Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে। রাতের পর রাত ঘরে কোমর সমান জল নিয়ে কাটাতে হয়েছে বিস্তীর্ণ অংশের মানুষকে। বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল বহু এলাকায়। বহু বাড়িতে বৈদ্যুতিক মিটার বক্স পর্যন্ত চলে গিয়েছিল জলের তলায়। তখনও এমন সর্বনাশা মোবাইল ও নেট নির্ভরতা গ্রাস করেনি সমাজকে, তাই ওই দুর্ভোগের কোনও রেকর্ড নেই। তবে সপ্তাহের পর সপ্তাহ যে জল সরতে, আর ত্রাণ পৌঁছতে লেগে গিয়েছিল, সে কথা বিলক্ষণ মনে আছে। যতদূর মনে পড়ে, ১৯৭৮ সালের ওই ভয়ঙ্কর প্লাবনের রেশ চলেছিল বেশ কয়েক মাস। একদিন, এক সপ্তাহ কিংবা একমাসেও অবস্থা ফেরেনি। সবাইকে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছিল বামেরা, কৌটো নাচিয়ে ত্রাণের দেদার অর্থ সংগ্রহও চলেছিল দীর্ঘদিন। রাস্তাঘাট, বাড়িঘর ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল মাইলের পর মাইল। আর গ্রাম থেকে বন্যায় সব হারানো মানুষের ঢল আমরা এই শহরে দেখেছিলাম বছর ঘুরে যাওয়ার পরেও। রেল স্টেশন, বাসগুমটি সর্বত্র অস্থায়ী বাসা বেঁধেছিল তারা।
আজ সেই ঘটনার ৪২ বছর পরও আটাত্তরের বন্যার ত্রাণবিলি নিয়ে দেদার অভিযোগের কথা বেশ মনে আছে। মনে আছে, কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে বামেদের গলা ফাটানো প্রতিবাদের কথাও। তখন মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বিরাটভাবে ভোটে জিতে আসা বঙ্গেশ্বর জ্যোতি বসু। তিনি একাই একশো। দলে কিংবা সরকারে তাঁর কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন না। রাজ্য রাজনীতিতেও আর যাঁরা ছিলেন তাঁরা ব্যক্তিত্বে, জনপ্রিয়তায় ছিলেন জ্যোতিবাবুর তুলনায় অনেক খর্বকায়। কোনও প্রশ্ন তোলার, সস্তা টিপ্পনী কাটার সাহস ছিল না স্বভাবতই।
আজ সেই দুর্যোগের দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর সেদিনের প্রসঙ্গ তুলে বামপন্থী বন্ধুদের যদি প্রশ্ন করি, সেবার দুর্যোগের পরের সপ্তাহেই রাজ্য কি পুরোটা স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিল? সর্বত্র মানুষ ত্রাণ শিবির থেকে ঘরে ফিরে গিয়েছিল, রাস্তাঘাট সব সারানো সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল, জল, বিদ্যুৎ সব ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ফিরে এসেছিল? অতি বড় বাম সমর্থকও বোধহয় এর উত্তরে ‘না’ ছাড়া অন্য কিছু বলতে পারবেন না। আর বঙ্গের বিজেপির নেতাদের ওই প্রশ্ন কখনও করব না, কারণ দলটারই তখন কোনও অস্তিত্বই ছিল না।
আজ চার দশকেরও বেশি সময় পরে আবার এক বিধ্বংসী মহাপ্রলয় কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গকে কাঁপিয়ে দিয়ে চলে গিয়েছে। এমন শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় বাংলার মানুষ আগে দেখেছে বলে মনে করতে পারছে না। দুপুর থেকে রাত কোথাও ১৫০ কিমি আবার কোথাও ১৩০ কিমি বেগে টানা ঝড়ের আছড়ে পড়া প্রলয়ের ক্ষয়ক্ষতি কোনও সরকারের পক্ষে একদিনে, এক সপ্তাহে কিংবা এক মাসেও পূরণ করা কি সম্ভব? কত যে গাছ আর বাতিস্তম্ভ উল্টে গিয়েছে, তার হিসেব এখনও চলছে। তার উপর গ্রামে বহু এলাকায় এখনও জল জমে আছে। ফলে কাজে দেরি হচ্ছে। মানুষের ক্ষোভ সঙ্গত হলেও এতবড় একটা দুর্যোগের পরের দিনই কেউ যদি মনে করেন, জল, বিদ্যুৎ, রাস্তা সব ম্যাজিক করে মুখ্যমন্ত্রী ঠিক করে দেবেন, তাহলে বলতে হয়, সমালোচকদের আর একটু দায়িত্বশীল হতে হবে। বিরোধীরা যাঁরা প্ররোচনা ছড়াচ্ছেন, তাঁদের একটু সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বাইরে বেরতে হবে।
মহামান্য নেত্রীর হাতে কোনও জাদুদণ্ড নেই যে তিনি ছুঁয়ে দেবেন, আর সঙ্গে সঙ্গে রাতারাতি সব আগের মতো হয়ে যাবে। প্রশাসন চালানো কোনও ভোজবাজি কিংবা মাদারি কা খেল নয়। এই পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন যজ্ঞ একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এর জন্য একদিকে যেমন বিপুল অর্থ প্রয়োজন তেমনি জরুরি সুষ্ঠু পরিকল্পনার। দুর্যোগের পর পরই প্রধানমন্ত্রী এসে সামান্য হাজার কোটি টাকার অর্থসাহায্যের ঘোষণা করে ফিরে গিয়েছেন। বিজেপির বন্ধুরা কি জানেন, ঘোষণাই সার, এখনও কানাকড়িও মেলেনি। বুলবুলের ত্রাণ পেতে হিমশিম অবস্থার কথা মনে আছে তো!
