Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে। তাঁদের লড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে হিন্দু-মুসলিম বিভেদের চক্করে। কিন্তু, তীব্র সংক্রামক রোগের আক্রমণ এবং প্রকৃতির রোষের মুখ থেকে কেউ রক্ষা করতে পারছে না—না গালভরা ধর্মজ্ঞান এবং না ক্ষমতা ও ধনসম্পদের অহঙ্কার—বরং কার্যক্ষেত্রে এসবই নিতান্ত অসহায়! এ ছবি ভারতের। এ ছবি কম-বেশি সারা পৃথিবীর। অনেক দিন আগে শোনা বাউল পাঞ্জ শাহের একটি কথা আজ মনের কোণে উঁকি দিচ্ছে, প্রাসঙ্গিক মনে হচ্ছে ভীষণ: ‘‘লোকে পেটের জ্বালায় দেশান্তরী হয়/ হিন্দু-মুসলমানের বোঝা মাথায় করে বয়/ কার বা জাতি কেবা দেখে ঘরে এলে চিহ্ন কী।/ জেতে অন্ন নাহি দিবে রোগে না ছাড়িবে/ ... মৃত্যু হলে যাবে চলে জেতের উপায় হবে কী।’’
গ্রামের মানুষের প্রতি বেশিরভাগ শহুরে মানুষের তাচ্ছিল্যের মনোভাব, শ্রদ্ধার অভাব রবীন্দ্রনাথকে ব্যথিত করেছিল। ‘‘অধিক দূরে নয়, তোমাদের দ্বারের নিকটে ক্ষুধিতেরা দাঁড়াইয়া আছে।’’—জানিয়ে উচ্চকোটির মানুষের বিবেক জাগাতেও সচেষ্ট ছিলেন তিনি। কবি ভবিষ্যদ্বাণী করে গিয়েছেন, ‘‘হৃদয়হীন বিলাসের ক্রোড়ে যে নিদ্রিত আছে, মহেশ্বরের বজ্রশব্দে যদি একদিন সে জাগিয়া উঠে তবেই তাহার চেতনা হইবে, নতুবা দুঃখী-অনাথের ক্রন্দন ধ্বনিতে তাহার নিদ্রা ভঙ্গ হইবে না।’’
কলেরা, প্লেগ, পক্সের মতো অতীতের কিছু মহামারীর ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, বিপন্ন মানুষের মধ্যে গরিবই ছিল বেশি। যক্ষ্মা মহামারী না-হলেও, এই সংক্রামক রোগেও ক্ষতিগ্রস্তের তালিকায় শীর্ষে গরিবরাই। কারণ, বেশিরভাগ গরিব পরিবারের কাছে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন অধরা। ব্যতিক্রম করোনা বা কোভিড-১৯। অন্তত ভারতের ক্ষেত্রে। এ দেশে করোনার পুরোটাই আমদানিকৃত। এখনও পর্যন্ত যতটুকু জানা যায়, এতে গরিব মানুষের দায় নেই। বরং বিদেশে যাতায়াত অথবা প্রত্যক্ষ যোগাযোগ আছে, এমন সম্পন্ন সম্ভ্রান্ত কিছু মানুষের অজ্ঞতা অথবা স্বার্থপরতার শিকার তাঁরা। সব মিলিয়ে করোনা মহামারী সমস্ত শ্রেণীকে এক বন্ধনীতে এনে ফেলেছে। সাম্প্রতিক অতীতে পশ্চিমবঙ্গে যতগুলি বিধ্বংসী ঝড় আছড়ে পড়েছে, তার কোনওটিই কলকাতা মহানগরীকে সেভাবে স্পর্শ করেনি। ব্যতিক্রম উম-পুন।
২০ মে, বুধবার এই ভয়াল ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় এবং সঙ্গে মুষলধারে বৃষ্টি শহরতলি-সহ মূল কলকাতাকে একেবারে নাড়িয়ে দিয়েছে। প্রবল বেগের এবং তুলনামূলক দীর্ঘস্থায়ী এই তাণ্ডবে ভেঙে অথবা উপড়ে পড়েছে হাজার হাজার গাছপালা। গাছেরা অবশ্য একা নয়, সঙ্গে নিয়ে পড়েছে বিদ্যুতের অসংখ্য খুঁটিকেও। বেশকিছু পুরনো বাড়ি ভূপতিত হয়েছে। মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে নতুন কিছু বাড়িরও। অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে কলেজ স্ট্রিটে ঐতিহ্যবাহী বই-ব্যবসার। দশাসই চেহারার গাছ আড়াআড়ি শুয়ে থাকায় আটকে গিয়েছে রাস্তা, নর্দমা। সবার আগে বিপর্যস্ত