Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বিভেদের একবছর ও বাংলা দখলের দুঃস্বপ্ন
হিমাংশু সিংহ

মলিন মুখে অভুক্ত গরিব মানুষের ঘরে ফেরার মিছিল এখনও চলছে। শেষ কবে এমন আসমুদ্রহিমাচল কাঁপানো সব হারানোদের ভুখা মিছিল দেখেছে দেশ, মনে পড়ে না। করোনা সেটাও দেখিয়ে দিল। আরও দেখিয়ে দিল, এই একবিংশ শতাব্দীতেও সমাজের পরতে পরতে কতটা বৈষম্য। শুধু আমাদের দেশই নয় বিভেদ আর বিদ্বেষের এই বিষ এখনও দিব্যি বয়ে বেড়াচ্ছে অতি উন্নত মার্কিন সমাজও। সেখানে আবার ধনী দরিদ্রের বিভেদ নয়, বৈষম্যটা চামড়ার রঙের। সাদা কালোর। যার অভিঘাতে উত্তাল আমেরিকার একের পর এক শহর। বাদ যায়নি নিরাপত্তার ঘেরাটোপে থাকা হোয়াইট হাউসও। স্রেফ দেশের লোকের বিক্ষোভে ভয় পেয়েই সর্বশক্তিমান ট্রাম্পকে পর্যন্ত বাঙ্কারে লুকোতে হয়েছে ঘণ্টাখানেক।
রেলের হিসেব বলছে, আরও অন্তত এক থেকে দেড় সপ্তাহ তো লাগবেই আটকে পড়া শ্রমিকদের সবাইকে ঘরে ফেরাতে। আর যত তাঁরা ফিরবেন ততই বাড়বে করোনার সংক্রমণ। প্রশ্ন একটাই, সেই যখন সরকারি উদ্যোগেই শ্রমিক স্পেশালে চাপিয়ে তাঁদের ঘরে ফেরানো হল তখন অনেক আগেই কেন তা করল না মোদি সরকার। তখন তো সংক্রমণ কম ছিল। অসহায় মানুষগুলোকেও এতটা কষ্টে পড়তে হতো না। রাস্তার ধারে কিম্বা ট্রেনের কামরায় প্রাণও হারাতে হতো না। আর এখন আড়াই মাস পর কোনওরকম পরিকল্পনা ছাড়াই রাজ্যে রাজ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে ‘করোনা এক্সপ্রেস’। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া কেউ প্রতিবাদ করারও নেই। এই ব্যর্থতা কার, তা নিয়ে ময়না তদন্ত করার সময়টুকুও নেই দিল্লির সরকার বাহাদুরের হাতে। গোটা সরকারটাই সব ভুলে এখন দ্বিতীয় মোদি জমানার বর্ষপূর্তির সাফল্য উপভোগ করতে মশগুল যে! অথচ লকডাউনের কড়াকড়ির পরও দৈনিক সংক্রমণ আজ ৯ হাজার ছাড়াচ্ছে। জুন মাস যত এগবে ততই সংখ্যাটা বাড়তে থাকবে, এমনই আশঙ্কা। সেদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে সরকারের বর্ষপূর্তিতে শুধুই মোদিজির সাফল্যের খতিয়ান। হ্যান করেছি, ত্যান করেছির দু’শো ফিরিস্তি। তার পাশে ওই ঘোলাটে বিবর্ণ দৃষ্টি নিয়ে ট্রেন বোঝাই মানুষের ঘরে ফেরার অবর্ণনীয় মৃত্যুমিছিলের সত্যি কোনও মূল্য আছে কি?
গত বছর ৩০ মে শপথ নিয়েছিল মোদি সরকার-টু। দুর্বল, মেরুদণ্ড নুইয়ে পড়া পরজীবী প্রধানমন্ত্রী বলে নিন্দিত মনমোহন সিং বিদায় নিয়েছেন ওই শপথেরও পাঁচবছর আগে। কিন্তু তা বলে অর্থনীতির এমন লক্ষ্মীছাড়া হাল তো ইউপিএ জমানাতেও দেখা যায়নি। আর ৫৬ ইঞ্চির শাসনে জিডিপি, মানে যে সূচক দিয়ে বিশেষজ্ঞরা অর্থনীতির স্বাস্থ্য মাপেন, তা কমতে কমতে একেবারে তিনে। এবং তা হয়েছে লকডাউনের আগেই। এবার তো আগামী কতদিন তা শূন্যের নীচে থাকে সেটাই দেখার। প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভয়ঙ্কর মন্দা গ্রাস করছে। নগদ জোগানের তীব্র সঙ্কট। কোনও কিছুরই চাহিদা নেই। দ্রুত বাজারে কেনাকাটা তেজি হওয়ার সম্ভাবনাও ক্ষীণ। তাই আগামী একবছর খামোকা উৎপাদন বাড়িয়ে আত্মনির্ভর দেশ গড়ার খোয়াব দেখবে কোন ‘ধুরন্ধর’ মোদিভক্ত ব্যবসায়ী। আর এই অবস্থা চলছে তো লকডাউনের আগে থেকেই। গত বেশ কয়েক বছর ধরে। নোটবন্দি আর জিএসটির ক্ষত নিয়ে বাজার তারপর থেকেই আর সেভাবে জমেনি। অথচ ৮ নভেম্বর ২০১৬-র সেই ঘোর লাগানো রাতে প্রবল