Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আনলক পর্বেই শুরু আসল লড়াই
তন্ময় মল্লিক

খেলতে নামার আগে খেলোয়াড়রা দৌড় ঝাঁপ করে গা ঘামিয়ে নেন। সে ফুটবলই হোক বা ক্রিকেট। প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাস্ত করার লড়াইয়ে নামার আগে শরীরের পেশিগুলো সচল করে নেওয়াটাই রীতি। খেলার পরিভাষায় যাকে বলে ‘ওয়ার্ম আপ’। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য লকডাউন আমাদের কাছেও ছিল সেই ওয়ার্ম আপ। এতদিন আমরা গৃহবন্দি থেকে করোনাকে এড়িয়ে চলেছি। অনেকটা লুকোচুরি খেলার মতো নিজেদের আড়ালে রাখার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছি। সেটা ছিল লড়াইয়ে নামার প্রস্তুতি। কিন্তু, এবার আসল লড়াই। লড়াইটা মুখোমুখি। জীবনকে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরানোর জন্য রাস্তায় নামা ছাড়া উপায় নেই। আবার রাস্তায় নেমেও নিজেকে রক্ষা করতে হবে করোনার ছোবল থেকে। ফলে আমরা পড়েছি এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে। তাই আনলক পর্বেই শুরু হল করোনার বিরুদ্ধে প্রকৃত লড়াই।
কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার আনলক পর্ব শুরু করতেই একটা প্রশ্ন মানুষের মধ্যে ভীষণভাবে ঘুরপাক খাচ্ছে, করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যখন প্রতিদিন রেকর্ড গড়ছে তখন সব কিছু খুলে দেওয়া কি ঠিক হল? তাহলে লকডাউন করে কী লাভ হল? এমন
প্রশ্ন ওঠাটা খুবই স্বাভাবিক। কারণ প্রতিটি
রাজ্যেই আক্রান্তের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। এমনকী, যে
কেরল করোনা মোকাবিলায় দেশের মডেল হিসেবে নিজেদের তুলে ধরেছিল, সেখানেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা অনেকেই বলছেন, প্রথম দফায় যে ২১দিনের লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল, তা দেশের সর্বত্র কঠোরভাবে মানলে করোনাকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হতো। কিন্তু, সেই সুযোগটা আমরা কাজে লাগাতে পারিনি। করোনাকে আমরা তখন অনেকেই হাল্কাভাবে নিয়েছিলাম।
তার সুযোগ নিয়েছে করোনা। সে তার নিজের গতিতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়িয়ে গিয়েছে। অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের মতো ক্রিজে টিকে থেকে এখন চার, ছক্কা হাঁকাচ্ছে। সরকারও এক, দুই, তিন করে লকডাউনের পর্যায় বাড়িয়ে গিয়েছে। কিন্তু, চার দফার লকডাউন শেষে বোঝা গেল, করোনাকে এভাবে আটকে রাখা যাবে না। উল্টে দিনের পর দিন লকডাউন চালিয়ে যেতে থাকলে না খেয়ে মরাটাই ভবিতব্য
হবে। সামনেই বর্ষা। এই সময় গৃহবন্দি হয়ে থাকলে চাষের বারোটা বাজবে। টান পড়বে খাদ্য ভাণ্ডারে।
এই বর্ষাতেই সব থেকে বেশি ধানচাষ হয়। ভালো
বর্ষা হলে বদলে যায় দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, এবার ভালো বর্ষা হবে। মুখ থুবড়ে পড়া দেশের অর্থনীতিকে কিছুটা অক্সিজেন জোগাতে পারে বর্ষা। সেই সুযোগ হাতছাড়া হলে বিপদ আরও বাড়বে।
প্রায় আড়াই মাসের লকডাউনে বদলে গিয়েছে অনেক কিছুই। ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, নিজেকে যথাসম্ভব পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা অভ্যেসে পরিণত হয়েছে। আমরা বেশিরভাগ মানুষই বুঝে গিয়েছি, মাস্ক আর স্যানিটাইজার জীবনের রক্ষাকবচ। প্রায় তিন মাস হতে চলল এখনও বহু বাড়িতে
কাজের লোকের জন্য ঝুলছে ‘নো এন্ট্রি’ বোর্ড।
আর যাঁদের বাড়িতে আসছেন তাঁরাও যথেষ্ট সতর্ক। হাত ধোয়ার জন্য থাকছে পৃথক সাবান। এমনকী, অনেকে মাস্কও দিচ্ছেন। বজায় রাখছেন দূরত্ব। কারণ বোধগম্য হয়েছে, নিকট ভবিষ্যতে করোনা নির্মূল হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। করোনাকে নিয়েই বাঁচতে হবে। তবে চলতে হবে তাকে এড়িয়ে।
লকডাউন ছিল করোনা মোকাবিলার একটা প্রস্তুতি পর্ব। লকডাউন করে সংক্রমণের গতি কিছুটা হলেও কমানো গিয়েছে। পাওয়া গিয়েছে করোনা বিরোধী লড়াইয়ে নিজেদের প্রস্তুত করার সময়। দেশজুড়ে টেস্টিং সেন্টারের সংখ্যা অনেকটা বাড়ানো গিয়েছে। তৈরি হয়েছে বহু করোনা হাসপাতাল। স্বাস্থ্য কর্মীদের প্রশিক্ষিত করা গিয়েছে। অধিকাংশ মানুষই হয়েছেন সচেতন। আর তার জন্যই করোনার কাছে আত্মসমর্পণ করতে হয়নি, জারি রাখা গিয়েছে জবরদস্ত লড়াই।
একথা মানতেই হবে, জনসংখ্যা এবং আক্রান্তের বিচারে যে পরিকাঠামো গড়ে তোলা গিয়েছে, তা যথেষ্ট নয়। তাই প্রতিটি হাসপাতালে হাজার হাজার নমুনা পেন্ডিং পড়ে রয়েছে। মানুষ চূড়ান্ত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। রিপোর্ট আসার আগেই অনেকে মারা যাচ্ছেন। রিপোর্ট দেরিতে আসায় মৃতের পরিবারকে দেহ নেওয়ার জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে। সহ্য করতে হচ্ছে এক অসহনীয় মানসিক যন্ত্রণা। দিন যত যাবে, এই সঙ্কট আরও ঘনীভূত হবে।
