Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা। কিন্তু এবার বিপদ আরও ভয়ঙ্কর। একই সঙ্গে নেমে এসেছে জোড়া আঘাত। বিশ্বজোড়া মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়। দু’মাসের টানা লকডাউনে যখন মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়, তখনই ধেয়ে এসেছে বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় উম-পুন। প্রবল ঝড়ে খোদ কলকাতা সহ সাতটি জেলা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত। বসিরহাট, সাগরদ্বীপে স্থল বলে আর বিশেষ কিছু অবশিষ্ট নেই। জল নেই, বিদ্যুৎ নেই, ঘরবাড়ি হারিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ বিপন্ন, অসহায়। দেশভাগ, ছিয়াত্তরের মন্বন্তর, ফিবছর বর্ষায় মারণ প্লাবন, রাজনীতির আকচা আকচি, সংকীর্ণ স্বার্থ সব ছাপিয়ে আবার নিজেকে নতুন উদ্যমে গড়ে তোলার লড়াই এই মুহূর্তে বাংলার একমাত্র ধ্রুবপদ। সেই শপথেই বুক বাঁধতে হবে সরকার-বিরোধী, শত্রু-মিত্র সবাইকে। ভরসা আমাদের, এবারের এই কঠিন লড়াইয়ের নেতৃত্বে রয়েছেন স্বয়ং বাংলার অবিসংবাদিত জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শুক্রবারই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেলিকপ্টারে প্রধানমন্ত্রীকে রাজ্যের বিস্তীর্ণ দুর্গত এলাকা ঘুরিয়ে দেখিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীও ভয়ঙ্কর অবস্থা নিজের চোখে দেখে রাজ্যের জন্য ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন। বাংলার এই দুর্দিনে জানিয়েছেন সমবেদনা। কিন্তু ওইটুকু অর্থে কী হবে? মুখ্যমন্ত্রী নিজেই হিসেব দিয়েছেন, ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকার। এক হাজার কোটি টাকা তো সেখানে নস্যি। তার উপর রাজ্যের প্রাপ্য ৫৩ হাজার কোটি টাকা এখনও মেটায়নি কেন্দ্র। করোনা মোকাবিলার জন্যও মেলেনি আলাদা কোনও সাহায্য। বুলবুলের ক্ষতিপূরণ পেতে রাজ্যকে কতটা নাকাল হতে হয়েছে, তা তো রাজ্যবাসীর অজানা নয়। কিন্তু এবার চ্যালেঞ্জটা অনেক বড়। এই দুর্দিনেও কেন্দ্র যদি মুখে এক আর কাজে আর এক করে, তবে মানুষ ক্ষমা করবে না, কেন্দ্রের সরকার বাহাদুর যেন তা মনে রাখেন। আর ক্ষুদ্র, সংকীর্ণ রাজনীতির শিকার বাংলা তো গত একশো বছরে বারবার হয়েছে, কিন্তু কোনও কিছুই তার অদম্য গতিকে রোধ করতে পারেনি। এবারও পারবে না।
অথচ এত বড় বিপদ যে দরজায় কড়া নাড়ছে, তা কয়েকমাস আগে আমাদের কল্পনাতেও ছিল না। গোটা একটা বছর যে এভাবে সর্বনাশে ডুবে যাবে, তা মার্চ মাসের গোড়াতেও আঁচ করা যায়নি। করোনা নামটা যেমন ৬-৭ মাস আগেও মানুষের কাছে অজানা-অচেনা ছিল, তেমনি ‘উম-পুন’এর কথা তো দু’দিন আগেও কেউ শোনেনি। শক্তিশালী ঝড় হয়তো আগেও হয়েছে, প্রাণহানি, ক্ষয়ক্ষতি, সব হারানোর কান্না আগেও বহু মানুষের দু’চোখের পাতা এক করতে দেয়নি। একেবারে শূন্যতে টেনে নামিয়েছে শতশত পরিবারকে। আইলা, ফণী, বুলবুলের ভয়ঙ্কর আঘাত এখনও হয়তো দুঃস্বপ্নের ভয়াল স্মৃতি হয়েই চেপে বসে আছে, কিন্তু বিশ্বব্যাপী মহামারীর মধ্যেই সর্বনাশী সাইক্লোন যে