Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বয়কটের রাজনীতি চীনকে দমাতে পারবে কি?
হারাধন চৌধুরী

গত মার্চের শেষদিকে বিশ্বের নজর কেড়েছিল করোনা-বিধ্বস্ত উহান। মাত্র ছ’দিনে একটি বড় হাসপাতাল তৈরি করে। আগেই চীনের ঝুলিতে ছিল সাতদিনে একটি আস্ত হাসপাতাল নির্মাণের অভিজ্ঞতা। ২০০৩ সাল। সার্সের প্রকোপে দেশ কাঁপছে। সরকার প্রযুক্তিবিদদের বলল, কিছু একটা করুন। সরকার যা বলেছিল, প্রকৌশলীরা করে দেখালেন তার থেকেও এগিয়ে। করোনার সময় সরকার বলল, আগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগান। জানুয়ারি, ২০২০-তে তাঁরা বিশাল হাসপাতাল গড়লেন আরও কম সময়ে। তখন মনে পড়ল, ২০১৫-য় দক্ষ ইঞ্জিনিয়াররা মধ্য চীনে ৫৭ তলা এক বিল্ডিং নির্মাণ করেছেন ১৯ দিনে! গভীরে গেলে বিস্ময়ের শেষ নেই। এটাই আজকের চীন।
কিন্তু দেশটি একদিনে এই উচ্চতায় ওঠেনি। দু’টি পুরনো কাহিনীতে নতুন করে চোখ রাখা যায়। উত্তর চীনের তাচাই অঞ্চল। ঢালু বালিময় রুক্ষ প্রান্তর। ন্যাড়া মাটির পাহাড়। চাষ-আবাদের কথা দুঃস্বপ্নেও কেউ ভাবেনি। গত শতকের ষাটের দশক। ৩৬০ জন কৃষকের এক সমবায় মরুবিজয়ের কেতন ওড়াল। চাষিরা পাহাড়ের ধাপে ধাপে বাঁধ দিলেন। মাটি বয়ে নিয়ে ভরাট করলেন। যা দেখতে বিশালাকার টবের মতো হল। ভাবলে অসম্ভব মনে হয়। সেটাই সম্ভব করলেন মহাপ্রাচীর নির্মাণের ঐতিহ্যকে স্মরণ করে। ১৯৬৩-তে হল প্রবল বন্যা। তাচাইয়ের এত মেহনত জলে গেল। নিয়মানুসারে ক্ষতিপূরণ প্রাপ্য। কিন্তু চাষিরা রাষ্ট্রের কাছ থেকে তা নিলেন না। ফের একইরকম নিষ্ঠা ও শ্রমে সেই গ্রাম গড়লেন। এত ফসল ফলালেন যে উদ্বৃত্ত হল!
১৯৫৮। সাংহাই। একটি কারখানা শুরু হল ১২ জন শ্রমিক নিয়ে। তাঁদের মধ্যে চারজন দৃষ্টিহীন এবং চারজন মূক ও বধির। সূচনা হয়েছিল হাতে চালানো ছোটখাটো যন্ত্র দিয়ে। ’৬৭-তে শ্রমিক বেড়ে হল ৪৬০ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৩০ জন প্রতিবন্ধী। দৃষ্টিহীন এবং মূক-বধিরদের কাজ নির্দিষ্ট করা থাকে। তাঁরা সেইমতো মেশিন চালিয়ে কাজ করেন। মূক-বধিররা সঙ্কেতে কথাবার্তা বলেন। দৃষ্টিহীনরা পড়েন, লেখেন ব্রেইল পদ্ধতিতে। কারখানার পরিচালন ব্যবস্থায় যথেচ্ছাচারের প্রতিবাদে আন্দোলন করলেন দৃষ্টিহীনরাই। কমিউনিস্ট পার্টির স্থানীয় নেতৃত্ব ভুল স্বীকার করলেন। প্রতিকার পেলেন শ্রমিকরা। এহেন কারখানাও দেশের উৎপাদন ব্যবস্থায় অবদান রাখে। মাও সে তুং, চৌ এন লাইয়ের দেশে কেউ করুণার পাত্র নয়। প্রতিবন্ধীরাও না। সমাজগঠনে প্রত্যেকেই কিছু না কিছু দিতে পারেন। কারও দান ছোট নয়।
★★★
একটা ঐতিহাসিক সত্য এই যে, ইংরেজের নির্মম বেনিয়া প্রবৃত্তির কারণে বাংলার তাঁতশিল্পসহ অনেক দেশীয় শিল্প একসময় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। অসহায় বেকার দেশীয় শিল্পীদের সম্পর্কে নেহরু তাঁর 'ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া'তে লিখেছেন—'তাঁদের কী গতি হবে? পুরনো পেশা তাঁদের বন্ধ হয়ে গেল। নতুন পেশায় যাওয়ার পথ নেই। তাঁদের জন্য অবশ্য মৃত্যুর পথ খোলা ছিল। লক্ষ লক্ষ মানুষ মৃত্যুবরণই করলেন।'
লর্ড বেন্টিঙ্ক। ব্রিটিশ গভর্নরদের মধ্যে কিছুটা ব্যতিক্রম। ১৮৩৪ খ্রিস্টাব্দ। এক রিপোর্টে তিনি লেখেন—'বাণিজ্যের ইতিহাসে তাঁদের দুঃখ-দুর্দশার কাহিনীর কোনও তুলনা নেই। তাঁতিদের কঙ্কালে ভারতের পথঘাট সাদা হয়ে উঠেছে।'
বিলিতি পণ্যে ভারতের বাজার ছয়লাপ করে দেওয়ার মতলবেই দেশীয় শিল্প ধ্বংস করা হয়।
