Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

হিসেব মেলানো ভার
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সাত দু’গুণে কত হয়? উঁহু, ১৪ নয়। আপনি কখন বলছেন, তার উপর নির্ভর করছে। মানে, কাকেশ্বর কুচ্‌কুচে যদি মনে করে, আপনি বলার সময় ১৩ টাকা ১৪ আনা ৩ পাই হয়েছিল... মানে পুরোপুরি ১৪ হয়নি, তাহলে সেটাই। অর্থাৎ, হাতে একটা পেনসিল থাকছেই।
মনে হতেই পারে, হঠাৎ হ য ব র ল’র অবতারণা কেন? লকডাউনের পঞ্চম পর্বে এসে তেমনই একটা দশা আমাদের হয়েছে। মোক্ষম একটা প্রশ্ন বাজারে ঘুরছে... লকডাউন ফাইভ, নাকি আনলক ওয়ান? আসলে কোনটা? আর তার সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়া ছেয়ে গিয়েছে মিমে—নরেন্দ্র মোদি সরকারের ভাবনা-চিন্তার ওঠাপড়া নিয়ে। যখন আক্রান্ত ৫০০, লকডাউন এবং করোনা ঠেকানো নিয়ে সরকারের চিন্তার অন্ত ছিল না। আর যখন দেশে সংক্রমণ ১ লক্ষ ৯০ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে, তখন তালা খোলার ব্যস্ততা! প্রশ্ন আরও একটা রয়েছে... নরেন্দ্র মোদিজি কোথায়? প্রথম প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে দেখা যেত। গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা থাকলেই প্রাইম টাইম রাত ৮টা। আর গোটা দেশের বুক দুরদুর শুরু। না জানি এবার কী বন্ধ হয়! লকডাউনের নাটকীয় ঘোষণাও ছিল ২৩ মার্চ রাত ৮টায়। কিন্তু ২৯ মে তারিখে প্রধানমন্ত্রী কোথায়? দেশ ‘আনলক’ হতে চলেছে... অথচ তাঁর দেখা নেই? মানে, তাঁর মন্ত্রিসভা বা কাছেপিঠের লোকজন অবশ্যই দেখা পাচ্ছেন, এক বছরের ‘মোদি সরকার ২.০’র জয়গান গাইছেন... কিন্তু মানুষ তাঁকে প্রাইম টাইমে দেখতে পাচ্ছে না। যার দরকার ছিল।
লকডাউনের ঘোষণা ছিল পরিকল্পনাবিহীন। মানুষ গুছিয়ে নিতে পারেনি, সরকারও না। দেশের প্রত্যেক নাগরিকের ঘরে কীভাবে রেশন পৌঁছবে, কীভাবে কালোবাজারি ঠেকানো যাবে, কী করেই বা ঘরে ফিরবেন পরিযায়ী শ্রমিকরা? উত্তর খুঁজতে কালঘাম ছুটেছে রাজ্যগুলির। একদিকে গবেষকরা প্রতিষেধক আবিষ্কারের পাশাপাশি নিত্যনতুন টুপি-জুতো উদ্ভাবন করে সামাজিক দূরত্বর বাণিজ্যিকীকরণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। আর অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীরা ভাবছেন, দারিদ্রসীমার নীচে থাকা কোটি কোটি মানুষের পেটের ভাত কীভাবে জুটবে। এও কিন্তু এক পাহাড়প্রমাণ কাজ। যার ইতি এবং নেতি, দু’ধরনের দিকই রয়েছে। ইতিবাচক দিক—প্রথম এবং প্রধান, কর্মহীনতার দিনগুলোতে কাউকে না খেয়ে মরতে হবে না। পাশাপাশি ১০০ দিনের কাজের পরিধি এবং ভাতা বাড়িয়ে দেওয়ায় এই শ্রেণীর মানুষের হাতে টাকা থাকবে। তাঁরা কেনাকাটা করতে পারবেন। অর্থাৎ বাজার থেকে পণ্যের চাহিদা ঝটিতি পড়ে যাবে না। এবার নেতিবাচক—প্রথমত, কাদের সত্যিই এই বিনা পয়সার খাবার প্রয়োজন, তার হিসেব করা সম্ভব নয়। পশ্চিমবঙ্গে কিন্তু এমন অনেকেই আছেন, যাঁদের বার্ষিক আয় ১০ লক্ষ টাকা হওয়া সত্ত্বেও দু’টাকা কেজি চালের জন্য প্রযোজ্য রেশন কার্ড বগলদাবা করে