Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই। ইতিহাস বলছে, চিকেন পক্সের ভ্যাকসিনের জন্য ৪২ বছর, হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের জন্য ১৬ বছর, ইবোলার জন্য ৪৩ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। কোভিড-১৯ ভাইরাস সবচেয়ে বেশি ছোঁয়াচে এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল। তাই করোনাকে শায়েস্তা করার ওষুধ তাড়াতাড়ি আসবে, এমন ভাবাটা একটু বাড়াবাড়িই হবে। এই অবস্থায় বাঁচার মন্ত্র, সতর্ক হোন, কিন্তু আতঙ্কিত হবেন না। আত্মকেন্দ্রিক হোন, কিন্তু স্বার্থপর নয়।
এতদিন আত্মকেন্দ্রিক শব্দটির দিকে আমরা বাঁকা চোখে তাকাতাম। সামাজিক জীবনে আত্মকেন্দ্রিকতা ছিল প্রায় গালিগালাজের সমান। আত্মকেন্দ্রিকতা আর স্বার্থপরতাকে আমরা সমান চোখে দেখে এসেছি। দু’টি শব্দের মধ্যে কিন্তু পার্থক্য আছে। তবে তফাৎটা খুবই সুক্ষ্ম। নিজের কিসে ভালো হবে, আত্মকেন্দ্রিক মানুষ শুধু ডুবে থাকে সেই চিন্তায়। আর আত্মকেন্দ্রিকতার সঙ্গে যখন অন্যের সুখ সুবিধা অগ্রাহ্য করার মানসিকতা জড়িয়ে যায়, তখনই মানুষ হয় স্বার্থপর।
করোনার আবহে আরও অনেক কিছুর মতোই বদলে গিয়েছে আত্মকেন্দ্রিক শব্দটির তাৎপর্য। এই মুহূর্তে আত্মকেন্দ্রিকতা আর কটাক্ষ করার শব্দবন্ধ নয়। বরং বলা ভালো, আমাদের আজ আত্মকেন্দ্রিক হওয়ারই সময়। নিজের ভালোটা নিজেকেই বুঝতে হবে। আর সেটা বুঝলেই সহজ হয়ে যাবে করোনার সঙ্গে সহাবস্থান। করোনা থাকবে, থাকব আমরাও। পাশাপাশি, অথচ সমান্তরাল। ঠিক দু’টি রেললাইনের মতো। মিলে গেলেই বিপদ।
করোনা মোকাবিলার জন্য আমাদের আজ আত্মকেন্দ্রিক হতে হবে, কিন্তু স্বার্থপর নয়। তেলটা ঢালতে হবে নিজের চরকাতেই। নিজের দায়িত্বটা ঠিকঠাক পালন করলে করোনাকে ভয় নেই। চিকিৎসকরা বারে বারে বলেছেন, করোনার ছোবল থেকে বাঁচার জন্য চারটি কাজই যথেষ্ট। বাইরে বেরলে মাস্ক পরতে হবে। নাক, মুখ, চোখ স্পর্শ করার আগে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে হাত। বাইরে বেরলে বজায় রাখতে হবে দূরত্ব। আর ঘরে ফিরেই জামা, কাপড় ও মাস্ক জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
খুব জটিল কিছু নয়। কিন্তু অনেকেই নিজের কাজগুলো ঠিকঠাক করছি না। উল্টে বাইরের দিকে তাকাতে যাচ্ছি। নিজের ঘরটা না সামলে পরকে জ্ঞান দিচ্ছি। আর সেটা করতে গিয়েই কখনও পুলিসের সঙ্গে লাঠালাঠি করছি, কখনও প্রতিবেশীর বাড়ির সামনে গড়ে তুলছি ব্যারিকেড। মুখে যুদ্ধজয়ের হাসি। ভাবখানা এমন, দেখ কেমন দিলাম!
ঝাড়গ্রাম জেলার সরডিহার মানিকপাড়ায় অলোকা ম্যাডামের শিক্ষকতা জীবনে ছেদ পড়েছে বছর পাঁচেক আগে। অবিবাহিতা অলোকাদেবীর সংসারে কেউ নেই। তিনি একা। ক্যান্সারে আক্রান্ত। অপারেশন হয়েছে বছর খানেক আগে। চিকিৎসকের নির্দেশ মেনে ওষুধ খাওয়ায় এখন কিছুটা ভালো। লকডাউনে ফুরিয়ে গিয়েছিল ক্যান্সারের অতি প্রয়োজনীয় ওষুধ। আশপাশে না পেয়ে ফোন করেছিলেন ভাইঝিকে। বলেছিলেন, ওষুধগুলো নিয়ে এলে খুব উপকার হয়। আর পারলে ক’টা দিন আমার এখানে থেকে যাস। বাড়ির তিনটে ভাড়াটিয়াই চলে গিয়েছে। বড় একা লাগছে রে।
পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ভাইঝি পিসিমার ওষুধ নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন তাঁর মানিকপাড়ার বাড়িতে। ক’টা দিন থাকার প্রস্তুতি নিয়েও এসেছিলেন। কারণ গলব্লাডার অপারেশনের পর তাঁর নিজের শরীরটাও ভালো যাচ্ছিল না। ডাক্তার বলেছিলেন, একটু বাইরে গেলে ভালো হয়। তাই ডাক পেয়েই সটান পিসিমার কাছে। ঝাড়গ্রামের জল শরীর-স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, সেটা তাঁর আগেই জানা ছিল। একই সঙ্গে রথ দেখা ও কলা বেচার পরিকল্পনা। কিন্তু, বিধি বাম। প্রতিবেশীদের আপত্তি, রেড জোন হাওড়া থেকে আসা ভাইঝিকে ঘরে থাকতে দেওয়া যাবে না। এখনই চলে যেতে হবে। অলোকা ম্যাডাম বলেছিলেন, আমরা বাড়ি থেকে বের হব না। বাড়ির মধ্যেই পিসি-ভাইঝিতে থাকব। এমনকী, বাইরে জলও নিতে যাব না। দরজা গোড়ায় বালতি রাখব। খাওয়ার জলটা তোমরাই একটু ঢেলে দিও।
না, ক্যান্সার আক্রান্ত বৃদ্ধার আর্জি মঞ্জুর হয়নি। তেরাত্রি পার হওয়ার আগেই কয়েকজন প্রতিবেশীর প্রবল চাপে পুলিস সোমবার সন্ধ্যায় ভাইঝিকে সরিয়ে নিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। ভাইঝির স্থান হয়েছে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে। অলোকাদেবী বলেন, আমি ক্যান্সারে আক্রান্ত। ক’টা দিনই আর বাঁচব? ওদের অনেক অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু, কেউ আমার কথা শুনল না। যারা আমার দুঃখ বুঝল, তারাও সামনে আসার সাহস পেল না। প্রতিবাদ করলে হয়তো ওদের উপরেই ঝামেলা হতো। কে আর আজকাল অন্যের জন্য ঝামেলায় নিজেকে জড়াতে চায় বলুন? তাতে অবশ্য আমার রাগ নেই। তবে, রাতে দরজায় চাবি লাগিয়ে শুতে যাওয়ার সময় ভাবি, কাল যদি আর ঘুম না ভাঙে...। কথাগুলো শেষ করতে পারলেন না। গলা জড়িয়ে গেল। দেখতে পাইনি, তবে বুঝতে পারছিলাম, অলোকা ম্যাডাম কাঁদছেন।
রামকৃষ্ণ মিশনের আদর্শে অনুপ্রাণিত বিবেকানন্দ শিশু বিদ্যালয়ে তিনি শিক্ষকতা করেছেন। ৩৫ বছর ধরে ছাত্রছাত্রীদের পড়িয়েছেন রামকৃষ্ণদেবের সহিষ্ণুতা, স্বামী বিবেকানন্দের সংযমের বাণী। সেই মানুষ গড়ার কারিগরকেই জীবন সায়হ্নে এসে চরম অসংযমের শিকার হতে হল। করোনা আবহে তিনি স্পষ্ট উপলব্ধি করলেন, চেনা মানুষগুলোও আজ কেমন যেন অচেনা হয়ে যাচ্ছে।
আতঙ্ক। দিন যত যাচ্ছে আতঙ্ক আমাদের ততই গ্রাস করে নিচ্ছে। আচ্ছা, সতর্ক হতে গিয়ে কি আমরা একটু বেশি মাত্রায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ছি? প্রশ্নটা দিন দিন খুব বড় হয়ে উঠছে। লক্ষণটা ভালো ঠেকছে না। আতঙ্ক ঘুনপোকার মতোই ক্ষতিকারক। প্রতিনিয়ত, প্রতিটা মুহূর্ত কুরে কুরে খায়। ভিতরটা একেবারে ফোঁপরা করে দেয়।
