Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ব্যর্থতার নামাবলি গায়ে
মোদিজির বর্ষপূর্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

লকডাউনের চারটে ইনিংস শেষ করে আমরা ঢুকে পড়েছি প্রথম আনলক সিজনে। করোনা বিধ্বস্ত আমাদের জীবন বইতে শুরু করেছে এক নতুন খাতে। মাত্র কয়েক মাসেই আমাদের জীবনের সামগ্রিক চালচিত্র ম্যাজিকের মতো বদলে গিয়েছে। আমাদের জীবনদর্শন, আত্মবিশ্বাস, মূল্যবোধ, জীবনকে দেখার দৃষ্টিকোণ, অস্তিত্ব সংক্রান্ত বিশ্বাস, অহমিকা ইত্যাদি আজ ভঙ্গুর। এক নতুন জানালা দিয়ে যেন নতুন পৃথিবীকে দেখছি আমরা। অনেক প্রতিকূলতা এখন তার পরতে পরতে। পৃথিবীর শ্যাওলা ধরা দেওয়ালে এখন নোনা ধরা দাগ। কিন্তু তার মধ্যেই আমাদের বাঁচতে হবে, স্বপ্ন দেখতে হবে, লড়াই করতে হবে। যখন করোনা আতঙ্কের মধ্যে লকডাউন শুরু হল, আমাদের মনে হয়েছিল, লকডাউন দিয়ে এবং সামাজিক দূরত্ববিধি মেনেই এর মোকাবিলা করা সম্ভব। হয়তো সম্ভব হতো, কিন্তু আমরা পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মানতে পারিনি, দেশের সরকারও জাগ্রত থেকে করোনা রোধে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করতে পারেনি। পরের পর লকডাউন ঘোষণা করে আত্মতুষ্টি লাভ করেছে। তারপরের কাজটুকু করেনি। যতটুকু টেস্ট করার দরকার, তার কিছুই হয়নি। ফলে দিনে দিনে মৃতের সংখ্যা এবং আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে দ্রুতগতিতে। দেখা গেল, রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত এবং মৃত্যুর চৌকাঠ ডিঙিয়ে আমরা প্রবেশ করলাম আনলক পিরিয়ডে। বিশ্ব জুড়ে একই ছবি আমরা দেখতে পাচ্ছি। এই পরিস্থিতির জন্য যেমন দায়ী শাসক, তেমনই দায়ী সাধারণ মানুষও।
কিছুদিন আগে আমার এক অধ্যাপক বন্ধুর সঙ্গে ফোনে কথা হচ্ছিল। কথা প্রসঙ্গে সে বলেছিল, করোনা কালে একটা কথা খুবই স্পষ্ট। সেটা হল, গত কয়েক বছরে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নির্বাচন হয়েছে। সেই নির্বাচনের ফল থেকে এখন একটা ব্যাপার খুবই স্পষ্ট। দেখা যাচ্ছে, সব দেশেই কমবেশি অপদার্থ নেতাদের মানুষ ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনেছেন। ভোটের সময় ভোটারদের মাথা কি কোনও ভাইরাসে আক্রান্ত ছিল? নাহলে সব দেশের ভোটারই এমন অপদার্থদের চিনতে পারল না কেন? কেনই বা তাদের বিপুল ভোটে জিতিয়ে সিংহাসনে বসাল। আমরা আমাদের দেশের দিকে তাকিয়ে দেখতে পাচ্ছি, আজকের করোনার দৈত্য আটকাতে না পারার কারণ অবশ্যই সরকারের কমবেশি নিষ্ক্রিয়তা, যথার্থ পরিকল্পনার অভাব, নেতৃত্বের বিচক্ষণতার অভাব, দূরদৃষ্টির অভাব ইত্যাদি। এরকম অসংখ্য কারণ উল্লেখ করে ব্যর্থতাকে চিহ্নিত করা যায়। এদিকে, সরকার কিন্তু নিজের ঢাক নিজেই বাজিয়ে বলছে, আমরা এই করোনাকালে দারুণ কাজ করেছি। এর মধ্যেই দ্বিতীয় মোদি সরকার দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণ করল। তাই মন্ত্রী, নেতারা সাফল্য-সঙ্গীত গেয়ে জোর ঢাক বাজাচ্ছেন। কিন্তু মানুষ জানে, বর্ষপূর্তি হলেও ভরসাপূর্তি হয়নি। দ্বিতীয় মোদি সরকারের প্রথম সেমেস্টারে সরকার সব বিষয়ে ডাহা ফেল। গত এক বছরে সরকার দেশে অস্থিরতা তৈরি করেছে, দেশের অর্থনীতিটাকে টাইটানিক বানিয়ে ফেলেছে। সেটা একটু একটু করে তলিয়ে যাচ্ছে। আর ডেকে দাঁড়িয়ে ক্যাপ্টেন বলছেন, সকলে থালা-বাটি বাজাও হে।
