Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জানা অজানার রাষ্ট্র
সমৃদ্ধ দত্ত

রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে, প্রত্যেক দেশবাসীকে আরোগ্য সেতু অ্যাপ মোবাইলে ডাউনলোড করতে হবে। আরোগ্য সেতু অ্যাপ না থাকলে ট্রেনে যাত্রা করতে দেওয়া হবে না। বিমানে উঠতে দেওয়া হবে না। অ্যাপ ডাউনলোড করা যায় কোন ফোনে? স্মার্ট ফোনে। রাষ্ট্র তার মানে জানেই না ১৩৫ কোটি ভারতবাসীর দেশে স্মার্ট ফোন আছে মাত্র ৫২ কোটি মানুষের কাছে। অ্যাসোসিয়েটেড চেম্বার অব কমার্স সমীক্ষা করে সরকারের কাছেই কিন্তু রিপোর্টে জানিয়েছিল, ২০২২ সালে ভারতে ৮৫ কোটি মানুষের কাছে স্মার্ট ফোন পৌঁছে যাবে। অর্থাৎ ২০২২ সালেও ভারতের সকলের কাছে স্মার্ট ফোন থাকবে না। তার মানে কী? সিংহভাগ মানুষের কাছে এখন বেসিক ফোন। অথচ রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে, প্রত্যেক ভারতবাসীকে অরোগ্য সেতু অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। রাষ্ট্র নিজের দেশকে জানে না। অথবা ভুলে গিয়েছে।
রাষ্ট্র ঘোষণা করেছিল, থালাবাসন, ঘণ্টা বাজিয়ে হাততালি দিতে হবে এবং আর একদিন প্রদীপ জ্বালাতে হবে। কোথায়? ব্যালকনিতে অথবা বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে। তার মানে হল, রাষ্ট্রের ধারণা সকলের বাড়ি আছে, ব্যালকনিও আছে। কিন্তু স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ২০১৫ সালের ১ জুন প্রধানমন্ত্রী নিজেই ঘোষণা করেছিলেন একটি প্রকল্প। প্রকল্পটি হল, ‘হাউজিং ফর অল’। ২০২২ সালের মধ্যে সকলের জন্য বাড়ি হবে। অর্থাৎ রাষ্ট্র নিজেও জানে এখন সকলের ঘর নেই। অথচ ব্যালকনিতে যেতে বলছে। রাষ্ট্র নিজের দেওয়া তথ্য নিজেই ভুলে গিয়েছে।
রাষ্ট্র ঘোষণা করেছিল, করোনার সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে সর্বদাই ঘনঘন রানিং ওয়াটারে হাত ধুতে হবে। ‘রানিং ওয়াটার’ মানে হল, অবশ্যই সেই জলের সাপ্লাই পাইপলাইনে আসতে হবে। পাইপলাইনের জল থাকলেই একমাত্র রানিং ওয়াটারের সুবিধা পাওয়া সম্ভব। সে পাইপলাইন যেমনই হোক। টাইমকল হতে পারে, বেসিনে থাকা ট্যাপ হতে পারে। অথচ রাষ্ট্র ভুলেই গিয়েছে যে, এই বছরের বাজেটেই ভারত সরকারের ঘোষণা ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ স্কিম, ‘জল জীবন মিশন’। সেই প্রকল্পের লক্ষ্য হল, ২০২৪ সালের মধ্যে প্রতিটি বাড়িতে পাইপলাইনের জল পৌঁছে দেওয়া। তার মানে এখন নেই। অথচ রানিং ওয়াটারে সকলকে হাত ধুতে বলা হচ্ছে।
