Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

 আত্মনির্ভরতার স্টিকার মারা ‘খুড়োর কল’
সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল। কোনওদিনই তাকে ছোঁয়া যাবে না। তাই চণ্ডীদাসের খুড়োর মতো কেউ যখনই আমাদের সামনে আজব একটা কল ঝুলিয়ে দেন, তা চিনতে কিন্তু আমাদের ভুল হয় না। করোনায় দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে বাড়তে একলক্ষ ছাড়িয়ে গেল। চতুর্থ লকডাউনে আমরা কি এখন সত্যিই ভরসা রাখতে পারছি? দেশের মানুষ যখন কেন্দ্রের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ, যখন সারা দেশে আওয়াজ উঠেছে, কেন্দ্রে কি কোনও সরকার আছে? তখনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি আত্মনির্ভরতার স্টিকার মারা একটা বিশাল খুড়োর কল আমাদের সামনে ঝুলিয়ে দিলেন। সে কল আবার এতবড় যে, চণ্ডীদাসের খুড়ো দেখেও লজ্জা পাবেন। করোনা পর্বের শুরু থেকেই মাঝেমাঝে তিনি দেখা দিয়ে নানা উদ্ভট পরিকল্পনার কথা জানিয়ে চলে যাচ্ছিলেন। এবারও তিনি এলেন এবং ২০ লক্ষ কোটি টাকা প্যাকেজের কথা ঘোষণা করে চলে গেলেন।
দুইয়ের পরে ক’টা শূন্য বসালে ২০ লক্ষ কোটি টাকা হয়? টাকার যে পরিমাণ, তাতে এমনিতেই মাথা ঘুরে যাবে। মনে হবে দেশের মানুষের স্বার্থে কী বিরাট পদক্ষেপ! আসলে সবটাই ভঙ্গি দিয়ে চোখ ভোলানোর একটা প্রক্রিয়া। এবার সেই কাজটি করতে দেশের অর্থমন্ত্রীকে পাঁচদিনের টেস্ট ম্যাচ খেলতে নামতে হল। পাঁচদিন ধরে সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্তর উদ্যোগের কথা জানাতে হয়েছে তাঁকে। অনেক ঘাম ঝরিয়ে, অনেক হিসেবের ফিরিস্তি দিয়েও কিন্তু মানুষের মন জয় করা গেল না। আসলে ভঙ্গি দিয়ে চোখ ভোলানোর অভ্যাসটা এই সরকারের কাছে নতুন কিছু নয়। এই প্রক্রিয়া মোদি সরকার তাঁর প্রথম অভিষেকের পর থেকেই করে আসছে। বারবার দেখা গিয়েছে, কাজের থেকে লোকদেখানো ব্যাপারটাই বড় হয়ে দাঁড়ায়। প্রথম প্রথম সাধারণ মানুষের চমক লাগে বটে, কিন্তু আখেরে সেই অন্তঃসারশূন্য খেলা ধরা পড়ে যায়। প্রথমত, এই যে এত টাকার প্যাকেজ বলে ঘোষণা হল, তার পুরোটা মোটেই নতুন ঘোষণা নয়। বাজেটের ঘোষণার অনেক বরাদ্দ এখানে ঢুকে গিয়ে পরিমাণে গৌরব বৃদ্ধি করেছে। অর্থাৎ টাকার পরিমাণ দেখিয়ে প্রথমেই মানুষের মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার একটা সহজ ফিকির। একে করোনায় মানুষ আতঙ্কিত, তার খাবার নেই, পকেটে টাকা নেই। তাই তাকে ছেঁড়া কাঁথায় কোটি কোটি টাকার স্বপ্নে বুঁদ করে দাও। ডিমানিটাইজেশনের স্বপ্ন, জিএসটির স্বপ্ন, এনআরসির স্বপ্ন দেখতে দেখতেই বাস্তবে আমরা দেখেছি টাকার পতন, অর্থনীতির ধস, দেশের অশান্তির বাতাবরণ সৃষ্টি ইত্যাদি। ততদিনে বুক ফোলানো সরকার চুপসে গিয়েছে। একের পর এক ধাক্কায় টলোমলো গেরুয়া শিবির।
