Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ব্যর্থতার নামাবলি গায়ে
মোদিজির বর্ষপূর্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

লকডাউনের চারটে ইনিংস শেষ করে আমরা ঢুকে পড়েছি প্রথম আনলক সিজনে। করোনা বিধ্বস্ত আমাদের জীবন বইতে শুরু করেছে এক নতুন খাতে। মাত্র কয়েক মাসেই আমাদের জীবনের সামগ্রিক চালচিত্র ম্যাজিকের মতো বদলে গিয়েছে। আমাদের জীবনদর্শন, আত্মবিশ্বাস, মূল্যবোধ, জীবনকে দেখার দৃষ্টিকোণ, অস্তিত্ব সংক্রান্ত বিশ্বাস, অহমিকা ইত্যাদি আজ ভঙ্গুর। এক নতুন জানালা দিয়ে যেন নতুন পৃথিবীকে দেখছি আমরা। অনেক প্রতিকূলতা এখন তার পরতে পরতে। পৃথিবীর শ্যাওলা ধরা দেওয়ালে এখন নোনা ধরা দাগ। কিন্তু তার মধ্যেই আমাদের বাঁচতে হবে, স্বপ্ন দেখতে হবে, লড়াই করতে হবে। যখন করোনা আতঙ্কের মধ্যে লকডাউন শুরু হল, আমাদের মনে হয়েছিল, লকডাউন দিয়ে এবং সামাজিক দূরত্ববিধি মেনেই এর মোকাবিলা করা সম্ভব। হয়তো সম্ভব হতো, কিন্তু আমরা পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মানতে পারিনি, দেশের সরকারও জাগ্রত থেকে করোনা রোধে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করতে পারেনি। পরের পর লকডাউন ঘোষণা করে আত্মতুষ্টি লাভ করেছে। তারপরের কাজটুকু করেনি। যতটুকু টেস্ট করার দরকার, তার কিছুই হয়নি। ফলে দিনে দিনে মৃতের সংখ্যা এবং আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে দ্রুতগতিতে। দেখা গেল, রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত এবং মৃত্যুর চৌকাঠ ডিঙিয়ে আমরা প্রবেশ করলাম আনলক পিরিয়ডে। বিশ্ব জুড়ে একই ছবি আমরা দেখতে পাচ্ছি। এই পরিস্থিতির জন্য যেমন দায়ী শাসক, তেমনই দায়ী সাধারণ মানুষও।
কিছুদিন আগে আমার এক অধ্যাপক বন্ধুর সঙ্গে ফোনে কথা হচ্ছিল। কথা প্রসঙ্গে সে বলেছিল, করোনা কালে একটা কথা খুবই স্পষ্ট। সেটা হল, গত কয়েক বছরে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নির্বাচন হয়েছে। সেই নির্বাচনের ফল থেকে এখন একটা ব্যাপার খুবই স্পষ্ট। দেখা যাচ্ছে, সব দেশেই কমবেশি অপদার্থ নেতাদের মানুষ ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনেছেন। ভোটের সময় ভোটারদের মাথা কি কোনও ভাইরাসে আক্রান্ত ছিল? নাহলে সব দেশের ভোটারই এমন অপদার্থদের চিনতে পারল না কেন? কেনই বা তাদের বিপুল ভোটে জিতিয়ে সিংহাসনে বসাল। আমরা আমাদের দেশের দিকে তাকিয়ে দেখতে পাচ্ছি, আজকের করোনার দৈত্য আটকাতে না পারার কারণ অবশ্যই সরকারের কমবেশি নিষ্ক্রিয়তা, যথার্থ পরিকল্পনার অভাব, নেতৃত্বের বিচক্ষণতার অভাব, দূরদৃষ্টির অভাব ইত্যাদি। এরকম অসংখ্য কারণ উল্লেখ করে ব্যর্থতাকে চিহ্নিত করা যায়। এদিকে, সরকার কিন্তু নিজের ঢাক নিজেই বাজিয়ে বলছে, আমরা এই করোনাকালে দারুণ কাজ করেছি। এর মধ্যেই দ্বিতীয় মোদি সরকার দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণ করল। তাই মন্ত্রী, নেতারা সাফল্য-সঙ্গীত গেয়ে জোর ঢাক বাজাচ্ছেন। কিন্তু মানুষ জানে, বর্ষপূর্তি হলেও ভরসাপূর্তি হয়নি। দ্বিতীয় মোদি সরকারের প্রথম সেমেস্টারে সরকার সব বিষয়ে ডাহা ফেল। গত এক বছরে সরকার দেশে অস্থিরতা তৈরি করেছে, দেশের অর্থনীতিটাকে টাইটানিক বানিয়ে ফেলেছে। সেটা একটু একটু করে তলিয়ে যাচ্ছে। আর ডেকে দাঁড়িয়ে ক্যাপ্টেন বলছেন, সকলে থালা-বাটি বাজাও হে।
