Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

 আত্মনির্ভরতার স্টিকার মারা ‘খুড়োর কল’
সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল। কোনওদিনই তাকে ছোঁয়া যাবে না। তাই চণ্ডীদাসের খুড়োর মতো কেউ যখনই আমাদের সামনে আজব একটা কল ঝুলিয়ে দেন, তা চিনতে কিন্তু আমাদের ভুল হয় না। করোনায় দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে বাড়তে একলক্ষ ছাড়িয়ে গেল। চতুর্থ লকডাউনে আমরা কি এখন সত্যিই ভরসা রাখতে পারছি? দেশের মানুষ যখন কেন্দ্রের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ, যখন সারা দেশে আওয়াজ উঠেছে, কেন্দ্রে কি কোনও সরকার আছে? তখনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি আত্মনির্ভরতার স্টিকার মারা একটা বিশাল খুড়োর কল আমাদের সামনে ঝুলিয়ে দিলেন। সে কল আবার এতবড় যে, চণ্ডীদাসের খুড়ো দেখেও লজ্জা পাবেন। করোনা পর্বের শুরু থেকেই মাঝেমাঝে তিনি দেখা দিয়ে নানা উদ্ভট পরিকল্পনার কথা জানিয়ে চলে যাচ্ছিলেন। এবারও তিনি এলেন এবং ২০ লক্ষ কোটি টাকা প্যাকেজের কথা ঘোষণা করে চলে গেলেন।
দুইয়ের পরে ক’টা শূন্য বসালে ২০ লক্ষ কোটি টাকা হয়? টাকার যে পরিমাণ, তাতে এমনিতেই মাথা ঘুরে যাবে। মনে হবে দেশের মানুষের স্বার্থে কী বিরাট পদক্ষেপ! আসলে সবটাই ভঙ্গি দিয়ে চোখ ভোলানোর একটা প্রক্রিয়া। এবার সেই কাজটি করতে দেশের অর্থমন্ত্রীকে পাঁচদিনের টেস্ট ম্যাচ খেলতে নামতে হল। পাঁচদিন ধরে সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্তর উদ্যোগের কথা জানাতে হয়েছে তাঁকে। অনেক ঘাম ঝরিয়ে, অনেক হিসেবের ফিরিস্তি দিয়েও কিন্তু মানুষের মন জয় করা গেল না। আসলে ভঙ্গি দিয়ে চোখ ভোলানোর অভ্যাসটা এই সরকারের কাছে নতুন কিছু নয়। এই প্রক্রিয়া মোদি সরকার তাঁর প্রথম অভিষেকের পর থেকেই করে আসছে। বারবার দেখা গিয়েছে, কাজের থেকে লোকদেখানো ব্যাপারটাই বড় হয়ে দাঁড়ায়। প্রথম প্রথম সাধারণ মানুষের চমক লাগে বটে, কিন্তু আখেরে সেই অন্তঃসারশূন্য খেলা ধরা পড়ে যায়। প্রথমত, এই যে এত টাকার প্যাকেজ বলে ঘোষণা হল, তার পুরোটা মোটেই নতুন ঘোষণা নয়। বাজেটের ঘোষণার অনেক বরাদ্দ এখানে ঢুকে গিয়ে পরিমাণে গৌরব বৃদ্ধি করেছে। অর্থাৎ টাকার পরিমাণ দেখিয়ে প্রথমেই মানুষের মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার একটা সহজ ফিকির। একে করোনায় মানুষ আতঙ্কিত, তার খাবার নেই, পকেটে টাকা নেই। তাই তাকে ছেঁড়া কাঁথায় কোটি কোটি টাকার স্বপ্নে বুঁদ করে দাও। ডিমানিটাইজেশনের স্বপ্ন, জিএসটির স্বপ্ন, এনআরসির স্বপ্ন দেখতে দেখতেই বাস্তবে আমরা দেখেছি টাকার পতন, অর্থনীতির ধস, দেশের অশান্তির বাতাবরণ সৃষ্টি ইত্যাদি। ততদিনে বুক ফোলানো সরকার চুপসে গিয়েছে। একের পর এক ধাক্কায় টলোমলো গেরুয়া শিবির।
