Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আমাদেরও দম
আটকে আসছে
মৃণালকান্তি দাস

মার্কিন ভণ্ডামি! এটাই ছিল আমেরিকার প্রথম সারির সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্টের সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ। ৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের হত্যাকাণ্ড। জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যু রাতারাতি বদলে দিয়েছে করোনা আক্রান্ত নিস্তব্ধ আমেরিকাকে। একেই করোনার থাবায় এক লাখেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি। তার উপর বর্ণবিদ্বেষ বিরোধী আন্দোলন পরিস্থিতিকে আরও অগ্নিগর্ভ করে তুলেছে। ওয়াশিংটনের রাস্তায় চলছে অবাধে ভাঙচুর। নিউ ইয়র্কের রাস্তায় দোতলা সমান আগুন জ্বলছে। কোথাও পুলিস কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ছে। কোথাও পুলিসই হাঁটু মুড়ে ক্ষমা চাইছে বিক্ষোভকারীদের কাছে। দফায় দফায় ঘেরাও হচ্ছে হোয়াইট হাউসও। বিক্ষোভকারীদের ভয়ে বিশ্ব-কাঁপানো মার্কিন রাষ্ট্রপতিকে লুকিয়ে পড়তে হচ্ছে গোপন বাঙ্কারে। প্রায় ৪০ শহরে জারি করা হয়েছে কারফিউ।
ঘটনাটি ছিল সাদামাটা। বছর ছেচল্লিশের জর্জ ফ্লয়েড একটা দোকানে ঢুকেছিলেন সিগারেট কিনতে। ওই দোকানের এক কর্মচারীর অভিযোগ, ফ্লয়েড ২০ ডলারের একটা জাল নোট ব্যবহার করেছিলেন। ওই কর্মী যখন তা বুঝতে পারেন, ফ্লয়েড ততক্ষণে দোকান থেকে বেরিয়ে গিয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে ওই কর্মী দোকানের বাইরে বেরিয়ে আসেন। দেখেন ফ্লয়েড তাঁর গাড়িতে বসে। তাঁকে জাল নোটের ব্যাপারে জানালে ফ্লয়েড অভিযোগ অস্বীকার করেন। স্বভাবতই ওই দোকানকর্মী পুলিস ডাকেন। মুহূর্তে পুলিস ছুটে আসে। ফ্লয়েড পুলিসের কাছেও অভিযোগ অস্বীকার করেন। ওই দোকানের ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরায় দেখা গিয়েছে, এরপরই উত্তেজিত হয়ে পড়েন ওই শ্বেতাঙ্গ পুলিসকর্তা ডেরেক শভিন। ফ্লয়েড ‘অপরাধী’, এমন কোনও তথ্য পুলিসের কাছে ছিল না। ফ্লয়েডের কাছে কোনও অস্ত্রও ছিল না। ফ্লয়েড কাউকে মারতেও উদ্যত হননি। তবু ফ্লয়েডকে গাড়ি থেকে টেনে বের করে, তাঁকে মাটিতে ফেলে দিয়ে, নৃশংসের মতো তাঁর ঘাড় নিজের হাঁটু দিয়ে সজোরে চেপে ধরেন শভিন। সেই চাপ বাড়তেই থাকে। দম বন্ধ হয়ে আসে। ফ্লয়েড শেষ মুহূর্তে চেঁচিয়ে ওঠেন, ‘আই কান্ট ব্রিদ’—আমার দম আটকে আসছে, আমি শ্বাস নিতে পারছি না। ফ্লয়েডের জীবনের বাতাস কেড়ে নিয়েছিলেন শ্বেতাঙ্গ পুলিসকর্তা। ভয়ঙ্কর সেই দৃশ্য। ভাবুন একবার, হাসপাতালে শুয়ে শেষ নিঃশ্বাসের আগে করোনা আক্রান্ত কোনও মানুষ ঠিক যেমন আর্তনাদ করে ওঠেন। দম আটকে আসছে...। শ্বাস নেওয়ার কী করুণ আকুতি! ঠিক এমন করেই তো আমেরিকার জনগণ শহরে শহরে আগুন জ্বেলে এক লাখ আমেরিকানের মৃত্যু আর অসহ্য অর্থনৈতিক কষ্টের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে দায়ী করে বলছেন, ‘আর শ্বাস নিতে পারছি না’।
মহামারী আর বঞ্চনার জালে আটকে যাওয়া সব দুর্গত মানুষের হৃদয়ের আওয়াজটাই জর্জের মুখ দিয়ে বেরিয়েছে, ‘আমার দম আটকে আসছে’। এ তো দুনিয়ার কোটি কোটি মানুষের যন্ত্রণার কথা। বৈষম্য থাকলেই বিপ্লব হয় না। কিন্তু হঠাৎ ক্রয়ক্ষমতা হারিয়ে ফেলা মানুষ খিদের জ্বালায় দিশাহীন হয়ে রাস্তায় নেমে পড়তে পারে। বৈষম্যের সমাজটা হল ‘মাইনফিল্ড’-এর মতো। মানবজমিনের তলায় এখানে–সেখানে ছড়িয়ে থাকে অসন্তোষের ‘বোমা’। কখন কোনটার উপর কার পা পড়বে, আর তখন কী ধরনের বিস্ফোরণ ঘটবে, তার পূর্বাভাস জানা কোনও রাষ্ট্রের পক্ষেই সম্ভব নয়। আবার কখন কোন আর্তনাদ বোবা হয়ে থাকা মানুষের মুখে প্রতিবাদের ভাষা ফোটাবে, তা–ও আগাম বলা যায় না।
