Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে। দু’মাসের লম্বা লকডাউনে ‘সুখী গৃহকোণ’-এর সুখ যেন খসে গিয়েছে। পড়ে রয়েছে শুধুই গৃহকোণ। বড়রা তবুও মনের খেদ প্রকাশ করে হাল্কা হতে পারছে। কিন্তু, যাদের সেই ক্ষমতা বা অধিকার কোনওটাই নেই! শেখেনি হাল্কা হওয়ার কৌশল, তারা হয়ে উঠছে বেপরোয়া, বিদ্রোহী। ভাঙছে, ছুঁড়ছে, মারছে, আবার মারও খাচ্ছে। মুখ গুঁজছে বিছানায়। মনপসন্দ খাবারেও মন নেই। আত্মজ হয়ে উঠছে প্রতিপক্ষ। জ্বর, শ্বাসকষ্ট, ভেন্টিলেটর, করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর ‘প্রতিবাদী শৈশব’। করোনা ছোবলের জ্বালা সহ্য করা যায়, কিন্তু সন্তানের বিপন্নতায় বুক ফেটে যায়।
‘ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করতে পারছি না। ছেলে যখন ঘুমোয় তখন অফিসের কাজ করি। ঘুম ভাঙলেই হামলে পড়ছে ল্যাপটপের উপর। আগে মোবাইল নিয়ে খেলত। মোবাইল একঘেয়ে হয়ে গিয়েছে। এখন ওর টার্গেট ল্যাপটপ। মাঝেমধ্যে রেগে গিয়ে মারধরও করে ফেলছি। জানি, কাজটা ঠিক হচ্ছে না। কিন্তু, পারছি না। বিশ্বাস করুন, ছেলে জেগে থাকলে বাথরুমে বসে অফিসের কাজ করছি। একদিন বাথরুম থেকে বেরতে দেরি হওয়ায় এমন দরজা ধাক্কা দিতে শুরু করল যে, স্টেশনে গিয়ে কাজ করতে হল।’ সাড়ে তিন বছরের ছেলের কথা বলার সময় বেসরকারি সংস্থার কর্মী সন্তু নিজেই যেন কেমন অস্থির হয়ে যাচ্ছিলেন।
‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’। বাড়িতে বসে অফিসের কাজ। এমন কাজে ভীষণ লোভ ছিল অরূপের। কারণ অরূপের চাষ আর বাস ভিন্ন জায়গায়। বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা, মা, স্ত্রী আর দু’টি বাচ্চা। একজনের বয়স ৪, অন্যজন ১১। স্ত্রী স্কুলে পড়ান। আর অরূপ বেসরকারি সংস্থার কর্মী। বাড়ি বলতে সপ্তাহে একদিন। বাড়ির সারা সপ্তাহের কাজ ওই ছুটির দিনেই। ছুটি তো নয়, আসলে ছুটোছুটি। ফুড়ুত করে পালিয়ে যায় সাপ্তাহিক ছুটির দিনটা। তাই আইটি সেক্টরে, বিদেশে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’-এর গল্প শোনার সময় অরূপের চোখ জ্বল জ্বল করে উঠত। বলত, আহা, এমনটা আমাদের হয় না কেন?
করোনা অরূপের জীবনে সেই সুযোগটাই এনে দিয়েছে। অরূপের এখন ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ চলছে। কেমন আছে অরূপ? অরূপ বলে, দাদা, বাড়ি আর এখন বাড়ি নেই, মনে হচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্র। কাজের লোকের সবেতন ছুটি চলছে। তাই ঘর মোছা থেকে রান্না, বাসন মাজা, সবই করতে হচ্ছে নিজেদের। চাপের চোটে সকলের মেজাজ সপ্তমে বাঁধা। তার উপর ছেলে দু’টোর বায়না দিন দিন বাড়ছে। স্কুল বন্ধ, খেলা বন্ধ। সব সময় বাড়িতে। কেমন যেন জেদি হয়ে যাচ্ছে। রেগে যাচ্ছে, জিনিসপত্র ছুঁড়ে ফেলছে, ভাঙছে। উঠতে বসতে মারও খাচ্ছে। এক যাচ্ছেতাই কাণ্ড। তার উপর ‘অন লাইন ক্লাস’-এর ফ্যাচাং। মোবাইল নিয়ে রীতিমতো কাড়াকাড়ি চলছে। শুরু হয়েছে মোবাইলে গেম খেলা। ছেলেদের মোবাইলের নেশা ছিল না। লকডাউনে সেটাও ধরে গেল। জানি না, এর শেষ কোথায়?