রাষ্ট্র বলেছিল, রাত ৯টার সময় বাড়ির সব বৈদ্যুতিক আলো নিভিয়ে দিয়ে বারান্দায় গিয়ে দীপ জ্বালাতে হবে। কিন্তু, ‘প্রধানমন্ত্রী সহজ বিজলি, হর ঘর যোজনা সৌভাগ্য’ নামক প্রকল্পের লক্ষ্যই হল, ভারতবর্ষের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া। ২০১৫ সালের ‘এনার্জি আউটলুক রিপোর্ট’ অনুযায়ী, ভারতের ২৪ কোটি মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ ছিল না। তাই ওই প্রকল্প নেওয়া হয়। এবং দ্রুতগতিতে সেই কাজ চলছে। গত বছরই ৯৬ শতাংশ সম্পূর্ণ হয়েছে বলে সরকারি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল। এখনও বাকি আছে কিছু। তাহলে যাদের ঘরে এখনও বিদ্যুৎ নেই, তারা ওই প্রদীপ জ্বালানোর রাত ৯টায় কী করেছিলেন?
‘শ্রমিক স্পেশাল’ ছাড়া যে ট্রেন চালানো শুরু হয়েছে, সেগুলির সবেতেই রাজধানী এক্সপ্রেসের ভাড়া নেওয়া হবে স্থির হয়েছে। আর এখন ট্রেনের টিকিট একমাত্র অনলাইনে কাটা যাবে। কোনও কাউন্টার টিকিট দেওয়া হবে না। অথচ ইন্টারনেট অ্যান্ড মোবাইল অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার সর্বশেষ সমীক্ষা অনুযায়ী ভারতে অ্যাকটিভ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫১ লক্ষ। অ্যাকটিভ ইন্টারনেট ইউজার মানে হল, টানা এক মাস যারা নেট ব্যবহার করেছে। তার মানে তো ভারতের সিংহভাগ মানুষের কাছে এখনও ইন্টারনেট নেই। তাহলে তারা টিকিট কাটবে কীভাবে? আর যাদের কাছে রাজধানী এক্সপ্রেসের ভাড়া দেওয়ার ক্ষমতা নেই, তারা যেতে পারবে না স্বস্থানে।
এই যে এতগুলো উদাহরণ নিয়ে আলোচনা করা হল, এর মাধ্যমে একটা বিষয় বেশ স্পষ্ট। রাষ্ট্র ক্রমে নিজের অজান্তেই ‘দেশবাসী’ হিসেবে প্রাধান্য দিয়ে যাচ্ছে অনলাইন, ডিজিটাল, স্মার্ট সিটি, ব্যালকনি, রাজধানী এক্সপ্রেস, এয়ারপোর্ট ইত্যাদির সঙ্গে যুক্ত শ্রেণীটিকে। অর্থাৎ প্রিভিলেজড ক্লাস। অন্য শ্রেণীগুলির কথা মাঝেমধ্যেই মনে থাকছে না। রাত আটটায় লকডাউন ঘোষণা করে বলা হয়েছিল, আজ রাত ১২টা থেকে সব বন্ধ। লকডাউন ঘোষণার পর দিল্লির করোলবাগ থেকে বিহারের দানাপুরের দিকে হেঁটে রওনা হওয়া একটি শ্রমিক পরিবার আমাকে একটা কথা বলেছিলেন... ‘আমাদের মনে হয় সরকার ভুলে গিয়েছে। তাই সময় দিল না।’ কথাটি আপাত সরল হলেও ভয়ঙ্কর সত্যি হিসেবে পরবর্তী দু’মাসে উপস্থিত হয়েছে। করোনার সংক্রমণের সময় সবথেকে বড় যে উদ্বেগটি সামনে এসেছে সেটি হল, আমরা জানতে পারছি, আমাদের রাষ্ট্র দেশকে সেভাবে চেনে না। তাই একের পর এক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং তার পরদিনই সেই সিদ্ধান্ত সংশোধন করা হয়। এটা যথেষ্ট আশঙ্কাজনক। কারণ, সমুদ্রে ঝড় উঠেছে এবং তখন যদি জানতে পারি জাহাজের ক্যাপ্টেন সমুদ্রের নেভিগেশনে দক্ষ নয়, প্রাণভয় আরও বেড়ে যায়। আর আঘাত লাগে বিশ্বাসে।
