Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আমাদেরও দম
আটকে আসছে
মৃণালকান্তি দাস

মার্কিন ভণ্ডামি! এটাই ছিল আমেরিকার প্রথম সারির সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্টের সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ। ৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের হত্যাকাণ্ড। জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যু রাতারাতি বদলে দিয়েছে করোনা আক্রান্ত নিস্তব্ধ আমেরিকাকে। একেই করোনার থাবায় এক লাখেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি। তার উপর বর্ণবিদ্বেষ বিরোধী আন্দোলন পরিস্থিতিকে আরও অগ্নিগর্ভ করে তুলেছে। ওয়াশিংটনের রাস্তায় চলছে অবাধে ভাঙচুর। নিউ ইয়র্কের রাস্তায় দোতলা সমান আগুন জ্বলছে। কোথাও পুলিস কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ছে। কোথাও পুলিসই হাঁটু মুড়ে ক্ষমা চাইছে বিক্ষোভকারীদের কাছে। দফায় দফায় ঘেরাও হচ্ছে হোয়াইট হাউসও। বিক্ষোভকারীদের ভয়ে বিশ্ব-কাঁপানো মার্কিন রাষ্ট্রপতিকে লুকিয়ে পড়তে হচ্ছে গোপন বাঙ্কারে। প্রায় ৪০ শহরে জারি করা হয়েছে কারফিউ।
ঘটনাটি ছিল সাদামাটা। বছর ছেচল্লিশের জর্জ ফ্লয়েড একটা দোকানে ঢুকেছিলেন সিগারেট কিনতে। ওই দোকানের এক কর্মচারীর অভিযোগ, ফ্লয়েড ২০ ডলারের একটা জাল নোট ব্যবহার করেছিলেন। ওই কর্মী যখন তা বুঝতে পারেন, ফ্লয়েড ততক্ষণে দোকান থেকে বেরিয়ে গিয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে ওই কর্মী দোকানের বাইরে বেরিয়ে আসেন। দেখেন ফ্লয়েড তাঁর গাড়িতে বসে। তাঁকে জাল নোটের ব্যাপারে জানালে ফ্লয়েড অভিযোগ অস্বীকার করেন। স্বভাবতই ওই দোকানকর্মী পুলিস ডাকেন। মুহূর্তে পুলিস ছুটে আসে। ফ্লয়েড পুলিসের কাছেও অভিযোগ অস্বীকার করেন। ওই দোকানের ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরায় দেখা গিয়েছে, এরপরই উত্তেজিত হয়ে পড়েন ওই শ্বেতাঙ্গ পুলিসকর্তা ডেরেক শভিন। ফ্লয়েড ‘অপরাধী’, এমন কোনও তথ্য পুলিসের কাছে ছিল না। ফ্লয়েডের কাছে কোনও অস্ত্রও ছিল না। ফ্লয়েড কাউকে মারতেও উদ্যত হননি। তবু ফ্লয়েডকে গাড়ি থেকে টেনে বের করে, তাঁকে মাটিতে ফেলে দিয়ে, নৃশংসের মতো তাঁর ঘাড় নিজের হাঁটু দিয়ে সজোরে চেপে ধরেন শভিন। সেই চাপ বাড়তেই থাকে। দম বন্ধ হয়ে আসে। ফ্লয়েড শেষ মুহূর্তে চেঁচিয়ে ওঠেন, ‘আই কান্ট ব্রিদ’—আমার দম আটকে আসছে, আমি শ্বাস নিতে পারছি না। ফ্লয়েডের জীবনের বাতাস কেড়ে নিয়েছিলেন শ্বেতাঙ্গ পুলিসকর্তা। ভয়ঙ্কর সেই দৃশ্য। ভাবুন একবার, হাসপাতালে শুয়ে শেষ নিঃশ্বাসের আগে করোনা আক্রান্ত কোনও মানুষ ঠিক যেমন আর্তনাদ করে ওঠেন। দম আটকে আসছে...। শ্বাস নেওয়ার কী করুণ আকুতি! ঠিক এমন করেই তো আমেরিকার জনগণ শহরে শহরে আগুন জ্বেলে এক লাখ আমেরিকানের মৃত্যু আর অসহ্য অর্থনৈতিক কষ্টের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে দায়ী করে বলছেন, ‘আর শ্বাস নিতে পারছি না’।
