Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ঘরে থাকতে অক্ষম যে ভারত
শান্তনু দত্তগুপ্ত

রণবীর সিং। বয়স ৩৮ বছর। ডেলিভারি এজেন্টের কাজ করতেন দিল্লিতে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণার পর হাঁটতে শুরু করেছিলেন তিনি। জাতীয় সড়ক ধরে। যেভাবে হোক গ্রামে পৌঁছতে হবে। গ্রাম মানে মধ্যপ্রদেশের কোথাও একটা... দিল্লি থেকে বহুদূর। ৩২৬ কিমি। হাইওয়ের ধারে পড়ে গেলেন। তখনও বাকি ৮০ কিমি। ছুটে এসেছিলেন পাশের চাওয়ালা... জল, বিস্কুট তুলে দিয়েছিলেন মুখে। কিন্তু তুলে দাঁড় করাতে পারেননি মানুষটাকে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সেখানে থেমে যায় নিঃশ্বাস। গ্রামের বাড়ি আর পৌঁছনো হয়নি রণবীরের...।
লকডাউনের প্রথম ছ’টা দিন... করোনা ভাইরাস এক অন্য ভারতের চিত্র প্রকাশ্যে এনে দিল। বলা ভালো, দেশটাকে দু’ভাগে ভাগ করে দিয়েছে এই সঙ্কট। একটা ভারত... যার বাড়ি-ঘর আছে, যে নিজেকে বাড়িতে বন্ধ রেখে এই মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই চালাতে। দ্বিতীয় ভারত... যার না আছে নির্দিষ্ট মাথা গোঁজার ঠাঁই, না পেট ভরার উপায়। তাঁদের জন্য এই সরকারি ‘বন্‌঩ধে’র নির্দেশ মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মতো। কেরল, মহারাষ্ট্র, দিল্লি... কত পরিযায়ী শ্রমিক যে এই রাজ্যগুলিতে কাজ করতে যান, তার হিসেব মেলা ভার।
বিশেষত দিল্লি। রাজধানীর টুকরো টুকরো কিছু ছবি এই ছ’দিনে সামনে এসেছে। কখনও আনন্দ বিহারের মতো এলাকায় ফুট ওভারব্রিজের উপর দাঁড়িয়ে দু’পাশে রাস্তার দিকে তাকালে শুধু নজরে এসেছে কাতারে কাতারে মানুষ। যারা সবাই পরিযায়ী শ্রমিক... বাড়ি ফিরতে মরিয়া। কেউ যাবেন উত্তরপ্রদেশ, কেউ মধ্যপ্রদেশে। দিল্লি সরকার ২০০টি বাসের ব্যবস্থা করেছিল। উত্তরপ্রদেশ সরকার তাদের এলাকা থেকে হাজারটি। তাও যথেষ্ট হয়নি। হাজারে হাজারে মানুষ, যাদের কাছে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং বা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাটা বিলাসিতা। মাথায় ছাদ নেই, পেটে খাবার নেই। আছে শুধু বিশ্বাস... গ্রামের বাড়িতে একবার পৌঁছে গেলে না খেয়ে অন্তত মরতে হবে না। আর যাঁরা বাসে চড়তে পারছেন? সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পরিযায়ী শ্রমিক ফিরছেন উত্তরপ্রদেশে। বাস থেকে নামা মাত্র তাঁদের বসানো হচ্ছে জাতীয় সড়কের উপর। তারপর স্প্রে করা হচ্ছে জীবাণুনাশক। জলকামানের মতো...।
সুযোগ বুঝে চূড়ান্ত হারে বেড়েছে ‘পাচার’ও। অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের গাড়িতে লুকিয়ে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মানুষ। বাড়ি ফিরতে মরিয়া তাঁরা। তাই সর্বস্ব দিতেও রাজি। কলকাতা থেকে ভাইজাগ যাওয়ার জন্য মাথা পিছু আড়াই হাজার টাকার দর উঠছে বলে অভিযোগ। লোকে তা দিচ্ছেনও।
আবার যমুনার ধারে গেলে দেখা যাবে আশ্রয়হীন মানুষের লাইন... আইটিও ব্রিজ থেকে সেলিমগড় ফোর্ট। অনেকেই কাজ করতেন হোটেলে। কেউ মোগলাই খানা এক্সপার্ট, কেউ চাইনিজ। থাকতেন হোটেলে। খেতেন সেখানেই। হোটেল বন্ধ, থাকা খাওয়ার পাঠও চুকেছে... ‘মোদিজি বলছেন বাইরে বেরলে করোনায় মরে যাব। তাহলে যাব কোথায়? এই রাস্তার উপর বসে থাকলে দিনে একবার অন্তত খেতে পাওয়া যায়... চলে গেলে তাও জুটবে না। করোনা পরে... না খেতে পেয়ে আগে মরব।’
এটা একটা ভারত... দ্বিতীয় ভারত। আর প্রথম? যারা বাড়িতে থাকতে পারেন, কিন্তু থাকেন না। তাঁদের কৌতূহল বড্ড বেশি। তাই দিনে একবার বেরতেই হবে... বাজারের নামে, ওষুধের অজুহাতে। ডিগ্রিধারী অশিক্ষিতের এদেশে অভাব নেই। যাঁরা বিদেশ থেকে ফেরেন, গৃহবন্দি থাকার ডাক্তারি পরামর্শ অগ্রাহ্য করে মলে-হলে ঘোরেন, তারপর বেলেঘাটা আইডিতে গিয়ে ভর্তি হন। পিছনে ছেড়ে যান একরাশ আতঙ্ক আর কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের আশঙ্কা। এই ধরনের বুদ্ধির জাহাজরা নিয়ম পালনের ধার ধারবেন না, অথচ টিভি দেখে অভুক্ত, বেঘর ভারতের মুণ্ডপাত করবেন। হয়তো ওই পরিযায়ী শ্রমিকদের কেউ কেউ বহন করছেন এই মারণ রোগ, তাঁদের কারও থেকে কাল অন্য কেউ সংক্রামিত হবেন... তাও বিবেচক মনন তাঁদের দায়ী করতে পারবে না। আমরা কী করছি তাঁদের জন্য? সরকার কী করছে? অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলছেন, যে যেখানে আছেন থেকে যান। বাড়ি ভাড়া দিল্লি সরকার দেবে। কিন্তু যাদের ভাড়া করার বা পাওয়ার মতো বাড়ি নেই? তাঁরা কী করবেন?
