Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে। রাতের পর রাত ঘরে কোমর সমান জল নিয়ে কাটাতে হয়েছে বিস্তীর্ণ অংশের মানুষকে। বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল বহু এলাকায়। বহু বাড়িতে বৈদ্যুতিক মিটার বক্স পর্যন্ত চলে গিয়েছিল জলের তলায়। তখনও এমন সর্বনাশা মোবাইল ও নেট নির্ভরতা গ্রাস করেনি সমাজকে, তাই ওই দুর্ভোগের কোনও রেকর্ড নেই। তবে সপ্তাহের পর সপ্তাহ যে জল সরতে, আর ত্রাণ পৌঁছতে লেগে গিয়েছিল, সে কথা বিলক্ষণ মনে আছে। যতদূর মনে পড়ে, ১৯৭৮ সালের ওই ভয়ঙ্কর প্লাবনের রেশ চলেছিল বেশ কয়েক মাস। একদিন, এক সপ্তাহ কিংবা একমাসেও অবস্থা ফেরেনি। সবাইকে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছিল বামেরা, কৌটো নাচিয়ে ত্রাণের দেদার অর্থ সংগ্রহও চলেছিল দীর্ঘদিন। রাস্তাঘাট, বাড়িঘর ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল মাইলের পর মাইল। আর গ্রাম থেকে বন্যায় সব হারানো মানুষের ঢল আমরা এই শহরে দেখেছিলাম বছর ঘুরে যাওয়ার পরেও। রেল স্টেশন, বাসগুমটি সর্বত্র অস্থায়ী বাসা বেঁধেছিল তারা।
আজ সেই ঘটনার ৪২ বছর পরও আটাত্তরের বন্যার ত্রাণবিলি নিয়ে দেদার অভিযোগের কথা বেশ মনে আছে। মনে আছে, কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে বামেদের গলা ফাটানো প্রতিবাদের কথাও। তখন মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বিরাটভাবে ভোটে জিতে আসা বঙ্গেশ্বর জ্যোতি বসু। তিনি একাই একশো। দলে কিংবা সরকারে তাঁর কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন না। রাজ্য রাজনীতিতেও আর যাঁরা ছিলেন তাঁরা ব্যক্তিত্বে, জনপ্রিয়তায় ছিলেন জ্যোতিবাবুর তুলনায় অনেক খর্বকায়। কোনও প্রশ্ন তোলার, সস্তা টিপ্পনী কাটার সাহস ছিল না স্বভাবতই।
আজ সেই দুর্যোগের দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর সেদিনের প্রসঙ্গ তুলে বামপন্থী বন্ধুদের যদি প্রশ্ন করি, সেবার দুর্যোগের পরের সপ্তাহেই রাজ্য কি পুরোটা স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিল? সর্বত্র মানুষ ত্রাণ শিবির থেকে ঘরে ফিরে গিয়েছিল, রাস্তাঘাট সব সারানো সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল, জল, বিদ্যুৎ সব ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ফিরে এসেছিল? অতি বড় বাম সমর্থকও বোধহয় এর উত্তরে ‘না’ ছাড়া অন্য কিছু বলতে পারবেন না। আর বঙ্গের বিজেপির নেতাদের ওই প্রশ্ন কখনও করব না, কারণ দলটারই তখন কোনও অস্তিত্বই ছিল না।
আজ চার দশকেরও বেশি সময় পরে আবার এক বিধ্বংসী মহাপ্রলয় কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গকে কাঁপিয়ে দিয়ে চলে গিয়েছে। এমন শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় বাংলার মানুষ আগে দেখেছে বলে মনে করতে পারছে না। দুপুর থেকে রাত কোথাও ১৫০ কিমি আবার কোথাও ১৩০ কিমি বেগে টানা ঝড়ের আছড়ে পড়া প্রলয়ের ক্ষয়ক্ষতি কোনও সরকারের পক্ষে একদিনে, এক