Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নাগরিক সমাজকেও প্রস্তুত রাখা প্রয়োজন
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

করোনার ভয়াবহ বিপর্যয় কতদিন ধরে চলবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না চিকিৎসা বিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা। আজ সারা পৃথিবীটাই করোনায় আক্রান্ত। শুধু ইউরোপেই মৃতের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলছে মৃত্যুর মিছিল। দিশেহারা মার্কিন প্রশাসন চিকিৎসা সংক্রান্ত নানা বিষয়ে সরাসরি সাহায্য চাইছে। স্বয়ং ট্রাম্প ওষুধ সরবরাহের ব্যাপারে মোদির কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন। করোনায় আক্রান্ত ইউরোপের রাষ্ট্রপ্রধানরা চীনের কাছে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। বিশ্বজুড়ে যে পরিস্থিতি তাতে আদতেও রাষ্ট্রগুলি একে অপরকে সাহায্য করবার মতো জায়গায় আছে কি?
বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ভাববার সময় এখন নয়। মানব সভ্যতাকে রক্ষা করার এই লড়াইয়ে অর্থনীতির ভাবনা এই মুহূর্তে তুচ্ছ। যদিও আগামী সময়ের নিরিখে অর্থনীতির প্রভাবকেও উপেক্ষা করা যায় না। করোনার প্রভাবে বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যে সঙ্কটে পড়বে সেটা মানবসভ্যতা রক্ষার লড়াইয়ের আরেকটি পর্ব হিসাবে চিহ্নিত থাকবে।
বিপুল জনসংখ্যার প্রেক্ষিতে করোনার সংকট আলাদা মাত্রা পেয়েছে ভারতে। চেষ্টা করেও এর প্রভাব নির্দিষ্ট কয়েকটি রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব হয়নি। প্রায় সারাদেশেই মানুষ আক্রান্ত, তেমনি লকডাউনের ফলে গোটা দেশই আর্থ-সামাজিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। পরিস্থিতি ইউরোপ আমেরিকার মতো নয় ঠিকই, কিন্তু সংক্রমণ এবং মৃত্যু দুটোই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। তা এ এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। লকডাউন কতদিন চলবে কারও জানা নেই। রাজ্যগুলো স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ও প্রয়োজনীয় সাজসরঞ্জাম বৃদ্ধির জন্য চার সপ্তাহ ধরে নানা উদ্যোগ নিয়েছে। কেন্দ্র ১.৭০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। বহু ধরনের ব্যয় হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে সরকারকে। সাংসদ তহবিলে টাকা খরচ দু›বছরের জন্য বন্ধ রাখা, রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও রাজ্যপালদের বেতন ৩০% হ্রাস করার মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারও ২০০ কোটি টাকার তহবিল গড়েছে।
এই পরিপ্রেক্ষিতে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঠে আসছে:
ক) রাষ্ট্রের এসব উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিক হিসাবে আমরা নিজেদের দায়িত্ব ঠিক মতো পালন করছি তো?
খ) যদি দীর্ঘদিন লকডাউন থাকে তার জন্য দীর্ঘমেয়াদি কৌশল কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলি নিচ্ছে তো?
গ) কেবল প্রশাসনিক উদ্যোগের উপর নির্ভর করে দীর্ঘ লড়াই জারি রাখা বাস্তবে সম্ভব হবে কি?
ইতালি, স্পেন বা আমেরিকার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তা মোকাবিলা করা কেবল রাজ্য বা কেন্দ্রীয় প্রশাসনের পক্ষে মোটেই সম্ভব হবে না। দীর্ঘমেয়াদে নাগরিক জীবনের উদ্যমী মানুষ ও সামাজিক সংগঠনগুলিকে প্রস্তুত করা ও রাখার বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী পর্যায়ে আলোচনায় আসা যাবে। এখন দেখা যাক, লকডাউন ঘোষণার পর সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার প্রশ্নে মূল সমস্যা কোথা থেকে উঠে আসছে এবং সমস্যা সমাধানের জন্য কী করা যেতে পারে।
অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে বাজারগুলিতে মানুষের ভিড় এড়ানো সম্ভব হচ্ছে না বিভিন্ন কারণে। সকালে ১০টা পর্যন্ত হাটবাজার খোলা থাকায় বিপুল সংখ্যক ক্রেতা একইসময়ে বাজারে জড়ো হওয়ায় এবং বিপদ এড়ানো কঠিনই হচ্ছে। বহুক্ষেত্রে ১ মিটার দূরত্ব বজায় রেখে হাটবাজার করার মতো অবস্থা নেই। এক্ষেত্রে প্রশাসন পুরনো বাজারগুলি সরিয়ে নিয়ে জেলাস্তরে বড় খেলার মাঠে চালু করার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা অবশ্যই প্রশংসনীয়। কিন্তু কলকাতায় বড় জায়গার অভাব আছেই। বাজার স্থানান্তরের ক্ষেত্রে পার্ক ও খেলার মাঠগুলিকে ব্যবহার করা যায় কি না বাবা মেতে পারে। দিতীয়ত, একেকটি পাড়ার পরিবারগুলিকে বাজার বা দোকানে প্রবেশ করবার জন্য একেকটি নির্দিষ্ট দিন এবং সময় নির্ধারণ করে দিলে বাজারে একই সময় বহু সংখ্যক মানুষের ভিড় আটকানো সম্ভব। তৃতীয়ত, অনলাইন পরিষেবা শহরে এখনও সেভাবে পাওয়া যাচ্ছে না। অনলাইন পরিষেবার মাধ্যমেও বাজারে ভিড় আটকানোর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
এখনও পর্যন্ত কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলি স্বল্প মেয়াদি পরিকল্পনার ভিত্তিতে পুলিস এবং সাধারণ প্রশাসনকে ব্যবহার করছে। বাংলায় মূলত পুলিশ প্রশাসনকে এই কাজে যুক্ত করা হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য নাগরিকদের সচেতন করার উদ্যোগ যেমন পুলিস নিয়েছে তেমনি প্রস্তুত খাবার বিতরণের ক্ষেত্রেও তাদের ভূমিকাই মুখ্য। একইসঙ্গে হাসপাতলে রোগীকে পৌঁছে দেওয়া থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বও তাদের। পুলিস প্রশাসনের উপর এই অতি নির্ভরতা স্বল্পমেয়াদে সুফল দিলেও দীর্ঘমেয়াদে ব্যাপারটি কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
বিপদ পরে ভয়ঙ্কর আকার নিলে সমাজের নানা স্তরের মতন পুলিস প্রশাসনও সেই প্রভাবের বাইরে থাকবে না। আশঙ্কাটি একইভাবে চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত ডাক্তার থেকে নার্স, প্যারামেডিকেল স্টাফ থেকে হাসপাতালের একজন ওয়ার্ডবয় সবার জন্যই প্রযোজ্য। অর্থাৎ বৃহত্তর বিপর্যয়ের কথা মাথায় রাখলে কেবল প্রশাসনিকভাবে করোনা বিপর্যয়ের মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। এখানেই প্রশ্ন আসবে বিকল্প কর্মিবাহিনী কোথা থেকে আসবে এবং কীভাবে তৈরি করা সম্ভব? সময় নষ্ট না-করে এখনই সংগঠিতভাবে বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের আহ্বান করা হোক। যোগদানে ইচ্ছুক স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক এবং বড় বিপর্যয় এলে নির্দিষ্টভাবে কোন কাজ কাকে দেখতে হবে তা আগাম নির্ধারণ করে দেওয়া হোক। এই সমগ্র প্রক্রিয়াটিতে অবশ্যই অগ্রাধিকার পাবে মান্য স্বাস্থ্যবিধি। এমন হতেই পারে বড় বিপর্যয়ে একটি নির্দিষ্ট থানার বহু সংখ্যক পুলিস আধিকারিক ও কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়ে কাজের বাইরে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। এই অবস্থায় স্বল্প মেয়াদি প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকদের কিছু সময়ের জন্য থানার কাজে সহায়তা করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। এভাবে সমাজের বিভিন্ন সেক্টরের কাজে প্রয়োজনে স্বেচ্ছাসেবকদের যাতে পাওয়া যায় তার প্রস্তুতি এবং প্রশিক্ষণের জন্য এটাই শেষ উপযুক্ত সময়।
