Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

এমনটা তো হওয়ার ছিল না
তন্ময় মল্লিক

একটু বেশি রোজগারের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন মালদহের রাজেশ মাহাত। গিয়েছিলেন ওড়িশায়। কিন্তু, ঘর তৈরির কাজে হাত দেওয়ার আগেই লকডাউন। রাজেশের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল। বুঝেছিলেন, সেখানে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে। বউয়ের কথাগুলো বড্ড কানে বাজছিল। পই পই করে বলেছিল, ‘বাইরে যেতে হবে না। আমাদের চলে তো যাচ্ছে।’ কথা কানে তোলেননি রাজেশ। বলেছিলেন, চিন্তা করিস না বউ। মাস দুই পরই ঘরে ফিরব। ঘর ছাড়ার দিন রাজেশের বউ কোলের ছেলেটাকে নিয়ে দরজায় দাঁড়িয়ে ছিল। কাপড়ের খুঁটে আটকে ছিল চোখের জল। সেই ছবিটা রাজেশের বার বার মনে পড়ছে। তখন ভাবতেও পারেননি, বোধনের আগেই বেজে যাবে বিসর্জনের বাজনা। ফিরতে হবে কপর্দকশূন্য অবস্থায়।
গামছায় মুড়ি আর শুকনো চিঁড়ে বেঁধে নেমে পড়েছেন রাস্তায়। কোন পথে মালদহ, জানা নেই রাজেশের। তবে পথই পথকে চিনিয়ে দেয়। ট্রেন লাইন ধরে এগিয়ে চলা। একা নয়, হাঁটার মিছিলে আরও অনেকে। সকলে তাঁরই মতো। চলেছেন শিকড়ের টানে। হাঁটতে হাঁটতেই সিদ্ধেশ্বর মাহাত, আশিস পালদের সঙ্গে বন্ধুত্ব। কারও বাড়ি বাঁকুড়া, কারও পুরুলিয়া, কারও বর্ধমান। সংখ্যায় তাঁরা ১১ জন। টানা তিন দিন হাঁটার পর টাটা হয়ে পুরুলিয়া টাউন থানায়। পুলিস দিয়েছিল টিফিন। বেঁচে গিয়েছিল একবেলার খাবার। এই মাগ্গিগন্ডার বাজারে সেটাই অনেক। পুরুলিয়ার বিষপুরিয়ায় গাছতলায় রাত্রিবাস। তখনই রাজেশের সঙ্গে ফোনে কথা।
রাজেশ বললেন, জানেন, আমার কপালটা খুব খারাপ। যেদিন ওড়িশায় গেলাম, তার একদিন পরেই লকডাউন। কাজই শুরু করতে পারলাম না। বউকে বলেছিলাম, অনেক টাকা নিয়ে ঘরে ফিরব। ফিরছি একেবারে খালি হাতে। শরীর যে আর বইছে না। শেষ পর্যন্ত বাড়ি ফিরতে পারব কি না জানি না।
রাজেশ একা নয়, দেশজুড়ে লক্ষ লক্ষ রাজেশ বাড়ি ফিরতে পাগল। নেমে পড়েছে রাস্তায়। বড় বড় শহরের বাসস্ট্যান্ড, স্টেশন চত্বরে তাঁদের ভিড়। দমবন্ধ হওয়ার উপক্রম। কিন্তু, এমনটা তো হওয়ার কথা ছিল না। কেন গোরু, ছাগলের মতো পালে পালে হেঁটে হেঁটে ফিরতে হচ্ছে শ্রমিকদের? এর দায় কার?
মহারাষ্ট্রের আওরঙ্গাবাদে মালগাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে ১৬ জনের মৃত্যুতে টনক নড়েছে কর্তাদের। শুরু হয়েছে রাজনীতি। দায় চাপানোর রাজনীতি। আচমকাই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের চিঠি। চিঠি নয়, পত্রাঘাত, ‘আমরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রত্যাশা মতো সাড়া পাচ্ছি না। রাজ্য সরকার ট্রেন ঢুকতে দিচ্ছে না। পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিকদের প্রতি অবিচার করা হচ্ছে। তাঁদের আরও দুর্ভোগ হচ্ছে।’ তৃণমূল নেতৃত্বের পাল্টা জবাব, ‘অমিত শাহ হয় অভিযোগ প্রমাণ করুন। না হলে ক্ষমা চান।’ পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে শুরু হয়েছে বাগযুদ্ধ, চিঠি চালাচালি। এই যু঩দ্ধে জিতবে কে, জানা নেই। তবে নিশ্চিত জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে পরিযায়ী শ্রমিকরাই চর্চার কেন্দ্রবিন্দু। আওরঙ্গাবাদ ঘুরিয়ে দিয়েছে সকলের নজর।
