Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

 করোনা যুদ্ধের অক্লান্ত সৈনিক ডাক্তারবাবুরা,
দোহাই ওদের গায়ে আর কেউ হাত তুলবেন না
হিমাংশু সিংহ

 পৃথিবীব্যাপী এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধ চলছে। অদৃশ্য জৈবযুদ্ধ। এলওসিতে দাঁড়িয়ে মেশিনগান হাতে কোনও সেনা নয়, রাফাল নিয়ে শত্রু ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও নয়। হাসপাতালের আইসিইউতে নিরস্ত্র ডাক্তারবাবুরা বুক চিতিয়ে এই নির্ণায়ক যুদ্ধ লড়ছেন রাতের পর রাত ক্লান্তিহীন। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও তাঁরা পিছপা হতে নারাজ। শেষপর্যন্ত এই যুদ্ধের পরিণাম কী হবে, কত মানুষের মৃত্যু দেখে তবে মারণ ভাইরাসের প্রলয় নাচন থামবে, তা আমাদের অজানা। অনেকে আবার তথ্যপ্রমাণ দিয়ে দাবি করছেন, এমনটা যে হবে তা নাকি বাইবেলেই লেখা ছিল। অনেকে আবার বলছেন, শনি এখন নিজের ঘরে অবস্থান করছে, আর বৃহস্পতি নীচস্থ বলেই নাকি এতবড় বিপন্নতা, এতবড় সর্বনাশ তাড়া করছে সাধারণ মানুষকে। সে যাই হোক গোটা মানবসমাজ আজ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় অগ্নিপরীক্ষার মুখোমুখি। রাগ, বিদ্বেষ, অস্ত্রের ঝনঝনানি সব এক লহমায় মুছে গিয়েছে। অদৃশ্য হয়ে গিয়েছে ছোট ছোট স্বার্থের গণ্ডি। দেশের সীমানা মুছে সবাই একসুরে ভাইরাসের বিরুদ্ধে অস্তিত্বরক্ষার সংগ্রামে শামিল। এই লড়াইটা যত না কঠিন তার চেয়েও কঠিন অন্তিম মুহূর্ত পর্যন্ত ধের্য আর সংযম ধরে রাখা। এ যুদ্ধের একদিকে সর্বজন শ্রদ্ধেয় ডাক্তারবাবুরা, আর অন্যদিকে সাধারণ মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা। বাইরে বেরব না। দোকানে বাজারে অযথা ভিড় করব না। মাঝে মাঝেই হাত ধুয়ে স্যানিটাইজার ব্যবহার করব, যাতে ভাইরাস ছড়াতে না পারে। সেইসঙ্গে আশপাশটাকে পরিচ্ছন্ন রাখব। বাড়িতে নিজের পরিজনদের সঙ্গেও নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখব, এই প্রতিজ্ঞা আর শপথ। গোটা জাতির আজ এই একটাই মন্ত্র। এই সহযোগিতা ছাড়া ডাক্তারবাবুরা এ লড়াইয়ে সহজে জিততে পারবেন না। কারণ এই যুদ্ধে মধ্যিখানে আর কেউ নেই। সেনাবাহিনী নয়, সমরাস্ত্র সজ্জিত আধুনিক ট্যাঙ্ক নয়, ভয়ঙ্কর এফ-১৬ যুদ্ধবিমানও নয়,শুধু একটা সামান্য স্টেথোস্কোপ গলায় জড়িয়ে ভগবানের মতো শিরদাঁড়া সোজা করে দাঁড়ানো ডাক্তারসমাজ। ওই একটা মাত্র অস্ত্র হাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ভয়ঙ্কর লড়াইয়ে অবতীর্ণ মহামান্য ডাক্তারবাবুরা। গায়ে সাদা অ্যাপ্রন, হাতে গ্লাভস, মুখে মাস্ক। দিনরাত এক করে তাঁরা অক্লান্ত লড়াই করছেন রোগীর শিয়রে বসে। তাঁদের সঙ্গে মিলিত হয়েছেন অগণিত নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী এমনকী চতুর্থশ্রেণীর কর্মীরাও। তাঁদের ছাড়া আজ এই কঠিন যুদ্ধে আমাদের আরও বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা। তাই করোনা বিশ্বযুদ্ধের সব স্তরের সৈনিকদের কুর্নিশ করুন। বাহবা দিন। এই ভয়ঙ্কর সময়ে স্বজন সংসার ছেড়ে তাঁরা মানুষকে সেবা দেওয়ার কাজে নিয়োজিত, এ বড় কম কথা নয়। মন্দির, মসজিদ ছেড়ে স্বয়ং ভগবান যেন নেমে এসেছেন মর্তের মাটিতে প্রতিটি করোনা রোগীর শুশ্রুষায়। পাথরের