Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ড্রেনের জল পরীক্ষা করেই গোষ্ঠী সংক্রমণের আগাম হদিশ মিলতে পারে
মৃন্ময় চন্দ

নোভেল করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে সারা বিশ্ব প্রকম্পিত। রোগটির চালচলন বিজ্ঞানী বা চিকিৎসক মহলে মোটেই পরিচিত নয়। শুধু চীন কেন, আমেরিকা, ইতালি, স্পেন, ইরান—সর্বত্রই বয়স্কদের উপর বেশি আঘাত হানতে শুরু করেছিল এই মারণ ভাইরাস। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হওয়া স্বভাবতই তাঁরা করোনার সহজ শিকার। চিত্রটা কিন্তু পাল্টাচ্ছে। বর্তমানে ২১ থেকে ৪৪ বছর বয়সিরাও কিন্তু এখন সমানতালে আক্রান্ত হচ্ছেন। পৃথিবীর সর্বত্র। সেন্টারস ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের এক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে ২১ থেকে ৪৪ বছর বয়স্ক ৭০ শতাংশ সঙ্কটাপন্ন তরুণ-তরুণীর প্রয়োজন পড়ছে আইসিইউয়ের। তারুণ্যেও করোনার কামড় থেকে খুব একটা ছাড় মিলছে না।
মুশকিল হল, ৬০ শতাংশ করোনা রোগী একেবারে উপসর্গহীন হতে পারেন। সবথেকে বিপজ্জনক তাঁরাই। সমাজে গোষ্ঠীতে তাঁরা মেলামেশা করবেন, হেসে-খেলে বেরাবেন অবাধে; করোনার বীজ চারিয়েও দেবেন নিঃশব্দে... আশপাশের অপাপবিদ্ধ মানুষের শরীরে। নিজে সুস্থ থাকলেও যে কোনও সময় তাঁরা অন্যের মৃত্যুর কারণ হতেই পারেন। সে জন্য বাছবিচার না করে প্রচুর পরীক্ষা প্রয়োজন। ফোন বুথে কেউ ফোন করে বেরিয়ে যাওয়ার পর দক্ষিণ কোরিয়া ফোনের রিসিভার থেকে নমুনা সংগ্রহ করে টেস্ট করতে পাঠিয়েছে, ৭ মিনিটে ফল জেনে, করোনা পজিটিভ হলে কোয়ারেন্টাইনে পাঠিয়েছে। তৎক্ষণাৎ। খুব তাড়াতাড়ি ব্যক্তির পরিচয় জেনে তাঁর সংস্পর্শে আসা লোকেদের উপর বিরামহীন নজরদারি চালানো হয়েছে। ৫ কোটির দেশে করোনা ধরা পড়েছে ৯২৪১ জনের, মৃত্যুর খবর নেই। চীনের মূল ভূখণ্ড থেকে মাত্র ৮১ মাইল দূরে তাইওয়ান। চীনের গা ঘেঁষাঘেঁষি করে থাকলেও ২.৩ কোটির দেশে করোনা আক্রান্ত মাত্র ২৫২ জন। করোনা আক্রান্তের সংখ্যার (৪৩,৬৪৬ জন) বিচারে ৫ নম্বরে থাকা জার্মানি স্রেফ তাদের নার্সের সংখ্যায় (প্রতি হাজারে ১৩ জন নার্স) হার মানাতে পেরেছে করোনাকে। আইসিইউতে প্রশিক্ষিত নার্সের ভূমিকা এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। সঙ্কটজনক রোগীরা নার্সদের সৌজন্যেই আইসিইউতে প্রাণ ফিরে পেয়েছেন। ফলে জার্মানিতে মৃত্যুহার নগণ্য।