তখনই এল করোনা পর্ব। দেখা গেল লকডাউন ঘোষণা করা ছাড়া সরকারের আর কোনও কাজই রইল না। রাজ্যগুলি ঝাঁপিয়ে পড়ে যে ভূমিকা পালন করেছে, সেখানে কেন্দ্র সরকার দর্শক মাত্র। রাজ্যগুলি মাস্ক, পিপিই, স্যানিটাইজার চেয়ে চেয়ে হন্যে। কেন্দ্র সময়মতো সেসব সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন ক্রমেই করোনার হানাদারি বাড়ছে। এই সঙ্কটকালে দাঁড়িয়ে কেন্দ্র যে প্যাকেজ ঘোষণা করল, তার সঙ্গে সরাসরি করোনার লড়াইয়ের যোগ নেই। সাধারণ মানুষের দুর্দশা ঘোচানোর দিশা নেই। কোটি কোটি সাধারণ মানুষ, যাঁরা শতশত মাইল হেঁটে বাড়ি ফিরছে, তাঁদের দিকে সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কোনও অভিপ্রায়ই এই প্যাকেজে নেই। মমত্ব নেই, সহমর্মিতা নেই। কেনই বা ওইসব মজদুরদের প্রতি সহানুভূতি থাকবে? ওরা তো কেন্দ্রীয় সরকারের মুখে কালি ছিটিয়ে দিয়েছে। সমস্ত মিডিয়াজুড়ে এখন ওদের কান্না আর হাহাকারের গল্প। ওদের সেই সব গল্প খুলে দিয়েছে সরকারের মিথ্যে জনদরদী সাজার মুখোশটা। দেশের মানুষ দেখেছে, কী অসহায় অবস্থা ওদের। পেটে খাবার নেই। কিন্তু পুলিসের লাঠি খেতে হচ্ছে। কেউ ট্রেনে কাটা পড়ছে, কাউকে গাড়ি ধাক্কা মেরে চলে যাচ্ছে। কারও শিশু, বাবা, মা পথের উপরই মারা যাচ্ছে। রাস্তার উপরেই কোনও মা সন্তানের জন্ম দিয়ে আবার হাঁটতে শুরু করছে। অসহায় একটা দেশ হাঁটছে। ওদের পাশে মোদিজি নেই। যে মোদিজি, অমিতজি বাড়ি বাড়ি দলের লোক পাঠিয়ে প্রত্যেক নাগরিকের কাগজ দেখতে চেয়েছিলেন, আমরা ভেবেছিলাম গেরুয়া বাহিনীর সেই কট্টর ক্যাডাররা এই দুঃসময়ে বেরিয়ে আসবেন মানুষের সামনে। সরকারের সহমর্মিতার স্পর্শ পৌঁছে দেবে ওদের কাছে। কিন্তু কেউ আসেননি। আসলে শ্রীরামচন্দ্রের বিশাল মূর্তি তৈরির আগ্রহটুকুর গণ্ডিতেই ওঁরা আটকে রয়েছেন, শ্রীরামচন্দ্রের ক্ষমাসহিষ্ণু মানসিকতা বা প্রজাপালনের আদর্শটুকু ওঁদের নেই। তাই ওঁদের নাইট কার্ফু ঘোষণা করতে হয়। কেন নাইট কার্ফু? তার কোনও যথার্থ ও যুক্তিগ্রাহ্য জবাব না থাকলেও বোঝা যায়, রাতে ওদের পথ হাঁটা বন্ধ করতে চায় সরকার। রৌদ্রদগ্ধ দিন এড়িয়ে ওরা চেষ্টা করত রাতের শীতলতাটুকুর স্বস্তিস্পর্শ নিয়ে পথ হাঁটতে। তাই ওদের রাতে হাঁটা বন্ধ করা হোক। এখন কেউ রাতে হাঁটলে তাকে থামাতেই হবে। প্রয়োজনে বলপ্রয়োগও করা হবে। রাতে ওদের ওপর বলপ্রয়োগ হলে, যেন তার কোনও সাক্ষী না থাকে। অদ্ভুত এই নাইট কার্ফু। অর্থাৎ এই নাইট কার্ফু যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। হায়রে, কী নির্মম মানসিকতা!
আবার ঋণ হিসেবে যেটা দেওয়া হচ্ছে, সেটা কতটা কাজে লাগবে, সে বিষয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। মানুষের হাতে যদি পয়সা না থাকে, তাহলে তার ক্রয়ক্ষমতা কমবে। ক্রয়ক্ষমতা কমলে উৎপাদনও কমতে বাধ্য। সেখানে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করে কতটা সাফল্য আসবে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। সামনে আরও সঙ্কটময় দিন। তার সামনে দাঁড়িয়ে সরকারের কাছ থেকে আরও একটু দূরদৃষ্টি মানুষ আশা করেছিল।
