Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সতর্ক প্রহরী
পি চিদম্বরম

ব্যারিস্টার ভি জি রো মাদ্রাজ হাইকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাম-মনস্ক উদার। সমস্ত ধরনের বিজ্ঞানের ব্যবহারিক জ্ঞান, রাজনৈতিক শিক্ষা এবং শিল্প, সাহিত্য, নাটক প্রভৃতিকে জনপ্রিয় করে তুলতে তিনি পিপলস এডুকেশন সোসাইটি গড়েছিলেন। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতের সংবিধান কার্যকর হয়েছিল এবং তাতে স্বাধীনতার একটি মহান চেতনা ছিল—বিশেষ করে সংবিধানের ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদে স্বাধীনতার যে নিশ্চয়তাগুলি দেওয়া হয়েছে। স্বাধীনতাগুলির একটি ছিল—‘অ্যাসোসিয়েশন বা ইউনিয়ন গড়ার স্বাধীনতা’।
তৎকালীন মাদ্রাজের ভয়ানক কমিউনিস্ট-বিরোধী সরকার ১৯৫০-এর ১০ মার্চ একটি নয়া আদেশ পাশ করে ঘোষণা করল যে, পিপলস এডুকেশন সোসাইটি একটি ‘বেআইনি অ্যাসোসিয়েশন’। সরকার এটা করেছিল ইন্ডিয়ান ক্রিমিনাল ল’ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট, ১৯০৮-কে শিখণ্ডী খাড়া করে—আমি পুনরাবৃত্তি করছি যে, ১৯০৮ সালেরটা ছিল একটি ঔপনিবেশিক আইন। ওই ঔপনিবেশিক ফৌজদারি আইন এবং নয়া সরকারি আদেশটিকে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছিল। নয়া সরকারি আদেশ আদালতের বিচারে টিকবে না অনুমান করে, মাদ্রাজ রাজ্য সরকার ১৯৫০-এর ১২ আগস্ট পুরনো আইনের একটি সংশোধনী পেশ করল—এটা করা হল মূল আইনটিকে আরও পোক্ত করার অছিলায়, এবং একটি ‘লিগাল ফিকশান’-এর সাহায্যে পূর্ববর্তী আদেশটিতে নয়া সংশোধনী প্রযোজ্য হল। উল্লেখ করা যায়, ‘লিগাল ফিকশান’ হল সেই ধরনের একটি ঘোষণা যা আইনি প্রয়োজনে ‘সত্য’ বলে গ্রাহ্য হয়ে থাকে, যদিও সেটি তখনও পর্যন্ত কোনও ‘প্রমাণিত সত্য নয়’।
প্রহরীর বিরাট দায়িত্ব
আইনি ভোজবাজিটা হাইকোর্টের ফুল বেঞ্চের কাছে সুবিধা করতে পারেনি। (উল্লেখ করা যায় যে, প্রধান বিচারপতি রাজামান্নারের নেতৃত্বাধীন তিনজনের ওই ফুল বেঞ্চে অন্য দুই বিচারপতি ছিলেন সত্যনারায়ণ রাও এবং বিশ্বনাথ শাস্ত্রী।) মাদ্রাজ সংশোধনীর সঙ্গে আদেশটিও হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছিল।
সুপ্রিম কোর্টে করা আপিল খারিজ করে দিয়ে, প্রধান বিচারপতি পতঞ্জলি শাস্ত্রী পাঁচজনের সাংবিধানিক বেঞ্চের সুপারিশ করেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন:
‘‘তখন এ দেশের আদালতগুলিকে যদি এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ এবং জটিল কাজগুলি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়তে হয়, তখন সেটা ইচ্ছে করে আইনসভার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে জেহাদি মনোভাব নিয়ে যুদ্ধ নয়, বরং সংবিধান বলে যে দায়িত্ব তার উপর অর্পিত হয়েছে সাধারণভাবে সেটারই পালন বলে গণ্য হবে। যখন এই আদালতকে সতর্ক প্রহরীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তখন ‘মৌলিক অধিকার’ প্রসঙ্গে কথাটি বিশেষভাবে সত্য।’’
অন্য যে কোনও প্রতিষ্ঠান এবং অন্য যে কোনও দেশের মতো সুপ্রিম কোর্টও ক্ষেত্রবিশেষে হোঁচট খায়, আবার অনেক বছরের অভিজ্ঞতার নিরিখে দ্রুত উঠে দাঁড়ায়, ধুলোবালি ঝেড়ে নেয় এবং অতিকায় পদক্ষেপে এগিয়ে যায়। এই কারণে আদালতগুলি (তাদের সমস্ত রকমের অসম্পূর্ণতা বা ত্রুটি সত্ত্বেও) এবং বিশেষ করে সুপ্রিম কোর্টের মতো প্রতিষ্ঠান জনগণের সর্বোচ্চ আস্থাভাজনের মর্যাদা পাচ্ছে।
দেশের আইনের শাসনের পক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দু’টি বিচারাধীন মামলায় সুপ্রিম কোর্টের সমালোচনা আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ওই সমালোচনাটিকে নরম করার জন্যই আমি এই দীর্ঘ মুখবন্ধ লিখলাম।
বিমুদ্রাকরণের পরাজয়
