Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই। ইতিহাস বলছে, চিকেন পক্সের ভ্যাকসিনের জন্য ৪২ বছর, হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের জন্য ১৬ বছর, ইবোলার জন্য ৪৩ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। কোভিড-১৯ ভাইরাস সবচেয়ে বেশি ছোঁয়াচে এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল। তাই করোনাকে শায়েস্তা করার ওষুধ তাড়াতাড়ি আসবে, এমন ভাবাটা একটু বাড়াবাড়িই হবে। এই অবস্থায় বাঁচার মন্ত্র, সতর্ক হোন, কিন্তু আতঙ্কিত হবেন না। আত্মকেন্দ্রিক হোন, কিন্তু স্বার্থপর নয়।
এতদিন আত্মকেন্দ্রিক শব্দটির দিকে আমরা বাঁকা চোখে তাকাতাম। সামাজিক জীবনে আত্মকেন্দ্রিকতা ছিল প্রায় গালিগালাজের সমান। আত্মকেন্দ্রিকতা আর স্বার্থপরতাকে আমরা সমান চোখে দেখে এসেছি। দু’টি শব্দের মধ্যে কিন্তু পার্থক্য আছে। তবে তফাৎটা খুবই সুক্ষ্ম। নিজের কিসে ভালো হবে, আত্মকেন্দ্রিক মানুষ শুধু ডুবে থাকে সেই চিন্তায়। আর আত্মকেন্দ্রিকতার সঙ্গে যখন অন্যের সুখ সুবিধা অগ্রাহ্য করার মানসিকতা জড়িয়ে যায়, তখনই মানুষ হয় স্বার্থপর।
করোনার আবহে আরও অনেক কিছুর মতোই বদলে গিয়েছে আত্মকেন্দ্রিক শব্দটির তাৎপর্য। এই মুহূর্তে আত্মকেন্দ্রিকতা আর কটাক্ষ করার শব্দবন্ধ নয়। বরং বলা ভালো, আমাদের আজ আত্মকেন্দ্রিক হওয়ারই সময়। নিজের ভালোটা নিজেকেই বুঝতে হবে। আর সেটা বুঝলেই সহজ হয়ে যাবে করোনার সঙ্গে সহাবস্থান। করোনা থাকবে, থাকব আমরাও। পাশাপাশি, অথচ সমান্তরাল। ঠিক দু’টি রেললাইনের মতো। মিলে গেলেই বিপদ।
করোনা মোকাবিলার জন্য আমাদের আজ আত্মকেন্দ্রিক হতে হবে, কিন্তু স্বার্থপর নয়। তেলটা ঢালতে হবে নিজের চরকাতেই। নিজের দায়িত্বটা ঠিকঠাক পালন করলে করোনাকে ভয় নেই। চিকিৎসকরা বারে বারে বলেছেন, করোনার ছোবল থেকে বাঁচার জন্য চারটি কাজই যথেষ্ট। বাইরে বেরলে মাস্ক পরতে হবে। নাক, মুখ, চোখ স্পর্শ করার আগে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে হাত। বাইরে বেরলে বজায় রাখতে হবে দূরত্ব। আর ঘরে ফিরেই জামা, কাপড় ও মাস্ক জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
খুব জটিল কিছু নয়। কিন্তু অনেকেই নিজের কাজগুলো ঠিকঠাক করছি না। উল্টে বাইরের দিকে তাকাতে যাচ্ছি। নিজের ঘরটা না সামলে পরকে জ্ঞান দিচ্ছি। আর সেটা করতে গিয়েই কখনও পুলিসের সঙ্গে লাঠালাঠি করছি, কখনও প্রতিবেশীর বাড়ির সামনে গড়ে তুলছি ব্যারিকেড। মুখে যুদ্ধজয়ের হাসি। ভাবখানা এমন, দেখ কেমন দিলাম!
ঝাড়গ্রাম জেলার সরডিহার মানিকপাড়ায় অলোকা ম্যাডামের শিক্ষকতা জীবনে ছেদ পড়েছে বছর পাঁচেক আগে। অবিবাহিতা অলোকাদেবীর সংসারে কেউ নেই। তিনি একা। ক্যান্সারে আক্রান্ত। অপারেশন হয়েছে বছর খানেক আগে। চিকিৎসকের নির্দেশ মেনে ওষুধ খাওয়ায় এখন কিছুটা ভালো। লকডাউনে ফুরিয়ে গিয়েছিল ক্যান্সারের অতি প্রয়োজনীয় ওষুধ। আশপাশে না পেয়ে ফোন করেছিলেন ভাইঝিকে। বলেছিলেন, ওষুধগুলো নিয়ে এলে খুব উপকার হয়। আর পারলে ক’টা দিন আমার এখানে থেকে যাস। বাড়ির তিনটে ভাড়াটিয়াই চলে গিয়েছে। বড় একা লাগছে রে।
পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ভাইঝি পিসিমার ওষুধ নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন তাঁর মানিকপাড়ার বাড়িতে। ক’টা দিন থাকার প্রস্তুতি নিয়েও এসেছিলেন। কারণ গলব্লাডার অপারেশনের পর তাঁর নিজের শরীরটাও ভালো যাচ্ছিল না। ডাক্তার বলেছিলেন, একটু বাইরে গেলে ভালো হয়। তাই ডাক পেয়েই সটান পিসিমার কাছে। ঝাড়গ্রামের জল শরীর-স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, সেটা তাঁর আগেই জানা ছিল। একই সঙ্গে রথ দেখা ও কলা বেচার পরিকল্পনা। কিন্তু, বিধি বাম। প্রতিবেশীদের আপত্তি, রেড জোন হাওড়া থেকে আসা ভাইঝিকে ঘরে থাকতে দেওয়া যাবে না। এখনই চলে যেতে হবে। অলোকা ম্যাডাম বলেছিলেন, আমরা বাড়ি থেকে বের হব না। বাড়ির মধ্যেই পিসি-ভাইঝিতে থাকব। এমনকী, বাইরে জলও নিতে যাব না। দরজা গোড়ায় বালতি রাখব। খাওয়ার জলটা তোমরাই একটু ঢেলে দিও।
না, ক্যান্সার আক্রান্ত বৃদ্ধার আর্জি মঞ্জুর হয়নি। তেরাত্রি পার হওয়ার আগেই কয়েকজন প্রতিবেশীর প্রবল চাপে পুলিস সোমবার সন্ধ্যায় ভাইঝিকে সরিয়ে নিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। ভাইঝির স্থান হয়েছে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে। অলোকাদেবী বলেন, আমি ক্যান্সারে আক্রান্ত। ক’টা দিনই আর বাঁচব? ওদের অনেক অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু, কেউ আমার কথা শুনল না। যারা আমার দুঃখ বুঝল, তারাও সামনে আসার সাহস পেল না। প্রতিবাদ করলে হয়তো ওদের উপরেই ঝামেলা হতো। কে আর আজকাল অন্যের জন্য ঝামেলায় নিজেকে জড়াতে চায় বলুন? তাতে অবশ্য আমার রাগ নেই। তবে, রাতে দরজায় চাবি লাগিয়ে শুতে যাওয়ার সময় ভাবি, কাল যদি আর ঘুম না ভাঙে...। কথাগুলো শেষ করতে পারলেন না। গলা জড়িয়ে গেল। দেখতে পাইনি, তবে বুঝতে পারছিলাম, অলোকা ম্যাডাম কাঁদছেন।
রামকৃষ্ণ মিশনের আদর্শে অনুপ্রাণিত বিবেকানন্দ শিশু বিদ্যালয়ে তিনি শিক্ষকতা করেছেন। ৩৫ বছর ধরে ছাত্রছাত্রীদের পড়িয়েছেন রামকৃষ্ণদেবের সহিষ্ণুতা, স্বামী বিবেকানন্দের সংযমের বাণী। সেই মানুষ গড়ার কারিগরকেই জীবন সায়হ্নে এসে চরম অসংযমের শিকার হতে হল। করোনা আবহে তিনি স্পষ্ট উপলব্ধি করলেন, চেনা মানুষগুলোও আজ কেমন যেন অচেনা হয়ে যাচ্ছে।
আতঙ্ক। দিন যত যাচ্ছে আতঙ্ক আমাদের ততই গ্রাস করে নিচ্ছে। আচ্ছা, সতর্ক হতে গিয়ে কি আমরা একটু বেশি মাত্রায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ছি? প্রশ্নটা দিন দিন খুব বড় হয়ে উঠছে। লক্ষণটা ভালো ঠেকছে না। আতঙ্ক ঘুনপোকার মতোই ক্ষতিকারক। প্রতিনিয়ত, প্রতিটা মুহূর্ত কুরে কুরে খায়। ভিতরটা একেবারে ফোঁপরা করে দেয়।
