Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আত্মঘাতী খেলা
তন্ময় মল্লিক

লড়াইটা আমরা কি ক্রমশই কঠিন করে ফেলছি। লকডাউন ঘোষণার পর সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই লড়াইকে হাল্কা চালে নেওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট। আর সেটা এই মুহূর্তে রুখে দিতে না পারলে সর্বনাশ অনিবার্য। ইতালি, আমেরিকা, স্পেনের রিপ্লে দেখতে হবে ভারতেও। প্রথমদিকে লকডাউন মানার যে মানসিক দৃঢ়তা আমরা দেখাতে পেরেছিলাম, দিন দিন তা শিথিল হচ্ছে। অনেকেই লকডাউন শহরের চেহারা প্রত্যক্ষ করার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছেন না। বাজার করার অজুহাতে ব্যাগ হাতে নামছেন রাস্তায়। পুলিসের সামনে পড়লেই আঙুল যাচ্ছে ব্যাগের দিকে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহে বাধা না দেওয়ার নির্দেশকে হাতিয়ার করে অনেকেই পুলিসকে ধোঁকা দিচ্ছি। ধোঁকা দিতে গিয়ে নিজেরাই ধোঁকা খাচ্ছি। করোনাকে থাবা বিস্তারের সুযোগ করে দিচ্ছি। টিভির পর্দায়, সংবাদপত্রে বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্তের ও মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে দেখেও আমাদের সম্বিত ফিরছে না। আমরা যেন ক্রমশই আত্মঘাতী খেলায় নিজেদের জড়িয়ে ফেলছি।
লকডাউন ঘোষণার পর শহর, গ্রাম হামলে পড়েছিল মুদির দোকানে। দোকানে দোকানে জমেছিল মেলার ভিড়। দু’দিনেই স্টক ফাঁকা। সকলেই করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য তৈরি হয়ে গিয়েছিলেন। মানুষকে ঘরবন্দি করতে পুলিসের সক্রিয়তা নজর কেড়েছিল। কোথাও কোথাও অতিসক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছিল ঠিকই। কিন্তু, লকডাউন মানার সবক শেখানোর ক্ষেত্রে পুলিসের সেই ভূমিকাকে বেশিরভাগ মানুষই কুর্নিশ করেছিলেন। দিন দুয়েক পর থেকেই পুলিস ‘মানবিক আচরণ’ শুরু করতেই রাস্তায় রাস্তায় বেয়াদপির বাড়বাড়ন্ত। সরকারের নরম মনোভাবকে কাজে লাগিয়ে শহরের রাস্তায় মজা লুটেরাদের ভিড়। ভাবখানা এমন, মওকা যখন মিলেছে ফায়দা তুলতে হবে পুরো।
অপ্রিয় হলেও সত্যি, কলকাতা শহর, শহরতলি এবং বিভিন্ন জেলার শহরগুলিতেই লকডাউনকে ‘ডাউন’ করার প্রবণতা বেশি। বিশেষ করে এক শ্রেণীর শিক্ষিত মানুষজনের ‘ডোন্ট কেয়ার’ মনোভাব বিপদ বাড়াচ্ছে। এ রাজ্যে মারণ ভাইরাস পা রেখেছিল সেই ‘ডোন্ট কেয়ার’ মনোভাবের হাত ধরেই। সেই ট্র্যাডিশন বজায় রয়েছে। এখনও পর্যন্ত তথাকথিত শিক্ষিত এবং শহুরে মানুষের একাংশই লকডাউন ভাঙছেন প্রতিদিন, প্রতিনিয়ত। এনিয়ে রাজ্যের বহু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার সতর্ক করছেন। এমনকী, প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী হাতজোড় করে অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বেরতে বারণ করছেন। তবুও কাজ হচ্ছে না। তাই অনেকেই বলছেন, অনুরোধে কাজ না হলে ‘ঢেঁকি গেলানোর’ জন্য যা দরকার, সেটাই করতে হবে। কারণ জনস্বার্থে সবই আইনসিদ্ধ। কুইনাইন যতই তেতো হোক না কেন, প্রয়োজনে জোর করে খাওয়াতে হয়। তাতে মঙ্গল রোগীরই।
