা দেওয়ার প্রসঙ্গে। চোখে চোখ রেখে কথা বলা। গর্জন। আস্ফালন। এসব চলতেই পারে। কিন্তু সামরিকভাবে উচিত শিক্ষা দেওয়ার দিন আজ কতটা বাস্তব? ভারত চীন, দুটি দেশই যে পরমাণুশক্তিধর! সেক্ষেত্রে কূটনৈতিক লড়াই অনেক নিরাপদ। দুই দেশের জন্যই। আঞ্চলিক শান্তি সুস্থিতির
পক্ষেও। সবার আগে প্রতিবেশীসহ নিকটবর্তী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক আরও উন্নত করতে হবে। তারপর পাশে পেতে হবে বিশ্ব জনমত। চীন যে কী বস্তু তা করোনা-বিধ্বস্ত পৃথিবী জানে। এখন কাজটা খুব কঠিন নয়। ভারতের আজকের গার্জেনদের মুনশিয়ানার পরীক্ষা এখানেই।
‘ছেড়ে দাও রেশমি চুড়ি বঙ্গনারী/ কভু হাতে আর প’রো না’-র দিন তো দু’হাজার কুড়ি নয়। চীনকে বা চীনা পণ্য বয়কটের যে আওয়াজ উঠেছে, তার ভিতরে স্বদেশি যুগের আবেগ কিছুটা আছে বটে, প্রকট হচ্ছে বাস্তব বোধের অভাবটিও। সেদিন রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের বাধ্যবাধকতা ছিল। মানুষ কৃচ্ছ্রসাধন করেছিল পুণ্যার্জনের জ্ঞানে।
স্বাধীন দেশের নাগরিককে সেই পথে হাঁটতে আজ বাধ্য করা যায় না। চীনকে সর্বতোভাবে ত্যাগের জন্য অন্তত সমমানের বিকল্প রাখতেই হবে। উন্নততর বিকল্পের দাবিটা পরবর্তী অধ্যায়।
রবীন্দ্রনাথ সেদিন রাষ্ট্রের উপরে সমাজকে স্থান দিতে বলেছিলেন। ব্রিটিশ রাজশক্তির কথা মনে রেখে বলেছিলেন, সুগঠিত সমাজকে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন শেষ করতে পারে না। সমাজ তার প্রাণশক্তি দিয়ে আত্মরক্ষা করতে সমর্থ। কিন্তু রাষ্ট্রনির্ভর দেশ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। কবি গ্রিস ও রোমের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন। বিপরীতে বার বার বিদেশিদের হাত লুণ্ঠিত হওয়ার পরেও মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে ভারত। সমাজপ্রধান দেশের লক্ষণ: পরমুখাপেক্ষী নয়। সততার সঙ্গে দেশের বুদ্ধিশক্তি ও কর্মশক্তিকে সংঘবদ্ধ করে। দেশের সব প্রান্তে এই আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার উপর গুরুত্ব দেয়।
গ্রিক ‘autarkeia’ থেকে এসেছে ইংরেজি ‘autarky’। অর্থনৈতিক স্বয়ম্ভরতা। প্রাণশক্তিতে ভরপুর এক সমাজের কথাই রবীন্দ্রনাথ কল্পনা করেছিলেন। মোদিজির গলাতেও অবিকল সেই সুর। এমন সমাজনির্ভর দেশ বিশ্বাসঘাতক চীনকে রুখতেই পারে। কিন্তু সেই সংঘবদ্ধ সমাজ তৈরির প্রথম শর্তটি যে সততা! রাষ্ট্রনির্মাণ প্রক্রিয়ার ভিতরে তার কতটুকু অবশিষ্ট রেখেছে ভারতের আজকের রাজনীতি? যে-দেশে একটি প্রকল্প গড়ার আগে শাসক দল অঙ্ক কষতে বসে জায়গাটিতে বিরোধীদের প্রভাব বেশি কি না কিংবা সামান্য ত্রাণ থেকে বিধবাভাতা, সবেতেই রাজনীতি পার্সেন্টেজ চায়, সেই দেশ শিল্প-বাণিজ্যে চীনকে টক্কর দেবে!
★★★
কোন চীন, তার সামান্য বিবরণ দিয়েই এই লেখার শুরু। শেষ করছি মহম্মদ বিন তুঘলকের ডবল কৃতিত্ব দিয়ে। তুঘলক রাজধানী দিল্লি থেকে দৌলতাবাদে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। প্রাণ হাতে নিয়ে ছুটতে হয়েছিল সকলকেই। শিশু-কাঁখে মা থেকে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা। অন্ধ খোঁড়া অসুস্থদেরকেও। যাঁরা একেবারে যেতে পারলেন না, তাঁরা কোতল হলেন! কয়েক বছর কাটল। সম্রাট বুঝলেন, ভুল করেছেন। খামখেয়ালি সম্রাটের আদেশে দিল্লিতেই ফিরে এল রাজধানী। কিন্তু এবার সকলকে ফেরাতে ব্যর্থ হলেন। ৬০০ মাইল দূরে দৌলতাবাদেই রয়ে গেলেন শিল্পী, বাস্তুকার প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিকরা।
বুদ্ধির জড়তা না এলে সম্প্রীতির সঙ্কট অনিবার্য করে তোলা যায় না। এজন্য অবশ্যই দুয়ো প্রাপ্য জিনপিংয়ের। কিন্তু, এই বয়কটের রাজনীতির ভিতরে তুঘলকের পরিণতি কিছুমাত্র লুকিয়ে নেই কি?
25th  June, 2020
মূল্যবৃদ্ধির যন্ত্রণা: আত্মনির্ভরতার নতুন থিম সং
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সেপ্টেম্বর ১, সাল ২০১৩। দিল্লিতে বিজেপির বাইক র‌্যালি। প্রতিবাদ চলছে পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে... ঠুঁটো কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। সেই বাইক মিছিল সেদিন রওনা দিয়েছিল দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের বাসভবনের উদ্দেশে।
বিশদ

