Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন। তাঁদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হল যে, এই সর্বমোট আর্থিক প্যাকেজের ভিতরে ‘ফিসকাল স্টিমুলাস’-এর অংশ জিডিপি-র মাত্র ০.৮ থেকে ১.৩ শতাংশ। বিস্তারিত ব্রেক-আপ-সহ আমি দেখিয়েছিলাম যে, টাকার অঙ্কে ফিসকাল স্টিমুলাসের মোট পরিমাণ ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা, যা জিডিপি-ব ০.৯১ শতাংশের সমান। আমার দেওয়া এই সংখ্যাতত্ত্ব সরকারেরও কোনও পদাধিকারী খারিজ করে দেননি।
আসল পাপ
আলোচনাটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আগে, কোভিড-১৯-এর আঘাত ভারতের অর্থনীতিতে যখন এসে পড়ল, তখনকার পরিস্থিতিটা আমি দেখাতে চাই। টানা সাতটি ত্রৈমাসিকে (কোয়ার্টার) আমরা দেখলাম জিডিপি-র হার নিম্নমুখী। ভারতের অর্থনীতিতে এই জিনিস এর আগে কখনও হয়নি। ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) কোভিড-১৯-কে বিশ্বব্যাপী মহামারী (প্যানডেমিক) ঘোষণা করল। অর্থনীতির শোচনীয় অবস্থার দিক থেকে আমাদের নজর সেদিকে ঘুরে গেল। সরকার এখন করোনা মহামারীকেই দুষবে, কিন্তু সত্যিটা হল, সরকারের বিভ্রান্তিকর নীতিগুলিই এই তীব্র আর্থিক সঙ্কটের মূল কারণ।
লকডাউনের প্রথম সিদ্ধান্তটি অনিবার্যই ছিল। কারণ, মার্চে করোনা ভাইরাসের দ্রুত সংক্রমণ আটকাতে একটিমাত্র ‘প্রতিষেধক’ আমাদের জানা ছিল—‘সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা’—যার মানে লকডাউন। বিকল্প কৌশল সামনে না-থাকায় সরকার একের পর এক লকডাউনে গিয়েছে। এই যে উপর্যুপরি লকডাউন হল, তাতে কী দেখলাম আমরা? একটি লকডাউন থেকে পরের লকডাউনে সুরাহা প্রাপ্তির পরিমাণ ক্রমশ কমে গিয়েছে—ইংরেজিতে যাকে বলে ডিমিনিশিং রিটার্নস। পাশাপাশি, এই ঘটনা থেকে মানুষের জন্য প্রকাণ্ড এক সঙ্কটও তৈরি হল।
প্রথম দফার লকডাউনের পর লাভালাভের বিচারে সরকার প্রমাণ করল যে তার প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ রয়েছে। প্রথম সুযোগে, তৃতীয় দফার লকডাউনের প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল টিভিতে উপস্থিত হওয়া থেকে নিজেকে বিরত করলেন, এবং চতুরভাবে দায়টা চালান করে দিলেন রাজ্য সরকারগুলির ঘাড়ে।
কিন্তু অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ যে রাজ্য সরকারগুলির হাতে নেই। কেন্দ্রীয় সরকার এখন যেন সার্বভৌম সম্রাটের মতো ক্ষমতা ভোগ করে। সরকারের যাবতীয় কর্তৃত্ব প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের (পিএমও) করতলগত। রাজ্যগুলির এমন অবস্থা করে দেওয়া হয়েছে যে, অর্থের প্রয়োজনে তারা কেন্দ্রের কাছে ভিক্ষাপাত্র নিয়ে হাজির হয়—আইনগত ও সাংবিধানিক অধিকারে প্রাপ্য অর্থের জন্যেও। লোক দেখানো ‘সহায়তা’র হাত প্রসারিত করেছে—ডিসকমদেরকে লিকুইডিটির (বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানিগুলিকে নগদের) সুবিধা দিয়ে, ঋণগ্রহণের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি করে—কিন্তু এসবেও এমন সব কঠিন পূর্বশর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে যে কোনও রাজ্য সরকারের পক্ষেই সেসব পূরণ করা সম্ভব হবে না, ফলে চলতি অর্থবর্ষে এই টাকার সুবিধাও নিতে পারবে না তারা।
ভয়াবহ মন্দা
মন্দার মতো ভয়ঙ্কর শব্দটির দিকে যা আমাদের ঠেলে দিল। গত ৪০ বছরে ভারতকে কখনওই নেগেটিভ জিডিপি গ্রোথ বা নেতিবাচক অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়নি। মোদি সরকারই এই পার্থক্যটি তৈরি করে দিল, যদিও সরকার এর দায়টা মহামারীর ঘাড়ে চাপিয়ে পার পেতে চাইবে, কিন্তু মোদি সরকারই হল আসল পাপী। ডিমানিটাইজেশনের মতো চরম দিন, ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর থেকে এই সরকার এত যে ভুলের পর ভুলের পাপ করেছে, তার সবকিছু মনে করার দরকার নেই।
মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চীন, ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স ও ব্রিটেন যে কৌশল বেছে নিয়েছিল, আমাদের প্রধানমন্ত্রী সেটাই অনুসরণ করলেন। প্রথমেই একটি লকডাউন। তারপর পরীক্ষা, অসুস্থ মানুষজনকে খুঁজে বের করা, চিহ্নিতদের আলাদাভাবে রাখা এবং সংক্রামিতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর কলেবর বৃদ্ধি করা হল। এই সমস্ত পদক্ষেপে মিশ্র ফললাভ হল। সিকিম রাজ্যে একজনেরও সংক্রমণ ধরা পড়ল না, অন্যদিকে, মোট সংক্রমণের ৩৫ শতাংশ দেখা গেল মহারাষ্ট্রে। এর থেকে পরিষ্কার যে, এই ভাইরাস কোনও সীমানির্দিষ্ট পথ ধরে এগোয় না এবং এটা যেসব কারণে ছড়িয়ে পড়ে তার অনেকগুলিই এখনও অজানা।
তবুও মহামারীর অর্থনৈতিক পরিণাম ঠেকাতে বেশিরভাগ দেশ যে-পথ বেছে নিয়েছে, নরেন্দ্র মোদি তা অনুসরণ করার সুযোগ নেননি। প্রায় সমস্ত অর্থনীতিবিদ এই ব্যাপারে যে মডেলের পক্ষে সওয়াল করেছেন, তা হল ‘ফিসকাল স্টিমুলাস’। যার একটাই মানে: আরও ব্যয় করো। ২০২০-২১ সালের জন্য ব্যয়ের বাজেট বরাদ্দ ছিল ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা। যে অর্থনীতির ক্রমশ অবনতি ঘটছে, সেটার জন্য এই অঙ্কটি যথেষ্ট ছিল কি না, তা এক তর্কসাপেক্ষ প্রশ্ন, কিন্তু যে অর্থনীতি ভীমরবে শূন্যের নীচে নেমে আসছে, কোনও সংশয় নেই যে অঙ্কটি তার জন্য মোটেই যথেষ্ট হবে না।
আমাদের দরকার নতুন বাজেট। গত ১ ফেব্রুয়ারি যে অনুমান করা হয়েছিল সেটা আজ আর প্রাসঙ্গিক নেই। আগামী ১ জুন সরকারকে অবশ্যই নতুন বাজেট পেশ করতে হবে। সেখানে ব্যয়ের অঙ্কটি অবশ্য করে ৪০ লক্ষ কোটি টাকা রাখতে হবে। বর্তমান সূত্রে রাজস্ব (কর, কর-বহির্ভূত এবং মূলধনী সংগ্রহ) সংগ্রহের পরিমাণটি ১৮ লক্ষ কোটি টাকা হতে পারে। বাকিটার জন্য আমরা অবশ্যই ঋণ নেব। ঋণগ্রহণের বাজেট এস্টিমেটটা ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়ে যাবে ২২ লক্ষ কোটি টাকা।
শেষ সুযোগ
বছরটা যেভাবে গড়াচ্ছে, যদি তাতে ঋণগ্রহণ বা রাজকোষ ঘাটতির স্তর একটা অস্বস্তিকর অবস্থায় পৌঁছয়, তবে তার পরিণাম অন্যরকম হতে পারে—তখন রাজকোষ ঘাটতির একটি অংশকে মুদ্রাকরণে (মানিটাইজ) রূপান্তরিত করতে আমরা কোনওমতে দ্বিধা করব না—সোজা কথায় টাকা ছাপাব। ২০০৮/২০০৯ সালে অনেক দেশই এই পথে হেঁটেছিল এবং তার ফলে তাদের অর্থনীতি গভীর ও দীর্ঘমেয়াদি মন্দার হাত থেকে বেঁচে গিয়েছিল।
বিকল্পটি চিন্তা করতেও ভীষণ ভয় হয়। মন্দার অর্থ—ব্যাপক আকারে বেকারত্ব (বেকারত্বের হার ইতিমধ্যেই ২৪ শতাংশ), চাকরিপ্রার্থী যুবক-যুবতীদের কাজ পাওয়ার জন্যে দীর্ঘদিন অপেক্ষায় থাকতে হবে, শ্রমিক কর্মচারীদের মজুরি বা বেতন এবং আয় কমে যাবে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বা উপভোগ কমে যাবে, বেড়ে যাবে রোগভোগ বা রুগ্নতা এবং দারিদ্র্য।
২০২০-তে ভারতের যে ভাবমূর্তি গড়ে উঠবে তা হল—পরিযায়ী শ্রমিক—একজন কঠোর পরিশ্রমী মানুষ যিনি নিজের এবং একটি পরিবারের ভার বহন করেন। দারিদ্র্যসীমার ঠিক উপরেই তাঁর অবস্থান। এই মানুষটিকে হঠাৎ এমন নীচে নামিয়ে দেওয়া হল, যেখানে তাঁর চাকরিটা চলে গিয়েছে, হাতে-গাঁটে কোনও টাকাকড়ি নেই, মাথাগোঁজার মতো ঠাঁই নেই, নেই খিদে পেটের খাবারটুকুও। এই মানুষটিকেই বাধ্য করা হল কয়েকশো কিলোমিটার পথ হাঁটতে। কখনও আবার তিনি একা নন—সঙ্গে রয়েছে বাচ্চারা। তখন ‘ঘরে’ ফিরে যাওয়ার জন্যই মরিয়া তিনি—এমন মরিয়া যে হয়তো ঘরে ফেরার অর্থ শুধু মৃত্যুকেই বরণ করে নেওয়া।
মোদি সরকারের সামনে শেষ সুযোগটাই অবশিষ্ট। এই সরকার তার ‘উটপাখি’ নাম্নী ঘোড়ার পিঠ থেকে অবশ্যই এবার নামবে এবং ব্যয়, ঋণগ্রহণ ও মুদ্রাকরণে মন দেবে। অন্যথায়, ভারতের অর্থনীতিকে এক দশক পিছিয়ে দেওয়ার কারণে মানুষ এই মোদি সরকারকে কোনও দিন ভুলবে না বা ক্ষমা করবে না।
 লেখক: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী 
25th  May, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা ‘প্রফেশনাল আয়ুর্বেদাচার্য’ বা বিএএমএস পরীক্ষা ৩১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট।   ...