সাধারণ মানুষের কাছ থেকে দু'হাতে লুটে নেওয়া অর্থ এবং অন্যান্য ধনসম্পদ বি‍লেতে পাচার করার প্ল্যানের বিরুদ্ধে রামমোহন থেকে নৌরজি—অনেক মনীষী সরব হন।
★★★
সেই ‘ড্রেন থিয়োরি’ ফের প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। শুধু বদলে গিয়েছে লুণ্ঠনকারীর নাম। ইংরেজের স্থলে চীনারা।
ইংরেজরা করেছিল ভারতে ঢুকে। বণিকের বেশে এসেছিল। সুচ থেকে ফাল হওয়ার ম্যাজিক সাহেবরা দেখিয়েছে। বণিকরাই একচ্ছত্র শাসক হয়ে উঠেছিল। শাসনক্ষমতা দখল করার পর দখলে নিয়েছিল ভারতবাসীর ইচ্ছে-অনিচ্ছেটুকুও।
আজকের চীন করছে দূর থেকে। বন্ধুত্বের ছলনায়। বিশ্বায়নের বাধ্যবাধকতার সুড়ঙ্গ দিয়ে প্রবেশ করে। চীন প্রবেশ করেছে ভারতের আলপিন টু এলিফ্যান্ট মার্কেটে। শুধু ভারতের বাজার দখল করেনি, দখল করেছে প্রতিবেশী দেশগুলিরও বাজার। ভারতের পণ্য উৎপাদন যেসব দেশে রপ্তানির উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। প্রতিবেশী দেশগুলিতে ভারতের পুঁজি বিনিয়োগের ক্ষেত্রগুলিও সঙ্কুচিত করে দিতে মরিয়া বেজিং।
তাহলে দেখা যাচ্ছে, চীন একে একে ভারতের এবং প্রতিবেশীদের বাজারের দখল নিচ্ছে। প্রতিবেশীদের উস্কানি দিচ্ছে ভারত সম্পর্কে বিরূপ হওয়ার জন্য। চেষ্টা করছে ভারতের সঙ্গে চীনের সীমান্ত বিরোধে নতুন মোড় দিতে। আকসাই চীন ’৬২-তে দখল করেছে লালফৌজ। এখন তাদের লক্ষ্য, ভারতের ভিতরে ঢুকে চীনের ভূখণ্ডের আয়তন তস্করের মতো কিছুটা বাড়ানো।
সম্প্রতি লাদাখের গলওয়ানে ঘটে যাওয়া আগ্রাসনের পর ভারতকে ভাবতেই হচ্ছে, চীনের দূর লক্ষ্যটা কী? মানচিত্র কিছুটা চওড়া করেই কি থামবে মাওয়ের দেশ? কমিউনিস্ট চীনের প্রথম চেয়ারম্যানের অপূর্ণ স্বপ্ন তো এত সামান্য নয়। তা যে আরও অনেক বড় …! জিনপিংয়ের লালসা দেখে মনে হয়, তিনিই মাওয়ের যোগ্যতম উত্তরসূরি। এর পাথুরে প্রমাণ রেখে যেতে তিনি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ! ২০১৭-তে ভুটান সীমান্তের ডোকলামে জি জিনপিং প্রশাসনের অসভ্যতার সময়েই বুঝে নেওয়া দরকার ছিল। নেপালে কমিউনিস্ট সরকার প্রতিষ্ঠার পিছনে চীনের অতি উৎসাহ দেখেই বুঝে নেওয়া দরকার ছিল। পালা বদলের পর থেকে নেপাল সরকারের উগ্র চীন-প্রীতির ভিতরেও রসদ রয়েছে। মশলা রয়েছে ইমরান সরকারের তিড়িবিড়িংয়ের ভিতরেও। এত বার চীনের মুখচিত্র পড়তে না-পারার মূল্যই কি দিতে হচ্ছে ভারতকে? এবার উপলব্ধি করা দরকার, চীন কি একবিংশ শতকের প্রধান সাম্রাজ্যবাদী হয়ে উঠতে বদ্ধপরিকর? অথচ, এই চীন একদিন ভারতবন্ধু সোভিয়েত রাশিয়ার নিন্দে করত ‘সমাজতান্ত্রিক সাম্রাজ্যবাদী’ বলে!
★★★
নয়া সাম্রাজ্যবাদী চীনকে সামলানোর পথ তবে কী? প্রথম দাবি উঠেছে, চীনকে উচিত শিক্ষা দিতে হবে। দ্বিতীয়টা দাবির থেকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। ভারতের প্রায় সর্বত্র আওয়াজ উঠেছে, চীনকে বয়কট করো।
বয়কটের ইতিহাস ১৪০ বছরের পুরনো। বয়কট আন্দোলনের শক্তিটা আমরা জানি। কিন্তু চীনকে নিয়ে এই যে সঙ্কট, তাতে এই অস্ত্রের কার্যকারিতা কতটুকু?
প্রথমে আসা যাক উচিত শিক্ষা দেওয়ার প্রসঙ্গে। চোখে চোখ রেখে কথা বলা। গর্জন। আস্ফালন। এসব চলতেই পারে। কিন্তু সামরিকভাবে উচিত শিক্ষা দেওয়ার দিন আজ কতটা বাস্তব? ভারত চীন, দুটি দেশই যে পরমাণুশক্তিধর! সেক্ষেত্রে কূটনৈতিক লড়াই অনেক নিরাপদ। দুই দেশের জন্যই। আঞ্চলিক শান্তি সুস্থিতির
পক্ষেও। সবার আগে প্রতিবেশীসহ নিকটবর্তী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক আরও উন্নত করতে হবে। তারপর পাশে পেতে হবে বিশ্ব জনমত। চীন যে কী বস্তু তা করোনা-বিধ্বস্ত পৃথিবী জানে। এখন কাজটা খুব কঠিন নয়। ভারতের আজকের গার্জেনদের মুনশিয়ানার পরীক্ষা এখানেই।