তখনই এল করোনা পর্ব। দেখা গেল লকডাউন ঘোষণা করা ছাড়া সরকারের আর কোনও কাজই রইল না। রাজ্যগুলি ঝাঁপিয়ে পড়ে যে ভূমিকা পালন করেছে, সেখানে কেন্দ্র সরকার দর্শক মাত্র। রাজ্যগুলি মাস্ক, পিপিই, স্যানিটাইজার চেয়ে চেয়ে হন্যে। কেন্দ্র সময়মতো সেসব সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন ক্রমেই করোনার হানাদারি বাড়ছে। এই সঙ্কটকালে দাঁড়িয়ে কেন্দ্র যে প্যাকেজ ঘোষণা করল, তার সঙ্গে সরাসরি করোনার লড়াইয়ের যোগ নেই। সাধারণ মানুষের দুর্দশা ঘোচানোর দিশা নেই। কোটি কোটি সাধারণ মানুষ, যাঁরা শতশত মাইল হেঁটে বাড়ি ফিরছে, তাঁদের দিকে সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কোনও অভিপ্রায়ই এই প্যাকেজে নেই। মমত্ব নেই, সহমর্মিতা নেই। কেনই বা ওইসব মজদুরদের প্রতি সহানুভূতি থাকবে? ওরা তো কেন্দ্রীয় সরকারের মুখে কালি ছিটিয়ে দিয়েছে। সমস্ত মিডিয়াজুড়ে এখন ওদের কান্না আর হাহাকারের গল্প। ওদের সেই সব গল্প খুলে দিয়েছে সরকারের মিথ্যে জনদরদী সাজার মুখোশটা। দেশের মানুষ দেখেছে, কী অসহায় অবস্থা ওদের। পেটে খাবার নেই। কিন্তু পুলিসের লাঠি খেতে হচ্ছে। কেউ ট্রেনে কাটা পড়ছে, কাউকে গাড়ি ধাক্কা মেরে চলে যাচ্ছে। কারও শিশু, বাবা, মা পথের উপরই মারা যাচ্ছে। রাস্তার উপরেই কোনও মা সন্তানের জন্ম দিয়ে আবার হাঁটতে শুরু করছে। অসহায় একটা দেশ হাঁটছে। ওদের পাশে মোদিজি নেই। যে মোদিজি, অমিতজি বাড়ি বাড়ি দলের লোক পাঠিয়ে প্রত্যেক নাগরিকের কাগজ দেখতে চেয়েছিলেন, আমরা ভেবেছিলাম গেরুয়া বাহিনীর সেই কট্টর ক্যাডাররা এই দুঃসময়ে বেরিয়ে আসবেন মানুষের সামনে। সরকারের সহমর্মিতার স্পর্শ পৌঁছে দেবে ওদের কাছে। কিন্তু কেউ আসেননি। আসলে শ্রীরামচন্দ্রের বিশাল মূর্তি তৈরির আগ্রহটুকুর গণ্ডিতেই ওঁরা আটকে রয়েছেন, শ্রীরামচন্দ্রের ক্ষমাসহিষ্ণু মানসিকতা বা প্রজাপালনের আদর্শটুকু ওঁদের নেই। তাই ওঁদের নাইট কার্ফু ঘোষণা করতে হয়। কেন নাইট কার্ফু? তার কোনও যথার্থ ও যুক্তিগ্রাহ্য জবাব না থাকলেও বোঝা যায়, রাতে ওদের পথ হাঁটা বন্ধ করতে চায় সরকার। রৌদ্রদগ্ধ দিন এড়িয়ে ওরা চেষ্টা করত রাতের শীতলতাটুকুর স্বস্তিস্পর্শ নিয়ে পথ হাঁটতে। তাই ওদের রাতে হাঁটা বন্ধ করা হোক। এখন কেউ রাতে হাঁটলে তাকে থামাতেই হবে। প্রয়োজনে বলপ্রয়োগও করা হবে। রাতে ওদের ওপর বলপ্রয়োগ হলে, যেন তার কোনও সাক্ষী না থাকে। অদ্ভুত এই নাইট কার্ফু। অর্থাৎ এই নাইট কার্ফু যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। হায়রে, কী নির্মম মানসিকতা!
আবার ঋণ হিসেবে যেটা দেওয়া হচ্ছে, সেটা কতটা কাজে লাগবে, সে বিষয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। মানুষের হাতে যদি পয়সা না থাকে, তাহলে তার ক্রয়ক্ষমতা কমবে। ক্রয়ক্ষমতা কমলে উৎপাদনও কমতে বাধ্য। সেখানে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করে কতটা সাফল্য আসবে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। সামনে আরও সঙ্কটময় দিন। তার সামনে দাঁড়িয়ে সরকারের কাছ থেকে আরও একটু দূরদৃষ্টি মানুষ আশা করেছিল।