তাহলে ক্ষতিপূরণ দেওয়া, বিপর্যস্ত এলাকাকে আবার গড়ে তোলা সম্ভব হবে কী করে? রাজ্য সরকারের আগের পাওনাই তো ৫৩ হাজার কোটি টাকা। আর এবারের ক্ষতি ১ লক্ষ কোটি টাকার উপর। তাহলে দেড় লক্ষ কোটি টাকার কাজ মাত্র এক হাজার কোটিতে সম্পূর্ণ হবে কী করে? তার উপর রয়েছে করোনা বিশ্বব্যাপী মহামারীর মোকাবিলা। সেখানেও শয়ে শয়ে কোটি টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে। অথচ দু’মাসের উপর লকডাউনে রাজ্যের ভাঁড়ে মা ভবানী হাল! কোনও আয় নেই, অথচ খরচ বাড়ছে। তবু হাল ছাড়তে রাজি নন হার-না-মানা জননেত্রী। রাজ্য কোষাগারের বর্তমান করুণ অবস্থা কারও অজানা নয়। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো আগের সরকারের চাপিয়ে দিয়ে যাওয়া ঋণের বোঝা। তা সত্ত্বেও কালক্ষেপ না করে তিনি ৬ হাজার ২৫০ কোটি টাকার এক বিরাট পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করেছেন দুর্গত মানুষের ত্রাণ ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পুনর্গঠনে। কেন্দ্রের সাহায্যের তোয়াক্কা না করে মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ কিন্তু বিশেষ প্রশংসার যোগ্য। মুখ্যমন্ত্রীর কট্টর সমালোচকদেরও উচিত, আপাতত আকচাআকচি আর রাজনৈতিক জমি দখলের রাজনীতি বর্জন করে একটু গঠনমূলক কাজ করা। একটু রাজ্যের কথা ভাবা।
ভুললে চলবে না, করোনা ও উম-পুন দুই কিন্তু শতাব্দীর অন্যতম বড় বিপর্যয়। দুটোর কোনওটাই সামান্য ঘটনা নয়। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী বুক ভরা সাহস আর অদম্য জেদের বলেই এত বাধা বিপত্তি সত্ত্বেও সমানে সমানে লড়ে যাচ্ছেন। সামনে থেকে মোকাবিলা করছেন। তাঁর এই প্রবল ইচ্ছাশক্তিকে কুর্নিশ না করে উপায় নেই। শুধু সমালোচনা, কটাক্ষ, শ্লেষ মেশানো মন্তব্য না করে বিরোধীদের উচিত, রাজ্যের এই দুর্দিনে একটু সৌজন্যের পরিচয় দেওয়া। একটু সময় দেওয়া। এখন ভোট রাজনীতির সময় নয়, বাংলার মানুষের সামগ্রিক হিতের কথা মাথায় রেখে কাজ করতে হবে সবাইকে। ধ্বংসাত্মক রাজনীতি কিছুদিন বন্ধ থাক না। আগে মানুষ বাঁচুক, খোলা হাওয়ায় নিশ্বাস নিক। শুধু উতোর-চাপান বা তর্জায় মানুষের তো কোনও লাভ হবে না। যাঁর বাড়ি ভেঙে গিয়েছে, যাঁর স্বজন মারা গিয়েছেন, তাঁর দরকার একটু মানবিকতা, একটু সহানুভূতি। অথচ সারা বিশ্ব দেখছে, এই কঠিন সময়েও বঙ্গ রাজনীতিতে আজ সৌজন্যের কতটা অভাব। মমতাকে রাজনৈতিকভাবে বিড়ম্বনায় ফেলতে বাংলার বদনাম করাকেই প্রধান কৌশল হিসেবে বেছে নেওয়া কেন? এই আত্মঘাতী রাজনীতি তো বাংলাকে, বাংলার মানুষকে অস্বস্তিতে ফেলছে। পিছিয়ে দিচ্ছে।
এটা মোটেই ঠিক হচ্ছে না। মানুষ কিন্তু সব দেখছে। করোনায় সবচেয়ে খারাপ অবস্থা যে মহারাষ্ট্রে, গুজরাতে, দিল্লিতে সেখানেও বিরোধীরা সরকারকে উঠতে বসতে এমনভাবে অপদস্থ করতে মরিয়া নয়। এই রাজ্যে করোনা পর্বে বিরোধীদের একটাই কাজ, যে কোনওভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে বিরক্ত করো, সব হিসেবকে ভুল প্রমাণ করো, সরকারকে আঘাত করো। কুৎসা ছড়াও। ব্যাস, তাহলেই কেল্লা ফতে। তাতে রাজ্যটার সর্বনাশ হলেও বিরোধীদের যেন কুছ পরোয়া নেই! সরকার পক্ষই হোক কী বিরোধী পক্ষ, একথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এই মুহূর্তে রাজ্যের পরিস্থিতিটা কিন্তু ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জের।
একদিকে, রাজ্যের অর্থনীতি শিকেয়, অন্যদিকে, করোনা সংক্রমণ রুখতে ঘরে ঘরে চেপে বসা আতঙ্ক। তার উপর মহারাষ্ট্র, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশের মতো কার্যত করোনার রেড জোন থেকে ট্রেন বোঝাই করে পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরা, এসব নিয়ে যখন পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর, ঠিক তখনই ঘূর্ণিঝড়ের উন্মত্ত প্রলয় নাচন আরও বড় ক্ষতি করে দিয়ে গেল। একদিকে করোনা সামলাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ, আবার সেই মানুষেরই ছাদ হারিয়ে ত্রাণ শিবির, স্থানীয় স্কুলবাড়িতে আশ্রয় নেওয়া, এই দুই পরস্পর-বিরোধী অবস্থান একসঙ্গে চলতে পারে না। অথচ সেই অসাধ্য সাধনই করতে হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বাংলার সরকারকে। তার মধ্যেও এই কঠিন অবস্থার মোকাবিলা করে এক সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যের আশি শতাংশ এলাকায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে।
তাই একটাই আবেদন সবার কাছে, রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে বাংলাকে দয়া করে হারিয়ে দেবেন না। পাশে দাঁড়ান।
31st  May, 2020
কিছু বৃক্ষ স্বয়ং ইতিহাস
হারাধন চৌধুরী

