Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

শত্রুপক্ষের সব রণনীতি এবং নেতৃত্বের ভাবধারণা জানা প্রয়োজন
শুভাগত জোয়ারদার

চীনের মহান রণনীতি বিশেষজ্ঞ সান তজু তাঁর বিখ্যাত ‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ বইতে বলেছেন—‘যদি তুমি তোমার শত্রু এবং নিজেকে জানো, তবে শতবার যুদ্ধেও ফল নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। যদি তুমি নিজেকে জানো কিন্তু শত্রুকে নয়, তবে প্রতিটি যুদ্ধ জয়ের পাশাপাশি পরাজয়ের গ্লানিতেও তোমাকে ভুগতে হবে। যদি তুমি না শত্রু, না নিজেকে জানো তবে প্রতিটি যুদ্ধে তোমায় জখম হতে হবে।’
গত ১৫ জুন গলওয়ান ভ্যালিতে ঘটে যাওয়া বর্বর-কাণ্ড গোটা বিশ্বের সবরকম সংবাদমাধ্যমই শিরোনামে যথাসম্ভব তুলে ধরেছে। ভারত-চীন সীমান্ত নিয়ে কয়েক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা বিতর্ক নিয়ে বহু মতামত রয়েছে। ‘সুপার পাওয়ার’ হিসাবে চীনের প্রতিষ্ঠা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কোনও গোপনীয়তা নেই। তবে করোনা ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল হিসাবে চিহ্নিত চীন গত কয়েকমাস ধরে গোটা বিশ্বের বহু দেশের মারাত্মক চাপের সম্মুখীন হচ্ছে। চীনের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি ব্যাপকভাবে নিম্নমুখী হচ্ছে। চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো বা এনবিএসের দাবি, ১৯৯২ সালের পর চীনের জিডিপির হার চলতি আর্থিক বছরে সবচেয়ে কমে ৬.২ শতাংশ হয়েছে। কনফারেন্স বোর্ড ইকোনমিক রিসার্চ গ্রুপের মতো সংস্থার থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এই হার কমে ৪.১ শতাংশ হয়েছে। ২০১৩ সালে ‘ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড’ (ওবিওআর) নামে চীন সরকার বিশ্বব্যাপী যে উন্নয়নমূলক নীতি চালু করে তাতে দুনিয়ার প্রায় ৭০টি দেশের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিনিয়োগের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল। কোভিড পরবর্তী সময়ে এর সদস্য দেশগুলি এখন গম্ভীরভাবে তা পর্যালোচনা করে দেখছে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, ওবিওআর এর প্রধান সদস্য দুই দেশ ইরান এবং ইতালি ভৌগোলিকভাবে চীনের থেকে অনেক দূরে থাকলেও সেখানে কোভিডের অতিমারী আছড়ে পড়েছে। চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের (সিপিইসি) আওতায় পাকিস্তানের গাওয়াদর বন্দর পর্যন্ত পরিকাঠামো উন্নয়ন করার যে নীতিগত দৃষ্টিভঙ্গি ছিল তার উল্লেখযোগ্য কোনও বহিঃপ্রকাশ দেখা যাচ্ছে না।
চীনের স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে হংকং এবং তাইওয়ান সরকারের অসন্তোষ গোটা বিশ্বের সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প করোনা ভাইরাসের প্রবর্তক হিসাবে চীনকে খোলাখুলি হুমকি দিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া সরকার উহানের ল্যাবরেটরি নিয়ে তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছে। বহু দেশ থেকে চীনা কোম্পানিগুলিকে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। আফ্রিকা এবং এশিয়ার দেশগুলি থেকে চীনা ফার্মগুলির বহু চুক্তি বাতিল করিয়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছে তারা। সবশেষে ২০ মে থেকে তিনটি মার্কিন যুদ্ধবিমানবাহী রণতরীকে (ইউএসএস আমেরিকা, ইউএসএস রুজভেল্ট, ইউএসএস রেগন) দক্ষিণ চীন সাগরের মাঝামাঝি অবস্থানে রেখে দিয়ে চীনকে সম্পূর্ণ একঘরে করে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
এই মুহূর্তে কোনও দেশকে চীনের বন্ধু বলে সম্বোধন করা কঠিন। পাকিস্তান, নেপাল এবং অন্যান্য যে অল্প কয়েকটা দেশ চীনের চাটুকার হয়ে রয়েছে তাদের বন্ধু বলে ডাকা যায় না। এত কিছুর মধ্যেও কোভিডের পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ নিয়েও চীনের প্রধানমন্ত্রী লাই শিয়াং এবং প্রেসিডেন্ট জি জিনপিংয়ের মধ্যে মারাত্মক মতপার্থক্য রয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। লাই শিয়াং বাণিজ্যের দিক থেকে একজন অর্থনীতিবিদ এবং চীনা অর্থনীতিতে আর্থিক সংস্কার তাঁরই মস্তিষ্কপ্রসূত ভাবনা। তিনিই এর প্রধান নেপথ্য কারিগর বলে মনে করা হয়। সরকারের প্রশাসনে তিনি সর্বাধিক ক্ষমতা ধরে রেখেছেন। প্রেসিডেন্ট জি জিনপিং দেশের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ব্যক্তি। চীনা সশস্ত্র বাহিনীতে তিনিই সর্বাধিনায়ক। কিছু মানুষ মনে করেন মাও জেডংয়ের পর জি জিনপিংই দেশের দ্বিতীয় নেতা।
তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে উচ্চাকাঙ্ক্ষী ড্রাগন এক কানা সরু গলিতে আঘাত করেছে বলে মনে হচ্ছে। অতিমারী এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়টি দুর্বলভাবে পরিচালনা করায় চীন সরকারের অভ্যন্তরে মারাত্মক চাপ রয়েছে। গোটা বিশ্ব যদি তাদের একঘরে করে দেয় তবে চীনা জনসাধারণের বিরাট অর্থনৈতিক মন্দায় পড়ার শঙ্কা রয়েছে। এখন সব ক্ষেত্রে কার্যত রপ্তানি ভিত্তিক যে অর্থনৈতিক পরিকাঠামো চীন গড়ে তুলেছে বর্তমান বিশ্বের মনোভাব তাতে প্রভাব ফেলবে। গোটা বিশ্বে নিজের ইচ্ছাকে প্রয়োগ করতে গেলে সামরিক দিক থেকে চীনকে আমেরিকা অথবা ন্যাটো বাহিনীর ক্ষমতার স্তর পর্যন্ত উঠে আসতে হবে। সুতরাং জনসাধারণের দৃষ্টি ঘুরিয়ে দিতে অথবা কিছু মানুষের সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করতে গেলে জিনপিং প্রশাসনের কিছু একটা করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এরকম পরিস্থিতিতে কোন দেশকে বিরোধী পক্ষ হিসেবে বেছে নেওয়া যায়, তা একদমই স্পষ্ট।
১৩টি দেশের সঙ্গে সীমান্তের অংশীদারি রয়েছে চীনের। তবে ভারতের সঙ্গে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা ইচ্ছে করে চিহ্নিত করেনি চীন। সর্বোপরি, ২০২০-র
আর ১৯৬২ সালের ভারত এক নয়। ভারতের
জাতীয় নীতির আমূল পরিবর্তন এবং অর্থনীতির উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়েছে। হাতাহাতি এবং একটি গুলিও না চালিয়ে পাথর ছোঁড়াছুঁড়ি করে যুদ্ধের পরিণতি কী হতে পারে এবং অর্থনীতি তাতে কতটা প্রভাবিত হবে সে ব্যাপারে দু’দেশই ওয়াকিবহাল। তবে হঠাৎ কি এমন পরিবর্তন ঘটল? কাঁটা লাগানো লাঠি এল কোথা থেকে? এটা নির্ঘাত ঘটনাচক্র নয়, বরং সুপরিকল্পিত। সান তজু-র আরও একটি রণকৌশল হল-বিস্ময়ের উপাদান তৈরি করা।
সেটাই পিএলএ-র (পিপলস লিবারেশন আর্মি) ওয়েস্টার্ন কমান্ডের নয়া সেনা কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল জু কুইলিং নিয়ে এসেছে।
গত ৫ জুন চীন-ভারত সীমান্তে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জি জিনপিং নিজের বাছাই করা নতুন সেনা কমান্ডার নিয়োগের কথা ঘোষণা করেন। জেন জু চীনা সেনাবাহিনী পিএলএ-র এক উদীয়মান তারকা। ২০১২ সালে অন্যান্যদের সঙ্গে সবচেয়ে তরুণ এই সেনা অফিসারকেও জেনারেল পদে উন্নীত করেন জি জিনপিং। আগের কমান্ডারকে সরিয়ে বয়সে ৫ বছরের ছোট ৫৭ বছর বয়সি এই লেফটেন্যান্ট জেনারেলকে এই পদে উত্তরাধিকারী করা হয়। সেনা ছাড়াও বিমানবাহিনীর কাজেও তিনি বিশেষজ্ঞ। এর আগে তিনি চারটি অন্য অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল জু চীনের ভূতপূর্ব ৫৪ পিএলএ বাহিনীর চিফ অব স্টাফ বা প্রধান ছিলেন। পিএলএ-র এই ৫৪তম সেনাদলটি তিব্বতীয় অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে দমন অভিযানে মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিল। তিয়েনানমেন স্কয়্যারে বিক্ষোভ দমনেও এই বাহিনীর ভূমিকা ছিল। চীন-ভারত সীমান্ত বিতর্ক নিয়ন্ত্রণ করে জেনারেল জু যদি তাঁর প্রেসিডেন্টকে সন্তুষ্ট করতে পারেন তবে তাঁর সামনে নিশ্চিত উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে। ওই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার অন্তত দিন দশেক আগে ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডে চীন সবচেয়ে অভিজ্ঞ এবং ‘হিংস্র’ জেনারেলকে মোতায়েন করেছিল। ১৫ জুন, ২০২০-র ঘটনা ইতিহাসে খোদাই করা থাকবে। এতে বিজয় না পরাজয় হল তা সময়ই বলবে। কিন্তু চীনা সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব বদলের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সীমান্তে রণনীতি পরিবর্তন হতে পারে, তা আমাদের দেশের সেনা কর্তৃপক্ষ নেতৃত্ব আঁচ করতে পারেনি। সেনাবাহিনী এবং জাতীয় নিরাপত্তার সর্বোচ্চ স্তরে এটা বিচার করাই নীতিনির্ধারকদের এটি এখন গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
সান তজুর ‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ বইয়ের উল্লিখিত রণনীতি অনুযায়ী চীনা সেনারা প্রশিক্ষিত। সেই ড্রাগনকে যদি আমাদের বাগে আনতে হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে জয়ী হতে হয়, তাহলে সান তজু-র নীতি মেনেই তাদেরকে প্রত্যাঘাতই করতে হবে। এই কারণেই নিজেকে জানার পাশাপাশি শত্রুপক্ষের সব রণনীতি এবং নেতৃত্বের ভাবধারণাকে খুঁটিয়ে জানা উচিত। আশা করি, গলওয়ানে আমাদের বীর সেনাদের উৎসর্গীকৃত ত্যাগ থেকে সঠিক শিক্ষালাভ হবে এবং তা সঠিক দিশা দেখাবে।
ভারতীয় বায়ুসেনার অবসরপ্রাপ্ত গ্রুপ ক্যাপ্টেন
তথা জয়েন্ট ডিরেক্টর এয়ার ডিফেন্স অপারেশনস (সুখোই-৩০)
25th  June, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, কান্দি: শনিবার সকালে ফরাক্কা-হলদিয়া বাদশাহী সড়কের বড়ঞা থানার করালীতলার কাছে একটি কুকুরকে বাঁচাতে গিয়ে বাইক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে জখম হলেন এক ব্যক্তি।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা ‘প্রফেশনাল আয়ুর্বেদাচার্য’ বা বিএএমএস পরীক্ষা ৩১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর কোভিড-১৯ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আপাতত এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে সিএবি।   ...