এই প্যাকেজ হল বহুমুখী এক খেলা। আমরা দেখতে পেলাম, করোনা সঙ্কটের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কেন্দ্র দেশের সব বেচে দেওয়ার খেলায় মেতে উঠেছে। কুড়ি লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করার আড়ালে সরকারের যে অভিপ্রায়টা লুকিয়ে ছিল, তা বেরিয়ে এসেছে। সব দরজা খুলে দেশকে এই সরকার ঠেলে দিল বেসরকারিকরণের পথে। এমন একটা সময়ে সেটা করল যখন সংসদ চালু নেই। কোনও আলোচনার দরকার নেই। অর্থাৎ সরকার একতরফাভাবে যে ঘোষণাটুকু করল, তার মধ্যে জড়িয়ে আছে একনায়কতন্ত্রের ছায়া। দেশের এতবড় ঘোষণায় কারও সঙ্গে আলোচনাটুকু পর্যন্ত করা হল না। সব বিক্রি হয়ে গেলে কিন্তু আমাদের দেশের গোপনীয়তা বলে আর কিছু থাকবে না। সমস্ত দেশটাই হয়ে উঠবে দেওয়াল ছাড়া একটা ঘর। সবাই দেখবে, আমরা কী করছি। অর্থাৎ কোথায় আমাদের কী আছে, কী নিয়ে গবেষণা করছি, সবটাই অন্যেরা নিমেষে জেনে যাবে। মানুষের ভোটের বিনিময়ে ক্ষমতায় আসা এই সরকার এখন নেহাতই বেচারাম ছাড়া আর কিছুই নয়।
তবে একটা উল্লেখযোগ্য দিক অবশ্যই আছে। একশো দিনের কাজে বরাদ্দ বাড়ানো। বৃদ্ধির পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা। সেটা কতটা কীভাবে কাজে লাগবে, দেখা যাক। দেশের ১২ কোটি মানুষের মধ্যে এই বরাদ্দ বাড়িয়ে দিলে মাথাপিছু বার্ষিক আয় বাড়বে সাড়ে তিন হাজার টাকার মতো। অর্থাৎ মাসিক আয় বৃদ্ধি তিনশো টাকার মতো। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, এই ঘোষণা আসলে শূন্য গর্ভ কলসির ঢক্কানিনাদ। বোঝাই যাচ্ছে, সরকারের এই ঘোষণা শুধুমাত্র রাজনৈতিক অভিসন্ধি পূরণ করার একটা পদক্ষেপ মাত্র।
সেদিনের আবির্ভাবে মোদিজি বারবার ‘আত্মনির্ভর’ কথাটা উচ্চারণ করেছেন। ৩২ মিনিটের মধ্যে তিনি ২৯ বার ‘আত্মনির্ভর’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। তার মানে কি সরকারের উপর বেশি নির্ভরশীল হতে নিষেধ করছেন? মানুষকে আত্মনির্ভর হওয়ার শিক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বারবার দেশের মানুষ প্রমাণ করেছে, তারা যথেষ্ট আত্মনির্ভর। মাসে দু’হাজার টাকাতেই পরিবার নিয়ে আত্মনির্ভরতার সঙ্গে এবং আত্মসম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে দেশের বহু মানুষ। ডিমানিটাইজেশনের সময় মানুষ লক্ষ্মীর ভাঁড়ের জমানো টাকা বের করে কষ্টের সঙ্গে সংসার চালিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে, তারা কতটা আত্মনির্ভরশীল। বরং সাধারণ মানুষের থেকেই শিক্ষা নিন রাজনীতিকরা, মন্ত্রীরা। এই যে মোদিজির এত বিদেশ যাত্রা, সে কিন্তু দেশের মানুষের পয়সাতেই। পরজীবী কেউ যখন আত্মনির্ভরতার কথা বলেন, তখন মনে হয় পুরো সিরিয়াস একটা নাটক কুশীলবদের ভ্রান্তিতে কমেডিতে পরিণত হয়ে গেল। দেশের ট্রাজিক স্রোতের মধ্যে সরকারের ভূমিকা যেন কমেডিয়ানের মতোই। শুধুই হাসির খোরাক।
20th  May, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
নয়া নীতিতে শিক্ষা
আমাদের ‘বাহন’ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

