Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও। কিন্তু লকডাউন উঠলেও লোক গিজগিজ সেই অফিস বোধহয় আর দেখা যাবে না। দেখা যাবে না কাউন্টারে হুড়োহুড়ি, পাবলিক বাসে গাদাগাদি, খেলার মাঠে লক্ষাধিক মানুষের উচ্ছ্বল ছবি, ঠাকুর দেখতে পাঁচ মাইল লম্বা লাইন। ওসব বোধহয় স্মৃতি হয়েই থেকে যাবে করোনার আগের পৃথিবীর মিউজিয়ামে। একথা ঠিক, সবাই ভাইরাসটাকে ভয় পেয়ে বন্দিদশাটাকে আপাতত সহ্য করছে, কিন্তু সেটা নিতান্ত বাধ্য হয়েই। পাছে সংক্রমণ হলে গোটা পরিবার নিয়ে কোয়ারেন্টাইনের নামে একঘরে হয়ে যেতে হয়, সেই অনিশ্চয়তা বাচ্চা, বুড়ো সবাইকে তাড়া করছে। কিন্তু করোনার ঠিক উল্টো পিঠে আর একটা অসুখও নীরবে মাথাচাড়া দিচ্ছে কাউকে জানান না দিয়েই। তা হচ্ছে মন খারাপের অসুখ। সব হারানোর অসুখ। অনিশ্চয়তা ও একাকীত্ব এই হারে বাড়তে থাকলে করোনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়বে হতাশা আর নানাবিধ মানসিক ব্যাধির মহামারীও। যা ইতিমধ্যেই দেখা দিতে শুরু করে দিয়েছে। লকডাউন উঠলে কত শত চাকরি যে হারাবে মানুষ, কত ব্যবসা যে বন্ধ হবে, তার হিসেব কে রাখে? আর তারই অভিঘাতে কত স্বপ্ন, সম্পর্ক যে ভেঙে চুরমার হবে তার কোনও ইয়ত্তা নেই। করোনা চুকলে মানুষের পাওয়া না-পাওয়ার চেনা বাঁকগুলোই কখন কীভাবে বদলে যাবে কেউ জানে না। প্রতি মুহূর্তে করোনার আগের দিনগুলির সঙ্গে করোনা-পরবর্তী বিশ্ব সংসারের তুলনা করবে মানুষ। পুরনো স্মৃতির জটিল আবর্ত থেকেই হতাশা আর বিষাদ গ্রাস করবে মনটাকে।
করোনা মানুষের চাহিদাটাকেও আমূল বদলে দিয়েছে। গত দু’মাস ধরে চাল-গম-আটা-আলু-তেল-সব্জি ছাড়া আর কিছু কেনার জন্য মানুষ কি খুব একটা বাজারে গিয়েছে, মনে হয় না। তাহলে অন্য যেসব সামগ্রীর ব্যবসা করে হাজার হাজার মানুষ পেট ভরায় তাদের কী হবে? রাস্তায় সামান্য কাচের চুড়ি বেচেও সংসার চালায় অনেকে। আইসক্রিমের কাঠের গাড়ি ঠেলে নিয়ে যেতে কাউকে কি দেখা গিয়েছে গত দু’মাসে। কিংবা শেষ বিকেলের সেই শীর্ণ বেলুনওয়ালা, যার অপেক্ষায় জানলায় ঠায় বসে থাকত পাশের বাড়ির ছোট্ট শিশুটি। জানে না আবার কবে জমবে তাদের সেই পসরা। প্রথম সারির এক গাড়ি কোম্পানি বলেছে, এপ্রিল মাসে তাদের একটি গাড়িও বিক্রি হয়নি। কোম্পানি প্রতিষ্ঠার পর মাসে একটিও গাড়ি বিক্রি না-হওয়ার ঘটনা নাকি এই প্রথম। সব ব্যবসারই এক হাল। আপাতত গ্রাসাচ্ছাদন ছাড়া কেউ কিছু ভাবছে না। বাড়ি, গাড়ি কেনা তো দূর স্বপ্ন! এ জিনিস কতদিন চলবে কেউ জানে না। মানুষের মন থেকে ভয় আর অনিশ্চিয়তা উধাও না হলে যে অন্য কোনও বেচাকেনা শুরুই হবে না, তা বিলক্ষণ জানে ব্যবসায়ীরা।