লকডাউন প্ল্যান কিন্তু সত্যি দরকার ছিল। ১৩০ কোটি ভারতীয়র জন্য। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন তাঁর হ্যান্ডসাম ডেপুটি অনুরাগ ঠাকুরকে পাশে বসিয়ে ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। কিন্তু সঠিক হাতে সেই টাকাটা কি যাচ্ছে? এটা নিশ্চিত করতে না পারলে প্যাকেজ ঘোষণার মূল্য নেই। ধরা যাক ১০০ দিনের কাজের প্রসঙ্গ। ভাতা বাড়ানো হয়েছে ঠিক কথা, কিন্তু দিশা কি স্থির হয়েছে? কোন কোন ক্ষেত্রে আমরা ১০০ দিনের কাজ প্রকল্প ব্যবহার করব, কী ধরনের সরকারি অ্যাসেট বানানোর চেষ্টা করব এবং সর্বোপরি যাতে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ এর আওতায় আসেন, তা নিশ্চিত করব। এর কোনওটাই এই মুহূর্তে সিলমোহর দেওয়ার জায়গায় আসেনি। আর লকডাউনের সময়ে কাজটাই বা হবে কী করে? শহরে থাকা খাওয়ার সংস্থান হারিয়ে লাখো মানুষ গ্রামে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করলেন, বা ফিরেও গেলেন। তাতে কিন্তু সমস্যার সমাধান হবে না। কারণ তাঁদের হাতে নগদ নেই। জরুরি পরিস্থিতির সুযোগে কালোবাজারি ইতিমধ্যে বেড়ে গিয়েছে। সাপ্লাই কম, যে যেমন পারছে জিনিসপত্রের দাম হাঁকছে। মানুষ কিনতে বাধ্যও হচ্ছে। একটা শ্রেণীর পক্ষে এরপরও চালিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। কিন্তু ওই কপর্দকশূন্য মানুষগুলো উপায় না দেখে চড়া সুদে টাকা ধার করবে, আর তারপর সারা জীবনেও শোধ করতে পারবে কি না সন্দেহ। কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন কমবে। অর্থাৎ সরবরাহ ব্যাহত হবে। এই সবটাই একে অপরের সঙ্গে জড়িত। এটাও কিন্তু সরকারের কাছে একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ।
অর্থাৎ চ্যালেঞ্জ দুটো... করোনা সংক্রমণের চেনটা ভাঙা এবং দুই, অর্থনীতি ধসে যাওয়ার আগে ঠেকনা দেওয়া। কথায় বলে, আপনি বাঁচলে বাপের নাম। অর্থনীতি ডুবে গেলেও এই মুহূর্তে কিছু করার নেই। বাঁচতে হবে... সংক্রমণ প্রায় ১২০০, মৃত্যু ৩০-এর কোঠা ছুঁয়েছে। হয়তো এটাই ঠিক পরিসংখ্যান। আবার নাও হতে পারে। কারণ, কিটের অভাবে পরীক্ষা কম হওয়া, মানুষের লুকিয়ে রাখার প্রবণতা এই পরিসংখ্যানে প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কোনটা ঠিক, তা সময় বলবে। খুব বেশি নয়... আগামী সপ্তাহেই পরিষ্কার হয়ে যাবে যে ভারত ইতালি বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হতে চায় কি না। লকডাউন সফল করার জন্য চাই মানসিকতা, সচেতনতা। যা আম ভারতবাসীর মধ্যে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। তাহলে উপায় কী?
শোনা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকার নাকি ইতিমধ্যেই সেনাবাহিনীকে তৈরি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়ে গিয়েছে সেনার মুভমেন্ট। এই তথ্য একটাই প্রশ্ন সামনে নিয়ে আসে... তাহলে কি দেশে ফের জরুরি অবস্থা জারি হতে চলেছে? তার মানে কার্ফু, সেনা টহলদারি, বাস্তবিকই বাড়ি থেকে বেরনো সম্পূর্ণ বন্ধ। আমাদের দেশের ‘শিক্ষিত’ ‘অচেতন’ নাগরিকদের জন্য এটাই হয়তো শেষ অস্ত্র। নিজের ভালো না বুঝলে বেতের সাহায্য নিতেই হবে। না হলে দেশ বাঁচবে না। পরিস্থিতি হয়তো সেদিকেই যাচ্ছে। এর মধ্যে রাত ৮টায় প্রধানমন্ত্রী যদি আবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে বসেন, তাহলে সিট বেল্ট কষে বেঁধে নেওয়াই ভালো। কারণ ১৩০ কোটির দেশে ২১ দিনের লকডাউন সমাধান করতে পারবে না। সেটা অল্প-বিস্তর সবাই এখন আন্দাজ করতে পারছেন। হয় কার্ফু, না হলে দীর্ঘমেয়াদী গৃহবন্দিত্ব। কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন। তাও আতঙ্ক যায়নি। যাচ্ছে না।
কারণ, বেশ কিছু রাজ্যে অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবার জন্য পাস কিন্তু ৩০ জুন পর্যন্ত ইস্যু করা হয়েছে!
31st  March, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: লকডাউনে কাজ হারানো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাড়ে আট হাজার মানুষকে প্রচেষ্টা প্রকল্পে মাথাপিছু ১০০০ টাকা দিল রাজ্য সরকার। লকডাউনে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ‘স্নেহের পরশ’ এবং কাজ হারানো দুঃস্থ মানুষদের জন্য ‘প্রচেষ্টা’ প্রকল্প ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।   ...