শিল্পায়নের প্রথম যুগে শ্রমিকরা যন্ত্রণা সইতে না পারলে কারখানা ভাঙচুর করত, আধুনিক সভ্যতার বঞ্চিত মানুষ দোকানপাটে হামলা চালায়, লুটপাট করে। তফাত এটাই। বিক্ষোভকারীরা কারা? তারা শুধু ফ্লয়েডের মতো বৈষম্যের শিকার কালো বা বাদামি মানুষ নন—ভীষণ বৈষম্যপূর্ণ আমেরিকান অর্থনীতির সৌধ যাদের মাথার উপর ভেঙে পড়েছে, তারাও নেমেছে রাজপথে। যে এক লাখের বেশি মার্কিন নাগরিক করোনার ছোবলে জীবন হারিয়েছেন, যাঁদের মধ্যে কালো ও গরিব মানুষেরাই বেশি— এঁরা তাঁদেরও স্বজন, তাঁদের মতোই বিপন্ন। আরব বসন্তের স্ফুলিঙ্গ জ্বালানো তিউনিসীয় ফেরিওয়ালা মহামেদ বুয়াজিজির মৃত্যুর কথা মনে আছে? জর্জ ফ্লয়েড যেন সেই রকম মার্কিন বিক্ষোভের প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের কলাম লেখক রেক্সোনা গে একরাশ যন্ত্রণা নিয়ে লিখেছেন: ‘করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক আজ না হয় কাল আবিষ্কৃত হবেই। কিন্তু আমেরিকার মতো মহান দেশে বর্ণবিদ্বেষের যে বিষাক্ত ভাইরাস ছড়িয়ে আছে, তার টিকা কি আবিষ্কার করা যাবে? শুধু হ্যাশট্যাগের বর্ণবিদ্বেষ বিরোধিতা কি আমেরিকাকে রক্ষা করতে পারবে?’ আমেরিকার কালো মানুষেরা চারশো বছর ধরে অনেক অত্যাচার সহ্য করেছেন। দুশো বছর শিকার হয়েছেন দাসপ্রথা নামে বর্বরধারায়। আর আরও একশো বছর ধরে তীব্র বর্ণবৈষম্য, অর্থনৈতিক বৈষম্য ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের। তাঁদের মানবাধিকার হরণ করা হয়েছে নিষ্ঠুরভাবে। শুনলে অবাক হবেন, কোথাও কোথাও আজও শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের বাথরুম, এমনকী জলের কলও পর্যন্ত আলাদা।
‘আমার দম আটকে আসছে’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভকারীরা হোয়াইট হাউসের বাইরে। কার্ফু ভেঙেই নিউ ইয়র্ক, আটলান্টা, লাস ভেগাসের রাস্তায় রাস্তায় দেদার ভাঙচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগের ঘটনা। সেই ১৯৬৮ সালে মার্টিন লুথার কিংয়ের হত্যার পর যে বিশাল জনরোষ আমেরিকার বিবেককে নাড়া দিয়ে গিয়েছিল, আজ আরও একবার যেন সেই জনরোষের প্রতিচ্ছবি।
এই ভয়ঙ্কর স্বাস্থ্যসঙ্কটের মধ্যেও লকডাউন ও সামাজিক দূরত্ব অগ্রাহ্য করে লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণী রাস্তায় নেমেছেন কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েডের ওপর পুলিসের বর্বরতার প্রতিবাদ জানাতে। মিনিয়াপোলিসে নিরস্ত্র ফ্লয়েডের ঘাড় হাঁটু দিয়ে চেপে সশস্ত্র পুলিশ অফিসারের মেরে ফেলার ছবি এখন গোটা দুনিয়ায় ভাইরাল। বিশ্বের সর্বত্র মানুষ এই আমেরিকাকে দেখে স্তম্ভিত। বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে আজীবন লড়াই করা মার্টিন লুথার কিংয়ের হত্যাকাণ্ডের ৫২ বছর পর আজ আমেরিকার একটা রিপোর্ট বলছে, মিনিয়াপোলিস থেকে শিকাগো, নিউ ইয়র্ক, ওয়াশিংটন ডিসি, পশ্চিমে লস অ্যাঞ্জেলেস, সানফ্রান্সিসকো, দক্ষিণে হিউস্টন ও ডালাস, এমনকী ছোট শহরেও, যেখানে পুলিসের অত্যাচার ও হত্যার ঘটনা বহু বার ঘটেছে। শুধু জর্জ ফ্লয়েড নন, ২০১৩-১৯ সাল পর্যন্ত আমেরিকায় ৭,৬৬৬ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে আছে সাউথ ক্যারোলিনার চার্লস্টন, যেখানে ২০১৪ সালে কৃষ্ণাঙ্গ যুবক মাইকেল ব্রাউনকে পুলিস গুলি চালিয়ে মেরে ফেলেছিল। আছে নিউ ইয়র্কের ব্রঙ্কস, যেখানে আফ্রিকার গিনি থেকে পড়াশোনা করতে আসা যুবক আমাদু দিয়ালোকে বিনা কারণে পুলিস রাতের অন্ধকারে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল। আছে নিউ ইয়র্কের কুইন্স, যেখানে বিয়ের আগের রাতে ব্যাচেলর্স পার্টি করে বেরনোর সময় কৃষ্ণাঙ্গ যুবক শন বেলকে পুলিস খতম করে দিয়েছিল। মোট মাত্র ১৩ শতাংশ কালো মানুষের বাস হলেও, পুলিসি অত্যাচারে মৃতের সংখ্যা সাদা চামড়ার মানুষের থেকে প্রায় আড়াই গুণ বেশি। কিছু কিছু অঞ্চলে আরও বেশি। যেমন মিনেসোটাতে। যেখানে জর্জের বাড়ি, সেখানে ৪ গুণ।
