Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে। তাঁদের লড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে হিন্দু-মুসলিম বিভেদের চক্করে। কিন্তু, তীব্র সংক্রামক রোগের আক্রমণ এবং প্রকৃতির রোষের মুখ থেকে কেউ রক্ষা করতে পারছে না—না গালভরা ধর্মজ্ঞান এবং না ক্ষমতা ও ধনসম্পদের অহঙ্কার—বরং কার্যক্ষেত্রে এসবই নিতান্ত অসহায়! এ ছবি ভারতের। এ ছবি কম-বেশি সারা পৃথিবীর। অনেক দিন আগে শোনা বাউল পাঞ্জ শাহের একটি কথা আজ মনের কোণে উঁকি দিচ্ছে, প্রাসঙ্গিক মনে হচ্ছে ভীষণ: ‘‘লোকে পেটের জ্বালায় দেশান্তরী হয়/ হিন্দু-মুসলমানের বোঝা মাথায় করে বয়/ কার বা জাতি কেবা দেখে ঘরে এলে চিহ্ন কী।/ জেতে অন্ন নাহি দিবে রোগে না ছাড়িবে/ ... মৃত্যু হলে যাবে চলে জেতের উপায় হবে কী।’’
গ্রামের মানুষের প্রতি বেশিরভাগ শহুরে মানুষের তাচ্ছিল্যের মনোভাব, শ্রদ্ধার অভাব রবীন্দ্রনাথকে ব্যথিত করেছিল। ‘‘অধিক দূরে নয়, তোমাদের দ্বারের নিকটে ক্ষুধিতেরা দাঁড়াইয়া আছে।’’—জানিয়ে উচ্চকোটির মানুষের বিবেক জাগাতেও সচেষ্ট ছিলেন তিনি। কবি ভবিষ্যদ্বাণী করে গিয়েছেন, ‘‘হৃদয়হীন বিলাসের ক্রোড়ে যে নিদ্রিত আছে, মহেশ্বরের বজ্রশব্দে যদি একদিন সে জাগিয়া উঠে তবেই তাহার চেতনা হইবে, নতুবা দুঃখী-অনাথের ক্রন্দন ধ্বনিতে তাহার নিদ্রা ভঙ্গ হইবে না।’’
কলেরা, প্লেগ, পক্সের মতো অতীতের কিছু মহামারীর ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, বিপন্ন মানুষের মধ্যে গরিবই ছিল বেশি। যক্ষ্মা মহামারী না-হলেও, এই সংক্রামক রোগেও ক্ষতিগ্রস্তের তালিকায় শীর্ষে গরিবরাই। কারণ, বেশিরভাগ গরিব পরিবারের কাছে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন অধরা। ব্যতিক্রম করোনা বা কোভিড-১৯। অন্তত ভারতের ক্ষেত্রে। এ দেশে করোনার পুরোটাই আমদানিকৃত। এখনও পর্যন্ত যতটুকু জানা যায়, এতে গরিব মানুষের দায় নেই। বরং বিদেশে যাতায়াত অথবা প্রত্যক্ষ যোগাযোগ আছে, এমন সম্পন্ন সম্ভ্রান্ত কিছু মানুষের অজ্ঞতা অথবা স্বার্থপরতার শিকার তাঁরা। সব মিলিয়ে করোনা মহামারী সমস্ত শ্রেণীকে এক বন্ধনীতে এনে ফেলেছে। সাম্প্রতিক অতীতে পশ্চিমবঙ্গে যতগুলি বিধ্বংসী ঝড় আছড়ে পড়েছে, তার কোনওটিই কলকাতা মহানগরীকে সেভাবে স্পর্শ করেনি। ব্যতিক্রম উম-পুন।
২০ মে, বুধবার এই ভয়াল ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় এবং সঙ্গে মুষলধারে বৃষ্টি শহরতলি-সহ মূল কলকাতাকে একেবারে নাড়িয়ে দিয়েছে। প্রবল বেগের এবং তুলনামূলক দীর্ঘস্থায়ী এই তাণ্ডবে ভেঙে অথবা উপড়ে পড়েছে হাজার হাজার গাছপালা। গাছেরা অবশ্য একা নয়, সঙ্গে নিয়ে পড়েছে বিদ্যুতের অসংখ্য খুঁটিকেও। বেশকিছু পুরনো বাড়ি ভূপতিত হয়েছে। মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে নতুন কিছু বাড়িরও। অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে কলেজ স্ট্রিটে ঐতিহ্যবাহী বই-ব্যবসার। দশাসই চেহারার গাছ আড়াআড়ি শুয়ে