Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কিছু বৃক্ষ স্বয়ং ইতিহাস
হারাধন চৌধুরী

নামটা মনে করতে পারছি না। শুধু মনে পড়ছে তাঁর আর্তনাদের ভাষা—‘উম-পুন যে প্রাচীন গাছটাকে টলাতে পারেনি, সেই গাছটাকে পুরো ধরাশায়ী করে দিল আজকের সন্ধ্যার অল্প সময়ের ঝড়! আমার কান্না পাচ্ছে।’ উম-পুন কলকাতাসহ বাংলার একাংশে আঘাত হেনেছিল ২০ মে। ঠিক তার সাত দিনের মাথায়, ২৭ মে, প্রায় একই অঞ্চলের উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছিল নামহীন এক ঝড়ের তাণ্ডব। উম-পুনের ক্ষত নিয়ে কলকাতা তখনও কাতরাচ্ছে। সুন্দরবনকে আশ্রয় করে যাঁরা বাঁচেন, তখন তাঁরা পুরো নিরাশ্রয়। এমনি সময়ে নেমে আসা মড়ার উপর খাঁড়ার ঘায়ের রক্তাক্ত ছবিতে, বর্ণনায় ছয়লাপ হয়ে গিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ার দেওয়াল। লেখার গোড়ায় যে উদ্ধৃতি দেওয়া হল সেটাই ছিল আমার দেখা ঝড়ের সংক্ষিপ্ততম বিবরণ, কিন্তু তার অভিঘাত তিরের চেয়েও সুতীক্ষ্ণ!
* * *
টানা ৬৮ দিনের লকডাউনের নিদারুণ যন্ত্রণা সবে কাটিয়ে উঠেছি আমরা। প্রবেশ করেছি আনলক-১ পর্বে। কেন্দ্রের সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী দিনে আরও দু’টি আনলক পর্ব পেরতে হবে। এই সময়ে আমরা হিসেব করে দেখতে পারি, আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বিপুল ক্ষতির বিপরীতে প্রাপ্তিযোগও কিছু ঘটেছে আমাদের।
প্রাপ্তির তালিকায় প্রাকৃতিক পরিবেশের উন্নতির বিষয়টিকে সবার উপরে রাখা যায়। আমরা বিশেষভাবে অনুভব করতে পারছি শহরে বাতাসের দূষণমাত্রা অনেকখানি কমে যাওয়ার ব্যাপারটা। বাতাসের দূষণ কতটা কমে গিয়েছে, তা বোঝার জন্য গবেষণাগারে পাওয়া পরিসংখ্যানের দিকে নজর না-রাখলেও চলবে। ফুসফুসই বলে দিচ্ছে, আমাদের বাঁচিয়ে রাখার জন্য তাকে আগের মতো চাপ নিতে হচ্ছে না। অনেকেই ভুলে যাচ্ছেন ইনহেলার হাতে তুলে নেওয়ার কথা। কারণ, শ্বাস নেওয়ার কষ্ট কীভাবে যেন উধাও হয়ে গিয়েছে! অথচ এই মানুষগুলিই দিনে অন্তত একবার ইনহেলারের শরণাপন্ন হতেন। তাছাড়া রাতটা কাটানোই ঝুঁকির হয়ে যেত। মাসে অন্তত একবার বিশেষজ্ঞের কাছে যেতেন নিয়ম করে। আপাতত সেসবের বালাই নেই। এই অনুভব যে কাকতালীয় নয়, ওষুধের দোকানে খোঁজ নিলেও মনে হয় এর পক্ষে সমর্থন মিলবে।
অনেকে বুঝতে পারছেন, আগের মতো চোখ-মুখ জ্বালা করছে না। দেখার কষ্টও হয়তো কমেছে। জামাকাপড় নোংরা কম হচ্ছে। নিত্য শ্যাম্পু করা যাঁদের হ্যাপা মনে হতো, তাঁরা বেশ আনন্দে আছেন। ঘরে-বাড়িতে ধুলো ঝুলকালিও কমে গিয়েছে।
এ তো গেল বাতাসের দিক। দূষণ কমেছে জলেও। বিশেষ করে নদীগুলির দূষণ। গঙ্গাকে আমরা আক্ষেপ করে বলতাম, পৃথিবীর বৃহত্তম ড্রেন। সেই গঙ্গার কথা শুনে বেশ ভালো লাগছে: গত এপ্রিল থেকেই ইতিউতি মুখ বের করছে, মনের আনন্দে খেলছে ডলফিন—বিখ্যাত গ্যাঞ্জেটিক ডলফিন বা দক্ষিণ এশীয় নদীর ডলফিন। অনেকের মতে, গঙ্গার প্রতি ডলফিনের এমন আস্থা ফিরে এল অন্তত তিন দশক পর। এই প্রজাতির ডলফিনকে আজ বিলুপ্তপ্রায় বলা চলে। সারা দুনিয়ায় এদের হালফিল সংখ্যা দু’হাজারেরও কম।
