Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সতর্ক প্রহরী
পি চিদম্বরম

ব্যারিস্টার ভি জি রো মাদ্রাজ হাইকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাম-মনস্ক উদার। সমস্ত ধরনের বিজ্ঞানের ব্যবহারিক জ্ঞান, রাজনৈতিক শিক্ষা এবং শিল্প, সাহিত্য, নাটক প্রভৃতিকে জনপ্রিয় করে তুলতে তিনি পিপলস এডুকেশন সোসাইটি গড়েছিলেন। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতের সংবিধান কার্যকর হয়েছিল এবং তাতে স্বাধীনতার একটি মহান চেতনা ছিল—বিশেষ করে সংবিধানের ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদে স্বাধীনতার যে নিশ্চয়তাগুলি দেওয়া হয়েছে। স্বাধীনতাগুলির একটি ছিল—‘অ্যাসোসিয়েশন বা ইউনিয়ন গড়ার স্বাধীনতা’।
তৎকালীন মাদ্রাজের ভয়ানক কমিউনিস্ট-বিরোধী সরকার ১৯৫০-এর ১০ মার্চ একটি নয়া আদেশ পাশ করে ঘোষণা করল যে, পিপলস এডুকেশন সোসাইটি একটি ‘বেআইনি অ্যাসোসিয়েশন’। সরকার এটা করেছিল ইন্ডিয়ান ক্রিমিনাল ল’ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট, ১৯০৮-কে শিখণ্ডী খাড়া করে—আমি পুনরাবৃত্তি করছি যে, ১৯০৮ সালেরটা ছিল একটি ঔপনিবেশিক আইন। ওই ঔপনিবেশিক ফৌজদারি আইন এবং নয়া সরকারি আদেশটিকে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছিল। নয়া সরকারি আদেশ আদালতের বিচারে টিকবে না অনুমান করে, মাদ্রাজ রাজ্য সরকার ১৯৫০-এর ১২ আগস্ট পুরনো আইনের একটি সংশোধনী পেশ করল—এটা করা হল মূল আইনটিকে আরও পোক্ত করার অছিলায়, এবং একটি ‘লিগাল ফিকশান’-এর সাহায্যে পূর্ববর্তী আদেশটিতে নয়া সংশোধনী প্রযোজ্য হল। উল্লেখ করা যায়, ‘লিগাল ফিকশান’ হল সেই ধরনের একটি ঘোষণা যা আইনি প্রয়োজনে ‘সত্য’ বলে গ্রাহ্য হয়ে থাকে, যদিও সেটি তখনও পর্যন্ত কোনও ‘প্রমাণিত সত্য নয়’।
প্রহরীর বিরাট দায়িত্ব
আইনি ভোজবাজিটা হাইকোর্টের ফুল বেঞ্চের কাছে সুবিধা করতে পারেনি। (উল্লেখ করা যায় যে, প্রধান বিচারপতি রাজামান্নারের নেতৃত্বাধীন তিনজনের ওই ফুল বেঞ্চে অন্য দুই বিচারপতি ছিলেন সত্যনারায়ণ রাও এবং বিশ্বনাথ শাস্ত্রী।) মাদ্রাজ সংশোধনীর সঙ্গে আদেশটিও হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছিল।
সুপ্রিম কোর্টে করা আপিল খারিজ করে দিয়ে, প্রধান বিচারপতি পতঞ্জলি শাস্ত্রী পাঁচজনের সাংবিধানিক বেঞ্চের সুপারিশ করেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন:
‘‘তখন এ দেশের আদালতগুলিকে যদি এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ এবং জটিল কাজগুলি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়তে হয়, তখন সেটা ইচ্ছে করে আইনসভার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে জেহাদি মনোভাব নিয়ে যুদ্ধ নয়, বরং সংবিধান বলে যে দায়িত্ব তার উপর অর্পিত হয়েছে সাধারণভাবে সেটারই পালন বলে গণ্য হবে। যখন এই আদালতকে সতর্ক প্রহরীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তখন ‘মৌলিক অধিকার’ প্রসঙ্গে কথাটি বিশেষভাবে সত্য।’’
অন্য যে কোনও প্রতিষ্ঠান এবং অন্য যে কোনও দেশের মতো সুপ্রিম কোর্টও ক্ষেত্রবিশেষে হোঁচট খায়, আবার অনেক বছরের অভিজ্ঞতার নিরিখে দ্রুত উঠে দাঁড়ায়, ধুলোবালি ঝেড়ে নেয় এবং অতিকায় পদক্ষেপে এগিয়ে যায়। এই কারণে আদালতগুলি (তাদের সমস্ত রকমের অসম্পূর্ণতা বা ত্রুটি সত্ত্বেও) এবং বিশেষ করে সুপ্রিম কোর্টের মতো প্রতিষ্ঠান জনগণের সর্বোচ্চ আস্থাভাজনের মর্যাদা পাচ্ছে।
দেশের আইনের শাসনের পক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দু’টি বিচারাধীন মামলায় সুপ্রিম কোর্টের সমালোচনা আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ওই সমালোচনাটিকে নরম করার জন্যই আমি এই দীর্ঘ মুখবন্ধ লিখলাম।
বিমুদ্রাকরণের পরাজয়
