Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না। সব নোনা। সুন্দরবনের দ্বীপগুলোর মাঝে মিষ্টি জলের যতটুকু সংস্থান ছিল, তার একটিরও অস্তিত্ব নেই। পুকুরে মাছ চাষ হয়েছিল, সব মরে গিয়েছে। সরকার বা বায়ুসেনার পক্ষ থেকে যে কয়েকটা জলের পাউচ কপ্টার থেকে নীচে পড়েছিল, সেগুলোই সম্বল। একটু একটু করে গলা ভেজাতে হবে... মনে ভয় নিয়ে... এই বোধহয় ফুরিয়ে গেল। আর তার সঙ্গে চলবে খোঁজ, মিষ্টি জলের উৎসের...। কোথাও এতটুকু কি বাকি আছে? চাষের সব জমি কি নোনা হয়ে গিয়েছে? তাহলে কী খেয়ে বাঁচব? 
এ কথা এক দশক আগের। ২০০৯ সালের ২৫ মে ‘আইলা’ এসেছিল। ছারখার করে দিয়েছিল সুন্দরবন, কলকাতা, দুই ২৪ পরগনার অনেকটা। তারপর বয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশে। যে আঘাত আইলা হেনেছিল, তার দগদগে ঘা আজও সুন্দরবন বহন করছে। সেখানে এখনও অপুষ্টিতে ভোগে শিশুরা, বহু জমি আজও নোনা ধরে রেখেছে। এবং তারপরও শেষ হয়ে যাননি সরযূ মণ্ডলরা... বরং চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন, খুঁজেছেন নতুন উপায়। কিন্তু আইলার দুঃস্বপ্ন শেষ হওয়ার আগেই যে এসে পড়েছে উপ-পুন! যতটুকু খড়কুটো এই ১১ বছরে জড়ো করা গিয়েছিল, তার সবটাই ফের ভেসে গিয়েছে। আবার এক ঘূর্ণিঝড় পথে নামিয়েছে সরযূদের। ভেঙে চুরমার হয়ে যাওয়া কাঁচা রাস্তার যতটুকু জলের ধারে বেঁচে রয়েছে, সেখান দিয়েই এবার তাঁরা ত্রাণ নিয়ে ফিরবেন। আশ্রয় শিবিরে। তারপর আবার ফিরে যাবেন ওই ভাঙা রাস্তায়... হাত লাগাবেন বাঁধ মেরামতে। নামবেন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে। ওই রাস্তা অবরোধ করার সংস্থান বা ভাবনা... কোনওটাই নেই তাঁদের। উপায় নেই বিক্ষোভ দেখানোরও...।
ঝড়ের পর বিদ্যুৎ নেই ৬০ ঘণ্টা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবিতে ভদ্রেশ্বরে পথ অবরোধ হয়েছে। চলছে বিক্ষোভ। মোটেই অস্বাভাবিক নয়। বহু বাড়িতে শিশু রয়েছে, রুগীও আছে। এমন অবস্থায় বেঁচে থাকার ন্যূনতম সুবিধাটুকু যদি দিনের পর দিন না মেলে, তা তো কখনও মেনে নেওয়া যায় না! সরকার কী করছে? পুরসভা কী করছে? বিদ্যুৎ কোম্পানির ভূমিকা এরকম কেন? পরিকাঠামো নেই কেন? এইসব প্রশ্নের যুক্তি আছে... পরিষেবা স্বাভাবিক করার দাবি থাকাটা স্বাভাবিক। কিন্তু দাবি যে আরও একটা রয়েছে! আমাদের এখানে বিদ্যুৎ নেই বলে পাশের পাড়াতেও পরিষেবা দেওয়া যাবে না। আমরা না পেলে পাবে না ওরাও। যে অঞ্চল স্বাভাবিক হয়েছে, তাদের থেকেও কেড়ে নিতে হবে পরিষেবা। বোঝাতে হবে... আমরা যতদিন কষ্টে থাকব, তোমাদেরও থাকতে হবে। বেশ ‘সাম্যবাদী’ চিন্তাভাবনা। কিন্তু মহাশয়রা বোধহয় ভুলে গিয়েছিলেন, ওইসব বাড়িতেও শিশু আছে... রোগী আছে। তাদের অপরাধ কী?