নিউ ইয়র্ক: হাতে ‘বয়কট চীন’ প্ল্যাকার্ড। মুখে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বয়কটের ডাক। শনিবার নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে জমায়েত হয়ে চীনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন ভারতীয় ...

সংবাদদাতা, কান্দি: শনিবার সকালে ফরাক্কা-হলদিয়া বাদশাহী সড়কের বড়ঞা থানার করালীতলার কাছে একটি কুকুরকে বাঁচাতে গিয়ে বাইক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে জখম হলেন এক ব্যক্তি।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর কোভিড-১৯ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আপাতত এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে সিএবি।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২০/৪২ দিবা ১/১৭। জ্যেষ্ঠা ৪৭/৫০ রাত্রি ১২/৮। সূর্যোদয় ৫/০/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/২২। অমৃতযোগ দিবা ১২/২৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৫২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩/৩৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২০ গতে ১১/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে। 
১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী দিবা ১২/৫০। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ১২/২৭। সূযোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/২ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
১১ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এটিকে-এমবির বোর্ডে সৌরভ 
জল্পনা ছিলই। শেষ পর্যন্ত বিস্তর আলোচনার পর এটিকে-এমবি প্রাইভেট লিমিটেডের ...বিশদ

10:33:05 AM

আগামীকাল কুলতলিতে বনধ ডাকল এসইউসিআই 
দলের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সুধাংশু জানাকে খুন ও মৈপীঠ অঞ্চলে ...বিশদ

10:26:59 AM

বড়বাজারে একটি বাড়িতে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ২টি ইঞ্জিন 

10:15:04 AM

দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত প্রায় ২৫ হাজার 
প্রতিদিনই সংক্রমণের নিরিখে রেকর্ড গড়ছে দেশ। এবার প্রায় ২৫ হাজার ...বিশদ

10:12:55 AM

কলকাতা হাইকোর্ট: কাল থেকে নিজের ঝুঁকিতে সশরীরে শুনানি করা যাবে 
মামলাকারী বা তাঁর আইনজীবী নিজের ঝুঁকিতে আগামী ৬ জুলাই থেকে ...বিশদ

09:05:28 AM

করোনায় আক্রান্ত সিএবি কর্মী 
করোনা আতঙ্ক এবার সিএবি’তে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর ...বিশদ

08:45:00 AM