সপ্তাহে কিংবা এক মাসেও পূরণ করা কি সম্ভব? কত যে গাছ আর বাতিস্তম্ভ উল্টে গিয়েছে, তার হিসেব এখনও চলছে। তার উপর গ্রামে বহু এলাকায় এখনও জল জমে আছে। ফলে কাজে দেরি হচ্ছে। মানুষের ক্ষোভ সঙ্গত হলেও এতবড় একটা দুর্যোগের পরের দিনই কেউ যদি মনে করেন, জল, বিদ্যুৎ, রাস্তা সব ম্যাজিক করে মুখ্যমন্ত্রী ঠিক করে দেবেন, তাহলে বলতে হয়, সমালোচকদের আর একটু দায়িত্বশীল হতে হবে। বিরোধীরা যাঁরা প্ররোচনা ছড়াচ্ছেন, তাঁদের একটু সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বাইরে বেরতে হবে।
মহামান্য নেত্রীর হাতে কোনও জাদুদণ্ড নেই যে তিনি ছুঁয়ে দেবেন, আর সঙ্গে সঙ্গে রাতারাতি সব আগের মতো হয়ে যাবে। প্রশাসন চালানো কোনও ভোজবাজি কিংবা মাদারি কা খেল নয়। এই পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন যজ্ঞ একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এর জন্য একদিকে যেমন বিপুল অর্থ প্রয়োজন তেমনি জরুরি সুষ্ঠু পরিকল্পনার। দুর্যোগের পর পরই প্রধানমন্ত্রী এসে সামান্য হাজার কোটি টাকার অর্থসাহায্যের ঘোষণা করে ফিরে গিয়েছেন। বিজেপির বন্ধুরা কি জানেন, ঘোষণাই সার, এখনও কানাকড়িও মেলেনি। বুলবুলের ত্রাণ পেতে হিমশিম অবস্থার কথা মনে আছে তো!
তাহলে ক্ষতিপূরণ দেওয়া, বিপর্যস্ত এলাকাকে আবার গড়ে তোলা সম্ভব হবে কী করে? রাজ্য সরকারের আগের পাওনাই তো ৫৩ হাজার কোটি টাকা। আর এবারের ক্ষতি ১ লক্ষ কোটি টাকার উপর। তাহলে দেড় লক্ষ কোটি টাকার কাজ মাত্র এক হাজার কোটিতে সম্পূর্ণ হবে কী করে? তার উপর রয়েছে করোনা বিশ্বব্যাপী মহামারীর মোকাবিলা। সেখানেও শয়ে শয়ে কোটি টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে। অথচ দু’মাসের উপর লকডাউনে রাজ্যের ভাঁড়ে মা ভবানী হাল! কোনও আয় নেই, অথচ খরচ বাড়ছে। তবু হাল ছাড়তে রাজি নন হার-না-মানা জননেত্রী। রাজ্য কোষাগারের বর্তমান করুণ অবস্থা কারও অজানা নয়। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো আগের সরকারের চাপিয়ে দিয়ে যাওয়া ঋণের বোঝা। তা সত্ত্বেও কালক্ষেপ না করে তিনি ৬ হাজার ২৫০ কোটি টাকার এক বিরাট পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করেছেন দুর্গত মানুষের ত্রাণ ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পুনর্গঠনে। কেন্দ্রের সাহায্যের তোয়াক্কা না করে মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ কিন্তু বিশেষ প্রশংসার যোগ্য। মুখ্যমন্ত্রীর কট্টর সমালোচকদেরও উচিত, আপাতত আকচাআকচি আর রাজনৈতিক জমি দখলের রাজনীতি বর্জন করে একটু গঠনমূলক কাজ করা। একটু রাজ্যের কথা ভাবা।