আপনার-আমার ঘরের পাশে কি কোনও সরযূ মণ্ডল থাকেন? আমরা শহুরে... খুঁজে দেখার মতো অত সময় আমাদের নেই। এক কি দু’কামরার নিউক্লিয়ার সংসার, আর অফিস। ব্যাস! ওখানেই সব শেষ। জীবন আমাদের আজ স্বার্থপর করেছে। আমরা আজ দৌড়চ্ছি...। লক্ষ্য? বেশি বেশি উপার্জন, পরিবারের বৃত্তটা আরও ছোট করে আনা। দায়িত্ব শব্দটা আজ পর্যবসিত হয়েছে ‘দায়ে’। তাই লকডাউনে বাড়িতে বসে থাকাটা বিরক্তিকর। দু’বার, তিনবার করে দোকান-বাজার যাওয়াতেই সব সীমাবদ্ধ। তার উপর এসেছে কি যেন এক ঘূর্ণিঝড়। তিনদিন ধরে আলো নেই, পাখা চলছে না, ওয়াটার পিউরিফায়ার খারাপ... এভাবে বাঁচা যায়? কিছু তো বাস-গাড়ি রাস্তায় বেরিয়েছে! একটু হলেও তো শহর স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করছে! সেটাই যথেষ্ট। বসে পড়তে হবে পথে। বাড়িতে আলো, জল না আসা পর্যন্ত উঠব না। কিন্তু গাছ পড়ে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গিয়েছে যে! উত্তরও রেডি—‘সে তো ঝড়ে হতেই পারে... জুড়তে কত সময় লাগে?’ কতগুলো ট্রান্সফর্মার যে ঝড়ের সময় বিস্ফোরণে অকেজো হয়ে গেল? ‘সেটাও তো স্বাভাবিক! লোকগুলো কাজ করছে না কেন?’
আমাদের মধ্যে কারও কারও চিন্তা-ভাবনা, প্রশ্নোত্তরগুলো আজ এমনই অসহিষ্ণুতার আড়ালে দাপিয়ে বেড়ায়। সভ্য সমাজে গালভরা একটি শব্দবন্ধ আছে, ‘স্ট্যান্ডার্ড অব লিভিং’। অর্থ কী এর? যেমন আয়, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জীবনধারা সাজিয়ে গুছিয়ে নেওয়া। কিন্তু আজকের সমাজে স্ট্যান্ডার্ড অব লিভিংয়ের মানেটা বদলে হয়েছে কমফর্ট। স্বাচ্ছন্দ্যের স্তরটাকে দেদার বাড়িয়ে যাওয়া। পরে যার সঙ্গে আপস করাটাই মুশকিল হয়ে যায়। জন্ম নেয় অসহিষ্ণুতা। মহাত্মা গান্ধী বলতেন, কোনও বিষয় সঠিকভাবে জানা বা বোঝার ক্ষেত্রে রাগ আর অসহিষ্ণুতা সবচেয়ে বড় অন্তরায়। অথচ, আজ আমরা অনেকেই এই রোগে আক্রান্ত। যার উপসর্গ দিন দিন বাড়ছে। কাজ করতে যাওয়া বিদ্যুৎ কর্মীদের ‘আপ্যায়ন’ করা হচ্ছে বাছাই করা বিশেষণ দিয়ে। ঘিরে ধরছে লোকজন। উড়ে আসছে হুমকি, ‘আলো না আসা পর্যন্ত বেঁধে রাখ এদের’। এপাশ ওপাশ থেকে পড়ছে চড়-থাপ্পড়। আমরা তখন ভুলে যাচ্ছি, ওই গুটিকয়েক লোকই একটা গোটা ইউনিট সারাইয়ের দায়িত্বে আছেন। ঝড়ের আগে থেকেই তাঁরা একবারের জন্য দু’চোখের পাতা এক করেননি। কেউ টানা ৪৮ ঘণ্টা, কেউ ৬০ ঘণ্টা ডিউটি করছেন। এক পাড়া থেকে অন্য পাড়া... ছুটছেন তাঁরা। মই বেঁধে ট্রান্সফর্মারে উঠে কাজ করছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। তাঁরা জানেন না, কোন তারটা, বা ট্রান্সফর্মারের কোনও অংশটা বিদ্যুৎবাহী হয়ে রয়েছে। ফোন লাইন বহু জায়গায় বিপর্যস্ত। অথচ, সে সব খেয়াল না রেখেই হাতের কাছে পাওয়া মানুষগুলোর উপর বিষ উগরে দিচ্ছি। ভুলে যাচ্ছি, এদের বেঁধে রেখে দিলে আমার ঘরেই বিদ্যুৎ আসবে না।