মহামারী আর বঞ্চনার জালে আটকে যাওয়া সব দুর্গত মানুষের হৃদয়ের আওয়াজটাই জর্জের মুখ দিয়ে বেরিয়েছে, ‘আমার দম আটকে আসছে’। এ তো দুনিয়ার কোটি কোটি মানুষের যন্ত্রণার কথা। বৈষম্য থাকলেই বিপ্লব হয় না। কিন্তু হঠাৎ ক্রয়ক্ষমতা হারিয়ে ফেলা মানুষ খিদের জ্বালায় দিশাহীন হয়ে রাস্তায় নেমে পড়তে পারে। বৈষম্যের সমাজটা হল ‘মাইনফিল্ড’-এর মতো। মানবজমিনের তলায় এখানে–সেখানে ছড়িয়ে থাকে অসন্তোষের ‘বোমা’। কখন কোনটার উপর কার পা পড়বে, আর তখন কী ধরনের বিস্ফোরণ ঘটবে, তার পূর্বাভাস জানা কোনও রাষ্ট্রের পক্ষেই সম্ভব নয়। আবার কখন কোন আর্তনাদ বোবা হয়ে থাকা মানুষের মুখে প্রতিবাদের ভাষা ফোটাবে, তা–ও আগাম বলা যায় না।
শিল্পায়নের প্রথম যুগে শ্রমিকরা যন্ত্রণা সইতে না পারলে কারখানা ভাঙচুর করত, আধুনিক সভ্যতার বঞ্চিত মানুষ দোকানপাটে হামলা চালায়, লুটপাট করে। তফাত এটাই। বিক্ষোভকারীরা কারা? তারা শুধু ফ্লয়েডের মতো বৈষম্যের শিকার কালো বা বাদামি মানুষ নন—ভীষণ বৈষম্যপূর্ণ আমেরিকান অর্থনীতির সৌধ যাদের মাথার উপর ভেঙে পড়েছে, তারাও নেমেছে রাজপথে। যে এক লাখের বেশি মার্কিন নাগরিক করোনার ছোবলে জীবন হারিয়েছেন, যাঁদের মধ্যে কালো ও গরিব মানুষেরাই বেশি— এঁরা তাঁদেরও স্বজন, তাঁদের মতোই বিপন্ন। আরব বসন্তের স্ফুলিঙ্গ জ্বালানো তিউনিসীয় ফেরিওয়ালা মহামেদ বুয়াজিজির মৃত্যুর কথা মনে আছে? জর্জ ফ্লয়েড যেন সেই রকম মার্কিন বিক্ষোভের প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের কলাম লেখক রেক্সোনা গে একরাশ যন্ত্রণা নিয়ে লিখেছেন: ‘করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক আজ না হয় কাল আবিষ্কৃত হবেই। কিন্তু আমেরিকার মতো মহান দেশে বর্ণবিদ্বেষের যে বিষাক্ত ভাইরাস ছড়িয়ে আছে, তার টিকা কি আবিষ্কার করা যাবে? শুধু হ্যাশট্যাগের বর্ণবিদ্বেষ বিরোধিতা কি আমেরিকাকে রক্ষা করতে পারবে?’ আমেরিকার কালো মানুষেরা চারশো বছর ধরে অনেক অত্যাচার সহ্য করেছেন। দুশো বছর শিকার হয়েছেন দাসপ্রথা নামে বর্বরধারায়। আর আরও একশো বছর ধরে তীব্র বর্ণবৈষম্য, অর্থনৈতিক বৈষম্য ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের। তাঁদের মানবাধিকার হরণ করা হয়েছে নিষ্ঠুরভাবে। শুনলে অবাক হবেন, কোথাও কোথাও আজও শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের বাথরুম, এমনকী জলের কলও পর্যন্ত আলাদা।