‘ছেড়ে দাও রেশমি চুড়ি বঙ্গনারী/ কভু হাতে আর প’রো না’-র দিন তো দু’হাজার কুড়ি নয়। চীনকে বা চীনা পণ্য বয়কটের যে আওয়াজ উঠেছে, তার ভিতরে স্বদেশি যুগের আবেগ কিছুটা আছে বটে, প্রকট হচ্ছে বাস্তব বোধের অভাবটিও। সেদিন রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের বাধ্যবাধকতা ছিল। মানুষ কৃচ্ছ্রসাধন করেছিল পুণ্যার্জনের জ্ঞানে।
স্বাধীন দেশের নাগরিককে সেই পথে হাঁটতে আজ বাধ্য করা যায় না। চীনকে সর্বতোভাবে ত্যাগের জন্য অন্তত সমমানের বিকল্প রাখতেই হবে। উন্নততর বিকল্পের দাবিটা পরবর্তী অধ্যায়।
রবীন্দ্রনাথ সেদিন রাষ্ট্রের উপরে সমাজকে স্থান দিতে বলেছিলেন। ব্রিটিশ রাজশক্তির কথা মনে রেখে বলেছিলেন, সুগঠিত সমাজকে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন শেষ করতে পারে না। সমাজ তার প্রাণশক্তি দিয়ে আত্মরক্ষা করতে সমর্থ। কিন্তু রাষ্ট্রনির্ভর দেশ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। কবি গ্রিস ও রোমের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন। বিপরীতে বার বার বিদেশিদের হাত লুণ্ঠিত হওয়ার পরেও মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে ভারত। সমাজপ্রধান দেশের লক্ষণ: পরমুখাপেক্ষী নয়। সততার সঙ্গে দেশের বুদ্ধিশক্তি ও কর্মশক্তিকে সংঘবদ্ধ করে। দেশের সব প্রান্তে এই আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার উপর গুরুত্ব দেয়।
গ্রিক ‘autarkeia’ থেকে এসেছে ইংরেজি ‘autarky’। অর্থনৈতিক স্বয়ম্ভরতা। প্রাণশক্তিতে ভরপুর এক সমাজের কথাই রবীন্দ্রনাথ কল্পনা করেছিলেন। মোদিজির গলাতেও অবিকল সেই সুর। এমন সমাজনির্ভর দেশ বিশ্বাসঘাতক চীনকে রুখতেই পারে। কিন্তু সেই সংঘবদ্ধ সমাজ তৈরির প্রথম শর্তটি যে সততা! রাষ্ট্রনির্মাণ প্রক্রিয়ার ভিতরে তার কতটুকু অবশিষ্ট রেখেছে ভারতের আজকের রাজনীতি? যে-দেশে একটি প্রকল্প গড়ার আগে শাসক দল অঙ্ক কষতে বসে জায়গাটিতে বিরোধীদের প্রভাব বেশি কি না কিংবা সামান্য ত্রাণ থেকে বিধবাভাতা, সবেতেই রাজনীতি পার্সেন্টেজ চায়, সেই দেশ শিল্প-বাণিজ্যে চীনকে টক্কর দেবে!
★★★
কোন চীন, তার সামান্য বিবরণ দিয়েই এই লেখার শুরু। শেষ করছি মহম্মদ বিন তুঘলকের ডবল কৃতিত্ব দিয়ে। তুঘলক রাজধানী দিল্লি থেকে দৌলতাবাদে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। প্রাণ হাতে নিয়ে ছুটতে হয়েছিল সকলকেই। শিশু-কাঁখে মা থেকে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা। অন্ধ খোঁড়া অসুস্থদেরকেও। যাঁরা একেবারে যেতে পারলেন না, তাঁরা কোতল হলেন! কয়েক বছর কাটল। সম্রাট বুঝলেন, ভুল করেছেন। খামখেয়ালি সম্রাটের আদেশে দিল্লিতেই ফিরে এল রাজধানী। কিন্তু এবার সকলকে ফেরাতে ব্যর্থ হলেন। ৬০০ মাইল দূরে দৌলতাবাদেই রয়ে গেলেন শিল্পী, বাস্তুকার প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিকরা।
বুদ্ধির জড়তা না এলে সম্প্রীতির সঙ্কট অনিবার্য করে তোলা যায় না। এজন্য অবশ্যই দুয়ো প্রাপ্য জিনপিংয়ের। কিন্তু, এই বয়কটের রাজনীতির ভিতরে তুঘলকের পরিণতি কিছুমাত্র লুকিয়ে নেই কি?
25th  June, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: শুক্রবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমণ্ডি থানার বাগঢোল এলাকায় এক বৃদ্ধার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃত বৃদ্ধার নাম নালো সরকার(৬০)। তাঁর বাড়ি বাগঢোল গ্রামেই।  ...