একসময় আমেরিকা ছিল শিল্প-কারখানার দেশ। কিন্তু গত তিরিশ বছরে দেশটা হয়েছে রেস্টুরেন্ট, হোটেল আর বিনোদন–পরিষেবার দেশ। উৎপাদন চলে গিয়েছে চীনে বা অন্য কোথাও। বিনোদন-ব্যবসায় মজেছে মার্কিনিরা। এদিকে করোনার হানায় গত তিরিশ বছরে তৈরি হওয়া নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রগুলো ধসে গিয়েছে। করোনা-বিধ্বস্ত আমেরিকায় বেকারত্ব লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। তাই কোনও না কোনও অঘটনের ধাক্কায় পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হওয়া ছিল সময়ের অপেক্ষা।
সিস্টেম যদি বিভ্রাটে পড়ে বা ম্যালফাংশন করে, তাহলে শান্তির কলও ম্যালফাংশন করবে। কনজিউমারিজমের উৎসব হল ‘শপিং স্প্রি’ বা উদ্দাম কেনাকাটা। অথচ দোকানে থরে থরে জিনিস সাজানো কিন্তু কিনতে পারছে না অনেক মানুষ। ওই সব দোকানের সেলসম্যানরা বেতন পাচ্ছেন না। সরকার দরিদ্রদের জন্য যে ১২০০ ডলারের চেক দেবে বলেছে, তা পাওয়ার শর্ত পূরণ করাও কঠিন। ফলে অনেকেরই জুটছে না সরকারি সাহায্য। ফলে আগে থেকে তৈরি হওয়া সামাজিক মাইনফিল্ড বিস্ফোরিত হয়েছে জর্জের হত্যাকাণ্ডে। এই অবস্থায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জ্বলন্ত দেশের আগুনে ঘি ছড়িয়ে দিলেন। বিষাক্ত বিদ্বেষ নিয়ে ট্যুইটারে লিখলেন, ‘হোয়েন দ্য লুটিং স্টার্টস, দ্য শুটিং স্টার্টস’ (লুটতরাজ শুরু হলে গুলিও শুরু হবে)। পাড়ার মাস্তানদের ভাষায় বললেন, ‘কুকুর লেলিয়ে দেব। ঠান্ডা করে দেব ওই সব আন্দোলনকে’! ঠান্ডা তো দূরের কথা, আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে আন্দোলন। হিংসা, লুটপাট, আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া কখনওই সমর্থনযোগ্য নয়। কিন্তু আগুন জ্বলছে কেন?
ট্যুইন টাওয়ার ধ্বংসের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ আমেরিকানদের বলেছিলেন, ‘গো শপিং’। স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আর কোনও পথ তাঁর মাথায় আসেনি হয়তো। কিন্তু এটাই সত্য যে, কনজিউমারিস্ট সমাজে শপিং মানে সমাজের বিকল্প সামাজিকতা, ‘ব্যাক টু নরমাল’। ট্রাম্পও তা-ই বলেছেন। কিন্তু হাতে টাকা না থাকা মানুষরা ‘নৈরাজ্য’-এর পথে ‘শপিং’ করছে। ‘শপিং ফর ফ্রি’—নিখরচা কেনাকাটা। যাকে আইনের ভাষায় বলা হয় ‘লুট’। কনজিউমারিজমের মুদ্রার এক পিঠে ‘শপিং স্প্রি’ থাকলে আরেক পিঠে থাকে এই ‘শপিং ফর ফ্রি’।
মার্কিন মুলুকে সেই ছোটবেলা থেকেই শেখানো হয়, ‘কেনাকাটাই আনন্দ, কেনাকাটাই নিরাপত্তা, কেনাকাটাই শক্তি’। শপিং মল হল, আধুনিক বাজারব্যবস্থার তীর্থ। যা কিনা সব অসুখ সারাবার ওষুধের দোকান। কে না জানে, মানুষ তার সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত জিনিস হাতের মুঠোয় না পেলে একসময় ঘৃণা করা শুরু করে। লন্ডন ও প্যারিস দাঙ্গার পর মার্কিন দাঙ্গায় শপিং মল পোড়ানোর হিড়িক আসলে সুখের দোকানে ঢুকতে না পারা, অযোগ্য ও বাতিল হয়ে যাওয়া ক্রেতাদের অসুখী আক্রোশ। তার উপর লিঙ্কন আর লুথারের নির্মিত সমতার মানচিত্র থেকে দিনান্তের আলোর মতোই হারিয়ে যাচ্ছে ‘বহুজাতিক’ আমেরিকা।
এই আমেরিকাই কি আমাদের সেই চেনা আমেরিকা, যার জন্য গর্ব বোধ করা যায়?
এই ‘নতুন’ আমেরিকাকে আমরা চিনি না। আমাদেরও দম আটকে আসছে!
05th  June, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর কোভিড-১৯ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আপাতত এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে সিএবি।   ...