‘আমার দম আটকে আসছে’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভকারীরা হোয়াইট হাউসের বাইরে। কার্ফু ভেঙেই নিউ ইয়র্ক, আটলান্টা, লাস ভেগাসের রাস্তায় রাস্তায় দেদার ভাঙচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগের ঘটনা। সেই ১৯৬৮ সালে মার্টিন লুথার কিংয়ের হত্যার পর যে বিশাল জনরোষ আমেরিকার বিবেককে নাড়া দিয়ে গিয়েছিল, আজ আরও একবার যেন সেই জনরোষের প্রতিচ্ছবি।
এই ভয়ঙ্কর স্বাস্থ্যসঙ্কটের মধ্যেও লকডাউন ও সামাজিক দূরত্ব অগ্রাহ্য করে লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণী রাস্তায় নেমেছেন কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েডের ওপর পুলিসের বর্বরতার প্রতিবাদ জানাতে। মিনিয়াপোলিসে নিরস্ত্র ফ্লয়েডের ঘাড় হাঁটু দিয়ে চেপে সশস্ত্র পুলিশ অফিসারের মেরে ফেলার ছবি এখন গোটা দুনিয়ায় ভাইরাল। বিশ্বের সর্বত্র মানুষ এই আমেরিকাকে দেখে স্তম্ভিত। বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে আজীবন লড়াই করা মার্টিন লুথার কিংয়ের হত্যাকাণ্ডের ৫২ বছর পর আজ আমেরিকার একটা রিপোর্ট বলছে, মিনিয়াপোলিস থেকে শিকাগো, নিউ ইয়র্ক, ওয়াশিংটন ডিসি, পশ্চিমে লস অ্যাঞ্জেলেস, সানফ্রান্সিসকো, দক্ষিণে হিউস্টন ও ডালাস, এমনকী ছোট শহরেও, যেখানে পুলিসের অত্যাচার ও হত্যার ঘটনা বহু বার ঘটেছে। শুধু জর্জ ফ্লয়েড নন, ২০১৩-১৯ সাল পর্যন্ত আমেরিকায় ৭,৬৬৬ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে আছে সাউথ ক্যারোলিনার চার্লস্টন, যেখানে ২০১৪ সালে কৃষ্ণাঙ্গ যুবক মাইকেল ব্রাউনকে পুলিস গুলি চালিয়ে মেরে ফেলেছিল। আছে নিউ ইয়র্কের ব্রঙ্কস, যেখানে আফ্রিকার গিনি থেকে পড়াশোনা করতে আসা যুবক আমাদু দিয়ালোকে বিনা কারণে পুলিস রাতের অন্ধকারে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল। আছে নিউ ইয়র্কের কুইন্স, যেখানে বিয়ের আগের রাতে ব্যাচেলর্স পার্টি করে বেরনোর সময় কৃষ্ণাঙ্গ যুবক শন বেলকে পুলিস খতম করে দিয়েছিল। মোট মাত্র ১৩ শতাংশ কালো মানুষের বাস হলেও, পুলিসি অত্যাচারে মৃতের সংখ্যা সাদা চামড়ার মানুষের থেকে প্রায় আড়াই গুণ বেশি। কিছু কিছু অঞ্চলে আরও বেশি। যেমন মিনেসোটাতে। যেখানে জর্জের বাড়ি, সেখানে ৪ গুণ।
একসময় আমেরিকা ছিল শিল্প-কারখানার দেশ। কিন্তু গত তিরিশ বছরে দেশটা হয়েছে রেস্টুরেন্ট, হোটেল আর বিনোদন–পরিষেবার দেশ। উৎপাদন চলে গিয়েছে চীনে বা অন্য কোথাও। বিনোদন-ব্যবসায় মজেছে মার্কিনিরা। এদিকে করোনার হানায় গত তিরিশ বছরে তৈরি হওয়া নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রগুলো ধসে গিয়েছে। করোনা-বিধ্বস্ত আমেরিকায় বেকারত্ব লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। তাই কোনও না কোনও অঘটনের ধাক্কায় পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হওয়া ছিল সময়ের অপেক্ষা।
