Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

হিসেব মেলানো ভার
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সাত দু’গুণে কত হয়? উঁহু, ১৪ নয়। আপনি কখন বলছেন, তার উপর নির্ভর করছে। মানে, কাকেশ্বর কুচ্‌কুচে যদি মনে করে, আপনি বলার সময় ১৩ টাকা ১৪ আনা ৩ পাই হয়েছিল... মানে পুরোপুরি ১৪ হয়নি, তাহলে সেটাই। অর্থাৎ, হাতে একটা পেনসিল থাকছেই।
মনে হতেই পারে, হঠাৎ হ য ব র ল’র অবতারণা কেন? লকডাউনের পঞ্চম পর্বে এসে তেমনই একটা দশা আমাদের হয়েছে। মোক্ষম একটা প্রশ্ন বাজারে ঘুরছে... লকডাউন ফাইভ, নাকি আনলক ওয়ান? আসলে কোনটা? আর তার সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়া ছেয়ে গিয়েছে মিমে—নরেন্দ্র মোদি সরকারের ভাবনা-চিন্তার ওঠাপড়া নিয়ে। যখন আক্রান্ত ৫০০, লকডাউন এবং করোনা ঠেকানো নিয়ে সরকারের চিন্তার অন্ত ছিল না। আর যখন দেশে সংক্রমণ ১ লক্ষ ৯০ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে, তখন তালা খোলার ব্যস্ততা! প্রশ্ন আরও একটা রয়েছে... নরেন্দ্র মোদিজি কোথায়? প্রথম প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে দেখা যেত। গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা থাকলেই প্রাইম টাইম রাত ৮টা। আর গোটা দেশের বুক দুরদুর শুরু। না জানি এবার কী বন্ধ হয়! লকডাউনের নাটকীয় ঘোষণাও ছিল ২৩ মার্চ রাত ৮টায়। কিন্তু ২৯ মে তারিখে প্রধানমন্ত্রী কোথায়? দেশ ‘আনলক’ হতে চলেছে... অথচ তাঁর দেখা নেই? মানে, তাঁর মন্ত্রিসভা বা কাছেপিঠের লোকজন অবশ্যই দেখা পাচ্ছেন, এক বছরের ‘মোদি সরকার ২.০’র জয়গান গাইছেন... কিন্তু মানুষ তাঁকে প্রাইম টাইমে দেখতে পাচ্ছে না। যার দরকার ছিল।
লকডাউনের ঘোষণা ছিল পরিকল্পনাবিহীন। মানুষ গুছিয়ে নিতে পারেনি, সরকারও না। দেশের প্রত্যেক নাগরিকের ঘরে কীভাবে রেশন পৌঁছবে, কীভাবে কালোবাজারি ঠেকানো যাবে, কী করেই বা ঘরে ফিরবেন পরিযায়ী শ্রমিকরা? উত্তর খুঁজতে কালঘাম ছুটেছে রাজ্যগুলির। একদিকে গবেষকরা প্রতিষেধক আবিষ্কারের পাশাপাশি নিত্যনতুন টুপি-জুতো উদ্ভাবন করে সামাজিক দূরত্বর বাণিজ্যিকীকরণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। আর অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীরা ভাবছেন, দারিদ্রসীমার নীচে থাকা কোটি কোটি মানুষের পেটের ভাত কীভাবে জুটবে। এও কিন্তু এক পাহাড়প্রমাণ কাজ। যার ইতি এবং নেতি, দু’ধরনের দিকই রয়েছে। ইতিবাচক দিক—প্রথম এবং প্রধান, কর্মহীনতার দিনগুলোতে কাউকে না খেয়ে মরতে হবে না। পাশাপাশি ১০০ দিনের কাজের পরিধি এবং ভাতা বাড়িয়ে দেওয়ায় এই শ্রেণীর মানুষের হাতে টাকা থাকবে। তাঁরা কেনাকাটা করতে পারবেন। অর্থাৎ বাজার থেকে পণ্যের চাহিদা ঝটিতি পড়ে যাবে না। এবার নেতিবাচক—প্রথমত, কাদের সত্যিই এই বিনা পয়সার খাবার প্রয়োজন, তার হিসেব করা সম্ভব নয়। পশ্চিমবঙ্গে কিন্তু এমন অনেকেই আছেন, যাঁদের বার্ষিক আয় ১০ লক্ষ টাকা হওয়া সত্ত্বেও দু’টাকা কেজি চালের জন্য প্রযোজ্য রেশন কার্ড বগলদাবা করে রেখেছেন। ব্যাপক অভিযান চালানো পরও এই শ্রেণী ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গিয়েছে। দ্বিতীয়ত, পরিযায়ী