রেখেছেন। ব্যাপক অভিযান চালানো পরও এই শ্রেণী ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গিয়েছে। দ্বিতীয়ত, পরিযায়ী যে শ্রমিকরা রাজ্যে ফিরছেন, তাঁদের জন্য খাবারের বন্দোবস্ত করা। ধরে নেওয়া যাক, পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৩ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক মহারাষ্ট্রে কাজ করতে যান। অর্থাৎ, তাঁরা ওই রাজ্যে থাকেন, খরচাপাতি করে সেখানকার অর্থনীতিতে অবদান রাখেন, টাকা উপার্জন করেন এবং সমস্যা হলে বাড়ি ফিরে আসেন। এখানে আছে বলতে একটি ভোটার বা আধার কার্ড। অথচ, অধিকাংশ সময় ভোটেও তাঁদের পাওয়া যায় না। এরপরও একটা কথাই চিরন্তন সত্য, এই শ্রেণীটাই দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার ক্ষেত্রে বিপুল ভূমিকা পালন করে। তারা কাজে না নামলে গুরুগ্রাম-নয়ডার নির্মাণশিল্প জোগানদার পাবে না, গুজরাতের সোনার দোকান ১৮ ঘণ্টা নাগাড়ে বসে থাকা সোনাশিল্পী পাবে না, কাশ্মীরের ব্যবসায়ীদের আপেল পাড়ার শ্রমিক মিলবে না। এবং সর্বোপরি উৎপাদন শিল্প উঠে দাঁড়ানোর যে সামান্য স্বপ্ন দেখছে তা বাস্তবায়িত হবে না। আমি যদি দেখি, সামান্য কাজ করে বাড়ি বসেই ১০০ দিনের কাজের টাকা পেয়ে যাচ্ছি এবং রাজ্য সরকারের অনুগ্রহে চাল-ডালটাও বিনামূল্যে হেঁশেলে ঢুকে পড়ছে, তাহলে আর গতর খাটানোর প্রয়োজন কোথায়? কাজ ব্যাপারটাও কিন্তু অভ্যাস। সেটা যদি চলে যায়, ফিরিয়ে আনা কঠিন। ‘আনলক ১’-এর শুরুতে যাবতীয় উৎপাদন এবং নির্মাণশিল্প চালু করার যে উদ্যোগ দেখা দিয়েছে, তার সবটাই কিন্তু এই একটি ট্র্যাকে এসে মুখ থুবড়ে পড়বে। উৎপাদন ক্ষেত্র শুধু লকডাউনে নয়, তার অনেক আগে থেকেই ধুঁকছে। ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিটের বৃদ্ধির হার গত তিনটি ত্রৈমাসিকে ছিল যথাক্রমে, মাইনাস ০.৬ শতাংশ, মাইনাস ০.৮ শতাংশ এবং মাইনাস ১.৪ শতাংশ। তার বেশিরভাগটাই অবশ্য বাজার অর্থনীতির পতনের জন্য। ১ জুন থেকে তালা খোলার যে পর্ব শুরু হয়েছে, তাতেও কিন্তু এই উৎপাদন ক্ষেত্র ধুলোটুলো ঝেড়ে উঠবে বলে মনে হয় না। এর জন্যও দরকার ছিল যথাযথ পরিকল্পনা। যা এই সরকার এবারও করে উঠতে পারেনি। ঠান্ডা ঘরে বসে থাকা মাথার উপরের লোকজন দিয়ে কারখানা বা নির্মাণকাজ চলে না। তাঁরা বলবেন কী করতে হবে। আর কর্মীরা কাজ করবে। পরিযায়ী শ্রমিকরা যদি ‘হাঁটা’ ছেড়ে দেন, তাহলে এই কাজগুলো করবে কে?
তাই ধন্দটা তৈরি হয়েছে। এবং প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে। আজকের তারিখে দাঁড়িয়ে সবচেয়ে বড় সত্যিটা হল, আনলক করার দরকার ছিল। গাড়ি স্টার্ট না দিলে যেমন ব্যাটারি বসে যায়, দেশের অর্থনীতিও তেমন। চালু রাখতে হবে। চাকা গড়াতে হবে। এই প্রক্রিয়া চাই। যা চাই না তা হল, ধন্দ। একদিকে কেন্দ্র বলবে, রাজ্যগুলিকে ক্ষমতা দিলাম... ওরা পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিক। আবার নির্দেশনামা জারি করবে, এর বাইরে যাওয়া যাবে না। এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্তরে