হয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ। আমরা জানি, বিদ্যুৎই হল আজকের নগরসভ্যতার প্রাণ। বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের স্বাভাবিক পরিণাম—পুরসভার পানীয় জল সরবরাহ এবং হঠাৎ জমে যাওয়া জল নিকাশি ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়া। বাড়িতে বাড়িতে প্রচণ্ড দুর্ভোগ—পাম্পে জল উঠেব না। ফ্রিজ, ফ্যান, এসি, টিভি চলবে না। মোবাইল ফোন রিচার্জ হবে না। বন্ধ হয়ে যাবে ব্রডব্যান্ড ওয়াইফাই। ফোনের টাওয়ারগুলি অকেজো হয়ে পড়বে। অথচ, লকডাউনের মধ্যে প্রতিটি শহুরে পরিবারের ফ্রিজ এবং ইন্টারনেট ব্যবস্থার উপর নির্ভরতা অনেক বেশি। হাজার হাজার চাকরিজীবী ওয়ার্ক ফ্রম হোম সিস্টেমে চাকরি টিকিয়ে রেখেছেন। স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি সব বন্ধ। বন্ধ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলির কোচিং। ফলে, এসবের বিশেষ পাঠদান ও পাঠগ্রহণ (অনলাইন ক্লাস) চলছে ঘরে বসেই। অনেক গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তি চিকিৎসাধীন আছেন বাড়িতেই। হাসপাতাল, নার্সিংহোমেও চিকিৎসা পরিষেবা সচল রাখাও দুষ্কর এই সময়। দূরপাল্লার ট্রেন, বাস এবং ডোমেস্টিক ফ্লাইটের টিকিট বুকিং শুরু হয়ে গিয়েছে। সবটাই অনলাইন। এই দুর্দিনে ই-কমার্স এবং অনলাইন ব্যাঙ্কিংয়ের গুরুত্ব অনেক বেড়ে গিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্তরিকতার কোনও অভাব নেই। তিনি বরং সর্বশক্তি দিয়েই চেষ্টা করেছেন। তাঁর প্রশাসন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে তুলতে চেয়েছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। তবু কাঙ্ক্ষিত সময়ের ভিতরে সবটা করা যায়নি। শহরবাসীও বুঝেছেন, একে কলকাতার ক্ষেত্রে এ এক অদৃষ্টপূর্ব বিপর্যয়, তার উপরে এটা ঘটেছে টানা লকডাউন পর্বের ভিতরে। এই পরিস্থিতিতে যে বাড়তি লোকবল দরকার, সরকার ও পুরসভার তাতে বেশ ঘাটতি ছিল। কারণ সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের বেশিরভাগই থাকেন অন্য জেলায়, অনেক দূরেও অনেকে। লকডাউনের কারণে তাঁরা যে যার বাড়ি চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন অনেক দিন আগেই।
তবে কারণ যা-ই হোক, লক্ষ লক্ষ মানুষের এই অভাবনীয় দুর্ভোগটা বাস্তব, যেটা বৃহত্তর কলকাতার মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পেলেন, স্মরণকালের মধ্যে সম্ভবত এই প্রথম। শহরবাসীরা এই সুযোগে একবার উপলব্ধি করার চেষ্টা করব কি—সুন্দরবন অঞ্চলের মানুষ মাঝেমধ্যেই এমন বিপর্যয়ে কী নিদারুণ কষ্ট ভোগ করেন? ২০০৯-এর আইলা এবং ২০১৯-এর ফণী ও বুলবুলের ক্ষত কি সারিয়ে উঠতে পেরেছেন তাঁরা? ভেবে দেখুন, উম-পুনের আঘাতটা তাঁদের কাছে আক্ষরিক অর্থেই মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা-ই হয়ে উঠল। রবীন্দ্রনাথ এটাকেই ‘‘মহেশ্বরের বজ্রশব্দে যদি একদিন সে জাগিয়া উঠে তবেই তাহার চেতনা হইবে’’ বলে ভবিষ্যদ্বাণী করে গিয়েছেন কি না ভাবতে হবে।