আওরঙ্গাবাদ একটা দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনা কখনও বলে কয়ে আসে না। তবে, একটা ভয়ঙ্কর কিছু যে ঘটতে চলেছে, তার ঈঙ্গিত মিলেছিল আগেই। ঘরে ফেরার তাড়নায় পরিযায়ীদের স্রোত আছড়ে পড়েছিল দিল্লির স্টেশনে, মুম্বইয়ের বাসস্ট্যান্ডে। স্রেফ একটা গুজব, সরকার বাড়ি ফেরাচ্ছে। ব্যাস, সঙ্গে সঙ্গে করোনার আতঙ্ককে অগ্রাহ্য করে কাতারে কাতারে শ্রমিকের জমায়েত স্টেশনে, বাসস্ট্যান্ডে। রাজনীতির কারবারিদের টনক নড়েনি। বুঝতে পারেননি, ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরার তাগিদ কতখানি!
টনক যদি সেদিন নড়ত, তাহলে মাত্র ২৫ বছর বয়সেই দেববতী সিংয়ের গায়ে উঠত না সাদা থান। টনক যদি সেদিন নড়ত, তাহলে গজরাজ সিংকে এক রাতে দু’টো জোয়ান ছেলেকে হারিয়ে বুক চাপড়ে কাঁদতে কাঁদতে বলতে হতো না, ‘হে ঈশ্বর, তুমি এত বড় সর্বনাশ কেন করলে?’ স্বজন হারানোর কান্নায় মধ্যপ্রদেশের আন্তোলি গ্রামের বাতাস বড্ড ভারী হয়ে উঠেছে। মালগাড়ির চাকায় ছিন্ন ভিন্ন ১৬টি লাশের ন’টিই এই আন্তোলি গ্রামের। কিন্তু, এমনটা তো হওয়ার কথা ছিল না।
যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় কেন্দ্রীয় সরকার অভিভাবকের মতো। কোনও বিপর্যয় ঘটলে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ মেনে রাজ্যগুলি। এটাই নিয়ম। তাই করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লকডাউনের ঘোষণা দেশের প্রতিটি রাজ্য বিনা বাক্যব্যয়ে মেনে নিয়েছিল। কুর্নিশ জানিয়েছিল গোটা দেশ। তাঁর অভিভাবকত্ব মেনে নেওয়ার পথে রাজনৈতিক মতপার্থক্য বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। তাঁরই নির্দেশের আসমুদ্র হিমাচল করতালি দিয়ে, কাঁসর ঘণ্টা বাজিয়ে করোনা লড়াইয়ের সৈনিকদের অভিনন্দন জানিয়েছিল। তাঁরই নির্দেশে ভারতবাসী মোমবাতি আর প্রদীপ জ্বালিয়ে অঙ্গীকার করেছিল করোনা মোকাবিলার। কিন্তু, লকডাউনের মেয়াদ যত বাড়ছে, লড়াইয়ের ফাঁকফোকর যেন ততই প্রকট হচ্ছে। আওরঙ্গাবাদের দুর্ঘটনা করোনা যুদ্ধের প্রধান সেনাপতিকে দাঁড় করিয়েছে এক ঝাঁক প্রশ্নের মুখে।
মার্চ মাসে কেরলে প্রথম করোনার অস্তিত্ব মিলেছিল। তার আগেই করোনার ভয়াবহতা জেনেছিল বিশ্ব। ফলে ভারতের সামনে করোনা মোকাবিলার জন্য পরিকল্পনা তৈরির যথেষ্ট সময় ছিল। মাত্র চার ঘণ্টার নোটিসে দেশজুড়ে ২১দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এখন অনেকেই বলছেন, মাত্র চারটে দিন সময় দিলে লক্ষ লক্ষ শ্রমিককে এমন বিপদের মুখে পড়তে হতো না। তাঁরা শ্রমিকরা নিজের দায়িত্বেই বাড়ি ফিরে যেতেন। তাহলে পরিযায়ী শ্রমিকদের ট্রেন ভাড়া দেওয়া নিয়ে এত জলঘোলাও হতো না।
অনেকে হয়তো বলতেই পারেন, কেন্দ্রীয় সরকার লকডাউন কার্যকর করে ভেঙে দিতে চেয়েছিল করোনার চেন। কারণ তখন দেশজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল মাত্র শ’দুয়েক। কিন্তু, যখন বোঝা গেল, ভারতেও চীন, আমেরিকা, ইতালির মতো লম্বা লড়াই লড়তে হবে, তখনই দরকার ছিল পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য মাস্টার প্ল্যানের। দরকার ছিল বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণার। তার জন্য প্রতিটি রাজ্যকে দিতে হতো অর্থ। পরিযায়ী শ্রমিকরা সেই রাজ্যের ভোটার নন। তাই ভোট সর্বস্ব রাজনীতির যুগে তাঁদের জন্য কোনও রাজ্যেরই দায়বদ্ধতা থাকে না। প্রধানমন্ত্রী লকডাউন ঘোষণা করে যিনি যেখানে আছেন তাঁকে সেখানেই থেকে যেতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু, তাঁরা খাবেন কী করে, সেটা একবারও ভাবেননি।
দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের নিজ নিজ রাজ্যে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য দরকার ছিল কো-অর্ডিনেশনের। আর সেই কাজটা করতে পারে একমাত্র কেন্দ্র। কারণ যখনই কোনও ব্যাপারে দু’ই বা ততোধিক রাজ্য জড়িয়ে যায় তখন কেন্দ্রকেই হস্তক্ষেপ করতে হয়। তাই কোন রাজ্যে কত পরিযায়ী শ্রমিক আছে এবং তাদের ফেরত পাঠানোর ‘মুভমেন্ট প্ল্যান’ তৈরির দায় কেন্দ্রেরই নেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু, সেটা হয়নি। এমনকী, দিল্লি ও মুম্বইয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরার তাগিদ দেখার পরেও নয়। ৪০দিন ভিন রাজ্যে কাটানোর পর যাঁরা এখন কোনওরকমে বাড়ি ফিরছেন তখন সকলের চোখেই সন্দেহের চাউনি। করোনার আবহে তাঁরা যেন এক একটি ‘মানব বোমা’।
এখন নয়, বাড়ির জন্য হাঁটা শুরু হয়েছিল মার্চ মাসের শেষেই। কাজের জায়গায় তালা ঝুলতেই দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলো বুঝতে পেরেছিল, সেখানে থাকলে করোনায় নয়, মরতে হবে খিদের জ্বালায়। তাই যে কোনও মূল্যে ফিরতে হবে বাড়ি। শুরু করেছিল হাঁটা। কেউ উত্তরপ্রদেশ থেকে মধ্যপ্রদেশ, কেউ মহারাষ্ট্র থেকে বিহার। দূরত্বের কথা মাথায় ছিল না। মাথায় ছিল একটাই চিন্তা, যে কোনওভাবেই হোক ফিরতে হবে বাড়ি। বেরিয়েছিল পুলিসের নজর এড়িয়ে। সন্তর্পণে। কারণ লকডাউন চলছে।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব কিছুই বদলে যায়। শুধু বদলান না রবীন্দ্রনাথ। তাঁর লেখার প্রাসঙ্গিকতা একইরকম থেকে যায়। তাই তো তিনি বিশ্বকবি। আজ থেকে প্রায় ৮০ বছর আগে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, ‘মাটির পৃথিবী পানে আঁখি মেলি যবে/ দেখি সেথা কলরবে/ বিপুল জনতা চলে/ নানা পথে নানা দলে দলে/ যুগযুগান্তর হতে মানুষের নিত্য প্রয়োজনে/ জীবনে মরণে।’ কবি প্রয়াণের মাত্র ছ’মাস আগে যাঁদের কথা বলে গিয়েছিলেন, আজ ভারতবর্ষের রাস্তায়, রেল লাইনে তাঁদেরই মিছিল। মিছিলে চলতে চলতেই কেউ ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছেন মালগাড়ির ধাক্কায়, কেউ পিষ্ট হচ্ছেন বাসের চাকায়। কিন্তু, এমনটা তো হওয়ার কথা ছিল না।
দেববতীদেবী আপনাকে সান্ত্বনা জানানোর ভাষা নেই। এক লহমায় আপনার জীবন থেকে মুছে গিয়েছে সমস্ত রং। এক অসীম শূন্যতা গ্রাস করে নিয়েছে আপনার জীবন। তবে, একটা কথা জেনে রাখুন, আপনার স্বামীর জীবনদান বৃথা যায়নি। আওরঙ্গাবাদের দুর্ঘটনায় টনক নড়েছে সরকারের। আপনার ঘর চুরমার হয়ে গেলেও হাজার হাজার শ্রমিক ঘরে ফিরছে ট্রেনে চেপে। এই ট্রেনের দাবি তো আপনার স্বামীরও ছিল। পূরণ হয়েছে সেই দাবি। তবে, এসবই হচ্ছে আপনার বৈধব্য-যন্ত্রণার বিনিময়ে।
16th  May, 2020
হিসেব মেলানো ভার
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 সাত দু’গুণে কত হয়? উঁহু, ১৪ নয়। আপনি কখন বলছেন, তার উপর নির্ভর করছে। মানে, কাকেশ্বর কুচ্‌কুচে যদি মনে করে, আপনি বলার সময় ১৩ টাকা ১৪ আনা ৩ পাই হয়েছিল... মানে পুরোপুরি ১৪ হয়নি, তাহলে সেটাই। অর্থাৎ, হাতে একটা পেনসিল থাকছেই। বিশদ