বিগ্রহ নয়, অবিরাম মন্ত্রপাঠ নয়, চিকিৎসকরাই আজ আসল ভগবান। আরতি নয়, ফুলমালাও নয়, শুধু খোলা মনে তাঁদের এই ভূমিকাটাকে সম্মান দিন। কার্পণ্য না করে স্বীকৃতি দিন তাঁদের এই অসম্ভব প্রয়াসকে। বিভেদ, বিভাজন, রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে একবাক্যে শপথ নিন, ভবিষ্যতে আর কোনওদিন ভুলেও কোনও হাসপাতাল কিংবা নার্সিংহোমে ডাক্তার নার্সদের উপর কেউ চড়াও হবেন ন। ভাঙচুর চালাবেন না। কেউ ইচ্ছে করে মুমূর্ষু রোগীকে মেরে ফেলে না। আর ভুল ভ্রান্তি সব পেশাতেই হয়। যে কাজ করে তারই হয়। মাথা ঠান্ডা করে এই সরল সত্যটাকে মানতে শিখতে হবে সবাইকে। করোনা মহামারীর এটাও বড় শিক্ষা।
এমনও শোনা যাচ্ছে, যেসব ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী করোনা রোগীর চিকিৎসা করছেন, কোথাও কোথাও তাঁদের বাড়িতে লোক চড়াও হচ্ছে। তাঁদেরও আলাদা করার দাবি জানাচ্ছেন। এতো অমানবিক কাজ। অমার্জনীয় অপরাধ। অবিলম্বে এই ঝোঁক পরিহার করুন। সভ্য সমাজে এর চেয়ে বড় অন্যায় আর কিছু হতে পারে না। বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারী রুখতে সামনে থেকে যাঁরা আজ যুদ্ধ করছেন, তাঁদেরই ব্রাত্য করে দিলে মহাপাপ হবে। এই দুর্দিনে ওঁরাই একমাত্র বন্ধু। ও কাজ ভুলেও করার চেষ্টা করবেন না।
পৃথিবীর নানা প্রান্তে অপেক্ষাকৃত নতুন এই ভাইরাসের গতিপ্রকৃতি নিয়ে নিরন্তর গবেষণা চলছে। কীভাবে মিউটেট করে ভাইরাসটি তার চরিত্র বদলাচ্ছে, আরও ভয়ঙ্কর সংক্রামক আকার নিচ্ছে তারই পর্যবেক্ষণ চলছে দুনিয়াজুড়ে। কিন্তু মাত্র তিনমাস যার বয়স তার সম্পর্কে বেশি তথ্য তো কারও কাছেই নেই। ডাক্তারবাবুরাও বলছেন, কোভিড ১৯ চরিত্র বদল করে যে এতটা সংক্রামক ও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার বিপজ্জনক প্রবণতা নিয়ে আত্মপ্রকাশ করবে তা বিজ্ঞানীরাও প্রথমটায় আঁচ করতে পারেননি। তবে এটি বাতাসে কতক্ষণ ভেসে থাকে তা নিয়ে দ্বিমত আছে। কোনও কোনও বিশেষজ্ঞ আবার বলছেন, গরম যত বাড়বে তত আমাদের দেশে এই রোগের প্রকোপও নাকি কমবে। তবে গাড়ির হাতল, লিফটের গেট, দরজার তালা, মাথার চুল থেকেও অবলীলায় এই ভাইরাস দ্রুতবেগে সংক্রামিত হয়। পরিভাষায় এগুলিকেই বলা হয় ফোমাইটস। বাইরে থেকে এসে তাই প্রথমেই হাত ধোয়া, জামাকাপড় ছেড়ে সাবান মেখে স্নান করা সবচেয়ে জরুরি। আরও জরুরি বাইরে থেকে ফিরেই জামাকাপড় সাবানজলে সামান্য ডেটল মিশিয়ে ধুয়ে ফেলা।
এত সৈন্যসামন্ত, লোকলস্কর, অস্ত্রশস্ত্র, বোমারু বিমান, পরমাণু যুদ্ধের প্রস্তুতি সবই মনে হচ্ছে বৃথা গেল। এ যুদ্ধে ওসবের কোনও ভূমিকাই নেই। আসলে সবাই সবাইকে শত্রু ভাবতে ভাবতে শেষে এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে নেপোয় দই মারার মতো সভ্যতাকে উজাড় করে দিয়ে গেল চীনের মাটিতে সৃষ্ট মারাত্মক ছোঁয়াচে করোনা। আরও বিপদের কথা, কেউ কেউ আবার নিজে থেকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় নিজের ও নিজের পরিবারের উপর ডাক্তারি করছেন। নেট ঘেঁটে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন, অ্যাজিথ্রোমাইসিন, লোপিনাভির ও রিতোনাভির মতো ওষুধ ব্যবহারের পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজের উপর ডাক্তারি করার পরিণাম ভয়ঙ্কর হতে পারে। কোনও ওষুধের দোকানও যেন চিকিৎসকের সুপারিশ ছাড়া এই সব বিপজ্জনক ওষুধ বিক্রি না করে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।
