Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা। সেইসঙ্গে নিজেরাও খিল্লির খোরাক হন। ইতিহাস বলছে, দীর্ঘদিন ধরেই রাজাদের এই বিদূষক পোষা একটা খেয়ালের মতো। মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের যেমন গোপাল ভাঁড়, সম্রাট আকবরের যেমন বীরবল, রাজা কৃষ্ণদেবরায়ার যেমন তেনালি রাম, যেমন ছিলেন মোল্লা নাসিরুদ্দিন। তেমনই হবুর বিদূষক হলেন জগৎকমল ভাঁড়। সংক্ষেপে লোকে বলে জগু ভাঁড়। বিদূষক অর্থে ভাঁড়ই। তিনি হলেন হবু রাজার বহু ভাঁড়ের অন্যতম।
ভাঁড় হিসাবে তাঁর আবার অনেক বৈশিষ্ট্য আছে। তার মধ্যে একটি হল তাঁর প্রখর আত্মসম্মান জ্ঞান। দিনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিনি ৪৮ বার অপমানিত বোধ করেন। সেসব কথা আবার তিনি মিডিয়ার সামনে ঠোঁট ফুলিয়ে প্রচারও করেন। অবশ্য ডাক্তাররা বলেছেন, এই অপমানবোধ তাঁর পক্ষে স্বাস্থ্যকর। যেদিন তিনি কম অপমানিত বোধ করেন, সেদিন তাঁর হজমের সমস্যা দেখা দেয়। ডাক্তাররা তাই তাঁর অপমান ব্যাধি সারাতে নারাজ। বলেছেন, এটা ওনার একটা শারীরিক পজিটিভ সাইড এফেক্ট। ওনাকে দেখে গবেষকরা আত্মসম্মানের সাইড এফেক্ট নিয়ে গবেষণাও শুরু করে দিয়েছেন।
মন্ত্রী গবুচন্দ্র রাজাকে মাঝে মাঝেই জিজ্ঞাসা করেন, ‘আপনি ভাঁড় পুষেছেন অথচ সেগুলিকে নিজের কাছে রাখেন না কেন? তাতে কিছুটা বিনোদনের ব্যবস্থা হতো।’ হবু রাজা হাসতে হাসতে বলেন, ‘গবু, তুমিই হলে আমার সেরা ভাঁড়। তাই ওদের কাউকে আমার কাছে রাখিনি। তাছাড়া আমি কি শুধু নিজের কথা ভাবি? আমি দেশের কথাও ভাবি। দেশের বিনোদনের জন্যই ওদের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে প্রপালক নিয়োগ করেছি। ওদের মজার মজার কথা শুনে লোকে সমস্যা, কষ্ট, দুঃখের কথা ভুলে যাবে।’
একদিন হবু রাজা মন খারাপ করে বসেছিলেন, গবু গিয়ে কারণ জিজ্ঞাসা করাতে রাজা বলেছিলেন, ‘সব প্রাণীরই বিবর্তন উন্নততর হয়েছে। কেবল ভাঁড়েদেরই গুণগত মান নিম্নগামী হয়েছে। তুমি দেখো, সব ভাঁড়ের গল্পেই জীবনবোধ এবং জ্ঞানবুদ্ধির লক্ষণ ধরা পড়ে। আমার পোষ্য ভাঁড়েরা কেন যে এমন নির্বোধ বুঝি না!’
গবু বললেন, ‘ভাঁড়ের ভাঁড়ার উন্নততর করতে ওদের নিয়ে একটা ওয়ার্কশপ করুন মহারাজ, কীভাবে কথা বলতে হয়, সেটা ওদের শেখানো দরকার।’
দিন কয়েক আগে হবু তড়িঘড়ি গবুকে ভিডিও কলে বললেন, ‘তুমি রাজ অমাত্যদের বল, ভিডিও কলে জগু ভাঁড়কে ধরতে।’
কয়েক মিনিটের মধ্যে ভিডিও কলে হবু, গবু এবং জগু ভাঁড়ের কনফারেন্স শুরু হল।
হবু রাজা প্রথম থেকেই অ্যাটাকিং মুডে। একাটু ঝাঁঝের সঙ্গেই বললেন, ‘ভাঁড়েরা কিন্তু গর্দভ নয় জগু। তাদেরও একটা বুদ্ধি থাকে। সেই বুদ্ধিকে তারা কাজে লাগায়।’
