Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন। তাঁদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হল যে, এই সর্বমোট আর্থিক প্যাকেজের ভিতরে ‘ফিসকাল স্টিমুলাস’-এর অংশ জিডিপি-র মাত্র ০.৮ থেকে ১.৩ শতাংশ। বিস্তারিত ব্রেক-আপ-সহ আমি দেখিয়েছিলাম যে, টাকার অঙ্কে ফিসকাল স্টিমুলাসের মোট পরিমাণ ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা, যা জিডিপি-ব ০.৯১ শতাংশের সমান। আমার দেওয়া এই সংখ্যাতত্ত্ব সরকারেরও কোনও পদাধিকারী খারিজ করে দেননি।
আসল পাপ
আলোচনাটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আগে, কোভিড-১৯-এর আঘাত ভারতের অর্থনীতিতে যখন এসে পড়ল, তখনকার পরিস্থিতিটা আমি দেখাতে চাই। টানা সাতটি ত্রৈমাসিকে (কোয়ার্টার) আমরা দেখলাম জিডিপি-র হার নিম্নমুখী। ভারতের অর্থনীতিতে এই জিনিস এর আগে কখনও হয়নি। ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) কোভিড-১৯-কে বিশ্বব্যাপী মহামারী (প্যানডেমিক) ঘোষণা করল। অর্থনীতির শোচনীয় অবস্থার দিক থেকে আমাদের নজর সেদিকে ঘুরে গেল। সরকার এখন করোনা মহামারীকেই দুষবে, কিন্তু সত্যিটা হল, সরকারের বিভ্রান্তিকর নীতিগুলিই এই তীব্র আর্থিক সঙ্কটের মূল কারণ।
লকডাউনের প্রথম সিদ্ধান্তটি অনিবার্যই ছিল। কারণ, মার্চে করোনা ভাইরাসের দ্রুত সংক্রমণ আটকাতে একটিমাত্র ‘প্রতিষেধক’ আমাদের জানা ছিল—‘সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা’—যার মানে লকডাউন। বিকল্প কৌশল সামনে না-থাকায় সরকার একের পর এক লকডাউনে গিয়েছে। এই যে উপর্যুপরি লকডাউন হল, তাতে কী দেখলাম আমরা? একটি লকডাউন থেকে পরের লকডাউনে সুরাহা প্রাপ্তির পরিমাণ ক্রমশ কমে গিয়েছে—ইংরেজিতে যাকে বলে ডিমিনিশিং রিটার্নস। পাশাপাশি, এই ঘটনা থেকে মানুষের জন্য প্রকাণ্ড এক সঙ্কটও তৈরি হল।
প্রথম দফার লকডাউনের পর লাভালাভের বিচারে সরকার প্রমাণ করল যে তার প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ রয়েছে। প্রথম সুযোগে, তৃতীয় দফার লকডাউনের প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল টিভিতে উপস্থিত হওয়া থেকে নিজেকে বিরত করলেন, এবং চতুরভাবে দায়টা চালান করে দিলেন রাজ্য সরকারগুলির ঘাড়ে।