এভাবে দুমড়ে মুচড়ে দেবে পশ্চিমবঙ্গের একের পর এক জেলাকে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। সকাল থেকে রাত, এতটা সময় ধরে এমন মারণ ধ্বংসলীলা সুন্দরবন, হিঙ্গলগঞ্জ, পাথরপ্রতিমা সহ রাজ্যের বিশাল অংশের মানুষ আগে দেখেছে বলেও মনে করতে পারছেন না। বুধবার দুপুর থেকে রাত, টানা প্রায় ৬-৭ ঘণ্টা যেন দাপিয়ে বেড়াল ‘উম-পুন’ নামক হঠাৎ জেগে ওঠা সুপার সাইক্লোনের স্বার্থপর দৈত্য। সঙ্গে ব্যাপক বৃষ্টি। উথাল পাতাল বড় বড় গাছ গাছালি। ঠিক যেন বিরামহীনভাবে কোনও চাপা আক্রোশে বারবার ঝাঁপিয়ে পড়ে সবকিছুকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার উন্মত্ত বাসনাকে চরিতার্থ করার চেষ্টা প্রকৃতির। উত্তাল সমুদ্রের মতো কোথাও সর্বোচ্চ দেড়শো তো কোথাও ১৩০ কিলোমিটার বেগে একের পর এক ঝড়ের ঢেউ ধেয়ে আসছে। যার অভিঘাতে হাজারে হাজারে কাঁচা বাড়ি ধূলিসাৎ। খোদ কলকাতার বুকেও হাজারের বেশি পাকা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত। পাকা বাড়ির কার্নিশ ভেঙে, দরজা জানলা উড়ে গিয়ে, বড় বড় গাছ পড়ে তছনছ অবস্থা। বিদ্যুৎ নেই, জল নেই, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। প্রাণান্তকর অবস্থা।
টানা লকডাউনে রাজ্যবাসীর এমনিতেই মনোবল তলানিতে। কাজ নেই, ব্যবসা নেই, চাকরিও থাকবে কি না অনিশ্চিত। স্কুল কলেজ দু’মাসের উপর বন্ধ। চারদিকে শুধু স্বপ্নভঙ্গের বেদনা। চাপা দীর্ঘশ্বাস। অ্যাকাডেমিক ক্যলেন্ডার বিপর্যস্ত। মে মাস শেষ হতে চললেও দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা শেষ হয়নি। জয়েন্ট পরীক্ষা পিছিয়ে জুনে। অন্যবার এই সময় ভর্তি শুরু হয়ে যায়। নতুন বই, নতুন পড়াশোনায় বুক বাঁধে ছেলেমেয়েরা। এবার সব শিকেয়। রং হারিয়ে সব কেমন যেন বিবর্ণ, ধূসর। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষা ব্যবস্থা। শহরে অনলাইন ক্লাস শুরু হয়েছে। কিন্তু বাংলার গরিব গ্রামে, যেখানে ছেলেমেয়েদের স্কুলে এখনও বসতে দেওয়ার ব্যবস্থাটুকুই নেই, সেখানে ডিজিটাল শিক্ষার স্বপ্ন কি অলীক কল্পনা নয়!
কিন্তু বিধ্বস্ত হলেও অসহায়ভাবে হাল ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। বিশেষত আমাদের বাংলার অবিসংবাদী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ন’বছর শুধু অদম্য সাহস, নাছোড়বান্দা উদ্যম আর আপসহীন মাথা উঁচু করে চলার মানসিক জোরকে সম্বল করেই মা-মাটি-মানুষের নেত্রী কেন্দ্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন। বাংলাকে একের পর এক বিপদ থেকে উদ্ধার করেছে তাঁর হার না মানা জেদ। গত ৬ বছর কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারের সঙ্গে কার্যত সম্মুখ সমর চলছে বাংলার জননেত্রীর। মোদির দল যেনতেন অশান্তি, অস্থিরতা তৈরি করে রাজ্যকে টালমাটাল করতে মরিয়া। রাজ্য বিজেপির সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত করছেন মহামান্য রাজ্যপালও। মহামারীর ভয়ঙ্কর দিনে সেই অসহযোগিতার চূড়ান্ত ক্লাইম্যাক্স দেখেছে রাজ্যবাসী। করোনা মোকাবিলায় রাজ্যকে