Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অসুরকে শিবের অভয়বাণী, মা ছাড়া গতি নেই
সন্দীপন বিশ্বাস

সাতসকালে হন্তদন্ত হয়ে উদ্‌ভ্রান্তের মতো কৈলাসে হাজির মহিষাসুর। ‘মহাদেব ভবনে’ ঢোকার মুখেই বাধা পেলেন। নন্দী আর ভৃঙ্গী হাঁই হাঁই করে বললেন, ‘একদম ভিতরে ঢোকার চেষ্টা কোরুনি। তুমি হলে পরিযায়ী অসুর। কোথা কোথা থেকে ঘুরে এসেছ, তার ঠিক আছে! আগে মাকে জানাই। মা রাজি হলে তোমাকে স্যানিটাইজার মেশিনে চান করিয়ে তবে ভেতরে ঢুকতে দেব। কিন্তু বাপু তোমার মুখোশ কই?’
অসুর একটু খেপে গিয়েই বললেন, ‘ছাড়ো তো নন্দী-ভৃঙ্গী দাদা, আমি হলাম অসুর। ওসব করোনাকে আমি ভয় পাই নাকি? ওসব আমার নখের যুগ্যি নয়। দু’দিনের যোগী, তাকে আমি ভয় পাব!’
নন্দী-ভৃঙ্গী ইন্টারকমে মা দুর্গার সঙ্গে কথা বললেন। অসুরের কথা শুনে দুর্গা বললেন, ‘স্যানিটাইজ করে পাঠিয়ে দে ভিতরে। নীচের ঘরে বসতে বল, আমি যাচ্ছি।’
নীচের ঘরে অসুর বসলেন। একটু পরেই মা দুর্গা ঘরে ঢুকে বললেন, ‘কী রে বাবা, এত আগে কেন? এখনও তো পুজোর এখনও অনেক দেরি।’
অসুর প্রায় কাঁদো কাঁদো হয়ে বললেন, ‘মাগো আমার সব্বনাশ হয়ে গেল। এই তো কিছুদিন আগে পরিযায়ী শ্রমিক সেজে মর্ত্য থেকে ঘুরে এলাম। শুনছি, এবার নাকি তোমার পুজো তেমন করে আর হবেনি। এদিক ওদিক অনেক ঘুরলুম, কোথাও কোনও খুঁটিপুজোও দেখতে পেলুমনি।’
দুর্গা বললেন, ‘নারে, দেখবি সব ঠিক হয়ে যাবে। এখনও কিছুটা সময় আছে।’
অসুর বললেন, ‘না মা, কোথাও কোনও পোস্তুতি নেই। কমিটির মিটিং নেই, থিম নেই, প্যান্ডেল কোম্পানির ছোটাছুটি নেই, চন্দননগরের আলোবাজির কাজকম্মও বন্ধ। ওদিকে এখন কত দেবতার পুজো তো বন্ধ হয়ে গেল। অন্নপূণ্যা পুজো, রামনবমী, বুদ্ধপুণ্যিমা সব বন্ধ ছেল। প্রভু জগন্নাথেরও এবার মাসির বাড়ি যাওয়া হলুনি। তোমার কি আর বাপের বাড়ি যাওয়া হবে? মাগো, আমার ওই মর্ত্য থেকে যা রোজগার হয়, তাই দিয়ে সম্বৎসর চলে যায়, এবার তেমন জাঁকজমকের পুজো না হলে, ছেলেপুলে নিয়ে না খেতে পেয়ে মরে যাব।’
সেই সময় শিব ঘরে ঢুকে বললেন, ‘আরে অত ভয় পাচ্ছিস কেন, এখন করোনা প্রধান ইস্যু নয়। মর্ত্যে এখন করোনার থেকেও বড় ইস্যু ভারত-চীনের যুদ্ধ হবে কি হবে না! অত ভয় পেলে বাঁচবি কী করে? তুই তো মহিষাসুর। সবাই তোকে ভয় করে। আর তুই যদি নিজেই ভয় পেয়ে যাস, চলবে কী করে!’
অসুর বললেন, ‘না বাবা, ভয় আমি পাইনে। তবে মনে হচ্ছে এবার আমার চাকরিটা চলে যেতে পারে। মর্ত্যে গিয়ে দেখে এলাম, কয়েকটা জায়গায় করোনাসুরের পুজো শুরু হয়েছে। বলছে, করোনাসুর বধের জন্য মায়ের অকাল বোধন। এখন করোনাসুর হিট, মহিষাসুর ফ্লপ। আমারে দেখছি আত্মহত্যা করতে হবে।’
শিব হাসতে হাসতে বললেন, ‘এতো দেখছি মহাপাগল!’
অসুর বললেন, ‘কে জানে, আগামীদিনে হয়তো মায়ের পায়ের তলায় আমার বদলে মানুষ করোনাসুরকে বসিয়ে দেবে। আর মা হয়তো ত্রিশূলের বদলে স্যানিটাইজার দিয়ে তাকে বধ করবেন। ওমা দেখো, আমার অসুরগিরির চাকরিটা যেন না যায়।’