রাষ্ট্র নিজের দেশকে যদি কম জানে, তাহলে যেমন দেশবাসীর কাছে সেটা বেশ ভয়ের কারণ হয়, ঠিক ততটাই রাষ্ট্রের পক্ষে আবার সুবিধাজনক হয়ে যায়, যখন জানা যায় যে, দেশবাসীর একটা বড় অংশও রাষ্ট্র সম্পর্কে কম জানে। প্রশাসন পরিচালনা, সরকারের সিস্টেম, সংবিধানের নিয়মকানুন, কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের মধ্যে সিংহভাগ মানুষের সম্যক জ্ঞান নেই। অথচ আমরা নিরন্তর রাজনীতি এবং প্রশাসন নিয়ে চর্চা করে যাই। অবিরত আলোচনা করে চলেছি কোন দল, কোন নেতা, কোন নেত্রী কী কী ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কী কী সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল। অথচ আরবান, এলিট, এডুকেটেড এই শহুরে শ্রেণীর আমরা অনেকেই জানি না, একটা পঞ্চায়েত সমিতি কীভাবে চলে। কর্মাধ্যক্ষ, স্থায়ী সমিতি, জেলা পরিকল্পনা বোর্ডের কী কী দায়িত্ব ও অধিকার থাকে। ব্লক উন্নয়ন সমষ্টি অফিসে ঠিক কোন ধরনের সরকারি পরিষেবা পাওয়া যায়। দেশের বাজেটে অর্থমন্ত্রী একটা ঘোষণা করলেন। সেই ঘোষণার বরাদ্দ প্রকল্প অথবা টাকা ক্রমে নিচুতলায় এসে পৌঁছনোর ঠিক প্রক্রিয়াটা কী? কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে কেন্দ্রকে আমরা অনেকেই মনে করি প্রধান শিক্ষক অথবা উপরওয়ালা। আসলে কী তাই? সংবিধান কী বলছে? কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের ঠিক কী কী প্রকল্প আছে, যা আমাদের আশপাশেই সারা বছর ধরে রূপায়ণ করা হচ্ছে অথবা হচ্ছে না? এসব বেসিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের বিষয়ে আমরা অনেকেই অজ্ঞ। জানার চেষ্টাও করি না। অথচ সরকার, প্রশাসন, রাজনীতি, দল, নেতা, নেত্রী নিয়ে দিনভর মতামত দিয়ে চলেছি। এই যে জানি না, এটাই রাষ্ট্রের কাছে শক্তি। তারাও খুব খুশি, যাতে না জানি। তাদের শাসন করতে সুবিধা হয়।
২০ লক্ষ কোটি টাকা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই প্যাকেজ ভালো নাকি খারাপ এটা নিয়ে আমাদের নিজস্ব মতামত রয়েছে। থাকাই স্বাভাবিক। কেউ বলবে, ভালো প্যাকেজ। কেউ বলবে, খারাপ। কিন্তু আমাদের আসল কর্তব্য কী হওয়া উচিত? আমাদের আগামী দিনগুলিতে তীক্ষ্ণভাবে লক্ষ্য করা দরকার, এই প্যাকেজে ঘোষিত প্রকল্প বা অর্থবরাদ্দ সরাসরি আমার কাছে, আমার পরিচিত কারও কাছে কিংবা আমাদের পারিপার্শ্বিকে চেনা অচেনা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ইউনিট, ব্যবসায়ীদের কাছে, বিভিন্ন অন্য পেশার মানুষের কাছে সত্যিই এসে পৌঁছল কি না। ছ’মাস পর আমাদের ভাবা উচিত, দেখা যাক তো, ওই যে মে মাসে প্রধানমন্ত্রী যে প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, তার কী কী সুফল আমার চেনা চৌহদ্দির মানুষরা পেল! কিংবা কারা পেল না। আমার কী সুবিধা হল? প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ব্যাঙ্ক অথবা আর্থিক সংস্থাগুলি কি নির্বিঘ্নে লোন দিচ্ছে? নাকি দিচ্ছে না! সেসব তথ্য কি আমরা খুঁটিয়ে যাচাই করব? যদি করি, সেটা রাষ্ট্রের কাছে বিপজ্জনক হবে। রাষ্ট্র বা সরকার চাইবে না, আমরা ওসব করি। তাই এবার আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আমরা রাষ্ট্র, যে কোনও সরকার, যে কোনও দলকে প্রতিনিয়ত যাচাই করব কি না? তীক্ষ্ণভাবে বিচার করব কি না? নাকি ওইসব দল ও রাষ্ট্রের নিছক ক্রীতদাস হব? তারা যখন যা সিদ্ধান্ত নেবে, আমরা তাদের ‘আনপেইড আর্মি’ হিসেবে তাদের পক্ষের যোদ্ধা হিসেবে ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়ব? নাকি নিজেদের বিবেচনা, বিচারবুদ্ধি দিয়েই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব? একথা কেন উঠছে? কারণ, করোনা ভাইরাসের এই লকডাউন পর্ব আমাদের শিখিয়ে দিয়ে গিয়েছে, প্রত্যেক মানুষের লড়াইটা আসলে একান্তই তাঁর নিজের। সেখানে কারও সহায়তা পাওয়া যায় না। কারও আয় কমছে, কারও চাকরি চলে যাচ্ছে, কারও জীবিকা স্তব্ধ, কারও পেশা অনিশ্চিত, কারও শিক্ষা পিছিয়ে গেল, কারও কেরিয়ার অন্ধকারাচ্ছন্ন। এমতাবস্থায় কাকে পাচ্ছি পাশে সহায়তার জন্য? যাচাই করতে হবে না? সত্যিই কি সেই সাহায্য কার্যকরী হচ্ছে আমার জীবনে? জানতে হবে না নিরপেক্ষভাবে?
প্রধানমন্ত্রী ‘আত্মনির্ভরশীল’ শব্দটি যেদিন ব্যবহার করেছিলেন, তার কয়েকদিন আগেই শকুন্তলা নামে এক ৩০ বছরের গরিব মহিলা আমাদের শিখিয়ে দিয়েছিলেন, কাকে বলে আত্মনির্ভরশীলতা। মহারাষ্ট্রের নাসিক থেকে মধ্যপ্রদেশের সাতনা জেলার উচ্ছারা গ্রামে ফিরছিলেন শকুন্তলা তাঁর স্বামীর সঙ্গে। হেঁটে হেঁটে। মোট ১৭ জনের দল ছিল। সেই দলে শকুন্তলা ছিলেন ৯ মাসের গর্ভবতী। তাঁরা সকলেই নাসিকে কনস্ট্রাকশনের কাজ করতে গিয়েছিলেন। হ্যাঁ, শকুন্তলাও। লকডাউন হয়ে যাওয়ায় টাকা শেষ, খাবার নেই। এমতাবস্থায় প্রায় ৮১ কিলোমিটার হাঁটার পর আগ্রা-মুম্বই হাইওয়েতে প্রসব যন্ত্রণা ওঠে শকুন্তলার। তিনি রাস্তার পাশে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। ২ ঘণ্টা শুয়ে থাকেন একটি গাছের নীচে। তারপর ফের হাঁটা শুরু করেন। সদ্যোজাতকে কোলে নিয়ে। খালি পা। সন্তান প্রসবের ২ ঘণ্টা পর থেকে আবার ১৬০ কিলোমিটার হেঁটেছিলেন তিনি। মহারাষ্ট্র-মধ্যপ্রদেশ বর্ডার বিজাসন চেক পোস্টে পৌঁছনোর পর পুলিস ইনসপেক্টর কবিতা কানেশ দৃশ্যটি দেখে ও ঘটনা শুনে স্তব্ধ হয়ে যান! পুলিস এরপর গাড়িতে করে তাঁদের গ্রামে ফেরানোর ব্যবস্থা করে। শকুন্তলা আর তাঁর স্বামী রাকেশ কাউলের সঙ্গে ছিল তাঁদের ১১ বছরের মেয়ে। পরে পুলিস অফিসাররা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যখন এই দলটিকে জল ও খাবার দিয়েছিলেন তাঁরা, তখন সেগুলির থেকেও অনেক বেশি খুশি হয়েছিল ওই ১১ বছরের মেয়েটি... অন্য একটি উপহার পেয়ে। হাওয়াই চটি! সে নাকি চটিটা পরে প্রথমেই আনন্দে লাফিয়ে উঠে একটা জাম্প দিয়েছিল! এদের কথা আগামীদিনে রাষ্ট্রের মনে থাকবে তো?
15th  May, 2020
শিকড় গভীরে গেলে ঝড়েও
গাছ দাঁড়িয়ে থাকে 
তন্ময় মল্লিক

