Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

 আত্মনির্ভরতার স্টিকার মারা ‘খুড়োর কল’
সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল। কোনওদিনই তাকে ছোঁয়া যাবে না। তাই চণ্ডীদাসের খুড়োর মতো কেউ যখনই আমাদের সামনে আজব একটা কল ঝুলিয়ে দেন, তা চিনতে কিন্তু আমাদের ভুল হয় না। করোনায় দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে বাড়তে একলক্ষ ছাড়িয়ে গেল। চতুর্থ লকডাউনে আমরা কি এখন সত্যিই ভরসা রাখতে পারছি? দেশের মানুষ যখন কেন্দ্রের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ, যখন সারা দেশে আওয়াজ উঠেছে, কেন্দ্রে কি কোনও সরকার আছে? তখনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি আত্মনির্ভরতার স্টিকার মারা একটা বিশাল খুড়োর কল আমাদের সামনে ঝুলিয়ে দিলেন। সে কল আবার এতবড় যে, চণ্ডীদাসের খুড়ো দেখেও লজ্জা পাবেন। করোনা পর্বের শুরু থেকেই মাঝেমাঝে তিনি দেখা দিয়ে নানা উদ্ভট পরিকল্পনার কথা জানিয়ে চলে যাচ্ছিলেন। এবারও তিনি এলেন এবং ২০ লক্ষ কোটি টাকা প্যাকেজের কথা ঘোষণা করে চলে গেলেন।
দুইয়ের পরে ক’টা শূন্য বসালে ২০ লক্ষ কোটি টাকা হয়? টাকার যে পরিমাণ, তাতে এমনিতেই মাথা ঘুরে যাবে। মনে হবে দেশের মানুষের স্বার্থে কী বিরাট পদক্ষেপ! আসলে সবটাই ভঙ্গি দিয়ে চোখ ভোলানোর একটা প্রক্রিয়া। এবার সেই কাজটি করতে দেশের অর্থমন্ত্রীকে পাঁচদিনের টেস্ট ম্যাচ খেলতে নামতে হল। পাঁচদিন ধরে সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্তর উদ্যোগের কথা জানাতে হয়েছে তাঁকে। অনেক ঘাম ঝরিয়ে, অনেক হিসেবের ফিরিস্তি দিয়েও কিন্তু মানুষের মন জয় করা গেল না। আসলে ভঙ্গি দিয়ে চোখ ভোলানোর অভ্যাসটা এই সরকারের কাছে নতুন কিছু নয়। এই প্রক্রিয়া মোদি সরকার তাঁর প্রথম অভিষেকের পর থেকেই করে আসছে। বারবার দেখা গিয়েছে, কাজের থেকে লোকদেখানো ব্যাপারটাই বড় হয়ে দাঁড়ায়। প্রথম প্রথম সাধারণ মানুষের চমক লাগে বটে, কিন্তু আখেরে সেই অন্তঃসারশূন্য খেলা ধরা পড়ে যায়। প্রথমত, এই যে এত টাকার প্যাকেজ বলে ঘোষণা হল, তার পুরোটা মোটেই নতুন ঘোষণা নয়। বাজেটের ঘোষণার অনেক বরাদ্দ এখানে ঢুকে গিয়ে পরিমাণে গৌরব বৃদ্ধি করেছে। অর্থাৎ টাকার পরিমাণ দেখিয়ে প্রথমেই মানুষের মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার একটা সহজ ফিকির। একে করোনায় মানুষ আতঙ্কিত, তার খাবার নেই, পকেটে টাকা নেই। তাই তাকে ছেঁড়া কাঁথায় কোটি কোটি টাকার স্বপ্নে বুঁদ করে দাও। ডিমানিটাইজেশনের স্বপ্ন, জিএসটির স্বপ্ন, এনআরসির স্বপ্ন দেখতে দেখতেই বাস্তবে আমরা দেখেছি টাকার পতন, অর্থনীতির ধস, দেশের অশান্তির বাতাবরণ সৃষ্টি ইত্যাদি। ততদিনে বুক ফোলানো সরকার চুপসে গিয়েছে। একের পর এক ধাক্কায় টলোমলো গেরুয়া শিবির।
