Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে। বক্স খুলে সারাই করা গেলে ভালো, না হলে খুঁটিতে চড়া... সেটাও অবশ্য অবলীলায় পারেন ঊষা। তরতর করে বেয়ে উঠে যাওয়া, তারপর খুঁটির মাথার দু’পাশে বেরিয়ে থাকা অংশে পা সেট করে বসে স্ক্রু-ডাইভার বের করা। এই কাজটাই ভালো জানেন ঊষা। আর জানেন, এটা বন্ধ হয়ে গেলে আজ বাদে কাল পেট চলবে না। তাই টিভিতে যখন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন হাইভোল্টেজ ২০ লক্ষ কোটির প্যাকেজ নিয়ে ‘অতিদীর্ঘ’ বক্তৃতা দেন, তখনও তাঁর নজর থাকে কোনও এক মিটার বক্সে। আর হ্যাঁ, মাস্ক নেই তার। হয়তো বাড়তি খরচ...।
শ্রুতি সিং ডাক্তার। টানা কয়েকদিন বেশ টেনশনে ছিলেন... পিপিই পাওয়া যাচ্ছিল না। কিন্তু হাসপাতালটা যে কোভিড! প্রতি মুহূর্তে ভাবনা... হয়ে গেল না তো? শনিবার ট্যুইটারে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। পিপিই পরা অবস্থায়। অবশেষে মিলেছে। লিখেছেন, ‘ব্যাগটার মধ্যে শূয়োরের মতো ঘামছি। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে।’ তাও থাম্বস আপ... আর টেনশন নেই তাঁর। অক্লান্ত পরিশ্রমেও না...। তিনি কি জানেন, দিল্লি পুরসভার ডাক্তাররা গত তিন মাস বেতন পাননি!
২০ লক্ষ কোটি। জিডিপির ১০ শতাংশ। অনেকগুলো টাকা। ভীষণ ভারী একটা অঙ্ক। আর তার থেকেও জটিল নির্মলা সীতারামনের পাঁচ দিনের ঘোষণা। ঘণ্টাখানেক টিভির সামনে বসে যদি ঊষা এই জ্ঞানগর্ভ বক্তৃতা পাঁচদিন ধরে শুনতেন, তাহলে কিন্তু তাঁর সংসার চলত না! আর তাঁর আশায় সেই সময়টা বসে থাকতে হতো বহু মানুষকে... বিনা বিদ্যুতে। শ্রুতিরও কি রোগী ছেড়ে টিভির সামনে বসে থাকলে চলবে? তাই তিনিও পারেন না। তাঁর জীবিকা যে মানুষকে জীবনের প্রান্ত থেকে ফিরিয়ে আনে মূল স্রোতে! কিন্তু ঊষা, শ্রুতিরা হয়তো আশা করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী রাত ৮টার সময় জাতির উদ্দেশে ভাষণে যখন এত কথা বলেছেন, তার মানে এবার কিছু একটা পাওয়া যাবে।
নির্মলা বললেন। একদিন, দু’দিন...পাঁচদিন। তাঁরা ভাবলেন, আজ হল না... কাল নিশ্চয়ই মিলবে। যে সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে আমরা যাচ্ছি, তাকে মোকাবিলা করার মতো শক্তি। সামান্যই হোক না! শুধু কথায় যে পেট ভরছে না! বেশি কিছু নয়, লকডাউনে স্তব্ধ দেশের মাটিতে বেঁচে থাকার মতো কিছু সংস্থান। অনেক ঘোষণা করলেন নির্মলা। মানুষ শুনল, তারপর ভাবল... প্রধানমন্ত্রীর কাজকর্মের ঢালাও ফিরিস্তির বাইরে আর কী পেলাম? সরকার বাহাদুর সঙ্গে সঙ্গে বুঝিয়ে দিল... আরে পেলে তো! কোটি কোটি টাকা ঋণের সংস্থান। বাঁচতে হলে লোন করো। সুদ আমরা দেব। আমরা ভাবলাম, এ তো বেশ ভালো ব্যাপার! কত টাকা লোন পাওয়া যাবে? নির্মলা জানিয়েছেন, মুদ্রা শিশু প্রকল্পে লোন করলে ১২ মাস ধরে ২ শতাংশ সুদ সরকার দেবে। অর্থাৎ, বসে না থেকে ব্যবসা করুন। তার জন্য ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যাবে। ওই টাকায় ঠিক কেমন ‘বাণিজ্য’ হবে, বলা মুশকিল। তাও ধরা যাক, আপনি ৫০ হাজার টাকারই লোন করলেন স্টেট ব্যাঙ্ক থেকে। ন্যূনতম সুদ ১০.৬৫ শতাংশ। অর্থাৎ হিসেব কষে দেখলে মাসের শুরুতে সরকার খুব বেশি হলে আপনার জন্য দেবে সাড়ে ৮ টাকারও কম (২ শতাংশ)। রান্নাঘরে বাজার নেই, পেটে খাবার নেই... এমন একটা অবস্থায় ঘাড়ের উপর ঋণের বোঝা চাপিয়ে খুব লাভ হবে কি?