ভুললে চলবে না, করোনা ও উম-পুন দুই কিন্তু শতাব্দীর অন্যতম বড় বিপর্যয়। দুটোর কোনওটাই সামান্য ঘটনা নয়। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী বুক ভরা সাহস আর অদম্য জেদের বলেই এত বাধা বিপত্তি সত্ত্বেও সমানে সমানে লড়ে যাচ্ছেন। সামনে থেকে মোকাবিলা করছেন। তাঁর এই প্রবল ইচ্ছাশক্তিকে কুর্নিশ না করে উপায় নেই। শুধু সমালোচনা, কটাক্ষ, শ্লেষ মেশানো মন্তব্য না করে বিরোধীদের উচিত, রাজ্যের এই দুর্দিনে একটু সৌজন্যের পরিচয় দেওয়া। একটু সময় দেওয়া। এখন ভোট রাজনীতির সময় নয়, বাংলার মানুষের সামগ্রিক হিতের কথা মাথায় রেখে কাজ করতে হবে সবাইকে। ধ্বংসাত্মক রাজনীতি কিছুদিন বন্ধ থাক না। আগে মানুষ বাঁচুক, খোলা হাওয়ায় নিশ্বাস নিক। শুধু উতোর-চাপান বা তর্জায় মানুষের তো কোনও লাভ হবে না। যাঁর বাড়ি ভেঙে গিয়েছে, যাঁর স্বজন মারা গিয়েছেন, তাঁর দরকার একটু মানবিকতা, একটু সহানুভূতি। অথচ সারা বিশ্ব দেখছে, এই কঠিন সময়েও বঙ্গ রাজনীতিতে আজ সৌজন্যের কতটা অভাব। মমতাকে রাজনৈতিকভাবে বিড়ম্বনায় ফেলতে বাংলার বদনাম করাকেই প্রধান কৌশল হিসেবে বেছে নেওয়া কেন? এই আত্মঘাতী রাজনীতি তো বাংলাকে, বাংলার মানুষকে অস্বস্তিতে ফেলছে। পিছিয়ে দিচ্ছে।
এটা মোটেই ঠিক হচ্ছে না। মানুষ কিন্তু সব দেখছে। করোনায় সবচেয়ে খারাপ অবস্থা যে মহারাষ্ট্রে, গুজরাতে, দিল্লিতে সেখানেও বিরোধীরা সরকারকে উঠতে বসতে এমনভাবে অপদস্থ করতে মরিয়া নয়। এই রাজ্যে করোনা পর্বে বিরোধীদের একটাই কাজ, যে কোনওভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে বিরক্ত করো, সব হিসেবকে ভুল প্রমাণ করো, সরকারকে আঘাত করো। কুৎসা ছড়াও। ব্যাস, তাহলেই কেল্লা ফতে। তাতে রাজ্যটার সর্বনাশ হলেও বিরোধীদের যেন কুছ পরোয়া নেই! সরকার পক্ষই হোক কী বিরোধী পক্ষ, একথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এই মুহূর্তে রাজ্যের পরিস্থিতিটা কিন্তু ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জের।
একদিকে, রাজ্যের অর্থনীতি শিকেয়, অন্যদিকে, করোনা সংক্রমণ রুখতে ঘরে ঘরে চেপে বসা আতঙ্ক। তার উপর মহারাষ্ট্র, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশের মতো কার্যত করোনার রেড জোন থেকে ট্রেন বোঝাই করে পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরা, এসব নিয়ে যখন পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর, ঠিক তখনই ঘূর্ণিঝড়ের উন্মত্ত প্রলয় নাচন আরও বড় ক্ষতি করে দিয়ে গেল। একদিকে করোনা সামলাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ, আবার সেই মানুষেরই ছাদ হারিয়ে ত্রাণ শিবির, স্থানীয় স্কুলবাড়িতে আশ্রয় নেওয়া, এই দুই পরস্পর-বিরোধী অবস্থান একসঙ্গে চলতে পারে না। অথচ সেই অসাধ্য সাধনই করতে হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বাংলার সরকারকে। তার মধ্যেও এই কঠিন অবস্থার মোকাবিলা করে এক সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যের আশি শতাংশ এলাকায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে।
তাই একটাই আবেদন সবার কাছে, রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে বাংলাকে দয়া করে হারিয়ে দেবেন না। পাশে দাঁড়ান।
31st  May, 2020
এবার আপনার ক্রোনোলজি
বোঝার সময়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ​​​​​