দায়িত্ব নিন, আলোচনা
করুন, প্ল্যান বানান
পি চিদম্বরম

টিকাকরণ নিয়ে যে বিশৃঙ্খলা হল, তা ইতিহাসে লেখা থাকবে। ৭ জুন, টেলিভিশন ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দু’টো ভুল শুধরে নিয়েছেন। আমি মনে করি, এটাই তাঁর ভুল স্বীকার করে নেওয়ার কায়দা।
বিশদ

14th  June, 2021
মমতার নির্দেশে
অভিষেকের মাস্টারস্ট্রোক
হিমাংশু সিংহ

এতদিন বাংলার রাজনীতিতে মাস্টারস্ট্রোক কথাটা শুধু জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই সমার্থক ছিল ষোলোআনা। কিন্তু এখন তার আর এক দাবিদার উপস্থিত। পুত্রসম অভিষেক।
বিশদ

13th  June, 2021
সেলিব্রেটি থেকে সংগঠক,
রাজনীতির নতুন ধারা
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই বলে থাকেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন, তৃণমূল ততদিন। তারপর পার্টিটাই আর থাকবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার জবাবও দিয়েছেন। তিনি বহুবার বলেছেন, ‘যাঁরা ভাবছেন, আমি চলে গেলে দলটা উঠে যাবে, তাঁরা ভুল ভাবছেন। তৃণমূলের পরবর্তী প্রজন্ম তৈরি।’ এতদিন তিনি যে কথা মুখে বলতেন, এবার সেটা করে দেখাচ্ছেন।
বিশদ

12th  June, 2021
পুরুষ আধিপত্যের ভিড়ে
সফল শাসক দুই বাঙালি নারী
সমৃদ্ধ দত্ত

রাজনীতির হিসেব-নিকেশ বাদ দিয়ে নিছকই জাতিগত আকাঙক্ষার তাগিদে ২০২৪ সালের দিকে আমরা বাঙালিরা অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে লক্ষ করব এই জাতিটির জার্নিতে সত্যিই কি একটি নতুন ইতিহাস রচিত হবে? একদা একসঙ্গে থাকা দু’টি পাশাপাশি দেশের দুই প্রধানমন্ত্রীই কি বাঙালি নারী হবেন? বিশদ

11th  June, 2021
অবলুপ্তির আত্মঘাতী
পথে সিপিএম
মৃণালকান্তি দাস

গোটা দেশের লোক যখন মোদি-মমতার মরণপণ দ্বৈরথ দেখছে, সিপিএম তখন চোখ বন্ধ রেখে বলেছে, ও-সব ‘সেটিং’। আসলে দল তো একটাই, তার নাম বিজেমূল। ছায়ার সঙ্গে এই পুরো যুদ্ধটাই করা হয়েছে বিজেপি-তৃণমূল বাইনারি ভাঙার নাম করে। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে। বিজেমূল নামক এই বকচ্ছপ ধারণাটাকে জনতা স্রেফ ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।
বিশদ