কী বলা যায় একে? সভ্যতা? নাকি এটাও স্ট্যান্ডার্ড অব লিভিংয়েরই অংশ?
সরযূ মণ্ডলদের কাছে অবরোধ-বিক্ষোভ বিলাসিতা। আসল চ্যালেঞ্জ একটাই, বেঁচে থাকা। তাঁদের পেটে ভাত নেই, ‘৭২ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন’ বলার মতো বাড়িটাও নেই। সেটা তো আমাদের আছে! ঝড়ের আতঙ্কে এলাকার একটা মাত্র পাকা বাড়িতে গিয়ে অন্তত আমাদের শ’খানেক লোককে ঠাসাঠাসি করে রাত কাটাতে হয় না। এটাও তো আশীর্বাদ! পার্ক সার্কাস ময়দানের ধারে দু’টি বছর আষ্টেক আর একটি বছর দু’য়েকের সন্তান নিয়ে যে মা প্লাস্টিক খাটিয়ে থাকে, বিক্ষোভে বসার আগে তার কথাটা আমরা একবার ভাবতে পারি না? বাড়িতে পানীয় জল নেই... বাজারে ৫০ টাকার বোতল কিনতে হচ্ছে ৮০-৯০ টাকায়। খুব সত্যি কথা। তাও আমরা জল পাচ্ছি। পাখা চলছে না, মোবাইল চার্জ হচ্ছে না, ওয়াই ফাই বন্ধ, রাতের পর রাত না ঘুমিয়ে কাটছে... তাও আমাদের বলার মতো একটা ছাদ আছে। করোনা আঘাত হানার পর পথের মানুষদের জন্য পুলিস-প্রশাসন বা বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নিত্য খাবারের ব্যবস্থা করছিল। এই দুর্যোগে সেটাও চারদিন বন্ধ। মানে সেই মানুষগুলো পেটে কিল মেরে কোথাও একটা পড়ে রয়েছে। আর আমরা? ডাইনিং টেবলে বসে সরকার, বিদ্যুৎ কোম্পানি, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর বাপবাপান্ত করছি।
কাজ করছে ওরা... অক্লান্ত। না হয় একটু
সময় দিয়ে দেখি। সরযূদের পাশে আমরা সবাই দাঁড়াতে পারব না। হয়তো সেই প্রয়োজনও ওদের নেই। ওরা নিজেরাই খুঁজে নেবে উপায়। বেঁচে থাকার। শূন্য থেকে শুরু করবে নিঃস্ব ওই লোকগুলো। আমরা না হয় সেই লড়াইকে মনে রেখেই একটু ধৈর্য ধরে দেখি। মানবিকতার উপর বিশ্বাসটা তাহলে অন্তত থাকবে।
ধৈর্যের কোনও বিকল্প নেই। ঝড় উঠবে... থামবেও। এটাই প্রকৃতির নিয়ম। জীবনেরও। সবটাই পরিবর্তনশীল। আজ একটু কষ্ট হচ্ছে... আরাম একটু কম হচ্ছে। কাল তো সব ঠিক হবে। আমাদের ঘরে আলো আসবে। বাড়তি দাম দিয়ে কিনে জল খেতেও হবে না। রাস্তাপাশের ওই মানুষগুলোও খেতে পাবে...।
সরযূদের লড়াই কিন্তু তখনও চলবে। 
26th  May, 2020
এবার আপনার ক্রোনোলজি
বোঝার সময়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ​​​​​

