Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভীরু এবং আধখেঁচড়া
ব্যবস্থা, তবু স্বাগত
পি চিদম্বরম

গত ১৯ মার্চ, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করলেন যে ২২ মার্চ, রবিবার দেশজুড়ে ‘জনতা কার্ফু’ পালন করা হবে। আমি ভেবেছিলাম প্রধানমন্ত্রী জল মাপছেন, জনতা কার্ফুর শেষে তিনি নানা ধরনের লকডাউন ঘোষণা করবেন। কিন্তু রবিবার কোনও ঘোষণা শোনা গেল না।
ইতিমধ্যে ২০ থেকে ২৩ মার্চের ভিতরে কয়েকটি রাজ্য সরকার তাদের রাজ্যের বিভিন্ন অংশে আংশিক কিংবা সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করে দিয়েছিল। সোমবার (২৩ তারিখ) এবং মঙ্গলবার (২৪ তারিখ) উল্লেখযোগ্য কিছু মিলল না—কয়েকটি ভয়ানক সংখ্যা ছাড়া—কিছু টেস্টের রেজাল্ট পজিটিভ এবং ধীর গতিতে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি।
সম্ভবত, ইতালি, স্পেন, এবং ইরানে যা ঘটে চলেছে তাতে অশনিসঙ্কেত লক্ষ করেই প্রধানমন্ত্রী ২৪ তারিখ ফের টেলিভিশনের সামনে এলেন এবং দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করে দিলেন, সেইদিন মধ্যরাত্রি থেকে যা বলবৎ হল। বাংলা হিসেবে লকডাউন বলবৎ হল ২৪ মার্চ রাত্রি কাঁটায় কাঁটায় ১২টা (বা ২৫ মার্চ ০০.০০ ঘটিকা) থেকে। আপনি এই নিবন্ধ যখন পড়ছেন তখন লকডাউনের ষষ্ঠ দিন চলছে। দেশজুড়ে এই লকডাউনের ব্যাপারে শুধু দেশবাসীই অপ্রস্তুত ছিলেন না, এমনকী অপ্রস্তুত ছিল কেন্দ্রীয় সরকারও। প্রধানমন্ত্রী ১৯ মার্চ যে ইকনোমিক টাস্ক ফোর্সের কথা ঘোষণা করেছিলেন, সেটা এখনও গঠন করা হয়নি। সাধারণ মানুষের কাছে এর অন্য কী ব্যাখ্যা থাকতে পারে?
অপ্রস্তুত
পরিতাপের সঙ্গে লক্ষ করছি যে, গত ৩০ জানুয়ারি প্রথম টেস্ট রেজাল্ট পজিটিভ জানার পর থেকে প্রস্তুত না-হওয়াটাই মোদি সরকারের বৈশিষ্ট্য দাঁড়িয়ে গিয়েছে। এই প্রসঙ্গে নীচের বিষয়গুলি বিবেচনা করা যায়:
(১) সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হল পর্যাপ্ত সংখ্যায় টেস্ট করার ব্যবস্থা করতে না পারাটা। মহামারী এবং চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা আরও বেশি টেস্ট বা পরীক্ষা করার ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রশ্নে সহমত পোষণ করেন। এই ব্যাপারে তাঁরা সরকারের কাছে সওয়ালও করেছেন। পরীক্ষা, আরও পরীক্ষা, পজিটিভ কেস খুঁজে বের করা, তাদের আইসোলেশনে রাখা এবং চিকিৎসা করা—এটাই এই সময়ের দাবি। সরকার, মনে হয়, এই জায়গায় ব্যর্থ হয়েছে। এই নিবন্ধ যখন লিখছি তখনকার হিসেবমতো, দৈনিক সর্বাধিক মাত্র ১২ হাজার পরীক্ষা হচ্ছে। তার ভিত্তিতে সংক্রামিত মানুষের যে সংখ্যাটি জানা যাচ্ছে, তা নিয়ে সংশয় রয়ে যাচ্ছে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চের (আইসিএমআর) অবস্থান বদলের ঘটনা বিলম্ব এবং সংশয় বাড়িয়ে দিচ্ছে। আজও এটি স্পষ্ট হল না কোনওভাবে।