আর একটা ঘোষণায় আসা যাক। বেসরকারি ক্ষেত্রে যাঁদের বেতন থেকে প্রভিডেন্ড ফান্ড কাটা হয়, তাঁদের জন্য সুবিধা। বলা হচ্ছে, ১২ শতাংশ নয়, কয়েক মাস ১০ শতাংশ টাকা পিএফের জন্য কাটা হবে। অর্থাৎ বাকি ২ শতাংশ টাকা কর্মীরা বাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন। এবার প্রশ্ন, টাকাটা কার? সরকারের তো নয়! সেটা আপনার-আমার টাকা। যা ভবিষ্যতে অবসরপ্রাপ্ত জীবনের জন্য সরকারের ঘরে জমা থাকত, সেটাই আজ আমরা বাড়ি নিয়ে যাব। সরকার কিন্তু কিছু দিল না! বরং এই দুই শতাংশের প্রভাবটা পড়বে আমাদের পিএফ অ্যাকাউন্টে। অর্থাৎ, সঞ্চয়ে ধাক্কা।
সঞ্চয় বলে কিছুই নেই তো সেই ক্ষুদ্র চাষিদেরও। যাঁদের জন্য রীতিমতো ঢাক-ঢোল পিটিয়ে অনেক কিছু করার কথা ঘোষণা করল মোদি সরকার। নাবার্ডের ৯০ হাজার কোটির পাশাপাশি কৃষকদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের কথা বলেছেন নির্মলা। এই অঙ্কটাও নাবার্ড দেবে গ্রামীণ কোঅপারেটিভ ব্যাঙ্ক বা রুরাল রিজিওনাল ব্যাঙ্ককে (আরআরবি)। সেখান থেকে কৃষকরা ঋণ নেবেন। গুজরাতের সেই কৃষক... পেঁয়াজ নিয়ে গিয়েছিলেন এপিএমসি মার্কেটে। আশা ছিল, বিক্রি করে যা দাম পাবেন, তাতে লকডাউনের এই সঙ্কটে না খেতে পেয়ে অন্তত মরতে হবে না। কিন্তু যা পেলেন, তাতে ক’বেলা খাবার জুটবে সেটাই প্রশ্ন। তাই তিনি কাঁদছিলেন... মার্কেটের সামনে দাঁড়িয়ে। ভবিষ্যতের কথা ভেবে। সরকার কি আশা করে, তিনি এবার গিয়ে লোনের জন্য লাইন দেবেন? দিলেই বা... শোধ করবেন কীভাবে? আর না পারলে?
এর থেকেও বড় আর একটা প্রশ্ন আছে... লোন কি তিনি সত্যিই পাবেন? এই ঋণের টোপ কিন্তু রাজার বাড়ির খাওয়ার মতো, না আঁচানো পর্যন্ত বিশ্বাস নেই। চেনাজানার ফোন বা চিঠি এক্ষেত্রেও ফোড়নের কাজ করে। আর প্রভাবশালী কানেকশন থাকলে কী হয়, তার প্রমাণ তো রয়েইছে... নীরব মোদি! এই প্যাকেজে আবার সেই প্রবণতাই খুঁচিয়ে তোলার চেষ্টাচরিত্র করেছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। একদিকে কোম্পানিস অ্যাক্টে বেশ কিছু সংশোধনী আনা হচ্ছে, যাতে গোলমাল পাকালেও ফৌজদারি কেস হবে না। পাশাপাশি টাকা ধার নিয়ে কেউ যদি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করেন, কিংবা নীরব মোদি-মেহুল চোকসি হয়ে যান... তাহলেও আগামী এক বছর তাঁদের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনও মামলা-মোকদ্দমা হবে না।
ভদ্দরলোকে বলবে, এই সরকার কর্পোরেট ফ্রেন্ডলি। কিন্তু মানুষ বলবে... বেওসায়ীদের সরকার। এই প্যাকেজের মোড়কে আসলে দেশীয় সব শিল্পক্ষেত্র বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার রাস্তা চওড়া করে দিয়েছে মোদি সরকার। প্রতিরক্ষা হোক কিংবা পরমাণু ক্ষেত্র... বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য সর্বত্র দরজা হাট করে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, ডিআরডিওতে লগ্নি করে কোনও কোম্পানির সর্বময় কর্তা বলতেই পারেন, দেখি তো আপনারা কী নিয়ে এত গবেষণা করছেন? আমার টাকাটা উঠছে তো?