সিস্টেম যদি বিভ্রাটে পড়ে বা ম্যালফাংশন করে, তাহলে শান্তির কলও ম্যালফাংশন করবে। কনজিউমারিজমের উৎসব হল ‘শপিং স্প্রি’ বা উদ্দাম কেনাকাটা। অথচ দোকানে থরে থরে জিনিস সাজানো কিন্তু কিনতে পারছে না অনেক মানুষ। ওই সব দোকানের সেলসম্যানরা বেতন পাচ্ছেন না। সরকার দরিদ্রদের জন্য যে ১২০০ ডলারের চেক দেবে বলেছে, তা পাওয়ার শর্ত পূরণ করাও কঠিন। ফলে অনেকেরই জুটছে না সরকারি সাহায্য। ফলে আগে থেকে তৈরি হওয়া সামাজিক মাইনফিল্ড বিস্ফোরিত হয়েছে জর্জের হত্যাকাণ্ডে। এই অবস্থায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জ্বলন্ত দেশের আগুনে ঘি ছড়িয়ে দিলেন। বিষাক্ত বিদ্বেষ নিয়ে ট্যুইটারে লিখলেন, ‘হোয়েন দ্য লুটিং স্টার্টস, দ্য শুটিং স্টার্টস’ (লুটতরাজ শুরু হলে গুলিও শুরু হবে)। পাড়ার মাস্তানদের ভাষায় বললেন, ‘কুকুর লেলিয়ে দেব। ঠান্ডা করে দেব ওই সব আন্দোলনকে’! ঠান্ডা তো দূরের কথা, আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে আন্দোলন। হিংসা, লুটপাট, আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া কখনওই সমর্থনযোগ্য নয়। কিন্তু আগুন জ্বলছে কেন?
ট্যুইন টাওয়ার ধ্বংসের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ আমেরিকানদের বলেছিলেন, ‘গো শপিং’। স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আর কোনও পথ তাঁর মাথায় আসেনি হয়তো। কিন্তু এটাই সত্য যে, কনজিউমারিস্ট সমাজে শপিং মানে সমাজের বিকল্প সামাজিকতা, ‘ব্যাক টু নরমাল’। ট্রাম্পও তা-ই বলেছেন। কিন্তু হাতে টাকা না থাকা মানুষরা ‘নৈরাজ্য’-এর পথে ‘শপিং’ করছে। ‘শপিং ফর ফ্রি’—নিখরচা কেনাকাটা। যাকে আইনের ভাষায় বলা হয় ‘লুট’। কনজিউমারিজমের মুদ্রার এক পিঠে ‘শপিং স্প্রি’ থাকলে আরেক পিঠে থাকে এই ‘শপিং ফর ফ্রি’।
মার্কিন মুলুকে সেই ছোটবেলা থেকেই শেখানো হয়, ‘কেনাকাটাই আনন্দ, কেনাকাটাই নিরাপত্তা, কেনাকাটাই শক্তি’। শপিং মল হল, আধুনিক বাজারব্যবস্থার তীর্থ। যা কিনা সব অসুখ সারাবার ওষুধের দোকান। কে না জানে, মানুষ তার সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত জিনিস হাতের মুঠোয় না পেলে একসময় ঘৃণা করা শুরু করে। লন্ডন ও প্যারিস দাঙ্গার পর মার্কিন দাঙ্গায় শপিং মল পোড়ানোর হিড়িক আসলে সুখের দোকানে ঢুকতে না পারা, অযোগ্য ও বাতিল হয়ে যাওয়া ক্রেতাদের অসুখী আক্রোশ। তার উপর লিঙ্কন আর লুথারের নির্মিত সমতার মানচিত্র থেকে দিনান্তের আলোর মতোই হারিয়ে যাচ্ছে ‘বহুজাতিক’ আমেরিকা।
এই আমেরিকাই কি আমাদের সেই চেনা আমেরিকা, যার জন্য গর্ব বোধ করা যায়?
এই ‘নতুন’ আমেরিকাকে আমরা চিনি না। আমাদেরও দম আটকে আসছে!
05th  June, 2020
এবার আপনার ক্রোনোলজি
বোঝার সময়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ​​​​​