শিব আবার হাসতে হাসতে বললেন, ‘তাহলে তো শুধু তোকেই সরিয়ে দেবে না, আমাকেও সরিয়ে দেবে। তোকে বধ করার জন্য ত্রিশূল দরকার। তুই না থাকলে আমার ত্রিশূলও থাকবে না।’
দুর্গা বললেন, ‘বাবা অসুর, তুই মিথ্যা এসব ভাবছিস। আমরা তো সব যাওয়ার জন্য একটু একটু করে তৈরি হচ্ছি। বিশ্বকর্মাকে দিয়ে নতুন অস্ত্র তৈরি করাচ্ছি। আমাদের পোশাক পরিচ্ছদও তৈরি করছি। তোরও হচ্ছে।’
কার্তিক ঢুকে বললেন, ‘আর এবারে যে বিশ্বকর্মা কাকুকে মাস্ক বানাতে দিয়েছো সেটা বলেছো? এছাড়া সঙ্গে যাবে পিপিই ও স্যানিটাইজারের জ্যারিকেন। অসুরদাদা, তোমাকে এখনই বলে রাখছি, এবারে কিন্তু যে যা প্রসাদ দেবে, হুট করে খেয়ে নিও না।’
অসুর বললেন, ‘আমার যে খুব খিদে গো কাত্তিক দাদা। কী করব! তবে মত্ত্যে গিয়ে যা দেকলুম, তাতে এবার তেমন কিছু জুটবে না। লোকের পকেটে পয়সা নেই। ব্যবসায়ীদের অবস্থা ভালো নয়, পুজোর থিমের পয়সা দেবে কে? মনে হচ্ছে এবার রেশনের ফ্রি চালের ভোগ খেতে হবে!’
গণেশ ঘরে ঢুকে বললেন, ‘আরে ধুর! আমার জন্য তো মাস্ক বানানোই সমস্যা হচ্ছে। এখনই বিশ্বকর্মাকাকু এসে মাস্কের মাপ আবার নিয়ে গেল। আমার এই শুঁড়টা নিয়ে যত ঝামেলা।’
লক্ষ্মী আর সরস্বতী তখন ঘরে ঢুকলেন। সরস্বতী বললেন, ‘এবার একটুও ভালো লাগছে না। মুখে মাস্ক ঢাকা থাকলে লিপস্টিক দেখা যাবে না।’ লক্ষ্মী বললেন, ‘মেক আপের উপর মাস্ক পরতে ভালো লাগে!’
শিব বললেন, ‘তবু সবাই মাস্ক পরে থাকবে। অঞ্জলির সময় লোকে মন্ত্র পড়ে তোমাদের দিকে ফুল ছুঁড়বে। তার থেকে কত কিছুর ভয় থাকে জানো? তোমরা যাচ্ছো, ভালো কথা। কিন্তু মনে রেখো, তোমাদের দায়িত্ব তোমাদের নিজেদের হাতেই। সরকার তোমাদের দায়িত্ব নেবে না। সরকার বলছে, করোনা নিয়েই বাঁচতে হবে। তার মানে সরকার, এখন হাত ধুয়ে ফেলতে চাইছে। তোমার করোনা হলে রাষ্ট্রের কোনও দায়িত্ব নেই? এরপর হয়তো বলবে, তোমার ক্ষুধার দায়িত্ব তোমার নিজের, তোমার চিকিৎসার দায়িত্ব তোমার নিজের, তোমার নিরাপত্তার দায়িত্ব তোমার নিজের। এভাবেই নিজে নিজে বাঁচতে শেখো, সাবালক হও। শুধু তোমার ভোটদানের অধিকারটাই সরকার দেখবে। ক্ষুধার থেকে, স্বাস্থ্যের থেকে, নিরাপত্তার থেকে এই অধিকারটার গুরুত্ব ওদের কাছে অনেক বেশি।’
অসুর বললেন, ‘আমার কী হবে বাবা?’
দুর্গা বললেন, ‘ভয় পাস না, সব ঠিক হয়ে যাবে।’ তোর বাবা, তোকে মিথ্যে ভয় দেখাচ্ছে।’
কার্তিক বললেন, ‘তবে করোনা নিয়ে ভয় না থাকলেও চীন নিয়ে ভয় আছে!’
শিব বললেন, ‘কোনও ভয় নেই। সব সময় দেখবি একটা ভীতি মাথা চাড়া দিলে, সেটাকে অন্য ভীতি দিয়ে চাপা দিতে হয়। এটাও তারই লক্ষণ বলে আমার মনে হচ্ছে। নোটবন্দির ভীতি চাপা দেওয়া হয়েছে জিএসটি দিয়ে, সেই ভীতি চাপা পড়েছে অর্থনীতি ভেঙে পড়ায়, সেই ভীতি দূর করেছে এনআরসি। আবার এনআরসি’র কথা মানুষ ভুলে গেছে করোনা আতঙ্কে। এরপর সীমান্তে চীনা ভীতি। আমি তোদের মামার বাড়ির টিভির খবরে দেখছিলাম। করোনার খবর সরিয়ে রেখে এখন শুধুই চীন-চীন। এটাও হয়তো অন্য কিছুতে চাপা পড়বে। দুই দেশের নেতা সেই দোলনায় ঝুলে গান গাওয়ার সিনটা মনে করে দেখ। আজ নিশ্চয়ই কেউ একজন গাইছেন, ‘সেদিন দুজনে দুলেছিনু চীনে, যুদ্ধের কথা ছিল না।’ তবু সীমান্তে যুদ্ধের দামামা। আওয়াজ উঠেছে চীনকে বয়কট কর। চীনাদ্রব্যকে ছুঁড়ে ফেলে দাও।’