এপ্রিলের শেষদিকে প্রকাশিত একটি বেসরকারি রিপোর্ট দেখে মনটা ভালো হয়ে গিয়েছিল: খোদ কলকাতার বুকে এবং আশেপাশের পরিবেশে অনেক সুন্দর প্রাণীর আনাগোনা বেড়ে গিয়েছে। যেমন কাঠবেড়ালি, বেজি, ভামবেড়াল, শিয়াল, খটাশ, পায়রা, ঘুঘু, চড়ুই, শালিক, বুলবুল, দোয়েল, কোকিল, ফিঙে, হলদে পাখি প্রভৃতি। হবে নাই-বা কেন, গাছের পাতায় নেই ধুলো-ময়লা। গাছগুলো সত্যিই যেন হাসছে। রোদেলা দিনে আকাশকে এতটা নীল শেষ কবে দেখেছে, কলকাতাবাসী অন্তত মনে করতে পারছে না। তাহলে সেই আনন্দের দোলা পশুপাখিদের গায়ে, ডানায় সমপরিমাণ লাগবে না!
নাগরিক জীবনের অন্যতম বৃহৎ সমস্যা শব্দদূষণ। যানবাহন, কলকারখানা, শব্দবাজি প্রভৃতির বিকট আওয়াজের জায়গাটা সুন্দর নিয়েছে বিচিত্র সব পাখির কিচিরমিচির। বাতাসের শনশন, পাতার মর্মরধ্বনিও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বহু বহু কাল পর। মেঘ-ডাকার আওয়াজটা ট্রেনের হুইসল কিংবা একসঙ্গে বেজে ওঠা একশো গাড়ির হর্নের নীচে চাপা পড়ে যাচ্ছে না। সব মিলিয়ে সাময়িক গৃহবন্দি জীবনকে মন্দের ভালো অনেক উপহার দিয়েছে প্রকৃতি।
* * *
প্রকৃতি দেয় যত, আবার ততটাই ফিরিয়ে নিতেও যে ওস্তাদ! দু’সপ্তাহ আগে বাংলার বুকে ঘটে যাওয়া উম-পুনের নিদারুণ তাণ্ডবের পর অন্য কথা যে ভাবতে ইচ্ছে করছে না আমাদের। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে দুই ২৪ পরগনায় সুন্দরবন সন্নিহিত অঞ্চলে এবং বৃহত্তর কলকাতার। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, পরিকাঠামো, খেতখামার, ফসল, গবাদি পশুপাখির যে ক্ষতি হয়েছে, তার পূ্র্ণাঙ্গ চিত্র কোনওদিনই পাওয়া যাবে না। প্রাণহানিও হয়েছে অনেক। কিছু ক্ষতি পূরণও হবে নিশ্চয়। কিন্তু গাছপালার যে ক্ষতি হয়েছে, তা একইসঙ্গে অপরিমেয় এবং অপূরণীয়!
এই লেখার শুরুতে পরিবেশের অভাবনীয় উন্নতির যেসব কথা বলে আহ্লাদ করেছিলাম, তাতে প্রথম বাদ সাধল উম-পুন। ধাক্কার উপর রামধাক্কা মিলল সাত দিন বাদেও। কলকাতা পুরসভার হিসেবে, সব মিলিয়ে শুধু এই মহানগরীতেই ১৫ হাজারের বেশি গাছ উপড়ে পড়েছে, কিংবা ভেঙে গিয়েছে। সুন্দরবন-সহ রাজ্যের বাকি অঞ্চলে গাছগাছালির ক্ষয়ক্ষতির হিসেবটা যে কী বিশাল, তা ভাবেতই শিউরে উঠি। চারা লাগিয়ে দেওয়া হল আর গাছ বেড়ে উঠল, ব্যাপারটা তো অত সহজ নয়। একটা চারা ছায়া-ফুল-ফল দানের উপযোগী গাছ হয়ে ওঠে অনেক অনেক ঝড়-ঝাপটা সয়ে। গাছেদের অনেক গল্প থাকে। গাছেরা কত ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে যায়। আবার কিছু বৃক্ষ স্বয়ং ইতিহাস! এই প্রসঙ্গে বিলের (নরেন্দ্রনাথ দত্ত বা স্বামী বিবেকানন্দ) সেই চাঁপাগাছের কথাটা বড় মনে পড়ছে—যেখানে নাকি ছিল বেম্মদত্যির বসত! পলাশীর সেই আমবাগানের কথা ভাবুন, যার কথা মনে এলে আমরা বোধহয় ভারতের স্বাধীনতার প্রিয় সূর্যটা অস্ত যাওয়ার করুণতম দৃশ্য দেখতে থাকি। কল্পনা করি সেই বৃক্ষের কথা, যার নীচে সাধনা করে এক অনামী রাজপুত্র ‘জগতের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ’—বুদ্ধদেবে রূপান্তরিত হয়েছিলেন।