নরেন্দ্র মোদি মুখ... আর চালিকাশক্তি অমিত শাহ। তিনি নরেন্দ্র মোদির চাণক্য... ম্যানেজ মাস্টার। কিন্তু বাণীবর্ষণে তো প্রশাসন চলে না! নিজের পছন্দসই, পেটোয়া লোকজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসালেও নয়। তাতে শুধু পুতুল নাচ হয়।
বিশদ

‘কারবার শুধু সরকারগুলির সঙ্গে’
পি চিদম্বরম 

শিরোনামের চারটি শব্দে (কারবার শুধু সরকারগুলির সঙ্গে) বিতর্কটাকে বাঁধা উচিত। রাজনৈতিক নেতা (বিরোধী সদস্য এবং মন্ত্রীরা), বিচারপতি, আমলা, ছাত্র, নাগরিক আন্দোলনের কর্মী, সাংবাদিক এবং ব্যবসায়ীদের উপর নজরদারিতে স্পাইওয়্যার ব্যবহার নিয়ে যে বিতর্ক দানা বেঁধেছে, কথাটা বলছি সেই প্রসঙ্গে।
বিশদ

02nd  August, 2021
আপনার টাকা, আপনার চাকরি কতটা নিরাপদ!
হিমাংশু সিংহ

সোজা কথায় কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই দেশের ব্যাঙ্কিং ও বিমা ক্ষেত্রকে বৃহৎ ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেওয়ার আয়োজন সম্পূর্ণ। এবং তা করা হচ্ছে বুক ফুলিয়ে সংসদে প্রায় কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই।
বিশদ

01st  August, 2021
মোদি-বিরোধী জোটের
মূল কাণ্ডারী মমতা
তন্ময় মল্লিক

মোদি-অমিত শাহের চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহস দেখানোয় মমতা হয়ে উঠেছেন জাতীয় রাজনীতির চর্চিত চরিত্র। বাংলার নির্বাচনকে ‘প্রেস্টিজ ফাইটে’র জায়গায় নিয়ে যাওয়ায় নরেন্দ্র মোদিই নিজের বিপদ নিজে ডেকে এনেছেন। বাংলায় বিজেপির ভরাডুবির পর থেকেই দেশের মানুষ ভাবতে শুরু করেছেন, মমতাই পারবেন।
বিশদ

31st  July, 2021
মমতার গতিশীল রাজনীতির
টক্করে ব্যর্থ বিরোধীরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 

রাজ্য কংগ্রেস ও সিপিএমের সামনে ব্লাইন্ড লেন। সোনিয়ার সঙ্গে মমতার সাক্ষাৎ, মমতার জোট আহ্বানে সব দলের সবুজ সংকেতের পর এ রাজ্যে এই দু‌ই দলের মমতা বিরোধিতা হাস্যকর। তবু হয়তো এ রাজ্যের বিরোধীরা একটি পথ গ্রহণ করবে। সেটি হল, মমতার দিল্লিমুখী রাজনীতি নিয়ে হাসাহাসি করা, আক্রমণ করা, তাঁকে অতি উচ্চাকাঙ্ক্ষী তকমা দিয়ে কটাক্ষ করা, ব্যঙ্গবিদ্রুপ করা। বিশদ

30th  July, 2021
অগ্নিগর্ভ আফগানিস্তানে
অনিশ্চয়তার দুলুনি!
মৃণালকান্তি দাস

কাবুলে নতুন আফগান পার্লামেন্ট ভবনটিও তৈরি করেছে ভারত। নির্মীয়মান শত শত প্রকল্পের এখন কী হবে? ভারতের নীতি-নির্ধারকরা এখন সেই চিন্তায় অস্থির। তাছাড়া মধ্য এশিয়ার বাজারে ঢুকতে ভারতের জন্য আফগানিস্তান খুবই জরুরি।
বিশদ