অর্থসাহায্য তো দূরস্থান, কখনও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পাঠিয়ে, আবার কখনও রাজ্যের দেওয়া যাবতীয় তথ্যকে উপহাস করে বিজেপির নেতারা মমতার নেতৃত্বাধীন বাংলার সরকারের ভাবমূর্তিকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছে। অথচ জিএসটির প্রাপ্য টাকা পেলেই করোনা মোকালিায় আরও ফলপ্রসূ ভূমিকা নিতে পারত মমতার সরকার। তা না করে দিল্লি থেকে এই দুঃসময়ে রাজ্য সরকারকে বারবার হতোদ্যম করার পথই বেছে নেওয়া হল। কেন্দ্রের মন্ত্রী-সান্ত্রীরা পর্যন্ত যা খুশি বলছেন। সরকার করোনা নিয়ে ভুল তথ্য দিচ্ছে বলেও তারা অন্যায় তোপ দাগছে। যেন গোটা কেন্দ্রীয় সরকারের একটাই কাজ মমতার সরকারের ব্যর্থতাকে যে কোনওমূল্যে সামনে আনা ও জনগণের সামনে তা তুলে ধরা। কিন্তু এই ভয়ঙ্কর সময়েও কি রাজনীতিই সব। এ রাজ্যের বিরোধী শক্তির কি আর কোনওদিন চেতনা হবে না। এটা ভোটের সময় নয়। এই বিপদের সময় সঙ্কীর্ণ লাভ ক্ষতি ভুলে সবাইকে রাজ্যের হিতে ঝাঁপিয়ে পড়তে হয়, এটাই সংসদীয় রাজনীতির শিক্ষা। এমন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যে যাবতীয় বিভেদ ভুলে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের উচিত ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা। আর অগ্নিকন্যা মমতা যতদিন আছেন এই বাংলার ক্ষতি করা মোটেও খুব সহজ হবে না। করোনা মোকাবিলায় তিনি যেমন রাস্তায় নেমে মানুষকে সচেতন করেছেন, ঠিক তেমনি বুধবার যখন সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো একের পর এক প্রলয়ঙ্কর ঝড়ের দাপটে সাগরদ্বীপ, কলকাতা সহ একের পর এক জেলা ক্ষতিগ্রস্ত নেত্রী তখন কন্ট্রোল রুম সামলাচ্ছেন। অফিসারদের নির্দেশ দিচ্ছেন। মানুষের দুর্দশায় কাতর হচ্ছেন। এমন আঘাত গত একশো বছরে একসঙ্গে এই রাজ্যের উপর আগে কখনও নেমে আসেনি। আর বিপদের দিনে মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে শুধু আগামী বছর বিধানসভা ভোটে ক্ষমতা দখলের খেলা খেললে তো চলবে না। এখন তাই কী সরকার পক্ষ, আর কী বিরোধী পক্ষ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। শুধু ছিদ্র খুঁজলে, আর ভাষণ দিলে চলবে না। গঠনমূলক কিছু করার চেষ্টা করুন।
এ লড়াই কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের একার নয়, গোটা বাংলার। বাংলার প্রতিটি মানুষের। তাই সবাইকে একযোগে পুনর্গঠনের কাজ করতে হবে। সবশেষে বলি, কাজ করলেই ভুল হয়। কিন্তু যে কোনও সঙ্কটকে একেবারে সামনে থেকে মুখোমুখি মোকাবিলা করায় এখনও এই বাংলায় বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর কোনও বিকল্প নেই। রাজ্যের প্রতিটি মানুষ জানে, বাংলার অগ্নিকন্যাই একমাত্র মেলাতে পারবেন ‘ঝোড়ো হাওয়া আর পোড়ো বাড়ির দরজাটাকে’। তাঁর অসম সাহসে ভর করে মহামারী ও মহাপ্রলয় কাটিয়ে বাংলা আবার দ্রুত ঘুরে দাঁড়াবেই। জয় হবে মানুষের।
24th  May, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
নয়া নীতিতে শিক্ষা
আমাদের ‘বাহন’ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