তখনই এল করোনা পর্ব। দেখা গেল লকডাউন ঘোষণা করা ছাড়া সরকারের আর কোনও কাজই রইল না। রাজ্যগুলি ঝাঁপিয়ে পড়ে যে ভূমিকা পালন করেছে, সেখানে কেন্দ্র সরকার দর্শক মাত্র। রাজ্যগুলি মাস্ক, পিপিই, স্যানিটাইজার চেয়ে চেয়ে হন্যে। কেন্দ্র সময়মতো সেসব সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন ক্রমেই করোনার হানাদারি বাড়ছে। এই সঙ্কটকালে দাঁড়িয়ে কেন্দ্র যে প্যাকেজ ঘোষণা করল, তার সঙ্গে সরাসরি করোনার লড়াইয়ের যোগ নেই। সাধারণ মানুষের দুর্দশা ঘোচানোর দিশা নেই। কোটি কোটি সাধারণ মানুষ, যাঁরা শতশত মাইল হেঁটে বাড়ি ফিরছে, তাঁদের দিকে সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কোনও অভিপ্রায়ই এই প্যাকেজে নেই। মমত্ব নেই, সহমর্মিতা নেই। কেনই বা ওইসব মজদুরদের প্রতি সহানুভূতি থাকবে? ওরা তো কেন্দ্রীয় সরকারের মুখে কালি ছিটিয়ে দিয়েছে। সমস্ত মিডিয়াজুড়ে এখন ওদের কান্না আর হাহাকারের গল্প। ওদের সেই সব গল্প খুলে দিয়েছে সরকারের মিথ্যে জনদরদী সাজার মুখোশটা। দেশের মানুষ দেখেছে, কী অসহায় অবস্থা ওদের। পেটে খাবার নেই। কিন্তু পুলিসের লাঠি খেতে হচ্ছে। কেউ ট্রেনে কাটা পড়ছে, কাউকে গাড়ি ধাক্কা মেরে চলে যাচ্ছে। কারও শিশু, বাবা, মা পথের উপরই মারা যাচ্ছে। রাস্তার উপরেই কোনও মা সন্তানের জন্ম দিয়ে আবার হাঁটতে শুরু করছে। অসহায় একটা দেশ হাঁটছে। ওদের পাশে মোদিজি নেই। যে মোদিজি, অমিতজি বাড়ি বাড়ি দলের লোক পাঠিয়ে প্রত্যেক নাগরিকের কাগজ দেখতে চেয়েছিলেন, আমরা ভেবেছিলাম গেরুয়া বাহিনীর সেই কট্টর ক্যাডাররা এই দুঃসময়ে বেরিয়ে আসবেন মানুষের সামনে। সরকারের সহমর্মিতার স্পর্শ পৌঁছে দেবে ওদের কাছে। কিন্তু কেউ আসেননি। আসলে শ্রীরামচন্দ্রের বিশাল মূর্তি তৈরির আগ্রহটুকুর গণ্ডিতেই ওঁরা আটকে রয়েছেন, শ্রীরামচন্দ্রের ক্ষমাসহিষ্ণু মানসিকতা বা প্রজাপালনের আদর্শটুকু ওঁদের নেই। তাই ওঁদের নাইট কার্ফু ঘোষণা করতে হয়। কেন নাইট কার্ফু? তার কোনও যথার্থ ও যুক্তিগ্রাহ্য জবাব না থাকলেও বোঝা যায়, রাতে ওদের পথ হাঁটা বন্ধ করতে চায় সরকার। রৌদ্রদগ্ধ দিন এড়িয়ে ওরা চেষ্টা করত রাতের শীতলতাটুকুর স্বস্তিস্পর্শ নিয়ে পথ হাঁটতে। তাই ওদের রাতে হাঁটা বন্ধ করা হোক। এখন কেউ রাতে হাঁটলে তাকে থামাতেই হবে। প্রয়োজনে বলপ্রয়োগও করা হবে। রাতে ওদের ওপর বলপ্রয়োগ হলে, যেন তার কোনও সাক্ষী না থাকে। অদ্ভুত এই নাইট কার্ফু। অর্থাৎ এই নাইট কার্ফু যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। হায়রে, কী নির্মম মানসিকতা!
আবার ঋণ হিসেবে যেটা দেওয়া হচ্ছে, সেটা কতটা কাজে লাগবে, সে বিষয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। মানুষের হাতে যদি পয়সা না থাকে, তাহলে তার ক্রয়ক্ষমতা কমবে। ক্রয়ক্ষমতা কমলে উৎপাদনও কমতে বাধ্য। সেখানে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করে কতটা সাফল্য আসবে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। সামনে আরও সঙ্কটময় দিন। তার সামনে দাঁড়িয়ে সরকারের কাছ থেকে আরও একটু দূরদৃষ্টি মানুষ আশা করেছিল।