গত ১৫ দিনের লকডাউনে সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের উপর। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলোর দুরবস্থা ক্রমশ বাড়ছে। পাশাপাশি, লকডাউন অনির্দিষ্টকাল চললে সংগঠিত এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রের ছোট বড় সংস্থাগুলি তাদের শ্রমিকদের নিয়মিত মজুরি দিতে পারবে কি? এই অবস্থায় সারাদেশের রেশন ব্যবস্থাকে জোরদার করা ছাড়া উপায় নেই। এপর্যন্ত বাংলায় রেশন ডিলারদের মাধ্যমে চাল ও গম দেওয়া হচ্ছে। সমস্যা এক্ষেত্রেও। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিয়ে। বাড়ি বাড়ি রেশন পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ অনেক বেশি কার্যকরী হতে পারে। অসংগঠিত ক্ষেত্রের মানুষদের জন্য প্রথাগত রেশনের বাইরেও একটু ভাবার সুযোগ রয়েছে। চাল ডাল আটার সঙ্গে অন্যকিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যও যদি তাঁরা এই মুহূর্তে পান তবে রাষ্ট্রের পক্ষে এই সঙ্কট মোকাবিলা করা অনেক সহজ হবে।
দীর্ঘ লকডাউনে জীবিকার প্রশ্নে যে অনিশ্চয়তা অসংগঠিত ক্ষেত্রে থাকছে রেশনব্যবস্থা ঢেলে না-সাজলে সামাজিক উত্তেজনা তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। এই প্রশ্নে রাষ্ট্রের যথাযথ দায়িত্বপালনের উপরেই নির্ভর করবে সামাজিক সুস্থিরতা এবং সামাজিক সুরক্ষা। একইসঙ্গে একথা বলা প্রয়োজন যে, এই মহাসঙ্কটে যে-কোনও গুজব যেমন নতুন বিপদ ডেকে আনতে পারে তেমনি নির্ভুল তথ্যের প্রবাহ অব্যাহত না-থাকলে সেটাও বড় বিপদ সৃষ্টি করতে পারে। এই প্রসঙ্গে বিগত শতাব্দীর ৬০ এবং ৭০ দশকে চীন এবং ভারতের দুর্ভিক্ষের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। অর্থনৈতিকভাবে ভারত চীনের থেকে দুর্বল হলেও ভারতে দুর্ভিক্ষের সময় চীনের মতো লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়নি। কারণ, ভারত একটি উদার গণতান্ত্রিক দেশ হওয়ায় স্বাধীন সংবাদ প্রবাহের ফলে কোনও এক অঞ্চলের দুর্ভিক্ষের খবর দ্রুততার সঙ্গে অন্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছিল। ফলে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাহায্য অল্প সময়ের মধ্যে দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষের কাছে পৌঁছেছিল। অন্যদিকে চীনে কর্তৃত্ববাদী শাসন ব্যবস্থা থাকায় সরকার দুর্ভিক্ষের খবর চেপে যাওয়ায় অন্য অঞ্চলের মানুষ দুর্ভিক্ষ সম্পর্কে অবহিত হতে পারতেন না। ফলে, বহু মানুষ সাহায্যের হাত বাড়াতে পারতেন না সুযোগ থাকা সত্ত্বেও। তাই চীনে দুর্ভিক্ষ এবং মৃত্যু, দুটিই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল। সুতরাং মুক্ত তথ্যপ্রবাহ সঙ্কট মোকাবিলার প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।
লেখক রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
10th  April, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
একনজরে
 নিউ ইয়র্ক, ২৭ মে: আবার মুখোমুখি মাইক টাইসন ও ইভান্ডার হোলিফিল্ড। চ্যারিটি লড়াইয়ে অংশ নেওয়ার জন্য প্রাক্তন দুই হেভিওয়েট বক্সিং চ্যাম্পিয়ন অবসর ভেঙে রিংয়ে ফিরছেন। এই লড়াইয়ের দিন ঠিক হয়েছে ২৬ জুন। উল্লেখ্য, হোলিফিল্ডের বয়স এখন ৫৮ বছর। তাঁর থেকে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে পঙ্গপালের হামলার কোনও সতর্কবার্তা এখনও জারি করেনি কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রক। কিন্তু, রাজ্য কৃষিদপ্তরের আধিকারিকরা বলছেন, উত্তর ও পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলির তুলনায় অনেক ...