প্রথমটি হল ডিমানিটাইজেশন কেস বা বিমুদ্রাকরণ মামলা। সকলেই জানেন যে, ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর কেন্দ্রীয় সরকার ১০০০ এবং ৫০০ টাকার নোট দু’টিকে বেআইনি ঘোষণা করেছিল। সরকারের এই একটিমাত্র পদক্ষেপ ভারতীয় অর্থনীতিকে নিম্ন গতিপথ নির্দিষ্ট করে দিল। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষের শেষ ত্রৈমাসিকের গোড়াতেই দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) হার নামতে আরম্ভ করে। এবং এই পতন উপর্যুপরি সাত সাতটি কোয়ার্টারে বজায় ছিল এবং অষ্টম ত্রৈমাসিক (জানুয়ারি-মার্চ, ২০২০) নতুন এক পতন স্পর্শ করল। করোনা ভাইরাস ভারতকে আঘাত হানতেই আমাদের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘুরে গেল। সবসময় মনে রাখবেন, হালফিল যে অর্থনৈতিক সঙ্কট তার সূচনা কিন্তু মহামারী এবং লকডাউনের পূর্বেই।
ডিমানিটাইজেশনকে সুপ্রিম কোর্টে এবং কয়েকটি হাইকোর্টেও চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছিল। ২০১৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতি ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ একটি বিস্তারিত নির্দেশ জারি করেন। আদালত রিট পিটিশনগুলি গ্রহণ করেছিল, নয়টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তৈরি করেছিল, হাইকোর্টগুলিতে ঝুলে থাকা এই সংক্রান্ত মামলাগুলি প্রত্যাহার করেছিল, অন্য আদালতগুলিকেও বারণ করে দিয়েছিল যাতে তারা বিমুদ্রাকরণ বিষয়ে মামলা গ্রহণ না করে এবং রায় না দেয়, এগুলি সাধারণ মানুষের স্বার্থযুক্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে গণ্য, তাই নির্দেশ দিয়েছিল বিষয়গুলি পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ শুনবে। বিমুদ্রাকরণ মামলাটি প্রায় চার বছর যাবৎ ঠিক ওখানেই দাঁড়িয়ে রয়েছে।
সংবিধানের উপর আঘাত
অন্য মামলাটি হল জম্মু ও কাশ্মীর এবং ৩৭০ ধারা সংক্রান্ত। ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট। রাষ্ট্রপতি ৩৭০ ধারা বাতিল এবং জম্মু ও কাশ্মীরের উপর সংবিধানের সমুদয় ব্যবস্থাদি প্রযোজ্য জানিয়ে দু’টি সাংবিধানিক নির্দেশ জারি করেন। পরিণামে এক বিশাল পরিবর্তন ঘটে গেল: জম্মু ও কাশ্মীর যে বিশেষ মর্যাদা ভোগ করত সেটি বিলুপ্ত হয়ে গেল, রাজ্যটি দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বদলে গেল, একটি সম্পূর্ণ লকডাউন চাপিয়ে দেওয়া হল, বিলোপ করা হল লেজিসলেটিভ কাউন্সিল বা বিধান পরিষদ এবং বিধানসভা ভেঙে দেওয়া হল, রাষ্ট্রপতির শাসন দীর্ঘায়িত হল এবং তার দ্বারা রাজ্যপালের শাসন প্রত্যাহৃত হল, রাজ্য মানবাধিকার কমিশন-সহ সমস্ত বিধিবদ্ধ সংস্থাকে ভেঙে দেওয়া হল, কয়েকশো রাজনৈতিক নেতা ও কর্মীকে আটক করা হল (যাঁদের ভিতরে মেহবুবা মুফতি এবং সৈফুদ্দিন সোজ ‘বিনা অপরাধে’ এখনও আটক রয়েছেন), স্থায়ী নিবাস সংক্রান্ত আইনগুলি (ডোমিসাইল ল’জ) আমূল বদলে ফেলা হয়েছিল, এবং অনেকগুলি অধিকার (মিডিয়া বা সংবাদ মাধ্যমের অধিকারগুলি সমেত) আজ মুলতুবি রয়েছে।
২০২০ সালের ২ মার্চের এক আদেশ বলে, বিচারপতি রামনের নেতৃত্বাধীন এক সাংবিধানিক বেঞ্চ কিছু প্রাথমিক আপত্তি খারিজ করে দেয় এবং তার মৌখিক পর্যবেক্ষণে জানায় যে, মামলাগুলি শুনানির জন্য নথিবদ্ধ করা হবে। মাঝখানে চলে এল করোনা ভাইরাস এবং ২৫ মার্চ দেশব্যাপী জারি হয়ে গেল লকডাউন। পরিণামে মামলাগুলি হিয়ারিং বা শুনানির জন্য তালিকাবদ্ধ হল না। মে মাসের ৪ তারিখ ইন্টারনেট এবং ফোর-জি’র উপর নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত পৃথক একটি মামলায় আদালত একটি আদেশ জারি করল।
এই বিশেষ নিবন্ধের মোদ্দা বক্তব্য হল, সুপ্রিম কোর্টের সতর্ক প্রহরী থাকার যে স্থিরসঙ্কল্প সেটি বারংবার পরীক্ষিত হতে থাকবে। তার দায়িত্বপালন থেকে আদালত অবশ্যই বিচ্যুত হবে না, কখনওই না।
সাম্প্রতিক কালে সমান গুরুত্বপূর্ণ অন্যকিছু ইস্যুও আদালতের গোচরে আনা হয়েছে—কিন্তু সেগুলি ‘হ্যাপেনিং ইভেন্টস’ বলে আজ কোনও মন্তব্য করছি না, অন্য একদিন বলব বলে রেখে দিচ্ছি। সমস্ত নাগরিকের একান্ত প্রার্থনা এই যে, ‘প্রধান বিচারপতি পতঞ্জলি শাস্ত্রী যে মহান দায়িত্ব স্থির করে দিয়ে গিয়েছেন, ভারতের উচ্চতর আদালতগুলি সবসময় তেমনই জাগ্রত ও নিরপেক্ষ থাকবে।’
• লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী
01st  June, 2020
কিছু বৃক্ষ স্বয়ং ইতিহাস
হারাধন চৌধুরী

