Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

করোনার পরেও আছে এক অন্ধকার সময়
সন্দীপন বিশ্বাস

কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য তখন যক্ষ্মারোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসারত। তাঁর ওই অবস্থা নিয়ে সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি অসাধারণ কবিতা লিখেছিলেন। ‘আমরা চাঁদা তুলে মারব কীট/... বসন্তে কোকিল কেশে কেশে রক্ত তুলবে সে কীসের বসন্ত!’ এই কবিতাটাই মনে পড়ে গেল সাম্প্রতিক সময়ে করোনার বিরুদ্ধে নানা ধরনের ‘যুদ্ধপ্রস্তুতি’ দেখে। সেটাই অন্যভাবে প্রকাশ করলাম। আমরা অজ্ঞতা দিয়ে মারব কীট। এখন যদি একটু থালাবাটি না বাজাই, দেওয়ালির মতো বাজি না ফাটাই, তবে কীসের বসন্ত! ভাবলে সত্যিই অবাক লাগে, এ কোন ধরনের তামাশা! সবাই যখন চোয়াল টিপে এক অজানা শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করছে, সারা বিশ্বে যখন মৃত্যুমিছিল দেখে মানুষ ঘরে থেকে একটা শৃঙ্খলার ঘেরাটোপ তৈরি করেছে, তখন সেটাকে রাষ্ট্র তামাশার পর্যায়ে নামিয়ে আনল। এমন এক পদক্ষেপের কথা রাষ্ট্রনায়ক ঘোষণা করলেন যে, আনন্দের আতিশয্যে সব স্বাস্থ্যবিধি হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল। লকডাউনকে ভূত চতুর্দশীর পর্যায়ে নামিয়ে এনে দীপাবলির উৎসব শুরু করে দিয়েছিল ভারত। বাজির পর বাজি। ৯ মিনিটের মোমবাতি পুড়ে গেলেও বাজির দমক চলল আধ ঘণ্টা। আকাশে আতশবাজির ঝর্নাধারায় যেন উৎসবের উল্লাস। সেই আলোর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছিল আরও বেশি অন্ধকার, আরও বেশি লজ্জা, আরও বেশি অজ্ঞতা। দেশটাকে মনে হচ্ছিল তুবড়ির মতো। তুবড়ির খোলের ভিতর অবরুদ্ধ থাকে বারুদ। দেশের মানুষগুলো যেন অবরুদ্ধ অবস্থায় হাঁসফাঁস করা এক প্রাণী। বেরিয়ে আসার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে। কিন্তু পারছে না। একটু সুযোগ বা অজুহাত অথবা আগুনের ছোঁয়ার জন্য ছটফট করছিল। মোদিজির মোমবাতি জ্বালানোর আবেদন সেই ছটফটানিতে লাগিয়ে দিল আতিশয্যের আগুন। নিমেষে তুবড়ির ভিতর থেকে ছিটকে বেরিয়ে আসতে লাগল আগুনের ফুলকি। সারা দেশে বাঁধনহারা উচ্ছ্বাস। দেখা গেল বাজি ফাটানোর নির্লজ্জ প্রতিযোগিতা। কলকাতা থেকে কানপুর, মুম্বই থেকে মুজফফরপুর, বারাণসী থেকে বেঙ্গালুরু। সারা দেশ একসুরে নেচে উঠল। কোটি কোটি টাকার বাজি ফাটিয়ে আমরা প্রমাণ করলাম, আমরা ‘ঐক্যবদ্ধ’। উত্তরপ্রদেশে বিজেপির এক নেত্রী শূন্যে গুলি ছুঁড়ে উন্মাদনা প্রকাশ করলেন। আহা, কী আনন্দ, মেরা ভারত মহান! আসলে আমরা জানতেও পারলাম না, বিজেপি কৌশলে সারা দেশকে দিয়ে পার্টির ৪০তম জন্মদিনের উৎসবটি পালন করিয়ে নিল।
১৯৮০ সালে আরএসএস বুঝেছিল, তাদের নিজেদের একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম দরকার। জনতা দলের সঙ্গে জোট বেঁধে থাকলে লক্ষ্যে পৌঁছনো সম্ভব হবে না। পৃথক দল দরকার। সেই লক্ষ্যে ১৯৮০ সালের ৫ এবং ৬ এপ্রিল নয়াদিল্লিতে বসেছিল সভা। সেখানে ৬ তারিখে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জন্ম নেয় ভারতীয় জনতা পার্টি। দলের প্রথম সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন অটলবিহারী বাজপেয়ি। এছাড়াও নরেন্দ্র মোদি আরও একটি পরীক্ষা করে নিলেন। দেশজুড়ে বিজেপির যে হিন্দু ভোটব্যাঙ্ক, তা কতটা অটুট রয়েছে, সেটাও দেখে নিলেন। নতুন করে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিলেন। কয়েক মাস আগে বিভিন্ন রাজ্যের নির্বাচনে একে একে মোদি-অমিত শাহের রথ মুখ থুবড়ে পড়ছিল। সেই ছেঁড়া-ফাটা আত্মবিশ্বাসটাকে আবার তিনি ফিরিয়ে আনলেন।
