Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

যাও সুখের সন্ধানে যাও
অতনু বিশ্বাস

সাম্প্রতিক ভারত সফরের দ্বিতীয় দিনে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে ব্যস্ত। মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প গিয়েছিলেন দিল্লির একটি সরকারি স্কুলে। পূর্বনির্ধারিত ‘হ্যাপিনেস ক্লাস’-এ যোগ দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের সুখের ক্লাস দেখতে। দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকার সরকারি স্কুলগুলিতে ‘হ্যাপিনেস ক্লাস’-এর ব্যবস্থা করেছে ২০১৮র জুলাই থেকে। প্রতিদিন ৪৫ মিনিটের ক্লাস। এ আসলে ধ্যান, গল্প বলা, মানসিক অনুশীলন, ইনডোর গেমস, চিন্তাশীল কথোপকথন, মননশীলতার অনুশীলন, স্কিট, আলোচনা, এবং চিন্তার আদান-প্রদানের জন্য ৪৫ মিনিটের একটা বিরতি, বলা চলে। পরস্পরের দিকে তাকিয়ে হাসা, পরস্পরের ভালো দিকগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টার প্রশিক্ষণও চলে এই সুখের ক্লাসে। এ ধরনের ক্লাস দেখে কিন্তু স্পষ্টতই বেশ প্রভাবিত এবং ভীষণ খুশি মেলানিয়া ট্রাম্প।
দিল্লি সরকারের মতে, এ ধরনের ক্লাস বাড়াবে আত্ম-সচেতনতা, জাগ্রত করবে উদ্দীপনা, তৈরি করবে ভালো মানসিক স্বাস্থ্য ও চরিত্র। সেইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হ্রাস করবে উদ্বেগ, হতাশা এবং অসহিষ্ণুতা। বাড়াবে সহনশীলতা। তাদের তৈরি করবে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে। কিন্তু, এসবই কি সুখের চাবিকাঠি? ‘যাও সুখের সন্ধানে যাও’ ডাক তো দেওয়া হল, তবু সংশয় থেকেই যায়-- সুখ কারে কয়।
‘সুখ’ বলতে প্রথমেই মনে পরে আমেরিকা দেশটা প্রতিষ্ঠার ভিত্তির কথা। ১৭৭৬ সালে আমেরিকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের খসড়া প্রস্তুত করেন টমাস জেফারসন। তাতে কিন্তু প্রত্যেক নাগরিককে দেওয়া হয়েছে ‘পারসুট অব হ্যাপিনেস’ বা সুখের সন্ধানে ছোটার অধিকার। রাষ্ট্রের দায়িত্ব তাকে রক্ষা করে, এবং অবশ্যই নাগরিকদের এই সুখ-সাধনাকে সযত্নে লালন করা।
আজকের দুনিয়া ‘সুখ’-কে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয় বইকি। অবশ্য ‘সুখ’ বলতে কে যে কী বোঝে, সে বিষয়ে বিস্তর অস্পষ্টতা থেকেই যায়। সুখ পরিমাপের ধারণাটা এসেছে আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভুটান থেকে। ১৯৭২ সালে বোম্বে এয়ারপোর্টে ‘ফিনান্সিয়াল টাইমস’ পত্রিকার এক ব্রিটিশ সাংবাদিককে ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে ভুটানের তৎকালীন রাজা জিগমে সিংহে ওয়াংচুক বলেন, “গ্রস ন্যাশনাল প্রোডাক্টের থেকে গ্রস ন্যাশনাল হ্যাপিনেস অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।” ভুটান তাদের গ্রস ন্যাশনাল হ্যাপিনেসের সমীক্ষা শুরু করে অবশ্য অনেক পরে। ২০০৮ সালে। কিন্তু এই ধারণাটাকে লুফে নেয় গোট বিশ্ব। সুখ মাপার প্রচেষ্টা শুরু হয় দুনিয়ার নানা প্রান্তে। যেমন কানাডার ভিক্টোরিয়ায়, আমেরিকার সিয়াটেলে, ব্রাজিলের সাও পাওলোতে। এমনকী ২০১২ থেকে পৃথিবীর নানা দেশের সুখ মেপে এক ক্রমতালিকা বানানো শুরু করে রাষ্ট্রসঙ্ঘ, তাদের ‘ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট’-এর মধ্য দিয়ে। সুখ বৃদ্ধির প্রচেষ্টায় সুখ দফতরের মন্ত্রীও নিয়োগ করেছে ভেনিজুয়েলা, সংযুক্ত আরব আমীরশাহির মত দেশ।