কিন্তু অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ যে রাজ্য সরকারগুলির হাতে নেই। কেন্দ্রীয় সরকার এখন যেন সার্বভৌম সম্রাটের মতো ক্ষমতা ভোগ করে। সরকারের যাবতীয় কর্তৃত্ব প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের (পিএমও) করতলগত। রাজ্যগুলির এমন অবস্থা করে দেওয়া হয়েছে যে, অর্থের প্রয়োজনে তারা কেন্দ্রের কাছে ভিক্ষাপাত্র নিয়ে হাজির হয়—আইনগত ও সাংবিধানিক অধিকারে প্রাপ্য অর্থের জন্যেও। লোক দেখানো ‘সহায়তা’র হাত প্রসারিত করেছে—ডিসকমদেরকে লিকুইডিটির (বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানিগুলিকে নগদের) সুবিধা দিয়ে, ঋণগ্রহণের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি করে—কিন্তু এসবেও এমন সব কঠিন পূর্বশর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে যে কোনও রাজ্য সরকারের পক্ষেই সেসব পূরণ করা সম্ভব হবে না, ফলে চলতি অর্থবর্ষে এই টাকার সুবিধাও নিতে পারবে না তারা।
ভয়াবহ মন্দা
মন্দার মতো ভয়ঙ্কর শব্দটির দিকে যা আমাদের ঠেলে দিল। গত ৪০ বছরে ভারতকে কখনওই নেগেটিভ জিডিপি গ্রোথ বা নেতিবাচক অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়নি। মোদি সরকারই এই পার্থক্যটি তৈরি করে দিল, যদিও সরকার এর দায়টা মহামারীর ঘাড়ে চাপিয়ে পার পেতে চাইবে, কিন্তু মোদি সরকারই হল আসল পাপী। ডিমানিটাইজেশনের মতো চরম দিন, ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর থেকে এই সরকার এত যে ভুলের পর ভুলের পাপ করেছে, তার সবকিছু মনে করার দরকার নেই।
মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চীন, ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স ও ব্রিটেন যে কৌশল বেছে নিয়েছিল, আমাদের প্রধানমন্ত্রী সেটাই অনুসরণ করলেন। প্রথমেই একটি লকডাউন। তারপর পরীক্ষা, অসুস্থ মানুষজনকে খুঁজে বের করা, চিহ্নিতদের আলাদাভাবে রাখা এবং সংক্রামিতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর কলেবর বৃদ্ধি করা হল। এই সমস্ত পদক্ষেপে মিশ্র ফললাভ হল। সিকিম রাজ্যে একজনেরও সংক্রমণ ধরা পড়ল না, অন্যদিকে, মোট সংক্রমণের ৩৫ শতাংশ দেখা গেল মহারাষ্ট্রে। এর থেকে পরিষ্কার যে, এই ভাইরাস কোনও সীমানির্দিষ্ট পথ ধরে এগোয় না এবং এটা যেসব কারণে ছড়িয়ে পড়ে তার অনেকগুলিই এখনও অজানা।
তবুও মহামারীর অর্থনৈতিক পরিণাম ঠেকাতে বেশিরভাগ দেশ যে-পথ বেছে নিয়েছে, নরেন্দ্র মোদি তা অনুসরণ করার সুযোগ নেননি। প্রায় সমস্ত অর্থনীতিবিদ এই ব্যাপারে যে মডেলের পক্ষে সওয়াল করেছেন, তা হল ‘ফিসকাল স্টিমুলাস’। যার একটাই মানে: আরও ব্যয় করো। ২০২০-২১ সালের জন্য ব্যয়ের বাজেট বরাদ্দ ছিল ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা। যে অর্থনীতির ক্রমশ অবনতি ঘটছে, সেটার জন্য এই অঙ্কটি যথেষ্ট ছিল কি না, তা এক তর্কসাপেক্ষ প্রশ্ন, কিন্তু যে অর্থনীতি ভীমরবে শূন্যের নীচে নেমে আসছে, কোনও সংশয় নেই যে অঙ্কটি তার জন্য মোটেই যথেষ্ট হবে না।