নরেন্দ্র মোদি মুখ... আর চালিকাশক্তি অমিত শাহ। তিনি নরেন্দ্র মোদির চাণক্য... ম্যানেজ মাস্টার। কিন্তু বাণীবর্ষণে তো প্রশাসন চলে না! নিজের পছন্দসই, পেটোয়া লোকজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসালেও নয়। তাতে শুধু পুতুল নাচ হয়।
বিশদ

‘কারবার শুধু সরকারগুলির সঙ্গে’
পি চিদম্বরম 

শিরোনামের চারটি শব্দে (কারবার শুধু সরকারগুলির সঙ্গে) বিতর্কটাকে বাঁধা উচিত। রাজনৈতিক নেতা (বিরোধী সদস্য এবং মন্ত্রীরা), বিচারপতি, আমলা, ছাত্র, নাগরিক আন্দোলনের কর্মী, সাংবাদিক এবং ব্যবসায়ীদের উপর নজরদারিতে স্পাইওয়্যার ব্যবহার নিয়ে যে বিতর্ক দানা বেঁধেছে, কথাটা বলছি সেই প্রসঙ্গে।
বিশদ

02nd  August, 2021
আপনার টাকা, আপনার চাকরি কতটা নিরাপদ!
হিমাংশু সিংহ

সোজা কথায় কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই দেশের ব্যাঙ্কিং ও বিমা ক্ষেত্রকে বৃহৎ ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেওয়ার আয়োজন সম্পূর্ণ। এবং তা করা হচ্ছে বুক ফুলিয়ে সংসদে প্রায় কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই।
বিশদ

01st  August, 2021
মোদি-বিরোধী জোটের
মূল কাণ্ডারী মমতা
তন্ময় মল্লিক

মোদি-অমিত শাহের চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহস দেখানোয় মমতা হয়ে উঠেছেন জাতীয় রাজনীতির চর্চিত চরিত্র। বাংলার নির্বাচনকে ‘প্রেস্টিজ ফাইটে’র জায়গায় নিয়ে যাওয়ায় নরেন্দ্র মোদিই নিজের বিপদ নিজে ডেকে এনেছেন। বাংলায় বিজেপির ভরাডুবির পর থেকেই দেশের মানুষ ভাবতে শুরু করেছেন, মমতাই পারবেন।
বিশদ

31st  July, 2021
মমতার গতিশীল রাজনীতির
টক্করে ব্যর্থ বিরোধীরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 

রাজ্য কংগ্রেস ও সিপিএমের সামনে ব্লাইন্ড লেন। সোনিয়ার সঙ্গে মমতার সাক্ষাৎ, মমতার জোট আহ্বানে সব দলের সবুজ সংকেতের পর এ রাজ্যে এই দু‌ই দলের মমতা বিরোধিতা হাস্যকর। তবু হয়তো এ রাজ্যের বিরোধীরা একটি পথ গ্রহণ করবে। সেটি হল, মমতার দিল্লিমুখী রাজনীতি নিয়ে হাসাহাসি করা, আক্রমণ করা, তাঁকে অতি উচ্চাকাঙ্ক্ষী তকমা দিয়ে কটাক্ষ করা, ব্যঙ্গবিদ্রুপ করা। বিশদ

30th  July, 2021
অগ্নিগর্ভ আফগানিস্তানে
অনিশ্চয়তার দুলুনি!
মৃণালকান্তি দাস

কাবুলে নতুন আফগান পার্লামেন্ট ভবনটিও তৈরি করেছে ভারত। নির্মীয়মান শত শত প্রকল্পের এখন কী হবে? ভারতের নীতি-নির্ধারকরা এখন সেই চিন্তায় অস্থির। তাছাড়া মধ্য এশিয়ার বাজারে ঢুকতে ভারতের জন্য আফগানিস্তান খুবই জরুরি।
বিশদ

29th  July, 2021
মানবাধিকার, গণতন্ত্র যখন অতি স্পর্শকাতর শব্দ
হারাধন চৌধুরী

সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করে নিউজিল্যান্ডের নাগরিকরা। আর অত্যন্ত মর্মান্তিক হাল সিরিয়ায়। ভারতের পজিশন ১১১! তার সোজা-সাপ্টা মানে, মোদির ভারতের অবস্থান খারাপের দিকেরই শীর্ষে! আমাদের জন্য দুটি সান্ত্বনা: চীন ও পাকিস্তানের র‌্যাঙ্ক যথাক্রমে ১২৯ ও ১৪০। বিশদ