নরেন্দ্র মোদি সরকার নয়া শিক্ষানীতি ঘোষণা করার পর দিকে দিকে কেমন একটা হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। বিষয়ে নতুনত্ব আছে। আর তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। সরকারি স্কুলে প্লে-গ্রুপ ও কিন্ডারগার্টেন, ১০+২ এর ধারণা পিছনে ফেলে ফুটবলের মতো ৫+৩+৩+৪ ছকে স্কুলশিক্ষাকে সাজানো এবং সায়েন্স, আর্টস, কমার্স উঠে যাওয়া... নড়েচড়ে বসার মতো পরিস্থিতি বটে।
বিশদ

04th  August, 2020
রাজ্য-রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র
সোমেন মিত্রের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত 
প্রবীর ঘোষাল

২০০০ সালের মার্চ মাস। রাজ্য কংগ্রেস রাজনীতিতে ঘোর সঙ্কট। দু’বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করে ঝড় তুলে দিয়েছেন। দু’-দু’টি লোকসভা নির্বাচনে জোড়াফুলের সাফল্য গোটা দেশকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই সময় এল পশ্চিমঙ্গে রাজ্যসভা নির্বাচন।  
বিশদ

03rd  August, 2020
করুণ কাহিনীতে কোনও ‘সমাপ্ত’ হয় না 
পি চিদম্বরম

গত বছরের ৫ আগস্ট ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়। তারপর থেকে লিখিত আদেশ ছাড়াই জম্মু ও কাশ্মীরের অনেক ব্যক্তিকে ‘গৃহবন্দি’ করা হয়েছে। এরকমই একজন গৃহবন্দি রাজনৈতিক নেতা বলেন যে, ‘জম্মু ও কাশ্মীর একটা বিরাট বন্দিশালা’। 
বিশদ

03rd  August, 2020
৫ আগস্ট ও নরেন্দ্র
মোদির ভোট অঙ্ক
হিমাংশু সিংহ 

২৯ বছর আগে ছবিটা তুলেছিলেন মহেন্দ্র ত্রিপাঠি। করোনা আবহে সেই ছবিই গোটা দেশে আজ হঠাৎ ভাইরাল। মহেন্দ্র পেশায় শখের ফটোগ্রাফার। ছোট্ট একটা স্টুডিও আছে অযোধ্যার প্রস্তাবিত রামমন্দির চত্বরের কাছেই।   বিশদ

02nd  August, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

01st  August, 2020
বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা।   বিশদ

30th  July, 2020
মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না।   বিশদ

29th  July, 2020
পাঁপড়ভাজা খেলে ভ্যাকসিন
বানানোর দরকারটা কী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফিদেল কাস্ত্রোর ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছেন এক সাংবাদিক। শুরুতেই কাস্ত্রো পাল্টা একটা প্রশ্ন ছুঁড়লেন... ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা পড়েছেন? ফিনিশ লেখক না?... দারুণ লেখা কিন্তু।’ মার্কিনিদের জীবনযাত্রা ছিল ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা’র বিষয়বস্তু।   বিশদ

28th  July, 2020
একনজরে
ভিসা ও অন্যান্য নথির মেয়াদ ফুরনোয় সৌদি আরবে এখন জেলবন্দি রয়েছেন প্রায় ৪৫০ জন ভারতীয়। তার মধ্যে অনেকেই এই বাংলার আদি বাসিন্দা। ...