(২) এমনকী টেস্ট রেজাল্ট ৭২৪-এ পৌঁছেছে, রোজই নতুন নতুন জায়গা থেকে সংক্রমণের দুঃসংবাদ পাওয়া যাচ্ছে। তার পরেও দেখছি, আইসিএমআর এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রক এমন আচরণ করছে যে ভারত এখনও স্টেজ-২-তেই রয়ে গিয়েছে এবং ‘কমিউনিটি টান্সমিশন’-এর কোনও প্রমাণ নেই। সরকারের এই দাবি নিয়ে কিন্তু কিছু মহামারী বিশেষজ্ঞের সন্দেহ রয়েছে।
(৩) ভারতের প্রয়োজন ৭ লক্ষ পিপিই স্যুট, ৬০ লক্ষ এন-২৫ মাস্ক এবং ১ কোটি থ্রি-প্লাই মাস্ক। এই প্রয়োজনের কতটা এখনই মেটানো যাবে এবং বাকিটা কত দিনে পূরণ হবে তার- আঁচ পাওয়া যাচ্ছে না।
(৪) রপ্তানি বন্ধ করার দাবি থাকা সত্ত্বেও ভেন্টিলেটর, শ্বাসের সরঞ্জাম (রেসপিরেটরি ডিভাইস) এবং স্যানিটাজার রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি হল মাত্র গত ২৪ মার্চ।
(৫) পণ্য সরবরাহ শৃঙ্খল (সাপ্লাই চেন) ব্যাহত হয়ে রয়েছে। পণ্য সরবরাহ বন্ধ থাকায় অনেক মুদি দোকান এবং পরিষেবা কেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়। অনেকগুলি ঘটনায় দোকান কর্মচারীদেরকে দোকানে যেতে দেওয়া হয়নি।
(৬) এমনও হৃদয়বিদারক ছবি দেখা গিয়েছে যে ছোট্ট ছেলেটি বলছে, তাদের ঘরে কোনও খাবার ছিল না বলে সে কিছুই খেতে পায়নি এবং পরিযায়ী শ্রমিকরা তাদের রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ অথবা বিহারের বাড়িতে ফিরবেন বলে রাজপথ ধরে হেঁটে চলেছেন! এতে করে এটাই পরিষ্কার হয় যে সরকারগুলিই এইসব নিরপরাধ মানুষকে তাদের ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দিয়েছে।
(৭) পুলিস—রাজ্য সরকারগুলিরই নিয়ন্ত্রণে, তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। কিছু স্থানে তারা পণ্যের ডেলিভারি এজেন্টদের অথবা ক্রেতাদের বাধা দিল। এমন কিছু ভিডিয়ো ভাইরাল হল, যাতে দেখা গেল—লকডাউন লঙ্ঘনের ব্যাপারে অভিযুক্তদের পুলিস লাঠিপেটা করছে এবং এমন কিছু অস্বাভাবিক শাস্তি দিচ্ছে, যা পুলিস আইনত করতে পারে না। বলা বাহুল্য, তার ফলে এলাকায় এলাকায় প্রবল আতঙ্কের সৃষ্টি হল।
যে পরিকল্পনা মনে দাগ কাটল না
সবচেয়ে মর্মান্তিক ব্যর্থতা ছিল সুরাহা ঘোষণার ক্ষেত্রে—সার্বিক লকডাউনের সঙ্গেই যা করার দরকার ছিল—গরিব ও দুর্বলদের জীবনযাত্রার সুরক্ষার জন্য—ভাগচাষি, খেতমজুর, দিনমজুর, স্বনিযুক্ত ব্যক্তি, অতি ক্ষুদ্র ছোট ও মাঝারি (এমএসএমই) শিল্প-ব্যবসার মালিক, কাজ খোয়ানো শিল্প শ্রমিক, বঞ্চিত ও পথবাসী মানুষজন প্রভৃতির জন্যে। আরও এক শ্রেণীর মানুষ অসহায় হয়ে পড়লেন—তাঁদের মধ্যে আছেন সেই নিয়োগকর্তারা যাঁরা শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন দেন, কর প্রদান করেন এবং সেই সমস্ত ঋণগ্রহীতারা যাঁদের মাসিক কিস্তি (এএমআই) গুনতে হয়।