28th  July, 2021
সাধারণের করের টাকায় নজরদারির শ্রাদ্ধ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট করেছেন... ভারতের যুব সম্প্রদায়কে যেভাবে ‘মন কি বাত’ আকর্ষণ করছে, তাতে তিনি ভীষণ খুশি। ওলিম্পিকস শুরু হয়েছে। টিভির পর্দায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই এখন একটাই সরকারি স্লোগানে ডুবে, ‘চিয়ার ফর ইন্ডিয়া’... হাত মুঠো করে সামনের দিকে ঘুষি ছুড়তে হবে।
বিশদ

27th  July, 2021
সরকার পক্ষীরাজের পিঠে সওয়ার
পি চিদম্বরম

একজন মন্ত্রী এই মর্মে শপথ নেন যে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন। মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সময় তিনি কোনও অশুভ শক্তিকে ভয় পাবেন না কিংবা পছন্দের কারও প্রতি পক্ষপাতিত্ব করবেন না।
বিশদ

26th  July, 2021
 অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে বন্ধ্যাত্বের শাপমুক্তি ঘটছে
ডাঃ গৌতম খাস্তগীর

২৫ জুলাই বিশ্ব নলজাতক দিবস যেন সুপ্রজননবিদ্যার অদৃশ্য জয়ধ্বজা ওড়ানোর দিন। বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার ত্যাগ, তিতিক্ষা, ধৈর্য, অসহিষ্ণুতা জয়, পরিশ্রমের নির্যাস এই বিশেষ দিন, যার পোশাকি নাম ওয়ার্ল্ড ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন ডে। আজকেই তো সেইদিন যখন টাইম মেশিনে চড়ে পিছিয়ে যাওয়া কয়েক দশক।
বিশদ

25th  July, 2021
সংবাদপত্রের উপর আবার আঘাত
হিমাংশু সিংহ

‘গঙ্গা ঝুট নেহি বোলতে’। গঙ্গা কখনও মিথ্যে বলে না। দৈনিক ভাস্করের সম্পাদক ওম গৌড়ের এই প্রতিবেদনটি ঝড় তুলেছিল গোটা দেশে। দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতা, গঙ্গায় সারি সারি লাশের ভেসে যাওয়া, অক্সিজেনের সঙ্কট এবং সর্বোপরি একটা বেডের জন্য এ হাসপাতাল থেকে ও হাসপাতালে ছোটাছুটির জীবন্ত ছবি নিজের কলমে এঁকেছিলেন সম্পাদক ওম গৌড়।
বিশদ

25th  July, 2021
টক্কর নিতে গিয়ে হাসির
খোরাক হচ্ছে বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

প্রতিযোগিতা থাকা ভালো, কিন্তু রেষারেষি মোটেই কাম্য নয়। প্রতিযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যায়, দেয় প্রতিষ্ঠা। রেষারেষিতেও এগনো যায়। তবে, তার মধ্যে থাকে প্রতিশোধ নেওয়ার বাসনা।
বিশদ

24th  July, 2021
একনজরে
কলকাতাবাসীর শরীরে করোনার অ্যান্টিবডি কতটা তৈরি হয়েছে, তা জানতে এবার সমীক্ষা শুরু করতে চলেছে কলকাতা পুরসভা। চিকিৎসা পরিভাষায় যার নাম ‘সেরো সার্ভে’।  ...

কংসাবতী ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ আরও বাড়ানো হল। রবিবার রাত থেকে ২২হাজার হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়া হচ্ছে। রবিবার গভীর রাতে পাঁশকুড়া পুরসভার ১৩নম্বর ...

হংকংয়ে গণতন্ত্রের দাবিতে সরব হয়েছিলেন জনপ্রিয় গায়ক অ্যান্টনি ওং। সেই কারণে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল চীনের মদতপুষ্ট হংকংয়ের দুর্নীতি দমন শাখা। ...