বাস, ট্রেন, উড়ান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ‘ভ্রমণ পিপাসু বাঙালি’র হৃদয় যেন ছটফট করছে। বাইরে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ। বন্ধ শহরের মল, সিনেমা হল, রেস্তরাঁ। টিভি সিরিয়ালের আপডেটও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সবেতন লম্বা ছুটির জীবনে যখন বিনোদনের সব রাস্তাই যখন বন্ধ, তখন হাতের কাছে যা পাওয়া যাচ্ছে তা থেকেই ফায়দা লোটার চেষ্টা। এমন শুনশান শহর দেখার সুযোগ হয়তো আসবে আবার ১০০ বছর পর। সুতরাং ওই বোদ্ধাদের বিচারে লকডাউনের ‘লাইভ পিকচার’ দেখার সুযোগ হাতছাড়া করা নেহাতই মূর্খামি। তাই তাঁরা করোনাকে সাধারণ এলেবেলে ফ্লু বলে ফু‌ৎকারে উড়িয়ে দিয়ে নামছেন রাস্তায়। তারপর দুপুরে খ্যাঁটনের পর লম্বা ঘুম শেষে সান্ধ্য আড্ডায় লকডাউন শহরের বর্ণনা। এইভাবেই সবেতন ছুটির পুরোটা উসুলের চেষ্টা।
শহরের তুলনায় গ্রামের মানুষ কিছুটা হলেও বেশি করে লকডাউন মানছেন। তবে নজির গড়েছে পুরুলিয়ার বলরামপুর। বলরামপুরের গেঁড়ুয়া পঞ্চায়েতের ভাঙ্গিডি গ্রামের ৭জন শ্রমিক গিয়েছিলেন চেন্নাই। লকডাউন ঘোষণা হতেই তাঁরা গ্রামে ফেরেন। গ্রামে ফিরলেও ফিরতে পারেননি বাড়িতে। কারণ ততদিনে ভাঙ্গিডি জেনে গিয়েছে করোনার বিপদ। কেউ মারণ ভাইরাস নিয়ে ঢুকলে গোটা গ্রাম উজাড় হয়ে যাবে... উপলব্ধি করেছেন গ্রামবাসী। তাই ৭জনের ফেরার খবর পেতেই গ্রামের ও পরিবারের লোকজন একযোগে সিদ্ধান্ত নেন, সরকারি নির্দেশ মেনে ১৪দিন আলাদা থাকতে হবে। বাড়িতে ঘরের অভাব। তাই হোম কোয়ারেন্টাইনের সুযোগ নেই। বিকল্প পথ, গাছে থাকবেন তাঁরা। গ্রামে ঢোকার মুখে আমগাছে খাটিয়া বেঁধে অস্থায়ী গৃহ নির্মাণ। গ্রামবাসীদের কথা অমান্য করেননি চেন্নাই ফেরত সুনীল সিং লায়া, বিজয় সিং লায়া ও তাঁর সঙ্গীরা। তাঁদের সঙ্গে থাকা থালা, বাটিতেই খাবার দিয়ে গিয়েছেন বাড়ির লোকজন। সেই খাবার খেয়ে রাতভর গাছে কাটিয়ে ‘সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং’ তাঁরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন। পরিবারকে, গ্রামকে, গ্রামের মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে তাঁদের আন্তরিক প্রয়াস লকডাউন ভঙ্গকারী ‘শহুরে পণ্ডিত’দের গালে কষিয়ে থাপ্পড় মারার জন্য যথেষ্ট। কিন্তু, তাতেও শিক্ষা হচ্ছে না।
এ প্রসঙ্গে পুরুলিয়ার একটি আদিবাসী গ্রামের কথা উল্লেখ করা খুবই প্রাসঙ্গিক। অযোধ্যা পাহাড়ের ভুঁইঘাড়া গ্রাম। সম্পূর্ণ আদিবাসী গ্রাম। সরকার থেকে বিনা পয়সায় রেশন চালুর আগে পর্যন্ত তাঁদের দিন কেটেছে কার্যত নুনে ভাতে। তবুও গ্রামের সকলে লকডাউন মেনে বাড়িতেই থেকেছেন। গ্রামের যুবক ধীরেন চঁড়ে বলেন, করোনার মতো মারাত্মক ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সরকার লকডাউন ঘোষণা করতেই আমরা গ্রামের মোড়লকে নিয়ে মিটিং করি। সিদ্ধান্ত নিই, অসুস্থতা ছাড়া কেউ গ্রাম থেকে বেরব না। গ্রামে ঢোকার রাস্তা বাঁশ দিয়ে আটকে দিয়েছি। আমরা সবাইকে বোঝাতে পেরেছি, একবার গ্রামে মারণ ভাইরাস ঢুকলে কেউ রক্ষা পাব না। পেটে বিদ্যে থাক বা না থাক, গ্রামের সবাই বিপদটা বুঝেছে।