পরাক্রান্ত নরেন্দ্র মোদি ভারতীয় অর্থনীতিকে নোটবন্দির মাধ্যমে একেবারে অন্য মার্গে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন দেশবাসীকে। সে স্বপ্নপূরণ হয়নি, মোদিও তাঁর কথা রাখেননি। আর এখন যখন ব্যবসা লাটে, বাজার প্রায় মরুভূমি, তখন ছোট বড় মাঝারি সব উদ্যোগপতিকে ব্যাপক হারে ঋণ দিয়ে স্বাবলম্বী ভারত গড়ার মন্ত্রে দীক্ষিত করার ফাঁদ পেতেছেন। একটা কথা আছে, পেটে খেলে তবেই পিঠে সয়! এই মরা বাজারে নতুন করে ঋণের জালে ফাঁসবে কোন আহাম্মক! অথচ এই দুর্দিনে ২০ লক্ষ কোটি টাকার গালভরা প্যাকেজ ঘোষণার নামে নানা কিসিমের ঋণের মায়াজাল ছড়ানোর একঘেয়ে প্রহসনই চলেছে টানা পাঁচ-ছ’দিন ধরে। তার বাইরে মেলেনি তেমন কিছুই। এভাবেই চোখে ধুলো দিতে প্যাকেজের পর প্যাকেজ আসছে, কিন্তু লাভ কিছুই হচ্ছে না। অর্থনীতি আরও অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে।
তবু অর্থনীতি গোল্লায় গেলেও গত একবছরে বিজেপি সরকারের সাফল্যের দাবিও তো বড় কম নয়। সেই সাফল্যের ঢাক পেটাতেই আপাতত আসরে নেমেছেন মোদি সরকারের মন্ত্রী-সান্ত্রিরা। আগাগোড়া মানুষে মানুষে বিভেদ বাড়িয়ে, সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে বিভাজনের সুযোগে ভোটব্যাঙ্কের মেরুকরণকে পোক্ত করাই ছিল এবারের লক্ষ্য। যাতে ২০২৪ সালে ক্ষমতায় ফেরা আরও সহজ হয় মোদি-অমিত শাহদের। সেই কারণেই কাশ্মীরে ৩৭০ ও ৩৫এ ধারার বিলোপ, তাৎক্ষণিক তিন তালাক প্রথার অবলুপ্তি, অযোধ্যায় মন্দির নির্মাণ এবং এনআরসি নিয়ে সরকার গত একবছরে এতটা মরিয়া। প্রতিটি উদ্যোগই আখেরে গণতন্ত্রের নামাবলির আড়ালে মানুষে মানুষে রাজনৈতিক দূরত্ব তৈরিরই নামান্তর। এতে করে সামগ্রিকভাবে দারিদ্র ঘুচবে না। শিক্ষার মান উন্নত হবে না। শিশু ও নারী পাচারের মতো সামাজিক অবক্ষয়কেও রোখা যাবে না। গরিবের মুখে দু’মুঠো খাবারও তুলে দেওয়া যাবে না। কিন্তু একটা জিনিস হবে, একটা সম্প্রদায় বাহবা দেবে, আর অপর সম্প্রদায় ভয় পাবে, সিঁটিয়ে যাবে! মানুষে মানুষে বৈরিতা চরমে পৌঁছবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় মেরুকরণের এই মওকায় ভোটবাক্সকে সুনিশ্চিত করার চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত পাকা করা যাবে। ভারতীয় গণতন্ত্রকে ঢাল করে এভাবেই কখনও হিন্দু-মুসলমান আবার কখনও ধনী গরিবের বিভাজন চলে আসছে অবলীলায়। নরেন্দ্র মোদি সেটাকেই আরও সুদৃঢ় করার নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
কিন্তু এই কঠিন সময়ে কোনওক্রমে সাফল্যের ঢাক বাজিয়ে একে অপরের পিঠ চাপড়ানোর কোনও মূল্য আছে কি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ছুটে চলা মানুষের কাছে? সত্তরদিনের ওপর কাজকর্ম শিকেয়। চাল ডাল তেল নুনের বাইরে কোনও ভোগ্য পণ্যের বিক্রি কবে আবার স্বাভাবিক হবে জানা নেই কারও, অথচ সরকার মেতে এনআরসি, তিন তালাক আর ৩৭০ ধারার বিলোপের সাফল্য প্রচারে। অর্থনীতির কথা নয় ছেড়েই দিলাম, কী চলছে লাদাখ সীমান্তে? কেন এত সেনা মোতায়েন, যুদ্ধ বিমানের অনবরত চক্কর। পাকিস্তান না হয় ভারতের চিরশত্রু, কিন্তু শান্ত, নিরীহ নেপালও কেন রাতারাতি সবকিছুতে এত চড়া সুরে বিরোধিতা করতে শুরু করল? চীনের উস্কানি আছে মানলাম, কিন্তু বিদেশনীতির ব্যর্থতাটাকে ওই বলে কি আড়াল করা যাবে? করদাতাদের কোটি কোটি টাকা খরচ করে বার বার বিদেশ সফরের এই তাহলে নিট ফল! দেশের শত্রুর সংখ্যা বৃদ্ধি মোটেই ভালো কথা নয়। রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান ও নেপাল একজোট হলে তা মোদি সরকারের বিদেশনীতির সাফল্য হিসেবে কখনও গণ্য হতে পারে না। আর মার্কিন বন্ধুত্ব যে আসলে ভারতকে দামি অস্ত্র বিক্রিরই দীর্ঘমেয়াদি কৌশল তা কে না জানে!