বিদ্যালয় তো শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়। বিদ্যালয় বাড়ির বাইরে একটা বৃহত্তর বাড়ি। সেখানে শিক্ষকদের স্নেহ, ভালোবাসা, অনুশাসনের পাশাপাশি আছে বন্ধুর স্পর্শ, খুনসুটি, আরও অনেক কিছু। বিদ্যালয় স্বাধীনতার অঙ্গন। বাবা, মায়ের আঙুল ছেড়ে নিজের মতো করে পরিচালনার পাঠ শুরু
হয় এখানেই। স্কুল থেকে ফিরে ঘুম, খেলার মাঠ অথবা পার্ক। তারপর সন্ধ্যায় বাড়িতে পড়তে বসা, অথবা শিক্ষকের কাছে পড়তে যাওয়া। দিনের প্রায় ৮০ ভাগ সময়ই কাটত স্কুল আর স্কুলের পড়াশোনা নিয়ে। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর, এটাই ছিল অভ্যেস। ছাত্রজীবনের এটাই
নিয়ম। কিন্তু, একটা সুইচেই বন্ধ হয়ে গেল বৃহত্তর বাড়ির দরজাটা।
লকডাউন। আচমকাই স্কুলে ঝুলল তালা। বন্ধ হয়ে গেল অনাবিল মুক্তি আর আনন্দের প্রাঙ্গণটি। হারিয়ে গেল বন্ধুরা। হারিয়ে গেল টিফিন ভাগ করে খাওয়া, কেড়ে খাওয়ার আনন্দ। হারিয়ে গেল জীবনের বৈচিত্র্য। জীবনের আসল রং তো লুকিয়ে আছে বৈচিত্র্যের মধ্যেই। তা না থাকলে জীবন বিবর্ণ, ফ্যাকাসে, একঘেয়ে। আট থেকে আশি সকলেরই। জীবনের ঘাত প্রতিঘাত মানুষকে করে অভিজ্ঞ। তাই বড়রা কঠিন পরিস্থিতি মানিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু, শৈশব, কৈশোর তা পারে না। তাই একটু এধার ওধার হলেই তারা হয়ে ওঠে বিদ্রোহী।
ভঙ্গুর যৌথ পরিবার ভাঙতে ভাঙতে আজ নিউক্লিয়ার। বেশিরভাগ পরিবারে সদস্য সংখ্যা তিন অথবা চার। লকডাউনের প্রথম প্রথম সব কিছুই ছিল বেশ অন্যরকম। হাতে হাতে উঠে যাচ্ছিল বাড়ির সমস্ত কাজ। সন্তানরাও সর্বক্ষণ পাচ্ছিল তাদের বাবা, মাকে। আনন্দে ভরে উঠেছিল গৃহকোণ। কিন্তু, লকডাউন লম্বা হতেই চার দেওয়ালের বন্দি জীবনে ফিরে এল সেই একঘেয়েমি। হারিয়ে গেল বৈচিত্র্য। তাই অনেকের কাছেই লকডাউন হয়ে উঠেছে অভিশাপ। তবে, বৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনতে পারলেই অভিশাপ হয়ে উঠবে আশীর্বাদ। আনন্দকে উপলব্ধি করতে পারলেই কমে যায় যন্ত্রণা। তাই লকডাউনের বন্দি জীবনের কষ্টকে বড় করে না দেখে, সুযোগগুলো কাজে লাগাতে হবে।
মনরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মহুয়া জানা দুবের স্বামীও চিকিৎসক। দু’জনেই সরকারি হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত। থাকেন ভিন্ন ভিন্ন জায়গায়। রান্নার জন্য সহযোগী থাকলেও হাসপাতালে ডিউটির পাশাপাশি দুই শিশুসন্তানকে সামলান তিনিই। দু’টি শিশুর দিনের অনেকটা সময় কাটে বাবা মাকে ছাড়াই। তবুও তিনি মোবাইলকে সন্তানদের খেলনা হতে দেননি। বুঝিয়েছেন, মোবাইল খেলনা নয়, কাজের জিনিস।