যে শ্রমিকরা রাজ্যে ফিরছেন, তাঁদের জন্য খাবারের বন্দোবস্ত করা। ধরে নেওয়া যাক, পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৩ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক মহারাষ্ট্রে কাজ করতে যান। অর্থাৎ, তাঁরা ওই রাজ্যে থাকেন, খরচাপাতি করে সেখানকার অর্থনীতিতে অবদান রাখেন, টাকা উপার্জন করেন এবং সমস্যা হলে বাড়ি ফিরে আসেন। এখানে আছে বলতে একটি ভোটার বা আধার কার্ড। অথচ, অধিকাংশ সময় ভোটেও তাঁদের পাওয়া যায় না। এরপরও একটা কথাই চিরন্তন সত্য, এই শ্রেণীটাই দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার ক্ষেত্রে বিপুল ভূমিকা পালন করে। তারা কাজে না নামলে গুরুগ্রাম-নয়ডার নির্মাণশিল্প জোগানদার পাবে না, গুজরাতের সোনার দোকান ১৮ ঘণ্টা নাগাড়ে বসে থাকা সোনাশিল্পী পাবে না, কাশ্মীরের ব্যবসায়ীদের আপেল পাড়ার শ্রমিক মিলবে না। এবং সর্বোপরি উৎপাদন শিল্প উঠে দাঁড়ানোর যে সামান্য স্বপ্ন দেখছে তা বাস্তবায়িত হবে না। আমি যদি দেখি, সামান্য কাজ করে বাড়ি বসেই ১০০ দিনের কাজের টাকা পেয়ে যাচ্ছি এবং রাজ্য সরকারের অনুগ্রহে চাল-ডালটাও বিনামূল্যে হেঁশেলে ঢুকে পড়ছে, তাহলে আর গতর খাটানোর প্রয়োজন কোথায়? কাজ ব্যাপারটাও কিন্তু অভ্যাস। সেটা যদি চলে যায়, ফিরিয়ে আনা কঠিন। ‘আনলক ১’-এর শুরুতে যাবতীয় উৎপাদন এবং নির্মাণশিল্প চালু করার যে উদ্যোগ দেখা দিয়েছে, তার সবটাই কিন্তু এই একটি ট্র্যাকে এসে মুখ থুবড়ে পড়বে। উৎপাদন ক্ষেত্র শুধু লকডাউনে নয়, তার অনেক আগে থেকেই ধুঁকছে। ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিটের বৃদ্ধির হার গত তিনটি ত্রৈমাসিকে ছিল যথাক্রমে, মাইনাস ০.৬ শতাংশ, মাইনাস ০.৮ শতাংশ এবং মাইনাস ১.৪ শতাংশ। তার বেশিরভাগটাই অবশ্য বাজার অর্থনীতির পতনের জন্য। ১ জুন থেকে তালা খোলার যে পর্ব শুরু হয়েছে, তাতেও কিন্তু এই উৎপাদন ক্ষেত্র ধুলোটুলো ঝেড়ে উঠবে বলে মনে হয় না। এর জন্যও দরকার ছিল যথাযথ পরিকল্পনা। যা এই সরকার এবারও করে উঠতে পারেনি। ঠান্ডা ঘরে বসে থাকা মাথার উপরের লোকজন দিয়ে কারখানা বা নির্মাণকাজ চলে না। তাঁরা বলবেন কী করতে হবে। আর কর্মীরা কাজ করবে। পরিযায়ী শ্রমিকরা যদি ‘হাঁটা’ ছেড়ে দেন, তাহলে এই কাজগুলো করবে কে?
তাই ধন্দটা তৈরি হয়েছে। এবং প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে। আজকের তারিখে দাঁড়িয়ে সবচেয়ে বড় সত্যিটা হল, আনলক করার দরকার ছিল। গাড়ি স্টার্ট না দিলে যেমন ব্যাটারি বসে যায়, দেশের অর্থনীতিও তেমন। চালু রাখতে হবে। চাকা গড়াতে হবে। এই প্রক্রিয়া চাই। যা চাই না তা হল, ধন্দ। একদিকে কেন্দ্র বলবে, রাজ্যগুলিকে ক্ষমতা দিলাম... ওরা পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিক। আবার নির্দেশনামা জারি করবে, এর বাইরে যাওয়া যাবে না। এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্তরে যা দরকার, সেটা হল, সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। তা কিন্তু এখনও হচ্ছে না। প্যাকেজ ঘোষণা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সংস্থাগুলি কাজ কীভাবে করাবে, তার কোনও দিশা নেই। প্যাকেজ ঘোষণা হয়েছে। কিন্তু আগের অর্থসাহায্য সর্বত্র ঠিকমতো পৌঁছনোর অভিযোগ যায়নি। ১ জুলাই থেকে এমএসএমই ঋণ পাবে। মানে আবেদন করা যাবে। লোন করতে আগ্রহী সংস্থাগুলি কিন্তু এরপরও আশঙ্কা করছে, ঠিকঠাক জায়গায় ঋণের টাকাটা পৌঁছবে তো?