প্রথমটি হল ডিমানিটাইজেশন কেস বা বিমুদ্রাকরণ মামলা। সকলেই জানেন যে, ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর কেন্দ্রীয় সরকার ১০০০ এবং ৫০০ টাকার নোট দু’টিকে বেআইনি ঘোষণা করেছিল। সরকারের এই একটিমাত্র পদক্ষেপ ভারতীয় অর্থনীতিকে নিম্ন গতিপথ নির্দিষ্ট করে দিল। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষের শেষ ত্রৈমাসিকের গোড়াতেই দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) হার নামতে আরম্ভ করে। এবং এই পতন উপর্যুপরি সাত সাতটি কোয়ার্টারে বজায় ছিল এবং অষ্টম ত্রৈমাসিক (জানুয়ারি-মার্চ, ২০২০) নতুন এক পতন স্পর্শ করল। করোনা ভাইরাস ভারতকে আঘাত হানতেই আমাদের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘুরে গেল। সবসময় মনে রাখবেন, হালফিল যে অর্থনৈতিক সঙ্কট তার সূচনা কিন্তু মহামারী এবং লকডাউনের পূর্বেই।
ডিমানিটাইজেশনকে সুপ্রিম কোর্টে এবং কয়েকটি হাইকোর্টেও চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছিল। ২০১৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতি ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ একটি বিস্তারিত নির্দেশ জারি করেন। আদালত রিট পিটিশনগুলি গ্রহণ করেছিল, নয়টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তৈরি করেছিল, হাইকোর্টগুলিতে ঝুলে থাকা এই সংক্রান্ত মামলাগুলি প্রত্যাহার করেছিল, অন্য আদালতগুলিকেও বারণ করে দিয়েছিল যাতে তারা বিমুদ্রাকরণ বিষয়ে মামলা গ্রহণ না করে এবং রায় না দেয়, এগুলি সাধারণ মানুষের স্বার্থযুক্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে গণ্য, তাই নির্দেশ দিয়েছিল বিষয়গুলি পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ শুনবে। বিমুদ্রাকরণ মামলাটি প্রায় চার বছর যাবৎ ঠিক ওখানেই দাঁড়িয়ে রয়েছে।
সংবিধানের উপর আঘাত
অন্য মামলাটি হল জম্মু ও কাশ্মীর এবং ৩৭০ ধারা সংক্রান্ত। ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট। রাষ্ট্রপতি ৩৭০ ধারা বাতিল এবং জম্মু ও কাশ্মীরের উপর সংবিধানের সমুদয় ব্যবস্থাদি প্রযোজ্য জানিয়ে দু’টি সাংবিধানিক নির্দেশ জারি করেন। পরিণামে এক বিশাল পরিবর্তন ঘটে গেল: জম্মু ও কাশ্মীর যে বিশেষ মর্যাদা ভোগ করত সেটি বিলুপ্ত হয়ে গেল, রাজ্যটি দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বদলে গেল, একটি সম্পূর্ণ লকডাউন চাপিয়ে দেওয়া হল, বিলোপ করা হল লেজিসলেটিভ কাউন্সিল বা বিধান পরিষদ এবং বিধানসভা ভেঙে দেওয়া হল, রাষ্ট্রপতির শাসন দীর্ঘায়িত হল এবং তার দ্বারা রাজ্যপালের শাসন প্রত্যাহৃত হল, রাজ্য মানবাধিকার কমিশন-সহ সমস্ত বিধিবদ্ধ সংস্থাকে ভেঙে দেওয়া হল, কয়েকশো রাজনৈতিক নেতা ও কর্মীকে আটক করা হল (যাঁদের ভিতরে মেহবুবা মুফতি এবং সৈফুদ্দিন সোজ ‘বিনা অপরাধে’ এখনও আটক রয়েছেন), স্থায়ী নিবাস সংক্রান্ত আইনগুলি (ডোমিসাইল ল’জ) আমূল বদলে ফেলা হয়েছিল, এবং অনেকগুলি অধিকার (মিডিয়া বা সংবাদ মাধ্যমের অধিকারগুলি সমেত) আজ মুলতুবি রয়েছে।
২০২০ সালের ২ মার্চের এক আদেশ বলে, বিচারপতি রামনের নেতৃত্বাধীন এক সাংবিধানিক বেঞ্চ কিছু প্রাথমিক আপত্তি খারিজ করে দেয় এবং তার মৌখিক পর্যবেক্ষণে জানায় যে, মামলাগুলি শুনানির জন্য নথিবদ্ধ করা হবে। মাঝখানে চলে এল করোনা ভাইরাস এবং ২৫ মার্চ দেশব্যাপী জারি হয়ে গেল লকডাউন। পরিণামে মামলাগুলি হিয়ারিং বা শুনানির জন্য তালিকাবদ্ধ হল না। মে মাসের ৪ তারিখ ইন্টারনেট এবং ফোর-জি’র উপর নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত পৃথক একটি মামলায় আদালত একটি আদেশ জারি করল।
এই বিশেষ নিবন্ধের মোদ্দা বক্তব্য হল, সুপ্রিম কোর্টের সতর্ক প্রহরী থাকার যে স্থিরসঙ্কল্প সেটি বারংবার পরীক্ষিত হতে থাকবে। তার দায়িত্বপালন থেকে আদালত অবশ্যই বিচ্যুত হবে না, কখনওই না।
সাম্প্রতিক কালে সমান গুরুত্বপূর্ণ অন্যকিছু ইস্যুও আদালতের গোচরে আনা হয়েছে—কিন্তু সেগুলি ‘হ্যাপেনিং ইভেন্টস’ বলে আজ কোনও মন্তব্য করছি না, অন্য একদিন বলব বলে রেখে দিচ্ছি। সমস্ত নাগরিকের একান্ত প্রার্থনা এই যে, ‘প্রধান বিচারপতি পতঞ্জলি শাস্ত্রী যে মহান দায়িত্ব স্থির করে দিয়ে গিয়েছেন, ভারতের উচ্চতর আদালতগুলি সবসময় তেমনই জাগ্রত ও নিরপেক্ষ থাকবে।’
• লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী
01st  June, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, কান্দি: শনিবার সকালে ফরাক্কা-হলদিয়া বাদশাহী সড়কের বড়ঞা থানার করালীতলার কাছে একটি কুকুরকে বাঁচাতে গিয়ে বাইক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে জখম হলেন এক ব্যক্তি।   ...