এ হেন মোদি সরকার তথা শাসক বিজেপির এখন প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে ডালপালা বিস্তার করা। তাই বাংলা যখন করোনা, লকডাউন ও শতাব্দীর অন্যতম শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে বিপন্ন তখন সেদিকে বিশেষ আমল না দিয়ে বাংলার রাজ্যপাট দখলেরই স্বপ্ন দেখছেন নরেন্দ্র মোদির লেফটেন্যান্ট অমিত শাহ। গেরুয়া শিবিরের সেই স্বপ্ন অচিরেই দুঃস্বপ্নে পরিণত হতে বাধ্য। কারণ বাংলার মানুষ তাঁর শিকড়টাকে খুব ভালো চেনে। বাংলার মাটি জানে দুর্দিনে শেষ পর্যন্ত লড়াই করবেন মমতাই। অন্যরা যে ভোট এলে বিমান ছুটিয়ে এসে বড় বড় ভাষণ দিয়েই পালিয়ে যাবেন, তা তাঁদের অজানা নয়। রাজ্যের প্রতি দিল্লির অবহেলা আজ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে রাজ্যে উম-পুনের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে কেন্দ্রীয় দল আসার আগেই উদ্বিগ্ন ফরাসি প্রেসিডেন্টের ফোন এসেছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ দুর্গতদের ক্ষতিপূরণে প্রায় ১৭০০ কোটি টাকার সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। অথচ কেন্দ্রীয় সরকার দিয়েছে মাত্র ১ হাজার কোটি টাকা। আর তেমন কোনও ক্ষয়ক্ষতি না-হলেও ওড়িশা পেয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। কিন্তু বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর নাম যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখন অপমান আর বঞ্চনা করে, হুমকি দিয়ে তাঁকে দমিয়ে রাখা গেরুয়া শিবিরের পক্ষে কার্যত অসম্ভব। তাই দিল্লি যতই অবহেলা করুক, সীমিত ক্ষমতার মধ্যে মমতার সরকার ইতিমধ্যেই ৬ হাজার ৩০০ কোটি টাকা বের করে দিয়েছে আর্ত, দুর্গত মানুষের সেবায়। অথচ ভুল ধরার গোঁসাইরা বুক ফুলিয়ে সমালোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন নেত্রীর। ভাবটা এমন যেন মুহূর্তে সব ঠিক করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন ওঁরা। এই দুর্দিনে সহযোগিতার বদলে যে-শক্তি ক্ষমতা দখলের খোয়াব দেখে, যারা মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে বিভাজনের বিষ বপনের সঙ্কীর্ণ রাজনীতিকে পাখির চোখ করে, তাদের হাতে বাংলার ভবিষ্যৎ বিপন্ন। বাংলার মানুষ সেই ভুল সহজে করবে না। ২০২১-র বিধানসভা ভোটে অমিত শাহদের স্বপ্নও তাই দুঃস্বপ্নে পরিণত হতে বাধ্য। 
07th  June, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
একনজরে
লখনউ ও কানপুর: কানপুর এনকাউন্টারে ৮ পুলিসকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত বিকাশ দুবে এখনও অধরা। কুখ্যাত এই দুষ্কৃতীর খোঁজে ২৫টিরও বেশি দল গড়ল উত্তরপ্রদেশ পুলিস। পাশাপাশি, ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: যত দিন গড়াচ্ছে অশোকনগর শহরে ততই দাপট বাড়াচ্ছে করোনা। শুক্রবার রাতে করোনা-আক্রান্ত এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া নতুন করে আরও ৬ জন ...

সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: শুক্রবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমণ্ডি থানার বাগঢোল এলাকায় এক বৃদ্ধার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃত বৃদ্ধার নাম নালো সরকার(৬০)। তাঁর বাড়ি বাগঢোল গ্রামেই।  ...

নিউ ইয়র্ক: হাতে ‘বয়কট চীন’ প্ল্যাকার্ড। মুখে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বয়কটের ডাক। শনিবার নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে জমায়েত হয়ে চীনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন ভারতীয় ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২০/৪২ দিবা ১/১৭। জ্যেষ্ঠা ৪৭/৫০ রাত্রি ১২/৮। সূর্যোদয় ৫/০/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/২২। অমৃতযোগ দিবা ১২/২৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৫২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩/৩৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২০ গতে ১১/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে। 
১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী দিবা ১২/৫০। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ১২/২৭। সূযোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/২ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
১১ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এটিকে-এমবির বোর্ডে সৌরভ 
জল্পনা ছিলই। শেষ পর্যন্ত বিস্তর আলোচনার পর এটিকে-এমবি প্রাইভেট লিমিটেডের ...বিশদ

10:33:05 AM

আগামীকাল কুলতলিতে বনধ ডাকল এসইউসিআই 
দলের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সুধাংশু জানাকে খুন ও মৈপীঠ অঞ্চলে ...বিশদ

10:26:59 AM

বড়বাজারে একটি বাড়িতে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ২টি ইঞ্জিন 

10:15:04 AM

দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত প্রায় ২৫ হাজার 
প্রতিদিনই সংক্রমণের নিরিখে রেকর্ড গড়ছে দেশ। এবার প্রায় ২৫ হাজার ...বিশদ

10:12:55 AM

কলকাতা হাইকোর্ট: কাল থেকে নিজের ঝুঁকিতে সশরীরে শুনানি করা যাবে 
মামলাকারী বা তাঁর আইনজীবী নিজের ঝুঁকিতে আগামী ৬ জুলাই থেকে ...বিশদ

09:05:28 AM

করোনায় আক্রান্ত সিএবি কর্মী 
করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর ...বিশদ

08:45:00 AM