এছাড়া করোনা মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতা প্রতিটি পদক্ষেপে। সারা পৃথিবীতে আমাদের স্থান এখন সপ্তম। আমরা ক্রমেই এগচ্ছি। আরও এগব। হয়তো ছুঁয়ে ফেলব ‘বন্ধু’ ট্রাম্পের দেশকেও। ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় দু’লক্ষ। ফ্রান্সকে ছাড়িয়ে সে দৌড়াচ্ছে। সবার আগে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ লক্ষেরও বেশি। অর্থাৎ আমাদের দেশের ১৩০ কোটি মানুষের মধ্যে আক্রান্ত ২ লক্ষ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৩৩ কোটি মানুষের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ লক্ষ। হিসেবটার মধ্যে একটা গোলমাল আছে কিন্তু। ব্যাপারটা একটু বিচার করে দেখা যেতে পারে। দেশের জনসংখ্যার পাঁচ শতাংশের করোনা টেস্ট করেছে আমেরিকা। তার মধ্যে তাদের আক্রান্তের সংখ্যা বেরিয়েছে ১২ শতাংশ। সেই সংখ্যাটাই ১৮ লক্ষ। পাশাপাশি ভারত ৪০ লক্ষেরও কম মানুষের করোনা টেস্ট করেছে। অর্থাৎ ০.৩০ শতাংশ মানুষের টেস্ট হয়েছে এবং তার মধ্যে ৪.২৮ শতাংশ পজিটিভ। মারাত্মক জাগলারি, তথ্য চাপার মারাত্মক ব্যবস্থা। যেখানে যত কম টেস্ট হবে, তত কমই তো করোনা পজিটিভ হবে, এটাই স্বাভাবিক। কোনও টেস্ট না হলে দেখা যেত জিরো শতাংশ আক্রান্ত আমাদের দেশে। আমরা যদি পাঁচ শতাংশ টেস্ট করতাম, তাহলে হয়তো আমরাই বিশ্বে এক নম্বরে থাকতাম। সব কাজই কি আর রাম কিংবা গোমূত্রে হয়? কম টেস্ট করিয়ে কম আক্রান্ত দেখানোর প্রবণতাটা সত্যিই ভয়ঙ্কর।
এর মধ্যে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল অ্যান্ড নিউরোসায়েন্সেস-এর একটি রিপোর্ট থেকে আশঙ্কা কিন্তু বেড়েই যাচ্ছে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের প্রায় ৬৭ কোটি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হবে। অর্থাৎ দেশের অর্ধেক মানুষ। এদের মধ্যে আবার ৯০ শতাংশ ভারতীয় জানতেই পারবে না, তারা করোনা আক্রান্ত। কেননা তাদের সংক্রমণের তেমন লক্ষণ থাকবে না। এদের মধ্যে ৫ শতাংশের অবস্থা হবে সঙ্কটজনক। সেই হিসেবে এই বছরের শেষে প্রায় তিন কোটি ভারতীয় উপসর্গযুক্ত করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন। সবকিছুই এখন আনলক হয়ে গেল। বিষয়টা খুবই চিন্তাগ্রাহ্য। এই সঙ্গে একটা কথা মনে রাখা দরকার। আনলক অবস্থায় এলেও কিন্তু আমরা সতর্কতা, স্বাস্থ্যবিধিকে জলাঞ্জলি দিতে পারি না। আজকে যতটা বাড়বাড়ন্ত হয়েছে, তার জন্য সাধারণ মানুষও কম দায়ী নয়। অনেকেই সেভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানেনি।
সরকারের দ্বিতীয় ব্যর্থতার সব থেকে বড় উদাহরণ পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে উদাসীনতা। আশ্চর্য, সরকার এদের কথা ভাবলই না। সরকার দীর্ঘদিন ধরে শুধু বসে বসে দেখল, ওরা হেঁটে চলেছে শত শত কিলোমিটার। খাদ্য নেই, জল নেই। কারও কারও প্রাণ গেল পথের উপরেই। তবু সরকার চোখ বন্ধ করে রইল। অনেক মৃত্যুর পর সম্বিত ফিরলেও পরিকল্পনাহীন পদক্ষেপ নিল। অবিজেপি রাজ্যগুলিতে একের পর এক ঢুকিয়ে দিতে লাগল শ্রমিক বোঝাই ট্রেন। রাজ্যগুলিকে সেকথা জানানোর প্রয়োজনও সরকার মনে করল না।
