Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

গ্যালারি শো কতদিন?
খাবার জুটবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ব্যবসার কাজে হংকং গিয়েছিলেন বেথ এমহফ। কাজ সেরে পার্টি... তারপর দেশে ফেরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শিকাগো হয়ে যখন মিনিয়াপোলিস ফিরলেন, ততক্ষণে উপসর্গ দেখা দিয়েছে। দুই, চার, ১৬, ২৫৬... বাড়তে শুরু করল সংখ্যা। সর্দি, কাশি, জ্বর... মৃত্যু। এটাই ছিল চক্র। বাঁচার সম্ভাবনা ২৫ শতাংশের বেশি নয়। আর চিকিৎসার জন্য সময় মেরেকেটে তিনদিন। বেথকে বাঁচানো যায়নি। শুধু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন স্বামী মিচ এমহফ। ডাক্তাররা জানিয়েছিলেন, মৃত্যু হয়েছে বেথের। অজানা জ্বরে। যার কোনও চিকিৎসা নেই। এই ঘটনাক্রম আসলে একটি চিত্রনাট্য। হলিউডি ছবি ‘কন্টাজিয়ন’-এর। যা মুক্তি পেয়েছিল ২০১১ সালে। আর বেথ এমহফ ছিলেন বাদুড় থেকে মানুষের দেহে ছড়িয়ে পড়া মহামারীর প্রথম আক্রান্ত। পেশেন্ট জিরো।
উয়েই গুইজিয়ান। ১০ ডিসেম্বর তাঁর প্রথম কাশি শুরু হয়। ঠান্ডা লাগা। তারপর জ্বর। ৫৭ বছরের ওই প্রৌঢ়ার চিংড়ির দোকান... হুয়ানান মার্কেটে। চীনের উহানে। তারিখটা ছিল ১০ ডিসেম্বর। সাধারণ ফ্লু ভেবেছিলেন গুইজিয়ান। ডাক্তারখানায় গেলে সেখানে ডাক্তার তাঁকে একটি ইঞ্জেকশন দেন। কাজ দেয়নি তাতে। প্রতি মুহূর্তে আরও বেশি দুর্বল হয়ে পড়ছিলেন তিনি। বাধ্য হয়ে ইলেভেন্থ হসপিটাল। আর তারপর উহান ইউনিয়ন হাসপাতাল। সেখানেই গুইজিয়ান জানতে পারেন, হুয়ানান মার্কেটে দোকান রয়েছে বা সেখানে কেনাকাটা করতে গিয়েছেন এমন অনেকেই আসছেন এই হাসপাতালে। উপসর্গ সবার এক এবং প্রাণঘাতী। মুশকিল একটাই, রোগটা অজানা। তারিখটা ছিল ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯। আর উয়েই গুইজিয়ান করোনা ভাইরাসের পেশেন্ট জিরো।
সংখ্যাটা বাড়ছে। ঠিক যেভাবে ‘কন্টাজিয়ন’-এ দেখানো হয়েছিল... সেভাবেই। স্পর্শ থেকে, হাঁচি-কাশি থেকে, ব্যবহৃত বাসন থেকে। করোনা ভাইরাসের কোনও প্রতিষেধক নেই। প্রথাগত ফর্মুলায় চিকিৎসা চলছে। কেউ বাঁচছেন। কেউ না। আক্রান্ত হলে হাতে আর বেশি সময় থাকছে না। উপায় তাই একটাই। বাড়িতে থাকতে হবে। গৃহবন্দি হয়ে। সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব চলছে, মারাত্মক ইগো এই ভাইরাসের। ডেকে না আনলে কিছুতেই ঘরে আসবে না। তাই গৃহবন্দিত্ব। পোশাকি বা সরকারি নাম ‘লকডাউন’। গত ২৪ মার্চ থেকে যা চালু হয়েছে দেশজুড়ে। আর পশ্চিমবঙ্গে ঠিক তার আগের দিন থেকে। লক্ষ্য, ভাইরাসের চেনটাকে ভেঙে দেওয়া। একটা থিওরি এক্ষেত্রে রয়েছে... সাতদিনে চেন ভাঙবে, আর এর মধ্যে যাঁরা আক্রান্ত হবেন, তাঁদের সেরে উঠতে সময় লাগবে ১৪ দিন। মানে, সব মিলিয়ে ২১ দিন। লকডাউনের হিসেবটাও সেভাবেই করা হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন। কিন্তু তাতেও কি লাভের লাভ কিছু হচ্ছে? এর মধ্যেও লোকজন বাজার করছেন, আড্ডা দিচ্ছেন, চায়ের দোকানে ‘একটাকে দুটো’ করার অর্ডার দিচ্ছেন...। রোগও বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। প্রথম দিনের রেকর্ড ভেঙে যাচ্ছে পরের দিন। আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিত্যনতুন ভাবনায় চেষ্টা করছেন দেশকে ‘একসূত্রে বাঁধার’। লকডাউনের আগেও একটা ড্রেস রিহার্সাল দিয়েছিলেন ‘জনতা কার্ফু’র মাধ্যমে। মানুষ কিন্তু সাড়াও দিয়েছিল সেদিন। কিন্তু মাঝে বিকেল ৫টায় সবাইকে দরজায় বা বারান্দায় দাঁড়িয়ে থালা বাজাতে বলে গোটা দিনের যাবতীয় ‘পুণ্য সঞ্চয়ে’ জল ঢেলে দিয়েছিলেন তিনি। লকডাউনের উদ্দেশ্য যেখানে সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, সেখানে ওই ২২ মার্চ বিকেল ৫টায় উৎসবের মেজাজে ঢাকঢোল পেটাতে বেরিয়ে পড়েছিলেন মানুষ। জনতা কার্ফুর উদ্দেশ্য সফল হয়েছিল তো?