গবু বললেন, ‘যাদের বুদ্ধি নেই, তারা কী করবে মহারাজ?’
হবু খেপে গিয়ে বললেন, ‘তোমার মতো দেশের মন্ত্রী হবে।’
জগু ভাঁড় বললেন, ‘আপনি ঠিকই বলেছেন মহারাজ, আমার বুদ্ধি নেই।’
হবু বললেন, ‘নেই তো জানি, সেটা আবার গলাবাজি করে বলা হচ্ছে।’
হবু বিনত ভঙ্গিতে বললেন, ‘গলাবাজি নয় মহারাজ ,আপনার সিদ্ধান্তটাকে সত্য বলে প্রতিষ্ঠা করছি।’
হবু খেঁকিয়ে বললেন, ‘বেশ করেছো। ওইসব কথা তোমাকে কে বলতে বলেছে?’
জগু কিছুটা অবাক হয়ে বললেন, ‘কোন কথা মহারাজ?’
হবু বললেন, ‘ওই কম্পন ঝড়ে তেমন কিছু কাঁপেনি, যেটুকু ক্ষতি হয়েছে, তা সামান্যই।’
জগু বললেন, ‘মহারাজ আমি আমার লাটবাড়িতে বসে সেটাই বুঝেছি, আমার চেয়ার, টেবিল, খাট কিছুই কাঁপেনি, তাই ভাবলাম।’
হবু বললেন, ‘তোমার ঘরের খাট কাঁপবে কেন, এ কি ভূমিকম্প হচ্ছে নাকি?’ গবু, এটা কেমন ভাঁড়, কিছুই বোঝে না। কম্পন ঝড় আর ভূমিকম্প, এর ফারাক বোঝ? এই জন্যই তোমাকে রোজ অপমানিত হতে হয়।’
জগু আরও বিনত। বললেন, ‘ঠিক বলেছেন মহারাজ, আমি অপমানের যোগ্য।’
হবু বললেন, ‘আবার বড় গলা করে কথা বলছ?’
জগু আবার বললেন, ‘আপনি যে সত্যি কথাটা বললেন, সেটাই প্রতিষ্ঠা করলাম।’
হবু বললেন, ‘তুমি কি আমার প্রতিধ্বনি নাকি?’
জগু বললেন, ‘আজ্ঞে, আমি আপনার প্রতিধ্বনি, প্রতিবিম্ব, প্রতিফলন, প্রচ্ছায়া ইত্যাদি ইত্যাদি।’
হবু বললেন, ‘তাহলে মনে রেখো, বেশি প্রতিভা দেখালে প্রতিফলও পেতে হবে। সাবধানে প্রতিবাক্য ব্যবহার করবে।’
গবু বললেন, ‘ভালো করে কানে ঢুকিয়ে নাও জগু।’
হবু বললেন, ‘এবার থেকে মন দিয়ে ভাঁড়েদের জীবনকথা ও ইতিহাস পড়ে দেখো। আগেকার দিনের ভাঁড়েরা রাজাদের ভুলত্রুটির দিকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিত।’
জগু বললেন, ‘আপনি কোনও ভুল করতেই পারেন না।’
হবু একটু খুশি হয়ে বললেন, ‘হুম। আচ্ছা, তুমি টেগোরের নাম শুনেছো?’
জগু বললেন, ‘শুনেছি মহারাজ।’
হবু বললেন, ‘তাঁর একটি কবিতা আছে। সামান্য ক্ষতি। সেটা পড়েছো?’
জগু বললেন, ‘না মহারাজ। আমার আপ্ত সহায়ককে বলব, খুঁজে দিতে। তারপর পড়ে নেব।’
হবু বললেন, ‘হ্যাঁ, পড়ে নিও। ওটা তোমার পড়া দরকার। কাশীর মহিষী করুণা মাঘমাসের শীতে নদীতে স্নানে গিয়েছিলেন। স্নান করে উঠে রানির খুব শীত করছিল। সখীদের বললেন, একটু আগুন জ্বালা, আমি ‘শীত নিবারিব অনলে’। আগুন জ্বালানোর মতো কিছু খুঁজে পেল না সখিরা। অবশেষে রাজমহিষী করুণা বললেন, ওই তো দেখা যাচ্ছে কয়েকটি পর্ণকুটির। ওগুলো জ্বালিয়ে দে। আমি হাত-পা সেঁকব। রানির নির্দেশে পথের পাশে গরিবদের ঘরে আগুন লাগানো হল। সব পর্ণকুটির ছাই হয়ে গেল। গরিব প্রজারা রাজাকে এসে অভিযোগ জানিয়ে সব কথা বললেন। রানি রাজপ্রাসাদে এলে রাজা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, এটা তুমি কী করলে? রানি সেদিন সদম্ভে তোমারই মতো উত্তর দিয়েছিল, ওতো সামান্য ক্ষতি। বুঝলে জগু, লাটবাড়িতে বসে যাকে সামান্য ক্ষতি বলা হয়, তা সামান্য ক্ষতি নয়।’