কিছু পরামর্শ পেশ করা হয়েছিল, কিন্তু সরকার তা নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিল ২৬ মার্চ পর্যন্ত। অর্থমন্ত্রী ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন প্ল্যান (এফএপি বা ফ্যাপ) ঘোষণা করলেন—যা ভীরু এবং আধখেঁচড়া ব্যবস্থা। এটা নিশ্চিতরূপেই কম্প্রিহেনসিভ বা ব্যাপক নয়। ফ্যাপ সমস্ত শ্রেণীর গরিব মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্যের জোগান দেবে, কিন্তু এই পরিকল্পনা তাদের পকেটে যথেষ্ট টাকা ভরে দেবে না। সবচেয়ে খারাপ এই যে গরিব এবং দুর্বলদের ভিতরেও কিছু শ্রেণী নজরের পুরো বাইরে রয়ে গিয়েছে—ভাগচাষি, ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে যাদের কাজ জোটেনি, পথবাসী মানুষ, বঞ্চিত মানুষ, জনধন যোজনার পুরুষ গ্রাহকরা, কর্মচ্যুত শ্রমিক—এরা অবহেলিত হলেন। কর প্রদানের সময়সীমা বৃদ্ধির আইনসংগত দাবির পাশাপাশি ঋণের কিস্তি (ইএমআই) স্থগিত, জিএসটির হার কমানো প্রভৃতির দাবি মানা হয়নি। তাই ফ্যাপ মানুষের মনে দাগ কাটল না। আমি হুঁশিয়ারভাবেই এই পরিকল্পনাটিকে স্বাগত জানাচ্ছি।
নেতৃত্বের প্রয়োজন
যদিও অর্থমন্ত্রী দাবি করছেন যে ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন প্ল্যান (করোনা পরিস্থতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের যে আর্থিক প্যাকেজ) বাবদ সরকারের ব্যয় হবে ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকা। আমার হিসেবে, যে অতিরিক্ত নগদ অর্থ বেনিফিসিয়ারিদের (উপকৃত ব্যক্তিদের) হস্তান্তর করা হবে তার পরিমাণ ৬০ হাজার কোটি টাকা এবং খাদ্যশস্য ও ডাল বাবদ যা খরচা হবে তার পরিমাণ দাঁড়াবে ৪০ হাজার কোটি টাকা। এটি প্রয়োজনীয়, কিন্তু মোটেই পর্যাপ্ত নয়। ফ্যাপ দ্বিতীয় দফায় প্রয়োজন হবে পরবর্তী কয়েক ঘণ্টায় কিংবা দিন কয়েকের ভিতরেই।
বেশিরভাগ মানুষের মনে ভুল ধারণা জন্মেছে যে চীন, ইতালি ও স্পেনের মতো ওইরকম ব্যাপক হারে ভারত আক্রান্ত হবে না। আমার ভয় হচ্ছে যে ভারত কোনও ব্যতিক্রম নয়। অন্য প্রতিটি দেশের মতোই ভারতকে বড়সড় বিপর্যয়ের দুর্ভোগ পোহাতে হবে। তার উপর আমরা আপাতত শুধুমাত্র মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য ও জীবন-জীবিকার সুরাহার বিষয়েই ব্যস্ত আছি। এর পর তো আসবে অর্থনীতি, দেশবাসীর চাকরিবাকরি এবং আয়পত্তর সংক্রান্ত আরও গুরুতর প্রশ্নগুলি। পতনমুখী অর্থনীতির আরও পতন ঘটবে এবং তা জড়িয়ে নেবে মানুষের বিপর্যয় ও দুর্ভাগ্যকে। সরকার অবশ্যই তার দ্বিধাগুলি কাটিয়ে উঠবে এবং ব্যতিক্রমীভাবে দৃঢ় ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দেবে।
 লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী
30th  March, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে পঙ্গপালের হামলার কোনও সতর্কবার্তা এখনও জারি করেনি কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রক। কিন্তু, রাজ্য কৃষিদপ্তরের আধিকারিকরা বলছেন, উত্তর ও পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলির তুলনায় অনেক ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ভিনরাজ্যে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিক, তীর্থ যাত্রী বা চিকিৎসার কাজে বাইরে যাওয়া মানুষজনকে নিয়ে একের পর এক ট্রেন আসছে হাওড়া স্টেশনে। প্রায় প্রতিদিনই কমপক্ষে একটি ট্রেন তো ঢুকছেই হাওড়ায়। ...

