Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে। রাতের পর রাত ঘরে কোমর সমান জল নিয়ে কাটাতে হয়েছে বিস্তীর্ণ অংশের মানুষকে। বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল বহু এলাকায়। বহু বাড়িতে বৈদ্যুতিক মিটার বক্স পর্যন্ত চলে গিয়েছিল জলের তলায়। তখনও এমন সর্বনাশা মোবাইল ও নেট নির্ভরতা গ্রাস করেনি সমাজকে, তাই ওই দুর্ভোগের কোনও রেকর্ড নেই। তবে সপ্তাহের পর সপ্তাহ যে জল সরতে, আর ত্রাণ পৌঁছতে লেগে গিয়েছিল, সে কথা বিলক্ষণ মনে আছে। যতদূর মনে পড়ে, ১৯৭৮ সালের ওই ভয়ঙ্কর প্লাবনের রেশ চলেছিল বেশ কয়েক মাস। একদিন, এক সপ্তাহ কিংবা একমাসেও অবস্থা ফেরেনি। সবাইকে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছিল বামেরা, কৌটো নাচিয়ে ত্রাণের দেদার অর্থ সংগ্রহও চলেছিল দীর্ঘদিন। রাস্তাঘাট, বাড়িঘর ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল মাইলের পর মাইল। আর গ্রাম থেকে বন্যায় সব হারানো মানুষের ঢল আমরা এই শহরে দেখেছিলাম বছর ঘুরে যাওয়ার পরেও। রেল স্টেশন, বাসগুমটি সর্বত্র অস্থায়ী বাসা বেঁধেছিল তারা।
আজ সেই ঘটনার ৪২ বছর পরও আটাত্তরের বন্যার ত্রাণবিলি নিয়ে দেদার অভিযোগের কথা বেশ মনে আছে। মনে আছে, কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে বামেদের গলা ফাটানো প্রতিবাদের কথাও। তখন মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বিরাটভাবে ভোটে জিতে আসা বঙ্গেশ্বর জ্যোতি বসু। তিনি একাই একশো। দলে কিংবা সরকারে তাঁর কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন না। রাজ্য রাজনীতিতেও আর যাঁরা ছিলেন তাঁরা ব্যক্তিত্বে, জনপ্রিয়তায় ছিলেন জ্যোতিবাবুর তুলনায় অনেক খর্বকায়। কোনও প্রশ্ন তোলার, সস্তা টিপ্পনী কাটার সাহস ছিল না স্বভাবতই।
আজ সেই দুর্যোগের দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর সেদিনের প্রসঙ্গ তুলে বামপন্থী বন্ধুদের যদি প্রশ্ন করি, সেবার দুর্যোগের পরের সপ্তাহেই রাজ্য কি পুরোটা স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিল? সর্বত্র মানুষ ত্রাণ শিবির থেকে ঘরে ফিরে গিয়েছিল, রাস্তাঘাট সব সারানো সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল, জল, বিদ্যুৎ সব ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ফিরে এসেছিল? অতি বড় বাম সমর্থকও বোধহয় এর উত্তরে ‘না’ ছাড়া অন্য কিছু বলতে পারবেন না। আর বঙ্গের বিজেপির নেতাদের ওই প্রশ্ন কখনও করব না, কারণ দলটারই তখন কোনও অস্তিত্বই ছিল না।
আজ চার দশকেরও বেশি সময় পরে আবার এক বিধ্বংসী মহাপ্রলয় কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গকে কাঁপিয়ে দিয়ে চলে গিয়েছে। এমন শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় বাংলার মানুষ আগে দেখেছে বলে মনে করতে পারছে না। দুপুর থেকে রাত কোথাও ১৫০ কিমি আবার কোথাও ১৩০ কিমি বেগে টানা ঝড়ের আছড়ে পড়া প্রলয়ের ক্ষয়ক্ষতি কোনও সরকারের পক্ষে একদিনে, এক সপ্তাহে কিংবা এক মাসেও পূরণ করা কি সম্ভব? কত যে গাছ আর বাতিস্তম্ভ উল্টে গিয়েছে, তার হিসেব এখনও চলছে। তার উপর গ্রামে বহু এলাকায় এখনও জল জমে আছে। ফলে কাজে দেরি হচ্ছে। মানুষের ক্ষোভ সঙ্গত হলেও এতবড় একটা দুর্যোগের পরের দিনই কেউ যদি মনে করেন, জল, বিদ্যুৎ, রাস্তা সব ম্যাজিক করে মুখ্যমন্ত্রী ঠিক করে দেবেন, তাহলে বলতে হয়, সমালোচকদের আর একটু দায়িত্বশীল হতে হবে। বিরোধীরা যাঁরা প্ররোচনা ছড়াচ্ছেন, তাঁদের একটু সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বাইরে বেরতে হবে।
মহামান্য নেত্রীর হাতে কোনও জাদুদণ্ড নেই যে তিনি ছুঁয়ে দেবেন, আর সঙ্গে সঙ্গে রাতারাতি সব আগের মতো হয়ে যাবে। প্রশাসন চালানো কোনও ভোজবাজি কিংবা মাদারি কা খেল নয়। এই পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন যজ্ঞ একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এর জন্য একদিকে যেমন বিপুল অর্থ প্রয়োজন তেমনি জরুরি সুষ্ঠু পরিকল্পনার। দুর্যোগের পর পরই প্রধানমন্ত্রী এসে সামান্য হাজার কোটি টাকার অর্থসাহায্যের ঘোষণা করে ফিরে গিয়েছেন। বিজেপির বন্ধুরা কি জানেন, ঘোষণাই সার, এখনও কানাকড়িও মেলেনি। বুলবুলের ত্রাণ পেতে হিমশিম অবস্থার কথা মনে আছে তো!