সবাই দেখছে, এরই মধ্যে টানা তিনদিন ধরে মোদিজির আত্মনির্ভর ভারত গড়ার প্যাকেজ প্রহসন চলছে। কেউ কিচ্ছু পাচ্ছেন না, অথচ নিয়ম করে সাত মণ তেল রোজ বিকেলে পুড়ছে। শুধুই ঋণের দু’শো ফিরিস্তি। প্রথমে ইংরেজিতে বলছেন নির্মলা দেবী। পরক্ষণেই আবার তার হিন্দি অনুবাদ রাষ্ট্রমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের গলায়। কিন্তু চিঁড়ে ভিজছে কি? জনগণের লাভ হচ্ছে কোনও? ব্যবসাই যেখানে নেই, জিডিপি যেখানে শূন্যের দিকে দৌড়চ্ছে সেখানে এত ঋণ নিয়ে ব্যবসায়ীরা করবে কী? জিএসটি মকুব নিয়ে কোনও কথা নেই। ব্যক্তিগত আয়কর কমানোর কোনও ঘোষণা নেই। পরিযায়ী শ্রমিকদের হাতে নগদ টাকা কোথায়? আর পিএফের কাটা অর্থের পরিমাণ কমিয়ে সাময়িক টেক হোম বাড়লেও আয়করও যে অতিরিক্ত চাপবে, তা কে না জানে? তাহলে এই কঠিন সময়ে ২০ লক্ষ কোটি টাকার এই তিন কিস্তির ফিরিস্তি কেন?
কিন্তু এত সবের মধ্যেও একটা ভাইরাস যে আমাদের মনটাকে গত প্রায় তিন মাসে কেমন অসহায় একাকীত্বে ভরে দিয়েছে, তার খোঁজ কে রাখে? একটা ভয়ঙ্কর নিরাপত্তাহীনতা আজ গ্রাস করেছে ধনী দরিদ্র সব অংশের মানুষকে। আজ লকডাউনের প্রায় দু’মাসের মাথায় একটা জিনিস সবার কাছে খুব পরিষ্কার যে, এই মারণ ভাইরাস সহজে যাওয়ার নয়। ভ্যাকসিন আসতে আসতেও বছর ঘুরে যাবে। তাই ক্রমে ক্রমে আমাদের জীবনযাপনের ধারাটাকেই অনেকটা বদলে ফেলতে হবে। পরিবর্তন করতে হবে। পৃথিবীজুড়ে সেই জীবনধারা বদলেরই প্রক্রিয়া চলছে। হঠাৎ সামনে আসা এই বিপদকে সঙ্গে নিয়ে বাঁচাই এবার আমাদের সবাইকে শিখতে হবে। কতদিন অদৃশ্য শত্রুর ভয়ে দরজা জানলা বন্ধ করে মানুষ ঘরবন্দি হয়ে থাকবে। বাইরে তো এবার বেরতেই হবে। কাজকর্ম আর কতদিন শিকেয় তোলা থাকবে? আর বেশিদিন এমন চললে তো এবার সবার পেটেই টান পড়বে। সবকিছু স্তব্ধ হয়ে থাকলে, রোজগার না হলে বেতন হবে কী করে? সরকার বাহাদুরই যেখানে ডিএ দেড় বছরের জন্য ছেঁটে দিয়েছে, সেখানে সাধারণ আর পাঁচটা সংস্থার কথা না বলাই ভালো।