নরেন্দ্র মোদি মুখ... আর চালিকাশক্তি অমিত শাহ। তিনি নরেন্দ্র মোদির চাণক্য... ম্যানেজ মাস্টার। কিন্তু বাণীবর্ষণে তো প্রশাসন চলে না! নিজের পছন্দসই, পেটোয়া লোকজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসালেও নয়। তাতে শুধু পুতুল নাচ হয়।
বিশদ

‘কারবার শুধু সরকারগুলির সঙ্গে’
পি চিদম্বরম 

শিরোনামের চারটি শব্দে (কারবার শুধু সরকারগুলির সঙ্গে) বিতর্কটাকে বাঁধা উচিত। রাজনৈতিক নেতা (বিরোধী সদস্য এবং মন্ত্রীরা), বিচারপতি, আমলা, ছাত্র, নাগরিক আন্দোলনের কর্মী, সাংবাদিক এবং ব্যবসায়ীদের উপর নজরদারিতে স্পাইওয়্যার ব্যবহার নিয়ে যে বিতর্ক দানা বেঁধেছে, কথাটা বলছি সেই প্রসঙ্গে।
বিশদ

02nd  August, 2021
আপনার টাকা, আপনার চাকরি কতটা নিরাপদ!
হিমাংশু সিংহ

সোজা কথায় কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই দেশের ব্যাঙ্কিং ও বিমা ক্ষেত্রকে বৃহৎ ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেওয়ার আয়োজন সম্পূর্ণ। এবং তা করা হচ্ছে বুক ফুলিয়ে সংসদে প্রায় কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই।
বিশদ

01st  August, 2021
মোদি-বিরোধী জোটের
মূল কাণ্ডারী মমতা
তন্ময় মল্লিক

মোদি-অমিত শাহের চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহস দেখানোয় মমতা হয়ে উঠেছেন জাতীয় রাজনীতির চর্চিত চরিত্র। বাংলার নির্বাচনকে ‘প্রেস্টিজ ফাইটে’র জায়গায় নিয়ে যাওয়ায় নরেন্দ্র মোদিই নিজের বিপদ নিজে ডেকে এনেছেন। বাংলায় বিজেপির ভরাডুবির পর থেকেই দেশের মানুষ ভাবতে শুরু করেছেন, মমতাই পারবেন।
বিশদ

31st  July, 2021
মমতার গতিশীল রাজনীতির
টক্করে ব্যর্থ বিরোধীরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 

রাজ্য কংগ্রেস ও সিপিএমের সামনে ব্লাইন্ড লেন। সোনিয়ার সঙ্গে মমতার সাক্ষাৎ, মমতার জোট আহ্বানে সব দলের সবুজ সংকেতের পর এ রাজ্যে এই দু‌ই দলের মমতা বিরোধিতা হাস্যকর। তবু হয়তো এ রাজ্যের বিরোধীরা একটি পথ গ্রহণ করবে। সেটি হল, মমতার দিল্লিমুখী রাজনীতি নিয়ে হাসাহাসি করা, আক্রমণ করা, তাঁকে অতি উচ্চাকাঙ্ক্ষী তকমা দিয়ে কটাক্ষ করা, ব্যঙ্গবিদ্রুপ করা। বিশদ

30th  July, 2021
অগ্নিগর্ভ আফগানিস্তানে
অনিশ্চয়তার দুলুনি!
মৃণালকান্তি দাস

কাবুলে নতুন আফগান পার্লামেন্ট ভবনটিও তৈরি করেছে ভারত। নির্মীয়মান শত শত প্রকল্পের এখন কী হবে? ভারতের নীতি-নির্ধারকরা এখন সেই চিন্তায় অস্থির। তাছাড়া মধ্য এশিয়ার বাজারে ঢুকতে ভারতের জন্য আফগানিস্তান খুবই জরুরি।
বিশদ

