Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার। বাজেটে ধরে নেওয়া এই ফিসকাল বা রাজকোষ ঘাটতিটা দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি-র ৩.৫ শতাংশের সমান।
করোনা ভাইরাস এই সমস্ত হিসেব-নিকেশ উল্টে-পাল্টে দিয়েছে। সমস্ত অর্থনীতিবিদই পরিষ্কার বুঝে গিয়েছিলেন যে ঋণের অঙ্কটা ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকায় সীমাবদ্ধ থাকবে না, ভারতকে এবার আরও ঋণ করতে হবে। শুধু সরকারই এই বাস্তবটা অস্বীকার করেছিল। অবশেষে ৮ মে সরকার নিমরাজির মতো স্বীকার করেছে যে তারা অতিরিক্ত ৪ লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণ করবে। তার ফলে ঋণের মোট পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ১২ লক্ষ কোটি টাকা। অনুমিত জিডিপি অপরিবর্তিত আছে ধরে নিলে ফিসকাল ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ৫.৩ শতাংশ।
নিছক ফাঁক-ফোকর পূরণ
আমি বলেছিলাম যে গৃহীত অতিরিক্ত ঋণের টাকাটা ‘ফিসকাল স্টিমুলাস’ (উদ্দীপক) হয়ে উঠতে পারত শুধুমাত্র যদি তা জনসংখ্যার নীচের দিকের অর্ধেক মানুষ বা সবচেয়ে গরিব পরিবারগুলির জন্য খরচ করা যেত—নগদ টাকা হাতে দিয়ে ও অন্য ধরনের সহায়তার মাধ্যমে এবং সম্পূর্ণ থমকে যাওয়া অর্থনীতিতে ফের গতি এনে। শুনে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লাম যে অতিরিক্ত ঋণ হিসেবে নেওয়া ৪ লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকা ‘গ্যাপ ফিলিং’ বা ফাঁক-ফোকর পূরণে ব্যবহার করা হবে। সরকারের আশঙ্কা, কর সংগ্রহ এবং বিলগ্নিকরণ প্রক্রিয়া থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা বিরাটভাবে ধাক্কা খাবে। যদি অর্থনীতির অনুমিত ‘গ্যাপ’টির আয়তন ৪ লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকার হয়, তবে গৃহীত অতিরিক্ত ঋণের টাকাতেই সেই ‘গ্যাপ’ ভরাট করে দেওয়া হবে। এটা অনিবার্যই, মানছি। কিন্তু, তখন এই ৪ লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকার ব্যবহার তো ‘ফিসকাল স্টিমুলাস’ বলে গণ্য হতে পারে না।
ব্যয়ের দিকের আরও কিছু আইটেমে সরকার কাটছাঁট করবে কি না তা পরিষ্কারভাবে জানা যাচ্ছে না। ব্যয় সঙ্কোচের যতটুকু ঘোষণা সরকার করেছে তাতে ৪১ হাজার ৪৯০ কোটি টাকার সাশ্রয় হবে এবং সেই টাকা কোভিড-১৯ মোকাবিলার কাজে ব্যবহার করা হবে। এই যে খরচের হিসেব দেওয়া হচ্ছে তাতে ব্যয়ের ‘অরিজিনাল লেভেল’টাই শুধু ঠিক রাখা সম্ভব হবে। এবং, এই কারণেই ব্যবস্থাটি ‘ফিসকাল স্টিমুলাস’ বলতে যা বোঝায় তা হয়ে উঠবে না।
লিকুইডিটি ও ফিসকাল স্টিমুলাস
গত ২৫ মার্চ সরকার বিভ্রান্তিকর তকমা সেঁটে ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকার যে আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল, আমার আশঙ্কা হচ্ছে, এখন তারা সেটাকেও ‘ফিসকাল স্টিমুলাস’ বলে চালাবে। বাস্তবে অতিরিক্ত খরচের ব্যাপারটি হল এইরকম: নগদ হস্তান্তরের জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকা এবং খাদ্যশস্যের জন্য ৪০ হাজার কোটি টাকা। উল্লেখ করা দরকার যে, এই খরচটা এবারের বাজেটে ধরা ছিল না। সুতরাং এই ১ লক্ষ কোটি টাকাটিকেই আমরা ‘ফিসকাল স্টিমুলাস’ হিসেবে গণ্য করতে পারি।
আমার আরও সন্দেহ, অ্যাডিশনাল লিকুইডিটি বা অতিরিক্ত নগদের জোগানের ব্যাপারে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ইতিমধ্যেই যেসব পদক্ষেপ করেছে, সরকার সেগুলিকেও ‘ফিসকাল স্টিমুলাস’ হিসেবে চালিয়ে দেবে। এক্সপেনডিচার বা ব্যয়ের সঙ্গে লিকুইডিটি গুলিয়ে দেওয়ার অর্থ ধারণাগত এক বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেওয়া। লিকুইডিটি ব্যাপারটা কাজ করে সাপ্লাই সাইডে বা সরবরাহের দিকে, অন্যদিকে ‘ফিসকাল স্টিমুলাস’-এর প্রয়োজন চাহিদা বৃদ্ধির কাজে। সে যাই হোক, ২৭ মার্চ থেকে আরবিআই ৫ লক্ষ ২৪ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত লিকুইডিটি সাপোর্ট দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে; সেইদিন থেকে ব্যাঙ্কগুলিও পালাক্রমে আরবিআইতে অতিরিক্ত টাকা জমা করেছে ৪ লক্ষ ১৪ হাজার কোটি টাকা! সরকারের পক্ষ নিয়ে যুক্তি বিস্তারে বলা চলে যে, যদি অ্যাডিশনাল লিকুইডিটি বা অতিরিক্ত নগদের জোগানকে—ভর্তুকিযুক্ত সুদের হারে অথবা মকুবযোগ্য অতিরিক্ত ঋণের (অ্যাডিশনাল ক্রেডিট) সংস্থান বলে ধরা হয়, তবে সম্ভবত ওই ‘ইন্টারেস্ট সাবসিডি’ অথবা ‘রাইট অফ’ করে দেওয়া টাকার অঙ্কটিকে ‘ফিসকাল স্টিমুলাস’ গণ্য করা যেতে পারে। পুরোটাই অনুমানের ব্যাপার। অন্যদিকে, সব ধরনের ব্যাঙ্কঋণের মোট পরিমাণ গত ২৫ মার্চ যেখানে ১০৩ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা ছিল, আজ তা কমে হয়েছে ১০২ লক্ষ কোটি টাকা।
১২ মে প্রধানমন্ত্রী ২০ লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণার মাধ্যমে সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম দখল করে নিলেন—কিন্তু পাতাটি রেখে দিলেন পুরো খালি! ১৩ মে থেকে অর্থমন্ত্রী প্যাকেজের বিষয়ে ‘বিস্তারিত’ জানাতে শুরু করলেন। অন্যদিকে মানুষ ক্ষোভের সঙ্গে বলল: কৃষক, পরিযায়ী শ্রমিক, যেসব শ্রমিক কর্মহীন বা ছাঁটাই হলেন, অসংগঠিত ক্ষেত্রে অথবা অনিবন্ধিত ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত যেসব শ্রমিক কাজ হারালেন, যে-সমস্ত স্বনিযুক্ত ব্যক্তির কোনও কাজ নেই, ‘দিন আনি দিন খাই’ দরিদ্রতম পরিবারগুলি, হাতগাঁট-শূন্য হওয়ার কারণে যেসব নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার ঋণ করতে বাধ্য হচ্ছে এবং প্রায় ৫ কোটি ৮০ লক্ষ মাঝারি-ছোট-ক্ষুদ্র (এমএসএমই) শিল্প-বাণিজ্য সংস্থা অর্থমন্ত্রীর এমএসএমই প্যাকেজের বাইরে রয়ে গেল। (অর্থমন্ত্রী দ্বিতীয় কিস্তিতে অবশ্য পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য একটি আর্থিক ব্যবস্থা নিয়েছেন: দু’মাসের জন্য খাদ্যশস্য, যার খরচ ধরা হয়েছে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা।)
প্রথম কিস্তির ঘোষণা বিশ্লেষণ করতে বসে সরকার সম্পর্কে উদার মনোভাব রেখে বলতে পারি যে, অতিরিক্ত ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকা। দ্বিতীয় কিস্তির একইরকম বিশ্লেষণ থেকে ৫ হাজার কোটির একটা হিসেব পাচ্ছি আর পরিতাপের বিষয় হল, তৃতীয় কিস্তির কিছুই পরিষ্কার নয়।
ঋণবহির্ভূত ব্যয়?
আমার ভয় হচ্ছে যে মূল সমস্যাটিকে বাদ রেখেই এই সমস্ত সংখ্যার কচকচানি চলছে। ‘অতিরিক্ত ব্যয়’ শুধুমাত্র তখনই সম্ভব যখন ‘অতিরিক্ত রাজস্ব/সম্পদ’ রয়েছে। আর তা যদি না থাকে তো আমরা বাজেটে দেখানো ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকাতেই আটকে থাকব। অতিরিক্ত রাজস্ব/সম্পদের বিষয়ে বেগতিক বুঝেই সরকার নীরবতার নীতি নিয়েছে।
নির্দিষ্ট করে বলতে চাই, অতিরিক্ত ঋণগ্রহণ ছাড়া অতিরিক্ত খরচ করা সম্ভব নয়, এবং যুক্তি দিয়ে বুঝতে হবে যে এতে ‘ফিসকাল স্টিমুলাস’ও কিছু ঘটবে না। সারা পৃথিবীতে ফিসকাল স্টিমুলাসের উপায়ের নাম অতিরিক্ত ঋণগ্রহণ: বেশি ঋণ নাও ও বেশি খরচ করো, এবং ঋণের পরিমাণটা যদি একটা অস্বস্তিকর জায়গায় পৌঁছে যায় তবে অতিরিক্ত ঋণগ্রহণ বা ঘাটতির একটা অংশকে মুদ্রায় রূপান্তরিত করো—সোজা কথায় টাকা ছাপাও।
অতিরিক্ত ঋণের অনুপস্থিতি মানে অর্থনীতিতে চাহিদা বৃদ্ধির উপযুক্ত ‘ফিসকাল স্টিমুলাস’ না-পাওয়া। ২০ লক্ষ কোটি টাকা হবে অন্য একটি ‘জুমলা’ (মিথ্যে প্রতিশ্রুতি)। আমরা জুমলায় ‘আত্মনির্ভর’ হয়ে উঠব।
 লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী
18th  May, 2020
হিসেব মেলানো ভার
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 সাত দু’গুণে কত হয়? উঁহু, ১৪ নয়। আপনি কখন বলছেন, তার উপর নির্ভর করছে। মানে, কাকেশ্বর কুচ্‌কুচে যদি মনে করে, আপনি বলার সময় ১৩ টাকা ১৪ আনা ৩ পাই হয়েছিল... মানে পুরোপুরি ১৪ হয়নি, তাহলে সেটাই। অর্থাৎ, হাতে একটা পেনসিল থাকছেই। বিশদ