থাকায় আটকে গিয়েছে রাস্তা, নর্দমা। সবার আগে বিপর্যস্ত হয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ। আমরা জানি, বিদ্যুৎই হল আজকের নগরসভ্যতার প্রাণ। বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের স্বাভাবিক পরিণাম—পুরসভার পানীয় জল সরবরাহ এবং হঠাৎ জমে যাওয়া জল নিকাশি ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়া। বাড়িতে বাড়িতে প্রচণ্ড দুর্ভোগ—পাম্পে জল উঠেব না। ফ্রিজ, ফ্যান, এসি, টিভি চলবে না। মোবাইল ফোন রিচার্জ হবে না। বন্ধ হয়ে যাবে ব্রডব্যান্ড ওয়াইফাই। ফোনের টাওয়ারগুলি অকেজো হয়ে পড়বে। অথচ, লকডাউনের মধ্যে প্রতিটি শহুরে পরিবারের ফ্রিজ এবং ইন্টারনেট ব্যবস্থার উপর নির্ভরতা অনেক বেশি। হাজার হাজার চাকরিজীবী ওয়ার্ক ফ্রম হোম সিস্টেমে চাকরি টিকিয়ে রেখেছেন। স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি সব বন্ধ। বন্ধ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলির কোচিং। ফলে, এসবের বিশেষ পাঠদান ও পাঠগ্রহণ (অনলাইন ক্লাস) চলছে ঘরে বসেই। অনেক গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তি চিকিৎসাধীন আছেন বাড়িতেই। হাসপাতাল, নার্সিংহোমেও চিকিৎসা পরিষেবা সচল রাখাও দুষ্কর এই সময়। দূরপাল্লার ট্রেন, বাস এবং ডোমেস্টিক ফ্লাইটের টিকিট বুকিং শুরু হয়ে গিয়েছে। সবটাই অনলাইন। এই দুর্দিনে ই-কমার্স এবং অনলাইন ব্যাঙ্কিংয়ের গুরুত্ব অনেক বেড়ে গিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্তরিকতার কোনও অভাব নেই। তিনি বরং সর্বশক্তি দিয়েই চেষ্টা করেছেন। তাঁর প্রশাসন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে তুলতে চেয়েছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। তবু কাঙ্ক্ষিত সময়ের ভিতরে সবটা করা যায়নি। শহরবাসীও বুঝেছেন, একে কলকাতার ক্ষেত্রে এ এক অদৃষ্টপূর্ব বিপর্যয়, তার উপরে এটা ঘটেছে টানা লকডাউন পর্বের ভিতরে। এই পরিস্থিতিতে যে বাড়তি লোকবল দরকার, সরকার ও পুরসভার তাতে বেশ ঘাটতি ছিল। কারণ সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের বেশিরভাগই থাকেন অন্য জেলায়, অনেক দূরেও অনেকে। লকডাউনের কারণে তাঁরা যে যার বাড়ি চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন অনেক দিন আগেই।
তবে কারণ যা-ই হোক, লক্ষ লক্ষ মানুষের এই অভাবনীয় দুর্ভোগটা বাস্তব, যেটা বৃহত্তর কলকাতার মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পেলেন, স্মরণকালের মধ্যে সম্ভবত এই প্রথম। শহরবাসীরা এই সুযোগে একবার উপলব্ধি করার চেষ্টা করব কি—সুন্দরবন অঞ্চলের মানুষ মাঝেমধ্যেই এমন বিপর্যয়ে কী নিদারুণ কষ্ট ভোগ করেন? ২০০৯-এর আইলা এবং ২০১৯-এর ফণী ও বুলবুলের ক্ষত কি সারিয়ে উঠতে পেরেছেন তাঁরা? ভেবে দেখুন, উম-পুনের আঘাতটা তাঁদের কাছে আক্ষরিক অর্থেই মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা-ই হয়ে উঠল। রবীন্দ্রনাথ এটাকেই ‘‘মহেশ্বরের বজ্রশব্দে যদি একদিন সে জাগিয়া উঠে তবেই তাহার চেতনা হইবে’’ বলে ভবিষ্যদ্বাণী করে গিয়েছেন কি না ভাবতে হবে।