এই প্যাকেজ হল বহুমুখী এক খেলা। আমরা দেখতে পেলাম, করোনা সঙ্কটের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কেন্দ্র দেশের সব বেচে দেওয়ার খেলায় মেতে উঠেছে। কুড়ি লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করার আড়ালে সরকারের যে অভিপ্রায়টা লুকিয়ে ছিল, তা বেরিয়ে এসেছে। সব দরজা খুলে দেশকে এই সরকার ঠেলে দিল বেসরকারিকরণের পথে। এমন একটা সময়ে সেটা করল যখন সংসদ চালু নেই। কোনও আলোচনার দরকার নেই। অর্থাৎ সরকার একতরফাভাবে যে ঘোষণাটুকু করল, তার মধ্যে জড়িয়ে আছে একনায়কতন্ত্রের ছায়া। দেশের এতবড় ঘোষণায় কারও সঙ্গে আলোচনাটুকু পর্যন্ত করা হল না। সব বিক্রি হয়ে গেলে কিন্তু আমাদের দেশের গোপনীয়তা বলে আর কিছু থাকবে না। সমস্ত দেশটাই হয়ে উঠবে দেওয়াল ছাড়া একটা ঘর। সবাই দেখবে, আমরা কী করছি। অর্থাৎ কোথায় আমাদের কী আছে, কী নিয়ে গবেষণা করছি, সবটাই অন্যেরা নিমেষে জেনে যাবে। মানুষের ভোটের বিনিময়ে ক্ষমতায় আসা এই সরকার এখন নেহাতই বেচারাম ছাড়া আর কিছুই নয়।
তবে একটা উল্লেখযোগ্য দিক অবশ্যই আছে। একশো দিনের কাজে বরাদ্দ বাড়ানো। বৃদ্ধির পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা। সেটা কতটা কীভাবে কাজে লাগবে, দেখা যাক। দেশের ১২ কোটি মানুষের মধ্যে এই বরাদ্দ বাড়িয়ে দিলে মাথাপিছু বার্ষিক আয় বাড়বে সাড়ে তিন হাজার টাকার মতো। অর্থাৎ মাসিক আয় বৃদ্ধি তিনশো টাকার মতো। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, এই ঘোষণা আসলে শূন্য গর্ভ কলসির ঢক্কানিনাদ। বোঝাই যাচ্ছে, সরকারের এই ঘোষণা শুধুমাত্র রাজনৈতিক অভিসন্ধি পূরণ করার একটা পদক্ষেপ মাত্র।
সেদিনের আবির্ভাবে মোদিজি বারবার ‘আত্মনির্ভর’ কথাটা উচ্চারণ করেছেন। ৩২ মিনিটের মধ্যে তিনি ২৯ বার ‘আত্মনির্ভর’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। তার মানে কি সরকারের উপর বেশি নির্ভরশীল হতে নিষেধ করছেন? মানুষকে আত্মনির্ভর হওয়ার শিক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বারবার দেশের মানুষ প্রমাণ করেছে, তারা যথেষ্ট আত্মনির্ভর। মাসে দু’হাজার টাকাতেই পরিবার নিয়ে আত্মনির্ভরতার সঙ্গে এবং আত্মসম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে দেশের বহু মানুষ। ডিমানিটাইজেশনের সময় মানুষ লক্ষ্মীর ভাঁড়ের জমানো টাকা বের করে কষ্টের সঙ্গে সংসার চালিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে, তারা কতটা আত্মনির্ভরশীল। বরং সাধারণ মানুষের থেকেই শিক্ষা নিন রাজনীতিকরা, মন্ত্রীরা। এই যে মোদিজির এত বিদেশ যাত্রা, সে কিন্তু দেশের মানুষের পয়সাতেই। পরজীবী কেউ যখন আত্মনির্ভরতার কথা বলেন, তখন মনে হয় পুরো সিরিয়াস একটা নাটক কুশীলবদের ভ্রান্তিতে কমেডিতে পরিণত হয়ে গেল। দেশের ট্রাজিক স্রোতের মধ্যে সরকারের ভূমিকা যেন কমেডিয়ানের মতোই। শুধুই হাসির খোরাক।
20th  May, 2020
একুশের নির্বাচন ও জোড়া কালিদাস
ব্রাত্য বসু