গত একশো বছরের ইতিহাসে মানবজাতির সামনে এমন অভূতপূর্ব সঙ্কট এসেছে বলে অনেক প্রবীণ মানুষেরও মনে পড়ে না। তিন মাস বয়সের এক মারণ ভাইরাসের সঙ্গে সারা পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত নাগরিক সমাজের এক অদৃশ্য লড়াই চলছে। কতশত অস্ত্র, গোলাবারুদ, বোমারু বিমান এই আধুনিক পৃথিবী তৈরি করেছে তার ইয়ত্তা নেই। কিন্তু তার সবই একে অপরকে ধ্বংস করার জন্য। বিদ্বেষ আর শত্রুতাকে চরিতার্থ করার জন্য। ঈর্ষা আর লোভের বশবর্তী হয়ে। কিন্তু নবজাতক এই করোনা ভাইরাস সব হিসেব উল্টে দিয়েছে। ভালোবাসা নয় বন্ধুত্ব নয়, স্রেফ ভয় আর আতঙ্ক আজ সমগ্র মানবসমাজকে একসূত্রে গেঁথে দিয়েছে। ছলচাতুরি, হুমকি পাল্টা হুমকি, অস্ত্রের ঝনঝনানি সব আজ অর্থহীন হয়ে পড়েছে। চীন থেকে আত্মপ্রকাশ করে করোনা ভাইরাস আজ উন্নত ইউরোপ ও আমেরিকাকে পর্যন্ত নাজেহাল করে দিয়েছে। এপিসেন্টার চীন থেকে ইউরোপ পেরিয়ে এখন আমেরিকায় থাবা বসাতে উদ্যত। মার্কিন মুলুকে মৃত্যু বাড়ছে লাফিয়ে। আর সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ইতালির প্রধানমন্ত্রীর চোখে জল। হতাশ গলায় তিনি বলছেন মহামারীর নিয়ন্ত্রণ আমরা হারিয়ে ফেলেছি। গোটা দেশটাই কার্যত ছারখার হওয়ার মতো অবস্থায়। কার্যত গোটা ইউরোপই প্রায় পথে বসার মতো অবস্থায়। স্পেন, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ডও এই মারণ ভাইরাসের পরাক্রমের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছে।
এই কঠিন পরিস্থিতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এখন লক্ষ্য রাখছে ভারতের উপর। ভারতও এর প্রভাবে বেসামাল। গোটা দেশ ঘরবন্দি। ব্যবসা লাটে। তার উপর আর্থিক বছরের শেষ, মার্চ মাস বলে কথা। বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় অর্থনৈতিক মন্দা কোন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে। গোটা দেশ লকডাউনের মধ্যে কোনওরকমে দিন গুজরান করছে। সবে মাত্র কয়েকদিন কেটেছে আরও অনেক সময় বাকি। মোট ২১ দিনের লকডাউন। তাই দীর্ঘ সময় ঘরবন্দি থাকতে হবে। নিঃসন্দেহে ধৈর্যের পরীক্ষা। কিন্তু সেই পরীক্ষায় ১৩০ কোটির দেশ সসম্মানে উত্তীর্ণ হতে পারে কি না, সেদিকেই সবার নজর।
এই লড়াইয়ের প্রধান স্থপতি নিঃসন্দেহে ডাক্তারবাবুরা ও সতর্ক জনগণ। দু’তরফের যোগ্য সমঝোতা ও সমন্বয় ছাড়া জয় সম্ভব নয়। সর্বত্র মানুষের এখন একটাই প্রশ্ন, আবার কেউ প্রাণঘাতী মারণ ভাইরাসের শিকার হল না তো? এক অজানা আশঙ্কা ও ভয়ের প্রহর গুনছে সবাই। ভারতের মতো গরিব জনবহুল দেশে এখন জিজ্ঞাসা একটাই, করোনার থার্ড স্টেজে যাওয়া আটকানো যাবে তো?
29th  March, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
একনজরে
 নিউ ইয়র্ক, ২৭ মে: আবার মুখোমুখি মাইক টাইসন ও ইভান্ডার হোলিফিল্ড। চ্যারিটি লড়াইয়ে অংশ নেওয়ার জন্য প্রাক্তন দুই হেভিওয়েট বক্সিং চ্যাম্পিয়ন অবসর ভেঙে রিংয়ে ফিরছেন। এই লড়াইয়ের দিন ঠিক হয়েছে ২৬ জুন। উল্লেখ্য, হোলিফিল্ডের বয়স এখন ৫৮ বছর। তাঁর থেকে ...

