Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

 আত্মনির্ভরতার স্টিকার মারা ‘খুড়োর কল’
সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল। কোনওদিনই তাকে ছোঁয়া যাবে না। তাই চণ্ডীদাসের খুড়োর মতো কেউ যখনই আমাদের সামনে আজব একটা কল ঝুলিয়ে দেন, তা চিনতে কিন্তু আমাদের ভুল হয় না। করোনায় দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে বাড়তে একলক্ষ ছাড়িয়ে গেল। চতুর্থ লকডাউনে আমরা কি এখন সত্যিই ভরসা রাখতে পারছি? দেশের মানুষ যখন কেন্দ্রের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ, যখন সারা দেশে আওয়াজ উঠেছে, কেন্দ্রে কি কোনও সরকার আছে? তখনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি আত্মনির্ভরতার স্টিকার মারা একটা বিশাল খুড়োর কল আমাদের সামনে ঝুলিয়ে দিলেন। সে কল আবার এতবড় যে, চণ্ডীদাসের খুড়ো দেখেও লজ্জা পাবেন। করোনা পর্বের শুরু থেকেই মাঝেমাঝে তিনি দেখা দিয়ে নানা উদ্ভট পরিকল্পনার কথা জানিয়ে চলে যাচ্ছিলেন। এবারও তিনি এলেন এবং ২০ লক্ষ কোটি টাকা প্যাকেজের কথা ঘোষণা করে চলে গেলেন।
দুইয়ের পরে ক’টা শূন্য বসালে ২০ লক্ষ কোটি টাকা হয়? টাকার যে পরিমাণ, তাতে এমনিতেই মাথা ঘুরে যাবে। মনে হবে দেশের মানুষের স্বার্থে কী বিরাট পদক্ষেপ! আসলে সবটাই ভঙ্গি দিয়ে চোখ ভোলানোর একটা প্রক্রিয়া। এবার সেই কাজটি করতে দেশের অর্থমন্ত্রীকে পাঁচদিনের টেস্ট ম্যাচ খেলতে নামতে হল। পাঁচদিন ধরে সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্তর উদ্যোগের কথা জানাতে হয়েছে তাঁকে। অনেক ঘাম ঝরিয়ে, অনেক হিসেবের ফিরিস্তি দিয়েও কিন্তু মানুষের মন জয় করা গেল না। আসলে ভঙ্গি দিয়ে চোখ ভোলানোর অভ্যাসটা এই সরকারের কাছে নতুন কিছু নয়। এই প্রক্রিয়া মোদি সরকার তাঁর প্রথম অভিষেকের পর থেকেই করে আসছে। বারবার দেখা গিয়েছে, কাজের থেকে লোকদেখানো ব্যাপারটাই বড় হয়ে দাঁড়ায়। প্রথম প্রথম সাধারণ মানুষের চমক লাগে বটে, কিন্তু আখেরে সেই অন্তঃসারশূন্য খেলা ধরা পড়ে যায়। প্রথমত, এই যে এত টাকার প্যাকেজ বলে ঘোষণা হল, তার পুরোটা মোটেই নতুন ঘোষণা নয়। বাজেটের ঘোষণার অনেক বরাদ্দ এখানে ঢুকে গিয়ে পরিমাণে গৌরব বৃদ্ধি করেছে। অর্থাৎ টাকার পরিমাণ দেখিয়ে প্রথমেই মানুষের মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার একটা সহজ ফিকির। একে করোনায় মানুষ আতঙ্কিত, তার খাবার নেই, পকেটে টাকা নেই। তাই তাকে ছেঁড়া কাঁথায় কোটি কোটি টাকার স্বপ্নে বুঁদ করে দাও। ডিমানিটাইজেশনের স্বপ্ন, জিএসটির স্বপ্ন, এনআরসির স্বপ্ন দেখতে দেখতেই বাস্তবে আমরা দেখেছি টাকার পতন, অর্থনীতির ধস, দেশের অশান্তির বাতাবরণ সৃষ্টি ইত্যাদি। ততদিনে বুক ফোলানো সরকার চুপসে গিয়েছে। একের পর এক ধাক্কায় টলোমলো গেরুয়া শিবির।