একসূত্রে বাঁধার উদ্যোগ। সলিডারিটি। প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য এটাই। গৃহবন্দি ভারতীয়দের বোঝাতে চাইছেন, বাড়িতে আছেন... তবে নিজেকে একলা ভেবে নেবেন না! ১৩০ কোটি ভারতীয় একে অপরের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। তাই লাইট নিভিয়ে ফেলুন। মোমবাতি, টর্চের লাইট যা খুশি জ্বালিয়ে অন্ধকার বারান্দায় দাঁড়িয়ে পড়ুন। প্রধানমন্ত্রীর এই ‘দীপ জ্বেলে যাই’ ভাবনা প্রসঙ্গে অবশ্য মারাত্মক সব তত্ত্ব বাজারে ঘোরাফেরা করছে। কেউ কেউ বলছিলেন, ১৩০ কোটি ভারতীয় একসঙ্গে একটি করে মোমবাতি জ্বালালে পরিবেশের তাপমাত্রা নয় ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যাবে। তাতে করোনা ভাইরাসের মৃত্যু হবে। আবার অনেকে খোঁচা দিচ্ছেন, লকডাউনের মধ্যে তো আর ৬ এপ্রিল ধুমধাম করে বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা যাবে না... তাই জনসাধারণকে দিয়েই ঠিক আগের দিন রাত ন’টায় পালন করিয়ে দেওয়া গেল। আর মানুষ তো শুধু দীপ জ্বেলেই থেমে থাকলেন না! দেদার ফাটল শব্দবাজি, উড়ল ফানুস। লোকজন রাস্তায় নেমে এলেন। একে অপরের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আলো জ্বাললেন। অর্থাৎ সামাজিক দূরত্বের ‘আলোক সমাধি’ ঘটল আর কী! লকডাউন সফল হল তো?
নিন্দুকে বলে, তাঁর নাকি চওড়া কপাল। যখনই সরকার সঙ্কটে পড়ে, কোনও না কোনও উপায়ে তিনি নজরটা অন্যত্র ঘুরিয়ে দিতে পারেন। নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গোটা দেশ যখন ফুঁসছে, তখনই উরি হামলা এবং তারপর সার্জিকাল স্ট্রাইক। জিএসটি এবং সরকারের আরও মিসঅ্যাডভেঞ্চারের চাকায় ভর করে যখন মোদি সরকার লোকসভা ভোটের দিকে দৌড়চ্ছে, ঠিক তখনই বালাকোট। আর এখন? গত এক বছর ধরে ধুঁকতে থাকা অর্থনীতির মধ্যেই করোনা দেখা দিল মহামারী রূপে। ভেঙে পড়া বাজার অর্থনীতি, উৎপাদনে ঘাটতি, আর্থিক বৃদ্ধির হার উদ্বেগজনকভাবে নেমে আসা... আজ কি এর কোনও একটা বিষয় নিয়ে আর আলোচনা হয়? না, হয় না। এখন চর্চার বিষয়বস্তু মানেই নতুন রোগ... নতুন আতঙ্ক। এদেশে করোনার প্রবেশ ঘটেছে গত ৩০ জানুয়ারি। দু’মাসের উপর হতে চলল, অথচ এমন জনঘনত্বের দেশে আক্রান্তের সংখ্যা কিন্তু সেই অর্থে হুড়মুড়িয়ে বাড়েনি! ‘ভারত’ সরকার তাই আবার মহান। ইতালি, স্পেনের মতো দেশে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে, মৃত্যুর নিরিখে পাঁচ অঙ্ক ছুঁতে চলেছে আমেরিকা। সেখানে দু’মাস পরও সংক্রমণ ৪ হাজারে ঠেকিয়ে রাখা সত্যিই তারিফ করার মতো ব্যাপার। প্রশংসায় অবশ্য ইতিমধ্যেই নরেন্দ্র মোদি ভাসছেন। আন্তর্জাতিক মহল, এমনকী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকেও ভারতের এই সাফল্যকে কুর্নিশ জানানো হয়েছে। যার যা ভালো, তা তো স্বীকার করতেই হয়। হতেই পারে, এখনও ভারতে সেই অর্থে করোনার র‌্যান্ডাম টেস্ট করা হয়নি। অর্থাৎ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যে গাইডলাইন দিয়েছিল, সেই অনুযায়ী (প্রথমত, বাড়িতে থাকা এবং দ্বিতীয়ত, লাগাতার টেস্ট করে যাওয়া) সবকিছু মেনে চলা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বেশি করে পরীক্ষা হলে করোনার সংখ্যাতত্ত্বে পরিবর্তন আসত কি না, সে ব্যাপারে প্রশ্ন উঠতেই পারে। তবে এই এতদিনে ভারত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সংক্রমণের ক্লাস্টার বা সোজা ভাষায় বলতে গেলে যেখানে সংক্রমণ বেশি, সেই সব জায়গায় লাগাতার নমুনা পরীক্ষা হবে। সেটাও ১০০ শতাংশ সাফল্যের সঙ্গে সম্ভব হবে তো?