নরেন্দ্র মোদি বিজেপির শিবরাত্রির সলতে হয়ে দাঁড়িয়েছেন। লোকসভা থেকে বিধানসভা তাঁকে সামনে রেখেই নির্বাচন লড়ছে গেরুয়া শিবির। তাতেই স্পষ্ট, বিজেপির মুখের অভাব। নির্বাচন এগিয়ে আসতেই বিজেপি শাসিত রাজ্যের ভোট কুশলীদের বাংলায় আমদানির প্রবণতা বাড়ছে। কারণ দিল্লির নেতারা বুঝেছেন, নেতৃত্বের সঙ্কট বিজেপির বঙ্গজয়ের পথে প্রধান অন্তরায়।  
বিশদ

আসাদউদ্দিন কার হয়ে খেলছেন?
মৃণালকান্তি দাস

হায়দরাবাদের কট্টর ইসলামি নেতা হিসেবেই তাঁর পরিচিতি। ভক্তরা তাঁকে বলেন ‘নকিব-ই-মিল্লাত’। অর্থাৎ ‘সম্প্রদায়ের জন্য ভবিষ্যতের বাহক’। তরুণ বয়সে ক্রিকেট খেলতেন। অসাধারণ দেহ গঠন। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে সাড়া জাগানো ফাস্ট বোলার ছিলেন। ক্রিকেট নিয়ে লেখালিখিও করেন। উর্দু ও ইংরেজিতে দারুণ বাগ্মী। আইনশাস্ত্র পড়েছেন লন্ডনে। ব্যারিস্টার হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। বিশদ

04th  December, 2020
একুশের নির্বাচন ও জোড়া কালিদাস
ব্রাত্য বসু

তাহলে তৃণমূলকে অচ্ছুৎ ভাবার কারণ কী? সাধারণ মানুষের নেত্রী মমতার বিরুদ্ধে এলিটের ঘৃণা, নারীর প্রতি পুরুষতান্ত্রিকতার বিদ্বেষ নাকি ওই চৌত্রিশ বছরের মৌরসিপাট্টা হারানোর দগদগে জ্বালা? কোনটা? বিশদ

03rd  December, 2020
লড়াই এবার নেমে এসেছে রণভূমিতে
সন্দীপন বিশ্বাস

সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের লড়াই ছিল একটা রক্তচক্ষু, বাহুবলী, উদ্ধত শাসকের ভুল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মানুষের সম্মিলিত লড়াই। সেই লড়াইটার সেদিন নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ইতিহাস কোনওভাবেই মুছে ফেলা যাবে না। বিশদ

02nd  December, 2020
প্রতিষ্ঠানের থেকে বড় কেউ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। যার নেপথ্যে রয়েছে সংগ্রামী অতীত। তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশদ

01st  December, 2020
ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

30th  November, 2020
আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। বিশদ

28th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
একনজরে
উম-পুন ক্ষতিপূরণ প্রদানে দুর্নীতির অভিযোগ ক্যাগকে খতিয়ে দেখতে বলেছে কলকাতা হাইকোর্ট। ১ ডিসেম্বরের সেই নির্দেশ সম্পর্কে শুক্রবার প্রধান বিচারপতি থোট্টাথিল বি রাধাকৃষ্ণাণের ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্যের তরফে প্রশ্ন তোলা হল। যদিও তাতে সাড়া দিল না আদালত।  ...