সীমান্তে যে জওয়ান শত্রুর সঙ্গে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয় তাকে তার জীবনধারাটাকেই বদলে ফেলতে হয়। ২৪ ঘণ্টা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, পিঠে ভারী মেশিন গান, মাথায় আধুনিক হেলমেট আরও কত কী। এবার করোনাও আমাদের শেখাল, রাস্তায় মানে যুদ্ধক্ষেত্রে অবতীর্ণ হওয়ার আগে মাস্ক, ফেস শিল্ড, ভালো গ্লাভস, বারবার বাইরে হাত ধোয়ার জন্য সাবান, স্যানিটাইজার সব সময় কাছে রাখতে হবে। আর ঘনিষ্ঠ হয়ে হাতে হাত মিলিয়ে রাস্তায় চলা যাবে না। পার্কেও গোল হয়ে জড়াজড়ি করে এর নিঃশ্বাস ওর গায়ে লাগে, এমন করে আর বসা যাবে না উৎসবের দিনেও। মাস্ক আর গ্লাভসের আড়ালে লিপস্টিক আর নেলপলিশ শিল্পের কী হবে, তা নিয়েও সংশয় বাড়ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় না হলেও ওই শিল্পের উপরও তো বহু মানুষের জীবন-জীবিকা দাঁড়িয়ে। তাদের কী হবে? এখন থেকে উৎসবে পার্বণেও রাস্তায় ভিড় না করে দূরে দূরে থাকার ফরমান আসবে। টহল দেবে পুলিস। আমুদে বাঙালির আড্ডাশিল্পও ফলে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এককথায় মানুষকে আরও একা হতে হবে। পরিবার, সংসার থেকেও দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে। খসে যাবে অনেক শখ আহ্লাদের ঘেরাটোপ। সমাজ বিজ্ঞানীদের অভিযোগ ছিল, মোবাইল, টিভি, ইন্টানেট মানুষকে একা করে দিচ্ছে। এবার এক অদৃশ্য ভাইরাস মানুষকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার অছিলায়, সংক্রমণের ভয় দেখিয়ে সমাজ থেকে আরও বিচ্ছিন্ন করে দিল। কে ঠেকাবে এই বিপর্যয়! বাবার মৃতদেহের সঙ্গে ছেলে যেতে পারবে না! মা হাসপাতালে করোনা নিয়ে ভর্তি হলে গোটা পরিবার বিচ্ছিন্ন। গালভরা কোয়ারেন্টাইনে কার্যত নির্বাসিত। পরিবারের বাকি সদস্যদের সঙ্গেও যোগ রাখতে পারবে না কেউ। পাশের বাড়ির বিপদেও দু’টো কথা, সমবেদনা জানানো যাবে না। এতবড় সামাজিক সঙ্কট কেউ কোনওদিন দেখেছে? করোনার ছোবল যেমন জীবন কেড়ে নিয়েছে, তেমনি জীবন থেকে গত কয়েক মাসে যাবতীয় রূপ রস গন্ধও কেড়ে নিয়েছে। আবারও বলি, এক ভয়ঙ্কর একাকীত্ব আর হতাশা মনটাকে ভারাক্রান্ত করে দিয়েছে। এই একাকীত্ব আর বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া থেকেই যে অ্যালজাইমার, ডিমেনশিয়া, তীব্র হতাশা রোগের জন্ম হয়। কারও পাঁচ টাকা আছে না পাঁচ কোটি, তা দেখে তো হতাশা আসে না। ওখানেও ধনী দরিদ্র সব একাকার। যে পরিযায়ী শ্রমিক দু’হাজার কিলোমিটার পেরিয়ে এসে নিজের পরিবারের সঙ্গে মিলিত হয়ে দেখছে সবাইকে দু’মুঠো