গণেশ বললেন, ‘যতই বলুক, পারবে না বাবা।’
শিব বললেন, ‘ঠিক বলেছিস। চীন থেকে যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম না এলে দেশের বহু কোম্পানিতে তালা পড়বে। সেদিন দেখছিলাম, ২০১৯-২০ আর্থিক বছরে ভারত চীন থেকে আমদানি করেছে প্রায় ৫৪ হাজার কোটি টাকা মূল্যের সামগ্রী। পাশাপাশি ভারত সেদেশে রপ্তানি করেছে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা মূল্যের সামগ্রী। অর্থাৎ চীন এগিয়ে আছে চারগুণেরও বেশি। এখন ভারত যদি সেই আমদানি বন্ধ করে দেয়, তাহলে অর্থনীতির মতো শিল্পবাণিজ্যও ধসে পড়বে। সেটা সরকার এবং অন্যান্যরা জানে। দেশে যে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা হয়, তার ৬৮ শতাংশ চীনা কোম্পানির আনুকূল্যে তৈরি। তাই চীনা পণ্য বয়কটের ধুয়ো তুলে যতই বাজার গরম করা হোক, তা বাস্তবে হবে না। দেশের মানুষ চাইছে, পাকিস্তানের মতো চীনকেও ভারত উচিত শিক্ষা দিক। সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করুক। সরকার কি সত্যিই উচিত জবাব দেবে?
দুর্গা বললেন, ‘এখন চুপ কর। ওদিকে কী যে হবে, কে জানে!’
শিব বললেন, ‘অত ভেবো না। আমি ঠিক করেছি, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কয়েকদিন ধরে ড্রোন পাঠাব। তারপর কৈলাস ইনভেস্টিগেটিভ এজেন্সিকে দিয়ে রিপোর্ট তৈরি করাব।’
অসুর বললেন, ‘আমাকে ওই ড্রোনের উপর বসিয়ে দিন, আমিও দেখে আসি। খুব টেনশন হচ্ছে বাবা।’
লক্ষ্মী বললেন, ‘কিসের টেনশন অসুর দাদা?’
অসুর বললেন, ‘পুজো নমো নমো করে হলে, আমি মরে যাব। মর্ত্যে ওই পাঁচদিনের রোজগারে আমার সারা বছর চলে।’
শিব বললেন, ‘তোর মা থাকতে ভয় কিসের! তেমন হলে তোকে কৈলাসের ভাণ্ডার থেকে এক বছরের ফ্রি খাদ্য দেওয়া হবে। এখানে তোকে একটা জবকার্ড করে দেব। বছরের দুশো দিনের কাজ পাবি। তেমন হলে আবাস যোজনায় ঘর করে দেব, কৃষির জন্য টাকা দেব। মর্ত্যে গেলি আর ওখানকার কাজকর্ম দেখতে পেলি না, কীভাবে পরিযায়ী শ্রমিকদের পুনর্বাসনের কাজ চলছে! ওরা আর ভিন রাজ্যে যাবে না বলেছে। বাংলাতেই ওদের কাজের ব্যবস্থা হচ্ছে। জানবি, বাংলা হোক আর কৈলাসই হোক, মা ছাড়া কোনও গতি নেই।’
শিব এবং দুর্গার পায়ে অসুর প্রণাম করে বললেন, ‘হক কতা বলেছেন বাবা, সবখানেই দেখছি মা ছাড়া গতি নেই।’
কার্টুন: সুব্রত মাজী 
24th  June, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: যত দিন গড়াচ্ছে অশোকনগর শহরে ততই দাপট বাড়াচ্ছে করোনা। শুক্রবার রাতে করোনা-আক্রান্ত এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া নতুন করে আরও ৬ জন ...

সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: শুক্রবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমণ্ডি থানার বাগঢোল এলাকায় এক বৃদ্ধার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃত বৃদ্ধার নাম নালো সরকার(৬০)। তাঁর বাড়ি বাগঢোল গ্রামেই।  ...

নিউ ইয়র্ক: হাতে ‘বয়কট চীন’ প্ল্যাকার্ড। মুখে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বয়কটের ডাক। শনিবার নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে জমায়েত হয়ে চীনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন ভারতীয় ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা ‘প্রফেশনাল আয়ুর্বেদাচার্য’ বা বিএএমএস পরীক্ষা ৩১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২০/৪২ দিবা ১/১৭। জ্যেষ্ঠা ৪৭/৫০ রাত্রি ১২/৮। সূর্যোদয় ৫/০/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/২২। অমৃতযোগ দিবা ১২/২৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৫২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩/৩৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২০ গতে ১১/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে। 
১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী দিবা ১২/৫০। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ১২/২৭। সূযোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/২ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
১১ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এটিকে-এমবির বোর্ডে সৌরভ 
জল্পনা ছিলই। শেষ পর্যন্ত বিস্তর আলোচনার পর এটিকে-এমবি প্রাইভেট লিমিটেডের ...বিশদ

09:00:00 AM

কলকাতা হাইকোর্ট: কাল থেকে নিজের ঝুঁকিতে সশরীরে শুনানি করা যাবে 
মামলাকারী বা তাঁর আইনজীবী নিজের ঝুঁকিতে আগামী ৬ জুলাই থেকে ...বিশদ

08:59:40 AM

করোনায় আক্রান্ত সিএবি কর্মী 
করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর ...বিশদ

08:45:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম২০০৫: ক্রিকেটার ...বিশদ

08:36:39 AM

অবৈধ নিয়োগপত্র নিয়ে যোগদানের চেষ্টা, স্কুলগুলিকে সতর্ক করল এসএসসি 
নিয়োগের সময়সীমা পেরিয়েছে গতবছর এপ্রিলে। তা সত্ত্বেও বহু স্কুলে গ্রুপ ...বিশদ

08:30:00 AM

আজকের রাশিফল  
মেষ: অর্থভাগ্য ভালো। বৃষ: কোন বৈষয়িক সমস্যার সমাধান হবে। মিথুন: কোনও মামলার মীমাংসার ...বিশদ

08:06:20 AM