সংবাদদাতা, গাজোল, রতুয়া ও পতিরাম: জামাইষষ্ঠীতে মালদহের বাজারগুলিতে পোল্ট্রির মাংসের দাম বাড়ল প্রায় দ্বিগুণ। দু’এক সপ্তাহ আগেও ইংলিশবাজার ও পুরাতন মালদহ শহরের বাজারগুলিতে পোল্ট্রির মুরগীর ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: লকডাউনে কাজ হারানো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাড়ে আট হাজার মানুষকে প্রচেষ্টা প্রকল্পে মাথাপিছু ১০০০ টাকা দিল রাজ্য সরকার। লকডাউনে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ‘স্নেহের পরশ’ এবং কাজ হারানো দুঃস্থ মানুষদের জন্য ‘প্রচেষ্টা’ প্রকল্প ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে পঙ্গপালের হামলার কোনও সতর্কবার্তা এখনও জারি করেনি কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রক। কিন্তু, রাজ্য কৃষিদপ্তরের আধিকারিকরা বলছেন, উত্তর ও পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলির তুলনায় অনেক ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যাধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪২ - লন্ডনে প্রথম ইনডোর সুইমিংপুল চালু
১৮৮৩- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনায়ক দামোদর সাভারকারের জন্ম
১৯২৩- রাজনীতিক ও তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এনটি রামা রাওয়ের জন্ম
২০১০- পশ্চিমবঙ্গে জ্ঞানশ্বেরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪১জনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৬.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯৪.১২ টাকা
ইউরো ৮১.২৯ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ৪৬/১৯ রাত্রি ১১/২৮। পুষ্যা নক্ষত্র ৬/১৬ দিবা ৭/২৭। সূর্যোদয় ৪/৫৬/১৭, সূর্যাস্ত ৬/১১/২০। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৩ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৪ মধ্যে।
১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৮/৫৩। পুষ্যানক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৩৫ পরে অশ্লেষানক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৪৫। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪০ গতে ৬/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ গতে ৯/১০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৪ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৫ গতে ১২/৫৫ মধ্যে।
৪ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ২,১৯০ জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৬,৯৪৮ 

27-05-2020 - 09:09:17 PM

 কলকাতার উপর দিয়ে ঝড় বইল ঘণ্টায় ৯৬ কিমি বেগে

27-05-2020 - 07:45:15 PM

বাংলায় করোনায় আক্রান্ত আরও ১৮৩ 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

27-05-2020 - 07:08:26 PM

অসমে নতুন করে আক্রান্ত আরও ৬০
অসমে নতুন করে আরও ৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। ...বিশদ

27-05-2020 - 06:56:31 PM

একদিনে তামিলনাড়ুতে করোনা আক্রান্ত ৮১৭
একদিনে তামিলনাড়ুতে ৮১৭ জনের শরীরে মিলেছে করোনার জীবাণু। মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

27-05-2020 - 06:50:00 PM

শুরু হল বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টি 
কলকাতা সহ জেলাগুলিতে শুরু হয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়বৃষ্টি। যদিও আবহাওয়া ...বিশদ

27-05-2020 - 06:43:33 PM