 টানা ৬৮ দিনের লকডাউনের নিদারুণ যন্ত্রণা সবে কাটিয়ে উঠেছি আমরা। প্রবেশ করেছি আনলক-১ পর্বে। কেন্দ্রের সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী দিনে আরও দু’টি আনলক পর্ব পেরতে হবে। বিশদ

ব্যর্থতার নামাবলি গায়ে
মোদিজির বর্ষপূর্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

 লকডাউনের চারটে ইনিংস শেষ করে আমরা ঢুকে পড়েছি প্রথম আনলক সিজনে। করোনা বিধ্বস্ত আমাদের জীবন বইতে শুরু করেছে এক নতুন খাতে। মাত্র কয়েক মাসেই আমাদের জীবনের সামগ্রিক চালচিত্র ম্যাজিকের মতো বদলে গিয়েছে।
বিশদ

03rd  June, 2020
হিসেব মেলানো ভার
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 সাত দু’গুণে কত হয়? উঁহু, ১৪ নয়। আপনি কখন বলছেন, তার উপর নির্ভর করছে। মানে, কাকেশ্বর কুচ্‌কুচে যদি মনে করে, আপনি বলার সময় ১৩ টাকা ১৪ আনা ৩ পাই হয়েছিল... মানে পুরোপুরি ১৪ হয়নি, তাহলে সেটাই। অর্থাৎ, হাতে একটা পেনসিল থাকছেই। বিশদ