কেন্দ্র এবং রাজ্য দুই সরকারের কাছেই আমাদের সমবেত দাবি থাক, কলকাতার পাশাপাশি দুই ২৪ পরগনায় বিস্তৃত সুন্দরবন লাগোয়া জনপদটাকেও যেন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বাসযোগ্য করে তোলা হয়। ওই এলাকার বাৎসরিক বন্যা এবং নদীবাঁধ সমস্যারও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে কেন্দ্র ও রাজ্য সমন্বয়ের দৃষ্টান্ত তুলে ধরুক, যথেষ্ট আন্তরিকতার পরিচয় দিক। তাঁদের বহু দশকের এই যন্ত্রণা আমাদের মতো শহুরে মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে কোনও দিনই স্পর্শ করেনি। তাঁদের দুঃখে এতটুকুও কাতর হইনি আমরা। অথচ, তাঁদের দুঃখকষ্ট আমাদের থেকে অনেক অনেক বেশি। শহরে আজকের সাময়িক যন্ত্রণায় আমরা যতটা কাতর হয়েছি, এই যন্ত্রণা তাঁরা ভোগ করেন ৩৬৫ দিন! তাঁদের যন্ত্রণা অনুভব করতে না-পারার কারণ আর কিছুই নয়, গ্রামের সবদিক থেকে দুর্বল মানুষগুলিকে আমরা কোনও দিনই সমগোত্র ভাবতে শিখিনি, পারিনি। এই যে মিথ্যে অহংবোধ, এটাই এই ভারতের সমস্ত সর্বনাশের মূলে। এটাই ‘বিষবৃক্ষ’।
উম-পুন হাজার হাজার প্রিয় বৃক্ষ উপড়ে দিয়েছে। রেখে গিয়েছে বিষবৃক্ষটি—যার শিকড় চারিয়ে রয়েছে বহু গভীরে। পারব কি আমরা বাংলার মাটি থেকে, ভারতের মাটি থেকে বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলার পবিত্র দায়িত্বটি পালন করতে? আমরা অনুমান করতে পারি—করোনা এবং উম-পুনের অনুজরা নজর রাখবে। আমরা ব্যর্থ হলে ভবিষ্যতে তারা হাজির হবে সমুচিত জবাব নিয়ে ফের।
আমাদের উচিত হবে, বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলার পাশাপাশি প্রিয় বৃক্ষরোপণের উৎসবে মেতে ওঠা। আমরা জানি, একটি গাছ একটি প্রাণ। উম-পুন ঝড়ে যত গাছ ধ্বংস হয়েছে অন্তত তত গাছ বড় করার দায়িত্ব আমাদের সকলকেই নিতে হবে। জনে জনে। বর্ষা ঋতু সামনেই। রাজ্য সরকারের বন বিভাগ, সামাজিক বনসৃজন দপ্তর এবং সমস্ত পঞ্চায়েত ও পুরসভা সমবেত উদ্যোগ নিলে এ কাজ দুরূহ নয়। সুন্দরবনের বহু ক্ষতি ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। কাঠ মাফিয়া এবং চোরা শিকারিদের দৌরাত্ম্যে। কিছুটা হয়েছে গরিব মানুষের পেটের দায় থেকে। দুই বাংলা মিলিয়েই। সুন্দরবন নামের মহিমা ফিরিয়ে দেওয়ার মিলিত উদ্যোগ নিতে পারে নাকি দুই দেশ—বাংলার নিজস্ব সম্পদটিকে পৃথিবীর গর্ব করে তুলতে? ওই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যত ঘাটতি থাকবে তত কোপ পড়বে বনের উপর! আমরা যেন ভুলে না যাই, উত্তরে যেমন হিমালয় দক্ষিণে তেমন সুন্দরবন—আমাদের দু’টি বিরাট রক্ষাকবচ। কল্পনা করুন, সুন্দরবন নেই আর বয়ে গিয়েছে উম-পুন! কলকাতা মহানগরীর অস্তিত্বটাই হয়তো আজ কষ্টকল্পনা হয়ে উঠত।
28th  May, 2020
এবার আপনার ক্রোনোলজি
বোঝার সময়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ​​​​​