এখন প্রশ্ন হল, টেস্ট কিটের অভাব হলে আগাম কীভাবে করোনার উপস্থিতি জানা সম্ভব? সন্দেহভাজন এলাকায় (হটস্পট) গোষ্ঠী সংক্রমণের আশঙ্কা প্রবল। তাই কিটের ঘাটতি থাকলেও সেই সব এলাকায় খুব সহজে ড্রেনের জল পরীক্ষা করেই করোনার চালাকি ধরা সম্ভব। আমেরিকা-সুইডেন-নেদারল্যান্ডসে ব্যাপকভাবে শুরু হয়েছে ড্রেনের জল পরীক্ষা। মল-মূত্রের মাধ্যমে ড্রেনের জলে মেশা করোনা ভাইরাসকে তিনদিনের মধ্যে আরটি-পিসিআরে শনাক্তকরণ সম্ভব। ১৪ দিনের আগে সন্দেহভাজন রোগীর ক্ষেত্রে যা জানা সম্ভব নয়। ড্রেনের জলে করোনার উপস্থিতির বহর দেখেই গোষ্ঠী সংক্রমণের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত মিলতে পারে। তাহলে সতর্ক, সচেতন হয়ে যথাযথ প্রস্তুতির সময় পাওয়া যাবে। তাছাড়া টেস্ট কিটের অভাবে বুকের সিটি স্ক্যানের ‘রিভার্স হ্যালো’ চিহ্ন দেখেও রোগী করোনা আক্রান্ত কি না, চটজলদি জানা সম্ভব।
 হাত ধোওয়া, মাস্ক কেন জরুরি
সাবান বা স্যানিটাইজারে হাত ধোওয়া, মাস্ক পরা ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্যই জরুরি। আপনার হাঁচি-কাশি অন্য কাউকে যাতে সংক্রামিত না করতে পারে। আরও জরুরি, ‘হু’র ভাষ্যে ‘ফিজিক্যাল ডিসট্যান্স’ মেনে চলা। নোভেল করোনা চরিত্রে অনন্য। গোটা বিশ্বের বিজ্ঞানী মহল মোটামুটি একমত—করোনার সংক্রমণ ‘এরোসোলাইজড’, অর্থাৎ বাতাসে ভেসে করোনা দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে পড়ছে। না হলে এত দ্রুত গোষ্ঠী সংক্রমণ সম্ভব নয় মোটেই। করোনারঅধিষ্ঠান যখন গলার মধ্যে, তখনই সে দোর্দণ্ডপ্রতাপ। ফুসফুসের তুলনায় গলায় অ্যান্টিবডির সংখ্যাও কম। শুধু হাঁচি-কাশি নয়, কথাবার্তার মাধ্যমেও অক্লেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে, বিশেষত ভারতের মতো ঘনজনবসতিপূর্ণ দেশে। মাস্ক সেক্ষেত্রে পাঁচিলের কাজ করবে। শুধু মাস্ক পরে করোনা ঠেকানোর চেষ্টা বৃথা। হাতে গ্লাভস আবশ্যক। প্রয়োজন সাবান বা স্যানিটাইজারে বারেবারে হাত ধোওয়া। সাবান সবথেকে ভাল, ভাইরাস তাতেই সবথেকে বেশি কুপোকাত। অ্যালকোহল স্যানিটাইজারে হাত ধুলে, হাতেই অ্যালকোহল শুকোতে দিতে হবে, টিস্যু পেপারে মুছে ফেললে বিপদ বাড়বে। বেশিরভাগ মানুষ ভাবেন, মাস্ক পরা মানে করোনার বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তোলা। একেবারেই ভুল ধারণা। করোনা সংক্রমণে সবচেয়ে বড় মীরজাফর হাত। টয়লেট থেকে বেরলেও হাত ধুতে হবে, সাবান বা স্যানিটাইজারে। ১০ জনের মধ্যে মাত্র দু’জন টয়লেট থেকে বেরিয়ে হাত ধুয়ে থাকেন। হাঁচি-কাশির সময় কেবলমাত্র ৪২ শতাংশ মানুষ কনুই দিয়ে মুখ ঢাকেন। প্রতি ঘণ্টায় মানুষ নিজের অজান্তে ২০ বার তার নাক, মুখ, চোখ স্পর্শ করেন। সুতরাং হাতের যত্ন নিন। সিডিসি বা ‘হু’ প্রথম থেকে বলে এসেছে, সুস্থ মানুষের ‘মাস্ক’ প্রয়োজন নেই। কিন্তু যবে থেকে প্রমাণ পাওয়া গেল ভাইরাসটি বাতাসে ভেসে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে, তখন থেকে মাস্ক না পরায় নিস্তার নেই।