তাহলে তৃণমূলকে অচ্ছুৎ ভাবার কারণ কী? সাধারণ মানুষের নেত্রী মমতার বিরুদ্ধে এলিটের ঘৃণা, নারীর প্রতি পুরুষতান্ত্রিকতার বিদ্বেষ নাকি ওই চৌত্রিশ বছরের মৌরসিপাট্টা হারানোর দগদগে জ্বালা? কোনটা? বিশদ

লড়াই এবার নেমে এসেছে রণভূমিতে
সন্দীপন বিশ্বাস

সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের লড়াই ছিল একটা রক্তচক্ষু, বাহুবলী, উদ্ধত শাসকের ভুল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মানুষের সম্মিলিত লড়াই। সেই লড়াইটার সেদিন নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ইতিহাস কোনওভাবেই মুছে ফেলা যাবে না। বিশদ

02nd  December, 2020
প্রতিষ্ঠানের থেকে বড় কেউ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। যার নেপথ্যে রয়েছে সংগ্রামী অতীত। তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশদ

01st  December, 2020
ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

30th  November, 2020
আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। বিশদ

28th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
একনজরে
বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশ মেনে কলেজগুলি স্নাতক স্তরের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা নিচ্ছে। তবে পুরনো ছাত্রছাত্রীদের ডেকে পাঠাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে তারা। ...

ম্যাচ শেষে দেখা গেল দুই শিবিরেই বইছে খুশির হাওয়া। অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা সিরিজ জিতে হাসছেন। আর ভারতীয় ক্রিকেটারদের মুখে চওড়া হাসি হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে পেরে। পার্থক্য ...

লাদাখের গলওয়ানে ভারতীয় সেনাদের উপর চীনের হামলা ছিল পূর্ব পরিকল্পিত। মার্কিন কংগ্রেসে পেশ হওয়া নয়া রিপোর্টে এমনই দাবি করা হয়েছে। ...

বাড়ি তৈরির হ্যাপা অনেক। সাধারণ মানুষের পক্ষে সেই ঝামেলা সামলে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন। বাড়ির ভিত তৈরি থেকে শুরু করে গৃহপ্রবেশ পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে আছে নানা অনিশ্চয়তা, হরেক প্রশ্ন ও অপ্রত্যাশিত খরচ। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
১৮৮২: চিত্রশিল্পী নন্দলাল বসুর জন্ম
১৮৮৯: বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর জন্ম
১৯৫৬: সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৭৯: হকির জাদুকর ধ্যানচাঁদের মৃত্যু
১৯৮২: কবি বিষ্ণু দে’র মৃত্যু
২০১১: অভিনেতা দেব আনন্দের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৯২ টাকা ৭৪.৬৩ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৯১ টাকা ১০০.৩৪ টাকা
ইউরো ৮৭.৩৯ টাকা ৯০.৫৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৭৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,২২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,৯৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২০, তৃতীয়া ৩৩/২৫ রাত্রি ৭/২৭। আদ্রা নক্ষত্র ১৫/৪০ দিবা ১২/২১। সূর্যোদয় ৬/৫/২১, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৯ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ৩/২৫ মধ্যে পুনঃ ৪/১৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৭ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/২৬ গতে ১/৬ মধ্যে।  
 ১৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২০, তৃতীয়া রাত্রি ৫/৪০। আদ্রা নক্ষত্র দিবা ১১/৪১। সূর্যোদয় ৬/৭, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ মধ্যে ও ১/২১ গতে ২/৪৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৭ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১২/২ গতে ৩/৩৭ মধ্যে ও ৪/৩১ গতে ৬/৭ মধ্যে। কালবেলা ২/৮ গতে ৪/৪৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/২৭ গতে ১/৭ মধ্যে। 
১৭ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে ১-০ গোলে জয়ী এটিকে মোহন বাগান

09:29:31 PM

আইএসএল: এটিকে মোহন বাগান ০- ওড়িশা এফসি ০ (প্রথমার্ধ)

08:23:48 PM

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কামারহাটি মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষার
রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল তিনজন চিকিৎসকের। আজ, বৃহস্পতিবার ...বিশদ

05:38:00 PM

রেলের কাছে ৩৪ কোটি টাকা ফেরত চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী 

04:53:00 PM

মাঝেরহাট সেতুর উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

04:53:00 PM

নতুন ব্রিজের বহন ক্ষমতা ৩৫০ টন 

04:52:00 PM