নিউ ইয়র্ক: হাতে ‘বয়কট চীন’ প্ল্যাকার্ড। মুখে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বয়কটের ডাক। শনিবার নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে জমায়েত হয়ে চীনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন ভারতীয় ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২০/৪২ দিবা ১/১৭। জ্যেষ্ঠা ৪৭/৫০ রাত্রি ১২/৮। সূর্যোদয় ৫/০/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/২২। অমৃতযোগ দিবা ১২/২৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৫২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩/৩৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২০ গতে ১১/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে। 
১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী দিবা ১২/৫০। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ১২/২৭। সূযোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/২ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
১১ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কলকাতা হাইকোর্ট: কাল থেকে নিজের ঝুঁকিতে সশরীরে শুনানি করা যাবে 
মামলাকারী বা তাঁর আইনজীবী নিজের ঝুঁকিতে আগামী ৬ জুলাই থেকে ...বিশদ

09:05:28 AM

এটিকে-এমবির বোর্ডে সৌরভ 
জল্পনা ছিলই। শেষ পর্যন্ত বিস্তর আলোচনার পর এটিকে-এমবি প্রাইভেট লিমিটেডের ...বিশদ

09:00:00 AM

করোনায় আক্রান্ত সিএবি কর্মী 
করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর ...বিশদ

08:45:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম২০০৫: ক্রিকেটার ...বিশদ

08:36:39 AM

অবৈধ নিয়োগপত্র নিয়ে যোগদানের চেষ্টা, স্কুলগুলিকে সতর্ক করল এসএসসি 
নিয়োগের সময়সীমা পেরিয়েছে গতবছর এপ্রিলে। তা সত্ত্বেও বহু স্কুলে গ্রুপ ...বিশদ

08:30:00 AM

আজকের রাশিফল  
মেষ: অর্থভাগ্য ভালো। বৃষ: কোন বৈষয়িক সমস্যার সমাধান হবে। মিথুন: কোনও মামলার মীমাংসার ...বিশদ

08:06:20 AM