29th  July, 2021
মানবাধিকার, গণতন্ত্র যখন অতি স্পর্শকাতর শব্দ
হারাধন চৌধুরী

সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করে নিউজিল্যান্ডের নাগরিকরা। আর অত্যন্ত মর্মান্তিক হাল সিরিয়ায়। ভারতের পজিশন ১১১! তার সোজা-সাপ্টা মানে, মোদির ভারতের অবস্থান খারাপের দিকেরই শীর্ষে! আমাদের জন্য দুটি সান্ত্বনা: চীন ও পাকিস্তানের র‌্যাঙ্ক যথাক্রমে ১২৯ ও ১৪০। বিশদ

28th  July, 2021
সাধারণের করের টাকায় নজরদারির শ্রাদ্ধ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট করেছেন... ভারতের যুব সম্প্রদায়কে যেভাবে ‘মন কি বাত’ আকর্ষণ করছে, তাতে তিনি ভীষণ খুশি। ওলিম্পিকস শুরু হয়েছে। টিভির পর্দায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই এখন একটাই সরকারি স্লোগানে ডুবে, ‘চিয়ার ফর ইন্ডিয়া’... হাত মুঠো করে সামনের দিকে ঘুষি ছুড়তে হবে।
বিশদ

27th  July, 2021
সরকার পক্ষীরাজের পিঠে সওয়ার
পি চিদম্বরম

একজন মন্ত্রী এই মর্মে শপথ নেন যে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন। মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সময় তিনি কোনও অশুভ শক্তিকে ভয় পাবেন না কিংবা পছন্দের কারও প্রতি পক্ষপাতিত্ব করবেন না।
বিশদ

26th  July, 2021
 অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে বন্ধ্যাত্বের শাপমুক্তি ঘটছে
ডাঃ গৌতম খাস্তগীর

২৫ জুলাই বিশ্ব নলজাতক দিবস যেন সুপ্রজননবিদ্যার অদৃশ্য জয়ধ্বজা ওড়ানোর দিন। বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার ত্যাগ, তিতিক্ষা, ধৈর্য, অসহিষ্ণুতা জয়, পরিশ্রমের নির্যাস এই বিশেষ দিন, যার পোশাকি নাম ওয়ার্ল্ড ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন ডে। আজকেই তো সেইদিন যখন টাইম মেশিনে চড়ে পিছিয়ে যাওয়া কয়েক দশক।
বিশদ

25th  July, 2021
সংবাদপত্রের উপর আবার আঘাত
হিমাংশু সিংহ

‘গঙ্গা ঝুট নেহি বোলতে’। গঙ্গা কখনও মিথ্যে বলে না। দৈনিক ভাস্করের সম্পাদক ওম গৌড়ের এই প্রতিবেদনটি ঝড় তুলেছিল গোটা দেশে। দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতা, গঙ্গায় সারি সারি লাশের ভেসে যাওয়া, অক্সিজেনের সঙ্কট এবং সর্বোপরি একটা বেডের জন্য এ হাসপাতাল থেকে ও হাসপাতালে ছোটাছুটির জীবন্ত ছবি নিজের কলমে এঁকেছিলেন সম্পাদক ওম গৌড়।
বিশদ

25th  July, 2021
টক্কর নিতে গিয়ে হাসির
খোরাক হচ্ছে বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

প্রতিযোগিতা থাকা ভালো, কিন্তু রেষারেষি মোটেই কাম্য নয়। প্রতিযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যায়, দেয় প্রতিষ্ঠা। রেষারেষিতেও এগনো যায়। তবে, তার মধ্যে থাকে প্রতিশোধ নেওয়ার বাসনা।
বিশদ

24th  July, 2021
একনজরে
হংকংয়ে গণতন্ত্রের দাবিতে সরব হয়েছিলেন জনপ্রিয় গায়ক অ্যান্টনি ওং। সেই কারণে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল চীনের মদতপুষ্ট হংকংয়ের দুর্নীতি দমন শাখা। ...

ওষুধের দোকানের আড়ালে চলছে মাদক কারবার। প্রধাননগর থানার সহযোগিতায় সিকিম পুলিস দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করার পর এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। তাঁরা জানিয়েছেন, শিলিগুড়িতে ওষুধের ...