খাওয়ানোর পয়সা নেই, আর যার অনেক আছে অথচ এই লকডাউনে ব্যবসায় ভয়ঙ্কর ধাক্কা খেয়ে মনটা টালমাটাল, দু’জনের মানসিক অবস্থার মধ্যে ফারাক কিন্তু খুব বেশি নেই। দু’জনেই অসহায়। দু’জনের সামনেই এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের হাতছানি। আর কে না জানে, গরিবের জন্য ত্রাণ আছে। আর ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ, কিন্তু মধ্যবিত্ত এই দুয়ের মাঝে পড়ে শেষ। কারণ সহজ শর্তে ঋণ দিতে গিয়ে ফিক্সড ডিপোজিটে সুদ যে ক্রমশ কমছে।
এই পরিস্থিতিতে প্রবীণরা আরও বেশি করে আতঙ্কিত। কারণ বয়স বাড়ার সঙ্গে করোনার বিপদ যেমন তাঁদের বেশি তেমনি এদেশে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের জন্য কোনও প্যাকেজ হয় না। বোধহয় দেশকে যতটুকু আত্মনির্ভর বানানোর ছিল সেই দায়িত্ব তারা অনেক আগেই সম্পন্ন করেছেন। আর কিছু পাওয়ার নেই তাঁদের কাছ থেকে। তাই প্যাকেজে প্রবীণদের জন্য কোনও সময়ই বিশেষ কিছু থাকে না। উল্টে, শিল্পে সহজ শর্তে ঋণ দিতে ক্রমাগত সুদ কমানোই আজ রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নিরাপদ দাওয়াই। ফলে সবচেয়ে ক্ষতির সম্মুখীনও এই অবসরপ্রাপ্তরাই। একের পর এক সরকারি ব্যাঙ্ক পাল্লা দিয়ে সুদ কমাচ্ছে, আর এই কঠিন সময়েও তাই মাসে দু’বার আয় কমছে সুদনির্ভর মানুষদের। বৃদ্ধ বয়সে কারও ছেলেমেয়ে ভিনরাজ্যে তো কারও বিদেশে। দেখার কেউ নেই। সামান্য কটা টাকা আর ফিক্সড ডিপোজিটই সম্বল। বুড়োদের জন্য তো আর প্যাকেজ হয় না। কারণ সবাই জানে স্টিমুলাস দিয়েও ওদের আর জাগানো যাবে না। তাই ক্রমশ আয় কমার দুঃখ বুকে নিয়েই প্রবীণদের চোখের দীপ্তি কমে আসে। আর কিছু হোক ছাই না হোক সরকার বাহাদুরের কাছে একটাই আবেদন, ব্যাঙ্কে সুদ কমলেও আগামী এক-দেড় বছর প্রবীণদের সুদ আর কমবে না বলে অবিলম্বে ঘোষণা করা হোক। তা হলেই ভয়ঙ্কর একা হয়ে যাওয়া অসুস্থ বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা অন্তত একটু হাঁফ ছেড়ে বাঁচবেন।
17th  May, 2020
হিসেব মেলানো ভার
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 সাত দু’গুণে কত হয়? উঁহু, ১৪ নয়। আপনি কখন বলছেন, তার উপর নির্ভর করছে। মানে, কাকেশ্বর কুচ্‌কুচে যদি মনে করে, আপনি বলার সময় ১৩ টাকা ১৪ আনা ৩ পাই হয়েছিল... মানে পুরোপুরি ১৪ হয়নি, তাহলে সেটাই। অর্থাৎ, হাতে একটা পেনসিল থাকছেই। বিশদ