তাই আতঙ্ক থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসার রাস্তা খুঁজতে হবে। কোনটা করা উচিত, আর কোনটা নয়, সেটা বুঝতে হবে হৃদয় দিয়ে। তা না হলে আগামী দিনগুলো আমাদের জন্য সত্যিই খুব ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে। ভাবতে হবে, আতঙ্কিত হয়ে আমরা নিজেদের অজান্তেই সমাজের মধ্যে বিভেদের বীজ বপন করে ফেলছি না তো?
মানিকপাড়া কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বহু জায়গাতেই চিকিৎসক, নার্স, পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে এমন আচরণ করা হচ্ছে, যা তিন মাস আগেও ছিল কল্পনার অতীত। হুগলির গোঘাটের সেনাই গ্রামের গীতারানি বন্দ্যোপাধ্যায় বার্ধক্যের কারণে ১৫ মে মারা যান। মায়ের শেষকাজ করার জন্য তাঁর তিন ছেলে কলকাতা থেকে গ্রামে ফিরেছিলেন। মায়ের শেষযাত্রা। মাকে শেষবারের মতো ছুঁয়ে দেখার, শেষবারের মতো আদর করার ইচ্ছা সব সন্তানেরই থাকে। বড়ভাই অরুণের কাছ থেকে মায়ের মৃত্যু সংবাদ শুনে গীতারানিদেবীর তিন ছেলে বিশ্বনাথ, তারাশঙ্কর, লক্ষ্মীনাথ লকডাউনের মধ্যেই ছুটে গিয়েছিলেন সেনাই গ্রামে। কিন্তু, সর্বদা পরের চড়কায় তেল দিতে অভ্যস্ত কিছু লোকজন জানিয়ে দিল, রেড জোন থেকে আসায় ছেলেরা মায়ের শেষকাজ করতে পারবে না। দূর থেকে মায়ের মুখে ছুঁড়ে দিতে হবে আগুন। বাকি কাজটা করবে গ্রামের লোক।
গ্রামের লোকজনের প্রস্তাব মানতে পারেননি গীতারানিদেবীর ছেলেরা। না পারারই কথা। তাই পরের দিন ভোরে মাকে নিয়ে সোজা কলকাতা। মায়ের মরদেহের পাশে ছোট ছেলে লক্ষ্মীনাথ। মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে ভাবছিলেন, আজ যারা রুখে দাঁড়াল, তাদের অনেককে এই মানুষটাই আদর করে বাড়িতে বসিয়ে খাইয়েছিলেন, চিকিৎসার জন্য কলকাতার বাড়িতে থাকতে দিয়েছিলেন। একদিন যাদের এই মানুষটা স্বজন ভেবেছেন, আজ তারাই...? তারাই কেড়ে নিল স্বামীর ভিটেয় তাঁর শেষকাজের অধিকার। করোনা আবহে চেনা মানুষগুলো সত্যিই কেমন যেন অচেনা হয়ে যাচ্ছে!
এটা করোনাকে হারানোর পথ নয়। করোনা মোকাবিলায় দরকার সহমর্মিতা। মারণ ভাইরাস মোকাবিলার বার্তা বাজছে মোবাইলে মোবাইলে, ‘রোগের সঙ্গে লড়তে হবে, রোগীর সঙ্গে নয়। ওদের সঙ্গে ভেদাভেদ করবেন না।’ একেবারে সঠিক কথা।
ভেদাভেদের রাস্তা নিলে যুগ যুগ ধরে গড়ে ওঠা সামাজিক সম্পর্কগুলো ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে। একথা ঠিক, উম-পুন এর মতোই বিধ্বংসী করোনা ঝড়। সব তালগোল পাকিয়ে দিচ্ছে। আতঙ্কিত হয়ে আমরা যা করছি, তা করার কথা কয়েক মাস আগে স্বপ্নেও ভাবিনি। দুর্ভাগ্য, আতঙ্কে আমরা সেটাই করে বসছি। তবে দুর্দিনে বিভেদ নয়, ভরসা থাকুক কামিনী রায়ে। ‘আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে/ আসে নাই কেহ অবনী পরে/ সকলের তরে সকলে আমরা/ প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’
23rd  May, 2020
অর্থনীতিই নয়, ভয়াবহ বিপর্যয় বিদেশনীতিরও
হিমাংশু সিংহ