 নিউ ইয়র্ক, ২৭ মে: আবার মুখোমুখি মাইক টাইসন ও ইভান্ডার হোলিফিল্ড। চ্যারিটি লড়াইয়ে অংশ নেওয়ার জন্য প্রাক্তন দুই হেভিওয়েট বক্সিং চ্যাম্পিয়ন অবসর ভেঙে রিংয়ে ফিরছেন। এই লড়াইয়ের দিন ঠিক হয়েছে ২৬ জুন। উল্লেখ্য, হোলিফিল্ডের বয়স এখন ৫৮ বছর। তাঁর থেকে ...

জয়পুর, ২৭ মে: দেশে করোনার সংক্রমণের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে পঙ্গপালের হানা। ইতিমধ্যে পশ্চিমের রাজ্যগুলিতে হানা দিতে শুরু করেছে পঙ্গপালের ঝাঁক। লকডাউনের মধ্যে নয়া ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যাধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪২ - লন্ডনে প্রথম ইনডোর সুইমিংপুল চালু
১৮৮৩- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনায়ক দামোদর সাভারকারের জন্ম
১৯২৩- রাজনীতিক ও তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এনটি রামা রাওয়ের জন্ম
২০১০- পশ্চিমবঙ্গে জ্ঞানশ্বেরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪১জনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৬.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯৪.১২ টাকা
ইউরো ৮১.২৯ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ৪৬/১৯ রাত্রি ১১/২৮। পুষ্যা নক্ষত্র ৬/১৬ দিবা ৭/২৭। সূর্যোদয় ৪/৫৬/১৭, সূর্যাস্ত ৬/১১/২০। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৩ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৪ মধ্যে।
১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৮/৫৩। পুষ্যানক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৩৫ পরে অশ্লেষানক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৪৫। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪০ গতে ৬/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ গতে ৯/১০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৪ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৫ গতে ১২/৫৫ মধ্যে।
৪ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ২,১৯০ জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৬,৯৪৮ 

27-05-2020 - 09:09:17 PM

 কলকাতার উপর দিয়ে ঝড় বইল ঘণ্টায় ৯৬ কিমি বেগে

27-05-2020 - 07:45:15 PM

বাংলায় করোনায় আক্রান্ত আরও ১৮৩ 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

27-05-2020 - 07:08:26 PM

অসমে নতুন করে আক্রান্ত আরও ৬০
অসমে নতুন করে আরও ৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। ...বিশদ

27-05-2020 - 06:56:31 PM

একদিনে তামিলনাড়ুতে করোনা আক্রান্ত ৮১৭
একদিনে তামিলনাড়ুতে ৮১৭ জনের শরীরে মিলেছে করোনার জীবাণু। মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

27-05-2020 - 06:50:00 PM

শুরু হল বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টি 
কলকাতা সহ জেলাগুলিতে শুরু হয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়বৃষ্টি। যদিও আবহাওয়া ...বিশদ

27-05-2020 - 06:43:33 PM