মহুয়াদেবী বলেন, আমরা যে অবস্থাটার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি, সেটা আমাদের সকলের কাছেই নতুন। ছোটরা, বড়রা, আমরা চিকিৎসকরা, সকলেই চাপে আছি। তাই পা ফেলতে হবে সন্তর্পণে। তাঁর কথায়, লকডাউন যেমন যন্ত্রণার, তেমনই একটা সুযোগও। এই সময় আনন্দের উপকরণগুলো বাচ্চাদের নাগালের বাইরে। তাই পড়াশোনার খুব বেশি চাপ না দেওয়াই ভালো। গান, নাচ, ছবি আঁকা, কবিতা, যে যেটা পছন্দ করে, তাতেই তাকে উৎসাহ দিতে হবে। তবে, কাজের চাপ সামলে সন্তানদের সময় দিতেই হবে। সৃষ্টির আনন্দে ভরিয়ে দিতে হবে শিশুমন। সেটা করতে পারলেই লকডাউন হয়ে উঠবে আশীর্বাদ।
যে কোনও সৃষ্টির পিছনেই থাকে যন্ত্রণা। মুক্তোর অপরূপ সৌন্দর্যে আমরা মুগ্ধ হই। সেই মুক্তো তো যন্ত্রণারই ফসল। পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর হল শিশু। মাতৃজঠর ছিন্ন ভিন্ন করে সেই শিশু যখন পৃথিবীর আলো দেখে তখন মাকেও সহ্য করতে হয় তীব্র যন্ত্রণা। যন্ত্রণার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে সৃষ্টির আনন্দ। লকডাউনের বন্দি জীবনে যন্ত্রণা যেমন আছে, তেমনই আছে সৃষ্টির উপাদান। যন্ত্রণাকে উপেক্ষা করে মেতে উঠতে হবে সৃষ্টি সুখের উল্লাসে।
বন্দি জীবনে সৃষ্টি সুখের উল্লাসে মেতে ওঠার রাস্তা আমাদের দেখিয়ে গিয়েছেন নজরুল ইসলাম। সালটা ১৯২৩। কবির তখন দিন কাটছে প্রেসিডেন্সির জেলে। তরোয়ালের চেয়েও তীক্ষ্ণ তাঁর লেখনি প্রতিনিয়ত ব্রিটিশ শাসকদের করছিল ক্ষতবিক্ষত। উত্তাল হচ্ছিল ইংরেজ খেদাও আন্দোলন। কবিকে ক্ষান্ত করার কোনও রাস্তা না পেয়ে তাঁকে নিক্ষেপ করা হয়েছিল কারাগারে। বন্দি ছিলেন এক বছর। কিন্তু, বন্দি জীবন কেড়ে নিতে পারেনি কবির মনের বিদ্রোহের আগুন, দমিয়ে দিতে পারেনি তাঁর সৃষ্টির শক্তিকে। কারাগারে বসেই তিনি লিখেছিলেন, ‘আজকে আমার রুদ্ধ প্রাণের পল্বলে/ বান ডেকে ঐ জাগল জোয়ার দুয়ার-ভাঙা কল্লোলে/ আসল হাসি, আসল কাঁদন/ মুক্তি এলো, আসল বাঁধন/ মুখ ফুটে আজ বুক ফাটে মোর তিক্ত দুখের সুখ আসে/ ঐ রিক্ত বুকের দুখ আসে/ আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে।’
স্বাধীনতার ৭৩ বছর পরেও রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, শরৎচন্দ্র, বিবেকানন্দই আমাদের বেঁচে থাকার শক্তি, লড়াইয়ের প্রেরণা। তাঁদের অমরসৃষ্টি, তাঁদের জীবনদর্শন আমাদের যুদ্ধজয়ের সাহস জোগায়। ১২ মাসের বন্দি জীবন, গোরা পুলিসের অত্যাচারেও তিনি ভেঙে পড়েনি। কারারুদ্ধ জীবনে বদ্ধ জলাশয়েও তিনি আনতে চেয়েছিলেন জোয়ার। কবির রিক্ত, শূন্য হৃদয় ভেসে যেতে চেয়েছিল সৃষ্টি সুখের উল্লাসে। সেই বিদ্রোহী কবিই হোন আমাদের লকডাউনের যন্ত্রণাকে উপেক্ষা করার আদর্শ, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে মেতে ওঠার প্রেরণা।
30th  May, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর কোভিড-১৯ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আপাতত এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে সিএবি।   ...

