Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা। কিন্তু এবার বিপদ আরও ভয়ঙ্কর। একই সঙ্গে নেমে এসেছে জোড়া আঘাত। বিশ্বজোড়া মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়। দু’মাসের টানা লকডাউনে যখন মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়, তখনই ধেয়ে এসেছে বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় উম-পুন। প্রবল ঝড়ে খোদ কলকাতা সহ সাতটি জেলা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত। বসিরহাট, সাগরদ্বীপে স্থল বলে আর বিশেষ কিছু অবশিষ্ট নেই। জল নেই, বিদ্যুৎ নেই, ঘরবাড়ি হারিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ বিপন্ন, অসহায়। দেশভাগ, ছিয়াত্তরের মন্বন্তর, ফিবছর বর্ষায় মারণ প্লাবন, রাজনীতির আকচা আকচি, সংকীর্ণ স্বার্থ সব ছাপিয়ে আবার নিজেকে নতুন উদ্যমে গড়ে তোলার লড়াই এই মুহূর্তে বাংলার একমাত্র ধ্রুবপদ। সেই শপথেই বুক বাঁধতে হবে সরকার-বিরোধী, শত্রু-মিত্র সবাইকে। ভরসা আমাদের, এবারের এই কঠিন লড়াইয়ের নেতৃত্বে রয়েছেন স্বয়ং বাংলার অবিসংবাদিত জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শুক্রবারই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেলিকপ্টারে প্রধানমন্ত্রীকে রাজ্যের বিস্তীর্ণ দুর্গত এলাকা ঘুরিয়ে দেখিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীও ভয়ঙ্কর অবস্থা নিজের চোখে দেখে রাজ্যের জন্য ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন। বাংলার এই দুর্দিনে জানিয়েছেন সমবেদনা। কিন্তু ওইটুকু অর্থে কী হবে? মুখ্যমন্ত্রী নিজেই হিসেব দিয়েছেন, ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকার। এক হাজার কোটি টাকা তো সেখানে নস্যি। তার উপর রাজ্যের প্রাপ্য ৫৩ হাজার কোটি টাকা এখনও মেটায়নি কেন্দ্র। করোনা মোকাবিলার জন্যও মেলেনি আলাদা কোনও সাহায্য। বুলবুলের ক্ষতিপূরণ পেতে রাজ্যকে কতটা নাকাল হতে হয়েছে, তা তো রাজ্যবাসীর অজানা নয়। কিন্তু এবার চ্যালেঞ্জটা অনেক বড়। এই দুর্দিনেও কেন্দ্র যদি মুখে এক আর কাজে আর এক করে, তবে মানুষ ক্ষমা করবে না, কেন্দ্রের সরকার বাহাদুর যেন তা মনে রাখেন। আর ক্ষুদ্র, সংকীর্ণ রাজনীতির শিকার বাংলা তো গত একশো বছরে বারবার হয়েছে, কিন্তু কোনও কিছুই তার অদম্য গতিকে রোধ করতে পারেনি। এবারও পারবে না।
অথচ এত বড় বিপদ যে দরজায় কড়া নাড়ছে, তা কয়েকমাস আগে আমাদের কল্পনাতেও ছিল না। গোটা একটা বছর যে এভাবে সর্বনাশে ডুবে যাবে, তা মার্চ মাসের গোড়াতেও আঁচ করা যায়নি। করোনা নামটা যেমন ৬-৭ মাস আগেও মানুষের কাছে অজানা-অচেনা ছিল, তেমনি ‘উম-পুন’এর কথা তো দু’দিন আগেও কেউ শোনেনি। শক্তিশালী ঝড় হয়তো আগেও হয়েছে, প্রাণহানি, ক্ষয়ক্ষতি, সব হারানোর কান্না আগেও বহু মানুষের দু’চোখের পাতা এক করতে দেয়নি। একেবারে শূন্যতে টেনে নামিয়েছে শতশত পরিবারকে। আইলা, ফণী, বুলবুলের ভয়ঙ্কর আঘাত এখনও হয়তো দুঃস্বপ্নের ভয়াল স্মৃতি হয়েই চেপে বসে আছে, কিন্তু বিশ্বব্যাপী মহামারীর মধ্যেই