বীরভূমের নলহাটির ইয়ার মহম্মদ ওরফে ভাদু। ৬২ বছরের এই শ্রমিক একটু ভালো কাজের আশায় রাজমিস্ত্রির হতে গিয়েছিলেন হায়দরাবাদে। অনেকদিন আটকে পড়ে থেকে যখন সব জমানো পয়সা শেষ হয়ে গেল, তখন তিনি সেখান থেকে হাঁটা শুরু করলেন বাড়ির পথে। প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার রাস্তা। ৬২ বছরের ভাদু কয়েকজনের সঙ্গে মনের জোরকে সম্বল করে হাঁটা শুরু করলেন। কখনও ট্রাকে, কখনও হেঁটে বাড়ির দিকে এগতে লাগলেন ভাদু। বালেশ্বর অবধি এসেছিলেন। সেদিন প্রবল ঝড়জল। সব যেন উড়ে যাবে। ট্রাকের উপর বৃষ্টিতে ঠকঠক করে কাঁপছিলেন। সেখানেই তাঁকে নামিয়ে দিয়ে যায় ট্রাকচালক। সেই রাতে একটা দোকানের শেডের নীচে কাঁপতে কাঁপতে শুয়ে পড়েছিলেন। ক্লান্তিতে ঘুমিয়েও পড়েছিলেন। কিন্তু পরদিন সকালে তাঁর আর ঘুম ভাঙেনি। পরে বাড়ি ফিরেছিল তাঁর দেহটা। সাদা কাপড়ে মোড়া। দেশ জুড়ে এমন অসংখ্য ভাদু নীরবে বিদায় নিয়েছেন। দেশের সরকার তাঁদের জন্য কোনও সুপরিকল্পিত নীতি নিতে পারেনি। অবশেষে সুপ্রিম কোর্ট একটা নির্দেশিকা দিয়েছে, অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে, কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশ কেন্দ্রের ব্যর্থতাকে চোখের সামনে তুলে ধরেছে। লকডাউনের দু’মাস পরে সুপ্রিম কোর্টকে বলতে হচ্ছে, পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ট্রেনের ব্যবস্থা করতে, তাদের জন্য খাদ্য ও পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে। অন্যদিকে ব্যর্থতার নামাবলি গায়ে দিয়ে বর্ষপূর্তির আত্মতুষ্টিতে উদ্ভাসিত মোদিজি।
ব্যর্থতার পাঁচালি পড়তে পড়তে এ প্রসঙ্গে পণ্ডিত জর্জ বার্নার্ড শ-এর কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। রাজনীতিকদের তিনি ভালো করেই চিনেছিলেন। তিনি একবার বলেছিলেন, যে রাজনীতিক কিস্যু না জেনেও মনে করেন যে তিনি অনেক কিছু জানেন, তিনি অনেকদূর পর্যন্ত যেতে পারেন। এমনকী পৌঁছতে পারেন শীর্ষস্থানেও। কথাটা পড়ার পরই সকলেরই মনে হতে পারে, এমন জলজ্যান্ত সত্যিটাকে তিনি উপলব্ধি করলেন কী করে? আমাদের দেশের ক্ষেত্রে কথাটা কি খাটে না? বুঝহ সুজন।
এখন যা দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি তাতে মনে হচ্ছে, খনার বচনও সম্ভবত সত্যি। আসলে খনার বচন তো কোনও অলীক বিচার নয়, তা এক কৃষিতত্ত্ব, যা নির্ভর করে আবহাওয়া এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত জ্ঞানের উপর। সেগুলি যে আজকের দিনে সব মেলে তা নয়, কিন্তু তাঁর কিছু কিছু সত্যদর্শন হয়তো সবসময় মেলে।
তাঁর একটি বচন হল, ‘দাবানল, শস্যহানি, ঝড় মহামারী।/একত্রে ঘটিলে জেনো রাজা দূরাচারী।/ রাজা যদি পাপমতি প্রবঞ্চক হয়।/ রাজপাপে দেশময় বহে মৃত্যুভয়।/ অধর্ম কুকর্ম যদি কভু রাজা করে।/ দেখিবে অন্নাভাবে প্রজাগণ মরে।/ বৈশাখে অকাল বন্যা, আষাঢ়েতে খরা / নিশ্চয় বুঝিবে রাজা, ভণ্ড, ইষ্টহারা।’ এরপর বোধহয় আর কিছু বলার দরকারই পড়ে না। ব্যর্থ রাজার ধন্য দেশ আজ কোন পথে এগবে, তা কেউ জানে না!
03rd  June, 2020
কিছু বৃক্ষ স্বয়ং ইতিহাস
হারাধন চৌধুরী