সতর্ক প্রহরী
পি চিদম্বরম

ব্যারিস্টার ভি জি রো মাদ্রাজ হাইকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাম-মনস্ক উদার। সমস্ত ধরনের বিজ্ঞানের ব্যবহারিক জ্ঞান, রাজনৈতিক শিক্ষা এবং শিল্প, সাহিত্য, নাটক প্রভৃতিকে জনপ্রিয় করে তুলতে তিনি পিপলস এডুকেশন সোসাইটি গড়েছিলেন।
বিশদ

01st  June, 2020
একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

31st  May, 2020
বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
একনজরে
  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লকডাউনের জন্য ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর সল্টলেক স্টেডিয়াম থেকে ফুলবাগান পর্যন্ত সম্প্রসারিত পথে কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির ইন্সপেকশন থমকে গিয়েছিল। মেট্রো রেল সূত্রের খবর, জুন মাসের মধ্যে এই ইন্সপেকশন হবে। ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা খাতে কেন্দ্রের কাছে ৩০০ কোটি টাকা চাইল শিক্ষা দপ্তর। চিঠি দিয়ে তা জানানো হয়েছে। সুস্বাস্থ্য ও পরিবেশ বজায় রাখার জন্য স্কুলগুলিকে জীবাণুমুক্ত করা থেকে শুরু করে অন্যান্য নানা কাজের জন্যই এই বিপুল অর্থের প্রয়োজন। ...