আমাদের দরকার নতুন বাজেট। গত ১ ফেব্রুয়ারি যে অনুমান করা হয়েছিল সেটা আজ আর প্রাসঙ্গিক নেই। আগামী ১ জুন সরকারকে অবশ্যই নতুন বাজেট পেশ করতে হবে। সেখানে ব্যয়ের অঙ্কটি অবশ্য করে ৪০ লক্ষ কোটি টাকা রাখতে হবে। বর্তমান সূত্রে রাজস্ব (কর, কর-বহির্ভূত এবং মূলধনী সংগ্রহ) সংগ্রহের পরিমাণটি ১৮ লক্ষ কোটি টাকা হতে পারে। বাকিটার জন্য আমরা অবশ্যই ঋণ নেব। ঋণগ্রহণের বাজেট এস্টিমেটটা ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়ে যাবে ২২ লক্ষ কোটি টাকা।
শেষ সুযোগ
বছরটা যেভাবে গড়াচ্ছে, যদি তাতে ঋণগ্রহণ বা রাজকোষ ঘাটতির স্তর একটা অস্বস্তিকর অবস্থায় পৌঁছয়, তবে তার পরিণাম অন্যরকম হতে পারে—তখন রাজকোষ ঘাটতির একটি অংশকে মুদ্রাকরণে (মানিটাইজ) রূপান্তরিত করতে আমরা কোনওমতে দ্বিধা করব না—সোজা কথায় টাকা ছাপাব। ২০০৮/২০০৯ সালে অনেক দেশই এই পথে হেঁটেছিল এবং তার ফলে তাদের অর্থনীতি গভীর ও দীর্ঘমেয়াদি মন্দার হাত থেকে বেঁচে গিয়েছিল।
বিকল্পটি চিন্তা করতেও ভীষণ ভয় হয়। মন্দার অর্থ—ব্যাপক আকারে বেকারত্ব (বেকারত্বের হার ইতিমধ্যেই ২৪ শতাংশ), চাকরিপ্রার্থী যুবক-যুবতীদের কাজ পাওয়ার জন্যে দীর্ঘদিন অপেক্ষায় থাকতে হবে, শ্রমিক কর্মচারীদের মজুরি বা বেতন এবং আয় কমে যাবে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বা উপভোগ কমে যাবে, বেড়ে যাবে রোগভোগ বা রুগ্নতা এবং দারিদ্র্য।
২০২০-তে ভারতের যে ভাবমূর্তি গড়ে উঠবে তা হল—পরিযায়ী শ্রমিক—একজন কঠোর পরিশ্রমী মানুষ যিনি নিজের এবং একটি পরিবারের ভার বহন করেন। দারিদ্র্যসীমার ঠিক উপরেই তাঁর অবস্থান। এই মানুষটিকে হঠাৎ এমন নীচে নামিয়ে দেওয়া হল, যেখানে তাঁর চাকরিটা চলে গিয়েছে, হাতে-গাঁটে কোনও টাকাকড়ি নেই, মাথাগোঁজার মতো ঠাঁই নেই, নেই খিদে পেটের খাবারটুকুও। এই মানুষটিকেই বাধ্য করা হল কয়েকশো কিলোমিটার পথ হাঁটতে। কখনও আবার তিনি একা নন—সঙ্গে রয়েছে বাচ্চারা। তখন ‘ঘরে’ ফিরে যাওয়ার জন্যই মরিয়া তিনি—এমন মরিয়া যে হয়তো ঘরে ফেরার অর্থ শুধু মৃত্যুকেই বরণ করে নেওয়া।
মোদি সরকারের সামনে শেষ সুযোগটাই অবশিষ্ট। এই সরকার তার ‘উটপাখি’ নাম্নী ঘোড়ার পিঠ থেকে অবশ্যই এবার নামবে এবং ব্যয়, ঋণগ্রহণ ও মুদ্রাকরণে মন দেবে। অন্যথায়, ভারতের অর্থনীতিকে এক দশক পিছিয়ে দেওয়ার কারণে মানুষ এই মোদি সরকারকে কোনও দিন ভুলবে না বা ক্ষমা করবে না।
 লেখক: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী 
25th  May, 2020
এবার আপনার ক্রোনোলজি
বোঝার সময়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ​​​​​