সর্বনাশী সাইক্লোন যে এভাবে দুমড়ে মুচড়ে দেবে পশ্চিমবঙ্গের একের পর এক জেলাকে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। সকাল থেকে রাত, এতটা সময় ধরে এমন মারণ ধ্বংসলীলা সুন্দরবন, হিঙ্গলগঞ্জ, পাথরপ্রতিমা সহ রাজ্যের বিশাল অংশের মানুষ আগে দেখেছে বলেও মনে করতে পারছেন না। বুধবার দুপুর থেকে রাত, টানা প্রায় ৬-৭ ঘণ্টা যেন দাপিয়ে বেড়াল ‘উম-পুন’ নামক হঠাৎ জেগে ওঠা সুপার সাইক্লোনের স্বার্থপর দৈত্য। সঙ্গে ব্যাপক বৃষ্টি। উথাল পাতাল বড় বড় গাছ গাছালি। ঠিক যেন বিরামহীনভাবে কোনও চাপা আক্রোশে বারবার ঝাঁপিয়ে পড়ে সবকিছুকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার উন্মত্ত বাসনাকে চরিতার্থ করার চেষ্টা প্রকৃতির। উত্তাল সমুদ্রের মতো কোথাও সর্বোচ্চ দেড়শো তো কোথাও ১৩০ কিলোমিটার বেগে একের পর এক ঝড়ের ঢেউ ধেয়ে আসছে। যার অভিঘাতে হাজারে হাজারে কাঁচা বাড়ি ধূলিসাৎ। খোদ কলকাতার বুকেও হাজারের বেশি পাকা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত। পাকা বাড়ির কার্নিশ ভেঙে, দরজা জানলা উড়ে গিয়ে, বড় বড় গাছ পড়ে তছনছ অবস্থা। বিদ্যুৎ নেই, জল নেই, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। প্রাণান্তকর অবস্থা।
টানা লকডাউনে রাজ্যবাসীর এমনিতেই মনোবল তলানিতে। কাজ নেই, ব্যবসা নেই, চাকরিও থাকবে কি না অনিশ্চিত। স্কুল কলেজ দু’মাসের উপর বন্ধ। চারদিকে শুধু স্বপ্নভঙ্গের বেদনা। চাপা দীর্ঘশ্বাস। অ্যাকাডেমিক ক্যলেন্ডার বিপর্যস্ত। মে মাস শেষ হতে চললেও দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা শেষ হয়নি। জয়েন্ট পরীক্ষা পিছিয়ে জুনে। অন্যবার এই সময় ভর্তি শুরু হয়ে যায়। নতুন বই, নতুন পড়াশোনায় বুক বাঁধে ছেলেমেয়েরা। এবার সব শিকেয়। রং হারিয়ে সব কেমন যেন বিবর্ণ, ধূসর। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষা ব্যবস্থা। শহরে অনলাইন ক্লাস শুরু হয়েছে। কিন্তু বাংলার গরিব গ্রামে, যেখানে ছেলেমেয়েদের স্কুলে এখনও বসতে দেওয়ার ব্যবস্থাটুকুই নেই, সেখানে ডিজিটাল শিক্ষার স্বপ্ন কি অলীক কল্পনা নয়!
কিন্তু বিধ্বস্ত হলেও অসহায়ভাবে হাল ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। বিশেষত আমাদের বাংলার অবিসংবাদী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ন’বছর শুধু অদম্য সাহস, নাছোড়বান্দা উদ্যম আর আপসহীন মাথা উঁচু করে চলার মানসিক জোরকে সম্বল করেই মা-মাটি-মানুষের নেত্রী কেন্দ্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন। বাংলাকে একের পর এক বিপদ থেকে উদ্ধার করেছে তাঁর হার না মানা জেদ। গত ৬ বছর কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারের সঙ্গে কার্যত সম্মুখ সমর চলছে বাংলার জননেত্রীর। মোদির দল যেনতেন অশান্তি, অস্থিরতা তৈরি করে রাজ্যকে টালমাটাল করতে মরিয়া। রাজ্য বিজেপির সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত করছেন মহামান্য রাজ্যপালও। মহামারীর ভয়ঙ্কর দিনে সেই অসহযোগিতার চূড়ান্ত ক্লাইম্যাক্স