তবে, সব গ্রামকে এক ছাঁচে ফেললে ভুল হবে। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরে আবার অন্য ছবি। লকডাউন ঘোষণা হতেই দাসপুরের নিজামপুরের কয়েকজন যুবক বাড়ি ফিরলেন। তাঁদের মধ্যে এক যুবক অসুস্থ হতে ভর্তি হলেন হাসপাতালে। নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেল, তিনি করোনায় আক্রান্ত। খবরটা রটতেই ভিড়ে গম গম করা হাট আধ ঘণ্টার মধ্যে ফাঁকা। নেমে এল শ্মশানের নিস্তব্ধতা। কিন্তু, ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই মাংসের দোকানে লম্বা লাইন, বিকেলে খেলার মাঠে জোরদার আড্ডা।
এক স্বাস্থ্যকর্মী মানুষকে সতর্ক করার জন্য একটি পোস্ট করে জানালেন, ‘নিজামপুরের করোনা পজিটিভ ছেলেটি যে ট্রেনের কামরায় চেপে মুম্বই থেকে বাড়ি ফিরেছিল, জোতঘনশ্যাম গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার চারজন ছেলেও সেই কামরাতেই ২২ মার্চ বাড়ি ফিরেছিল।’ সামাজিক দায়িত্ববোধের তাড়না থেকেই তিনি এই পোস্টটি করেছিলেন।
তাঁর পোস্টটিতে কোনও নাম ছিল না। কিন্তু, সেই ঠাকুর ঘরে কে, আমি তো কলা খাইনি! ওই চার যুবকের একটি পরিবার থেকে স্বাস্থ্যকর্মীকে ফোনে রীতিমতো হুমকি। বক্তব্য, পোস্টটি তাঁদের সম্মানহানি ঘটিয়েছে। হুমকির ভাষা এতটাই কর্কশ ছিল যে ওই স্বাস্থ্যকর্মী ফের পোস্ট করে ‘ভুল স্বীকার’ করতে বাধ্য হন। তিনি লিখেছেন, খুব অসহায় বোধ করছি। যদি ভুলবশত কারো সম্মানহানি করে থাকি, তবে নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থী আমি।
নিজামপুরের করোনায় আক্রান্ত যুবকের বাবার নমুনাও পজিটিভ এসেছে। তাঁর মা এবং স্ত্রী এখন আইসোলেশন ওয়ার্ডে। আরও জানা গিয়েছে, ওই যুবকের বাবা হাটে শসা বিক্রি করতে গিয়েছিলেন। সুতরাং তিনি আর কউকে সংক্রামিত করেছেন কি না এখনই বোঝা যাচ্ছে না। এমনকী, ওই যুবকের সঙ্গে মুম্বই থেকে আসা সঙ্গীরা এখনও নিজেদের আড়াল করতে ব্যস্ত। কতদিন গোপন করতে পারবেন, তা ঈশ্বরই জানেন।
একটা কথা মাথায় রাখা দরকার, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পিছনে কোনও অপরাধ নেই। এটা এইডস নয়, যে লোকজন জানতে পারলেই নষ্ট হবে সামাজিক সম্মান। বরং ভিন রাজ্য বা দেশ থেকে আসা লোকজন নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখলে তিনি যেমন বাঁচবেন, বাঁচাতে পারবেন তাঁর পরিবারকেও। নিজামপুরের ওই যুবক যদি প্রথমেই নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতেন, তাহলে গোটা পরিবারকে এভাবে বিপদে পড়তে হতো না।
এভাবে সর্বত্রই ‘শাক দিয়ে মাছ ঢাকার’ চেষ্টার ফল অত্যন্ত মারাত্মক। মাছের আঁশটে গন্ধ ছড়াবেই। আজ না হয় দু’দিন পর। আর এই চেষ্টা জারি থাকলে বুঝতে হবে, বিপদ বেশি দূরে নেই। হাজির ঘরের দোরগোড়ায়। আমরা নিজেদের অজান্তেই যুক্ত হয়ে যাচ্ছি এক আত্মঘাতী খেলায়। সেখান থেকে বাঁচানোর ক্ষমতা কোনও মন্দির, মসজিদ বা গির্জার নেই। এমনকী, চিকিৎসক, নার্সদেরও নেই। কারণ তাঁরাও সংখ্যায় বড়ই কম।
04th  April, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
একনজরে
  নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ভিনরাজ্যে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিক, তীর্থ যাত্রী বা চিকিৎসার কাজে বাইরে যাওয়া মানুষজনকে নিয়ে একের পর এক ট্রেন আসছে হাওড়া স্টেশনে। প্রায় প্রতিদিনই কমপক্ষে একটি ট্রেন তো ঢুকছেই হাওড়ায়। ...