প্রাইভেটাইজেশন নয়, কর্পোরেটাইজেশন। ধাপ্পাবাজির নতুন গালভরা নাম। আন্তর্জাতিক মহল ভারত সরকারের নামে ধন্য ধন্য করছে। সেটাই স্বাভাবিক। তাদের কাছে দেশের বাজারটাই তো উন্মুক্ত হয়ে গেল। আর ভারতের বাজার সবথেকে বেশি ‘প্রতিশ্রুতিসম্পন্ন’। আমেরিকা হোক বা চীন, প্রত্যেকেই চায় আমাদের দেশের মাটিতে ব্যবসার ভিত শক্ত করতে। তাই সব শালিকের এক রা... দীর্ঘমেয়াদি প্ল্যান, অসাধারণ দূরদর্শিতা। এর উপর ভর করেই ভবিষ্যতে ভারত উন্নতির শিখরে চড়ে বসবে। সে তো গেল দূরের কথা। ভারতের অর্থনীতি কবে এভারেস্টে উঠতে পারবে, সে নিয়ে গবেষণা করার সময় আজ নেই। এই সময় হিসেবের... কত লক্ষ মানুষ চাকরি হারালেন, কত কোটি মানুষের শেষ সঞ্চয়টুকু ‘বিনা প্রস্তুতির’ এই লকডাউনে শেষ হয়ে গেল, কত পরিযায়ী শ্রমিক বাড়ি ফেরার তাগিদে হাঁটতে শুরু করে পথেই প্রাণ দিলেন। হাতে টাকা কিন্তু তাঁরাও পেলেন না। বরং হাতে পাচ্ছেন এমন একটা রেশন কার্ড, যা ভাঙিয়ে দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে তাঁরা খাদ্যদ্রব্য সংগ্রহ করতে পারবেন। মানেটা স্পষ্ট, কীভাবে কার্যকর হবে, তার দায় রা‌঩জ্যের। কিন্তু রাজ্য কী পাবে? আছে তো! ঋণ নেওয়ার ক্ষমতা ৩ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ করে দিয়েছে কেন্দ্র। সেখানেও কিন্তু শর্ত আছে... বেসরকারিকরণের শরিক হতে হবে। যাই হোক, রেশন মিলল। কিন্তু রান্না করবে কোথায়? পরিযায়ী শ্রমিকদের মাথায় তো আর স্থায়ী ছাদ থাকে না! তাই কেন্দ্রের আর্জি, পরিযায়ীদের সুলভে বাড়ি ভাড়া দিন। সে আর এক বিষম বস্তু। বাড়িওলা সবার আগে ভাববেন, ভাড়া তো দেব, ওঠাতে পারব তো?
পরিযায়ী শ্রমিকরা কখনও এই গ্রামে, তো কখনও ওই শহরে। এভাবেই চলে তাঁদের জীবন। কখনও ধানের মরশুমে ফসল তুলছেন, তো কখনও শহরে গিয়ে আবাসন প্রকল্পে কাজ করছেন জোগানদারের। এই অসংগঠিত ক্ষেত্রকে নথিভুক্ত করে যতই পরিসংখ্যানে বাঁধার চেষ্টা করা হোক না কেন, একটা বড় অংশ তালিকার বাইরেই থেকে যায়। এই লকডাউন পর্বে হয়তো সেই অংশটার খোঁজ মিলবে। তবে কথায় বলে, মানুষ অভ্যাসের দাস। কাজটাও একটা অভ্যাস। তিন-চার মাস কম সময় নয়! এই পরিযায়ী শ্রমিকরা বিভিন্ন উৎপাদন এবং নির্মাণক্ষেত্রে যত পরিষেবা দেন, তা আচমকা বন্ধ হয়ে গেলে লকডাউনের পর অর্থনীতির চাকা গড়াবে তো? বিনামূল্যে রেশন এবং ১০০ দিনের কাজ কিন্তু তাতে ইন্ধন জোগাতে পারে। ছেড়ে যেতে পারে কাজের অভ্যাস, হাঁটার অভ্যাস। যা বন্ধ করা অসম্ভব বলে জানিয়ে দিয়েছে খোদ সুপ্রিম কোর্টও। কিন্তু সেটাই সম্ভব হয়ে যাবে না তো? অদূর অভিষ্যতে? তখন কিন্তু আর কোনও সুদূরমেয়াদি পরিকল্পনা খাটবে না। মানুষ বেঁচে থাকে আজ, কাল এবং প্রতিদিন। বর্তমানকে সুনিশ্চিত না করে ভবিষ্যতের ইমারত গড়া যায় না।
হয় সেটা অবাস্তববোধ, না হলে দেশের সঙ্গে প্রতারণা।
19th  May, 2020
বালিতে মুখ গুঁজে
প্রলয় আটকানো যায় না
তন্ময় মল্লিক