সংবাদদাতা, কান্দি: শনিবার সকালে ফরাক্কা-হলদিয়া বাদশাহী সড়কের বড়ঞা থানার করালীতলার কাছে একটি কুকুরকে বাঁচাতে গিয়ে বাইক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে জখম হলেন এক ব্যক্তি।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা ‘প্রফেশনাল আয়ুর্বেদাচার্য’ বা বিএএমএস পরীক্ষা ৩১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: যত দিন গড়াচ্ছে অশোকনগর শহরে ততই দাপট বাড়াচ্ছে করোনা। শুক্রবার রাতে করোনা-আক্রান্ত এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া নতুন করে আরও ৬ জন ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২০/৪২ দিবা ১/১৭। জ্যেষ্ঠা ৪৭/৫০ রাত্রি ১২/৮। সূর্যোদয় ৫/০/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/২২। অমৃতযোগ দিবা ১২/২৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৫২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩/৩৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২০ গতে ১১/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে। 
১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী দিবা ১২/৫০। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ১২/২৭। সূযোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/২ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
১১ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কলকাতা হাইকোর্ট: কাল থেকে নিজের ঝুঁকিতে সশরীরে শুনানি করা যাবে 
মামলাকারী বা তাঁর আইনজীবী নিজের ঝুঁকিতে আগামী ৬ জুলাই থেকে ...বিশদ

09:05:28 AM

এটিকে-এমবির বোর্ডে সৌরভ 
জল্পনা ছিলই। শেষ পর্যন্ত বিস্তর আলোচনার পর এটিকে-এমবি প্রাইভেট লিমিটেডের ...বিশদ

09:00:00 AM

করোনায় আক্রান্ত সিএবি কর্মী 
করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর ...বিশদ

08:45:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম২০০৫: ক্রিকেটার ...বিশদ

08:36:39 AM

অবৈধ নিয়োগপত্র নিয়ে যোগদানের চেষ্টা, স্কুলগুলিকে সতর্ক করল এসএসসি 
নিয়োগের সময়সীমা পেরিয়েছে গতবছর এপ্রিলে। তা সত্ত্বেও বহু স্কুলে গ্রুপ ...বিশদ

08:30:00 AM

আজকের রাশিফল  
মেষ: অর্থভাগ্য ভালো। বৃষ: কোন বৈষয়িক সমস্যার সমাধান হবে। মিথুন: কোনও মামলার মীমাংসার ...বিশদ

08:06:20 AM