নরেন্দ্র মোদি মুখ... আর চালিকাশক্তি অমিত শাহ। তিনি নরেন্দ্র মোদির চাণক্য... ম্যানেজ মাস্টার। কিন্তু বাণীবর্ষণে তো প্রশাসন চলে না! নিজের পছন্দসই, পেটোয়া লোকজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসালেও নয়। তাতে শুধু পুতুল নাচ হয়।
বিশদ

‘কারবার শুধু সরকারগুলির সঙ্গে’
পি চিদম্বরম 

শিরোনামের চারটি শব্দে (কারবার শুধু সরকারগুলির সঙ্গে) বিতর্কটাকে বাঁধা উচিত। রাজনৈতিক নেতা (বিরোধী সদস্য এবং মন্ত্রীরা), বিচারপতি, আমলা, ছাত্র, নাগরিক আন্দোলনের কর্মী, সাংবাদিক এবং ব্যবসায়ীদের উপর নজরদারিতে স্পাইওয়্যার ব্যবহার নিয়ে যে বিতর্ক দানা বেঁধেছে, কথাটা বলছি সেই প্রসঙ্গে।
বিশদ

02nd  August, 2021
আপনার টাকা, আপনার চাকরি কতটা নিরাপদ!
হিমাংশু সিংহ

সোজা কথায় কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই দেশের ব্যাঙ্কিং ও বিমা ক্ষেত্রকে বৃহৎ ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেওয়ার আয়োজন সম্পূর্ণ। এবং তা করা হচ্ছে বুক ফুলিয়ে সংসদে প্রায় কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই।
বিশদ

01st  August, 2021
মোদি-বিরোধী জোটের
মূল কাণ্ডারী মমতা
তন্ময় মল্লিক

মোদি-অমিত শাহের চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহস দেখানোয় মমতা হয়ে উঠেছেন জাতীয় রাজনীতির চর্চিত চরিত্র। বাংলার নির্বাচনকে ‘প্রেস্টিজ ফাইটে’র জায়গায় নিয়ে যাওয়ায় নরেন্দ্র মোদিই নিজের বিপদ নিজে ডেকে এনেছেন। বাংলায় বিজেপির ভরাডুবির পর থেকেই দেশের মানুষ ভাবতে শুরু করেছেন, মমতাই পারবেন।
বিশদ

31st  July, 2021
মমতার গতিশীল রাজনীতির
টক্করে ব্যর্থ বিরোধীরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 

রাজ্য কংগ্রেস ও সিপিএমের সামনে ব্লাইন্ড লেন। সোনিয়ার সঙ্গে মমতার সাক্ষাৎ, মমতার জোট আহ্বানে সব দলের সবুজ সংকেতের পর এ রাজ্যে এই দু‌ই দলের মমতা বিরোধিতা হাস্যকর। তবু হয়তো এ রাজ্যের বিরোধীরা একটি পথ গ্রহণ করবে। সেটি হল, মমতার দিল্লিমুখী রাজনীতি নিয়ে হাসাহাসি করা, আক্রমণ করা, তাঁকে অতি উচ্চাকাঙ্ক্ষী তকমা দিয়ে কটাক্ষ করা, ব্যঙ্গবিদ্রুপ করা। বিশদ

30th  July, 2021
অগ্নিগর্ভ আফগানিস্তানে
অনিশ্চয়তার দুলুনি!
মৃণালকান্তি দাস

কাবুলে নতুন আফগান পার্লামেন্ট ভবনটিও তৈরি করেছে ভারত। নির্মীয়মান শত শত প্রকল্পের এখন কী হবে? ভারতের নীতি-নির্ধারকরা এখন সেই চিন্তায় অস্থির। তাছাড়া মধ্য এশিয়ার বাজারে ঢুকতে ভারতের জন্য আফগানিস্তান খুবই জরুরি।
বিশদ