সতর্ক প্রহরী
পি চিদম্বরম

ব্যারিস্টার ভি জি রো মাদ্রাজ হাইকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাম-মনস্ক উদার। সমস্ত ধরনের বিজ্ঞানের ব্যবহারিক জ্ঞান, রাজনৈতিক শিক্ষা এবং শিল্প, সাহিত্য, নাটক প্রভৃতিকে জনপ্রিয় করে তুলতে তিনি পিপলস এডুকেশন সোসাইটি গড়েছিলেন।
বিশদ

01st  June, 2020
একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

31st  May, 2020
বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
একনজরে
 মাদ্রিদ, ১ জুন: করোনার ধাক্কা সামলে স্প্যানিশ লিগের পরিবর্তিত সূচি ঘোষণা করল লিগ কমিটি। ১১ জুন সেভিয়া ডার্বি দিয়ে বন্ধ হওয়া লিগ শুরু হবে। ঘরের মাঠে সেভিয়া মুখোমুখি হবে রিয়াল বেতিসের। ১৩ জুন মাঠে নামবে গতবারের চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ১ জুন: এবার চলবে শতাব্দী এক্সপ্রেসও। শীঘ্রই শুরু হবে টিকিট বুকিং। পাশাপাশি অত্যধিক চাহিদা থাকায় বাছাই করা কিছু রুটে শুরু হতে চলেছে ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: দিনহাটা মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলতেই শহরে লকডাউনকে আঁটোসাঁটো করল দিনহাটা পুর প্রশাসন। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য শহরে বন্ধ করে দেওয়া হল অটো, টোটো ও বাইক চলাচল।  ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে সেগুলির কয়েকটির বাজার বন্ধকালীন দর নীচে দেওয়া হল।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীরা কোনও বৃত্তিমূলক পরীক্ষার ভালো ফল করবে। বিবাহার্থীদের এখন ভালো সময়। ভাই ও বোনদের কারও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৭: লর্ড মাউন্টব্যাটেনের ভারতকে দ্বিখণ্ড করার পরিকল্পনা মেনে নিল কংগ্রেস ও মুসলিম লিগ
১৯৬৫ - অস্ট্রেলীয় প্রাক্তন ক্রিকেটার মার্ক ওয়ার জন্ম।
১৯৭৫ - বিশিষ্ট পদার্থ বিজ্ঞানী দেবেন্দ্র মোহন বসুর মৃত্যু
১৯৮৭: বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষি সিনহার জন্ম
১৯৮৮: অভিনেতা ও নির্দেশক রাজ কাপুরের মৃত্যু
২০১১: গায়ক অমৃক সিং আরোরার মৃত্যু
২০১১: বিশিষ্ট সংবাদ পাঠক তথা আবৃত্তিকার তথা বাচিক শিল্পী দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৫২ টাকা ৭৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০২ টাকা
ইউরো ৮২.৩৮ টাকা ৮৫.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, একাদশী ১৭/৫৪ দিবা ১২/৫। চিত্রা নক্ষত্র ৪৪/৫৮ রাত্রি ১০/৫৫। সূর্যোদয় ৪/৫৫/২৮, সূর্যাস্ত ৬/১৩/৪৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪ মধ্যে পুনঃ ৯/২১ গতে ১২/০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৩ গতে ৪/২৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৪ গতে ২/৫৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৪ গতে ৮/৫৪ মধ্যে।
 ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, একাদশী দিবা ৯/৪৬। চিত্রা নক্ষত্র রাত্রি ৯/২১। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে ও ৯/২৪ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ৩/৩৮ গতে ৪/৩২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ১/১৫ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৫ গতে ৮/৫৫ মধ্যে।
৯ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
স্নান যাত্রায় এবার পুরীতে জারি কার্ফু
করোনা মোকাবিলায় যে কোনও জমায়েতেই নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। কিন্তু পুরীর ...বিশদ

07:01:42 PM

বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ২,৯১১ ও মৃত ৩৭ 
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হল ২,৯১১ জন। মৃত ...বিশদ

06:35:51 PM

রাজ্যে বর্ষা ঢুকবে ঠিক সময়েই
রাজ্যে বর্ষা ঢুকছে সময়েই। আজ আবহাওয়া দপ্তর এ কথা জানিয়েছে। ...বিশদ

06:29:15 PM

নেপালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ২৮৮ 
 নেপালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হল ২৮৮জন। এখানে মোট ...বিশদ

06:28:06 PM

তামিলনাড়ুতে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ১০৯১ 
তামিলনাড়ুতে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হল ১০৯১ জন। ফলে এখন ...বিশদ

06:22:17 PM

৫২২ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 
আজও ৫২২.০১ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স। ১.৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে আজকের ...বিশদ

04:53:52 PM