নিউ ইয়র্ক: টাইম ম্যাগাজিনের ‘কিড অব দ্য ইয়ার’ শিরোপায় ভূষিত হল ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান কিশোরী। একাধিক বিষয়ে তার গবেষণা ও চমকপ্রদ আবিষ্কারের জন্য প্রচ্ছদে জায়গা ...

করোনার কারণে ফের কাজে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল বর্ধমান বার অ্যাসোসিয়েশন। শনিবার থেকে আইনজীবীরা সওয়ালে অংশ নেবেন না। ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করবেন তাঁরা। ...

কোনও বিস্ফোরক নয়, ব্যাটারি ফেটেই টোটো বিস্ফোরণ হয়েছিল ইংলিশবাজারে। শুক্রবার জেলা পুলিসের হাতে এব্যাপারে ফরেন্সিক রিপোর্ট এসে পৌঁছেছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহ বৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০১: মার্কিন চলচ্চিত্র প্রযোজক, নির্দেশক ও কাহিনীকার ওয়াল্ট ডিজনির জন্ম
১৯২৪: গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার জন্ম
১৯৩৫: কলকাতায় মেট্রো সিনেমা হল প্রতিষ্ঠা হয়
১৯৫০: বিপ্লবী, দার্শনিক ও আধ্যাত্মসাধক ঋষি অরবিন্দের প্রয়াণ
১৯৫১: শিল্পী ও লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যু
১৯৯৯: মিস ওয়ার্ল্ড হলেন যুক্তামুখী  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০৪ টাকা ৭৪.৭৫ টাকা
পাউন্ড ৯৭.৬৫ টাকা ১০১.১০ টাকা
ইউরো ৮৮.১২ টাকা ৯১.৩৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,০৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০, পঞ্চমী ৩৫/১০ রাত্রি ৮/১১। পুষ্যা নক্ষত্র ২০/৫২ দিবা ২/২৮। সূর্যোদয় ৬/৬/৪৩, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/৪৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৭/৩২ গতে ৯/৪০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪৭ গতে ২/৩৪ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ২/৩৪ গতে ৩/২৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৭ গতে ২/৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২৮ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/২৮ মধ্যে পুনঃ ৪/২৬ গতে উদয়াবধি।  
১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, শনিবার ৫ ডিসেম্বর ২০২০, পঞ্চমী সন্ধ্যা ৫/১৯। পুষ্যানক্ষত্র দিবা ১২/৪৪। সূর্যোদয় ৬/৮, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ৭/৪৩ গতে ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ২/৫২ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৪/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৪৩ মধ্যে রাত্রি ২/৪৩ গতে ৩/৩৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/২৮ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/৮ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৪/৪৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৮ মধ্যে ও ৪/২৮ গতে ৬/৯ মধ্যে।  
১৯ রবিউল সানি। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: ইস্ট বেঙ্গলকে ২-০ গোলে হারাল নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড

09:30:28 PM

আইএসএল: নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড ২- ইস্ট বেঙ্গল ০ (৯১ মিনিট)

09:25:08 PM

আইএসএল: নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড ১- ইস্ট বেঙ্গল ০ (৩৩ মিনিট)

08:40:07 PM

 আইএসএল: নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড ১- ইস্ট বেঙ্গল ০ (হাফ টাইম)

08:26:00 PM

সিতাইতে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ
তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দিনহাটার সিতাই। বোমাবাজি, বাড়ি, টোটো, ...বিশদ

06:48:51 PM

কয়লা কাণ্ডে সোমবার অনুপ মাঝি ওরফে লালাকে হাজিরার নির্দেশ সিবিআইয়ের

05:37:00 PM