তবে, তার জন্য ভয় পেয়ে গেলে চলবে না। আতঙ্কিত না হয়ে নিতে হবে পরিকল্পনা। নিখুঁত পরিকল্পনায় যে সুফল পাওয়া যায় তার নজির আমাদের রাজ্যেই তৈরি হয়েছে। জুন মাসের
গোড়ায় ঝাড়গ্রাম জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১১। তার মধ্যে পাঁচজন ঝাড়গ্রামের
বাসিন্দা হলেও আক্রান্ত হয়েছিলেন অন্য জেলায়। আর জেলায় আক্রান্ত ছ’জনের মধ্যে তিনজনই পরিযায়ী শ্রমিক। ৩ জুন পর্যন্ত জেলার সকল করোনা আক্রান্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
এর পিছনে কোনও ম্যাজিক নেই। আছে নিখুঁত পরিকল্পনা। ঝাড়গ্রাম জেলার জেলাশাসক আয়েষারানি এ কেরলের বাসিন্দা। নিপায় আক্রান্ত হওয়ার অভিজ্ঞতা তাঁর রাজ্যের আছে। তাঁর সেই অভিজ্ঞতা যথেষ্ট কাজ দিয়েছে। তিনি বুঝেছিলেন, করোনার মোকাবিলা করতে গেলে সব চেয়ে বেশি দরকার জনগণের সহযোগিতা। মানুষকে ঠিকমতো বোঝাতে পারলেই আসবে সাফল্য। তাই পুলিস, স্বাস্থ্য দপ্তর ও জেলা প্রশাসনকে একছাতার নীচে এনে মানুষকে লাগাতার সচেতন করে গিয়েছেন। লকডাউন ঘোষণা হতেই সিল করে দিয়েছিলেন জেলার ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড রাজ্যের বর্ডার। পাশাপাশি অন্য জেলা থেকেও কেউ যাতে ঢুকতে না পারে তার জন্যও গুপ্তমনি সীমানায় ছিল পুলিসের কড়া নজরদারি।
সাধারণ মানুষকে বোঝানোর পাশাপাশি ওষুধের দোকানগুলিতে ক্রেতাদের নাম ও ফোন নম্বর
লিখে রাখতে বলা হয়েছিল। এমনকী, কেউ বেশি জ্বরের ওষুধ কিনলেই বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জ্বরের ওষুধ কোনও বাড়িতে বেশি গেলেই স্বাস্থ্যকর্মীরা গিয়ে জানতে চাইছিলেন, জ্বর হয়েছিল শুনলাম, এখন কেমন আছেন? তাতে মানুষ আতঙ্কিত হয়নি। বরং ভরসা পেয়েছিল, প্রশাসন আছে পাশে।
ঝাড়গ্রামের উপর দিয়ে কোনও পরিযায়ী শ্রমিককে হেঁটে বা সাইকেলে বাড়ি ফিরতে দেওয়া হয়নি। একটি ঘটনার কথা বললে বোঝা যাবে, প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি। ২৪ মে বিকেল তিনটে নাগাদ গুজরাত থেকে জাতীয় সড়ক ধরে ঝাড়গ্রাম হয়ে সাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ১৪ জন পরিযায়ী শ্রমিক। জেলাশাসক নয়াগ্রাম থেকে ফেরার সময় বাঁকশোলের কাছে তাঁদের দেখতে পান। দেখামাত্র জেলাশাসক তাঁদের থামিয়ে লোধাশুলি পথসাথীতে তোলেন। সেখানে খাইয়ে সকলকে নতুন জামাকাপড় দিয়ে বাসে করে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পাঠিয়ে দেন। এইভাবে বেশ কয়েকবার পরিযায়ী শ্রমিকদের বাসে করে বাড়ি ফিরিয়েছে প্রশাসন। কারণ প্রশাসন বুঝেছিল, বাইরের সংক্রমণ ঠেকানো গেলেই ঝাড়গ্রামকে বিপদমুক্ত রাখা যাবে। নিখুঁত পরিকল্পনা। ফলও মিলেছে হাতেনাতে। তাই দেশজুড়ে করোনার তাণ্ডবলীলা চললেও জুনের গোড়ায় ঝাড়গ্রাম জেলা করোনাশূন্য।
আমরা একটা ঝড়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি। ঝড়ের আগের, আর পরের অবস্থার মধ্যে বিস্তর ফারাক। কখনওই ঝড়ের আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়
না। অনেক কিছুই নতুন করে শুরু করতে হয়। রাতারাতি আগের জীবনে ফিরে পাওয়ার চেষ্টা
করলে শুধু ভুল হবে না, আমরা বিপদ ডেকে আনব। গন্তব্যে পৌঁছনোর জন্য ভুলতে হবে মারামারি, ঠেলাঠেলির অভ্যেস। হতে হবে সংযত, দিতে
হবে ধৈর্যের পরীক্ষা। আড়াই, তিন মাস ধরে কোটি কোটি মানুষ ধৈর্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বলেই ১৩০ কোটির দেশ হয়েও আক্রান্তের তালিকায় আমরা এখনও শীর্ষে উঠে যাইনি।
আমাদের দেশে করোনা থাবা বসিয়েছে অনেক পরে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার আক্রমণ
শিখরে পৌঁছবে জুলাই মাসে। এখনই প্রতিদিন
নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজারের আশপাশে।
এই গতি জুলাই মাস পর্যন্ত বজায় থাকলে
সংক্রমণের গ্রাফ আকাশ ছোঁবে। তবে তারই মধ্যে আশার কথা, আমাদের দেশে সুস্থ হয়ে ঘরে ফেরা মানুষের সংখ্যাও প্রচুর।
আনলক মানে খুলে দেওয়া। কিন্তু, খুলে দেওয়ার অর্থ খুল্লম খুল্লা নয়। বন্দিদশা থেকে মুক্তির অর্থ, বাঁধনহারা উচ্ছ্বাস নয়। সব কিছু আগের মতো হয়ে গেল, এমনটা ভাবলে খুব ভুল হয়ে যাবে। বরং
আরও বেশি সংযমী, আরও বেশি হিসেবি, আরও বেশি সতর্ক হতে হবে। কারণ লকডাউন পর্বে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইটা ছিল যুদ্ধের মহড়া।
আনলক পর্বেই শুরু হয়েছে আসল যুদ্ধ। এবার লড়াইটা রাস্তায় এবং মুখোমুখি। 
06th  June, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
একনজরে
লখনউ ও কানপুর: কানপুর এনকাউন্টারে ৮ পুলিসকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত বিকাশ দুবে এখনও অধরা। কুখ্যাত এই দুষ্কৃতীর খোঁজে ২৫টিরও বেশি দল গড়ল উত্তরপ্রদেশ পুলিস। পাশাপাশি, ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা ‘প্রফেশনাল আয়ুর্বেদাচার্য’ বা বিএএমএস পরীক্ষা ৩১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট।   ...