যা দরকার, সেটা হল, সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। তা কিন্তু এখনও হচ্ছে না। প্যাকেজ ঘোষণা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সংস্থাগুলি কাজ কীভাবে করাবে, তার কোনও দিশা নেই। প্যাকেজ ঘোষণা হয়েছে। কিন্তু আগের অর্থসাহায্য সর্বত্র ঠিকমতো পৌঁছনোর অভিযোগ যায়নি। ১ জুলাই থেকে এমএসএমই ঋণ পাবে। মানে আবেদন করা যাবে। লোন করতে আগ্রহী সংস্থাগুলি কিন্তু এরপরও আশঙ্কা করছে, ঠিকঠাক জায়গায় ঋণের টাকাটা পৌঁছবে তো?
গাড়ি ছুটতে শুরু করেছে। দেখা যাচ্ছে ট্রাফিক জ্যাম। সরকারি বাস, ক্যাব, অটো...। নিয়ম কোথাও মানা হচ্ছে। কোথাও হচ্ছে না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যাঁরা বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকছেন, ধৈর্যের সীমা তাঁদের বাঁধ ভাঙছে। বাস থামিয়ে বাদুড়ঝোলা হয়েই রওনা দিচ্ছেন তাঁরা গন্তব্যের উদ্দেশে। আর কেউ কেউ এমনও আছেন, যাঁরা এতকিছুর পরও বাসে উঠতে পারছেন না। তাঁদের জন্য কোনও আলাদা বাস বা ট্রেনের ব্যবস্থা নেই, যা আছে সরকারি কর্মীদের জন্য। সেইসব বেসরকারি হাসপাতালের কর্মীরা কেউ হেঁটে, কেউ বা সাইকেলে চেপে আসছেন দূর দূরান্ত থেকে। বাড়ির আশপাশের লোকজন অস্পৃশ্যের মতো আচরণ করছেন তাঁদের সঙ্গে। এঁদের জন্যই না নরেন্দ্র মোদি মোমবাতি জ্বালাতে, থালা বাজাতে বলেছিলেন! এঁরাই না আমাদের ‘করোনা যোদ্ধা’! মানুষ পাশে দাঁড়াচ্ছেন না তাঁদের, শুধু আদিখ্যেতা চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সঙ্গী আতঙ্ক। রাস্তায় বেরলে অবশ্যই সংক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। কিন্তু তা ছাড়া উপায় কী? প্রতিষেধকের আশায় বসে থাকলে যত বছর সময় লাগবে, তাতে অর্থনীতি বলে আর কিছুই বেঁচে থাকবে না। লক্ষ লক্ষ মানুষের অনাহারে মৃত্যু তো হবেই, তারপর আমাদেরও আর গুহামানবের আমলে ফিরে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।
কাজেই মিম ছড়িয়ে লাভ নেই। আমাদের শরীরেই ইমিউনিটি তৈরি করতে হবে। যাঁদের শরীরে করোনা বাসা বাঁধা সত্ত্বেও উপসর্গ দেখা যাচ্ছে না, তাঁরা কিছুটা হলেও সেই প্রবণতার দিকে এগচ্ছে। কিন্তু সংখ্যাটা নগণ্য। মোট জনসংখ্যার ৬০-৭০ শতাংশ যদি একটা রোগে আক্রান্ত হয়, তবেই ধীরে ধীরে ফ্লু জাতীয় রোগের ক্ষেত্রে ইমিউনিটি তৈরি হতে পারে। এটা অবশ্যই সমাধানসূত্র নয়। এটা আত্মসমর্পণ। একটি মহামারীর কাছে। তাহলে উপায় কী? এলাকার পর এলাকা উজাড় হয়ে যাবে না... আবার মানুষ না খেয়েও মরবে না। দায়িত্বটা সরকারের। শুধু ‘আনলক’ করলেই হবে না। নিরাপত্তাও সুনিশ্চিত করতে হবে। খালি পেটে সচেতনতার ক্লাস হয় না। সতর্কতাও মানবজমিন থেকে কর্পূরের মতো উবে যায়।
প্রকৃতি আজ কঠিন অঙ্ক এক কষতে দিয়েছে। সাত দুগুণে ১৪... এই হিসেবটাই মেলাতে হবে। দ্রুত। আর সেটা করতে হবে নির্বাচিত সরকারকেই। সময় কিন্তু একেবারেই বেশি নেই।
02nd  June, 2020
এবার আপনার ক্রোনোলজি
বোঝার সময়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ​​​​​