নরেন্দ্র মোদি মুখ... আর চালিকাশক্তি অমিত শাহ। তিনি নরেন্দ্র মোদির চাণক্য... ম্যানেজ মাস্টার। কিন্তু বাণীবর্ষণে তো প্রশাসন চলে না! নিজের পছন্দসই, পেটোয়া লোকজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসালেও নয়। তাতে শুধু পুতুল নাচ হয়।
বিশদ

‘কারবার শুধু সরকারগুলির সঙ্গে’
পি চিদম্বরম 

শিরোনামের চারটি শব্দে (কারবার শুধু সরকারগুলির সঙ্গে) বিতর্কটাকে বাঁধা উচিত। রাজনৈতিক নেতা (বিরোধী সদস্য এবং মন্ত্রীরা), বিচারপতি, আমলা, ছাত্র, নাগরিক আন্দোলনের কর্মী, সাংবাদিক এবং ব্যবসায়ীদের উপর নজরদারিতে স্পাইওয়্যার ব্যবহার নিয়ে যে বিতর্ক দানা বেঁধেছে, কথাটা বলছি সেই প্রসঙ্গে।
বিশদ

02nd  August, 2021
আপনার টাকা, আপনার চাকরি কতটা নিরাপদ!
হিমাংশু সিংহ

সোজা কথায় কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই দেশের ব্যাঙ্কিং ও বিমা ক্ষেত্রকে বৃহৎ ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেওয়ার আয়োজন সম্পূর্ণ। এবং তা করা হচ্ছে বুক ফুলিয়ে সংসদে প্রায় কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই।
বিশদ

01st  August, 2021
মোদি-বিরোধী জোটের
মূল কাণ্ডারী মমতা
তন্ময় মল্লিক

মোদি-অমিত শাহের চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহস দেখানোয় মমতা হয়ে উঠেছেন জাতীয় রাজনীতির চর্চিত চরিত্র। বাংলার নির্বাচনকে ‘প্রেস্টিজ ফাইটে’র জায়গায় নিয়ে যাওয়ায় নরেন্দ্র মোদিই নিজের বিপদ নিজে ডেকে এনেছেন। বাংলায় বিজেপির ভরাডুবির পর থেকেই দেশের মানুষ ভাবতে শুরু করেছেন, মমতাই পারবেন।
বিশদ

31st  July, 2021
মমতার গতিশীল রাজনীতির
টক্করে ব্যর্থ বিরোধীরা
সমৃদ্ধ দত্ত

 

রাজ্য কংগ্রেস ও সিপিএমের সামনে ব্লাইন্ড লেন। সোনিয়ার সঙ্গে মমতার সাক্ষাৎ, মমতার জোট আহ্বানে সব দলের সবুজ সংকেতের পর এ রাজ্যে এই দু‌ই দলের মমতা বিরোধিতা হাস্যকর। তবু হয়তো এ রাজ্যের বিরোধীরা একটি পথ গ্রহণ করবে। সেটি হল, মমতার দিল্লিমুখী রাজনীতি নিয়ে হাসাহাসি করা, আক্রমণ করা, তাঁকে অতি উচ্চাকাঙ্ক্ষী তকমা দিয়ে কটাক্ষ করা, ব্যঙ্গবিদ্রুপ করা। বিশদ

30th  July, 2021
অগ্নিগর্ভ আফগানিস্তানে
অনিশ্চয়তার দুলুনি!
মৃণালকান্তি দাস

কাবুলে নতুন আফগান পার্লামেন্ট ভবনটিও তৈরি করেছে ভারত। নির্মীয়মান শত শত প্রকল্পের এখন কী হবে? ভারতের নীতি-নির্ধারকরা এখন সেই চিন্তায় অস্থির। তাছাড়া মধ্য এশিয়ার বাজারে ঢুকতে ভারতের জন্য আফগানিস্তান খুবই জরুরি।
বিশদ

29th  July, 2021
মানবাধিকার, গণতন্ত্র যখন অতি স্পর্শকাতর শব্দ
হারাধন চৌধুরী

সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করে নিউজিল্যান্ডের নাগরিকরা। আর অত্যন্ত মর্মান্তিক হাল সিরিয়ায়। ভারতের পজিশন ১১১! তার সোজা-সাপ্টা মানে, মোদির ভারতের অবস্থান খারাপের দিকেরই শীর্ষে! আমাদের জন্য দুটি সান্ত্বনা: চীন ও পাকিস্তানের র‌্যাঙ্ক যথাক্রমে ১২৯ ও ১৪০। বিশদ