তখনই এল করোনা পর্ব। দেখা গেল লকডাউন ঘোষণা করা ছাড়া সরকারের আর কোনও কাজই রইল না। রাজ্যগুলি ঝাঁপিয়ে পড়ে যে ভূমিকা পালন করেছে, সেখানে কেন্দ্র সরকার দর্শক মাত্র। রাজ্যগুলি মাস্ক, পিপিই, স্যানিটাইজার চেয়ে চেয়ে হন্যে। কেন্দ্র সময়মতো সেসব সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন ক্রমেই করোনার হানাদারি বাড়ছে। এই সঙ্কটকালে দাঁড়িয়ে কেন্দ্র যে প্যাকেজ ঘোষণা করল, তার সঙ্গে সরাসরি করোনার লড়াইয়ের যোগ নেই। সাধারণ মানুষের দুর্দশা ঘোচানোর দিশা নেই। কোটি কোটি সাধারণ মানুষ, যাঁরা শতশত মাইল হেঁটে বাড়ি ফিরছে, তাঁদের দিকে সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কোনও অভিপ্রায়ই এই প্যাকেজে নেই। মমত্ব নেই, সহমর্মিতা নেই। কেনই বা ওইসব মজদুরদের প্রতি সহানুভূতি থাকবে? ওরা তো কেন্দ্রীয় সরকারের মুখে কালি ছিটিয়ে দিয়েছে। সমস্ত মিডিয়াজুড়ে এখন ওদের কান্না আর হাহাকারের গল্প। ওদের সেই সব গল্প খুলে দিয়েছে সরকারের মিথ্যে জনদরদী সাজার মুখোশটা। দেশের মানুষ দেখেছে, কী অসহায় অবস্থা ওদের। পেটে খাবার নেই। কিন্তু পুলিসের লাঠি খেতে হচ্ছে। কেউ ট্রেনে কাটা পড়ছে, কাউকে গাড়ি ধাক্কা মেরে চলে যাচ্ছে। কারও শিশু, বাবা, মা পথের উপরই মারা যাচ্ছে। রাস্তার উপরেই কোনও মা সন্তানের জন্ম দিয়ে আবার হাঁটতে শুরু করছে। অসহায় একটা দেশ হাঁটছে। ওদের পাশে মোদিজি নেই। যে মোদিজি, অমিতজি বাড়ি বাড়ি দলের লোক পাঠিয়ে প্রত্যেক নাগরিকের কাগজ দেখতে চেয়েছিলেন, আমরা ভেবেছিলাম গেরুয়া বাহিনীর সেই কট্টর ক্যাডাররা এই দুঃসময়ে বেরিয়ে আসবেন মানুষের সামনে। সরকারের সহমর্মিতার স্পর্শ পৌঁছে দেবে ওদের কাছে। কিন্তু কেউ আসেননি। আসলে শ্রীরামচন্দ্রের বিশাল মূর্তি তৈরির আগ্রহটুকুর গণ্ডিতেই ওঁরা আটকে রয়েছেন, শ্রীরামচন্দ্রের ক্ষমাসহিষ্ণু মানসিকতা বা প্রজাপালনের আদর্শটুকু ওঁদের নেই। তাই ওঁদের নাইট কার্ফু ঘোষণা করতে হয়। কেন নাইট কার্ফু? তার কোনও যথার্থ ও যুক্তিগ্রাহ্য জবাব না থাকলেও বোঝা যায়, রাতে ওদের পথ হাঁটা বন্ধ করতে চায় সরকার। রৌদ্রদগ্ধ দিন এড়িয়ে ওরা চেষ্টা করত রাতের শীতলতাটুকুর স্বস্তিস্পর্শ নিয়ে পথ হাঁটতে। তাই ওদের রাতে হাঁটা বন্ধ করা হোক। এখন কেউ রাতে হাঁটলে তাকে থামাতেই হবে। প্রয়োজনে বলপ্রয়োগও করা হবে। রাতে ওদের ওপর বলপ্রয়োগ হলে, যেন তার কোনও সাক্ষী না থাকে। অদ্ভুত এই নাইট কার্ফু। অর্থাৎ এই নাইট কার্ফু যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। হায়রে, কী নির্মম মানসিকতা!
আবার ঋণ হিসেবে যেটা দেওয়া হচ্ছে, সেটা কতটা কাজে লাগবে, সে বিষয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। মানুষের হাতে যদি পয়সা না থাকে, তাহলে তার ক্রয়ক্ষমতা কমবে। ক্রয়ক্ষমতা কমলে উৎপাদনও কমতে বাধ্য। সেখানে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করে কতটা সাফল্য আসবে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। সামনে আরও সঙ্কটময় দিন। তার সামনে দাঁড়িয়ে সরকারের কাছ থেকে আরও একটু দূরদৃষ্টি মানুষ আশা করেছিল।