29th  July, 2021
মানবাধিকার, গণতন্ত্র যখন অতি স্পর্শকাতর শব্দ
হারাধন চৌধুরী

সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করে নিউজিল্যান্ডের নাগরিকরা। আর অত্যন্ত মর্মান্তিক হাল সিরিয়ায়। ভারতের পজিশন ১১১! তার সোজা-সাপ্টা মানে, মোদির ভারতের অবস্থান খারাপের দিকেরই শীর্ষে! আমাদের জন্য দুটি সান্ত্বনা: চীন ও পাকিস্তানের র‌্যাঙ্ক যথাক্রমে ১২৯ ও ১৪০। বিশদ

28th  July, 2021
সাধারণের করের টাকায় নজরদারির শ্রাদ্ধ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট করেছেন... ভারতের যুব সম্প্রদায়কে যেভাবে ‘মন কি বাত’ আকর্ষণ করছে, তাতে তিনি ভীষণ খুশি। ওলিম্পিকস শুরু হয়েছে। টিভির পর্দায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই এখন একটাই সরকারি স্লোগানে ডুবে, ‘চিয়ার ফর ইন্ডিয়া’... হাত মুঠো করে সামনের দিকে ঘুষি ছুড়তে হবে।
বিশদ

27th  July, 2021
সরকার পক্ষীরাজের পিঠে সওয়ার
পি চিদম্বরম

একজন মন্ত্রী এই মর্মে শপথ নেন যে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন। মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সময় তিনি কোনও অশুভ শক্তিকে ভয় পাবেন না কিংবা পছন্দের কারও প্রতি পক্ষপাতিত্ব করবেন না।
বিশদ

26th  July, 2021
 অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে বন্ধ্যাত্বের শাপমুক্তি ঘটছে
ডাঃ গৌতম খাস্তগীর

২৫ জুলাই বিশ্ব নলজাতক দিবস যেন সুপ্রজননবিদ্যার অদৃশ্য জয়ধ্বজা ওড়ানোর দিন। বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার ত্যাগ, তিতিক্ষা, ধৈর্য, অসহিষ্ণুতা জয়, পরিশ্রমের নির্যাস এই বিশেষ দিন, যার পোশাকি নাম ওয়ার্ল্ড ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন ডে। আজকেই তো সেইদিন যখন টাইম মেশিনে চড়ে পিছিয়ে যাওয়া কয়েক দশক।
বিশদ

25th  July, 2021
সংবাদপত্রের উপর আবার আঘাত
হিমাংশু সিংহ

‘গঙ্গা ঝুট নেহি বোলতে’। গঙ্গা কখনও মিথ্যে বলে না। দৈনিক ভাস্করের সম্পাদক ওম গৌড়ের এই প্রতিবেদনটি ঝড় তুলেছিল গোটা দেশে। দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতা, গঙ্গায় সারি সারি লাশের ভেসে যাওয়া, অক্সিজেনের সঙ্কট এবং সর্বোপরি একটা বেডের জন্য এ হাসপাতাল থেকে ও হাসপাতালে ছোটাছুটির জীবন্ত ছবি নিজের কলমে এঁকেছিলেন সম্পাদক ওম গৌড়।
বিশদ

25th  July, 2021
টক্কর নিতে গিয়ে হাসির
খোরাক হচ্ছে বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

প্রতিযোগিতা থাকা ভালো, কিন্তু রেষারেষি মোটেই কাম্য নয়। প্রতিযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যায়, দেয় প্রতিষ্ঠা। রেষারেষিতেও এগনো যায়। তবে, তার মধ্যে থাকে প্রতিশোধ নেওয়ার বাসনা।
বিশদ

24th  July, 2021
একনজরে
উত্তরবঙ্গের চা শ্রমিকদের প্রভিডেন্ড ফান্ড সংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে এগিয়ে এল শ্রমদপ্তর। পিএফ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে সোমবার থেকে ডুয়ার্সের ৮৩টি চা বাগানের ১৫ হাজার শ্রমিকের আধার কার্ড ও পিএফ নথিতে থাকা ভুলভ্রান্তি শোধরানোর জন্য গণক্যাম্প কর্মসূচি শুরু করল দপ্তর। ...

চলতি মাসে গৃহঋণের উপর প্রসেসিং ফি মকুব করল স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। সাধারণভাবে এই ব্যাঙ্ক হোম লোনের উপর ০.৪০ শতাংশ প্রসেসিং ফি নেয়। তা আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত নেওয়া হবে না। ...