10th  June, 2021
দেশ নিয়ে মোদির ভাবার
এত সময়ই নেই
সন্দীপন বিশ্বাস

মোদির জনপ্রিয়তার পাড় ভাঙছে। অন্য পাড়ে ক্রমেই জেগে উঠছে মমতা নামের এক নতুন সবুজ, স্বপ্নের ভূমি। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে চোখে চোখ রেখে পাঙ্গা লড়ার শক্তি তিনি আপন ক্ষমতাবলে অর্জন করেছেন। বিশদ

09th  June, 2021
হোক প্রোপাগান্ডা!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হোক প্রোপাগান্ডা! মন্ত্র লিখতে হবে, কৃষকের জন্য এক। শ্রমিকের জন্য এক। শিক্ষকের জন্য আর এক। কমোন মন্ত্র অবশ্য একটাই—আচ্ছে দিন। ভ্যাকসিন নীতির ঠিকঠিকানা নেই, রাজ্য সরকার প্রাপ্য টাকা পাচ্ছে না, হাসপাতালে বেড নেই, পেট্রল-ডিজেল রোজ ঊর্ধ্বমুখী, জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া... আচ্ছে দিনের ভালো নমুনা বটে।
বিশদ

08th  June, 2021
হাঁড়ির হাল নিয়ে বৃহৎ,
ক্ষুদ্র দু’পক্ষই একমত
পি চিদম্বরম

সার্বিকভাবে পুরো জাতি এবং গড়পড়তা ভারতবাসী, ২০১৭-১৮ সালের যে পজিশন ছিল তারও পিছনে পড়ে গিয়েছে। অর্থনীতিটা ঘেঁটে গিয়েছে এবং তাতে ক্ষতেরও সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রথম কারণ—বিপর্যয় সৃষ্টিকারী নীতিগুলো (যেমন বিমুদ্রাকরণ, বিশৃঙ্খল জিএসটি)। দ্বিতীয় কারণ—কোভিড-১৯। আর তৃতীয় কারণ—অর্থনীতি সামলাতে সরকারের লেজেগোবরে অবস্থা। 
বিশদ

07th  June, 2021
এক আমলা যখন বাঙালির
আত্মমর্যাদার প্রতীক!
হিমাংশু সিংহ

মুখ্যসচিব হিসেবে তিনি কার নির্দেশ মানতে বাধ্য? আলাপনবাবুর দোষটা কোথায়? তিনি তো কেন্দ্রের ক্যাবিনেট সচিব নন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব। আসলে কেন্দ্র ও রাজ্যের ক্ষমতা ও এক্তিয়ারের এই সীমাহীন টানাপোড়েনের মধ্যে দাঁড়িয়ে একজন মুখ্যসচিবের করণীয় কী, সেটাই কোটি টাকার প্রশ্ন। বিশদ

06th  June, 2021
আলাপনেই শেষ নয়, ফের
আসবে নতুন কোনও ইস্যু
তন্ময় মল্লিক

লোকসভার ভোটের দেরি থাকলেও মোদি-বিরোধী সলতে পাকানো শুরু হয়েছে। এই মুহূর্তে সেই লড়াইয়ের মুখ মমতা। তাই মোদি-অমিত শাহ জুটি তাঁকে চাপে ফেলতে মরিয়া। অস্ত্র একটাই, বিতর্ক তৈরি। তারজন্য শিষ্টাচার, প্রোটোকল, বিপর্যয় মোকাবিলা আইন, সিবিআই- যা হোক একটা পেলেই হল। বিশদ

05th  June, 2021
কেন আজ ধ্বংসের
মুখোমুখি দীঘা উপকূল
মৃন্ময় চন্দ

দীঘার পূর্ব পরিচিতি ছিল ‘বীরকুল’ নামে। ১৭৮০ সালে দীঘার সৌন্দর্যে মুগ্ধ ওয়ারেন হেস্টিংস তাঁর স্ত্রীকে লেখা চিঠিতে পুবের ‘ব্রাইটন’ বলে দীঘাকে উল্লেখ করেছিলেন। ব্রিটিশ পর্যটক ‘জন ফ্রাঙ্ক স্মিথ’ ১৯২৩ সালে দীঘার সৌন্দর্যে মোহিত হয়ে প্রথম বিশ্ববাসীর কাছে মেলে ধরলেন তার ভুবনমোহিনী ঐশ্বর্যকে। বিশদ

05th  June, 2021
একনজরে
নন্দীগ্রামের গঙ্গামেলার মাঠে হলদি নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ তিনজনের দেহ উদ্ধার হল সোমবার। এদিন ঘটনাস্থল থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে কাঁটাখালি ও ১০কিলোমিটার দূরে জেলিংহাম এলাকায় ...