করোনা থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে গত বছর জুলাই মাসে দু’টি স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প এনেছিল কেন্দ্র। বিমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইনসিওরেন্স রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া বা আইআরডিএআই দেশের সব ক’টি সাধারণ বিমা সংস্থাকে ‘করোনা কবচ’ এবং ‘করোনা রক্ষক’ নামে ওই বিমা ...

চলতি মাসে গৃহঋণের উপর প্রসেসিং ফি মকুব করল স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। সাধারণভাবে এই ব্যাঙ্ক হোম লোনের উপর ০.৪০ শতাংশ প্রসেসিং ফি নেয়। তা আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত নেওয়া হবে না। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের পক্ষে শুভ দিন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফলতার সম্ভাবনা। উদাসীনতায় কাজে ও উপার্জনে বাধার আশঙ্কা। বন্ধুর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৪: প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল জার্মানি
১৯৫৬: ভারতীয় ক্রিকেটার এবং কোচ বলবিন্দর সিং সান্ধুর জন্ম
১৯৫৭ - মহাত্মা গান্ধীর কনিষ্ঠ পুত্র তথা বিশিষ্ট সাংবাদিক দেবদাস গান্ধীর মৃত্যু
১৯৮৪: ভারতীয় ফুটবলার সুনীল ছেত্রীর জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৫৯ টাকা ৭৫.৩১ টাকা
পাউন্ড ১০১.৭৪ টাকা ১০৫.২৫ টাকা
ইউরো ৮৬.৮০ টাকা ৯০.০০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৮,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৮,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৮ শ্রাবণ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট ২০২১। দশমী ১৯/২৯ দিবা ১/০। রোহিণী ৫১/১৮ রাত্রি ১/৪৪। সূর্যোদয় ৫/১২/৩১, সূর্যাস্ত ৬/১৩/১। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ গতে ১০/২৫ মধ্যে পুনঃ ১/১ গতে ২/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে ৫/২১ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ৯/৯ গতে ১১/২০ মধ্যে পুনঃ ১/৩২ গতে ৫/২১ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ৯/৯ গতে ১১/২০ মধ্যে পুনঃ ১/৩২ গতে ৩/০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫০ গতে ৮/২৭ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ২/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৬ গতে ৮/৫৮ মধ্যে। 
১৭ শ্রাবণ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট ২০২১। দশমী দিবা ১২/৩৪। রোহিণী নক্ষত্র রাত্রি ২/১৩। সূর্যোদয় ৫/১১, সূর্যাস্ত ৬/১৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ২/৩৮ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ মধ্যে ও ৯/২ গতে ১১/১৭ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৩/২ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৯ গতে ৮/২৭ মধ্যে ও ১/২২ গতে ৩/০ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৮ গতে ৯/০ মধ্যে। 
২৩ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে ময়নাগুড়িতে বিক্ষোভ তৃণমূলের
ত্রিপুরায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ময়নাগুড়ি ১নম্বর ব্লক ...বিশদ

01:32:37 PM

মেদিনীপুরে পুলিস ভ্যান থেকে লাফ দিয়ে পলাতক ২ বন্দি
মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে তমলুক কোর্টে আনার সময় পুলিস ভ্যান ...বিশদ

01:30:56 PM

মহিষাদলে লক্ষাধিক টাকার লোহার পাইপ চুরি, পাকড়াও ড্রাইভার সহ খালাসি
মহিষাদলের ঝাউপাতরা এলাকা থেকে আইওসির লক্ষাধিক টাকার লোহার পাইপ নিয়ে ...বিশদ

01:21:09 PM

প্রকাশিত হল সিবিএসই-র দশম শ্রেণীর ফল
প্রতীক্ষার অবসান। প্রকাশিত হল সিবিএসই-র দশম শ্রেণির ফল। বেলা ১২টা ...বিশদ

12:12:00 PM

পর পর জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আন্দামান নিকোবর
পর পর জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আন্দামান নিকোবর। আজ, মঙ্গলবার ...বিশদ

11:49:26 AM

পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সাইকেল র‌্যালি রাহুল গান্ধীর
পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ। দিল্লির রাজপথে সাইকেল র‌্যালিতে রাহুল গান্ধী। সঙ্গে ...বিশদ

11:38:35 AM