 স্রোতের অনুকূলে যাওয়া সোজা। শুধু দরকার ঠিকমতো হালটা ধরা। তাহলেই লক্ষ্যে পৌঁছনো সম্ভব। কিন্তু, স্রোতের প্রতিকূলে এগতে লাগে শক্তি। লাগে মনের জোর। অভীষ্টে পৌঁছনোর লড়াই চলে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে। ঝরাতে হয় ঘাম। কিন্তু জনস্বার্থের বিরুদ্ধে যেতে গেলে কী দরকার, সেটা জনতার অজানা, জানেন ‘জননেতারা’। বিশদ

শাসন নয়, শোষণই
ছিল ব্রিটিশদের মূলমন্ত্র
মৃণালকান্তি দাস

ব্রিটিশ শাসিত ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল হয়েছিলেন ওয়ারেন হেস্টিংস। ১৭৮৪ সালে দেশে ফেরার পর পার্লামেন্টে তাঁকেও দাঁড়াতে হয়েছিল ইমপিচমেন্টের মুখে। ১৮৪ দিন সওয়াল জবাব চলেছিল। হেস্টিংসকে আক্রমণ করে এডমন্ড বার্ক বলেছিলেন, “ভারতকে আমরা ছিবড়ে করে ছেড়ে দিয়েছি।”
বিশদ

14th  August, 2020
পরীক্ষার জন্য এই দীর্ঘ
প্রতীক্ষা তীব্র যন্ত্রণার
হারাধন চৌধুরী

একে লকডাউেনর ডিপ্রেশন, তার উপর এই নিত্য দ্বন্দ্ব। শিক্ষা বিভাগের কর্ণধাররা নিজেদের বুকে হাত রেখে বলতে পারবেন, আজকের পরিস্থিতিতে পড়লে তাঁদের কী দশা হতো? শিক্ষা তো যৌথ তালিকার বিষয়। তাহলে এমন গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর এক্ষেত্রে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের এতটা অভাব ঘটল কী কারণে?
বিশদ

13th  August, 2020
অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

12th  August, 2020
মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

12th  August, 2020
পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
একনজরে
রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ২৪ জন করোনা আক্রান্ত চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন-এর রাজ্য শাখা এই তালিকা প্রকাশ করেছে। ‘কোভিড শহিদ’ অ্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে তাঁদের। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে, সেগুলির মধ্যে কয়েকটির বাজার বন্ধকালীন দর। ...