কোচবিহার পুরসভায় দু’শোরও বেশি ‘ভূতুড়ে’ শ্রমিক! বাস্তবে যাদের কোনও হদিশ মিলছে না। অথচ বেশ কয়েকমাস ধরে প্রতিমাসে ১৪ লক্ষ টাকা করে তাদের বেতন দেওয়া হয়েছে। ...

দু’মাস আগের কথা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তুফান তুলে দেওয়াই বিজেপি’র একনিষ্ঠ নেতা-কর্মী হওয়ার অন্যতম মাপকাঠি ছিল। সময়ের ফেরে সেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন নেতাদের পোস্ট করাই কার্যত ‘ব্যান’ করে দিল বিজেপি নেতৃত্ব। ...

বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমণিকে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতের নাম নাসির মেহমুদ। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহ বৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৬: জাপানে সুনামিতে ২২ হাজার মানুষের মৃত্যু
১৯৫০: শিল্পপতি লক্ষ্মী মিত্তালের জন্ম
১৯৫৩: চীনের প্রেসিডেন্ট জি জিনপিংয়ের জন্ম
১৯৬০: বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়
১৯৬৯: জার্মানির গোলকিপার অলিভার কানের জন্ম 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৪৩ টাকা ৭৪.১৪ টাকা
পাউন্ড ১০১.৬৬ টাকা ১০৫.১৭ টাকা
ইউরো ৮৭.০৬ টাকা ৯০.২৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
14th  June, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯, ১০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৬০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ৩০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭২, ০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭২, ১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
14th  June, 2021

দিন পঞ্জিকা

৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১। পঞ্চমী ৪৫/৪ রাত্রি ১০/৫৭। অশ্লেষা নক্ষত্র ৪১/৫৬ রাত্রি ৯/৪২। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৩৮, সূর্যাস্ত ৬/১৮/১২। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ৯/২৩ গতে ১২/৩ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে ৪/৩১ মধ্যে। রাত্রি ৭/০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৭ গতে ২/৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ২/৪৪ গতে ৩/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৪/৩১ গতে ৫/২৪ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৫ গতে ৯/৫০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৬ মধ্যে পুনঃ ১/১৭ গতে ২/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৮ গতে ৮/৫৮ মধ্যে। 
৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১। পঞ্চমী রাত্রি ৭/৩৬। অশ্লেষা নক্ষত্র রাত্রি ৭/৭। সূর্যোদয় ৪/৫৫, সূর্যাস্ত ৬/২০।  অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে ও ৯/২৭ গতে ১২/৮ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৪/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ মধ্যে ও ১২/২ গতে ২/৯ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ২/৪৮ গতে ৩/৪২ মধ্যে ও ৪/৩৫ গতে ৫/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ গতে ৯/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৭ মধ্যে ও ১/১৮ গতে ২/৫৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪০ গতে ৮/৫৯ মধ্যে। 
৪ জেল্কদ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজ সন্ধ্যায় দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার 

11:45:00 AM

এই বছরেও স্থগিত মাহেশের রথযাত্রা
 

গতবারের মতো এই বছরেও করোনা পরিস্থিতির জেরে বাতিল হয়ে গেল ...বিশদ

11:33:24 AM

২৬৪ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

10:49:32 AM

মন্ত্রীদের সঙ্গে  বৈঠকে মোদি
প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নীতিন গাদকারি সহ বেশ ...বিশদ

10:30:00 AM

৯০ শতাংশ কার্যকরী নোভাভ্যাক্স: রিপোর্ট
করোনার বিভিন্ন স্ট্রেইনের বিরুদ্ধে নোভাভ্যাক্স ভ্যাকসিন অত্যন্ত কার্যকরী। সংস্থার তরফে ...বিশদ

10:15:08 AM

সীমান্ত বন্ধের সময়সীমা বাড়াল বাংলাদেশ
করোনা পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতির জেরে ভারতের সঙ্গে থাকা সীমান্তগুলি বন্ধ ...বিশদ

10:14:20 AM