তুফানগঞ্জ পুরসভা তহবিলের অভাবে উন্নয়নমূলক কোনও কাজ করতে পারছে না। করোনা পরিস্থিতিতে মার্চ মাসের শেষসপ্তাহে লকডাউন শুরু হতেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে।  ...

মাসে ১৫ হাজার টাকা ভাতা। সঙ্গে থাকা-খাওয়া ফ্রি। তবে, এই কাজের যোগ্যতার মাপকাঠি একটু অন্যরকম। শুধুমাত্র করোনা জয়ী হলেই মিলবে সুযোগ। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে কাজ হারানো মানুষের সংখ্যা বিপুল। তাই এমন অফার পেয়ে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য লাইন পড়ে যাওয়ার ...

অযোধ্যার রেশ এসে পড়ল রাজারহাটের নারায়ণপুরে। রামপুজোর প্রস্তুতি ঘিরে অশান্তির ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল এলাকা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ যোগ। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

হিরোশিমা দিবস
১৮৬৫ - চার্লি চ্যাপলিনের মা তথা ইংরেজ অভিনেত্রী, গায়িকা ও নৃত্যশিল্পী হান্নাহ চ্যাপলিনের জন্ম
১৮৮১- পেনিসিলিনের আবিষ্কারক ফ্লেমিংয়ের জন্ম
১৯০৫- দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস প্রকাশ করলেন বন্দে মাতরম পত্রিকা
১৯০৬ - বিপিনচন্দ্র পালের সম্পাদনায় বন্দে মাতরম্ (সংবাদপত্র) প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৯১৪ - কলকাতা থেকে দৈনিক বসুমতী প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৯২৫ - বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী স্যার সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৪৫-হিরোশিমায় পরমাণু বোমা ফেলল আমেরিকা



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.১৪ টাকা ৭৫.৮৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৪৬ টাকা ৯৯.৮৭ টাকা
ইউরো ৮৭.০৪ টাকা ৯০.২০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৪,৬৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫১,৮৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫২,৬৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৫,০৮০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৫,১৮০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২১ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২০, তৃতীয়া ৪৭/৩৪ রাত্রি ১২/১৫। শতভিষানক্ষত্র ১৫/১১ দিবা ১১/১৮। সূর্যোদয় ৫/১৩/৪৮, সূর্যাস্ত ৬/১১/৬। অমৃতযোগ দিবা ১২/৪৮ গতে ৩/১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ১০/২৪ গতে ১২/৫৯ মধ্যে। বারবেলা ২/৫৭ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৫ মধ্যে।
২১ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২০, তৃতীয়া রাত্রি ১১/২। শতভিষানক্ষত্র দিবা ১১/২১। সূর্যোদয় ৫/১৩, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ১০/২৩ গতে ১২/৫৫ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৯ গতে ৬/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৪৩ গতে ১/৬ মধ্যে।
১৫ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কর্ণাটকে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৬১৯ 
কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৬১৯ ...বিশদ

05-08-2020 - 08:48:12 PM

২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত ৬১ জন
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২,৮১৬ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

05-08-2020 - 08:48:08 PM

মহারাষ্ট্রে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১০,৩০৯ 
মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৩০৯ ...বিশদ

05-08-2020 - 08:35:32 PM

নয়াদিল্লিতে আজ করোনায় আক্রান্ত আরও ১০৭৬  
নয়াদিল্লিতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১০৭৬ জন করোনা ...বিশদ

05-08-2020 - 07:03:13 PM

করোনা:কেরলে নতুন করে আক্রান্ত আরও ১১৯৫ 
কেরলে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১১৯৫ জনের শরীরে ...বিশদ

05-08-2020 - 06:56:34 PM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত? 
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

05-08-2020 - 03:36:02 PM