Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে। তাঁদের লড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে হিন্দু-মুসলিম বিভেদের চক্করে। কিন্তু, তীব্র সংক্রামক রোগের আক্রমণ এবং প্রকৃতির রোষের মুখ থেকে কেউ রক্ষা করতে পারছে না—না গালভরা ধর্মজ্ঞান এবং না ক্ষমতা ও ধনসম্পদের অহঙ্কার—বরং কার্যক্ষেত্রে এসবই নিতান্ত অসহায়! এ ছবি ভারতের। এ ছবি কম-বেশি সারা পৃথিবীর। অনেক দিন আগে শোনা বাউল পাঞ্জ শাহের একটি কথা আজ মনের কোণে উঁকি দিচ্ছে, প্রাসঙ্গিক মনে হচ্ছে ভীষণ: ‘‘লোকে পেটের জ্বালায় দেশান্তরী হয়/ হিন্দু-মুসলমানের বোঝা মাথায় করে বয়/ কার বা জাতি কেবা দেখে ঘরে এলে চিহ্ন কী।/ জেতে অন্ন নাহি দিবে রোগে না ছাড়িবে/ ... মৃত্যু হলে যাবে চলে জেতের উপায় হবে কী।’’
গ্রামের মানুষের প্রতি বেশিরভাগ শহুরে মানুষের তাচ্ছিল্যের মনোভাব, শ্রদ্ধার অভাব রবীন্দ্রনাথকে ব্যথিত করেছিল। ‘‘অধিক দূরে নয়, তোমাদের দ্বারের নিকটে ক্ষুধিতেরা দাঁড়াইয়া আছে।’’—জানিয়ে উচ্চকোটির মানুষের বিবেক জাগাতেও সচেষ্ট ছিলেন তিনি। কবি ভবিষ্যদ্বাণী করে গিয়েছেন, ‘‘হৃদয়হীন বিলাসের ক্রোড়ে যে নিদ্রিত আছে, মহেশ্বরের বজ্রশব্দে যদি একদিন সে জাগিয়া উঠে তবেই তাহার চেতনা হইবে, নতুবা দুঃখী-অনাথের ক্রন্দন ধ্বনিতে তাহার নিদ্রা ভঙ্গ হইবে না।’’
কলেরা, প্লেগ, পক্সের মতো অতীতের কিছু মহামারীর ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, বিপন্ন মানুষের মধ্যে গরিবই ছিল বেশি। যক্ষ্মা মহামারী না-হলেও, এই সংক্রামক রোগেও ক্ষতিগ্রস্তের তালিকায় শীর্ষে গরিবরাই। কারণ, বেশিরভাগ গরিব পরিবারের কাছে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন অধরা। ব্যতিক্রম করোনা বা কোভিড-১৯। অন্তত ভারতের ক্ষেত্রে। এ দেশে করোনার পুরোটাই আমদানিকৃত। এখনও পর্যন্ত যতটুকু জানা যায়, এতে গরিব মানুষের দায় নেই। বরং বিদেশে যাতায়াত অথবা প্রত্যক্ষ যোগাযোগ আছে, এমন সম্পন্ন সম্ভ্রান্ত কিছু মানুষের অজ্ঞতা অথবা স্বার্থপরতার শিকার তাঁরা। সব মিলিয়ে করোনা মহামারী সমস্ত শ্রেণীকে এক বন্ধনীতে এনে ফেলেছে। সাম্প্রতিক অতীতে পশ্চিমবঙ্গে যতগুলি বিধ্বংসী ঝড় আছড়ে পড়েছে, তার কোনওটিই কলকাতা মহানগরীকে সেভাবে স্পর্শ করেনি। ব্যতিক্রম উম-পুন।
২০ মে, বুধবার এই ভয়াল ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় এবং সঙ্গে মুষলধারে বৃষ্টি শহরতলি-সহ মূল কলকাতাকে একেবারে নাড়িয়ে দিয়েছে। প্রবল বেগের এবং তুলনামূলক দীর্ঘস্থায়ী এই তাণ্ডবে ভেঙে অথবা উপড়ে পড়েছে হাজার হাজার গাছপালা। গাছেরা অবশ্য একা নয়, সঙ্গে নিয়ে পড়েছে বিদ্যুতের অসংখ্য খুঁটিকেও। বেশকিছু পুরনো বাড়ি ভূপতিত হয়েছে। মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে নতুন কিছু বাড়িরও। অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে কলেজ স্ট্রিটে ঐতিহ্যবাহী বই-ব্যবসার। দশাসই চেহারার গাছ আড়াআড়ি শুয়ে থাকায় আটকে গিয়েছে রাস্তা, নর্দমা। সবার আগে বিপর্যস্ত হয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ। আমরা জানি, বিদ্যুৎই হল আজকের নগরসভ্যতার প্রাণ। বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের স্বাভাবিক পরিণাম—পুরসভার পানীয় জল সরবরাহ এবং হঠাৎ জমে যাওয়া জল নিকাশি ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়া। বাড়িতে বাড়িতে প্রচণ্ড দুর্ভোগ—পাম্পে জল উঠেব না। ফ্রিজ, ফ্যান, এসি, টিভি চলবে না। মোবাইল ফোন রিচার্জ হবে না। বন্ধ হয়ে যাবে ব্রডব্যান্ড ওয়াইফাই। ফোনের টাওয়ারগুলি অকেজো হয়ে পড়বে। অথচ, লকডাউনের মধ্যে প্রতিটি শহুরে পরিবারের ফ্রিজ এবং ইন্টারনেট ব্যবস্থার উপর নির্ভরতা অনেক বেশি। হাজার হাজার চাকরিজীবী ওয়ার্ক ফ্রম হোম সিস্টেমে চাকরি টিকিয়ে রেখেছেন। স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি সব বন্ধ। বন্ধ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলির কোচিং। ফলে, এসবের বিশেষ পাঠদান ও পাঠগ্রহণ (অনলাইন ক্লাস) চলছে ঘরে বসেই। অনেক গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তি চিকিৎসাধীন আছেন বাড়িতেই। হাসপাতাল, নার্সিংহোমেও চিকিৎসা পরিষেবা সচল রাখাও দুষ্কর এই সময়। দূরপাল্লার ট্রেন, বাস এবং ডোমেস্টিক ফ্লাইটের টিকিট বুকিং শুরু হয়ে গিয়েছে। সবটাই অনলাইন। এই দুর্দিনে ই-কমার্স এবং অনলাইন ব্যাঙ্কিংয়ের গুরুত্ব অনেক বেড়ে গিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্তরিকতার কোনও অভাব নেই। তিনি বরং সর্বশক্তি দিয়েই চেষ্টা করেছেন। তাঁর প্রশাসন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে তুলতে চেয়েছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। তবু কাঙ্ক্ষিত সময়ের ভিতরে সবটা করা যায়নি। শহরবাসীও বুঝেছেন, একে কলকাতার ক্ষেত্রে এ এক অদৃষ্টপূর্ব বিপর্যয়, তার উপরে এটা ঘটেছে টানা লকডাউন পর্বের ভিতরে। এই পরিস্থিতিতে যে বাড়তি লোকবল দরকার, সরকার ও পুরসভার তাতে বেশ ঘাটতি ছিল। কারণ সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের বেশিরভাগই থাকেন অন্য জেলায়, অনেক দূরেও অনেকে। লকডাউনের কারণে তাঁরা যে যার বাড়ি চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন অনেক দিন আগেই।