 টানা ৬৮ দিনের লকডাউনের নিদারুণ যন্ত্রণা সবে কাটিয়ে উঠেছি আমরা। প্রবেশ করেছি আনলক-১ পর্বে। কেন্দ্রের সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী দিনে আরও দু’টি আনলক পর্ব পেরতে হবে। বিশদ

হিসেব মেলানো ভার
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 সাত দু’গুণে কত হয়? উঁহু, ১৪ নয়। আপনি কখন বলছেন, তার উপর নির্ভর করছে। মানে, কাকেশ্বর কুচ্‌কুচে যদি মনে করে, আপনি বলার সময় ১৩ টাকা ১৪ আনা ৩ পাই হয়েছিল... মানে পুরোপুরি ১৪ হয়নি, তাহলে সেটাই। অর্থাৎ, হাতে একটা পেনসিল থাকছেই। বিশদ

02nd  June, 2020
সতর্ক প্রহরী
পি চিদম্বরম

ব্যারিস্টার ভি জি রো মাদ্রাজ হাইকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাম-মনস্ক উদার। সমস্ত ধরনের বিজ্ঞানের ব্যবহারিক জ্ঞান, রাজনৈতিক শিক্ষা এবং শিল্প, সাহিত্য, নাটক প্রভৃতিকে জনপ্রিয় করে তুলতে তিনি পিপলস এডুকেশন সোসাইটি গড়েছিলেন।
বিশদ

01st  June, 2020
একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

31st  May, 2020
বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
একনজরে
 রূপঞ্জনা দত্ত, লন্ডন, ৩ জুন: করোনায় মৃত্যু এবং আক্রান্তের নিরিখে ব্রিটেনে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন ব্ল্যাক অ্যান্ড এথনিক মাইনরিটি (বিএএম‌ই) গোষ্ঠীর মানুষ। এ ব্যাপারে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ড (পিএইচ‌ই)। ...