তাহলে ক্ষতিপূরণ দেওয়া, বিপর্যস্ত এলাকাকে আবার গড়ে তোলা সম্ভব হবে কী করে? রাজ্য সরকারের আগের পাওনাই তো ৫৩ হাজার কোটি টাকা। আর এবারের ক্ষতি ১ লক্ষ কোটি টাকার উপর। তাহলে দেড় লক্ষ কোটি টাকার কাজ মাত্র এক হাজার কোটিতে সম্পূর্ণ হবে কী করে? তার উপর রয়েছে করোনা বিশ্বব্যাপী মহামারীর মোকাবিলা। সেখানেও শয়ে শয়ে কোটি টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে। অথচ দু’মাসের উপর লকডাউনে রাজ্যের ভাঁড়ে মা ভবানী হাল! কোনও আয় নেই, অথচ খরচ বাড়ছে। তবু হাল ছাড়তে রাজি নন হার-না-মানা জননেত্রী। রাজ্য কোষাগারের বর্তমান করুণ অবস্থা কারও অজানা নয়। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো আগের সরকারের চাপিয়ে দিয়ে যাওয়া ঋণের বোঝা। তা সত্ত্বেও কালক্ষেপ না করে তিনি ৬ হাজার ২৫০ কোটি টাকার এক বিরাট পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করেছেন দুর্গত মানুষের ত্রাণ ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পুনর্গঠনে। কেন্দ্রের সাহায্যের তোয়াক্কা না করে মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ কিন্তু বিশেষ প্রশংসার যোগ্য। মুখ্যমন্ত্রীর কট্টর সমালোচকদেরও উচিত, আপাতত আকচাআকচি আর রাজনৈতিক জমি দখলের রাজনীতি বর্জন করে একটু গঠনমূলক কাজ করা। একটু রাজ্যের কথা ভাবা।
ভুললে চলবে না, করোনা ও উম-পুন দুই কিন্তু শতাব্দীর অন্যতম বড় বিপর্যয়। দুটোর কোনওটাই সামান্য ঘটনা নয়। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী বুক ভরা সাহস আর অদম্য জেদের বলেই এত বাধা বিপত্তি সত্ত্বেও সমানে সমানে লড়ে যাচ্ছেন। সামনে থেকে মোকাবিলা করছেন। তাঁর এই প্রবল ইচ্ছাশক্তিকে কুর্নিশ না করে উপায় নেই। শুধু সমালোচনা, কটাক্ষ, শ্লেষ মেশানো মন্তব্য না করে বিরোধীদের উচিত, রাজ্যের এই দুর্দিনে একটু সৌজন্যের পরিচয় দেওয়া। একটু সময় দেওয়া। এখন ভোট রাজনীতির সময় নয়, বাংলার মানুষের সামগ্রিক হিতের কথা মাথায় রেখে কাজ করতে হবে সবাইকে। ধ্বংসাত্মক রাজনীতি কিছুদিন বন্ধ থাক না। আগে মানুষ বাঁচুক, খোলা হাওয়ায় নিশ্বাস নিক। শুধু উতোর-চাপান বা তর্জায় মানুষের তো কোনও লাভ হবে না। যাঁর বাড়ি ভেঙে গিয়েছে, যাঁর স্বজন মারা গিয়েছেন, তাঁর দরকার একটু মানবিকতা, একটু সহানুভূতি। অথচ সারা বিশ্ব দেখছে, এই কঠিন সময়েও বঙ্গ রাজনীতিতে আজ সৌজন্যের কতটা অভাব। মমতাকে রাজনৈতিকভাবে বিড়ম্বনায় ফেলতে বাংলার বদনাম করাকেই প্রধান কৌশল হিসেবে বেছে নেওয়া কেন? এই আত্মঘাতী রাজনীতি তো বাংলাকে, বাংলার মানুষকে অস্বস্তিতে ফেলছে। পিছিয়ে দিচ্ছে।
এটা মোটেই ঠিক হচ্ছে না। মানুষ কিন্তু সব দেখছে। করোনায় সবচেয়ে খারাপ অবস্থা যে মহারাষ্ট্রে, গুজরাতে, দিল্লিতে সেখানেও বিরোধীরা সরকারকে উঠতে বসতে এমনভাবে অপদস্থ করতে মরিয়া নয়। এই রাজ্যে করোনা পর্বে বিরোধীদের একটাই কাজ, যে কোনওভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে বিরক্ত করো, সব হিসেবকে ভুল প্রমাণ করো, সরকারকে আঘাত করো। কুৎসা ছড়াও। ব্যাস, তাহলেই কেল্লা ফতে। তাতে রাজ্যটার সর্বনাশ হলেও বিরোধীদের যেন কুছ পরোয়া নেই! সরকার পক্ষই হোক কী বিরোধী পক্ষ, একথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এই মুহূর্তে রাজ্যের পরিস্থিতিটা কিন্তু ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জের।
একদিকে, রাজ্যের অর্থনীতি শিকেয়, অন্যদিকে, করোনা সংক্রমণ রুখতে ঘরে ঘরে চেপে বসা আতঙ্ক। তার উপর মহারাষ্ট্র, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশের মতো কার্যত করোনার রেড জোন থেকে ট্রেন বোঝাই করে পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরা, এসব নিয়ে যখন পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর, ঠিক তখনই ঘূর্ণিঝড়ের উন্মত্ত প্রলয় নাচন আরও বড় ক্ষতি করে দিয়ে গেল। একদিকে করোনা সামলাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ, আবার সেই মানুষেরই ছাদ হারিয়ে ত্রাণ শিবির, স্থানীয় স্কুলবাড়িতে আশ্রয় নেওয়া, এই দুই পরস্পর-বিরোধী অবস্থান একসঙ্গে চলতে পারে না। অথচ সেই অসাধ্য সাধনই করতে হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বাংলার সরকারকে। তার মধ্যেও এই কঠিন অবস্থার মোকাবিলা করে এক সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যের আশি শতাংশ এলাকায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে।
তাই একটাই আবেদন সবার কাছে, রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে বাংলাকে দয়া করে হারিয়ে দেবেন না। পাশে দাঁড়ান।
31st  May, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর কোভিড-১৯ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আপাতত এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে সিএবি।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: যত দিন গড়াচ্ছে অশোকনগর শহরে ততই দাপট বাড়াচ্ছে করোনা। শুক্রবার রাতে করোনা-আক্রান্ত এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া নতুন করে আরও ৬ জন ...

সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: শুক্রবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমণ্ডি থানার বাগঢোল এলাকায় এক বৃদ্ধার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃত বৃদ্ধার নাম নালো সরকার(৬০)। তাঁর বাড়ি বাগঢোল গ্রামেই।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা ‘প্রফেশনাল আয়ুর্বেদাচার্য’ বা বিএএমএস পরীক্ষা ৩১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২০/৪২ দিবা ১/১৭। জ্যেষ্ঠা ৪৭/৫০ রাত্রি ১২/৮। সূর্যোদয় ৫/০/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/২২। অমৃতযোগ দিবা ১২/২৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৫২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩/৩৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২০ গতে ১১/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে। 
১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী দিবা ১২/৫০। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ১২/২৭। সূযোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/২ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
১১ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এটিকে-এমবির বোর্ডে সৌরভ 
জল্পনা ছিলই। শেষ পর্যন্ত বিস্তর আলোচনার পর এটিকে-এমবি প্রাইভেট লিমিটেডের ...বিশদ

10:33:05 AM

আগামীকাল কুলতলিতে বনধ ডাকল এসইউসিআই 
দলের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সুধাংশু জানাকে খুন ও মৈপীঠ অঞ্চলে ...বিশদ

10:26:59 AM

বড়বাজারে একটি বাড়িতে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ২টি ইঞ্জিন 

10:15:04 AM

দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত প্রায় ২৫ হাজার 
প্রতিদিনই সংক্রমণের নিরিখে রেকর্ড গড়ছে দেশ। এবার প্রায় ২৫ হাজার ...বিশদ

10:12:55 AM

কলকাতা হাইকোর্ট: কাল থেকে নিজের ঝুঁকিতে সশরীরে শুনানি করা যাবে 
মামলাকারী বা তাঁর আইনজীবী নিজের ঝুঁকিতে আগামী ৬ জুলাই থেকে ...বিশদ

09:05:28 AM

করোনায় আক্রান্ত সিএবি কর্মী 
করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর ...বিশদ

08:45:00 AM