এছাড়া করোনা মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতা প্রতিটি পদক্ষেপে। সারা পৃথিবীতে আমাদের স্থান এখন সপ্তম। আমরা ক্রমেই এগচ্ছি। আরও এগব। হয়তো ছুঁয়ে ফেলব ‘বন্ধু’ ট্রাম্পের দেশকেও। ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় দু’লক্ষ। ফ্রান্সকে ছাড়িয়ে সে দৌড়াচ্ছে। সবার আগে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ লক্ষেরও বেশি। অর্থাৎ আমাদের দেশের ১৩০ কোটি মানুষের মধ্যে আক্রান্ত ২ লক্ষ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৩৩ কোটি মানুষের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ লক্ষ। হিসেবটার মধ্যে একটা গোলমাল আছে কিন্তু। ব্যাপারটা একটু বিচার করে দেখা যেতে পারে। দেশের জনসংখ্যার পাঁচ শতাংশের করোনা টেস্ট করেছে আমেরিকা। তার মধ্যে তাদের আক্রান্তের সংখ্যা বেরিয়েছে ১২ শতাংশ। সেই সংখ্যাটাই ১৮ লক্ষ। পাশাপাশি ভারত ৪০ লক্ষেরও কম মানুষের করোনা টেস্ট করেছে। অর্থাৎ ০.৩০ শতাংশ মানুষের টেস্ট হয়েছে এবং তার মধ্যে ৪.২৮ শতাংশ পজিটিভ। মারাত্মক জাগলারি, তথ্য চাপার মারাত্মক ব্যবস্থা। যেখানে যত কম টেস্ট হবে, তত কমই তো করোনা পজিটিভ হবে, এটাই স্বাভাবিক। কোনও টেস্ট না হলে দেখা যেত জিরো শতাংশ আক্রান্ত আমাদের দেশে। আমরা যদি পাঁচ শতাংশ টেস্ট করতাম, তাহলে হয়তো আমরাই বিশ্বে এক নম্বরে থাকতাম। সব কাজই কি আর রাম কিংবা গোমূত্রে হয়? কম টেস্ট করিয়ে কম আক্রান্ত দেখানোর প্রবণতাটা সত্যিই ভয়ঙ্কর।
এর মধ্যে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল অ্যান্ড নিউরোসায়েন্সেস-এর একটি রিপোর্ট থেকে আশঙ্কা কিন্তু বেড়েই যাচ্ছে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের প্রায় ৬৭ কোটি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হবে। অর্থাৎ দেশের অর্ধেক মানুষ। এদের মধ্যে আবার ৯০ শতাংশ ভারতীয় জানতেই পারবে না, তারা করোনা আক্রান্ত। কেননা তাদের সংক্রমণের তেমন লক্ষণ থাকবে না। এদের মধ্যে ৫ শতাংশের অবস্থা হবে সঙ্কটজনক। সেই হিসেবে এই বছরের শেষে প্রায় তিন কোটি ভারতীয় উপসর্গযুক্ত করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন। সবকিছুই এখন আনলক হয়ে গেল। বিষয়টা খুবই চিন্তাগ্রাহ্য। এই সঙ্গে একটা কথা মনে রাখা দরকার। আনলক অবস্থায় এলেও কিন্তু আমরা সতর্কতা, স্বাস্থ্যবিধিকে জলাঞ্জলি দিতে পারি না। আজকে যতটা বাড়বাড়ন্ত হয়েছে, তার জন্য সাধারণ মানুষও কম দায়ী নয়। অনেকেই সেভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানেনি।
সরকারের দ্বিতীয় ব্যর্থতার সব থেকে বড় উদাহরণ পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে উদাসীনতা। আশ্চর্য, সরকার এদের কথা ভাবলই না। সরকার দীর্ঘদিন ধরে শুধু বসে বসে দেখল, ওরা হেঁটে চলেছে শত শত কিলোমিটার। খাদ্য নেই, জল নেই। কারও কারও প্রাণ গেল পথের উপরেই। তবু সরকার চোখ বন্ধ করে রইল। অনেক মৃত্যুর পর সম্বিত ফিরলেও পরিকল্পনাহীন পদক্ষেপ নিল। অবিজেপি রাজ্যগুলিতে একের পর এক ঢুকিয়ে দিতে লাগল শ্রমিক বোঝাই ট্রেন। রাজ্যগুলিকে সেকথা জানানোর প্রয়োজনও সরকার মনে করল না।