 টানা ৬৮ দিনের লকডাউনের নিদারুণ যন্ত্রণা সবে কাটিয়ে উঠেছি আমরা। প্রবেশ করেছি আনলক-১ পর্বে। কেন্দ্রের সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী দিনে আরও দু’টি আনলক পর্ব পেরতে হবে। বিশদ

ব্যর্থতার নামাবলি গায়ে
মোদিজির বর্ষপূর্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

 লকডাউনের চারটে ইনিংস শেষ করে আমরা ঢুকে পড়েছি প্রথম আনলক সিজনে। করোনা বিধ্বস্ত আমাদের জীবন বইতে শুরু করেছে এক নতুন খাতে। মাত্র কয়েক মাসেই আমাদের জীবনের সামগ্রিক চালচিত্র ম্যাজিকের মতো বদলে গিয়েছে।
বিশদ

03rd  June, 2020
হিসেব মেলানো ভার
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 সাত দু’গুণে কত হয়? উঁহু, ১৪ নয়। আপনি কখন বলছেন, তার উপর নির্ভর করছে। মানে, কাকেশ্বর কুচ্‌কুচে যদি মনে করে, আপনি বলার সময় ১৩ টাকা ১৪ আনা ৩ পাই হয়েছিল... মানে পুরোপুরি ১৪ হয়নি, তাহলে সেটাই। অর্থাৎ, হাতে একটা পেনসিল থাকছেই। বিশদ