অলকাভ নিয়োগী, বর্ধমান: সুপার সাইক্লোন উম-পুনের জেরে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি মেরামতি তথা পুনর্গঠনের জন্য পূর্ব বর্ধমান জেলার দু’হাজারের বেশি পরিবার ২০ হাজার টাকা করে অনুদান পাবে। রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর পূর্ব বর্ধমান জেলার জন্য ৫ কোটি টাকা বরাদ্দও করেছে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ১ জুন: এবার চলবে শতাব্দী এক্সপ্রেসও। শীঘ্রই শুরু হবে টিকিট বুকিং। পাশাপাশি অত্যধিক চাহিদা থাকায় বাছাই করা কিছু রুটে শুরু হতে চলেছে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীরা কোনও বৃত্তিমূলক পরীক্ষার ভালো ফল করবে। বিবাহার্থীদের এখন ভালো সময়। ভাই ও বোনদের কারও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৭: লর্ড মাউন্টব্যাটেনের ভারতকে দ্বিখণ্ড করার পরিকল্পনা মেনে নিল কংগ্রেস ও মুসলিম লিগ
১৯৬৫ - অস্ট্রেলীয় প্রাক্তন ক্রিকেটার মার্ক ওয়ার জন্ম।
১৯৭৫ - বিশিষ্ট পদার্থ বিজ্ঞানী দেবেন্দ্র মোহন বসুর মৃত্যু
১৯৮৭: বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষি সিনহার জন্ম
১৯৮৮: অভিনেতা ও নির্দেশক রাজ কাপুরের মৃত্যু
২০১১: গায়ক অমৃক সিং আরোরার মৃত্যু
২০১১: বিশিষ্ট সংবাদ পাঠক তথা আবৃত্তিকার তথা বাচিক শিল্পী দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৫২ টাকা ৭৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০২ টাকা
ইউরো ৮২.৩৮ টাকা ৮৫.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, একাদশী ১৭/৫৪ দিবা ১২/৫। চিত্রা নক্ষত্র ৪৪/৫৮ রাত্রি ১০/৫৫। সূর্যোদয় ৪/৫৫/২৮, সূর্যাস্ত ৬/১৩/৪৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪ মধ্যে পুনঃ ৯/২১ গতে ১২/০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৩ গতে ৪/২৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৪ গতে ২/৫৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৪ গতে ৮/৫৪ মধ্যে।
 ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, একাদশী দিবা ৯/৪৬। চিত্রা নক্ষত্র রাত্রি ৯/২১। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে ও ৯/২৪ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ৩/৩৮ গতে ৪/৩২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ১/১৫ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৫ গতে ৮/৫৫ মধ্যে।
৯ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ২২৮৭, মৃত ১০৩ 
মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২২৮৭জন। ...বিশদ

08:52:11 PM

রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত আরও ৩৯৬
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৯৬ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

07:49:50 PM

স্নান যাত্রায় এবার পুরীতে জারি কার্ফু
করোনা মোকাবিলায় যে কোনও জমায়েতেই নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। কিন্তু পুরীর ...বিশদ

07:01:42 PM

বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ২,৯১১ ও মৃত ৩৭ 
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হল ২,৯১১ জন। মৃত ...বিশদ

06:35:51 PM

রাজ্যে বর্ষা ঢুকবে ঠিক সময়েই
রাজ্যে বর্ষা ঢুকছে সময়েই। আজ আবহাওয়া দপ্তর এ কথা জানিয়েছে। ...বিশদ

06:29:15 PM

নেপালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ২৮৮ 
 নেপালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হল ২৮৮জন। এখানে মোট ...বিশদ

06:28:06 PM