বীরভূমের নলহাটির ইয়ার মহম্মদ ওরফে ভাদু। ৬২ বছরের এই শ্রমিক একটু ভালো কাজের আশায় রাজমিস্ত্রির হতে গিয়েছিলেন হায়দরাবাদে। অনেকদিন আটকে পড়ে থেকে যখন সব জমানো পয়সা শেষ হয়ে গেল, তখন তিনি সেখান থেকে হাঁটা শুরু করলেন বাড়ির পথে। প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার রাস্তা। ৬২ বছরের ভাদু কয়েকজনের সঙ্গে মনের জোরকে সম্বল করে হাঁটা শুরু করলেন। কখনও ট্রাকে, কখনও হেঁটে বাড়ির দিকে এগতে লাগলেন ভাদু। বালেশ্বর অবধি এসেছিলেন। সেদিন প্রবল ঝড়জল। সব যেন উড়ে যাবে। ট্রাকের উপর বৃষ্টিতে ঠকঠক করে কাঁপছিলেন। সেখানেই তাঁকে নামিয়ে দিয়ে যায় ট্রাকচালক। সেই রাতে একটা দোকানের শেডের নীচে কাঁপতে কাঁপতে শুয়ে পড়েছিলেন। ক্লান্তিতে ঘুমিয়েও পড়েছিলেন। কিন্তু পরদিন সকালে তাঁর আর ঘুম ভাঙেনি। পরে বাড়ি ফিরেছিল তাঁর দেহটা। সাদা কাপড়ে মোড়া। দেশ জুড়ে এমন অসংখ্য ভাদু নীরবে বিদায় নিয়েছেন। দেশের সরকার তাঁদের জন্য কোনও সুপরিকল্পিত নীতি নিতে পারেনি। অবশেষে সুপ্রিম কোর্ট একটা নির্দেশিকা দিয়েছে, অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে, কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশ কেন্দ্রের ব্যর্থতাকে চোখের সামনে তুলে ধরেছে। লকডাউনের দু’মাস পরে সুপ্রিম কোর্টকে বলতে হচ্ছে, পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ট্রেনের ব্যবস্থা করতে, তাদের জন্য খাদ্য ও পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে। অন্যদিকে ব্যর্থতার নামাবলি গায়ে দিয়ে বর্ষপূর্তির আত্মতুষ্টিতে উদ্ভাসিত মোদিজি।
ব্যর্থতার পাঁচালি পড়তে পড়তে এ প্রসঙ্গে পণ্ডিত জর্জ বার্নার্ড শ-এর কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। রাজনীতিকদের তিনি ভালো করেই চিনেছিলেন। তিনি একবার বলেছিলেন, যে রাজনীতিক কিস্যু না জেনেও মনে করেন যে তিনি অনেক কিছু জানেন, তিনি অনেকদূর পর্যন্ত যেতে পারেন। এমনকী পৌঁছতে পারেন শীর্ষস্থানেও। কথাটা পড়ার পরই সকলেরই মনে হতে পারে, এমন জলজ্যান্ত সত্যিটাকে তিনি উপলব্ধি করলেন কী করে? আমাদের দেশের ক্ষেত্রে কথাটা কি খাটে না? বুঝহ সুজন।
এখন যা দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি তাতে মনে হচ্ছে, খনার বচনও সম্ভবত সত্যি। আসলে খনার বচন তো কোনও অলীক বিচার নয়, তা এক কৃষিতত্ত্ব, যা নির্ভর করে আবহাওয়া এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত জ্ঞানের উপর। সেগুলি যে আজকের দিনে সব মেলে তা নয়, কিন্তু তাঁর কিছু কিছু সত্যদর্শন হয়তো সবসময় মেলে।
তাঁর একটি বচন হল, ‘দাবানল, শস্যহানি, ঝড় মহামারী।/একত্রে ঘটিলে জেনো রাজা দূরাচারী।/ রাজা যদি পাপমতি প্রবঞ্চক হয়।/ রাজপাপে দেশময় বহে মৃত্যুভয়।/ অধর্ম কুকর্ম যদি কভু রাজা করে।/ দেখিবে অন্নাভাবে প্রজাগণ মরে।/ বৈশাখে অকাল বন্যা, আষাঢ়েতে খরা / নিশ্চয় বুঝিবে রাজা, ভণ্ড, ইষ্টহারা।’ এরপর বোধহয় আর কিছু বলার দরকারই পড়ে না। ব্যর্থ রাজার ধন্য দেশ আজ কোন পথে এগবে, তা কেউ জানে না!
03rd  June, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা ‘প্রফেশনাল আয়ুর্বেদাচার্য’ বা বিএএমএস পরীক্ষা ৩১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট।   ...