নিউ ইয়র্ক: হাতে ‘বয়কট চীন’ প্ল্যাকার্ড। মুখে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বয়কটের ডাক। শনিবার নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে জমায়েত হয়ে চীনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন ভারতীয় ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: যত দিন গড়াচ্ছে অশোকনগর শহরে ততই দাপট বাড়াচ্ছে করোনা। শুক্রবার রাতে করোনা-আক্রান্ত এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া নতুন করে আরও ৬ জন ...

লখনউ ও কানপুর: কানপুর এনকাউন্টারে ৮ পুলিসকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত বিকাশ দুবে এখনও অধরা। কুখ্যাত এই দুষ্কৃতীর খোঁজে ২৫টিরও বেশি দল গড়ল উত্তরপ্রদেশ পুলিস। পাশাপাশি, ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২০/৪২ দিবা ১/১৭। জ্যেষ্ঠা ৪৭/৫০ রাত্রি ১২/৮। সূর্যোদয় ৫/০/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/২২। অমৃতযোগ দিবা ১২/২৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৫২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩/৩৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২০ গতে ১১/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে। 
১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী দিবা ১২/৫০। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ১২/২৭। সূযোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/২ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
১১ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এটিকে-এমবির বোর্ডে সৌরভ 
জল্পনা ছিলই। শেষ পর্যন্ত বিস্তর আলোচনার পর এটিকে-এমবি প্রাইভেট লিমিটেডের ...বিশদ

10:33:05 AM

আগামীকাল কুলতলিতে বনধ ডাকল এসইউসিআই 
দলের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সুধাংশু জানাকে খুন ও মৈপীঠ অঞ্চলে ...বিশদ

10:26:59 AM

বড়বাজারে একটি বাড়িতে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ২টি ইঞ্জিন 

10:15:04 AM

দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত প্রায় ২৫ হাজার 
প্রতিদিনই সংক্রমণের নিরিখে রেকর্ড গড়ছে দেশ। এবার প্রায় ২৫ হাজার ...বিশদ

10:12:55 AM

কলকাতা হাইকোর্ট: কাল থেকে নিজের ঝুঁকিতে সশরীরে শুনানি করা যাবে 
মামলাকারী বা তাঁর আইনজীবী নিজের ঝুঁকিতে আগামী ৬ জুলাই থেকে ...বিশদ

09:05:28 AM

করোনায় আক্রান্ত সিএবি কর্মী 
করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর ...বিশদ

08:45:00 AM