দেখেছে রাজ্যবাসী। করোনা মোকাবিলায় রাজ্যকে অর্থসাহায্য তো দূরস্থান, কখনও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পাঠিয়ে, আবার কখনও রাজ্যের দেওয়া যাবতীয় তথ্যকে উপহাস করে বিজেপির নেতারা মমতার নেতৃত্বাধীন বাংলার সরকারের ভাবমূর্তিকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছে। অথচ জিএসটির প্রাপ্য টাকা পেলেই করোনা মোকালিায় আরও ফলপ্রসূ ভূমিকা নিতে পারত মমতার সরকার। তা না করে দিল্লি থেকে এই দুঃসময়ে রাজ্য সরকারকে বারবার হতোদ্যম করার পথই বেছে নেওয়া হল। কেন্দ্রের মন্ত্রী-সান্ত্রীরা পর্যন্ত যা খুশি বলছেন। সরকার করোনা নিয়ে ভুল তথ্য দিচ্ছে বলেও তারা অন্যায় তোপ দাগছে। যেন গোটা কেন্দ্রীয় সরকারের একটাই কাজ মমতার সরকারের ব্যর্থতাকে যে কোনওমূল্যে সামনে আনা ও জনগণের সামনে তা তুলে ধরা। কিন্তু এই ভয়ঙ্কর সময়েও কি রাজনীতিই সব। এ রাজ্যের বিরোধী শক্তির কি আর কোনওদিন চেতনা হবে না। এটা ভোটের সময় নয়। এই বিপদের সময় সঙ্কীর্ণ লাভ ক্ষতি ভুলে সবাইকে রাজ্যের হিতে ঝাঁপিয়ে পড়তে হয়, এটাই সংসদীয় রাজনীতির শিক্ষা। এমন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যে যাবতীয় বিভেদ ভুলে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের উচিত ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা। আর অগ্নিকন্যা মমতা যতদিন আছেন এই বাংলার ক্ষতি করা মোটেও খুব সহজ হবে না। করোনা মোকাবিলায় তিনি যেমন রাস্তায় নেমে মানুষকে সচেতন করেছেন, ঠিক তেমনি বুধবার যখন সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো একের পর এক প্রলয়ঙ্কর ঝড়ের দাপটে সাগরদ্বীপ, কলকাতা সহ একের পর এক জেলা ক্ষতিগ্রস্ত নেত্রী তখন কন্ট্রোল রুম সামলাচ্ছেন। অফিসারদের নির্দেশ দিচ্ছেন। মানুষের দুর্দশায় কাতর হচ্ছেন। এমন আঘাত গত একশো বছরে একসঙ্গে এই রাজ্যের উপর আগে কখনও নেমে আসেনি। আর বিপদের দিনে মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে শুধু আগামী বছর বিধানসভা ভোটে ক্ষমতা দখলের খেলা খেললে তো চলবে না। এখন তাই কী সরকার পক্ষ, আর কী বিরোধী পক্ষ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। শুধু ছিদ্র খুঁজলে, আর ভাষণ দিলে চলবে না। গঠনমূলক কিছু করার চেষ্টা করুন।
এ লড়াই কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের একার নয়, গোটা বাংলার। বাংলার প্রতিটি মানুষের। তাই সবাইকে একযোগে পুনর্গঠনের কাজ করতে হবে। সবশেষে বলি, কাজ করলেই ভুল হয়। কিন্তু যে কোনও সঙ্কটকে একেবারে সামনে থেকে মুখোমুখি মোকাবিলা করায় এখনও এই বাংলায় বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর কোনও বিকল্প নেই। রাজ্যের প্রতিটি মানুষ জানে, বাংলার অগ্নিকন্যাই একমাত্র মেলাতে পারবেন ‘ঝোড়ো হাওয়া আর পোড়ো বাড়ির দরজাটাকে’। তাঁর অসম সাহসে ভর করে মহামারী ও মহাপ্রলয় কাটিয়ে বাংলা আবার দ্রুত ঘুরে দাঁড়াবেই। জয় হবে মানুষের।
24th  May, 2020
কুকথায় হাততালি জুটলেও
দূরে সরে যায় মানুষ 
তন্ময় মল্লিক