গাড়ি ছুটতে শুরু করেছে। দেখা যাচ্ছে ট্রাফিক জ্যাম। সরকারি বাস, ক্যাব, অটো...। নিয়ম কোথাও মানা হচ্ছে। কোথাও হচ্ছে না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যাঁরা বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকছেন, ধৈর্যের সীমা তাঁদের বাঁধ ভাঙছে। বাস থামিয়ে বাদুড়ঝোলা হয়েই রওনা দিচ্ছেন তাঁরা গন্তব্যের উদ্দেশে। আর কেউ কেউ এমনও আছেন, যাঁরা এতকিছুর পরও বাসে উঠতে পারছেন না। তাঁদের জন্য কোনও আলাদা বাস বা ট্রেনের ব্যবস্থা নেই, যা আছে সরকারি কর্মীদের জন্য। সেইসব বেসরকারি হাসপাতালের কর্মীরা কেউ হেঁটে, কেউ বা সাইকেলে চেপে আসছেন দূর দূরান্ত থেকে। বাড়ির আশপাশের লোকজন অস্পৃশ্যের মতো আচরণ করছেন তাঁদের সঙ্গে। এঁদের জন্যই না নরেন্দ্র মোদি মোমবাতি জ্বালাতে, থালা বাজাতে বলেছিলেন! এঁরাই না আমাদের ‘করোনা যোদ্ধা’! মানুষ পাশে দাঁড়াচ্ছেন না তাঁদের, শুধু আদিখ্যেতা চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সঙ্গী আতঙ্ক। রাস্তায় বেরলে অবশ্যই সংক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। কিন্তু তা ছাড়া উপায় কী? প্রতিষেধকের আশায় বসে থাকলে যত বছর সময় লাগবে, তাতে অর্থনীতি বলে আর কিছুই বেঁচে থাকবে না। লক্ষ লক্ষ মানুষের অনাহারে মৃত্যু তো হবেই, তারপর আমাদেরও আর গুহামানবের আমলে ফিরে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।
কাজেই মিম ছড়িয়ে লাভ নেই। আমাদের শরীরেই ইমিউনিটি তৈরি করতে হবে। যাঁদের শরীরে করোনা বাসা বাঁধা সত্ত্বেও উপসর্গ দেখা যাচ্ছে না, তাঁরা কিছুটা হলেও সেই প্রবণতার দিকে এগচ্ছে। কিন্তু সংখ্যাটা নগণ্য। মোট জনসংখ্যার ৬০-৭০ শতাংশ যদি একটা রোগে আক্রান্ত হয়, তবেই ধীরে ধীরে ফ্লু জাতীয় রোগের ক্ষেত্রে ইমিউনিটি তৈরি হতে পারে। এটা অবশ্যই সমাধানসূত্র নয়। এটা আত্মসমর্পণ। একটি মহামারীর কাছে। তাহলে উপায় কী? এলাকার পর এলাকা উজাড় হয়ে যাবে না... আবার মানুষ না খেয়েও মরবে না। দায়িত্বটা সরকারের। শুধু ‘আনলক’ করলেই হবে না। নিরাপত্তাও সুনিশ্চিত করতে হবে। খালি পেটে সচেতনতার ক্লাস হয় না। সতর্কতাও মানবজমিন থেকে কর্পূরের মতো উবে যায়।
প্রকৃতি আজ কঠিন অঙ্ক এক কষতে দিয়েছে। সাত দুগুণে ১৪... এই হিসেবটাই মেলাতে হবে। দ্রুত। আর সেটা করতে হবে নির্বাচিত সরকারকেই। সময় কিন্তু একেবারেই বেশি নেই।
02nd  June, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর কোভিড-১৯ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আপাতত এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে সিএবি।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: যত দিন গড়াচ্ছে অশোকনগর শহরে ততই দাপট বাড়াচ্ছে করোনা। শুক্রবার রাতে করোনা-আক্রান্ত এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া নতুন করে আরও ৬ জন ...