এই প্যাকেজ হল বহুমুখী এক খেলা। আমরা দেখতে পেলাম, করোনা সঙ্কটের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কেন্দ্র দেশের সব বেচে দেওয়ার খেলায় মেতে উঠেছে। কুড়ি লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করার আড়ালে সরকারের যে অভিপ্রায়টা লুকিয়ে ছিল, তা বেরিয়ে এসেছে। সব দরজা খুলে দেশকে এই সরকার ঠেলে দিল বেসরকারিকরণের পথে। এমন একটা সময়ে সেটা করল যখন সংসদ চালু নেই। কোনও আলোচনার দরকার নেই। অর্থাৎ সরকার একতরফাভাবে যে ঘোষণাটুকু করল, তার মধ্যে জড়িয়ে আছে একনায়কতন্ত্রের ছায়া। দেশের এতবড় ঘোষণায় কারও সঙ্গে আলোচনাটুকু পর্যন্ত করা হল না। সব বিক্রি হয়ে গেলে কিন্তু আমাদের দেশের গোপনীয়তা বলে আর কিছু থাকবে না। সমস্ত দেশটাই হয়ে উঠবে দেওয়াল ছাড়া একটা ঘর। সবাই দেখবে, আমরা কী করছি। অর্থাৎ কোথায় আমাদের কী আছে, কী নিয়ে গবেষণা করছি, সবটাই অন্যেরা নিমেষে জেনে যাবে। মানুষের ভোটের বিনিময়ে ক্ষমতায় আসা এই সরকার এখন নেহাতই বেচারাম ছাড়া আর কিছুই নয়।
তবে একটা উল্লেখযোগ্য দিক অবশ্যই আছে। একশো দিনের কাজে বরাদ্দ বাড়ানো। বৃদ্ধির পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা। সেটা কতটা কীভাবে কাজে লাগবে, দেখা যাক। দেশের ১২ কোটি মানুষের মধ্যে এই বরাদ্দ বাড়িয়ে দিলে মাথাপিছু বার্ষিক আয় বাড়বে সাড়ে তিন হাজার টাকার মতো। অর্থাৎ মাসিক আয় বৃদ্ধি তিনশো টাকার মতো। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, এই ঘোষণা আসলে শূন্য গর্ভ কলসির ঢক্কানিনাদ। বোঝাই যাচ্ছে, সরকারের এই ঘোষণা শুধুমাত্র রাজনৈতিক অভিসন্ধি পূরণ করার একটা পদক্ষেপ মাত্র।
সেদিনের আবির্ভাবে মোদিজি বারবার ‘আত্মনির্ভর’ কথাটা উচ্চারণ করেছেন। ৩২ মিনিটের মধ্যে তিনি ২৯ বার ‘আত্মনির্ভর’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। তার মানে কি সরকারের উপর বেশি নির্ভরশীল হতে নিষেধ করছেন? মানুষকে আত্মনির্ভর হওয়ার শিক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বারবার দেশের মানুষ প্রমাণ করেছে, তারা যথেষ্ট আত্মনির্ভর। মাসে দু’হাজার টাকাতেই পরিবার নিয়ে আত্মনির্ভরতার সঙ্গে এবং আত্মসম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে দেশের বহু মানুষ। ডিমানিটাইজেশনের সময় মানুষ লক্ষ্মীর ভাঁড়ের জমানো টাকা বের করে কষ্টের সঙ্গে সংসার চালিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে, তারা কতটা আত্মনির্ভরশীল। বরং সাধারণ মানুষের থেকেই শিক্ষা নিন রাজনীতিকরা, মন্ত্রীরা। এই যে মোদিজির এত বিদেশ যাত্রা, সে কিন্তু দেশের মানুষের পয়সাতেই। পরজীবী কেউ যখন আত্মনির্ভরতার কথা বলেন, তখন মনে হয় পুরো সিরিয়াস একটা নাটক কুশীলবদের ভ্রান্তিতে কমেডিতে পরিণত হয়ে গেল। দেশের ট্রাজিক স্রোতের মধ্যে সরকারের ভূমিকা যেন কমেডিয়ানের মতোই। শুধুই হাসির খোরাক।
20th  May, 2020
অর্থনীতিই নয়, ভয়াবহ বিপর্যয় বিদেশনীতিরও
হিমাংশু সিংহ