সতর্ক প্রহরী
পি চিদম্বরম

ব্যারিস্টার ভি জি রো মাদ্রাজ হাইকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাম-মনস্ক উদার। সমস্ত ধরনের বিজ্ঞানের ব্যবহারিক জ্ঞান, রাজনৈতিক শিক্ষা এবং শিল্প, সাহিত্য, নাটক প্রভৃতিকে জনপ্রিয় করে তুলতে তিনি পিপলস এডুকেশন সোসাইটি গড়েছিলেন।
বিশদ

01st  June, 2020
একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

31st  May, 2020
বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ১ জুন: এবার চলবে শতাব্দী এক্সপ্রেসও। শীঘ্রই শুরু হবে টিকিট বুকিং। পাশাপাশি অত্যধিক চাহিদা থাকায় বাছাই করা কিছু রুটে শুরু হতে চলেছে ...

 মাদ্রিদ, ১ জুন: করোনার ধাক্কা সামলে স্প্যানিশ লিগের পরিবর্তিত সূচি ঘোষণা করল লিগ কমিটি। ১১ জুন সেভিয়া ডার্বি দিয়ে বন্ধ হওয়া লিগ শুরু হবে। ঘরের মাঠে সেভিয়া মুখোমুখি হবে রিয়াল বেতিসের। ১৩ জুন মাঠে নামবে গতবারের চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা। ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে সেগুলির কয়েকটির বাজার বন্ধকালীন দর নীচে দেওয়া হল।  ...

  কাঠমাণ্ডু, ১ জুন (পিটিআই): নেপালে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ১১ জন যাত্রী। আহতের সংখ্যা ২২। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতে আটকে পড়া প্রায় ৩০ জন পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে একটি বাস নেপালের উদ্দেশে রওনা হয়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীরা কোনও বৃত্তিমূলক পরীক্ষার ভালো ফল করবে। বিবাহার্থীদের এখন ভালো সময়। ভাই ও বোনদের কারও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৭: লর্ড মাউন্টব্যাটেনের ভারতকে দ্বিখণ্ড করার পরিকল্পনা মেনে নিল কংগ্রেস ও মুসলিম লিগ
১৯৬৫ - অস্ট্রেলীয় প্রাক্তন ক্রিকেটার মার্ক ওয়ার জন্ম।
১৯৭৫ - বিশিষ্ট পদার্থ বিজ্ঞানী দেবেন্দ্র মোহন বসুর মৃত্যু
১৯৮৭: বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষি সিনহার জন্ম
১৯৮৮: অভিনেতা ও নির্দেশক রাজ কাপুরের মৃত্যু
২০১১: গায়ক অমৃক সিং আরোরার মৃত্যু
২০১১: বিশিষ্ট সংবাদ পাঠক তথা আবৃত্তিকার তথা বাচিক শিল্পী দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৫২ টাকা ৭৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০২ টাকা
ইউরো ৮২.৩৮ টাকা ৮৫.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, একাদশী ১৭/৫৪ দিবা ১২/৫। চিত্রা নক্ষত্র ৪৪/৫৮ রাত্রি ১০/৫৫। সূর্যোদয় ৪/৫৫/২৮, সূর্যাস্ত ৬/১৩/৪৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪ মধ্যে পুনঃ ৯/২১ গতে ১২/০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৩ গতে ৪/২৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৪ গতে ২/৫৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৪ গতে ৮/৫৪ মধ্যে।
 ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, একাদশী দিবা ৯/৪৬। চিত্রা নক্ষত্র রাত্রি ৯/২১। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে ও ৯/২৪ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ৩/৩৮ গতে ৪/৩২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ১/১৫ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৫ গতে ৮/৫৫ মধ্যে।
৯ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ২,৯১১ ও মৃত ৩৭ 
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হল ২,৯১১ জন। মৃত ...বিশদ

06:35:51 PM

রাজ্যে বর্ষা ঢুকবে ঠিক সময়েই
রাজ্যে বর্ষা ঢুকছে সময়েই। আজ আবহাওয়া দপ্তর এ কথা জানিয়েছে। ...বিশদ

06:29:15 PM

নেপালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ২৮৮ 
 নেপালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হল ২৮৮জন। এখানে মোট ...বিশদ

06:28:06 PM

তামিলনাড়ুতে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ১০৯১ 
তামিলনাড়ুতে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হল ১০৯১ জন। ফলে এখন ...বিশদ

06:22:17 PM

৫২২ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 
আজও ৫২২.০১ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স। ১.৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে আজকের ...বিশদ

04:53:52 PM

 আগামীকাল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক
আগামীকাল সন্ধ্যা ৭ টার সময় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন লোক কল্যাণ মার্গে ...বিশদ

04:38:30 PM