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: কোচবিহার জেলার মাথাভাঙা মহকুমার নিশিগঞ্জের মাঘপালা সহ কোচবিহার-১ ব্লকের চান্দামারি এলাকায় ব্যাপক গাঁজা চাষ হয়। এখানকার গাঁজা চাষের কথা জেলা সহ রাজ্যের নজরেও রয়েছে। বিগত বছরগুলিতে হাজার হাজার বিঘা গাঁজা গাছ নষ্ট করেছে পুলিস। তারপরও এসব এলাকায় চাষ ...

নয়াদিল্লি, ৩ জুন: চোটের কারণে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে হার্দিক পান্ডিয়া। ভারতী দলের এই তারকা অলরাউন্ডারটিকে শেষবার টিম ইন্ডিয়ার জার্সি পরে খেলতে দেখা গিয়েছিল ২০১৮ সালে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ৩ জুন: ট্রেনের সাধারণ কোচকে করোনার কোয়ারেন্টাইনের কাজে ব্যবহার করার বিষয়টিকে ‘গিমিক’ বলেই তোপ দাগল তৃণমূল। শ্রমিক স্পেশালে ৮০ জন পরিযায়ী শ্রমিকের বেঘোরে প্রাণ হারানো নিয়েও মোদি-শাহকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন দলের জাতীয় মুখপাত্র তথা রাজ্যসভায় তৃণমূলের নেতা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। ব্যবসাতে যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃতের রচনাকার মহেন্দ্রনাথ গুপ্তের (শ্রীম) মৃত্যু
১৯৩৬: অভিনেত্রী নূতনের জন্ম
১৯৫৯: শিল্পপতি অনিল আম্বানির জন্ম
১৯৭৪: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরির মৃত্যু
১৯৭৫ - মার্কিন অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির জন্ম
১৯৮৫: জার্মান ফুটবলার লুকাস পোডোলোস্কির জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.২৯ টাকা ৭৬.০১ টাকা
পাউন্ড ৯২.৯৪ টাকা ৯৬.২৩ টাকা
ইউরো ৮২.৬৮ টাকা ৮৫.৭৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার, ত্রয়োদশী ২/৫৮ প্রাতঃ ৬/৭ পরে চর্তুদশী ৫৫/৫২ রাত্রি ৩/১৬। বিশাখা নক্ষত্র ৩৪/১৩ রাত্রি ৬/৩৭। সূর্যোদয় ৪/৫৫/১৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪/৯। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৪ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৭ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৬ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/২৯ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৫ গতে ১২/৫৫ মধ্যে।
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার, ত্রয়োদশী প্রাতঃ ৫/১ পরে চর্তুদশী রাত্রি ২/৫৩। বিশাখানক্ষত্র সন্ধ্যা ৬/২২। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৬। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪১ গতে ৬/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১২/০ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৬ গতে ৬/১৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৬ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।
১১ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনায় মৃত্যু ২৮৩
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৬৮ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

07:02:37 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৩৭৩, মৃত ১২ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১,৩৭৩ জন। মৃত্যু ...বিশদ

07:01:52 PM

কর্ণাটকে একদিনে করোনা আক্রান্ত ২৫৭, মৃত ৪ 
কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

06:51:26 PM

বাংলাদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ২,৪২৩, মৃত ৩৫
গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ২,৪২৩ জন। ফলে ...বিশদ

06:04:57 PM

নেপালে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৩৩৪ 
গত ২৪ ঘণ্টায় নেপালে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৩৩৪ জন। এখন ...বিশদ

05:53:17 PM

তবলিগি যোগ: ৩১৬০ জন বিদেশির ভারতে প্রবেশ নিষিদ্ধ
৩১৬০ জন বিদেশি নাগরিককে ভারতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র। তবলিগি ...বিশদ

05:29:00 PM