২০১৪ থেকে ২০২০। মাঝে মাত্র ৬ বছর। দুর্বল না হয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী শক্তিশালী একনায়ক হলে রাষ্ট্রের বিপদ কী কী? এই ক’বছরেই তার মোক্ষম উত্তর পেয়ে গিয়েছে দেশ। এমনকী পরিস্থিতি আজ এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছে যে, এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সরকারি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির সঙ্গে নরেন্দ্রনাথ দত্তের তুলনা টানছেন বুক ফুলিয়ে।  
বিশদ

কুকথায় হাততালি জুটলেও
দূরে সরে যায় মানুষ 
তন্ময় মল্লিক

রুটি সেঁকার জন্য তাওয়া গরম করতে হয়। আবার সেই তাওয়া বেশি তেতে গেলে রুটি যায় পুড়ে। তখন খাবারের থালার বদলে রুটির জায়গা হয় ডাস্টবিনে। রাজনীতিতেও তেমনটাই। কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য নেতারা গরম গরম ভাষণ দেন। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়।  
বিশদ

19th  September, 2020
বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

18th  September, 2020
‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
 সত্যিটা দেখলাম না... দেখানো হল না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এতকিছুর পরও আমেরিকার অর্থনীতি ধাক্কা খেল না। ট্রাম্প বুঝেছিলেন, ব্যবসাটা তিনি জানেন। করোনা ভাইরাসকে নয়। কাজেই শক্তিশালী অর্থনীতিকে বসিয়ে দেওয়ার মানে হয় না। করোনা আজ না হয় কাল কমবে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বছর লেগে যাবে। বিশদ

15th  September, 2020
ফেসবুক দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়ালে কার লাভ হয়?

২০১৯। সাধারণ নির্বাচনের আগে একটি কাগজের হেডলাইন ছিল ‘গুগল কি ভারতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে?’ খবরটা বেরনোমাত্রই ‘গুগল’ অস্বীকার করেছিল। কিন্তু অন্যকিছু সংস্থা টের পায়, গুগলে যেভাবে প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই তথ্য একটু সংশ্লেষণ করলে দ্বিধান্বিত ভোটারদের সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব।
বিশদ

15th  September, 2020
দমনমূলক ফেডারালিজম চলছে
পি চিদম্বরম

এটা পরিষ্কার যে মোদি সরকার এবার তার বিপুল গরিষ্ঠতাকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলির মতামতের কোনও তোয়াক্কা করবে না। ইচ্ছেমতো সংশোধনী পাশ করিয়ে নেবে। ফেডারালজিমকে আরেকটি ধাক্কা দেবে। ‘এক জাতি, এক সবকিছু’ পরিণামে ‘এক জাতি’কে ধ্বংস করে ছাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে
স্কুলশিক্ষার সর্বনাশ হবে
প্রদীপকুমার দত্ত

 সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করে শিক্ষাকে সব মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা বরাদ্দের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এই শিক্ষানীতিতে নেই। বরং এই শিক্ষানীতি শিক্ষার বেসরকারিকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
সন্তোষকুমার ঘোষ: অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, প্রচণ্ড
ক্ষমতাবান সাহিত্যিক ও যুগান্তকারী সাংবাদিক
বরুণ সেনগুপ্ত

খবরের কাগজ সাধারণ মানুষের জন্য। তাই সাধারণ মানুষ যেসব খবরে আগ্রহী সেইগুলিই বেশি করে লেখা উচিত। অথবা যেমন, খবরের কাগজে যা লেখার তা সোজাসুজি লেখা উচিত। ‘এটাও হয় ওটাও হয়’ গোছের ব্যাপার নয়। এই জিনিসগুলি হাতেকলমে শিখেছি সন্তোষকুমার ঘোষের কাছে।
বিশদ