তাই আতঙ্ক থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসার রাস্তা খুঁজতে হবে। কোনটা করা উচিত, আর কোনটা নয়, সেটা বুঝতে হবে হৃদয় দিয়ে। তা না হলে আগামী দিনগুলো আমাদের জন্য সত্যিই খুব ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে। ভাবতে হবে, আতঙ্কিত হয়ে আমরা নিজেদের অজান্তেই সমাজের মধ্যে বিভেদের বীজ বপন করে ফেলছি না তো?
মানিকপাড়া কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বহু জায়গাতেই চিকিৎসক, নার্স, পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে এমন আচরণ করা হচ্ছে, যা তিন মাস আগেও ছিল কল্পনার অতীত। হুগলির গোঘাটের সেনাই গ্রামের গীতারানি বন্দ্যোপাধ্যায় বার্ধক্যের কারণে ১৫ মে মারা যান। মায়ের শেষকাজ করার জন্য তাঁর তিন ছেলে কলকাতা থেকে গ্রামে ফিরেছিলেন। মায়ের শেষযাত্রা। মাকে শেষবারের মতো ছুঁয়ে দেখার, শেষবারের মতো আদর করার ইচ্ছা সব সন্তানেরই থাকে। বড়ভাই অরুণের কাছ থেকে মায়ের মৃত্যু সংবাদ শুনে গীতারানিদেবীর তিন ছেলে বিশ্বনাথ, তারাশঙ্কর, লক্ষ্মীনাথ লকডাউনের মধ্যেই ছুটে গিয়েছিলেন সেনাই গ্রামে। কিন্তু, সর্বদা পরের চড়কায় তেল দিতে অভ্যস্ত কিছু লোকজন জানিয়ে দিল, রেড জোন থেকে আসায় ছেলেরা মায়ের শেষকাজ করতে পারবে না। দূর থেকে মায়ের মুখে ছুঁড়ে দিতে হবে আগুন। বাকি কাজটা করবে গ্রামের লোক।
গ্রামের লোকজনের প্রস্তাব মানতে পারেননি গীতারানিদেবীর ছেলেরা। না পারারই কথা। তাই পরের দিন ভোরে মাকে নিয়ে সোজা কলকাতা। মায়ের মরদেহের পাশে ছোট ছেলে লক্ষ্মীনাথ। মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে ভাবছিলেন, আজ যারা রুখে দাঁড়াল, তাদের অনেককে এই মানুষটাই আদর করে বাড়িতে বসিয়ে খাইয়েছিলেন, চিকিৎসার জন্য কলকাতার বাড়িতে থাকতে দিয়েছিলেন। একদিন যাদের এই মানুষটা স্বজন ভেবেছেন, আজ তারাই...? তারাই কেড়ে নিল স্বামীর ভিটেয় তাঁর শেষকাজের অধিকার। করোনা আবহে চেনা মানুষগুলো সত্যিই কেমন যেন অচেনা হয়ে যাচ্ছে!
এটা করোনাকে হারানোর পথ নয়। করোনা মোকাবিলায় দরকার সহমর্মিতা। মারণ ভাইরাস মোকাবিলার বার্তা বাজছে মোবাইলে মোবাইলে, ‘রোগের সঙ্গে লড়তে হবে, রোগীর সঙ্গে নয়। ওদের সঙ্গে ভেদাভেদ করবেন না।’ একেবারে সঠিক কথা।
ভেদাভেদের রাস্তা নিলে যুগ যুগ ধরে গড়ে ওঠা সামাজিক সম্পর্কগুলো ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে। একথা ঠিক, উম-পুন এর মতোই বিধ্বংসী করোনা ঝড়। সব তালগোল পাকিয়ে দিচ্ছে। আতঙ্কিত হয়ে আমরা যা করছি, তা করার কথা কয়েক মাস আগে স্বপ্নেও ভাবিনি। দুর্ভাগ্য, আতঙ্কে আমরা সেটাই করে বসছি। তবে দুর্দিনে বিভেদ নয়, ভরসা থাকুক কামিনী রায়ে। ‘আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে/ আসে নাই কেহ অবনী পরে/ সকলের তরে সকলে আমরা/ প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’
23rd  May, 2020
উৎসব এবার চেতনার
মৃণালকান্তি দাস 