সুখ তবে কীসে? সুখের সন্ধানে আমাদের নিরন্তর এষণাও কিন্তু অব্যাহত। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানীরা গবেষণা করে চলেন। দাবি করেন, থিয়েটার দেখলে মন ভালো হয়, বন্ধু কিংবা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে সময় কাটালে মনে সুখ আসে, কিংবা বই পড়লেও সুখী হওয়া যায়। জনহিতকর উদ্যোগে যুক্ত থাকাটাও নাকি আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে সুখী করে তোলে মানুষকে। কিন্তু দুনিয়ার সব হ্যাপি প্রিন্সের দল কি ‘হ্যাপি’ হতে পারছে এইভাবে? সুখের সন্ধানে শতাব্দীর তিন-চতুর্থাংশের বেশি ধরে গবেষণা হয়েছে হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে। সুখী থাকার সব থেকে ভালো উপায় নাকি সবার সাথে ভালো সম্পর্ক রাখা। একটা সুখী ফ্যামিলিই নাকি সুখী থাকার প্রথম এবং মুখ্য ধাপ। মনস্তত্ত্ববিদ মার্টিন সেলিগ্যাম আবার সুখী থাকার পাঁচটা উপায় বাতলেছেন। খাওয়াদাওয়া, জীবনযাত্রায় নিয়ন্ত্রণ, পারিবারিক বন্ধন, ধর্ম, বিশ্বাস সবই জায়গা পেয়েছে সেই তালিকায়।
দর্শনশাস্ত্রে ‘হেডোনিজম’ বলে একটা ধারণা আছে। সুখের সন্ধান বা পারস্যুট অব হ্যাপিনেসটাই সেখানে জীবনের উদ্দেশ্য। তবে ‘হেডোনিজম’ কিন্তু ভাববাদী সুখ নিয়ে মাথা ঘামায় না বড় একটা, বস্তুবাদী সুখই সেখানে মুখ্য। কিন্তু কেমন বস্তু এই ‘সুখ’? একে কি সত্যিই সংজ্ঞায়িত করা যায়?
মাস্টারকার্ডের একটা বিজ্ঞাপন ছিল, ‘দেয়ার ইজ সামথিং দ্যাট মানি ক্যানট বাই; ফর এভরিথিং এলস, দেয়ার ইজ মাস্টারকার্ড’। আচ্ছা, ওই ‘এভরিথিং এলস’-টাই কি সুখ? নাকি টাকা দিয়ে যা কেনা যায় না সেই অমৃতটাই সুখের রেসিপি? কে দেবে এর উত্তর? সুকুমার রায়ের ‘রাজার অসুখ’-এর রাজা মশায়ের অসুখ তো সারে না টাকা-পয়সা আর ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও। ওদিকে কপর্দকশূন্য চালচুলোহীন ফকিরের গায়ে জামা নেই, শোবার বিছানা নাই। আর তার সুখেরও শেষ নেই। তা বলে দারিদ্র্যই কি সুখ? হাজার হাজার দরিদ্র কৃষক অর্থাভাবে আত্মহত্যা করে প্রতি বছর। অত্যন্ত ধনী পরিবারের সন্তানের আত্মহত্যার নজিরেরও অভাব নেই। কলকাতার অভিজাত ধনী পরিবারের গৃহবধূর আত্মহত্যার অভিঘাত তো দেড়শ’ বছর ধরে তাড়িয়ে চলেছে বাঙালিকে। তাই সুখের সঙ্গে সম্পদের সত্যিই কোনও সম্পর্ক আছে?
আমরা ভারতীয়রা কতটা সুখী? রাষ্ট্রসঙ্ঘের সূচকের নিরিখে আমরা পিছিয়ে বেশ। একেবারে পিছনের দিকে। হয়তো সত্যিই তাই, হয়তো নয়। আসলে এই সূচক কতটা নিখুঁত, কতটা ‘সুখ’ মাপা গেল এই সূচক দিয়ে, সে নিয়ে আমার বিস্তর সন্দেহ।