নরেন্দ্র মোদি সরকার নয়া শিক্ষানীতি ঘোষণা করার পর দিকে দিকে কেমন একটা হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। বিষয়ে নতুনত্ব আছে। আর তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। সরকারি স্কুলে প্লে-গ্রুপ ও কিন্ডারগার্টেন, ১০+২ এর ধারণা পিছনে ফেলে ফুটবলের মতো ৫+৩+৩+৪ ছকে স্কুলশিক্ষাকে সাজানো এবং সায়েন্স, আর্টস, কমার্স উঠে যাওয়া... নড়েচড়ে বসার মতো পরিস্থিতি বটে।
বিশদ

04th  August, 2020
রাজ্য-রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র
সোমেন মিত্রের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত 
প্রবীর ঘোষাল

২০০০ সালের মার্চ মাস। রাজ্য কংগ্রেস রাজনীতিতে ঘোর সঙ্কট। দু’বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করে ঝড় তুলে দিয়েছেন। দু’-দু’টি লোকসভা নির্বাচনে জোড়াফুলের সাফল্য গোটা দেশকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই সময় এল পশ্চিমঙ্গে রাজ্যসভা নির্বাচন।  
বিশদ

03rd  August, 2020
করুণ কাহিনীতে কোনও ‘সমাপ্ত’ হয় না 
পি চিদম্বরম

গত বছরের ৫ আগস্ট ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়। তারপর থেকে লিখিত আদেশ ছাড়াই জম্মু ও কাশ্মীরের অনেক ব্যক্তিকে ‘গৃহবন্দি’ করা হয়েছে। এরকমই একজন গৃহবন্দি রাজনৈতিক নেতা বলেন যে, ‘জম্মু ও কাশ্মীর একটা বিরাট বন্দিশালা’। 
বিশদ

03rd  August, 2020
৫ আগস্ট ও নরেন্দ্র
মোদির ভোট অঙ্ক
হিমাংশু সিংহ 

২৯ বছর আগে ছবিটা তুলেছিলেন মহেন্দ্র ত্রিপাঠি। করোনা আবহে সেই ছবিই গোটা দেশে আজ হঠাৎ ভাইরাল। মহেন্দ্র পেশায় শখের ফটোগ্রাফার। ছোট্ট একটা স্টুডিও আছে অযোধ্যার প্রস্তাবিত রামমন্দির চত্বরের কাছেই।   বিশদ

02nd  August, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

01st  August, 2020
বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা।   বিশদ

30th  July, 2020
মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না।   বিশদ

29th  July, 2020
পাঁপড়ভাজা খেলে ভ্যাকসিন
বানানোর দরকারটা কী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফিদেল কাস্ত্রোর ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছেন এক সাংবাদিক। শুরুতেই কাস্ত্রো পাল্টা একটা প্রশ্ন ছুঁড়লেন... ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা পড়েছেন? ফিনিশ লেখক না?... দারুণ লেখা কিন্তু।’ মার্কিনিদের জীবনযাত্রা ছিল ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা’র বিষয়বস্তু।   বিশদ

28th  July, 2020
একনজরে
 বাড়িতে বসে কাজ করলে আইটি কর্মচারীদের পেট চলবে। কিন্তু, স্টল বন্ধ রাখলে আমরা খাব কী! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের এক ফুড স্টলের মালিক অনন্ত জানা আক্ষেপের ...

অযোধ্যার রেশ এসে পড়ল রাজারহাটের নারায়ণপুরে। রামপুজোর প্রস্তুতি ঘিরে অশান্তির ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল এলাকা। ...