নরেন্দ্র মোদি মুখ... আর চালিকাশক্তি অমিত শাহ। তিনি নরেন্দ্র মোদির চাণক্য... ম্যানেজ মাস্টার। কিন্তু বাণীবর্ষণে তো প্রশাসন চলে না! নিজের পছন্দসই, পেটোয়া লোকজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসালেও নয়। তাতে শুধু পুতুল নাচ হয়।
বিশদ

‘কারবার শুধু সরকারগুলির সঙ্গে’
পি চিদম্বরম 

শিরোনামের চারটি শব্দে (কারবার শুধু সরকারগুলির সঙ্গে) বিতর্কটাকে বাঁধা উচিত। রাজনৈতিক নেতা (বিরোধী সদস্য এবং মন্ত্রীরা), বিচারপতি, আমলা, ছাত্র, নাগরিক আন্দোলনের কর্মী, সাংবাদিক এবং ব্যবসায়ীদের উপর নজরদারিতে স্পাইওয়্যার ব্যবহার নিয়ে যে বিতর্ক দানা বেঁধেছে, কথাটা বলছি সেই প্রসঙ্গে।
বিশদ

02nd  August, 2021
আপনার টাকা, আপনার চাকরি কতটা নিরাপদ!
হিমাংশু সিংহ

সোজা কথায় কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই দেশের ব্যাঙ্কিং ও বিমা ক্ষেত্রকে বৃহৎ ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেওয়ার আয়োজন সম্পূর্ণ। এবং তা করা হচ্ছে বুক ফুলিয়ে সংসদে প্রায় কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই।
বিশদ

01st  August, 2021
মোদি-বিরোধী জোটের
মূল কাণ্ডারী মমতা
তন্ময় মল্লিক

মোদি-অমিত শাহের চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহস দেখানোয় মমতা হয়ে উঠেছেন জাতীয় রাজনীতির চর্চিত চরিত্র। বাংলার নির্বাচনকে ‘প্রেস্টিজ ফাইটে’র জায়গায় নিয়ে যাওয়ায় নরেন্দ্র মোদিই নিজের বিপদ নিজে ডেকে এনেছেন। বাংলায় বিজেপির ভরাডুবির পর থেকেই দেশের মানুষ ভাবতে শুরু করেছেন, মমতাই পারবেন।
বিশদ

31st  July, 2021
মমতার গতিশীল রাজনীতির
টক্করে ব্যর্থ বিরোধীরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 

রাজ্য কংগ্রেস ও সিপিএমের সামনে ব্লাইন্ড লেন। সোনিয়ার সঙ্গে মমতার সাক্ষাৎ, মমতার জোট আহ্বানে সব দলের সবুজ সংকেতের পর এ রাজ্যে এই দু‌ই দলের মমতা বিরোধিতা হাস্যকর। তবু হয়তো এ রাজ্যের বিরোধীরা একটি পথ গ্রহণ করবে। সেটি হল, মমতার দিল্লিমুখী রাজনীতি নিয়ে হাসাহাসি করা, আক্রমণ করা, তাঁকে অতি উচ্চাকাঙ্ক্ষী তকমা দিয়ে কটাক্ষ করা, ব্যঙ্গবিদ্রুপ করা। বিশদ

30th  July, 2021
অগ্নিগর্ভ আফগানিস্তানে
অনিশ্চয়তার দুলুনি!
মৃণালকান্তি দাস

কাবুলে নতুন আফগান পার্লামেন্ট ভবনটিও তৈরি করেছে ভারত। নির্মীয়মান শত শত প্রকল্পের এখন কী হবে? ভারতের নীতি-নির্ধারকরা এখন সেই চিন্তায় অস্থির। তাছাড়া মধ্য এশিয়ার বাজারে ঢুকতে ভারতের জন্য আফগানিস্তান খুবই জরুরি।
বিশদ