মন খারাপ। খুব মন খারাপ। সব আছে। অথচ কী যেন নেই! জীবনটা যেন এখন লুডোর গুটি। রোজ শুধু ওঠা-নামার খেলা। সবসময় মনে আতঙ্ক। যত না সংক্রমণে তার থেকে অনেক বেশি প্রিয়জনের থেকে দূরে চলে যাওয়ার। সেই নীলকণ্ঠ পাখিটা উড়ে গিয়েছে অজানা কোন অচিনপুরে। কিন্তু এই দুঃসময়েও মানুষ আগামীদিনের সুদিনের জন্য বুক বাঁধে। তাই তো এবারও মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পুজোর তোড়জোড়।   বিশদ

বেদ, পুরাণে বন্দিতা মহামায়া দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

 একদা দেবাসুর-সংগ্রামে ব্রহ্মশক্তির প্রেরণায় জয় হল দেবতাদের। একে বিজয় মহিমা মনে করে অগ্নি, বায়ু, বরুণ ও চন্দ্র এই চার দেবতা অহংকৃত ও গৌরবান্বিত হন। তাঁদের মুখমণ্ডলে কর্তৃত্বের পরিতৃপ্তি। বলদর্পে আচ্ছন্ন হয়ে সেই অমরবৃন্দ ভুলে গেলেন ব্রহ্মশক্তির কথা, যাঁর শক্তি ও অনুকম্পায় তাঁরা এতকাল শক্তিমান। বিশদ

22nd  October, 2020
বাৎসরিক আয়ু ক্রয়ের হাট
হারাধন চৌধুরী

 এবার পুজো হওয়াটা জরুরি। নিয়মরক্ষার হলেও। অন্যথায়, বাঙালি আরও বিষাদে ডুবে যাবে। উৎসব হলে মানুষের কেনাকাটা কিছুটা বাড়বে। যার ভিতরে অর্থনীতির জন্য সুখবর লুকিয়ে থাকে। বিশদ

22nd  October, 2020
পুজো হোক, লকডাউনে থাকুক উৎসব
সন্দীপন বিশ্বাস

এবার আমাদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আমাদের জয়ী হতেই হবে। তাই এবারের পুজো হোক অন্য পরিবেশে, অন্য মানসিকতায়। বাড়িতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটু আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং টিভিতেই হোক ঠাকুরদেখা। বিশদ

21st  October, 2020
প্রতিবাদে মাথা নোয়ায় পর্বতও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 নোট বাতিল কিংবা জিএসটির ক্ষেত্রে যে ডোন্ট কেয়ার দাপট মোদি সরকার দেখিয়েছিল, তা আপাতত উধাও। সব ইস্যুতেই এখন বিরোধীদের চরম বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যা তাদের ‘একচ্ছত্র’ ইমেজে বড়সড় একটা দাগ! বিশদ

20th  October, 2020
বৃদ্ধি ছাড়াই সংস্কার
পি চিদম্বরম

একটা ব্যাপারে সবাই একমত হতে পারি যে, নিজের মত, নীতি ও কাজের প্রচারে কোনও শাসক দল এবং সরকার—বিজেপি অথবা মোদি সরকারের মতো সফল হয়নি। এবং, এই উদ্দেশ্যে তারা যে-কোনও পরিমাণ টাকা খরচ করবে, যত দরকার কাউকে উৎপীড়ন করবে, যতটা প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে হুমকির মুখে রাখবে এবং যে-কোনও প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখবে। অতিশয়োক্তিটা ওদের কাছে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।   বিশদ

19th  October, 2020
অনেক হারানোর পুজো
হিমাংশু সিংহ

পুজোর ছুটির একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকে। উৎসবের অনেক আগে থেকেই সেই গন্ধে ম ম করে বাংলার গাঁ গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্র। সেই গন্ধের সঙ্গে আগমনি মিশে তৈরি হয় অদ্ভুত ঘোর লাগানো একটা অপেক্ষার। মা আসছেন। বাঙালির অনেক না পাওয়া ক্ষতবিক্ষত জীবনে এর চেয়ে পরম প্রাপ্তির আর কিছুই হতে পারে না। সেই অপেক্ষার সঙ্গেই মিশে যায় বিদেশে কাজ করা দত্ত বাড়ির ছেলে, দূরে বিয়ে হওয়া পাশের বাড়ির হেমন্তদার মেয়ের ঘরে ফেরার খুশি। 
বিশদ