সুখের সন্ধানও কি আর আজকের নাকি? মহাভারতের বনপর্বে দেখি যক্ষ প্রশ্ন করছেন প্রাজ্ঞ যুধিষ্ঠিরকে, কী ত্যাগ করলে ‘সুখ’ পাওয়া যায়? যুধিষ্ঠির উত্তর দিচ্ছেন, ‘অর্থলিপ্সা’। যক্ষ তারপর আবার জিজ্ঞেস করছেন, সুখী কে? যুধিষ্ঠির উত্তর দিয়েছেন, যার ঋণ নেই সে-ই সুখী। দিনান্তে যিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শাকান্ন ভোজন করেন, তিনিই সুখী।
যাই হোক, এত আয়োজন, এত পরিকল্পনা, এত গবেষণা করেও সুখকে কি আদপে ধরা গেল? যুধিষ্ঠির থেকে হার্ভার্ডের গবেষণা যাই বলুক না কেন, আড়াই হাজার বছর আগে হিমালয়ের এক ছোট্ট পাহাড়ি রাজ্যের ‘অসুখী’ রাজকুমার স্ত্রী, পুত্র, পরিবার, রাজ্য, জাগতিক সমস্ত আরাম এবং নিশ্চয়তা ছেড়ে পারি দিয়েছিল কোন সে ‘সুখ’-এর সন্ধানে? সেই আলোকবর্ত্তিকার কোনও হদিশ কিন্তু রাষ্ট্রসঙ্ঘের হ্যাপিনেস ইনডেক্স কিংবা ভুটানের গ্রস ন্যাশনাল হ্যাপিনেস মাপার মাল-মসলার মধ্যে একেবারেই নেই। সুজাতার পরমান্ন সিদ্ধার্থকে করে তোলে বুদ্ধ, আর সেই সঙ্গে জগতকে দিশা দেখাতে শুরু হয় অমিতাভর এক অনন্য জীবন। সংসার ত্যাগ করেন সিদ্ধার্থের প্রায় সমসাময়িক বর্ধমান নামের আর এক রাজকুমারও। যদিও মহাবীর জৈনের সেই যাত্রাপথের দর্শন ছিল খানিকটা ভিন্ন।
আবার সবাই যে ‘সুখ’ খুঁজে ফেরে বা ফিরবে, তেমনটাও হয়তো নয়। রবীন্দ্রনাথের দুর্যোধন যেমন সুখকে ঠেলে ফেলে ছুটেছিল জয়ের পিছনে। বাস্তবে আমরা অধিকাংশ মানুষ হয়তো তাইই করি। কেউ না বুঝে, কেউ হয়তো বা বুঝেও করে চলি আত্মপ্রবঞ্চনা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে অবশ্য ‘জয়’-কেই মনে করি ‘সুখ’। জার্মান দার্শনিক ফ্রেডরিখ নিৎসেও কিন্তু মনে করেন নি, সুখই জীবনের অন্তিম লক্ষ্য।
সব আলোচনার মধ্যেও প্রশ্ন তাই থেকেই যাবে, ‘সুখ’-এর অনুশীলন কি করানো সম্ভব? স্কুলের চৌহদ্দিতে? রীতিমত ক্লাস করিয়ে? ‘সুখ’ কি একান্তই ব্যক্তিগত কোনও উপলব্ধি নয়? তাই দিল্লির স্কুলের ছোট ছোট বাচ্চাদের ৪৫ মিনিটের ক্লাসের মাধ্যমে আখেরে যা হচ্ছে তা হয়তো তাদের রিল্যাক্স করতে শেখানো, মানসিক চাপ কমানোর অনুশীলন। ছাত্রদের পক্ষে, তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের দিশায় এগুলিও কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ, নিঃসন্দেহে। কিন্তু এসব কি আদপেই ‘সুখ’?
সুখের সন্ধান তাই চলতেই থাকবে।
 ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
07th  April, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: লকডাউনে কাজ হারানো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাড়ে আট হাজার মানুষকে প্রচেষ্টা প্রকল্পে মাথাপিছু ১০০০ টাকা দিল রাজ্য সরকার। লকডাউনে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ‘স্নেহের পরশ’ এবং কাজ হারানো দুঃস্থ মানুষদের জন্য ‘প্রচেষ্টা’ প্রকল্প ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।   ...