29th  July, 2021
মানবাধিকার, গণতন্ত্র যখন অতি স্পর্শকাতর শব্দ
হারাধন চৌধুরী

সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করে নিউজিল্যান্ডের নাগরিকরা। আর অত্যন্ত মর্মান্তিক হাল সিরিয়ায়। ভারতের পজিশন ১১১! তার সোজা-সাপ্টা মানে, মোদির ভারতের অবস্থান খারাপের দিকেরই শীর্ষে! আমাদের জন্য দুটি সান্ত্বনা: চীন ও পাকিস্তানের র‌্যাঙ্ক যথাক্রমে ১২৯ ও ১৪০। বিশদ

28th  July, 2021
সাধারণের করের টাকায় নজরদারির শ্রাদ্ধ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট করেছেন... ভারতের যুব সম্প্রদায়কে যেভাবে ‘মন কি বাত’ আকর্ষণ করছে, তাতে তিনি ভীষণ খুশি। ওলিম্পিকস শুরু হয়েছে। টিভির পর্দায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই এখন একটাই সরকারি স্লোগানে ডুবে, ‘চিয়ার ফর ইন্ডিয়া’... হাত মুঠো করে সামনের দিকে ঘুষি ছুড়তে হবে।
বিশদ

27th  July, 2021
সরকার পক্ষীরাজের পিঠে সওয়ার
পি চিদম্বরম

একজন মন্ত্রী এই মর্মে শপথ নেন যে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন। মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সময় তিনি কোনও অশুভ শক্তিকে ভয় পাবেন না কিংবা পছন্দের কারও প্রতি পক্ষপাতিত্ব করবেন না।
বিশদ

26th  July, 2021
 অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে বন্ধ্যাত্বের শাপমুক্তি ঘটছে
ডাঃ গৌতম খাস্তগীর

২৫ জুলাই বিশ্ব নলজাতক দিবস যেন সুপ্রজননবিদ্যার অদৃশ্য জয়ধ্বজা ওড়ানোর দিন। বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার ত্যাগ, তিতিক্ষা, ধৈর্য, অসহিষ্ণুতা জয়, পরিশ্রমের নির্যাস এই বিশেষ দিন, যার পোশাকি নাম ওয়ার্ল্ড ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন ডে। আজকেই তো সেইদিন যখন টাইম মেশিনে চড়ে পিছিয়ে যাওয়া কয়েক দশক।
বিশদ

25th  July, 2021
সংবাদপত্রের উপর আবার আঘাত
হিমাংশু সিংহ

‘গঙ্গা ঝুট নেহি বোলতে’। গঙ্গা কখনও মিথ্যে বলে না। দৈনিক ভাস্করের সম্পাদক ওম গৌড়ের এই প্রতিবেদনটি ঝড় তুলেছিল গোটা দেশে। দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতা, গঙ্গায় সারি সারি লাশের ভেসে যাওয়া, অক্সিজেনের সঙ্কট এবং সর্বোপরি একটা বেডের জন্য এ হাসপাতাল থেকে ও হাসপাতালে ছোটাছুটির জীবন্ত ছবি নিজের কলমে এঁকেছিলেন সম্পাদক ওম গৌড়।
বিশদ

25th  July, 2021
টক্কর নিতে গিয়ে হাসির
খোরাক হচ্ছে বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

প্রতিযোগিতা থাকা ভালো, কিন্তু রেষারেষি মোটেই কাম্য নয়। প্রতিযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যায়, দেয় প্রতিষ্ঠা। রেষারেষিতেও এগনো যায়। তবে, তার মধ্যে থাকে প্রতিশোধ নেওয়ার বাসনা।
বিশদ

24th  July, 2021
একনজরে
কংসাবতী ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ আরও বাড়ানো হল। রবিবার রাত থেকে ২২হাজার হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়া হচ্ছে। রবিবার গভীর রাতে পাঁশকুড়া পুরসভার ১৩নম্বর ...

চলতি মাসে গৃহঋণের উপর প্রসেসিং ফি মকুব করল স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। সাধারণভাবে এই ব্যাঙ্ক হোম লোনের উপর ০.৪০ শতাংশ প্রসেসিং ফি নেয়। তা আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত নেওয়া হবে না। ...