কেন্দ্র এবং রাজ্য দুই সরকারের কাছেই আমাদের সমবেত দাবি থাক, কলকাতার পাশাপাশি দুই ২৪ পরগনায় বিস্তৃত সুন্দরবন লাগোয়া জনপদটাকেও যেন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বাসযোগ্য করে তোলা হয়। ওই এলাকার বাৎসরিক বন্যা এবং নদীবাঁধ সমস্যারও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে কেন্দ্র ও রাজ্য সমন্বয়ের দৃষ্টান্ত তুলে ধরুক, যথেষ্ট আন্তরিকতার পরিচয় দিক। তাঁদের বহু দশকের এই যন্ত্রণা আমাদের মতো শহুরে মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে কোনও দিনই স্পর্শ করেনি। তাঁদের দুঃখে এতটুকুও কাতর হইনি আমরা। অথচ, তাঁদের দুঃখকষ্ট আমাদের থেকে অনেক অনেক বেশি। শহরে আজকের সাময়িক যন্ত্রণায় আমরা যতটা কাতর হয়েছি, এই যন্ত্রণা তাঁরা ভোগ করেন ৩৬৫ দিন! তাঁদের যন্ত্রণা অনুভব করতে না-পারার কারণ আর কিছুই নয়, গ্রামের সবদিক থেকে দুর্বল মানুষগুলিকে আমরা কোনও দিনই সমগোত্র ভাবতে শিখিনি, পারিনি। এই যে মিথ্যে অহংবোধ, এটাই এই ভারতের সমস্ত সর্বনাশের মূলে। এটাই ‘বিষবৃক্ষ’।
উম-পুন হাজার হাজার প্রিয় বৃক্ষ উপড়ে দিয়েছে। রেখে গিয়েছে বিষবৃক্ষটি—যার শিকড় চারিয়ে রয়েছে বহু গভীরে। পারব কি আমরা বাংলার মাটি থেকে, ভারতের মাটি থেকে বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলার পবিত্র দায়িত্বটি পালন করতে? আমরা অনুমান করতে পারি—করোনা এবং উম-পুনের অনুজরা নজর রাখবে। আমরা ব্যর্থ হলে ভবিষ্যতে তারা হাজির হবে সমুচিত জবাব নিয়ে ফের।
আমাদের উচিত হবে, বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলার পাশাপাশি প্রিয় বৃক্ষরোপণের উৎসবে মেতে ওঠা। আমরা জানি, একটি গাছ একটি প্রাণ। উম-পুন ঝড়ে যত গাছ ধ্বংস হয়েছে অন্তত তত গাছ বড় করার দায়িত্ব আমাদের সকলকেই নিতে হবে। জনে জনে। বর্ষা ঋতু সামনেই। রাজ্য সরকারের বন বিভাগ, সামাজিক বনসৃজন দপ্তর এবং সমস্ত পঞ্চায়েত ও পুরসভা সমবেত উদ্যোগ নিলে এ কাজ দুরূহ নয়। সুন্দরবনের বহু ক্ষতি ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। কাঠ মাফিয়া এবং চোরা শিকারিদের দৌরাত্ম্যে। কিছুটা হয়েছে গরিব মানুষের পেটের দায় থেকে। দুই বাংলা মিলিয়েই। সুন্দরবন নামের মহিমা ফিরিয়ে দেওয়ার মিলিত উদ্যোগ নিতে পারে নাকি দুই দেশ—বাংলার নিজস্ব সম্পদটিকে পৃথিবীর গর্ব করে তুলতে? ওই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যত ঘাটতি থাকবে তত কোপ পড়বে বনের উপর! আমরা যেন ভুলে না যাই, উত্তরে যেমন হিমালয় দক্ষিণে তেমন সুন্দরবন—আমাদের দু’টি বিরাট রক্ষাকবচ। কল্পনা করুন, সুন্দরবন নেই আর বয়ে গিয়েছে উম-পুন! কলকাতা মহানগরীর অস্তিত্বটাই হয়তো আজ কষ্টকল্পনা হয়ে উঠত।
28th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, দিনহাটা: করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে এবার আইসোলেশন ওয়ার্ড চালুর উদ্যোগ নিল কোচবিহার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। জুন মাসের মধ্যেই ১৫-২০টি বেডের আইসোলেশন ওয়ার্ড করা হবে।   ...