মাসে ১৫ হাজার টাকা ভাতা। সঙ্গে থাকা-খাওয়া ফ্রি। তবে, এই কাজের যোগ্যতার মাপকাঠি একটু অন্যরকম। শুধুমাত্র করোনা জয়ী হলেই মিলবে সুযোগ। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে কাজ হারানো মানুষের সংখ্যা বিপুল। তাই এমন অফার পেয়ে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য লাইন পড়ে যাওয়ার ...

অধিনায়ক হিসেবে দল পরিচালনার ক্ষেত্রে অদ্ভুত এক তত্ত্ব মেনে চলেন রোহিত শর্মা। ‘হিটম্যান’ জানিয়েছেন, নেতৃত্বভার কাঁধে থাকলে ড্রেসিং রুমে নিজেকেই সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য বলে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ যোগ। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

হিরোশিমা দিবস
১৮৬৫ - চার্লি চ্যাপলিনের মা তথা ইংরেজ অভিনেত্রী, গায়িকা ও নৃত্যশিল্পী হান্নাহ চ্যাপলিনের জন্ম
১৮৮১- পেনিসিলিনের আবিষ্কারক ফ্লেমিংয়ের জন্ম
১৯০৫- দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস প্রকাশ করলেন বন্দে মাতরম পত্রিকা
১৯০৬ - বিপিনচন্দ্র পালের সম্পাদনায় বন্দে মাতরম্ (সংবাদপত্র) প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৯১৪ - কলকাতা থেকে দৈনিক বসুমতী প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৯২৫ - বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী স্যার সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৪৫-হিরোশিমায় পরমাণু বোমা ফেলল আমেরিকা



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.১৪ টাকা ৭৫.৮৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৪৬ টাকা ৯৯.৮৭ টাকা
ইউরো ৮৭.০৪ টাকা ৯০.২০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৪,৬৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫১,৮৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫২,৬৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৫,০৮০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৫,১৮০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২১ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২০, তৃতীয়া ৪৭/৩৪ রাত্রি ১২/১৫। শতভিষানক্ষত্র ১৫/১১ দিবা ১১/১৮। সূর্যোদয় ৫/১৩/৪৮, সূর্যাস্ত ৬/১১/৬। অমৃতযোগ দিবা ১২/৪৮ গতে ৩/১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ১০/২৪ গতে ১২/৫৯ মধ্যে। বারবেলা ২/৫৭ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৫ মধ্যে।
২১ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২০, তৃতীয়া রাত্রি ১১/২। শতভিষানক্ষত্র দিবা ১১/২১। সূর্যোদয় ৫/১৩, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ১০/২৩ গতে ১২/৫৫ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৯ গতে ৬/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৪৩ গতে ১/৬ মধ্যে।
১৫ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: আপনার জেলার হাল কী, জানুন... 
রাজ্যে নতুন করে আরও ২,৮১৬ জনের শরীরে মিলেছে করোনা ভাইরাস। ...বিশদ

12:26:35 PM

রেপো রেট ও রিভার্স রেপো রেট অপরিবর্তিতই:আরবিআই
রেপো রেট (৪%)ও রিভার্স রেপো রেট (৩.৩%)অপরিবর্তিতই রাখল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ...বিশদ

12:13:21 PM

ট্রাম্পের ভিডিও ডিলিট করল ফেসবুক-ট্যুইটার
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ভিডিও পোস্ট তাঁর পেজ থেকে ...বিশদ

12:02:14 PM

শঙ্করপুরে সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাসে বাঁধ ভেঙে প্লাবিত গ্রাম 
নিম্নচাপ ও প্রবল জলোচ্ছ্বাসে ভেঙে যাচ্ছে শঙ্করপুরের সমুদ্রবাঁধ। জলোচ্ছ্বাসে বাঁধ ...বিশদ

11:49:17 AM

দঃ২৪ পরগনায় কমল কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা
দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কমল কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা। এতদিন ৭৯টি জোন ...বিশদ

10:35:20 AM

কুলগামে জঙ্গির গুলিতে মৃত্যু সরপঞ্চের  
জম্মু ও কাশ্মীরের কুলগামে জঙ্গির গুলিতে মৃত্যু হল এক সরপঞ্চ ...বিশদ

10:27:42 AM