ওষুধের দোকানের আড়ালে চলছে মাদক কারবার। প্রধাননগর থানার সহযোগিতায় সিকিম পুলিস দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করার পর এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। তাঁরা জানিয়েছেন, শিলিগুড়িতে ওষুধের ...

কংসাবতী ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ আরও বাড়ানো হল। রবিবার রাত থেকে ২২হাজার হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়া হচ্ছে। রবিবার গভীর রাতে পাঁশকুড়া পুরসভার ১৩নম্বর ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের পক্ষে শুভ দিন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফলতার সম্ভাবনা। উদাসীনতায় কাজে ও উপার্জনে বাধার আশঙ্কা। বন্ধুর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৪: প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল জার্মানি
১৯৫৬: ভারতীয় ক্রিকেটার এবং কোচ বলবিন্দর সিং সান্ধুর জন্ম
১৯৫৭ - মহাত্মা গান্ধীর কনিষ্ঠ পুত্র তথা বিশিষ্ট সাংবাদিক দেবদাস গান্ধীর মৃত্যু
১৯৮৪: ভারতীয় ফুটবলার সুনীল ছেত্রীর জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৫৯ টাকা ৭৫.৩১ টাকা
পাউন্ড ১০১.৭৪ টাকা ১০৫.২৫ টাকা
ইউরো ৮৬.৮০ টাকা ৯০.০০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৮,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৮,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৮ শ্রাবণ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট ২০২১। দশমী ১৯/২৯ দিবা ১/০। রোহিণী ৫১/১৮ রাত্রি ১/৪৪। সূর্যোদয় ৫/১২/৩১, সূর্যাস্ত ৬/১৩/১। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ গতে ১০/২৫ মধ্যে পুনঃ ১/১ গতে ২/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে ৫/২১ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ৯/৯ গতে ১১/২০ মধ্যে পুনঃ ১/৩২ গতে ৫/২১ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ৯/৯ গতে ১১/২০ মধ্যে পুনঃ ১/৩২ গতে ৩/০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫০ গতে ৮/২৭ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ২/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৬ গতে ৮/৫৮ মধ্যে। 
১৭ শ্রাবণ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট ২০২১। দশমী দিবা ১২/৩৪। রোহিণী নক্ষত্র রাত্রি ২/১৩। সূর্যোদয় ৫/১১, সূর্যাস্ত ৬/১৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ২/৩৮ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ মধ্যে ও ৯/২ গতে ১১/১৭ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৩/২ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৯ গতে ৮/২৭ মধ্যে ও ১/২২ গতে ৩/০ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৮ গতে ৯/০ মধ্যে। 
২৩ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে অনেকটাই কমল দৈনিক সংক্রমণ
রাজ্যে করোনায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই কমল। গত ২৪ ঘণ্টায় ...বিশদ

02-08-2021 - 09:12:59 PM

আরামবাগে বন্যা দুর্গতদের উদ্ধারে নামল বায়ুসেনা
আরামবাগে বন্যা দুর্গতদের উদ্ধারে নামল বায়ুসেনা। এখানকার খানাকুল ২ নম্বর ...বিশদ

02-08-2021 - 07:29:12 PM

বৃষ্টিতে মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ
প্রবল বর্ষণের ফলে দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ...বিশদ

02-08-2021 - 06:50:00 PM

মাদুরাইয়ে প্লাস্টিকের গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড
মাদুরাইয়ের একটি বেসরকারি প্লাস্টিকের গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড। ঘটনাস্থলে তৎপর দমকল ...বিশদ

02-08-2021 - 06:28:51 PM

পাত্রসায়রে একটি বাসের সঙ্গে ছোট গাড়ির ধাক্কায় জখম ৮

02-08-2021 - 06:26:00 PM

রাজ্যসভার সদস্য হলেন জহর সরকার
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হলেন জহর সরকার। আজ, সোমবার ...বিশদ

02-08-2021 - 06:18:00 PM