28th  July, 2021
সাধারণের করের টাকায় নজরদারির শ্রাদ্ধ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট করেছেন... ভারতের যুব সম্প্রদায়কে যেভাবে ‘মন কি বাত’ আকর্ষণ করছে, তাতে তিনি ভীষণ খুশি। ওলিম্পিকস শুরু হয়েছে। টিভির পর্দায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই এখন একটাই সরকারি স্লোগানে ডুবে, ‘চিয়ার ফর ইন্ডিয়া’... হাত মুঠো করে সামনের দিকে ঘুষি ছুড়তে হবে।
বিশদ

27th  July, 2021
সরকার পক্ষীরাজের পিঠে সওয়ার
পি চিদম্বরম

একজন মন্ত্রী এই মর্মে শপথ নেন যে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন। মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সময় তিনি কোনও অশুভ শক্তিকে ভয় পাবেন না কিংবা পছন্দের কারও প্রতি পক্ষপাতিত্ব করবেন না।
বিশদ

26th  July, 2021
 অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে বন্ধ্যাত্বের শাপমুক্তি ঘটছে
ডাঃ গৌতম খাস্তগীর

২৫ জুলাই বিশ্ব নলজাতক দিবস যেন সুপ্রজননবিদ্যার অদৃশ্য জয়ধ্বজা ওড়ানোর দিন। বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার ত্যাগ, তিতিক্ষা, ধৈর্য, অসহিষ্ণুতা জয়, পরিশ্রমের নির্যাস এই বিশেষ দিন, যার পোশাকি নাম ওয়ার্ল্ড ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন ডে। আজকেই তো সেইদিন যখন টাইম মেশিনে চড়ে পিছিয়ে যাওয়া কয়েক দশক।
বিশদ

25th  July, 2021
সংবাদপত্রের উপর আবার আঘাত
হিমাংশু সিংহ

‘গঙ্গা ঝুট নেহি বোলতে’। গঙ্গা কখনও মিথ্যে বলে না। দৈনিক ভাস্করের সম্পাদক ওম গৌড়ের এই প্রতিবেদনটি ঝড় তুলেছিল গোটা দেশে। দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতা, গঙ্গায় সারি সারি লাশের ভেসে যাওয়া, অক্সিজেনের সঙ্কট এবং সর্বোপরি একটা বেডের জন্য এ হাসপাতাল থেকে ও হাসপাতালে ছোটাছুটির জীবন্ত ছবি নিজের কলমে এঁকেছিলেন সম্পাদক ওম গৌড়।
বিশদ

25th  July, 2021
টক্কর নিতে গিয়ে হাসির
খোরাক হচ্ছে বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

প্রতিযোগিতা থাকা ভালো, কিন্তু রেষারেষি মোটেই কাম্য নয়। প্রতিযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যায়, দেয় প্রতিষ্ঠা। রেষারেষিতেও এগনো যায়। তবে, তার মধ্যে থাকে প্রতিশোধ নেওয়ার বাসনা।
বিশদ

24th  July, 2021
একনজরে
কংসাবতী ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ আরও বাড়ানো হল। রবিবার রাত থেকে ২২হাজার হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়া হচ্ছে। রবিবার গভীর রাতে পাঁশকুড়া পুরসভার ১৩নম্বর ...

করোনা থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে গত বছর জুলাই মাসে দু’টি স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প এনেছিল কেন্দ্র। বিমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইনসিওরেন্স রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া বা আইআরডিএআই দেশের সব ক’টি সাধারণ বিমা সংস্থাকে ‘করোনা কবচ’ এবং ‘করোনা রক্ষক’ নামে ওই বিমা ...

হংকংয়ে গণতন্ত্রের দাবিতে সরব হয়েছিলেন জনপ্রিয় গায়ক অ্যান্টনি ওং। সেই কারণে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল চীনের মদতপুষ্ট হংকংয়ের দুর্নীতি দমন শাখা। ...