তবে কারণ যা-ই হোক, লক্ষ লক্ষ মানুষের এই অভাবনীয় দুর্ভোগটা বাস্তব, যেটা বৃহত্তর কলকাতার মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পেলেন, স্মরণকালের মধ্যে সম্ভবত এই প্রথম। শহরবাসীরা এই সুযোগে একবার উপলব্ধি করার চেষ্টা করব কি—সুন্দরবন অঞ্চলের মানুষ মাঝেমধ্যেই এমন বিপর্যয়ে কী নিদারুণ কষ্ট ভোগ করেন? ২০০৯-এর আইলা এবং ২০১৯-এর ফণী ও বুলবুলের ক্ষত কি সারিয়ে উঠতে পেরেছেন তাঁরা? ভেবে দেখুন, উম-পুনের আঘাতটা তাঁদের কাছে আক্ষরিক অর্থেই মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা-ই হয়ে উঠল। রবীন্দ্রনাথ এটাকেই ‘‘মহেশ্বরের বজ্রশব্দে যদি একদিন সে জাগিয়া উঠে তবেই তাহার চেতনা হইবে’’ বলে ভবিষ্যদ্বাণী করে গিয়েছেন কি না ভাবতে হবে।
কেন্দ্র এবং রাজ্য দুই সরকারের কাছেই আমাদের সমবেত দাবি থাক, কলকাতার পাশাপাশি দুই ২৪ পরগনায় বিস্তৃত সুন্দরবন লাগোয়া জনপদটাকেও যেন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বাসযোগ্য করে তোলা হয়। ওই এলাকার বাৎসরিক বন্যা এবং নদীবাঁধ সমস্যারও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে কেন্দ্র ও রাজ্য সমন্বয়ের দৃষ্টান্ত তুলে ধরুক, যথেষ্ট আন্তরিকতার পরিচয় দিক। তাঁদের বহু দশকের এই যন্ত্রণা আমাদের মতো শহুরে মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে কোনও দিনই স্পর্শ করেনি। তাঁদের দুঃখে এতটুকুও কাতর হইনি আমরা। অথচ, তাঁদের দুঃখকষ্ট আমাদের থেকে অনেক অনেক বেশি। শহরে আজকের সাময়িক যন্ত্রণায় আমরা যতটা কাতর হয়েছি, এই যন্ত্রণা তাঁরা ভোগ করেন ৩৬৫ দিন! তাঁদের যন্ত্রণা অনুভব করতে না-পারার কারণ আর কিছুই নয়, গ্রামের সবদিক থেকে দুর্বল মানুষগুলিকে আমরা কোনও দিনই সমগোত্র ভাবতে শিখিনি, পারিনি। এই যে মিথ্যে অহংবোধ, এটাই এই ভারতের সমস্ত সর্বনাশের মূলে। এটাই ‘বিষবৃক্ষ’।
উম-পুন হাজার হাজার প্রিয় বৃক্ষ উপড়ে দিয়েছে। রেখে গিয়েছে বিষবৃক্ষটি—যার শিকড় চারিয়ে রয়েছে বহু গভীরে। পারব কি আমরা বাংলার মাটি থেকে, ভারতের মাটি থেকে বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলার পবিত্র দায়িত্বটি পালন করতে? আমরা অনুমান করতে পারি—করোনা এবং উম-পুনের অনুজরা নজর রাখবে। আমরা ব্যর্থ হলে ভবিষ্যতে তারা হাজির হবে সমুচিত জবাব নিয়ে ফের।
আমাদের উচিত হবে, বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলার পাশাপাশি প্রিয় বৃক্ষরোপণের উৎসবে মেতে ওঠা। আমরা জানি, একটি গাছ একটি প্রাণ। উম-পুন ঝড়ে যত গাছ ধ্বংস হয়েছে অন্তত তত গাছ বড় করার দায়িত্ব আমাদের সকলকেই নিতে হবে। জনে জনে। বর্ষা ঋতু সামনেই। রাজ্য সরকারের বন বিভাগ, সামাজিক বনসৃজন দপ্তর এবং সমস্ত পঞ্চায়েত ও পুরসভা সমবেত উদ্যোগ নিলে এ কাজ দুরূহ নয়। সুন্দরবনের বহু ক্ষতি ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। কাঠ মাফিয়া এবং চোরা শিকারিদের দৌরাত্ম্যে। কিছুটা হয়েছে গরিব মানুষের পেটের দায় থেকে। দুই বাংলা মিলিয়েই। সুন্দরবন নামের মহিমা ফিরিয়ে দেওয়ার মিলিত উদ্যোগ নিতে পারে নাকি দুই দেশ—বাংলার নিজস্ব সম্পদটিকে পৃথিবীর গর্ব করে তুলতে? ওই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যত ঘাটতি থাকবে তত কোপ পড়বে বনের উপর! আমরা যেন ভুলে না যাই, উত্তরে যেমন হিমালয় দক্ষিণে তেমন সুন্দরবন—আমাদের দু’টি বিরাট রক্ষাকবচ। কল্পনা করুন, সুন্দরবন নেই আর বয়ে গিয়েছে উম-পুন! কলকাতা মহানগরীর অস্তিত্বটাই হয়তো আজ কষ্টকল্পনা হয়ে উঠত।
28th  May, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, কান্দি: শনিবার সকালে ফরাক্কা-হলদিয়া বাদশাহী সড়কের বড়ঞা থানার করালীতলার কাছে একটি কুকুরকে বাঁচাতে গিয়ে বাইক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে জখম হলেন এক ব্যক্তি।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা ‘প্রফেশনাল আয়ুর্বেদাচার্য’ বা বিএএমএস পরীক্ষা ৩১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট।   ...