এই প্যাকেজ হল বহুমুখী এক খেলা। আমরা দেখতে পেলাম, করোনা সঙ্কটের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কেন্দ্র দেশের সব বেচে দেওয়ার খেলায় মেতে উঠেছে। কুড়ি লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করার আড়ালে সরকারের যে অভিপ্রায়টা লুকিয়ে ছিল, তা বেরিয়ে এসেছে। সব দরজা খুলে দেশকে এই সরকার ঠেলে দিল বেসরকারিকরণের পথে। এমন একটা সময়ে সেটা করল যখন সংসদ চালু নেই। কোনও আলোচনার দরকার নেই। অর্থাৎ সরকার একতরফাভাবে যে ঘোষণাটুকু করল, তার মধ্যে জড়িয়ে আছে একনায়কতন্ত্রের ছায়া। দেশের এতবড় ঘোষণায় কারও সঙ্গে আলোচনাটুকু পর্যন্ত করা হল না। সব বিক্রি হয়ে গেলে কিন্তু আমাদের দেশের গোপনীয়তা বলে আর কিছু থাকবে না। সমস্ত দেশটাই হয়ে উঠবে দেওয়াল ছাড়া একটা ঘর। সবাই দেখবে, আমরা কী করছি। অর্থাৎ কোথায় আমাদের কী আছে, কী নিয়ে গবেষণা করছি, সবটাই অন্যেরা নিমেষে জেনে যাবে। মানুষের ভোটের বিনিময়ে ক্ষমতায় আসা এই সরকার এখন নেহাতই বেচারাম ছাড়া আর কিছুই নয়।
তবে একটা উল্লেখযোগ্য দিক অবশ্যই আছে। একশো দিনের কাজে বরাদ্দ বাড়ানো। বৃদ্ধির পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা। সেটা কতটা কীভাবে কাজে লাগবে, দেখা যাক। দেশের ১২ কোটি মানুষের মধ্যে এই বরাদ্দ বাড়িয়ে দিলে মাথাপিছু বার্ষিক আয় বাড়বে সাড়ে তিন হাজার টাকার মতো। অর্থাৎ মাসিক আয় বৃদ্ধি তিনশো টাকার মতো। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, এই ঘোষণা আসলে শূন্য গর্ভ কলসির ঢক্কানিনাদ। বোঝাই যাচ্ছে, সরকারের এই ঘোষণা শুধুমাত্র রাজনৈতিক অভিসন্ধি পূরণ করার একটা পদক্ষেপ মাত্র।
সেদিনের আবির্ভাবে মোদিজি বারবার ‘আত্মনির্ভর’ কথাটা উচ্চারণ করেছেন। ৩২ মিনিটের মধ্যে তিনি ২৯ বার ‘আত্মনির্ভর’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। তার মানে কি সরকারের উপর বেশি নির্ভরশীল হতে নিষেধ করছেন? মানুষকে আত্মনির্ভর হওয়ার শিক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বারবার দেশের মানুষ প্রমাণ করেছে, তারা যথেষ্ট আত্মনির্ভর। মাসে দু’হাজার টাকাতেই পরিবার নিয়ে আত্মনির্ভরতার সঙ্গে এবং আত্মসম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে দেশের বহু মানুষ। ডিমানিটাইজেশনের সময় মানুষ লক্ষ্মীর ভাঁড়ের জমানো টাকা বের করে কষ্টের সঙ্গে সংসার চালিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে, তারা কতটা আত্মনির্ভরশীল। বরং সাধারণ মানুষের থেকেই শিক্ষা নিন রাজনীতিকরা, মন্ত্রীরা। এই যে মোদিজির এত বিদেশ যাত্রা, সে কিন্তু দেশের মানুষের পয়সাতেই। পরজীবী কেউ যখন আত্মনির্ভরতার কথা বলেন, তখন মনে হয় পুরো সিরিয়াস একটা নাটক কুশীলবদের ভ্রান্তিতে কমেডিতে পরিণত হয়ে গেল। দেশের ট্রাজিক স্রোতের মধ্যে সরকারের ভূমিকা যেন কমেডিয়ানের মতোই। শুধুই হাসির খোরাক।
20th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
এমনটা তো হওয়ার ছিল না
তন্ময় মল্লিক