18th  October, 2020
করোনা রোখার মন্ত্র ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’ 
তন্ময় মল্লিক

করোনা মোকাবিলায় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলার ও মাস্ককে জীবনসঙ্গী করার পরামর্শ হচ্ছে উপেক্ষিত। সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ। সকলের নজর সেই দিকেই। তাতে সাহসী হচ্ছে মানুষ। বাড়ছে বেপরোয়া ভাব। এগিয়ে আসছে বাংলার ভোট। প্রকট হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষমতা দখলের বাসনা। করোনার মধ্যেও ইস্যু পেলেই আন্দোলন। না থাকলে তৈরির চেষ্টা। অভিমুখ রাজ্যপাট। তাই কথায় কথায় মিছিল আর লড়াই।  
বিশদ

17th  October, 2020
অতিরিক্ত দিল্লি নির্ভরতাই বঙ্গ-বিজেপির সঙ্কট
সমৃদ্ধ দত্ত

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মতো ঝোড়ো আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেননি আর কেউই। সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু-স্রোত। এই সঙ্কটের মধ্যেই তাঁকে কাজ করতে হয়েছে। তাঁকে অভীধা দেওয়া হয় বাংলার রূপকার। কিন্তু ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ছিল, তিনি কৃষিকে অবহেলা করেছেন। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে তিনি যতটা উন্নতিসাধন করেছিলেন শিল্পে, সেই তুলনায় কৃষির উন্নয়ন কম হয়েছে।  
বিশদ

16th  October, 2020
ষড়যন্ত্রের তত্ত্বে সব ব্যর্থতা ঢাকা যায় না 
সন্দীপন বিশ্বাস

ব্যর্থতার এক একটি মাইলস্টোন স্থাপন করতে করতে ক্রমেই অতল খাদের দিকে এগিয়ে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অ্যান্ড কোম্পানি। অনেকেই অবশ্য মানবেন না যে খাদটা অতল। কেননা ভোটের এখনও অনেকদিন বাকি। কিন্তু তাঁর জনপ্রিয়তার প্রতিদিনই পতন হচ্ছে। সেটা তিনি নিজেও বোঝেন। তাই ইদানীং ছাতি বাজানো, তালি বাজানো বন্ধ করে দিয়েছেন। চেষ্টা করছেন, নানা রকম ভুজুং ভাজুং দিয়ে হারানো গৌরব উদ্ধার করতে।  
বিশদ

14th  October, 2020
ডিজিটাল রঙ্গমঞ্চের কাঠের পুতুল
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ল্যাপটপটা পড়ে আছে টেবিলের উপর। শাটডাউন। খোলা শুধু টপ কভারটা। আপনি অফিস থেকে ফিরে ঘরে ঢুকলেন। জামাকাপড় চেঞ্জ করছেন। এরপর বাথরুম। ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে বসলেন বিছানায়...। বন্ধ ঘরে কেউ নেই। কেউ দেখছে না আপনার ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো। 
বিশদ

13th  October, 2020
শাস্তি থেকে অব্যাহতির পীঠস্থান উত্তরপ্রদেশ 
পি চিদম্বরম

গত ২০ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লির সফদরজং হাসপাতালে এক তরুণী মারা গেলেন। ২২ সেপ্টেম্বর ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এক বয়ানে তিনি জানান, ১৪ সেপ্টেম্বর ওই তরুণী নিগৃহীতা এবং ধর্ষিতা হয়েছেন। এই ঘটনায় তরুণী যে চারজনের নামে অভিযোগ এনেছেন তারা তাঁরই গ্রামের ছেলে—উত্তরপ্রদেশে হাতরাস জেলার বুলাগড়ি গ্রামের বাসিন্দা।  
বিশদ

12th  October, 2020
একনজরে
 পুজো নয়, স্যানিটাইজেশনেই জোর দিচ্ছে চকভৃগু প্রগতি সঙ্ঘ। ছোট করে দুর্গাপুজোর আয়োজনের পাশাপাশি বালুরঘাট শহরের এই ক্লাবটি পুজোর দিনগুলিতে পাড়ায় পাড়ায় স্যানিটাইজেশনের কাজ করবে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রায় এক বছর ভারত কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচ খেলেনি। করোনার কারণে বাতিল হয়েছে বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের ম্যাচ। ২০২১ সালের আগে ভারত কোনও আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে না।   ...