02nd  June, 2020
একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

31st  May, 2020
বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: করোনা নিয়ে গুজব ও আতঙ্ক ঠেকাতে আরামবাগের ২৬ জন কোভিড-১৯ জয়ীকে নিয়ে ‘করোনা সচেতনতা টিম’ গড়ল প্রশাসন। টিমে থাকবেন একজন করে করোনা জয়ী, ভিলেজ পুলিস, আশাকর্মী ও পঞ্চায়েত সদস্য। মহকুমার গ্রামেগঞ্জে গিয়ে ওই টিম প্রচার চালাবে।  ...

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: কোচবিহার জেলার মাথাভাঙা মহকুমার নিশিগঞ্জের মাঘপালা সহ কোচবিহার-১ ব্লকের চান্দামারি এলাকায় ব্যাপক গাঁজা চাষ হয়। এখানকার গাঁজা চাষের কথা জেলা সহ রাজ্যের নজরেও রয়েছে। বিগত বছরগুলিতে হাজার হাজার বিঘা গাঁজা গাছ নষ্ট করেছে পুলিস। তারপরও এসব এলাকায় চাষ ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনায় মৃত্যুহারে দেশে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে গুজরাত। কেন্দ্রীয় সরকারের এই তথ্য সামনে আসার পর ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, এটা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচকদের জন্য যোগ্য জবাব। রবিবার রাজ্যে মোট কোভিড পরীক্ষা দু’লক্ষ পার করেছে। ...

  রেকর্ড প্রোডিউসার কোম্পানি সারেগামা ও ফেসবুকের মধ্যে এক অভিনব চুক্তি স্বাক্ষরিত হল। ফলে এবার থেকে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে সারেগামার সমস্ত গান নেটিজেনরা ব্যবহার করতে পারবেন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। ব্যবসাতে যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃতের রচনাকার মহেন্দ্রনাথ গুপ্তের (শ্রীম) মৃত্যু
১৯৩৬: অভিনেত্রী নূতনের জন্ম
১৯৫৯: শিল্পপতি অনিল আম্বানির জন্ম
১৯৭৪: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরির মৃত্যু
১৯৭৫ - মার্কিন অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির জন্ম
১৯৮৫: জার্মান ফুটবলার লুকাস পোডোলোস্কির জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.২৯ টাকা ৭৬.০১ টাকা
পাউন্ড ৯২.৯৪ টাকা ৯৬.২৩ টাকা
ইউরো ৮২.৬৮ টাকা ৮৫.৭৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার, ত্রয়োদশী ২/৫৮ প্রাতঃ ৬/৭ পরে চর্তুদশী ৫৫/৫২ রাত্রি ৩/১৬। বিশাখা নক্ষত্র ৩৪/১৩ রাত্রি ৬/৩৭। সূর্যোদয় ৪/৫৫/১৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪/৯। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৪ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৭ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৬ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/২৯ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৫ গতে ১২/৫৫ মধ্যে।
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার, ত্রয়োদশী প্রাতঃ ৫/১ পরে চর্তুদশী রাত্রি ২/৫৩। বিশাখানক্ষত্র সন্ধ্যা ৬/২২। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৬। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪১ গতে ৬/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১২/০ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৬ গতে ৬/১৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৬ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।
১১ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনায় মৃত্যু ২৮৩
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৬৮ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

07:02:37 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৩৭৩, মৃত ১২ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১,৩৭৩ জন। মৃত্যু ...বিশদ

07:01:52 PM

কর্ণাটকে একদিনে করোনা আক্রান্ত ২৫৭, মৃত ৪ 
কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

06:51:26 PM

বাংলাদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ২,৪২৩, মৃত ৩৫
গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ২,৪২৩ জন। ফলে ...বিশদ

06:04:57 PM

নেপালে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৩৩৪ 
গত ২৪ ঘণ্টায় নেপালে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৩৩৪ জন। এখন ...বিশদ

05:53:17 PM

তবলিগি যোগ: ৩১৬০ জন বিদেশির ভারতে প্রবেশ নিষিদ্ধ
৩১৬০ জন বিদেশি নাগরিককে ভারতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র। তবলিগি ...বিশদ

05:29:00 PM