 স্বাধীনতা দিবসের আগে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে জম্মু-কাশ্মীর। কিন্তু সেই বজ্র আঁটুনি ভেঙেও ঢুকে পড়ল জঙ্গিরা। ...

 ভারতকে দীর্ঘদিনের বন্ধু বলে বর্ণনা করলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। ভারতের ৭৪তম স্বাধীনতা দিবসের আগের দিন শুক্রবার দিল্লিকে পাঠানো বার্তায় মরিসন বলেছেন, বাণিজ্য এবং কূটনৈতিক সম্পর্ককে ছাপিয়ে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর ঈর্ষার কারণে সম্মানহানি হবে। ব্যবসায়ীদের আশানুরূপ লাভ না হলেও মন্দ হবে না। দীর্ঘদিনের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

ভারতের স্বাধীনতা দিবস
১৮৫৪: বাংলায় প্রথম রেলপথ স্থাপিত হল হাওড়া থেকে হুগলি পর্যন্ত
১৮৭২: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও দার্শনিক অরবিন্দ ঘোষের জন্ম
১৯২৬: কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম
১৯৪৭: অভিনেত্রী রাখী গুলজারের জন্ম
১৯৭৫: বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবর রহমানের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৪ টাকা ৭৫.৭৫ টাকা
পাউন্ড ৯৬.১৪ টাকা ৯৯.৫০ টাকা
ইউরো ৮৬.৯২ টাকা ৯০.০৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৫১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৭৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৫৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৮,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৮,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ শ্রাবণ, ১৪২৭, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০, একাদশী ২২/৩৮ দিবা ২/২১। মৃগশিরানক্ষত্র ৩/১৭ দিবা ৬/৩৬। সূর্যোদয় ৫/১৭/১০, সূর্যাস্ত ৬/৪/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩৩ গতে ১২/৫৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/১৮ গতে ১০/৩৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৩ গতে ১/৩৩ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে ৩/৪৮ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ১/১৮ গতে ২/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৪/৩০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে উদয়াবধি।
৩০ শ্রাবণ, ১৪২৭, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০, একাদশী দিবা ১১/১৭। আর্দ্রানক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/১৬, সূর্যাস্ত ৬/৮। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩১ গতে ১২/৫২ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৮ মধ্যে ও ১১/৫৯ গতে ১/৩২ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৪৮ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৩ মধ্যে ও ১/১৮ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৪/৩১ গতে ৬/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩১ মধ্যে ও ৩/৫৩ গতে ৫/১৬ মধ্যে।
২৪ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শুভেচ্ছা ও ছুটি
আজ, শনিবার ভারতের ৭৪তম স্বাধীনতা দিবস। এই উপলক্ষে বর্তমান-এর সকল ...বিশদ

02:00:00 AM

 আজকের দিনটি কেমন যাবে
মেষ: বিদ্যার্থীদের শুভ ফল লাভ হবে। বৃষ: কর্মপ্রার্থীরা নতুন কাজের সন্ধান ...বিশদ

14-08-2020 - 07:11:04 PM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৯৪৭- পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস১৯৪৮- শেষ ইনিংসে শূন্য রানে আউট হলনে ...বিশদ

14-08-2020 - 07:03:20 PM

বারাকপুর ও সোদপুর উড়ালপুলে ভারী যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ হল 
১০ টনের বেশি ওজনের মালবাহী গাড়ি চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি হল ...বিশদ

14-08-2020 - 05:41:00 PM

জলপাইগুড়িতে উদ্ধার ৮ ফুট লম্বা অজগর 
জলপাইগুড়িতে উদ্ধার হল একটি ৮ ফুট লম্বা অজগর। শুক্রবার ময়নাগুড়ির ...বিশদ

14-08-2020 - 04:55:00 PM

 করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত?
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

14-08-2020 - 04:52:47 PM