উত্তরবঙ্গের চা শ্রমিকদের প্রভিডেন্ড ফান্ড সংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে এগিয়ে এল শ্রমদপ্তর। পিএফ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে সোমবার থেকে ডুয়ার্সের ৮৩টি চা বাগানের ১৫ হাজার শ্রমিকের আধার কার্ড ও পিএফ নথিতে থাকা ভুলভ্রান্তি শোধরানোর জন্য গণক্যাম্প কর্মসূচি শুরু করল দপ্তর। ...

হংকংয়ে গণতন্ত্রের দাবিতে সরব হয়েছিলেন জনপ্রিয় গায়ক অ্যান্টনি ওং। সেই কারণে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল চীনের মদতপুষ্ট হংকংয়ের দুর্নীতি দমন শাখা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের পক্ষে শুভ দিন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফলতার সম্ভাবনা। উদাসীনতায় কাজে ও উপার্জনে বাধার আশঙ্কা। বন্ধুর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৪: প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল জার্মানি
১৯৫৬: ভারতীয় ক্রিকেটার এবং কোচ বলবিন্দর সিং সান্ধুর জন্ম
১৯৫৭ - মহাত্মা গান্ধীর কনিষ্ঠ পুত্র তথা বিশিষ্ট সাংবাদিক দেবদাস গান্ধীর মৃত্যু
১৯৮৪: ভারতীয় ফুটবলার সুনীল ছেত্রীর জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৫৯ টাকা ৭৫.৩১ টাকা
পাউন্ড ১০১.৭৪ টাকা ১০৫.২৫ টাকা
ইউরো ৮৬.৮০ টাকা ৯০.০০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৮,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৮,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৮ শ্রাবণ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট ২০২১। দশমী ১৯/২৯ দিবা ১/০। রোহিণী ৫১/১৮ রাত্রি ১/৪৪। সূর্যোদয় ৫/১২/৩১, সূর্যাস্ত ৬/১৩/১। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ গতে ১০/২৫ মধ্যে পুনঃ ১/১ গতে ২/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে ৫/২১ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ৯/৯ গতে ১১/২০ মধ্যে পুনঃ ১/৩২ গতে ৫/২১ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ৯/৯ গতে ১১/২০ মধ্যে পুনঃ ১/৩২ গতে ৩/০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫০ গতে ৮/২৭ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ২/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৬ গতে ৮/৫৮ মধ্যে। 
১৭ শ্রাবণ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট ২০২১। দশমী দিবা ১২/৩৪। রোহিণী নক্ষত্র রাত্রি ২/১৩। সূর্যোদয় ৫/১১, সূর্যাস্ত ৬/১৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ২/৩৮ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ মধ্যে ও ৯/২ গতে ১১/১৭ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৩/২ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৯ গতে ৮/২৭ মধ্যে ও ১/২২ গতে ৩/০ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৮ গতে ৯/০ মধ্যে। 
২৩ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে ময়নাগুড়িতে বিক্ষোভ তৃণমূলের
ত্রিপুরায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ময়নাগুড়ি ১নম্বর ব্লক ...বিশদ

01:32:37 PM

মেদিনীপুরে পুলিস ভ্যান থেকে লাফ দিয়ে পলাতক ২ বন্দি
মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে তমলুক কোর্টে আনার সময় পুলিস ভ্যান ...বিশদ

01:30:56 PM

মহিষাদলে লক্ষাধিক টাকার লোহার পাইপ চুরি, পাকড়াও ড্রাইভার সহ খালাসি
মহিষাদলের ঝাউপাতরা এলাকা থেকে আইওসির লক্ষাধিক টাকার লোহার পাইপ নিয়ে ...বিশদ

01:21:09 PM

প্রকাশিত হল সিবিএসই-র দশম শ্রেণীর ফল
প্রতীক্ষার অবসান। প্রকাশিত হল সিবিএসই-র দশম শ্রেণির ফল। বেলা ১২টা ...বিশদ

12:12:00 PM

পর পর জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আন্দামান নিকোবর
পর পর জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আন্দামান নিকোবর। আজ, মঙ্গলবার ...বিশদ

11:49:26 AM

পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সাইকেল র‌্যালি রাহুল গান্ধীর
পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ। দিল্লির রাজপথে সাইকেল র‌্যালিতে রাহুল গান্ধী। সঙ্গে ...বিশদ

11:38:35 AM