 একা করোনাতেই রক্ষা নেই। তার উপর দোসর হয়েছে নিম্নচাপ। মহাষষ্ঠীর সকাল থেকেই নীল আকাশ ঢেকে গিয়েছে কালো মেঘে। তবে, সন্ধ্যা পর্যন্ত বৃষ্টি নামেনি। ...

নয়াদিল্লি: ভারতের অত্যাধুনিক অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক ক্ষেপণাস্ত্র নাগ-এর সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ হল বৃহস্পতিবার। রাজস্থানের পোখরান রেঞ্জে এদিন চূড়ান্ত পর্যায়ে ওই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা হয়।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কোনও সুখবর আসতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির সূচনা। গুপ্ত শত্রু থেকে সাবধান। নতুন কোনও প্রকল্পের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭০৭— ব্রিটেনের প্রথম পার্লামেন্টে অধিবেশন শুরু হল
১৯১৭—অক্টোবর বিপ্লবের ডাক দিলেন লেনিন
১৯২৯—নিউ ইয়র্ক শেয়ার বাজারে মহামন্দার সূচনা
১৯৪৪—দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: হাঙ্গেরি প্রবেশ করল সোভিয়েতের লাল ফৌজ
২০০২—মস্কোর থিয়েটারে হানা দিয়ে প্রায় ৭০০ দর্শককে পণবন্দি করল চেচেন জঙ্গিরা
২০১২—সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৫.১২ টাকা ৯৮.৪৭ টাকা
ইউরো ৮৫.৭৬ টাকা ৮৮.৮৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,০৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৪১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,১৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,০৩০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,১৩০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ কার্তিক, ১৪২৭, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, সপ্তমী ৩/১৩ দিবা ৬/৫৭। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র ৪৯/২৯ রাত্রি ১/২৮। সূর্যোদয় ৫/৪০/১৮, সূর্যাস্ত ৫/১/৪৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১১ গতে ৯/২৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৫৪ গতে ৯/১৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/৯ মধ্যে পুনঃ ৪/০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৩০ গতে ১১/২১ মধ্যে। পূর্বাহ্ন ৬/৫৭ মধ্যে শারদীয়া দুর্গাপুজোর নবপত্রিকা প্রবেশ ও স্থাপন। 
৬ কার্তিক, ১৪২৭, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, সপ্তমী দিবা ১১/৫৭। পূর্বষাঢ়া নক্ষত্র দিবা ৬/৫১। সূর্যোদয় ৫/৪১, সূর্যাস্ত ৫/৩। অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৫ মধ্যে ও ৭/১৯ গতে ৯/৩১ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ২/৩৮ মধ্যে ও ৩/২৩ গতে ৫/৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৭ গতে ৩/১৫ মধ্যে ও ৪/৭ গতে ৫/৪২ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩২ গতে ১১/২২ মধ্যে। দিবা ৮/৩২ মধ্যে শারদীয়া দুর্গাপুজোর নবপত্রিকা প্রবেশ, স্থাপন। রাত্রি ১০/৫৮ গতে ১১/৪৬ মধ্যে দেবীর অর্ধরাত্রবিহিত পূজা। 
৫ রবিয়ল আউয়ল। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শারদ শুভেচ্ছা ও ছুটি 
মহামারীর বিষাদ, আক্ষেপের সময়ে এই ধরিত্রীতে আপামর মানুষকে রক্ষা করতে ...বিশদ

05:00:00 AM

 আইপিএল : রাজস্থান রয়্যালস-এর বিরুদ্ধে ৮ উইকেটে জয়ী সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

22-10-2020 - 11:13:45 PM

 আইপিএল: সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ১১৮/২ (১৫ ওভার)

22-10-2020 - 10:41:55 PM

 আইপিএল: সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ৪০/২ (৫ ওভার)

22-10-2020 - 09:57:28 PM

আইপিএল: সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ১৫৫ রানের টার্গেট দিল রাজস্থান রয়্যালস 

22-10-2020 - 09:24:17 PM

আইপিএল: রাজস্থান রয়্যালস ১০৫/৩ (১৫ ওভার) 

22-10-2020 - 08:45:13 PM