উত্তরবঙ্গের চা শ্রমিকদের প্রভিডেন্ড ফান্ড সংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে এগিয়ে এল শ্রমদপ্তর। পিএফ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে সোমবার থেকে ডুয়ার্সের ৮৩টি চা বাগানের ১৫ হাজার শ্রমিকের আধার কার্ড ও পিএফ নথিতে থাকা ভুলভ্রান্তি শোধরানোর জন্য গণক্যাম্প কর্মসূচি শুরু করল দপ্তর। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের পক্ষে শুভ দিন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফলতার সম্ভাবনা। উদাসীনতায় কাজে ও উপার্জনে বাধার আশঙ্কা। বন্ধুর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৪: প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল জার্মানি
১৯৫৬: ভারতীয় ক্রিকেটার এবং কোচ বলবিন্দর সিং সান্ধুর জন্ম
১৯৫৭ - মহাত্মা গান্ধীর কনিষ্ঠ পুত্র তথা বিশিষ্ট সাংবাদিক দেবদাস গান্ধীর মৃত্যু
১৯৮৪: ভারতীয় ফুটবলার সুনীল ছেত্রীর জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৫৯ টাকা ৭৫.৩১ টাকা
পাউন্ড ১০১.৭৪ টাকা ১০৫.২৫ টাকা
ইউরো ৮৬.৮০ টাকা ৯০.০০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৮,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৮,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৮ শ্রাবণ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট ২০২১। দশমী ১৯/২৯ দিবা ১/০। রোহিণী ৫১/১৮ রাত্রি ১/৪৪। সূর্যোদয় ৫/১২/৩১, সূর্যাস্ত ৬/১৩/১। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ গতে ১০/২৫ মধ্যে পুনঃ ১/১ গতে ২/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে ৫/২১ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ৯/৯ গতে ১১/২০ মধ্যে পুনঃ ১/৩২ গতে ৫/২১ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ৯/৯ গতে ১১/২০ মধ্যে পুনঃ ১/৩২ গতে ৩/০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫০ গতে ৮/২৭ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ২/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৬ গতে ৮/৫৮ মধ্যে। 
১৭ শ্রাবণ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট ২০২১। দশমী দিবা ১২/৩৪। রোহিণী নক্ষত্র রাত্রি ২/১৩। সূর্যোদয় ৫/১১, সূর্যাস্ত ৬/১৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ২/৩৮ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ মধ্যে ও ৯/২ গতে ১১/১৭ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৩/২ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৯ গতে ৮/২৭ মধ্যে ও ১/২২ গতে ৩/০ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৮ গতে ৯/০ মধ্যে। 
২৩ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে ময়নাগুড়িতে বিক্ষোভ তৃণমূলের
ত্রিপুরায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ময়নাগুড়ি ১নম্বর ব্লক ...বিশদ

01:32:37 PM

মেদিনীপুরে পুলিস ভ্যান থেকে লাফ দিয়ে পলাতক ২ বন্দি
মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে তমলুক কোর্টে আনার সময় পুলিস ভ্যান ...বিশদ

01:30:56 PM

মহিষাদলে লক্ষাধিক টাকার লোহার পাইপ চুরি, পাকড়াও ড্রাইভার সহ খালাসি
মহিষাদলের ঝাউপাতরা এলাকা থেকে আইওসির লক্ষাধিক টাকার লোহার পাইপ নিয়ে ...বিশদ

01:21:09 PM

প্রকাশিত হল সিবিএসই-র দশম শ্রেণীর ফল
প্রতীক্ষার অবসান। প্রকাশিত হল সিবিএসই-র দশম শ্রেণির ফল। বেলা ১২টা ...বিশদ

12:12:00 PM

পর পর জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আন্দামান নিকোবর
পর পর জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আন্দামান নিকোবর। আজ, মঙ্গলবার ...বিশদ

11:49:26 AM

পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সাইকেল র‌্যালি রাহুল গান্ধীর
পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ। দিল্লির রাজপথে সাইকেল র‌্যালিতে রাহুল গান্ধী। সঙ্গে ...বিশদ

11:38:35 AM