সে যাই হোক, কিন্তু উচ্ছ্বাসটা প্রদীপ জ্বালানোতে সীমাবদ্ধ থাকলে ঠিক থাকত। সেটা থাকল না। সেটা যে থাকবে না, তা আগেই জানা ছিল। সেই প্রমাণ আমরা পেয়েছিলাম জনতা কার্ফুর দিন বিকেল পাঁচটায় থালা বাটি বাজানোর নমুনা দেখে। পাড়ায় পাড়ায় প্রায় সবাই সেদিন জাতীয় পতাকা হাতে রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। কণ্ঠে স্লোগান, ভারতমাতা কী জয়। আমরা ১৯৮৩ সালে সেই ছবি দেখেছিলাম। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ভারত বিশ্বকাপ জয় করেছিল। মানুষ এভাবেই আনন্দে মেতে উঠেছিল। আমরা কি তবে লড়াইয়ের আগেই করোনা কাপ জিতে গেলাম?
বাস্তব পরিস্থিতি হল, আমরা এখনও কিন্তু জয়ের কোনও দিশাই খুঁজে পাচ্ছি না। এখনও সামনে অনেক প্রতিবন্ধকতা। আগামী ১৫-২০ দিন আমাদের দেশের সামনে মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ। এই বাধাটুকু পেরিয়ে যেতে পারলে কিছুটা স্বস্তির বাতাবরণ মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইতালি, ফ্রান্স, স্পেন, আমেরিকা দাঁতে দাঁত টিপে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এখনও বিশ্বজুড়ে করোনা তাণ্ডব চলছেই। এ যেন এক নাগরদোলার মতো। মৃত্যুর উত্তাল তরঙ্গ। কোথাও উঠছে, কোথাও নামছে। আমরা জানি না কোথায় এর শেষ। কতজনের প্রাণ নেওয়ার পর থামবে দানবের এই মৃত্যু নিয়ে পাশা খেলা। বিদেশের দিকে তাকিয়ে দেখুন, যারাই প্রাথমিক পর্যায়ে এর বিরুদ্ধে কোমর বেঁধে নামার ব্যাপারে অনীহা দেখিয়েছিল, তাদেরই আজ মৃত্যু দিয়ে প্রমাণ করতে হচ্ছে, কত বড় ভুল তারা করেছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পার্ল হারবারে বোমাবর্ষণ এবং ৯/১১-র আক্রমণ, এই দুটোই এতদিন মার্কিন ইতিহাসের সব থেকে বিধ্বংসী ঘটনা ছিল। ১৯৪১ এর ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবারে জাপানি বোমাবর্ষণের ঘটনায় প্রায় আড়াই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। আর ২০০১ এর ১১ সেপ্টেম্বর জঙ্গিহানায় প্রাণ গিয়েছিল প্রায় তিন হাজার জনের। সেসব মৃত্যুকে ম্লান করে ইতিমধ্যেই রেকর্ড গড়েছে এই করোনা আক্রমণ। আমেরিকায় মৃত্যুসংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ওটা হয়তো দুই লক্ষে গিয়ে থামবে। কী ভয়ঙ্কর এই ভবিষ্যদ্বাণী। ইতালি, ফ্রান্স, স্পেন, আমেরিকা বলেই দিয়েছে, এখন ঈশ্বরই তোমার একমাত্র ভরসা। বাঁচালে তিনিই বাঁচাবেন। সেখানে অসংখ্য মানুষের হাতে এখন বাইবেল। কেউ জানে না, তাদের আয়ু আর কতটুকু। ডাক্তাররা চিকিৎসা করতে করতে ক্লান্ত। তারাও একে একে আক্রান্ত হচ্ছেন। কে করবে চিকিৎসা?
অন্য দেশের এই সব চিত্র আমাদের বুকে কিন্তু একটু একটু করে কাঁপন ধরাচ্ছে। আতঙ্কিত হওয়ার নিশ্চয়ই কারণ নেই। তবে সতর্কতা তো দরকার। একদিন নিশ্চয়ই এই করোনার আক্রমণ দূর হয়ে যাবে। পৃথিবী করোনামুক্ত হবে। সেদিন কি তবে পৃথিবীটা সুন্দর হয়ে উঠবে? আমরা এখন সেই রঙিন দিনগুলোর স্বপ্ন দেখছি। কিন্তু একটা কথা আমাদের মনে রাখা দরকার, করোনার এই কামড়ের রেশ কিন্তু অনেকদিন থাকবে। করোনা কীট মরবে। কিন্তু ঘা শুকোবে না। আরও এক অজানা ভয়ঙ্কর অন্ধকার আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। সব থেকে বড় আঘাত আসবে আমাদের দেশের অর্থনীতির উপর। শুধু আমাদের দেশ নয়, সারা বিশ্বে অর্থনীতির মন্দার একটা হিম স্রোত বয়ে যাবে। দলে দলে