 নিউ ইয়র্ক, ২৭ মে: আবার মুখোমুখি মাইক টাইসন ও ইভান্ডার হোলিফিল্ড। চ্যারিটি লড়াইয়ে অংশ নেওয়ার জন্য প্রাক্তন দুই হেভিওয়েট বক্সিং চ্যাম্পিয়ন অবসর ভেঙে রিংয়ে ফিরছেন। এই লড়াইয়ের দিন ঠিক হয়েছে ২৬ জুন। উল্লেখ্য, হোলিফিল্ডের বয়স এখন ৫৮ বছর। তাঁর থেকে ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ভিনরাজ্যে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিক, তীর্থ যাত্রী বা চিকিৎসার কাজে বাইরে যাওয়া মানুষজনকে নিয়ে একের পর এক ট্রেন আসছে হাওড়া স্টেশনে। প্রায় প্রতিদিনই কমপক্ষে একটি ট্রেন তো ঢুকছেই হাওড়ায়। ...

জয়পুর, ২৭ মে: দেশে করোনার সংক্রমণের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে পঙ্গপালের হানা। ইতিমধ্যে পশ্চিমের রাজ্যগুলিতে হানা দিতে শুরু করেছে পঙ্গপালের ঝাঁক। লকডাউনের মধ্যে নয়া ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যাধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪২ - লন্ডনে প্রথম ইনডোর সুইমিংপুল চালু
১৮৮৩- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনায়ক দামোদর সাভারকারের জন্ম
১৯২৩- রাজনীতিক ও তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এনটি রামা রাওয়ের জন্ম
২০১০- পশ্চিমবঙ্গে জ্ঞানশ্বেরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪১জনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৬.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯৪.১২ টাকা
ইউরো ৮১.২৯ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ৪৬/১৯ রাত্রি ১১/২৮। পুষ্যা নক্ষত্র ৬/১৬ দিবা ৭/২৭। সূর্যোদয় ৪/৫৬/১৭, সূর্যাস্ত ৬/১১/২০। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৩ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৪ মধ্যে।
১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৮/৫৩। পুষ্যানক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৩৫ পরে অশ্লেষানক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৪৫। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪০ গতে ৬/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ গতে ৯/১০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৪ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৫ গতে ১২/৫৫ মধ্যে।
৪ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ২,১৯০ জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৬,৯৪৮ 

27-05-2020 - 09:09:17 PM

 কলকাতার উপর দিয়ে ঝড় বইল ঘণ্টায় ৯৬ কিমি বেগে

27-05-2020 - 07:45:15 PM

বাংলায় করোনায় আক্রান্ত আরও ১৮৩ 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

27-05-2020 - 07:08:26 PM

অসমে নতুন করে আক্রান্ত আরও ৬০
অসমে নতুন করে আরও ৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। ...বিশদ

27-05-2020 - 06:56:31 PM

একদিনে তামিলনাড়ুতে করোনা আক্রান্ত ৮১৭
একদিনে তামিলনাড়ুতে ৮১৭ জনের শরীরে মিলেছে করোনার জীবাণু। মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

27-05-2020 - 06:50:00 PM

শুরু হল বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টি 
কলকাতা সহ জেলাগুলিতে শুরু হয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়বৃষ্টি। যদিও আবহাওয়া ...বিশদ

27-05-2020 - 06:43:33 PM