29th  July, 2021
মানবাধিকার, গণতন্ত্র যখন অতি স্পর্শকাতর শব্দ
হারাধন চৌধুরী

সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করে নিউজিল্যান্ডের নাগরিকরা। আর অত্যন্ত মর্মান্তিক হাল সিরিয়ায়। ভারতের পজিশন ১১১! তার সোজা-সাপ্টা মানে, মোদির ভারতের অবস্থান খারাপের দিকেরই শীর্ষে! আমাদের জন্য দুটি সান্ত্বনা: চীন ও পাকিস্তানের র‌্যাঙ্ক যথাক্রমে ১২৯ ও ১৪০। বিশদ

28th  July, 2021
সাধারণের করের টাকায় নজরদারির শ্রাদ্ধ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট করেছেন... ভারতের যুব সম্প্রদায়কে যেভাবে ‘মন কি বাত’ আকর্ষণ করছে, তাতে তিনি ভীষণ খুশি। ওলিম্পিকস শুরু হয়েছে। টিভির পর্দায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই এখন একটাই সরকারি স্লোগানে ডুবে, ‘চিয়ার ফর ইন্ডিয়া’... হাত মুঠো করে সামনের দিকে ঘুষি ছুড়তে হবে।
বিশদ

27th  July, 2021
সরকার পক্ষীরাজের পিঠে সওয়ার
পি চিদম্বরম

একজন মন্ত্রী এই মর্মে শপথ নেন যে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন। মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সময় তিনি কোনও অশুভ শক্তিকে ভয় পাবেন না কিংবা পছন্দের কারও প্রতি পক্ষপাতিত্ব করবেন না।
বিশদ

26th  July, 2021
 অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে বন্ধ্যাত্বের শাপমুক্তি ঘটছে
ডাঃ গৌতম খাস্তগীর

২৫ জুলাই বিশ্ব নলজাতক দিবস যেন সুপ্রজননবিদ্যার অদৃশ্য জয়ধ্বজা ওড়ানোর দিন। বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার ত্যাগ, তিতিক্ষা, ধৈর্য, অসহিষ্ণুতা জয়, পরিশ্রমের নির্যাস এই বিশেষ দিন, যার পোশাকি নাম ওয়ার্ল্ড ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন ডে। আজকেই তো সেইদিন যখন টাইম মেশিনে চড়ে পিছিয়ে যাওয়া কয়েক দশক।
বিশদ

25th  July, 2021
সংবাদপত্রের উপর আবার আঘাত
হিমাংশু সিংহ

‘গঙ্গা ঝুট নেহি বোলতে’। গঙ্গা কখনও মিথ্যে বলে না। দৈনিক ভাস্করের সম্পাদক ওম গৌড়ের এই প্রতিবেদনটি ঝড় তুলেছিল গোটা দেশে। দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতা, গঙ্গায় সারি সারি লাশের ভেসে যাওয়া, অক্সিজেনের সঙ্কট এবং সর্বোপরি একটা বেডের জন্য এ হাসপাতাল থেকে ও হাসপাতালে ছোটাছুটির জীবন্ত ছবি নিজের কলমে এঁকেছিলেন সম্পাদক ওম গৌড়।
বিশদ

25th  July, 2021
টক্কর নিতে গিয়ে হাসির
খোরাক হচ্ছে বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

প্রতিযোগিতা থাকা ভালো, কিন্তু রেষারেষি মোটেই কাম্য নয়। প্রতিযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যায়, দেয় প্রতিষ্ঠা। রেষারেষিতেও এগনো যায়। তবে, তার মধ্যে থাকে প্রতিশোধ নেওয়ার বাসনা।
বিশদ

24th  July, 2021
একনজরে
কলকাতাবাসীর শরীরে করোনার অ্যান্টিবডি কতটা তৈরি হয়েছে, তা জানতে এবার সমীক্ষা শুরু করতে চলেছে কলকাতা পুরসভা। চিকিৎসা পরিভাষায় যার নাম ‘সেরো সার্ভে’।  ...

করোনা থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে গত বছর জুলাই মাসে দু’টি স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প এনেছিল কেন্দ্র। বিমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইনসিওরেন্স রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া বা আইআরডিএআই দেশের সব ক’টি সাধারণ বিমা সংস্থাকে ‘করোনা কবচ’ এবং ‘করোনা রক্ষক’ নামে ওই বিমা ...