জয়পুর, ২৭ মে: দেশে করোনার সংক্রমণের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে পঙ্গপালের হানা। ইতিমধ্যে পশ্চিমের রাজ্যগুলিতে হানা দিতে শুরু করেছে পঙ্গপালের ঝাঁক। লকডাউনের মধ্যে নয়া ...

নয়াদিল্লি, ২৭ মে: বিভিন্ন হোটেলের শ্রেণিবিন্যাস ও অনুমোদনের সময়সীমা ৩০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করল পর্যটন মন্ত্রক। এই অনুমোদনের মেয়াদ থাকে পাঁচ বছর। মন্ত্রক জানিয়েছে, বর্তমানে আতিথেয়তা শিল্প একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এগচ্ছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যাধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪২ - লন্ডনে প্রথম ইনডোর সুইমিংপুল চালু
১৮৮৩- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনায়ক দামোদর সাভারকারের জন্ম
১৯২৩- রাজনীতিক ও তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এনটি রামা রাওয়ের জন্ম
২০১০- পশ্চিমবঙ্গে জ্ঞানশ্বেরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪১জনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৬.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯৪.১২ টাকা
ইউরো ৮১.২৯ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ৪৬/১৯ রাত্রি ১১/২৮। পুষ্যা নক্ষত্র ৬/১৬ দিবা ৭/২৭। সূর্যোদয় ৪/৫৬/১৭, সূর্যাস্ত ৬/১১/২০। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৩ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৪ মধ্যে।
১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৮/৫৩। পুষ্যানক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৩৫ পরে অশ্লেষানক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৪৫। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪০ গতে ৬/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ গতে ৯/১০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৪ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৫ গতে ১২/৫৫ মধ্যে।
৪ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ২,১৯০ জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৬,৯৪৮ 

27-05-2020 - 09:09:17 PM

 কলকাতার উপর দিয়ে ঝড় বইল ঘণ্টায় ৯৬ কিমি বেগে

27-05-2020 - 07:45:15 PM

বাংলায় করোনায় আক্রান্ত আরও ১৮৩ 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

27-05-2020 - 07:08:26 PM

অসমে নতুন করে আক্রান্ত আরও ৬০
অসমে নতুন করে আরও ৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। ...বিশদ

27-05-2020 - 06:56:31 PM

একদিনে তামিলনাড়ুতে করোনা আক্রান্ত ৮১৭
একদিনে তামিলনাড়ুতে ৮১৭ জনের শরীরে মিলেছে করোনার জীবাণু। মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

27-05-2020 - 06:50:00 PM

শুরু হল বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টি 
কলকাতা সহ জেলাগুলিতে শুরু হয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়বৃষ্টি। যদিও আবহাওয়া ...বিশদ

27-05-2020 - 06:43:33 PM