নিউ ইয়র্ক: হাতে ‘বয়কট চীন’ প্ল্যাকার্ড। মুখে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বয়কটের ডাক। শনিবার নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে জমায়েত হয়ে চীনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন ভারতীয় ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: যত দিন গড়াচ্ছে অশোকনগর শহরে ততই দাপট বাড়াচ্ছে করোনা। শুক্রবার রাতে করোনা-আক্রান্ত এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া নতুন করে আরও ৬ জন ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২০/৪২ দিবা ১/১৭। জ্যেষ্ঠা ৪৭/৫০ রাত্রি ১২/৮। সূর্যোদয় ৫/০/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/২২। অমৃতযোগ দিবা ১২/২৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৫২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩/৩৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২০ গতে ১১/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে। 
১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী দিবা ১২/৫০। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ১২/২৭। সূযোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/২ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
১১ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এটিকে-এমবির বোর্ডে সৌরভ 
জল্পনা ছিলই। শেষ পর্যন্ত বিস্তর আলোচনার পর এটিকে-এমবি প্রাইভেট লিমিটেডের ...বিশদ

10:33:05 AM

আগামীকাল কুলতলিতে বনধ ডাকল এসইউসিআই 
দলের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সুধাংশু জানাকে খুন ও মৈপীঠ অঞ্চলে ...বিশদ

10:26:59 AM

বড়বাজারে একটি বাড়িতে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ২টি ইঞ্জিন 

10:15:04 AM

দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত প্রায় ২৫ হাজার 
প্রতিদিনই সংক্রমণের নিরিখে রেকর্ড গড়ছে দেশ। এবার প্রায় ২৫ হাজার ...বিশদ

10:12:55 AM

কলকাতা হাইকোর্ট: কাল থেকে নিজের ঝুঁকিতে সশরীরে শুনানি করা যাবে 
মামলাকারী বা তাঁর আইনজীবী নিজের ঝুঁকিতে আগামী ৬ জুলাই থেকে ...বিশদ

09:05:28 AM

করোনায় আক্রান্ত সিএবি কর্মী 
করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর ...বিশদ

08:45:00 AM