সংবাদদাতা, গাজোল, রতুয়া ও পতিরাম: জামাইষষ্ঠীতে মালদহের বাজারগুলিতে পোল্ট্রির মাংসের দাম বাড়ল প্রায় দ্বিগুণ। দু’এক সপ্তাহ আগেও ইংলিশবাজার ও পুরাতন মালদহ শহরের বাজারগুলিতে পোল্ট্রির মুরগীর ...

 নিউ ইয়র্ক, ২৭ মে: আবার মুখোমুখি মাইক টাইসন ও ইভান্ডার হোলিফিল্ড। চ্যারিটি লড়াইয়ে অংশ নেওয়ার জন্য প্রাক্তন দুই হেভিওয়েট বক্সিং চ্যাম্পিয়ন অবসর ভেঙে রিংয়ে ফিরছেন। এই লড়াইয়ের দিন ঠিক হয়েছে ২৬ জুন। উল্লেখ্য, হোলিফিল্ডের বয়স এখন ৫৮ বছর। তাঁর থেকে ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ভিনরাজ্যে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিক, তীর্থ যাত্রী বা চিকিৎসার কাজে বাইরে যাওয়া মানুষজনকে নিয়ে একের পর এক ট্রেন আসছে হাওড়া স্টেশনে। প্রায় প্রতিদিনই কমপক্ষে একটি ট্রেন তো ঢুকছেই হাওড়ায়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যাধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪২ - লন্ডনে প্রথম ইনডোর সুইমিংপুল চালু
১৮৮৩- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনায়ক দামোদর সাভারকারের জন্ম
১৯২৩- রাজনীতিক ও তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এনটি রামা রাওয়ের জন্ম
২০১০- পশ্চিমবঙ্গে জ্ঞানশ্বেরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪১জনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৬.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯৪.১২ টাকা
ইউরো ৮১.২৯ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ৪৬/১৯ রাত্রি ১১/২৮। পুষ্যা নক্ষত্র ৬/১৬ দিবা ৭/২৭। সূর্যোদয় ৪/৫৬/১৭, সূর্যাস্ত ৬/১১/২০। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৩ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৪ মধ্যে।
১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৮/৫৩। পুষ্যানক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৩৫ পরে অশ্লেষানক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৪৫। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪০ গতে ৬/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ গতে ৯/১০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৪ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৫ গতে ১২/৫৫ মধ্যে।
৪ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ২,১৯০ জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৬,৯৪৮ 

27-05-2020 - 09:09:17 PM

 কলকাতার উপর দিয়ে ঝড় বইল ঘণ্টায় ৯৬ কিমি বেগে

27-05-2020 - 07:45:15 PM

বাংলায় করোনায় আক্রান্ত আরও ১৮৩ 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

27-05-2020 - 07:08:26 PM

অসমে নতুন করে আক্রান্ত আরও ৬০
অসমে নতুন করে আরও ৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। ...বিশদ

27-05-2020 - 06:56:31 PM

একদিনে তামিলনাড়ুতে করোনা আক্রান্ত ৮১৭
একদিনে তামিলনাড়ুতে ৮১৭ জনের শরীরে মিলেছে করোনার জীবাণু। মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

27-05-2020 - 06:50:00 PM

শুরু হল বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টি 
কলকাতা সহ জেলাগুলিতে শুরু হয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়বৃষ্টি। যদিও আবহাওয়া ...বিশদ

27-05-2020 - 06:43:33 PM