 একটু বেশি রোজগারের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন মালদহের রাজেশ মাহাত। গিয়েছিলেন ওড়িশায়। কিন্তু, ঘর তৈরির কাজে হাত দেওয়ার আগেই লকডাউন। রাজেশের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল। বুঝেছিলেন, সেখানে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে।
বিশদ

16th  May, 2020
জানা অজানার রাষ্ট্র
সমৃদ্ধ দত্ত

রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে, প্রত্যেক দেশবাসীকে আরোগ্য সেতু অ্যাপ মোবাইলে ডাউনলোড করতে হবে। আরোগ্য সেতু অ্যাপ না থাকলে ট্রেনে যাত্রা করতে দেওয়া হবে না। বিমানে উঠতে দেওয়া হবে না। অ্যাপ ডাউনলোড করা যায় কোন ফোনে? স্মার্ট ফোনে।
বিশদ

15th  May, 2020
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানে চাই
দেশজুড়ে নানা ধরনের শিল্পের বিকেন্দ্রীকরণ
হারাধন চৌধুরী

 প্রধানমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন, আগামী দিনে পৃথিবী চিহ্নিত হবে ‘করোনা-পূর্ব’ এবং ‘করোনা-পরবর্তী’ হিসেবে। দেশের প্রেক্ষাপটে তিনি যেটা বলেননি তা হল ‘করোনা-মধ্যবর্তী ভারত’। দেশবাসীর মনে সবচেয়ে বড় যে ক্ষতটা রয়ে যাবে, সেটাই চিহ্নিত হবে ওই নামে।
বিশদ

14th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হ্যাকারদের কাজে লাগিয়ে করোনা-ভ্যাকসিনের ফর্মুলা হাতাতে মরিয়া চীন। খোদ ইন্টারপোল এই তথ্য জানিয়েছে এদেশের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইকে। এটা জানার পরই সিবিআই সতর্ক করেছে এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে নিয়োজিত গবেষণাগারগুলিকে।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৪৯ জন আক্রান্ত হলেন নোভেল করোনায়। মারা গেলেন আরও ৬ জন। এর মধ্যে কলকাতার ৪ জন রয়েছেন এবং বাকিরা ...

সংবাদদাতা, কান্দি: সোমবার সকালে খড়গ্রাম থানার পুড্ডা গ্রামের মাঠে ধান কাটতে যাওয়ার সময় বাইকের ধাক্কায় মারাত্মকভাবে জখম হলেন এক চাষি। দুর্ঘটনার পর বছর ৪০-এর জখম চাষি গোপাল মণ্ডলকে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সানরাইজ ফুডস প্রাইভেট লিমিটেডের ১০০ শতাংশ ইক্যুইটি শেয়ার কিনে নেওয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হল আইটিসি লিমিটেড। গত ৭০ বছর ধরে ব্যবসা করে আসছে সানরাইজ, যা গুঁড়ো মশলার বাজারে পূর্ব ভারতের অন্যতম সেরা ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিতি পেয়ে এসেছে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর নিয়ে চিন্তায় থাকতে হবে। মাথা ও কোমরে সমস্যা হতে পারে। উপার্জন ভাগ্য শুভ নয়। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১২৯৩: জাপানে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃত্যু হয় ৩০ হাজার মানুষের
১৮৯৭: ব্রাম স্টোকারের উপন্যাস ড্রাকুলা প্রকাশিত হয়
১৯৪৫: মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিলাসরাও দেশমুখের জন্ম
১৯৪৯: মার্কিন কম্পিউটার প্রোগামিং বিশেষজ্ঞ ওয়ার্ড কানিংহামের জন্ম। তিনিই উইকিপিডিয়ার প্রথম সংস্করণ বের করেছিলেন
১৯৭৭: ইতালির ফুটবলার লুকা তোনির জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৪.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯০.৮৮ টাকা
ইউরো ৯০.৮৮ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  May, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া ৫০/৫৪ রাত্রি ১/১৯। মৃগশিরানক্ষত্র ৩/২ প্রাতঃ ৬/১০। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০/৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/২ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩২ মধ্যে । কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।  
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া রাত্রি ১২/০। মৃগশিরানক্ষত্র প্রাতঃ৫/৩৩। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১২। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে ও ২/৫৩ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৪ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।  
১ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কাস্টমার সার্ভিসে আমাদের সুনাম রয়েছে: সিইএসসি 

04:46:27 PM

যে কোনও দুর্যোগেই সমন্বয় রেখে কাজ করতে হয়: সিইএসসি 

04:44:16 PM

আজ মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূমে বৃষ্টির সম্ভাবনা 

04:44:00 PM

পুরসভার সঙ্গে সমন্বয়ের সমস্যা নেই: সিইএসসি 

04:43:40 PM

প্রায় ১৫০টি টিম কাজ করছে: সিইএসসি 

04:41:27 PM

বেহালা, সার্ভে পার্কে কাজ চলছে: সিইএসসি 

04:38:08 PM