জগু ভাঁড় বললেন, ‘তারপর কী হল মহারাজ, গল্পটা কি শেষ হয়ে গেল? আমার জানতে খুব ইচ্ছে করছে।’
হবু বললেন, ‘না গল্প শেষ হয়নি। মহারাজা রানির রাজবসন, রাজপ্রসাধন, অলঙ্কার সব খুলে একটা জীর্ণ বসন পরিয়ে দিয়ে বললেন, যাও রাজ্যের প্রতিটি ঘরে গিয়ে ভিক্ষা করে ওই পর্ণকুটির আবার গড়ে দেবে। এক বছর সময় দিলাম। এই এক বছরেই বুঝে যাবে, তুমি যে ক্ষতি করেছ, তা কতটা সামান্য।’
জগু মাথা নেড়ে হাত জোড় করে বললেন, ‘খুব জ্ঞানী রাজা। আপনারই মতো মহারাজ। বুদ্ধিমান, প্রজারঞ্জক....।’
হবু তাঁকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, ‘তুমি একবার ঘুরে ঘুরে দেখবে নাকি জগু, কম্পন ঝড়ে যে ক্ষতি হয়েছে, তা কতটা সামান্য?’
জগু বললেন, ‘না মহারাজ এক গল্পেই আপনি আমার চোখ খুলে দিয়েছেন। আমি ওই সামান্য ক্ষতির আগে কয়েকটা ‘অ’ বসিয়ে দিয়ে আবার বলব, অসামান্য ক্ষতি, অভূতপূর্ব ক্ষতি, অতুলনীয় ক্ষতি।’
হবু বললেন, ‘রাজা রাজনীতি বোঝে। কিন্তু ভাঁড়েরা সবসময় রাজনীতি বোঝে না। এই অঙ্গরাজ্য নিয়ে আমার অনেক পরিকল্পনা জগু। এমন কিছু ফস করে বলে ফেলো না, যাতে আমার সব পরিকল্পনা নষ্ট হয়ে যায়। নির্বাচনী কৌশল অবলম্বন করে আমাকে পদক্ষেপ নিতে হয়। তুমি যখন আমার প্রতিধ্বনি, প্রচ্ছায়া ও প্রতিবিম্ব, তাহলে সেটা হয়েই থেকো। আমার ধ্বনি বুঝে তুমি প্রতিধ্বনি করবে। আমার ছায়া নড়লে তবেই তোমার প্রচ্ছায়া নড়বে। এটা যেন মনে থাকে। যখন ঝগড়া করতে বলব, তখন ঝগড়া করবে। যখন মধু মাখাতে বলব, তখন মধু মাখাবে।’
জগু বললেন, ‘তাই হবে মহারাজ।’
হবু বললেন, ‘তাই যেন হয়। নাহলে এতদিন যেমন মিথ্যা অপমানের কথা বলে নানা সময়ে নাকে কান্না কেঁদেছো, এবার সত্যি করেই অপমানের মুখোমুখি হতে হবে। ওই লাটবাড়ি থেকে তোমাকে এমন জায়গায় ছুঁড়ে ফেলে দেব যে, কোনওদিন আর মিডিয়ার সামনে ভ্যানভ্যান করতে পারবে না। ঠিক আছে, আবার পরে প্রয়োজনে ডেকে পাঠাব।’
ভিডিও কনফারেন্স শেষ হল। ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ল জগু ভাঁড়ের। হতাশ মুখে বসে থেকে তিনি বিড়বিড় করে বললেন, ‘হায়রে, এটাই হল ভাঁড়েদের জীবন, যার জন্য চুরি করি, সেই বলে চোর।’  
27th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
একনজরে
  নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সরকারি হিসেবে সুন্দরবনের ৩ হাজার ৯৯১ কিলোমিটার জঙ্গল কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৪৫ শতাংশ বাদাবন ধ্বংস করে ...