২০১৪ থেকে ২০২০। মাঝে মাত্র ৬ বছর। দুর্বল না হয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী শক্তিশালী একনায়ক হলে রাষ্ট্রের বিপদ কী কী? এই ক’বছরেই তার মোক্ষম উত্তর পেয়ে গিয়েছে দেশ। এমনকী পরিস্থিতি আজ এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছে যে, এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সরকারি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির সঙ্গে নরেন্দ্রনাথ দত্তের তুলনা টানছেন বুক ফুলিয়ে।  
বিশদ

কুকথায় হাততালি জুটলেও
দূরে সরে যায় মানুষ 
তন্ময় মল্লিক

রুটি সেঁকার জন্য তাওয়া গরম করতে হয়। আবার সেই তাওয়া বেশি তেতে গেলে রুটি যায় পুড়ে। তখন খাবারের থালার বদলে রুটির জায়গা হয় ডাস্টবিনে। রাজনীতিতেও তেমনটাই। কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য নেতারা গরম গরম ভাষণ দেন। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়।  
বিশদ

19th  September, 2020
বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

18th  September, 2020
‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
 সত্যিটা দেখলাম না... দেখানো হল না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এতকিছুর পরও আমেরিকার অর্থনীতি ধাক্কা খেল না। ট্রাম্প বুঝেছিলেন, ব্যবসাটা তিনি জানেন। করোনা ভাইরাসকে নয়। কাজেই শক্তিশালী অর্থনীতিকে বসিয়ে দেওয়ার মানে হয় না। করোনা আজ না হয় কাল কমবে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বছর লেগে যাবে। বিশদ

15th  September, 2020
ফেসবুক দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়ালে কার লাভ হয়?

২০১৯। সাধারণ নির্বাচনের আগে একটি কাগজের হেডলাইন ছিল ‘গুগল কি ভারতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে?’ খবরটা বেরনোমাত্রই ‘গুগল’ অস্বীকার করেছিল। কিন্তু অন্যকিছু সংস্থা টের পায়, গুগলে যেভাবে প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই তথ্য একটু সংশ্লেষণ করলে দ্বিধান্বিত ভোটারদের সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব।
বিশদ

15th  September, 2020
দমনমূলক ফেডারালিজম চলছে
পি চিদম্বরম

এটা পরিষ্কার যে মোদি সরকার এবার তার বিপুল গরিষ্ঠতাকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলির মতামতের কোনও তোয়াক্কা করবে না। ইচ্ছেমতো সংশোধনী পাশ করিয়ে নেবে। ফেডারালজিমকে আরেকটি ধাক্কা দেবে। ‘এক জাতি, এক সবকিছু’ পরিণামে ‘এক জাতি’কে ধ্বংস করে ছাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে
স্কুলশিক্ষার সর্বনাশ হবে
প্রদীপকুমার দত্ত

 সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করে শিক্ষাকে সব মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা বরাদ্দের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এই শিক্ষানীতিতে নেই। বরং এই শিক্ষানীতি শিক্ষার বেসরকারিকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
সন্তোষকুমার ঘোষ: অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, প্রচণ্ড
ক্ষমতাবান সাহিত্যিক ও যুগান্তকারী সাংবাদিক
বরুণ সেনগুপ্ত

খবরের কাগজ সাধারণ মানুষের জন্য। তাই সাধারণ মানুষ যেসব খবরে আগ্রহী সেইগুলিই বেশি করে লেখা উচিত। অথবা যেমন, খবরের কাগজে যা লেখার তা সোজাসুজি লেখা উচিত। ‘এটাও হয় ওটাও হয়’ গোছের ব্যাপার নয়। এই জিনিসগুলি হাতেকলমে শিখেছি সন্তোষকুমার ঘোষের কাছে।
বিশদ