রুটি সেঁকার জন্য তাওয়া গরম করতে হয়। আবার সেই তাওয়া বেশি তেতে গেলে রুটি যায় পুড়ে। তখন খাবারের থালার বদলে রুটির জায়গা হয় ডাস্টবিনে। রাজনীতিতেও তেমনটাই। কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য নেতারা গরম গরম ভাষণ দেন। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়।  
বিশদ

বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

18th  September, 2020
‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
 সত্যিটা দেখলাম না... দেখানো হল না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এতকিছুর পরও আমেরিকার অর্থনীতি ধাক্কা খেল না। ট্রাম্প বুঝেছিলেন, ব্যবসাটা তিনি জানেন। করোনা ভাইরাসকে নয়। কাজেই শক্তিশালী অর্থনীতিকে বসিয়ে দেওয়ার মানে হয় না। করোনা আজ না হয় কাল কমবে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বছর লেগে যাবে। বিশদ

15th  September, 2020
ফেসবুক দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়ালে কার লাভ হয়?

২০১৯। সাধারণ নির্বাচনের আগে একটি কাগজের হেডলাইন ছিল ‘গুগল কি ভারতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে?’ খবরটা বেরনোমাত্রই ‘গুগল’ অস্বীকার করেছিল। কিন্তু অন্যকিছু সংস্থা টের পায়, গুগলে যেভাবে প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই তথ্য একটু সংশ্লেষণ করলে দ্বিধান্বিত ভোটারদের সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব।
বিশদ

15th  September, 2020
দমনমূলক ফেডারালিজম চলছে
পি চিদম্বরম

এটা পরিষ্কার যে মোদি সরকার এবার তার বিপুল গরিষ্ঠতাকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলির মতামতের কোনও তোয়াক্কা করবে না। ইচ্ছেমতো সংশোধনী পাশ করিয়ে নেবে। ফেডারালজিমকে আরেকটি ধাক্কা দেবে। ‘এক জাতি, এক সবকিছু’ পরিণামে ‘এক জাতি’কে ধ্বংস করে ছাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে
স্কুলশিক্ষার সর্বনাশ হবে
প্রদীপকুমার দত্ত

 সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করে শিক্ষাকে সব মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা বরাদ্দের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এই শিক্ষানীতিতে নেই। বরং এই শিক্ষানীতি শিক্ষার বেসরকারিকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
সন্তোষকুমার ঘোষ: অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, প্রচণ্ড
ক্ষমতাবান সাহিত্যিক ও যুগান্তকারী সাংবাদিক
বরুণ সেনগুপ্ত

খবরের কাগজ সাধারণ মানুষের জন্য। তাই সাধারণ মানুষ যেসব খবরে আগ্রহী সেইগুলিই বেশি করে লেখা উচিত। অথবা যেমন, খবরের কাগজে যা লেখার তা সোজাসুজি লেখা উচিত। ‘এটাও হয় ওটাও হয়’ গোছের ব্যাপার নয়। এই জিনিসগুলি হাতেকলমে শিখেছি সন্তোষকুমার ঘোষের কাছে।
বিশদ

13th  September, 2020
সিবিআইয়ের বন্দিদশা কাটবে কবে?
হিমাংশু সিংহ

 সুশান্তের মৃত্যু হয় ১৪ জুন। আর আজ ১৩ সেপ্টেম্বর। তাঁর আকস্মিক চলে যাওয়ার পর ঠিক তিন মাস অতিক্রান্ত। প্রতিভাবান অভিনেতার মৃত্যু রহস্যের তদন্তে কোথাকার জল কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তার তল খুঁজে পাচ্ছেন না তুখোড় সিবিআই গোয়েন্দারাও। কিংবা বলা ভালো, সত্যি তল খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে কি?
বিশদ

13th  September, 2020
কঠোর আইন অপেক্ষা জরুরি
সন্তানের মূল্যবোধ তৈরি
তন্ময় মল্লিক

বাবা, মায়ের সুরক্ষার জন্য সরকারকে আনতে হচ্ছে আরও কঠোর বিল। যে কাজ করে সন্তানের ধন্য হওয়ার কথা, তা পালনের জন্য দেখাতে হচ্ছে জেলের ঘানি টানার ভয়। এ বড়ই দুর্ভাগ্য। লজ্জাও বোধহয় এদের দেখে লজ্জায় মুখ লুকায়!
বিশদ