তাই বৃক্ষ নষ্ট হয়ে যাওয়া মানেই তুচ্ছ কিছু গাছ চলে গেল না। শিবপুর বি-গার্ডেনে গ্রেট ব্যানিয়ান ট্রি—তার ৪০টির মতো স্তম্ভমূলের ক্ষতি হল! এটাকে আপনি কোন মানদণ্ডে মাপবেন? রবীন্দ্র সরোবরেও গাছগাছালির যে ক্ষতি হয়েছে—তাও অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। দিকে দিকে এত যে গাছপালার ক্ষতি হল, একে কারও ব্যক্তিগত বা কোনও সরকারের ক্ষতি বলে গণ্য করলে ভুল হবে। গাছ এমন একটা জিনিস, বাস্তবে তার কোনও মালিকানা হয় না। আমার পাঁচিল ঘেরা জমিতে আমি নিজে হাতে পরিচর্যা করে কিছু গাছ বড় করলাম বটে, সে কিন্তু আমার কোনও কথা শোনার অপেক্ষা করবে না—আমার শত্রু-মিত্র সকলের জন্যই অক্সিজেন দিয়ে যাবে, বাতাসকে পরিশোধনের দায়িত্ব পালন করে যাবে নীরবে।
* * *
লকডাউনে পরিবেশের যতটা উন্নতি হয়েছে, জনজীবন স্বাভাবিক হয়ে এলে তা যে ধরে রাখা সম্ভব হবে না, আমরা জানতাম। তবুও চেষ্টা করা যেত বাতাস ও শব্দদূষণ যাতে মিনিমাম হয়। একটু ভালো, একটু সুস্থ থাকার একটা অভ্যাস তো হয়ে গেল। এই স্ট্যান্ডার্ড ধরে রাখতে যে কালচার দরকার, তা গঠনের ব্যাপারে জনমত তৈরি হচ্ছিল। কিন্তু বাদ সাধল উম-পুন ও তার অনুজ এক ঝড়। এই ঝড়ে লকডাউনের প্রাপ্তি কাটাকুটি তো হলই, উপরি জুটল বড় এক অশনিসঙ্কেত—পরিবেশের সামনে! সামনেই বর্ষাকাল। আগামীকাল ৫ জুন, শুক্রবার পরিবেশ দিবস। এই দু’টিকে সামনে রেখে আমাদের আশায় বুক বাঁধতেই হবে। খুব স্বস্তির খবর যে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সরকার নয়া সবুজায়ন নীতি নিয়ে এগচ্ছে। এবছর কলকাতায় ৫০ হাজার এবং সারা রাজ্যে সাড়ে ছয় কোটি গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করা হবে। আমাদের প্রত্যেকের এই আনন্দযজ্ঞে শামিল হওয়া উচিত। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও নাগরিক চাহিদার কাছে নগরের সম্প্রসারণ অনিবার্য। প্রকৃতি-পরিবেশের সঙ্গে একধরনের আপসের নাম নগরায়ণ। জলাভূমি ও সবুজকে নয়নের মণির মতো রক্ষার প্রতিজ্ঞা কুশলী নাগরিকের লক্ষণ। সবুজায়নের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারলেই আমাদের সকলের বেঁচে থাকাটা নিছক প্রাণধারণের ঊর্ধ্বে উঠবেই।
04th  June, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: শুক্রবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমণ্ডি থানার বাগঢোল এলাকায় এক বৃদ্ধার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃত বৃদ্ধার নাম নালো সরকার(৬০)। তাঁর বাড়ি বাগঢোল গ্রামেই।  ...