কংসাবতী ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ আরও বাড়ানো হল। রবিবার রাত থেকে ২২হাজার হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়া হচ্ছে। রবিবার গভীর রাতে পাঁশকুড়া পুরসভার ১৩নম্বর ...

হংকংয়ে গণতন্ত্রের দাবিতে সরব হয়েছিলেন জনপ্রিয় গায়ক অ্যান্টনি ওং। সেই কারণে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল চীনের মদতপুষ্ট হংকংয়ের দুর্নীতি দমন শাখা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের পক্ষে শুভ দিন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফলতার সম্ভাবনা। উদাসীনতায় কাজে ও উপার্জনে বাধার আশঙ্কা। বন্ধুর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৪: প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল জার্মানি
১৯৫৬: ভারতীয় ক্রিকেটার এবং কোচ বলবিন্দর সিং সান্ধুর জন্ম
১৯৫৭ - মহাত্মা গান্ধীর কনিষ্ঠ পুত্র তথা বিশিষ্ট সাংবাদিক দেবদাস গান্ধীর মৃত্যু
১৯৮৪: ভারতীয় ফুটবলার সুনীল ছেত্রীর জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৫৯ টাকা ৭৫.৩১ টাকা
পাউন্ড ১০১.৭৪ টাকা ১০৫.২৫ টাকা
ইউরো ৮৬.৮০ টাকা ৯০.০০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৮,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৮,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৮ শ্রাবণ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট ২০২১। দশমী ১৯/২৯ দিবা ১/০। রোহিণী ৫১/১৮ রাত্রি ১/৪৪। সূর্যোদয় ৫/১২/৩১, সূর্যাস্ত ৬/১৩/১। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ গতে ১০/২৫ মধ্যে পুনঃ ১/১ গতে ২/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে ৫/২১ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ৯/৯ গতে ১১/২০ মধ্যে পুনঃ ১/৩২ গতে ৫/২১ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ৯/৯ গতে ১১/২০ মধ্যে পুনঃ ১/৩২ গতে ৩/০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫০ গতে ৮/২৭ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ২/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৬ গতে ৮/৫৮ মধ্যে। 
১৭ শ্রাবণ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট ২০২১। দশমী দিবা ১২/৩৪। রোহিণী নক্ষত্র রাত্রি ২/১৩। সূর্যোদয় ৫/১১, সূর্যাস্ত ৬/১৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ২/৩৮ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ মধ্যে ও ৯/২ গতে ১১/১৭ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৩/২ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৯ গতে ৮/২৭ মধ্যে ও ১/২২ গতে ৩/০ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৮ গতে ৯/০ মধ্যে। 
২৩ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে ময়নাগুড়িতে বিক্ষোভ তৃণমূলের
ত্রিপুরায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ময়নাগুড়ি ১নম্বর ব্লক ...বিশদ

01:32:37 PM

মেদিনীপুরে পুলিস ভ্যান থেকে লাফ দিয়ে পলাতক ২ বন্দি
মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে তমলুক কোর্টে আনার সময় পুলিস ভ্যান ...বিশদ

01:30:56 PM

মহিষাদলে লক্ষাধিক টাকার লোহার পাইপ চুরি, পাকড়াও ড্রাইভার সহ খালাসি
মহিষাদলের ঝাউপাতরা এলাকা থেকে আইওসির লক্ষাধিক টাকার লোহার পাইপ নিয়ে ...বিশদ

01:21:09 PM

প্রকাশিত হল সিবিএসই-র দশম শ্রেণীর ফল
প্রতীক্ষার অবসান। প্রকাশিত হল সিবিএসই-র দশম শ্রেণির ফল। বেলা ১২টা ...বিশদ

12:12:00 PM

পর পর জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আন্দামান নিকোবর
পর পর জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আন্দামান নিকোবর। আজ, মঙ্গলবার ...বিশদ

11:49:26 AM

পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সাইকেল র‌্যালি রাহুল গান্ধীর
পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ। দিল্লির রাজপথে সাইকেল র‌্যালিতে রাহুল গান্ধী। সঙ্গে ...বিশদ

11:38:35 AM