মনে রাখা দরকার ২০১৯ এন-সিওভির ‘ভ্রাতৃসম’ সার্স বা মার্সের সংক্রমণ কিন্তু বাতাসের অর্থাৎ ‘এরোসলের’ মাধ্যমে হয়নি। হংকংয়ের অ্যাময় গার্ডেন হাউজিং কমপ্লেক্স বা মেট্রাপোল হোটেলে ৩০০ জন রাতারাতি সার্সে আক্রান্ত হলেও হোটেল বা হাউজিং কমপ্লেক্সের বাইরে একটি সার্স রোগীরও সন্ধান মেলেনি। ২০০৩-এর পর সারা বিশ্বেই সার্স রোগীর আর খোঁজ মেলেনি, অর্থাৎ প্রাকৃতিক নির্বাচনের কৃপা বঞ্চিত ভাইরাসটির চিরতরে পঞ্চত্বপ্রাপ্তিই ঘটেছে। তখন মূলত স্বাস্থ্যকর্মীরা বা কোনও একটি বিশেষ অঞ্চলের বাসিন্দারা কনট্যাক্ট বা ছোঁয়াছুঁয়ির মাধ্যমেই ‘নসোকমিয়েল ইনফেকশনে’ ব্যাপকভাবে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সার্সে মৃত্যুহার ছিল ৯.৬ শতাংশ; নোভেল করোনা ভাইরাসে মাত্র ২.১ শতাংশ।
 আতঙ্ক নিষ্প্রয়োজন
কোভিড-১৯’এ যে কোনও ‘ফ্লু’য়ের মতোই সপ্তাহ দু’য়েক জ্বর-সর্দি-কাশি থাকতে পারে, হতে পারে নিউমোনিয়াও। তবে জ্বর মানেই করোনা সংক্রমণ নয়, আর থার্মাল স্ক্যানার আক্ষরিক অর্থে অকর্মা। কারণ, চকিতে জ্বর ধরতে পারলেও, কী কারণে জ্বর, তা বাতলানো থার্মাল স্ক্যানারের পক্ষে অসম্ভব। চিনের গুয়াংডঙের ‘ফিভার ক্লিনিকে’ জ্বরে আক্রান্ত ৩ লক্ষ ২০ হাজার রোগীর মধ্যে মাত্র ০.১৪ শতাংশের শরীরে মিলেছিল করোনা। ৪.৮ শতাংশের নাক দিয়ে জল পড়ার উপসর্গ ছিল, ২.৪ শতাংশ শিশু করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল। সকলেই দু’সপ্তাহ পরে সুস্থ হয়ে যায়। অন্যান্য ভাইরাল ইনফেকশনের মতো বিশ্রাম ও গৃহবন্দিত্বেই পরিত্রাণ মিলবে নোভেল করোনা ভাইরাসের হাত থেকেও। ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া (বা ট্রান্সমিশন চেন) আটকানোর একমাত্র দাওয়াই ঘরবন্দি থাকা। ‘হু’র প্রতিবেদনে স্পষ্ট ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে রোগের প্রকোপ হবে সামান্যই, ১৩.৮ শতাংশ ক্ষেত্রে প্রবল আর মারাত্মক শ্বাসকষ্ট, সেপটিক শক বা অর্গান ফেলিওয়ের কারণে ৬.১ শতাংশ রোগী সঙ্কটাপন্ন হতে পারেন। ৮০ বছরের বেশি বয়সি বৃদ্ধ (২১.৯ শতাংশ) বা যারা ডায়াবেটিস-হৃদরোগ-উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে করোনা ভাইরাস মারণ।
 কেন অমিল প্রতিষেধক
এইচআইভি-ইবোলা-এন করোনা ভাইরাস প্রায় একইরকম দুষ্টু। তাই এইডসের ওষুধ লোপিনাভির-রিটোনাভির বা ইবোলার ‘রেমডিসিভির’ করোনার ক্ষেত্রে কিছুটা সুফলপ্রদ। অ্যান্টিভাইরাল লোপিনাভির-রিটোনাভির মানুষের শরীরের ফুসফুসে অবস্থিত ‘এসিই-টু রিসেপ্টরের’ সঙ্গে ভাইরাসটিকে গাঁটছড়া বাঁধতে বাধা দেয়। বলা হচ্ছে, আমেরিকা নাকি কোভিড-১৯’এর প্রতিষেধক থেকে এক কদম দূরে! বিষয়টা এত সহজ হলে সার্স বা মার্সের প্রতিষেধক গত ২০ বছরে অমিল কেন? ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্প্রতি ৮ লক্ষ শিশুকে ফিলিপিন্সে ‘ডেঙ্গভ্যাক্সিয়া’ ভ্যাকসিনটি দেওয়া হয়েছিল। ‘ভ্যাক্সিন এনহান্সমেন্ট’-এর কারণে যে ভয়ঙ্কর ডেঙ্গুতে শিশুরা আক্রান্ত হয়েছিল, তার কোনও প্রতিষেধক কিন্তু মেলেনি। ২০১৯-এর অক্টোবর পর্যন্ত শিশু-বৃদ্ধ মিলিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৬০০ জনের। সার্স-মার্স-কোভিড-১৯’এর আয়ু মেরেকেটে এক-দু’বছর। তারপর HERD Immunity তৈরি হবে; মিজলস বা হাম বা সাধারণ ফ্লু’র মত দিন দুয়েক ভোগালেও দরকার পড়বে না আর কোনও ওষুধের।
কোভিড-১৯’এর ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষা ইঁদুর বা গিনিপিগের উপর সম্ভব নয়। কারণ ইঁদুর, গিনিপিগের এসিই-টু রিসেপ্টরের সঙ্গে মানুষের এসিই-টুর আকাশপাতাল ফারাক। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রস্তুত ইঁদুর ও গিনিপিগের উপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। সুতরাং করোনা সংক্রমণের বাড়াবাড়িতে ওষুধের ভূমিকা নগণ্যই। অগত্যা ভরসা সেই সতর্কতা, সচেতনতা। সচেতনতার অর্থ সোশ্যাল মিডিয়া বাহিত অপ্রকৃতস্থ গুজবের দুর্নিবার দাবানল নয়। ভারতের মতো অজ্ঞ-অশিক্ষিত, সুস্থ বিচার বিবেচনায় অক্ষম জলপড়া-গোমূত্রে বিশ্বাসীর দেশে সোশ্যাল মিডিয়াকে যে কোনও সঙ্কটকালীন অবস্থায় বন্ধ রাখাই বোধ হয় শ্রেয়। নোভেল করোনা ভাইরাসে মৃত্যুহার কম, কিন্তু বিধি বাম হলে বিশ্বব্যাপী মহামারীর সুনামিতে যে কোনও সময় ছারখার হতেই পারে ভারত।
 লেখক: হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির, হার্ভার্ড গ্লোবাল হেলথ ইনস্টিটিউটের প্যানডেমিক মোকাবিলা ও ‘হু’র কোভিড-১৯: অপারেশনাল প্ল্যানিং গাইডলাইনে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত
09th  April, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
একনজরে
 নিউ ইয়র্ক, ২৭ মে: আবার মুখোমুখি মাইক টাইসন ও ইভান্ডার হোলিফিল্ড। চ্যারিটি লড়াইয়ে অংশ নেওয়ার জন্য প্রাক্তন দুই হেভিওয়েট বক্সিং চ্যাম্পিয়ন অবসর ভেঙে রিংয়ে ফিরছেন। এই লড়াইয়ের দিন ঠিক হয়েছে ২৬ জুন। উল্লেখ্য, হোলিফিল্ডের বয়স এখন ৫৮ বছর। তাঁর থেকে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: লকডাউনে কাজ হারানো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাড়ে আট হাজার মানুষকে প্রচেষ্টা প্রকল্পে মাথাপিছু ১০০০ টাকা দিল রাজ্য সরকার। লকডাউনে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ‘স্নেহের পরশ’ এবং কাজ হারানো দুঃস্থ মানুষদের জন্য ‘প্রচেষ্টা’ প্রকল্প ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।   ...