সংবাদদাতা, কান্দি: শনিবার সকালে ফরাক্কা-হলদিয়া বাদশাহী সড়কের বড়ঞা থানার করালীতলার কাছে একটি কুকুরকে বাঁচাতে গিয়ে বাইক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে জখম হলেন এক ব্যক্তি।   ...

নিউ ইয়র্ক: হাতে ‘বয়কট চীন’ প্ল্যাকার্ড। মুখে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বয়কটের ডাক। শনিবার নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে জমায়েত হয়ে চীনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন ভারতীয় ...

লখনউ ও কানপুর: কানপুর এনকাউন্টারে ৮ পুলিসকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত বিকাশ দুবে এখনও অধরা। কুখ্যাত এই দুষ্কৃতীর খোঁজে ২৫টিরও বেশি দল গড়ল উত্তরপ্রদেশ পুলিস। পাশাপাশি, ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২০/৪২ দিবা ১/১৭। জ্যেষ্ঠা ৪৭/৫০ রাত্রি ১২/৮। সূর্যোদয় ৫/০/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/২২। অমৃতযোগ দিবা ১২/২৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৫২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩/৩৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২০ গতে ১১/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে। 
১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী দিবা ১২/৫০। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ১২/২৭। সূযোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/২ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
১১ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এটিকে-এমবির বোর্ডে সৌরভ 
জল্পনা ছিলই। শেষ পর্যন্ত বিস্তর আলোচনার পর এটিকে-এমবি প্রাইভেট লিমিটেডের ...বিশদ

10:33:05 AM

আগামীকাল কুলতলিতে বনধ ডাকল এসইউসিআই 
দলের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সুধাংশু জানাকে খুন ও মৈপীঠ অঞ্চলে ...বিশদ

10:26:59 AM

বড়বাজারে একটি বাড়িতে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ২টি ইঞ্জিন 

10:15:04 AM

দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত প্রায় ২৫ হাজার 
প্রতিদিনই সংক্রমণের নিরিখে রেকর্ড গড়ছে দেশ। এবার প্রায় ২৫ হাজার ...বিশদ

10:12:55 AM

কলকাতা হাইকোর্ট: কাল থেকে নিজের ঝুঁকিতে সশরীরে শুনানি করা যাবে 
মামলাকারী বা তাঁর আইনজীবী নিজের ঝুঁকিতে আগামী ৬ জুলাই থেকে ...বিশদ

09:05:28 AM

করোনায় আক্রান্ত সিএবি কর্মী 
করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর ...বিশদ

08:45:00 AM