নিউ ইয়র্ক: হাতে ‘বয়কট চীন’ প্ল্যাকার্ড। মুখে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বয়কটের ডাক। শনিবার নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে জমায়েত হয়ে চীনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন ভারতীয় ...

লখনউ ও কানপুর: কানপুর এনকাউন্টারে ৮ পুলিসকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত বিকাশ দুবে এখনও অধরা। কুখ্যাত এই দুষ্কৃতীর খোঁজে ২৫টিরও বেশি দল গড়ল উত্তরপ্রদেশ পুলিস। পাশাপাশি, ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: যত দিন গড়াচ্ছে অশোকনগর শহরে ততই দাপট বাড়াচ্ছে করোনা। শুক্রবার রাতে করোনা-আক্রান্ত এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া নতুন করে আরও ৬ জন ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২০/৪২ দিবা ১/১৭। জ্যেষ্ঠা ৪৭/৫০ রাত্রি ১২/৮। সূর্যোদয় ৫/০/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/২২। অমৃতযোগ দিবা ১২/২৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৫২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩/৩৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২০ গতে ১১/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে। 
১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী দিবা ১২/৫০। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ১২/২৭। সূযোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/২ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
১১ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কলকাতা হাইকোর্ট: কাল থেকে নিজের ঝুঁকিতে সশরীরে শুনানি করা যাবে 
মামলাকারী বা তাঁর আইনজীবী নিজের ঝুঁকিতে আগামী ৬ জুলাই থেকে ...বিশদ

09:05:28 AM

এটিকে-এমবির বোর্ডে সৌরভ 
জল্পনা ছিলই। শেষ পর্যন্ত বিস্তর আলোচনার পর এটিকে-এমবি প্রাইভেট লিমিটেডের ...বিশদ

09:00:00 AM

করোনায় আক্রান্ত সিএবি কর্মী 
করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর ...বিশদ

08:45:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম২০০৫: ক্রিকেটার ...বিশদ

08:36:39 AM

অবৈধ নিয়োগপত্র নিয়ে যোগদানের চেষ্টা, স্কুলগুলিকে সতর্ক করল এসএসসি 
নিয়োগের সময়সীমা পেরিয়েছে গতবছর এপ্রিলে। তা সত্ত্বেও বহু স্কুলে গ্রুপ ...বিশদ

08:30:00 AM

আজকের রাশিফল  
মেষ: অর্থভাগ্য ভালো। বৃষ: কোন বৈষয়িক সমস্যার সমাধান হবে। মিথুন: কোনও মামলার মীমাংসার ...বিশদ

08:06:20 AM