ওয়াশিংটন, ২৮ মে: ‘তথ্য যাচাই’ (ফ্যাক্ট চেক) নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ট্যুইটারের লড়াই অন্য মাত্রা পেল। বুধবার ট্রাম্প জানান, কৃতকর্মের জন্য শাস্তি পেতে ...

  নয়াদিল্লি, ২৮ মে: কর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়ায় তামিলনাড়ুতে উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ করল মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থা নোকিয়া। তামিলনাড়ুর শ্রীপেরুম্বুদুরের ওই প্ল্যান্টে গত সপ্তাহ থেকেই কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ...

অলকাভ নিয়োগী, বর্ধমান: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে যখন গোটা রাজ্য আতঙ্কিত, তখন ‘মড়ার উপর খাড়ার ঘা’য়ের মতো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে দিয়ে গিয়েছে সুপার সাইক্লোন উম-পুন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় সাফল্যও হতাশা দুই বর্তমান। নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ যোগ আছে। কর্মক্ষেত্রের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৫—প্রবাসী, মডার্ন রিভিউয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম।
১৯৫৩—প্রথম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করলেন তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি
১৯৫৪—অভিনেতা পঙ্কজ কাপুরের জন্ম।
১৯৭২—অভিনেতা পৃথ্বীরাজ কাপুরের মৃত্যু।
১৯৭৭—ভাষাবিদ সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।
১৯৮৭—ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরি চরণ সিংয়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.০১ টাকা ৭৬.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৩২ টাকা ৯৪.৫৭ টাকা
ইউরো ৮১.৯৯ টাকা ৮৫.০৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ৪২/২৯ রাত্রি ৯/৫৬। অশ্লেষানক্ষত্র ৫/৫ দিবা ৬/৫৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৬, সূর্যাস্ত ৬/১১/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫২ গতে ১০/১৩ মধ্যে।
১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী রাত্রি ৭/৩। মঘানক্ষত্র রাত্রি ৩/৩৬। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ১২/৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৭ মধ্যে ও ১২/৪০ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৪ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
১৬ জুন খুলছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির 

09:55:50 PM

নিয়ামতপুরে অস্ত্র কারখানার হদিশ 
লকডাউন এর মধ্যেই কুলটি থানার নিয়ামতপুরে অস্ত্র কারখানার হদিশ পেল ...বিশদ

09:38:00 PM

১ জুন খুলছে না বেলুড় মঠ 
করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে থাকায় ১ জুন থেকে খুলছে না ...বিশদ

09:23:02 PM

দিল্লিতে ভূমিকম্প অনুভূত, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৪.৬

09:16:00 PM

রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক মুখ্যসচিবের 
রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি, উম-পুন পরবর্তী অবস্থা ও পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যু ...বিশদ

08:55:00 PM

তামিলনাড়ুতে করোনায় আক্রান্ত আরও ৮৭৪, রাজ্যে মোট আক্রান্ত ২০,২৪৬ 

07:55:48 PM