এই সেদিনও রাজধানী ও তার আশপাশের এলাকা ছিল লোকারণ্য। লকডাউন উপেক্ষা করে বাড়ি ফিরতে মরিয়া পরিযায়ী শ্রমিকরা। এঁরা প্রত্যেকেই অসংগঠিত সেক্টরের সদস্য। তাঁদের অনেকেই চাষের মরশুমে ধানজমিতে কাজ করেন, আবার মরশুম ফুরিয়ে গেলে চলে আসেন কোনও শহরে... নির্মাণকাজে জোগানদারের কাজ করতে। কেউ আবার রান্নায় পারদর্শী। যাঁর হাতের তন্দুরি চিকেন খেলে পাঁচতারা হোটেলের স্বাদ মনে পড়ে... আবার লকডাউনের সময় মালিক হোটেলছাড়া করলে ভিড়ে আর তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায় না। কারণ, তাঁর হয়তো না আছে আধার, না ভোটার কার্ড। ২১ দিনের লকডাউন পিরিয়ড অসংগঠিত এই ক্ষেত্রটিকে ধূলিসাৎ করে দিয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার কি এঁদের নিয়ে আলাদা করে কিছু ভেবেছে? হাততালি দিয়ে, বা প্রদীপ জ্বালিয়ে এই শ্রেণীর মানুষের পেট ভরবে না। আর দু’বেলা খেতে না পাওয়া ভারতীয়ের সংখ্যাই কিন্তু বেশি।
সংগঠিত ক্ষেত্রই কি খুব নিশ্চিন্তে রয়েছে? জাতির উদ্দেশে ভাষণে কর্পোরেট এবং অন্যান্য সংস্থাগুলির কাছে প্রধানমন্ত্রী আর্জি জানিয়েছিলেন, এই সঙ্কটে দয়া করে কর্মীদের বেতন কাটবেন না। কিন্তু সেই আবেদন বহু সংস্থাই রাখেনি। রাখা সম্ভব হচ্ছে না। উৎপাদন না হলে, বিক্রির সুযোগ না থাকলে কোনও কোম্পানিই কর্মীদের বসিয়ে খাওয়াবে না। এটাই ব্যবসার দস্তুর। প্রথমে বেতনে কাটছাঁট হবে। তারপর চাকরি যাবে। বিশ্বের সর্বত্র এই এক নিয়ম। কেউ দানছত্র খুলে বসেনি। এমন পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট কোনও পরিকল্পনার মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়ানোটাই দেশের সরকারের দায়িত্ব। কর্তব্য। আপাতত তেমন সুনির্দিষ্ট কিছুও সরকারের পক্ষ থেকে নজরে আসছে না। দক্ষিণ কলকাতার এক অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি কথায় কথায় বলছিলেন, করোনায় না মরলে মানুষ এবার না খেতে পেয়ে মরবে। কোনও দেশের পক্ষে, সমাজের পক্ষে এটা ভালো বিজ্ঞাপন হতে পারে না। এই মুহূর্তে দেশ তথা বিশ্ব অর্থনীতির যা অবস্থা, তাতে ঘুরে দাঁড়াতে ঠিক কত সময় লাগবে, তা কেউ জানে না। দু’মাস লাগতে পারে, ছ’মাস বা এক বছর। আর লকডাউনের মেয়াদ যদি বাড়ে? অন্ধকারে হাতড়ানো ছাড়া উপায়ন্তর থাকবে না।
গত ২৮ জানুয়ারি কেরলে ফিরেছিলেন তরুণী। চীনের উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। ৩০ জানুয়ারি তাঁর দেহে মিলেছিল করোনার অস্তিত্ব। তিনিই ভারতে করোনার ‘পেশেন্ট জিরো’। ফেব্রুয়ারি মাসের ২০ তারিখ হাসপাতাল থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি। চাকা ঘুরছে। ঘড়ির কাঁটার উল্টোদিকে। ধীরে হলেও। আজ না হয় কাল পৃথিবী শান্ত হবেই। মেয়াদ ফুরোবে গ্যালারি শোয়েরও। তখন প্রশ্ন থাকবে একটাই... পেটের জ্বালা মিটবে কীভাবে?
07th  April, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
একনজরে
 নিউ ইয়র্ক, ২৭ মে: আবার মুখোমুখি মাইক টাইসন ও ইভান্ডার হোলিফিল্ড। চ্যারিটি লড়াইয়ে অংশ নেওয়ার জন্য প্রাক্তন দুই হেভিওয়েট বক্সিং চ্যাম্পিয়ন অবসর ভেঙে রিংয়ে ফিরছেন। এই লড়াইয়ের দিন ঠিক হয়েছে ২৬ জুন। উল্লেখ্য, হোলিফিল্ডের বয়স এখন ৫৮ বছর। তাঁর থেকে ...