সংবাদদাতা, গাজোল, রতুয়া ও পতিরাম: জামাইষষ্ঠীতে মালদহের বাজারগুলিতে পোল্ট্রির মাংসের দাম বাড়ল প্রায় দ্বিগুণ। দু’এক সপ্তাহ আগেও ইংলিশবাজার ও পুরাতন মালদহ শহরের বাজারগুলিতে পোল্ট্রির মুরগীর ...

জয়পুর, ২৭ মে: দেশে করোনার সংক্রমণের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে পঙ্গপালের হানা। ইতিমধ্যে পশ্চিমের রাজ্যগুলিতে হানা দিতে শুরু করেছে পঙ্গপালের ঝাঁক। লকডাউনের মধ্যে নয়া ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যাধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪২ - লন্ডনে প্রথম ইনডোর সুইমিংপুল চালু
১৮৮৩- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনায়ক দামোদর সাভারকারের জন্ম
১৯২৩- রাজনীতিক ও তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এনটি রামা রাওয়ের জন্ম
২০১০- পশ্চিমবঙ্গে জ্ঞানশ্বেরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪১জনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৬.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯৪.১২ টাকা
ইউরো ৮১.২৯ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ৪৬/১৯ রাত্রি ১১/২৮। পুষ্যা নক্ষত্র ৬/১৬ দিবা ৭/২৭। সূর্যোদয় ৪/৫৬/১৭, সূর্যাস্ত ৬/১১/২০। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৩ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৪ মধ্যে।
১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৮/৫৩। পুষ্যানক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৩৫ পরে অশ্লেষানক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৪৫। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪০ গতে ৬/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ গতে ৯/১০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৪ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৫ গতে ১২/৫৫ মধ্যে।
৪ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ২,১৯০ জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৬,৯৪৮ 

27-05-2020 - 09:09:17 PM

 কলকাতার উপর দিয়ে ঝড় বইল ঘণ্টায় ৯৬ কিমি বেগে

27-05-2020 - 07:45:15 PM

বাংলায় করোনায় আক্রান্ত আরও ১৮৩ 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

27-05-2020 - 07:08:26 PM

অসমে নতুন করে আক্রান্ত আরও ৬০
অসমে নতুন করে আরও ৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। ...বিশদ

27-05-2020 - 06:56:31 PM

একদিনে তামিলনাড়ুতে করোনা আক্রান্ত ৮১৭
একদিনে তামিলনাড়ুতে ৮১৭ জনের শরীরে মিলেছে করোনার জীবাণু। মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

27-05-2020 - 06:50:00 PM

শুরু হল বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টি 
কলকাতা সহ জেলাগুলিতে শুরু হয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়বৃষ্টি। যদিও আবহাওয়া ...বিশদ

27-05-2020 - 06:43:33 PM