নিউ ইয়র্ক: হাতে ‘বয়কট চীন’ প্ল্যাকার্ড। মুখে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বয়কটের ডাক। শনিবার নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে জমায়েত হয়ে চীনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন ভারতীয় ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর কোভিড-১৯ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আপাতত এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে সিএবি।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২০/৪২ দিবা ১/১৭। জ্যেষ্ঠা ৪৭/৫০ রাত্রি ১২/৮। সূর্যোদয় ৫/০/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/২২। অমৃতযোগ দিবা ১২/২৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৫২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩/৩৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২০ গতে ১১/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে। 
১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী দিবা ১২/৫০। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ১২/২৭। সূযোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/২ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
১১ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কলকাতা হাইকোর্ট: কাল থেকে নিজের ঝুঁকিতে সশরীরে শুনানি করা যাবে 
মামলাকারী বা তাঁর আইনজীবী নিজের ঝুঁকিতে আগামী ৬ জুলাই থেকে ...বিশদ

09:05:28 AM

এটিকে-এমবির বোর্ডে সৌরভ 
জল্পনা ছিলই। শেষ পর্যন্ত বিস্তর আলোচনার পর এটিকে-এমবি প্রাইভেট লিমিটেডের ...বিশদ

09:00:00 AM

করোনায় আক্রান্ত সিএবি কর্মী 
করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর ...বিশদ

08:45:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম২০০৫: ক্রিকেটার ...বিশদ

08:36:39 AM

অবৈধ নিয়োগপত্র নিয়ে যোগদানের চেষ্টা, স্কুলগুলিকে সতর্ক করল এসএসসি 
নিয়োগের সময়সীমা পেরিয়েছে গতবছর এপ্রিলে। তা সত্ত্বেও বহু স্কুলে গ্রুপ ...বিশদ

08:30:00 AM

আজকের রাশিফল  
মেষ: অর্থভাগ্য ভালো। বৃষ: কোন বৈষয়িক সমস্যার সমাধান হবে। মিথুন: কোনও মামলার মীমাংসার ...বিশদ

08:06:20 AM