সংবাদদাতা, কান্দি: শনিবার সকালে ফরাক্কা-হলদিয়া বাদশাহী সড়কের বড়ঞা থানার করালীতলার কাছে একটি কুকুরকে বাঁচাতে গিয়ে বাইক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে জখম হলেন এক ব্যক্তি।   ...

নিউ ইয়র্ক: হাতে ‘বয়কট চীন’ প্ল্যাকার্ড। মুখে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বয়কটের ডাক। শনিবার নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে জমায়েত হয়ে চীনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন ভারতীয় ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর কোভিড-১৯ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আপাতত এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে সিএবি।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২০/৪২ দিবা ১/১৭। জ্যেষ্ঠা ৪৭/৫০ রাত্রি ১২/৮। সূর্যোদয় ৫/০/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/২২। অমৃতযোগ দিবা ১২/২৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৫২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩/৩৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২০ গতে ১১/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে। 
১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী দিবা ১২/৫০। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ১২/২৭। সূযোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/২ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
১১ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এটিকে-এমবির বোর্ডে সৌরভ 
জল্পনা ছিলই। শেষ পর্যন্ত বিস্তর আলোচনার পর এটিকে-এমবি প্রাইভেট লিমিটেডের ...বিশদ

10:33:05 AM

আগামীকাল কুলতলিতে বনধ ডাকল এসইউসিআই 
দলের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সুধাংশু জানাকে খুন ও মৈপীঠ অঞ্চলে ...বিশদ

10:26:59 AM

বড়বাজারে একটি বাড়িতে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ২টি ইঞ্জিন 

10:15:04 AM

দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত প্রায় ২৫ হাজার 
প্রতিদিনই সংক্রমণের নিরিখে রেকর্ড গড়ছে দেশ। এবার প্রায় ২৫ হাজার ...বিশদ

10:12:55 AM

কলকাতা হাইকোর্ট: কাল থেকে নিজের ঝুঁকিতে সশরীরে শুনানি করা যাবে 
মামলাকারী বা তাঁর আইনজীবী নিজের ঝুঁকিতে আগামী ৬ জুলাই থেকে ...বিশদ

09:05:28 AM

করোনায় আক্রান্ত সিএবি কর্মী 
করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর ...বিশদ

08:45:00 AM