নয়াদিল্লি, ২৮ মে (পিটিআই): ভিসার শর্ত অমান্য করে করোনার দাপটের মধ্যে নিজামুদ্দিনের ধর্মীয় সমাবেশে যোগদানের জন্য ২৯৪ জন বিদেশির বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিস নতুন করে আরও ১৫টি চার্জশিট জমা দেবে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর নিরিখে দেশের মধ্যে শীর্ষে থাকা মহারাষ্ট্র সহ পাঁচ রাজ্য থেকে ২০ হাজারের বেশি পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে বৃহস্পতিবার ফিরল ১৬টি স্পেশাল ট্রেন। এর মধ্যে ন’টি ট্রেনে চেপে ১০ হাজারের বেশি পরিযায়ী শ্রমিক ফিরলেন মহারাষ্ট্র ...

ওয়াশিংটন, ২৮ মে: ‘তথ্য যাচাই’ (ফ্যাক্ট চেক) নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ট্যুইটারের লড়াই অন্য মাত্রা পেল। বুধবার ট্রাম্প জানান, কৃতকর্মের জন্য শাস্তি পেতে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় সাফল্যও হতাশা দুই বর্তমান। নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ যোগ আছে। কর্মক্ষেত্রের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৫—প্রবাসী, মডার্ন রিভিউয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম।
১৯৫৩—প্রথম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করলেন তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি
১৯৫৪—অভিনেতা পঙ্কজ কাপুরের জন্ম।
১৯৭২—অভিনেতা পৃথ্বীরাজ কাপুরের মৃত্যু।
১৯৭৭—ভাষাবিদ সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।
১৯৮৭—ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরি চরণ সিংয়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.০১ টাকা ৭৬.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৩২ টাকা ৯৪.৫৭ টাকা
ইউরো ৮১.৯৯ টাকা ৮৫.০৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ৪২/২৯ রাত্রি ৯/৫৬। অশ্লেষানক্ষত্র ৫/৫ দিবা ৬/৫৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৬, সূর্যাস্ত ৬/১১/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫২ গতে ১০/১৩ মধ্যে।
১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী রাত্রি ৭/৩। মঘানক্ষত্র রাত্রি ৩/৩৬। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ১২/৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৭ মধ্যে ও ১২/৪০ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৪ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
১৬ জুন খুলছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির 

09:55:50 PM

নিয়ামতপুরে অস্ত্র কারখানার হদিশ 
লকডাউন এর মধ্যেই কুলটি থানার নিয়ামতপুরে অস্ত্র কারখানার হদিশ পেল ...বিশদ

09:38:00 PM

১ জুন খুলছে না বেলুড় মঠ 
করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে থাকায় ১ জুন থেকে খুলছে না ...বিশদ

09:23:02 PM

দিল্লিতে ভূমিকম্প অনুভূত, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৪.৬

09:16:00 PM

রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক মুখ্যসচিবের 
রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি, উম-পুন পরবর্তী অবস্থা ও পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যু ...বিশদ

08:55:00 PM

তামিলনাড়ুতে করোনায় আক্রান্ত আরও ৮৭৪, রাজ্যে মোট আক্রান্ত ২০,২৪৬ 

07:55:48 PM