13th  September, 2020
সিবিআইয়ের বন্দিদশা কাটবে কবে?
হিমাংশু সিংহ

 সুশান্তের মৃত্যু হয় ১৪ জুন। আর আজ ১৩ সেপ্টেম্বর। তাঁর আকস্মিক চলে যাওয়ার পর ঠিক তিন মাস অতিক্রান্ত। প্রতিভাবান অভিনেতার মৃত্যু রহস্যের তদন্তে কোথাকার জল কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তার তল খুঁজে পাচ্ছেন না তুখোড় সিবিআই গোয়েন্দারাও। কিংবা বলা ভালো, সত্যি তল খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে কি?
বিশদ

13th  September, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: জেলা প্রশাসনের আবেদনের দু’মাস পরেও পরিযায়ী শ্রমিকদের কাজ দেওয়া নিয়ে কোনওরকম সাড়াই পাওয়া গেল না। স্কিলড লেবার বা দক্ষ শ্রমিকদের একটা বড় অংশই ভিনরাজ্যে কাজের খোঁজে ফিরে গেলেন। ...

জেনিভা: করোনার জেরে স্থগিত হল ২০২০ সালের ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ। শুক্রবার ফিফার সভাপতি গিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘সামগ্রিক পরিস্থিতি বিচার করে এবছরের ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছর অনুষ্ঠিত হবে ...

রোচেস্টার: ফের আমেরিকায় বন্দুকবাজের তাণ্ডব। নিউ ইয়র্ক শহরের রোচেস্টারে এক পার্টিতে এই গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। পুলিস জানিয়েছে, শনিবার ভোরের এই ঘটনায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছে এবং জখম হন ১৪ জন।  ...

নয়াদিল্লি: করোনা আবহে দেশজুড়ে অনলাইনে লেনদেন অনেকটাই বেড়েছে। প্রযুক্তিগত এই সুবিধার মোড়কে অনেক সময়ই আর্থিক প্রতারণার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ডিজিটাল পেমেন্টের সময় দেশবাসীকে সতর্ক থাকতে আবেদন জানালেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বেফাঁস মন্তব্যে বন্ধুর সঙ্গে মনোমালিন্য। সম্পত্তি নিয়ে ভ্রাতৃবিরোধ। সৃষ্টিশীল কাজে আনন্দ। কর্মসূত্রে দূর ভ্রমণের সুযোগ।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৮: চিত্রপরিচালক মহেশ ভাটের জন্ম
২০০৪: চিত্রপরিচালক সলিল দত্তের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  September, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আশ্বিন ১৪২৭, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, তৃতীয়া ০/২৮ প্রাতঃ ৫/৩৯ পরে চতুর্থী ৫২/২৮ রাত্রি ২/২৮। স্বাতীনক্ষত্র ৪৩/২৯ রাত্রি ১০/৫২। সূর্যোদয় ৫/২৮/১৮, সূর্যাস্ত ৫/৩১/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ গতে ৮/৪১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৭ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫৫ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ১/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৫৫ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/০ গতে ১/১ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/২৯ মধ্যে।  
৩ আশ্বিন ১৪২৭, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, তৃতীয়া দিবা ১০/২। চিত্রানক্ষত্র দিবা ৬/১৫ পরে স্বাতীনক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৩৫। সূর্যোদয় ৫/২৮, সূর্যাস্ত ৫/৩৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ গতে ৮/৪১ মধ্যে ও ১১/৪৭ গতে ২/৫৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১১/৪৯ গতে ১/২৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৫/২৮ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৪১ গতে ৪/২৮ মধ্যে। বারবেলা ১০/০ গতে ১/২ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫১ গতে ২/২৯ মধ্যে।  
মোসলেম: ২ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত পাঞ্জাবের 

07:13:06 PM

১২, ১৩ ও ১৪ অক্টোবর রাজ্যে ট্রাক ধর্মঘট 

05:37:00 PM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত?  
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

04:45:13 PM

উত্তরপ্রদেশে করোনায় আক্রান্ত আরও ৫,৮০৯ জন, মৃত ৯৪ 

04:32:47 PM

নৈহাটি কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারিত অর্জুন সিং 
ভাটপাড়ার নৈহাটি কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারিত হলেন বিজেপি ...বিশদ

04:19:31 PM

ভাঙড়ে হেরোইন সহ ধৃত দেগঙ্গার ২ কুখ্যাত দুষ্কৃতী 

03:22:00 PM