13th  September, 2020
সিবিআইয়ের বন্দিদশা কাটবে কবে?
হিমাংশু সিংহ

 সুশান্তের মৃত্যু হয় ১৪ জুন। আর আজ ১৩ সেপ্টেম্বর। তাঁর আকস্মিক চলে যাওয়ার পর ঠিক তিন মাস অতিক্রান্ত। প্রতিভাবান অভিনেতার মৃত্যু রহস্যের তদন্তে কোথাকার জল কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তার তল খুঁজে পাচ্ছেন না তুখোড় সিবিআই গোয়েন্দারাও। কিংবা বলা ভালো, সত্যি তল খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে কি?
বিশদ

13th  September, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: জেলা প্রশাসনের আবেদনের দু’মাস পরেও পরিযায়ী শ্রমিকদের কাজ দেওয়া নিয়ে কোনওরকম সাড়াই পাওয়া গেল না। স্কিলড লেবার বা দক্ষ শ্রমিকদের একটা বড় অংশই ভিনরাজ্যে কাজের খোঁজে ফিরে গেলেন। ...

জেনিভা: করোনার জেরে স্থগিত হল ২০২০ সালের ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ। শুক্রবার ফিফার সভাপতি গিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘সামগ্রিক পরিস্থিতি বিচার করে এবছরের ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছর অনুষ্ঠিত হবে ...

সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: পঞ্চায়েতের উন্নয়নমূলক কাজেরও এবার পরীক্ষা হবে ‘গবেষণাগারে’! এমনই পরিকল্পনা নিল পঞ্চায়েত দপ্তর। লক্ষ্য মূলত দু’টি। এক, অসাধু ঠিকাদার কিংবা নির্মাণকারী সংস্থার ফাঁকিবাজি রুখে কাজের গুণগতমান বজায় রাখা।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী পূর্বা দামের জীবনাবসান হল। শনিবার সকাল সাড়ে ছ’টা নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বেফাঁস মন্তব্যে বন্ধুর সঙ্গে মনোমালিন্য। সম্পত্তি নিয়ে ভ্রাতৃবিরোধ। সৃষ্টিশীল কাজে আনন্দ। কর্মসূত্রে দূর ভ্রমণের সুযোগ।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৮: চিত্রপরিচালক মহেশ ভাটের জন্ম
২০০৪: চিত্রপরিচালক সলিল দত্তের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  September, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আশ্বিন ১৪২৭, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, তৃতীয়া ০/২৮ প্রাতঃ ৫/৩৯ পরে চতুর্থী ৫২/২৮ রাত্রি ২/২৮। স্বাতীনক্ষত্র ৪৩/২৯ রাত্রি ১০/৫২। সূর্যোদয় ৫/২৮/১৮, সূর্যাস্ত ৫/৩১/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ গতে ৮/৪১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৭ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫৫ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ১/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৫৫ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/০ গতে ১/১ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/২৯ মধ্যে।  
৩ আশ্বিন ১৪২৭, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, তৃতীয়া দিবা ১০/২। চিত্রানক্ষত্র দিবা ৬/১৫ পরে স্বাতীনক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৩৫। সূর্যোদয় ৫/২৮, সূর্যাস্ত ৫/৩৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ গতে ৮/৪১ মধ্যে ও ১১/৪৭ গতে ২/৫৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১১/৪৯ গতে ১/২৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৫/২৮ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৪১ গতে ৪/২৮ মধ্যে। বারবেলা ১০/০ গতে ১/২ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫১ গতে ২/২৯ মধ্যে।  
মোসলেম: ২ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: দিল্লি ৬ ওভারে ২৩/৩ 

08:08:47 PM

আইপিএল: টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত পাঞ্জাবের 

07:13:06 PM

১২, ১৩ ও ১৪ অক্টোবর রাজ্যে ট্রাক ধর্মঘট 

05:37:00 PM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত?  
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

04:45:13 PM

উত্তরপ্রদেশে করোনায় আক্রান্ত আরও ৫,৮০৯ জন, মৃত ৯৪ 

04:32:47 PM

নৈহাটি কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারিত অর্জুন সিং 
ভাটপাড়ার নৈহাটি কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারিত হলেন বিজেপি ...বিশদ

04:19:31 PM