মানুষ কাজ হারাবে। শিল্পে, বাণিজ্যে নেমে আসবে খরা। বাজারে পণ্যের জোগান থাকলেও কেনার লোক থাকবে না। কেননা, মানুষের হাতে পয়সা থাকবে না। কমে যাবে তার ক্রয় ক্ষমতা। আমরা জানি না সমাজ তখন কোনদিকে এগবে। সমাজবিজ্ঞানীরা সেই সময়ের ভয়ঙ্কর ছবিটা নিশ্চয়ই আঁচ করতে পারছেন। কেমন হবে মানুষের মনের গঠন, কেমন হবে তার আচরণ! আর শিশুরা! তাদের আচরণ, প্রকৃতি কি বদলে যাবে না? কয়েকজন মনোবিদের সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে, আগামীদিনের শিশুরা ততটা কোমল স্বভাবের নাও থাকতে পারে। সার্বিকভাবে পরিস্থিতি আমাদের ঠেলে নিয়ে যাবে মননের অন্য এক অস্থির অবস্থানে।
তাই এখন বাজি, পটকা, মোমবাতির সময় নয়, দরকার আরও কড়া হাতে রাশ নিয়ন্ত্রণ করা। করোনা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আরও কড়া পদক্ষেপ দরকার। দেশের মানুষকে এখন জোর করে ঘরে আটকে রাখা দরকার। প্রয়োজনে আইন এনে আটকাতে হবে। না হলে দেশকে আটকানো যাবে না। আমাদের দেশ ঘনবসতিপূর্ণ। একবার ছড়ালে আর নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। বিশ্বজুড়ে যে ছবিটা আমরা দেখছি, তাতে শিয়রে কিন্তু শমন। একটু শৃঙ্খলার অভাব হলেই করোনা কিন্তু আমাদের দেশে ঝড়ের বেগে ছড়িয়ে পড়তে পারে। আমরা এখন থার্ড স্টেজের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছি। এই সময়ে দেশবাসীর এমন শিশুসুলভ উন্মাদনা মোটেই শোভা পায় না। পরিস্থিতি বিচার করে দেখলে বোঝা যায়, একমাত্র অজ্ঞতা, তাচ্ছিল্য মনোভাবই এই রোগের ছড়িয়ে পড়ার কারণ। আমরা মানসিকভাবে প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রীকে আরও কঠোর হাতে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে। দেশের সবকিছু তাঁরই হাতে। তাই সবকিছু সুরক্ষিত রাখার দায়ও তাঁরই। তিনি রামমন্দির বানান বা রামচন্দ্রের পাঁচ হাজার ফুট উঁচু মূর্তি, কারও কিছু বলার নেই। কেননা ক্ষমতা তাঁরই হাতে। তবে এখন কোনও শৈথিল্য ভাব এলেই কিন্তু দিকে দিকে ‘রাম নাম সত্য হ্যায়’ শুরু হয়ে যাবে। রামের পুজো করতে গিয়ে আমরা যেন কুম্ভকর্ণ হয়ে না উঠি।
আমরা জানি, করোনা কোনও শত্রু দেশ নয়। শুধু হুঙ্কারে সে ভয় পাবে না। কৌশলে তাকে মারতে হবে। এখন তাই যুদ্ধপ্রস্তুতি, সঙ্কল্প অনেক বড়। মানুষকে বাঁচাতে হবে। প্রতিটি রাজ্যকে কেন্দ্রের সঙ্গে হাত মিলিয়ে লড়াইয়ে শামিল হতে হবে। সেইসঙ্গে দেশের প্রত্যেকে সচেতন হোক। আগামী দু’তিন বছর ধরে কিন্তু চলবে এই লড়াই। এ আমাদের দীর্ঘ এক ব্যথার পূজা। আপন ঘরে থেকে নিভৃতে প্রদীপ জ্বালিয়ে এখন আমাদের পূজার সময়। তাড়াতাড়ি তার সমাপন হবে না। লড়াই আর পূজা আজ একসঙ্গে হাত ধরাধরি করে গিয়ে চলুক জগতের আনন্দযজ্ঞের দিকে।
08th  April, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
একনজরে
নয়াদিল্লি, ২৭ মে: বিভিন্ন হোটেলের শ্রেণিবিন্যাস ও অনুমোদনের সময়সীমা ৩০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করল পর্যটন মন্ত্রক। এই অনুমোদনের মেয়াদ থাকে পাঁচ বছর। মন্ত্রক জানিয়েছে, বর্তমানে আতিথেয়তা শিল্প একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এগচ্ছে। ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ভিনরাজ্যে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিক, তীর্থ যাত্রী বা চিকিৎসার কাজে বাইরে যাওয়া মানুষজনকে নিয়ে একের পর এক ট্রেন আসছে হাওড়া স্টেশনে। প্রায় প্রতিদিনই কমপক্ষে একটি ট্রেন তো ঢুকছেই হাওড়ায়। ...