02nd  June, 2020
সতর্ক প্রহরী
পি চিদম্বরম

ব্যারিস্টার ভি জি রো মাদ্রাজ হাইকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাম-মনস্ক উদার। সমস্ত ধরনের বিজ্ঞানের ব্যবহারিক জ্ঞান, রাজনৈতিক শিক্ষা এবং শিল্প, সাহিত্য, নাটক প্রভৃতিকে জনপ্রিয় করে তুলতে তিনি পিপলস এডুকেশন সোসাইটি গড়েছিলেন।
বিশদ

01st  June, 2020
বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনায় মৃত্যুহারে দেশে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে গুজরাত। কেন্দ্রীয় সরকারের এই তথ্য সামনে আসার পর ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, এটা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচকদের জন্য যোগ্য জবাব। রবিবার রাজ্যে মোট কোভিড পরীক্ষা দু’লক্ষ পার করেছে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ৩ জুন: ট্রেনের সাধারণ কোচকে করোনার কোয়ারেন্টাইনের কাজে ব্যবহার করার বিষয়টিকে ‘গিমিক’ বলেই তোপ দাগল তৃণমূল। শ্রমিক স্পেশালে ৮০ জন পরিযায়ী শ্রমিকের বেঘোরে প্রাণ হারানো নিয়েও মোদি-শাহকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন দলের জাতীয় মুখপাত্র তথা রাজ্যসভায় তৃণমূলের নেতা ...

 রূপঞ্জনা দত্ত, লন্ডন, ৩ জুন: করোনায় মৃত্যু এবং আক্রান্তের নিরিখে ব্রিটেনে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন ব্ল্যাক অ্যান্ড এথনিক মাইনরিটি (বিএএম‌ই) গোষ্ঠীর মানুষ। এ ব্যাপারে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ড (পিএইচ‌ই)। ...

নয়াদিল্লি, ৩ জুন: চোটের কারণে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে হার্দিক পান্ডিয়া। ভারতী দলের এই তারকা অলরাউন্ডারটিকে শেষবার টিম ইন্ডিয়ার জার্সি পরে খেলতে দেখা গিয়েছিল ২০১৮ সালে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। ব্যবসাতে যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃতের রচনাকার মহেন্দ্রনাথ গুপ্তের (শ্রীম) মৃত্যু
১৯৩৬: অভিনেত্রী নূতনের জন্ম
১৯৫৯: শিল্পপতি অনিল আম্বানির জন্ম
১৯৭৪: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরির মৃত্যু
১৯৭৫ - মার্কিন অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির জন্ম
১৯৮৫: জার্মান ফুটবলার লুকাস পোডোলোস্কির জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.২৯ টাকা ৭৬.০১ টাকা
পাউন্ড ৯২.৯৪ টাকা ৯৬.২৩ টাকা
ইউরো ৮২.৬৮ টাকা ৮৫.৭৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার, ত্রয়োদশী ২/৫৮ প্রাতঃ ৬/৭ পরে চর্তুদশী ৫৫/৫২ রাত্রি ৩/১৬। বিশাখা নক্ষত্র ৩৪/১৩ রাত্রি ৬/৩৭। সূর্যোদয় ৪/৫৫/১৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪/৯। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৪ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৭ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৬ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/২৯ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৫ গতে ১২/৫৫ মধ্যে।
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার, ত্রয়োদশী প্রাতঃ ৫/১ পরে চর্তুদশী রাত্রি ২/৫৩। বিশাখানক্ষত্র সন্ধ্যা ৬/২২। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৬। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪১ গতে ৬/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১২/০ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৬ গতে ৬/১৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৬ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।
১১ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনায় মৃত্যু ২৮৩
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৬৮ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

07:02:37 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৩৭৩, মৃত ১২ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১,৩৭৩ জন। মৃত্যু ...বিশদ

07:01:52 PM

কর্ণাটকে একদিনে করোনা আক্রান্ত ২৫৭, মৃত ৪ 
কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

06:51:26 PM

বাংলাদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ২,৪২৩, মৃত ৩৫
গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ২,৪২৩ জন। ফলে ...বিশদ

06:04:57 PM

নেপালে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৩৩৪ 
গত ২৪ ঘণ্টায় নেপালে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৩৩৪ জন। এখন ...বিশদ

05:53:17 PM

তবলিগি যোগ: ৩১৬০ জন বিদেশির ভারতে প্রবেশ নিষিদ্ধ
৩১৬০ জন বিদেশি নাগরিককে ভারতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র। তবলিগি ...বিশদ

05:29:00 PM