ওষুধের দোকানের আড়ালে চলছে মাদক কারবার। প্রধাননগর থানার সহযোগিতায় সিকিম পুলিস দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করার পর এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। তাঁরা জানিয়েছেন, শিলিগুড়িতে ওষুধের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের পক্ষে শুভ দিন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফলতার সম্ভাবনা। উদাসীনতায় কাজে ও উপার্জনে বাধার আশঙ্কা। বন্ধুর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৪: প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল জার্মানি
১৯৫৬: ভারতীয় ক্রিকেটার এবং কোচ বলবিন্দর সিং সান্ধুর জন্ম
১৯৫৭ - মহাত্মা গান্ধীর কনিষ্ঠ পুত্র তথা বিশিষ্ট সাংবাদিক দেবদাস গান্ধীর মৃত্যু
১৯৮৪: ভারতীয় ফুটবলার সুনীল ছেত্রীর জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৫৯ টাকা ৭৫.৩১ টাকা
পাউন্ড ১০১.৭৪ টাকা ১০৫.২৫ টাকা
ইউরো ৮৬.৮০ টাকা ৯০.০০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৮,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৮,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৮ শ্রাবণ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট ২০২১। দশমী ১৯/২৯ দিবা ১/০। রোহিণী ৫১/১৮ রাত্রি ১/৪৪। সূর্যোদয় ৫/১২/৩১, সূর্যাস্ত ৬/১৩/১। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ গতে ১০/২৫ মধ্যে পুনঃ ১/১ গতে ২/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে ৫/২১ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ৯/৯ গতে ১১/২০ মধ্যে পুনঃ ১/৩২ গতে ৫/২১ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ৯/৯ গতে ১১/২০ মধ্যে পুনঃ ১/৩২ গতে ৩/০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫০ গতে ৮/২৭ মধ্যে পুনঃ ১/২০ গতে ২/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৬ গতে ৮/৫৮ মধ্যে। 
১৭ শ্রাবণ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট ২০২১। দশমী দিবা ১২/৩৪। রোহিণী নক্ষত্র রাত্রি ২/১৩। সূর্যোদয় ৫/১১, সূর্যাস্ত ৬/১৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ২/৩৮ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ মধ্যে ও ৯/২ গতে ১১/১৭ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৩/২ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৯ গতে ৮/২৭ মধ্যে ও ১/২২ গতে ৩/০ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৮ গতে ৯/০ মধ্যে। 
২৩ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে ময়নাগুড়িতে বিক্ষোভ তৃণমূলের
ত্রিপুরায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ময়নাগুড়ি ১নম্বর ব্লক ...বিশদ

01:32:37 PM

মেদিনীপুরে পুলিস ভ্যান থেকে লাফ দিয়ে পলাতক ২ বন্দি
মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে তমলুক কোর্টে আনার সময় পুলিস ভ্যান ...বিশদ

01:30:56 PM

মহিষাদলে লক্ষাধিক টাকার লোহার পাইপ চুরি, পাকড়াও ড্রাইভার সহ খালাসি
মহিষাদলের ঝাউপাতরা এলাকা থেকে আইওসির লক্ষাধিক টাকার লোহার পাইপ নিয়ে ...বিশদ

01:21:09 PM

প্রকাশিত হল সিবিএসই-র দশম শ্রেণীর ফল
প্রতীক্ষার অবসান। প্রকাশিত হল সিবিএসই-র দশম শ্রেণির ফল। বেলা ১২টা ...বিশদ

12:12:00 PM

পর পর জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আন্দামান নিকোবর
পর পর জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আন্দামান নিকোবর। আজ, মঙ্গলবার ...বিশদ

11:49:26 AM

পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সাইকেল র‌্যালি রাহুল গান্ধীর
পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ। দিল্লির রাজপথে সাইকেল র‌্যালিতে রাহুল গান্ধী। সঙ্গে ...বিশদ

11:38:35 AM