নয়াদিল্লি, ২৭ মে: বিভিন্ন হোটেলের শ্রেণিবিন্যাস ও অনুমোদনের সময়সীমা ৩০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করল পর্যটন মন্ত্রক। এই অনুমোদনের মেয়াদ থাকে পাঁচ বছর। মন্ত্রক জানিয়েছে, বর্তমানে আতিথেয়তা শিল্প একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এগচ্ছে। ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ভিনরাজ্যে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিক, তীর্থ যাত্রী বা চিকিৎসার কাজে বাইরে যাওয়া মানুষজনকে নিয়ে একের পর এক ট্রেন আসছে হাওড়া স্টেশনে। প্রায় প্রতিদিনই কমপক্ষে একটি ট্রেন তো ঢুকছেই হাওড়ায়। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে পঙ্গপালের হামলার কোনও সতর্কবার্তা এখনও জারি করেনি কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রক। কিন্তু, রাজ্য কৃষিদপ্তরের আধিকারিকরা বলছেন, উত্তর ও পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলির তুলনায় অনেক ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যাধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪২ - লন্ডনে প্রথম ইনডোর সুইমিংপুল চালু
১৮৮৩- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনায়ক দামোদর সাভারকারের জন্ম
১৯২৩- রাজনীতিক ও তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এনটি রামা রাওয়ের জন্ম
২০১০- পশ্চিমবঙ্গে জ্ঞানশ্বেরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪১জনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৬.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯৪.১২ টাকা
ইউরো ৮১.২৯ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ৪৬/১৯ রাত্রি ১১/২৮। পুষ্যা নক্ষত্র ৬/১৬ দিবা ৭/২৭। সূর্যোদয় ৪/৫৬/১৭, সূর্যাস্ত ৬/১১/২০। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৩ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৪ মধ্যে।
১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৮/৫৩। পুষ্যানক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৩৫ পরে অশ্লেষানক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৪৫। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪০ গতে ৬/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ গতে ৯/১০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৪ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৫ গতে ১২/৫৫ মধ্যে।
৪ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ২,১৯০ জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৬,৯৪৮ 

27-05-2020 - 09:09:17 PM

 কলকাতার উপর দিয়ে ঝড় বইল ঘণ্টায় ৯৬ কিমি বেগে

27-05-2020 - 07:45:15 PM

বাংলায় করোনায় আক্রান্ত আরও ১৮৩ 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

27-05-2020 - 07:08:26 PM

অসমে নতুন করে আক্রান্ত আরও ৬০
অসমে নতুন করে আরও ৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। ...বিশদ

27-05-2020 - 06:56:31 PM

একদিনে তামিলনাড়ুতে করোনা আক্রান্ত ৮১৭
একদিনে তামিলনাড়ুতে ৮১৭ জনের শরীরে মিলেছে করোনার জীবাণু। মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

27-05-2020 - 06:50:00 PM

শুরু হল বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টি 
কলকাতা সহ জেলাগুলিতে শুরু হয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়বৃষ্টি। যদিও আবহাওয়া ...বিশদ

27-05-2020 - 06:43:33 PM