জয়পুর, ২৭ মে: দেশে করোনার সংক্রমণের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে পঙ্গপালের হানা। ইতিমধ্যে পশ্চিমের রাজ্যগুলিতে হানা দিতে শুরু করেছে পঙ্গপালের ঝাঁক। লকডাউনের মধ্যে নয়া ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে পঙ্গপালের হামলার কোনও সতর্কবার্তা এখনও জারি করেনি কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রক। কিন্তু, রাজ্য কৃষিদপ্তরের আধিকারিকরা বলছেন, উত্তর ও পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলির তুলনায় অনেক ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যাধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪২ - লন্ডনে প্রথম ইনডোর সুইমিংপুল চালু
১৮৮৩- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনায়ক দামোদর সাভারকারের জন্ম
১৯২৩- রাজনীতিক ও তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এনটি রামা রাওয়ের জন্ম
২০১০- পশ্চিমবঙ্গে জ্ঞানশ্বেরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪১জনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৬.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯৪.১২ টাকা
ইউরো ৮১.২৯ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ৪৬/১৯ রাত্রি ১১/২৮। পুষ্যা নক্ষত্র ৬/১৬ দিবা ৭/২৭। সূর্যোদয় ৪/৫৬/১৭, সূর্যাস্ত ৬/১১/২০। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৩ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৪ মধ্যে।
১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৮/৫৩। পুষ্যানক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৩৫ পরে অশ্লেষানক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৪৫। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪০ গতে ৬/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ গতে ৯/১০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৪ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৫ গতে ১২/৫৫ মধ্যে।
৪ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ২,১৯০ জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৬,৯৪৮ 

27-05-2020 - 09:09:17 PM

 কলকাতার উপর দিয়ে ঝড় বইল ঘণ্টায় ৯৬ কিমি বেগে

27-05-2020 - 07:45:15 PM

বাংলায় করোনায় আক্রান্ত আরও ১৮৩ 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

27-05-2020 - 07:08:26 PM

অসমে নতুন করে আক্রান্ত আরও ৬০
অসমে নতুন করে আরও ৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। ...বিশদ

27-05-2020 - 06:56:31 PM

একদিনে তামিলনাড়ুতে করোনা আক্রান্ত ৮১৭
একদিনে তামিলনাড়ুতে ৮১৭ জনের শরীরে মিলেছে করোনার জীবাণু। মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

27-05-2020 - 06:50:00 PM

শুরু হল বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টি 
কলকাতা সহ জেলাগুলিতে শুরু হয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়বৃষ্টি। যদিও আবহাওয়া ...বিশদ

27-05-2020 - 06:43:33 PM