12th  September, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মেডিক্যাল পরীক্ষা এবং পুলিস ভেরিফিকেশন না হওয়ায় বহু শিক্ষকের চাকরি পাকা হয়নি। অথচ চাকরি পাওয়ার পর কেটে গিয়েছে দু’বছর। নিয়ম অনুযায়ী, দু’বছর পর চাকরি পাকা হবে। কিন্তু তার জন্য পুলিস ও মেডিক্যাল রিপোর্ট ইতিবাচক হতে হবে।  ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পঞ্চায়েত অফিসের কাছেই, একটি দোকানের সামনের অংশে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল হবিবপুর ব্লকের কেন্দপুকুর আকতৈল গ্রাম পঞ্চায়েতে। শুক্রবার সকালে এলাকার বাসিন্দারা দেহটি দেখতে পান। তাঁদের দাবি, ওই ব্যক্তিকে খুন করে সেখানে ঝুলিয়ে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা পরিস্থিতির জন্য এমবিবিএস, বিডিএস, আয়ুষ, নার্সিং সহ বিভিন্ন চিকিৎসা পাঠ্যক্রমের বহু ছাত্রছাত্রীর পরবর্তী বছরে প্রোমোশন হয়নি। মার্কশিটও পাননি। ফলে বৃত্তিও আটকে গিয়েছে।   ...

নয়াদিল্লি: শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা ব্যক্তিগত কারণে নিজেকে আইপিএল থেকে সরিয়ে নিয়েছেন। যার অভাব অনুভূত হবে বলে ইতিমধ্যেই মন্তব্য করেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বিশেষজ্ঞদেরও ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কথাবার্তা ও আচরণে সংযমের অভাবে বিপত্তির আশঙ্কা। কোনও হঠকারী বা দুঃসাহসিক কাজ না করাই ভালো। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৯- অভিনেতা জহর রায়ের জন্ম
১৯২১- সাহিত্যিক বিমল করের জন্ম
১৯২৪- গায়িকা সুচিত্রা মিত্রের জন্ম
১৯৬৫- মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসের জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,২৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৬০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৩৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ আশ্বিন ১৪২৭, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া ৯/১৬ দিবা ৯/১১। চিত্রা নক্ষত্র ৪৯/৪১ রাত্রি ১/২১। সূর্যোদয় ৫/২৮/২, সূর্যাস্ত ৫/৩২/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ৩/৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/১৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ২/১৭ গতে ৩/৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১/১ গতে ২/৩১ মধ্যে পুনঃ ৪/২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে উদয়াবধি।  
২ আশ্বিন ১৪২৭, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া দিবা ১২/২৯। হস্তানক্ষত্র দিবা ৭/৫৬। সূর্যোদয় ৫/২৭, সূর্যাস্ত ৫/৩৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৫/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৮ গতে ২/১৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৮ মধ্যে ও ১/২ গতে ২/৩৩ মধ্যে ও ৪/৪ গতে ৫/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪ মধ্যে ও ৩/৫৮ গতে ৫/২৮ মধ্যে।  
মোসলেম: ১ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত আরও ৩,১৯২ জন 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩,১৯২ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

18-09-2020 - 08:42:07 PM

ফের গুগল প্লে স্টোরে মিলবে পেটিএম অ্যাপ 
ফের গুগল প্লে স্টোরে মিলবে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ই-ওয়ালেট অ্যাপ ...বিশদ

18-09-2020 - 07:40:01 PM

পঞ্চায়েত অফিসের কাছেই
দোকানে মিলল ঝুলন্ত দেহ 

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পঞ্চায়েত অফিসের কাছেই, একটি দোকানের সামনের অংশে ...বিশদ

18-09-2020 - 05:50:00 PM

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু শর্বরী দত্তর
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু হয়েছে শর্বরী দত্তর। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে ...বিশদ

18-09-2020 - 05:41:00 PM

বনগাঁয় ধৃত ৩ বাইক চোর 
বাইক চুরির চক্রের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতদের ...বিশদ

18-09-2020 - 04:41:27 PM

হাবড়ায় জোড়া খুনের ঘটনায় ধৃত অভিযুক্ত 
হাবড়ায় প্রৌঢ় দম্পতি খুনের ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কিনারা করল ...বিশদ

18-09-2020 - 04:16:42 PM