সংবাদদাতা, কান্দি: শনিবার সকালে ফরাক্কা-হলদিয়া বাদশাহী সড়কের বড়ঞা থানার করালীতলার কাছে একটি কুকুরকে বাঁচাতে গিয়ে বাইক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে জখম হলেন এক ব্যক্তি।   ...

লখনউ ও কানপুর: কানপুর এনকাউন্টারে ৮ পুলিসকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত বিকাশ দুবে এখনও অধরা। কুখ্যাত এই দুষ্কৃতীর খোঁজে ২৫টিরও বেশি দল গড়ল উত্তরপ্রদেশ পুলিস। পাশাপাশি, ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২০/৪২ দিবা ১/১৭। জ্যেষ্ঠা ৪৭/৫০ রাত্রি ১২/৮। সূর্যোদয় ৫/০/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/২২। অমৃতযোগ দিবা ১২/২৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৫২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩/৩৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২০ গতে ১১/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে। 
১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী দিবা ১২/৫০। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ১২/২৭। সূযোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/২ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
১১ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এটিকে-এমবির বোর্ডে সৌরভ 
জল্পনা ছিলই। শেষ পর্যন্ত বিস্তর আলোচনার পর এটিকে-এমবি প্রাইভেট লিমিটেডের ...বিশদ

10:33:05 AM

আগামীকাল কুলতলিতে বনধ ডাকল এসইউসিআই 
দলের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সুধাংশু জানাকে খুন ও মৈপীঠ অঞ্চলে ...বিশদ

10:26:59 AM

বড়বাজারে একটি বাড়িতে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ২টি ইঞ্জিন 

10:15:04 AM

দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত প্রায় ২৫ হাজার 
প্রতিদিনই সংক্রমণের নিরিখে রেকর্ড গড়ছে দেশ। এবার প্রায় ২৫ হাজার ...বিশদ

10:12:55 AM

কলকাতা হাইকোর্ট: কাল থেকে নিজের ঝুঁকিতে সশরীরে শুনানি করা যাবে 
মামলাকারী বা তাঁর আইনজীবী নিজের ঝুঁকিতে আগামী ৬ জুলাই থেকে ...বিশদ

09:05:28 AM

করোনায় আক্রান্ত সিএবি কর্মী 
করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর ...বিশদ

08:45:00 AM