জয়পুর, ২৭ মে: দেশে করোনার সংক্রমণের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে পঙ্গপালের হানা। ইতিমধ্যে পশ্চিমের রাজ্যগুলিতে হানা দিতে শুরু করেছে পঙ্গপালের ঝাঁক। লকডাউনের মধ্যে নয়া ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: লকডাউনে কাজ হারানো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাড়ে আট হাজার মানুষকে প্রচেষ্টা প্রকল্পে মাথাপিছু ১০০০ টাকা দিল রাজ্য সরকার। লকডাউনে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ‘স্নেহের পরশ’ এবং কাজ হারানো দুঃস্থ মানুষদের জন্য ‘প্রচেষ্টা’ প্রকল্প ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।   ...

নয়াদিল্লি, ২৭ মে: বিভিন্ন হোটেলের শ্রেণিবিন্যাস ও অনুমোদনের সময়সীমা ৩০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করল পর্যটন মন্ত্রক। এই অনুমোদনের মেয়াদ থাকে পাঁচ বছর। মন্ত্রক জানিয়েছে, বর্তমানে আতিথেয়তা শিল্প একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এগচ্ছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যাধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪২ - লন্ডনে প্রথম ইনডোর সুইমিংপুল চালু
১৮৮৩- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনায়ক দামোদর সাভারকারের জন্ম
১৯২৩- রাজনীতিক ও তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এনটি রামা রাওয়ের জন্ম
২০১০- পশ্চিমবঙ্গে জ্ঞানশ্বেরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪১জনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৬.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯৪.১২ টাকা
ইউরো ৮১.২৯ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ৪৬/১৯ রাত্রি ১১/২৮। পুষ্যা নক্ষত্র ৬/১৬ দিবা ৭/২৭। সূর্যোদয় ৪/৫৬/১৭, সূর্যাস্ত ৬/১১/২০। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৩ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৪ মধ্যে।
১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৮/৫৩। পুষ্যানক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৩৫ পরে অশ্লেষানক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৪৫। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪০ গতে ৬/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ গতে ৯/১০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৪ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৫ গতে ১২/৫৫ মধ্যে।
৪ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ২,১৯০ জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৬,৯৪৮ 

27-05-2020 - 09:09:17 PM

 কলকাতার উপর দিয়ে ঝড় বইল ঘণ্টায় ৯৬ কিমি বেগে

27-05-2020 - 07:45:15 PM

বাংলায় করোনায় আক্রান্ত আরও ১৮৩ 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

27-05-2020 - 07:08:26 PM

অসমে নতুন করে আক্রান্ত আরও ৬০
অসমে নতুন করে আরও ৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। ...বিশদ

27-05-2020 - 06:56:31 PM

একদিনে তামিলনাড়ুতে করোনা আক্রান্ত ৮১৭
একদিনে তামিলনাড়ুতে ৮১৭ জনের শরীরে মিলেছে করোনার জীবাণু। মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

27-05-2020 - 06:50:00 PM

শুরু হল বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টি 
কলকাতা সহ জেলাগুলিতে শুরু হয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়বৃষ্টি। যদিও আবহাওয়া ...বিশদ

27-05-2020 - 06:43:33 PM