সংবাদদাতা, কান্দি: শনিবার সকালে ফরাক্কা-হলদিয়া বাদশাহী সড়কের বড়ঞা থানার করালীতলার কাছে একটি কুকুরকে বাঁচাতে গিয়ে বাইক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে জখম হলেন এক ব্যক্তি।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা ‘প্রফেশনাল আয়ুর্বেদাচার্য’ বা বিএএমএস পরীক্ষা ৩১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর কোভিড-১৯ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আপাতত এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে সিএবি।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২০/৪২ দিবা ১/১৭। জ্যেষ্ঠা ৪৭/৫০ রাত্রি ১২/৮। সূর্যোদয় ৫/০/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/২২। অমৃতযোগ দিবা ১২/২৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৫২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩/৩৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২০ গতে ১১/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে। 
১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী দিবা ১২/৫০। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ১২/২৭। সূযোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/২ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
১১ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এটিকে-এমবির বোর্ডে সৌরভ 
জল্পনা ছিলই। শেষ পর্যন্ত বিস্তর আলোচনার পর এটিকে-এমবি প্রাইভেট লিমিটেডের ...বিশদ

10:33:05 AM

আগামীকাল কুলতলিতে বনধ ডাকল এসইউসিআই 
দলের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সুধাংশু জানাকে খুন ও মৈপীঠ অঞ্চলে ...বিশদ

10:26:59 AM

বড়বাজারে একটি বাড়িতে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ২টি ইঞ্জিন 

10:15:04 AM

দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত প্রায় ২৫ হাজার 
প্রতিদিনই সংক্রমণের নিরিখে রেকর্ড গড়ছে দেশ। এবার প্রায় ২৫ হাজার ...বিশদ

10:12:55 AM

কলকাতা হাইকোর্ট: কাল থেকে নিজের ঝুঁকিতে সশরীরে শুনানি করা যাবে 
মামলাকারী বা তাঁর আইনজীবী নিজের ঝুঁকিতে আগামী ৬ জুলাই থেকে ...বিশদ

09:05:28 AM

করোনায় আক্রান্ত সিএবি কর্মী 
করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর ...বিশদ

08:45:00 AM